Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    কালীগুণীন ও চতুরঙ্গের ফাঁদ – সৌমিক দে

    March 24, 2026

    কপিলাবস্তুর কলস – প্রীতম বসু

    March 23, 2026

    তালদিঘিতে ভাসিয়ে দেব – সায়ক আমান

    March 23, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    উত্তরসাধক – বাণী বসু

    বাণী বসু এক পাতা গল্প289 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    উত্তরসাধক – ২০

    অধ্যায় : ২০

    মেডিক্যাল কলেজের ইনটার্নী মৈথিলী ত্রিপাঠীর দিনগুলো খুব ব্যস্ত কাটছে। ভীষণ খাটতে হচ্ছে। এদিকে, সেদিকে। আবার এই দম-বন্ধ-করা কাজ আছে বলেই হয়ত বাঁচোয়া। বেশ কিছু দিন ধরে তার মনটা খুব বিষন্ন হয়ে আছে। বার বার সে এই মন খারাপটাকে ঝেড়ে ফেলে দেবার চেষ্টা করছে, পারছে না। মেডিক্যাল কলেজ থেকে বেরিয়ে সে উত্তরমুখো হাঁটতে লাগল। এখন উত্তর-দক্ষিণ কোনও দিকেই চট করে ওঠার মতো বাস-ট্রাম পাওয়া যাবে না, তাকে যেতে হবে চিত্তরঞ্জন অ্যাভিনিউয়ের মাঝামাঝি একটা জায়গায়। প্রমিতকে এখানেই একটা নার্সিংহোমে দেওয়া হয়েছে আজ বেশ কিছু দিন হয়ে গেল। ডাক্তার আপাতত সময় নিয়েছেন চার মাস। হয়ত তার চেয়েও বেশি লাগতে পারে। প্রমিতের যন্ত্রণা চোখে দেখা যায় না। প্রমিত, উজানের সঙ্গে ছোট থেকে এক স্কুলে পড়েছে সে। ওদের সঙ্গে সে খুবই ঘনিষ্ঠ। প্রমিত যে এইভাবে তাদের চোখ এড়িয়ে মাদকাসক্ত হয়ে পড়বে, এটা তার কাছে একটা অবিশ্বাস্য ব্যাপার বলে মনে হচ্ছে। উত্তর কলকাতার বিবেকানন্দ রোডে প্রমিতদের একটা ফ্ল্যাট বছর তিনেক আগে খালি হয়ে যায়। প্রমিত মায়ের কাছ থেকে সেই ফ্ল্যাটটা ছাত্রসংঘের নাম করে চেয়ে নেয়। সেখানেই আসত ওর নেশার সঙ্গীসাথীরা। ওখান থেকেই ওরা প্রমিতকে শেষ পর্যন্ত উদ্ধার করে। সবচেয়ে ভয়ের কথা হচ্ছে, মাত্র এই তিন-চার বছরের মধ্যে প্রমিত হেরোইন তো নিয়েইছে, মিফকুয়ালোনের বড়ি খেয়েছে, হ্যালসিনোজেনস গ্রুপের ড্রাগ পর্যন্ত নিয়েছে। ডাক্তার বলছেন ওর অবস্থা খুবই খারাপ। জটিল। প্রমিতের ঘটনাটা জানবার পর এসব নিয়ে একটু আধটু পড়াশোনা করেছে মৈথিলী। কিরকম ছেলেমেয়েরা সাধারণত ড্রাগ অ্যাডিক্ট হয় তার মনস্তাত্ত্বিক বিবরণ বেশ কয়েকটা পড়া হল। বিবাহ-বিচ্ছিন্ন বাবা-মার সন্তান, নানারকম সাংসারিক অশান্তি, বাবা-মার অমনোযোগ, উচ্চাকাঙক্ষার পূরণ না হওয়া, ক্রনিক অসুখ এইরকম নানা কারণ থাকে এর পেছনে। কিন্তু প্রমিতের সঙ্গে সে এসব মেলাতে পারছে না। প্রমিতের অবশ্য বাবা পাঁচ ছ বছর হল মারা গেছেন, কিন্তু মা ছেলেঅন্ত প্রাণ। তিনি অপেক্ষা করে বসে আছেন কবে ছেলে য়ুনিভার্সিটির পাট চুকিয়ে তার বাবার ব্যবসার হাল ধরবে। তিনি এখন বিশ্বস্ত কর্মচারীদের সাহায্যে কোনমতে চালিয়ে নিচ্ছেন। প্রমিতের স্বাস্থ্য ভালো। তার ফ্রাসট্রেশনের কোনও কারণই তো আপাতদৃষ্টিতে ধরা পড়ে না। ইদানীং সে নিজে মারুতি চালিয়ে সায়েন্স কলেজে যাচ্ছিল। তার বাবার মৃত্যুর কারণে যদি নিরাপত্তাবোধের অভাব কারো ঘটে, তো সেটা রঞ্জুমাসীর ঘটবে। ধনী গৃহবধূ। তিনি কোনদিন বাইরের কাজে অভ্যস্ত ছিলেন না। স্বামীর আকস্মিক মৃত্যুর পর ব্যবসা গুটিয়ে নিতে চেয়েছিলেন। কর্মচারীরা এসে কান্নাকাটি করতে লাগল। তাদের রুজি বন্ধ হয়ে যাবে। তখন সেই অনভিজ্ঞ, অনভ্যস্ত হাতে হাল ধরলেন তো! এ সব প্রমিতের কাছেই ওরা শুনেছে বেশি। মাকে নিয়ে প্রমিতের যথেষ্ট গর্ব। গর্ব করার কারণ আছে। সেই প্রমিত এইভাবে ড্রাগের শিকার হয়ে গেল? ড্রাগ ধরার কথা তো তার! বিনা মেঘে বজ্রপাতের মতো যার মা স্বেচ্ছানির্বাসন নিয়েছেন আজ দু বছর হয়ে গেল!

