Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    কালীগুণীন ও চতুরঙ্গের ফাঁদ – সৌমিক দে

    March 24, 2026

    কপিলাবস্তুর কলস – প্রীতম বসু

    March 23, 2026

    তালদিঘিতে ভাসিয়ে দেব – সায়ক আমান

    March 23, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    উত্তরসাধক – বাণী বসু

    বাণী বসু এক পাতা গল্প289 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    উত্তরসাধক – ৬

    অধ্যায় : ৬

    গলার ব্যথায় লুকু ভীষণ কষ্ট পাচ্ছে। লুকুর যে কত ব্যথা! কখনও হাত-পা ব্যথা। কখনও মাথা ব্যথা, কখনও বুকের মধ্যেটা ভারি হয়ে থাকে। এ সব সে কাউকে বলে না। বাবাকে তো নয়ই। বন্ধু-বান্ধবদেরও নয়। তার সবচেয়ে ঘনিষ্ঠ বন্ধু মুন্নি, মৈথিলী। কিন্তু ছোটবেলায় তারা যেমন অবিচ্ছেদ্য ছিল, এর পুতুল ওকে দিত, জামাকাপড় বদলি করত, এখন আর তেমন নেই। মৈথিলীর দৈত্যের মতো স্বাস্থ্য, একেক সময়ে তাকে দেখলে মনে হয় সে যেন ব্যাসল্ট কি গ্রানাইট পাথর দিয়ে গড়া। দেশ, সমাজ আর মানুষ নিয়ে সে এখন এমন মেতেছে যে আপনজনদের কথা শোনবার, ভাববার ফুরসৎ পায় না। লুকুর মনে হচ্ছে মৈথিলীর পথ এবার ক্রমশই তার থেকে আলাদা হয়ে যাচ্ছে। মৈথিলী কাজে মগ্ন, এই বিচ্ছেদ সে বুঝতে পারছে না, লুকু বুঝতে পারছে, বুঝে তার ভেতরের ব্যথা বেড়ে যাচ্ছে আরও। সারাজীবনটা কি শুধু হারাবারই খেলা! কিছুই কি তার প্রপ্তিযোগ নেই! মুন্নিকে একদিনই সে তার স্বাস্থ্যের অবনতির কথা বলেছিল, সে বলল—‘ওই যেগুলো বলছিস লুকু, এগুলো কাদের হয় জানিস?’

    ‘কাদের?’

    —‘একদম অলস, নিষ্কর্মাদের। তুই আরও বেশি কাজ কর লুকু। আর একদম ব্রুড করবি না। ব্রুড করাটা তোর একটা বিলাস হয়ে দাঁড়াচ্ছে।’

    লুকু যেখানে সমর্থন পায় না, সেখানে আর মুখ খোলে না। ব্যাস। আর কোনদিন সে এ সব কথা মৈথিলীকে বলেনি।

    আপাতত তার যা কষ্ট তা ডাক্তারসিদ্ধ। অর্থাৎ স্বয়ং পাস-করা ডাক্তার এসে দেখে, পরীক্ষা করে বিধান দিয়ে গেছেন, এ কোনও অস্পষ্ট শরীর খারাপ নয়, যে ভোক্তা ছাড়া আর কেউ বুঝতে পারে না, সাইকোসোম্যাটিক বলে যেগুলোকে উড়িয়ে দেওয়া সহজ। তার বাঁ কানের তলা ফুলেছে। খেতে পারছে না। গলা গলা ভাত তাও গিলতে পারছে না। উপরন্তু গলায় একটা মাফলার জড়িয়ে রাখতে হয়েছে। নভেম্বরের মাঝামাঝি হওয়া সত্ত্বেও শীত এখনও তেমন পড়েনি। গরম লাগছে তাই। নিজেকে দিনে অন্তত দুবার আপাদমস্তক পরিষ্কার না করলে, লক্ষ্মীশ্রীর নিজের