     

    আরও দেখুন
    ডিজিটাল বই
    অনলাইন বুকস্টোর
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি কালি
    Library
    পিডিএফ
    বাংলা ফন্ট সাবস্ক্রিপশন
    লেখকের বই
    বই ডাউনলোড
    বাংলা বইয়ের প্রিন্ট কপি
    বইয়ের

     

    আকাশটা আজ কালচে হয়ে আছে। মনে হয় বৃষ্টি হবে, হোক। তার আগে প্রমিতের খবরটা নেওয়া দরকার। এখনও ওরা দেখা করতে দিচ্ছে না কাউকে। মাসী হয়তো এসে বসে থাকবেন, মৈথিলীরা গেলে তাঁর ভালো লাগবে। কাকুর মৃত্যুতেও উনি এতোটা ভেঙে পড়েননি! আকাশের দিকে তাকিয়ে সে তাড়াতাড়ি পা চালাল।

    মন খারাপের কারণ আরো একটা আছে। গুঞ্জন। গুঞ্জনের বাবা এয়ারফোর্সে আছেন। বরাবরই বদলির চাকরি। গুঞ্জন বোর্ডিঙে, হোস্টেলে মানুষ। ছোট থেকে মৈথিলী, লুকু, প্রমিত, উজানের সঙ্গে ওর মেলামেশা। খুব স্মার্ট, করিৎকর্মা মেয়ে। গ্র্যাজুয়েশনের পর ও ইনটিরিয়র ডেকারেশনের একটা ট্রেনিং নিয়েছিল। ওর রীতিমতো প্রতিভা আছে এ বিষয়ে। ভালো টাকা রোজগার করছিল ও। আর ক’মাস পর ভিসার ব্যবস্থা হয়ে গেলেই ও আমেরিকা চলে যাচ্ছে। প্রধানত এগজিকিউটিভ হবার ইচ্ছে ওর। এখানকার কোনও প্রতিষ্ঠানে এম. বি. এ করার সুযোগ পেল না। পরীক্ষা দিয়ে দিয়ে জেরবার হয়ে গেছে। বলছিল—‘রোজগার করছি ভালোই। কিন্তু জানিস মৈথিল, আমাকে ওরা চেক পেমেন্ট করে না। সব ক্যাশ। অর্থাৎ দু নম্বরী টাকা। আমাদের মতো যত জন আছে সবাইকেই। যখন একটা অ্যাসাইনমেন্ট থাকে কিভাবে খাটিয়ে নেয়, ধারণা করতে পারবি না, শনি-রবিবার বলে কিছু নেই, দিন রাত বলে কিছু নেই। প্রাণ দিয়ে কাজ করি। কয়েকটা নোট ঠেকিয়ে দেয়। টাকাটা ভালোই। কিন্তু কোনও নিয়মিত চাকরি নয়, ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট খোলার মুশকিল। যে কোনওদিন চাকরি চলে যেতে পারে, প্রভিডেন্ট ফান্ড, এটা-ওটা অ্যালাওয়্যান্স ইত্যাদি যেসব সুবিধে যে কোনও নিয়মিত চাকরির থাকে, তার কিছুই আমার নেই। একেবারে শূন্যে ভাসমান।’ ওর মামা আছেন ওয়াশিংটনে। তাঁর সাহায্যেই ও চলে যাচ্ছে, দুটো তিনটে জায়গায় এম. বি. এতে সুযোগ পেয়েছে। ফিরে আসবে কি না ভবিষ্যতই জানে! ছাত্রসংঘের কেন্দ্রীয় সমিতি থেকে এই রকম মূল্যবান দুজন কর্মীকে হারিয়ে তার মনটা বিষন্ন হয়ে আছে। শুধু কর্মীই নয়, বন্ধুও তো!

     

    আরও দেখুন
    রেসিপি বই
    বাংলা স্বাস্থ্য টিপস বই
    PDF বই
    নতুন বই
    লাইব্রেরি
    বইয়ের
    বাংলা সাহিত্য ভ্রমণ
    বাংলা ডিকশনারি অ্যাপ
    স্বাস্থ্য টিপস
    বাংলা বইয়ের আলোচনা ফোরাম

     

    মেধাদি জানেন সবই। প্রমিতের নার্সিংহোমে তিনি নিয়মিত হাজিরা দিচ্ছেন। গুঞ্জনের ব্যাপারটা শুনেও তিনি একই রকম শান্ত, অবিচলিত। বলছেন—‘আমি তো তোকে অনেক আগেই বলেছি মৈথিলী, নিজেদের ওপর খুব বেশি নির্ভর করিসনি। তোদের পরে, তার পরে, তার পরেও যদি তোদের বয়সী ছেলেমেয়েরা নিয়ম করে কাজটা করে যায় তবেই তোদের কাজ সত্যি সত্যি সার্থক হবে। গুঞ্জন তো তিন চার বছর যথেষ্ট খাটাখাটনি করেছে, তার চেয়ে বেশি সময় দিতে পারত ভালো। না পারে, তাতেও ইতরবিশেষ হওয়া উচিত নয়।’ গুঞ্জনের ভিসা যে কোনওদিন বেরোতে পারে, তাই ওর ফেয়ার ওয়েল উপলক্ষ্যে গতকাল মেধাদির বাড়িতে তাদের কয়েকজনের নিমন্ত্রণ ছিল। দিদি করেছিলেন খুব চমৎকার চিংড়িমাছের স্টু। ছোট ছোট রুটি বা ফুলকা তৈরি করল গুঞ্জন নিজে। উজান ওর বাবার রান্না মাংস এনেছিল। লুকু নিজে হাতে মালপো করেছিল। মৈথিলীর বৈজুদা করে দিল রাশিয়ান স্যালাড। দেবপ্রিয়ই একমাত্র যে বাসন-ধোয়া ছাড়া বিশেষ কিছু করল না। বুল্টুটা পর্যন্ত মনে করে ওর মায়ের ভাঁড়ার ঘর থেকে এক বোতল আমের আচার হাতিয়ে এনেছিল। দিদি বললেন—‘গুঞ্জন তুই তোর পছন্দমতো শিক্ষার জন্য চলে যাচ্ছিস আপাতত, তোর ভবিষ্যতের প্ল্যান কি?’

     

    আরও দেখুন
    বাংলা সাহিত্যের কোর্স
    ই-বই পড়ুন
    বাংলা বইয়ের প্রিন্ট কপি
    বই ডাউনলোড
    বাংলা লেখকদের সাক্ষাৎকার
    বাংলা গানের লিরিক্স বই
    বই
    বাংলা রান্নার রেসিপি বই
    বাংলা কৌতুক বই
    বাংলা ডিকশনারি অ্যাপ

     

    গুঞ্জন বলল—‘অনেস্টলি আমি জানি না মিস। আমার মামা বলছেন ইন্ডিয়ায় এভাবে বেঁচে থাকার চেয়ে আমেরিকায় সেকেন্ড ক্লাস সিটিজেন হয়ে থাকাও অনেক ভালো। আমাকে সেখানে গিয়ে দেখতে হবে তাঁর কথা সত্যি কিনা। সত্যি হলেও ওভাবে বাঁচতে হয়ত আমার সম্মানে বাধবে। তাছাড়াও বাবার রিটায়ারমেন্টের সময় হয়ে এলো, বাবার ইচ্ছে কলকাতাতেই কোথাও কাজ নেন। বরাবরের মতো বাবা-মাকে ছেড়ে থাকার আমার ইচ্ছে নেই। এতদিন তো হোস্টেলে হোস্টেলেই কেটে গেল। একটা কথা আপনাকে জিজ্ঞেস করব মিস?’

    দিদি বললেন—‘কর, করে ফেল। অনুমতি চাইছিস যখন, খুব গোলমেলে কিছু জিজ্ঞেস করবি মনে হচ্ছে।’

    —‘আপনি তো অনেক বছর ছিলেন, আপনি কী ফীল করতেন? কেন ফিরে এলেন?’

    দিদি বললেন—‘আমি যখন ফিরেছি, তখন আমার বাবা-মা কেউই আর বেঁচে ছিলেন না, আমার বোনের সঙ্গে বরং ওখানে থাকতেই বেশি দেখা হত। ছাত্রছাত্রীরা খুব পছন্দ করত, পড়াশোনার ব্যবস্থা এত ভালো যে, পড়াটা ওখানে একটা আলাদারকম আনন্দের ব্যাপার হয়ে দাঁড়ায়।’ দিদি চুপ করলেন।

     

    আরও দেখুন
    বাংলা বইয়ের প্রিন্ট কপি
    বই ডাউনলোড
    বইয়ের
    উপন্যাস সংগ্রহ
    ডিজিটাল বই
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি কালি
    গ্রন্থাগার
    বাংলা ডিকশনারি অ্যাপ
    লেখকের বই
    বাংলা বইয়ের উপহার কার্ড

     

    কিছুক্ষণ পর গুঞ্জন বলল—‘তো?’

    দিদি একটু লাজুক হেসে বললেন—‘জানিস, আমার প্রতিদিন মনে হত বড় লজ্জাকর ভাবে হেরে যাচ্ছি। আমেরিকা দেশটা তো ইমিগ্রান্ট্‌স্‌দেরই দেশ। এই বহু জাতি, বহু ভাষা, বহু ধর্ম, বিশাল ব্যাপ্তি। তবু তো শান্তি, শৃঙ্খলা, বৈজ্ঞানিক উন্নতি, সেই উন্নতিকে সাধারণ মানুষের দুয়ারে পৌঁছে দেওয়া সবই সম্ভব হচ্ছে। আমাদের দেশে ভাষা ধর্ম জাতির ভিন্নতা নিয়েই তো চিরকালের বসবাস। যাতে এই সব ভিন্নতা সত্ত্বেও সবাই মানুষের মতো বাঁচতে পারি সেই ফর্মূলাটা আমরা কেন কিছুতেই বার করতে পারছি না? কেনই বা পারবো না! এই ভাবনাটা আমায় সবসময়ে কামড়াত।’

    লুকু বলল ‘কিন্তু দিদি, ইতিহাস তো বলছে ভারতবর্ষ বরাবরই বিচ্ছিন্ন। একমাত্র মুঘল শাসন এবং ইংরেজ শাসনের আওতায় এসে তবে ভারত এক হয়েছে। তার আগে পরস্পরের মধ্যে যুদ্ধ-বিগ্রহ তো চলতই!’

    দিদি বললেন—‘তুই অশোককে ভুলে যাচ্ছিস। অশোকের সময়ে তো এ সমস্যা ছিল না!’

    —‘সে সময়ে সেতুবন্ধনের মূল সূত্রটা কি ছিল? বৌদ্ধ ধর্ম?’

     

    আরও দেখুন
    রেসিপি বই
    বইয়ের
    কৌতুক সংগ্রহ
    বাংলা স্বাস্থ্য টিপস বই
    বুক শেল্ফ
    বাংলা ফন্ট সাবস্ক্রিপশন
    বাংলা ই-বুক রিডার
    PDF বই
    বাংলা বইয়ের উপহার কার্ড
    বাংলা বইয়ের আলোচনা ফোরাম

     

    —‘বোধহয় না। ধর্ম না। অশোক তো বৌদ্ধধর্ম কারো ওপর চাপিয়ে দেননি!’ গুজ্ঞন এই সময়ে বলল— ‘দিদি, ধর্ম না হলেও, বোধহয় ধর্মের এসেন্স।’

    দিদি বললেন—‘ঠিক। ধর্মের সার। টলারেন্সের শিক্ষা। বৃদ্ধ পিতা-মাতা, প্রতিবেশী, পশুপাখি, ভিন্ন জাতি ধর্ম সবই এই টলারেন্সের আওতায় পড়ে। ইতিহাসকে বিশ্লেষণ করে আমরা এইটুকু পাই। কিন্তু পুরনো ইতিহাসের ছাঁচে কি আর নতুন করে সমাজকে গড়া যায়? অশোকের অনুশাসন এখন মাস-মিডিয়া চতুর্দিকে ছড়িয়ে দিচ্ছে, তার ফল কি পুরোপুরি ফলছে? সমাজ এখন অনেক জটিল, সমস্যাও অনেক বেশি। মূল দুর্বলতাটা কোথায় জানিস? কুশিক্ষা। অশিক্ষা। অশিক্ষা তবু এক রকম, কিন্তু কুশিক্ষা অতি ভয়ানক।’

    দেবপ্রিয় বলল—‘এই কুশিক্ষাকে ইচ্ছে করে জিইয়ে রাখা হচ্ছে চতুর্দিকে। রাজনীতির ভোটের স্বার্থে, ব্যবসাদারের মুনাফার স্বার্থে, মোল্লার ক্ষমতার স্বার্থে। শুধু একটা নাম সই করবার ক্ষমতা আবার শিক্ষা নাকি? ডিসক্রিমিনেশন চাই। বিচার-বুদ্ধি চাই।’

     

    আরও দেখুন
    বইয়ের
    গ্রন্থাগার
    বাংলা স্বাস্থ্য টিপস বই
    বাংলা ফন্ট সাবস্ক্রিপশন
    কৌতুক সংগ্রহ
    বই ডাউনলোড
    ডিকশনারি
    PDF
    PDF বই
    বাংলা গানের লিরিক্স বই

     

    দিদি উজ্জ্বল মুখে বললেন—‘একমাত্র এই বিচারবুদ্ধিসম্পন্ন শিক্ষাই আমাদের পঁচাশি কোটিকে মানুষের মতো বাঁচবার সামর্থ্য দেবে। চতুর্দিকে খালি শুনি জনগণ এখন নাকি পূর্ণমাত্রায় রাজনৈতিক সচেতনতা অর্জন করেছে, ছাত্ররাও। কথাটা ঠিক বলা হয় না। জনগণ কেউ এ দলের কেউ ও দলের কথা শুনে চলে অন্ধের মত, আর ছাত্ররা রাজনীতি করে আজকাল কেরিয়ার হিসেবে : চাকরি, মান, সম্মান ইত্যাদির আশায়। আসলে আমরা যদি নিজেদের ভালো-মন্দটা না বুঝি সরকার কতদূর করবে? সরকার কখনই আমাদের সামাজিক ব্যবস্থার চূড়ান্ত গলদগুলো সরাতে পারবে না। যেমন পারেনি মুসলিম নারীস্বার্থ রক্ষা করতে, যেমন পারেনি পণপ্রথা রুখতে। যেটুকু হয়েছে সমাজের ভেতর থেকে হয়েছে। সু-শিক্ষার দরুন। দ্যাখ গুঞ্জন, এই সুশিক্ষা কি? ইংরেজি শিখে দিবারাত্র মিলস অ্যান্ড বুন্‌স্ পড়তে পারার শিক্ষা নয়, বা টি ভি আর কাগজের বিজ্ঞাপন দেখে ঘর সাজাবার জন্য উন্মত্তের মতো কালো টাকা রোজগার করার ধান্দা করতে পারার শিক্ষাও নয়। এই শিক্ষার পুরো চেহারাটা কি তাই নিয়ে ভাবতে ভাবতে আমি দেশে ফিরেছি। যদি ওদেশে থাকতাম পুরো অ্যাকাডেমিক হয়ে যেতাম। তাতেও খুব সুখী হতাম। কিন্তু অনেকদিন আগে থেকেই আমার একটা কথা মনে হত…কনসেপচ্যুয়ালাইজেশন অর্থাৎ তত্ত্ব তৈরি করার অভ্যাসটা একদিক থেকে বড় বিপজ্জনক। তত্ত্ব তৈরি হয় বহু তথ্যের বৈজ্ঞানিক বিশ্লেষণ করে, তবেই। অথচ কি পরিহাস দ্যাখ, যে মুহূর্তে তত্ত্ব তৈরি হয়ে গেল, তাকে আমরা অভ্রান্ত সত্য বলে ব্যবহার করতে আরম্ভ করি। আর তার ছাঁচে ফেলতে থাকি চলিষ্ণু এই মানব সমাজকে। দেশ-কাল-পাত্রের কথা ভাবি না। প্রত্যেকটি ধর্মগুরুর শিক্ষা নিয়ে আমরা এই করেছি। কৃষ্ণ, বুদ্ধ, খৃষ্ট, মহম্মদ, শ্রীচৈতন্য সব। প্রত্যেকটি সেকুলার তাত্ত্বিকের শিক্ষা নিয়েও নিয়ত এই করে চলেছি, সবচেয়ে বড় উদাহরণ মার্কস। জাগ্রত বুদ্ধি অর্থাৎ দেব যাকে বলছে ডিসক্রিমিনেশন তা-ও বটে, আবার কনশেন্স যাকে বলে তা-ও। দুটোই যে সমাজে পূর্ণমাত্রায় রয়েছে একমাত্র সেই সমাজেরই অধিকার আছে তত্ত্ব নিয়ে নাড়াচাড়া করার। সুশিক্ষার সিলেবাসটা কি হবে ভাবতে ভাবতেই আমার দেশে ফিরে আসা। আর, নিজের দেশ ছাড়া কোথায়ই বা এর গবেষণা করব? দেশকে ত্যাগই বা করতে যাবো কেন? সামান্য ব্যক্তিগত অসুবিধার জন্য?’

     

    আরও দেখুন
    বুক শেল্ফ
    বাংলা বইয়ের আলোচনা ফোরাম
    অনলাইন বুকস্টোর
    বাইশে শ্রাবণ
    বইয়ের তালিকা
    নতুন বই
    লাইব্রেরি
    ডিজিটাল বই
    Library
    বাংলা হস্তলিপি কুইল

     

    গুঞ্জন বলল—‘মিস, আপনি তো সাধারণ মানুষ নন!’

    —‘সেইজন্যে মুষ্টিমেয় তথাকথিত অসাধারণ মানুষের হাতে যাবতীয় দায় তুলে দিয়ে তোরা আত্মসুখ তৃপ্তির উদ্দেশ্যে চলে যাবি গুঞ্জন? সবাই ভাববি, ওরা তো আছে, ওরা করবে! অথচ এতদিনে তোরা নিশ্চয়ই বুঝেছিস সংঘবদ্ধ কর্মের যা ক্ষমতা কোনও ব্যক্তিমানুষের দ্বারা তা হবার নয়।’

    দিদির কথায় ক্রোধ ছিল না, হতাশা ছিল না, খুব সূক্ষ্ম একটা আর্তি কি ছিল? কি যে ছিল মৈথিলী বলতে পারবে না। সে নড়ে চড়ে বসেছিল। উজান হঠাৎ বলেছিল—‘গুঞ্জন যেখানে যায় যাক দিদি আমরা যাচ্ছি না। আমরা মানে আমরা এই কজন নয় শুধু, ছাত্রসংঘের দেড় লাখ সদস্য। এই দেড় লাখ অঙ্কটা ক্রমশ বাড়তে থাকবে, তবে কিছু যোগ, কিছু বিয়োগের পর এই দেড় লাখ সংখ্যাটা সবসময়ে থাকবে। সেই ব্যবস্থা করাই এখন আমার, দেবের, লুকুর আর মৈথিলের এবং বুল্টুর প্রধান কাজ। আর সব তো এখন রুটিন কাজ হয়ে গেছে। স্বয়ম্ভর হয়ে গেল আজিগ্রাম, কেতুপুর, ফুলতলা। উত্তর চব্বিশ পরগণা, নদীয়া, মুরশিদাবাদ এলাকায় কাজ করছে ছাত্রসঙ্ঘ। রাজাবাজার আর নন্দীর বাগানের বস্তিতে কাজ এগিয়ে চলেছে। এগুলোর একটাও হাতে কলমে আমরা করছি না। ফার্স্ট ইয়ার, সেকেন্ড ইয়ার, থার্ড ইয়ারের ছাত্ররা করছে। এখন হায়ার সেকেন্ডারি থেকেও আসতে চাইছে প্রচুর। তাদের আমরা প্রধানত সংস্কৃতি মেলার কাজগুলো দিই। এই ব্যাপারগুলোর আসলে গুঞ্জন এতদিন সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য ছিল। মধুচ্ছন্দাদির কাছ থেকেও ও অনেক শিখেছে। কিন্তু আরও অনেক সদস্য আছে। তাদের মধ্যে থেকে অনেকেই ওর জায়গা নিতে পারবে। দিদি, আপনার ছাত্ৰশৃঙ্খল তৈরি হয়ে গেছে।’

     

    আরও দেখুন
    বাংলা সাহিত্য
    বাংলা বইয়ের আলোচনা ফোরাম
    বই পড়ুন
    বইয়ের তালিকা
    বাংলা ই-বুক রিডার
    ডিজিটাল বই
    PDF
    নতুন বই
    বই
    উপন্যাস সংগ্রহ

     

    বুল্টু এই সময়ে গোঁজ মুখে বলেছিল—‘গুঞ্জন অ্যাভারেজ ইন্ডিয়ানের থেকে অনেক ভালো অবস্থায় আছে। দু আড়াই হাজার টাকা মাসে রোজগার করছে। ওর বাবা এয়ার-ফোর্সের লোক। এবার নিশ্চয়ই সিভিল এভিয়েশনে এসে বসবেন। ওর জীবনে ইন্ডিয়ার স্বাভাবিক নিয়মেই শীগগীরই অনেক সুযোগ আসবে। তাছাড়া যতই যাই বলুক, বিয়ে করলে ওর কেরিয়ারের ওইরকম ভাইট্যাল প্রয়োজনীয়তা থাকছে কি? ওর চিরদিনের জন্য দেশ ছাড়ার কোনও যুক্তি নেই। সোজাসুজি বল না বাবা গরিব দেশে আর পোষাচ্ছে না, তোরা তো ভারতবর্ষের সাধারণ ছেলে মেয়ের মতো মানুষ হসনি। এয়ারকুলার, ক্যাডিল্যাক, তাজ-বেঙ্গলের আবহাওয়ায় মানুষ, ইন্ডিয়া ইজ ন্যাস্টি, ম্যারিকাই তোদের আসল লক্ষ্য। কেমন সুন্দর বুশ গভমেন্ট সব করে কম্মে দিচ্ছে। সারাদিন খেটে-খুটে সন্ধেবেলায় সেন্ট্রালি হিটেড রুমে বসে একটু মদ্যপান এবং একটু সোপ দেখা! মাঝে মাঝেই গাড়ির ব্র্যান্ড পাল্টানো। বন্ধু-বান্ধবরা মিলিত হলেই, কত ডলার থেকে কত ডলারে জাম্প করলি আলোচনা করবি। লাস ভেগাসে যাবি, জুয়ো খেলবি, রেস খেলবি…।

    গুঞ্জন এই সময়ে বলল—‘স্টপ ইট বুল্টু, স্টপ ইট প্লীজ।’

    বুল্টু বলল— ‘মনে কিছু করিস নি। আমি বি এস সিটা পাশ করার পরে একটা সুযোগ পেয়েছিলুম, মায়ের আর মেধাদির মুখ মনে করে যেতে পারলুম না। আচ্ছা দিদি, আমাকে ছাত্রসঙেঘর অ্যাকটিভ মেমবার করে কিছু অ্যালাউয়েন্স-টেন্স দেবার ব্যবস্থা করতে পারেন না? বাবার রিটায়ার করার সময় হয়ে এলো। দিদির বিয়ে ইমিনেন্ট। দিদিটা ভালো রোজগারপাতি করছিল তো হেন্‌স্ ফোর্থ সেটা দিদির বরের পকেটে যাবে!’

     

    আরও দেখুন
    বাংলা বইয়ের আলোচনা ফোরাম
    Library
    বইয়ের
    স্বাস্থ্য টিপস
    বাংলা বই
    বইয়ের
    ডিকশনারি
    লেখকের বই
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি কাগজ
    বই

     

    দিদি বললেন : ‘বুল্টু তুই ইকনমিক্স নিয়ে পাস করলি। কম্প্যুটর শিখেছিস। চাকরি চট করে জুটে যাবে। যদি নাও যায় তোকে প্রতিষ্ঠিত করবার জন্য ছাত্রসঙ্ঘ সুদ ছাড়া টাকা ধার দেবে। ঘাবড়ে যাবি না একদম। ছাত্রসঙ্ঘ শুধু অন্যলোকের জন্য নয়, তোদেরও জন্য। কাউকে কষ্ট পেতে আমরা দেবো না। আর তোর দিদির সঙ্গে আমি কথা বলব। দিদির উপার্জন জামাইবাবুর পকেটে যাবে মানে? তোর দিদি যেমন ভালো বুঝবে খরচ করবে। ছেলে আর মেয়েকে আজকাল মধ্যবিত্ত বাবা মা সমান যত্ন ও খরচ করে তৈরি করে। মেয়েদের দায় নেই?’

    গুঞ্জন এই সময়ে সংক্ষিপ্ত কয়েকটা কথা বলে— ‘মিস, আমি কোর্সটা শেষ করে হয়ত কিছুদিন চাকরি করবো। তারপর ফিরে আসব।’

    —‘যদি ওখানেই বিয়ে করিস। করতেই পারিস।’

    —‘না, পারি না।’ গুঞ্জন গোঁয়ারের মতো বলে, ‘আমি এখানে এসে বিয়ে করব।’

    নার্সিং হোমে পৌঁছবার আগেই বৃষ্টি নামল। মৈথিলী ছাতা ব্যবহার করে না। বাড়িগুলোর গাড়িবারান্দার তলায় দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে যখন শেষ অবধি পৌঁছল তখন নাসিং হোমের অফিস বন্ধ করে দিচ্ছে। রঞ্জুমাসীর গাড়ি স্টার্ট দিচ্ছে। মৈথিলী ছুটতে ছুটতে গিয়ে ধরল। —‘মাসি! মাসি!’ ‘ঘ্যাঁচ্‌’ করে থেমে গেল মারুতি।

     

    আরও দেখুন
    Books
    অনলাইন বুকস্টোর
    বাংলা ডিকশনারি অ্যাপ
    বাংলা বইয়ের প্রিন্ট কপি
    বইয়ের
    বাংলা বই
    Library
    বাংলা গানের লিরিক্স বই
    ই-বই সাবস্ক্রিপশন
    লেখকের বই

     

    প্রমিতের মা দরজা খুলে বললেন—‘উঠে আয়।’ মৈথিলীর গায়ে হাত দিয়ে বললেন— ‘ইস ভিজে গেছিস যে রে!’

    —‘হ্যাঁ মাসি। জিন্‌স্‌টা ভারি লাগছে।’

    —‘চল তোকে তোর বাড়ি পৌঁছে দিয়ে যাই।’

    —‘সেই ভালো। বেশ বৃষ্টি পড়ছে। প্রমিত কেমন আছে মাসি? কিছু খবর পেলেন?’

    —‘ওরা তো বলছে আগের থেকে ভালো। হ্যাঁরে মৈথিলী লুকু কি আজ কালের মধ্যে এসেছিল?’

    —‘আজ যদি এসে থাকে বলতে পারব না। আমিই তো দেরি করে ফেললাম। গতকাল আসেনি জানি। তার আগের দিন আপনি চলে যাবার পর এসেছিল। কেন?’

    একটু চুপ করে থেকে মাসি বললেন— ‘ডাঃ সিনহা জিজ্ঞেস করছেন লুকু নামে কি ওর কোনও বান্ধবী আছে! প্রমি নাকি বারবার ওর নামই করে। ওঁরা প্রথম প্রথম নামটা ধরতে পারতেন না। ইংরেজি লুক বলে মনে করতেন। যন্ত্রণার মধ্যে খালি লুক লুক করে চেঁচায়।’

     

    আরও দেখুন
    বাংলা বই
    বাংলা সাহিত্যের ওয়ার্কশপ
    PDF বই
    বাংলা ই-বুক রিডার
    বাংলা অডিওবুক
    বাংলা বইয়ের আলোচনা ফোরাম
    বাংলা স্বাস্থ্য টিপস বই
    বাংলা ডিকশনারি অ্যাপ
    ই-বই পড়ুন
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি কাগজ

     

    মৈথিলী চুপ। হাসি-খুশি রহস্য-পটু প্রমিত যে এতো চাপা স্বভাবের ছেলে এতদিন মিশেও তারা কোনদিন বুঝতে পারেনি। বরং দেবকে ওদের বরাবর রহস্যময়, চাপা বলে মনে হয়েছে।

    একটু পরে মাসি চুপি চুপি কাঁদো-কাঁদো স্বরে বললেন— ‘মৈথিলী তোরা ছোট্ট থেকে এক স্কুলে পড়ছিস। মেলামেশা করছিস। ভাইবোন সম্পর্কটা হওয়াই বেশি স্বাভাবিক ছিল না?’

    মৈথিলী চট করে কিছু বলতে পারল না। মাসির তত্ত্বটা যে তাদের জীবনে একেবারেই খাটছে না। উজানের সঙ্গে তার সম্পর্ক কী অদ্ভুত! ভাইও বটে। বন্ধুও বটে, আবার…আর লুকু তো ঘোষণাই করে দিয়েছে দেব যদি তাকে বিয়ে না করে তো সে আবার ড্রাগ ধরবে। দেব মৃদু মৃদু হেসে বলছে— ‘মৈথিল। লুকু কিন্তু আমাকে ব্ল্যাকমেইল করছে।’ মৈথিলী বলে—‘তো তুই ব্ল্যাকমেইল্‌ড্‌ হস না।’

    —‘একটা বন্ধুলোক এভাবে ড্রাগ-অ্যাডিক্ট হয়ে যাবে, চোখে দেখা যায়?’

    মৈথিলী মাসির হাতটা ধরে রাখল কোলের ওপর। একটু পরে বলল—‘মাসি, তাই-ই তো! আমরা সবাই আছি, ওর ভাই-বোন বন্ধু যা বলেন। প্রমিতকে আমরা স্বাভাবিক করে তুলবই। আপনি ভয় পাবেন না।’

    —‘তুই এমন করে কথা বলিস মনে সত্যিই বল আসে।’ মাসি বললেন, ‘কিন্তু এ সমস্যার সমাধান হবে কি করে? লুকু তো…। তাছাড়া কারুর ভালোবাসার ওপর তো জোর চলে না!’

    —‘মাসি বেসিক্যালি সব ভালেবাসা তো ভালোবাসাই। আন্তরিক টান আর শুভেচ্ছা। এই জায়গায় যদি কোনও গণ্ডগোল না থাকে, তাহলে ভালোবাসার চেহারাটা বোধহয় পাল্টে দেওয়া যায়। এখন আমাদের চারদিকে পটভূমি অনেক বড় হয়ে গেছে। সেই প্রেক্ষিতে দাঁড় করিয়ে দেখতে হবে আমাদের সো-কল্‌ড্‌ ভালোবাসার কতটা পজেসিভ ইনফ্যাচুয়েশন, আর কতটা এই আদি অকৃত্রিম শুভকামনা। আপনি আমাদের ওপর বিশ্বাস রাখুন। আমাদের বলতে প্রমিতের কথাও বলছি কিন্তু।’

    বাকি পথটা দুজনে চুপচাপ এলেন। মৈথিলীর বাড়ির দরজায় তাকে নামিয়ে দিতে দিতে মাসি বললেন— ‘আমি আশা হারাইনি। চট করে হারাই না। তোরা পাশে থাকলে আরও সাহস পাই। কতদিন যে একলা-একলা পথ হাঁটছি।’ তিনি মৈথিলীর হাতটা জড়িয়ে বুকের মধ্যে রাখলেন কিছুক্ষণ। বললেন—‘তোকে বহুদিন ধরে দেখছি, বড্ড ভালো লাগে তোকে আমার, প্রমিতটা লুক লুক করে না চেঁচিয়ে যদি মৈথিলী মৈথিলী করে চেঁচাত আমি বেশি খুশি হতাম।’

    দুজনেই হেসে ফেললেন।

    দরজা খুলে দিল বৈজুদা। একমুখ হাসি। ঝমঝম করে বৃষ্টি পড়ছে। বলল— ‘আবার ভিজেছ তো? বেশ করেছে, রোদে, জলে ভিজে, এতো করে বলি ছাতা নাও, কি ওয়াটারপ্রুফ নাও। যাও তাড়াতাড়ি এই ঝোলাগুলো পালটাও। আমি কফির জল বসিয়ে দিচ্ছি।’

    মৈথিলী নিজের ঘরের পর্দা সরিয়ে দেখল অন্ধকার ঘরে পাখা চলছে। তার বিছানায় কে যেন শুয়ে। সাদা ধবধবে খাদির শাড়ি আর গাঢ় রঙের ব্লাউজ। তার বুকের মধ্যে বিদ্যুৎ চমকে উঠল। এমন ঘন ঘোর বর্ষণমন্দ্রিত অন্ধকার সন্ধ্যায় যখন মৈথিলী মাতৃবিরহ সইতে শিখে গেছে, মা যখন আর তার অবলম্বন মাত্র নয়, বিশুদ্ধ আনন্দে পরিণত হয়ে গেছে, তখন সেই শুভক্ষণে মৈথিলীর মা ফিরে এসেছে।

    মৈথিলী মায়ের পায়ের তলায় সুড়সুড়ি দিল। ধড়মড়িয়ে উঠে বসে অরুণা মুন্নিকে বুকে জড়িয়ে ধরলেন, অস্ফুটে বললেন— ‘ওরা আমাকে ঝাড়খণ্ড মুক্তিমোর্চার ক্যানডিডেট হিসেবে চাইছে মুন্নি। আমি এবার না করেছি। অনেক কাজ করে দিয়েছি মুন্নি। অনেক। টোলায় টোলায় ঘুরে, এ প্রান্ত থেকে ও প্রান্ত…আমার আর মনে কোনও গ্লানি নেই।’

    স্বামীর নিরাপত্তার জন্য না মেয়ের চরিত্র গঠনের জন্য না নিজের কর্মৈষণা পূর্ণ করতে না পিতৃ ভূমির ঋণ শোধ করতে…কিসের জন্য যে অরুণা রাধিকা সারেনের এই নিবার্সন, এই অজ্ঞাতবাস প্রয়োজন ছিল তা একমাত্র জনগণমন অধিনায়ক কোনও ভাগ্যবিধাতাই জানেন!

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleএকুশে পা – বাণী বসু
    Next Article শ্বেত পাথরের থালা – বাণী বসু

    Related Articles

    বাণী বসু

    নূহর নৌকা – বাণী বসু

    November 3, 2025
    বাণী বসু

    ছোটোগল্প – বাণী বসু

    November 3, 2025
    বাণী বসু

    অন্তর্ঘাত – বাণী বসু

    November 3, 2025
    বাণী বসু

    খনামিহিরের ঢিপি – বাণী বসু

    November 3, 2025
    বাণী বসু

    খারাপ ছেলে – বাণী বসু

    November 3, 2025
    বাণী বসু

    মোহানা – বাণী বসু

    November 3, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    কালীগুণীন ও চতুরঙ্গের ফাঁদ – সৌমিক দে

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    কালীগুণীন ও চতুরঙ্গের ফাঁদ – সৌমিক দে

    March 24, 2026
    Our Picks

    কালীগুণীন ও চতুরঙ্গের ফাঁদ – সৌমিক দে

    March 24, 2026

    কপিলাবস্তুর কলস – প্রীতম বসু

    March 23, 2026

    তালদিঘিতে ভাসিয়ে দেব – সায়ক আমান

    March 23, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }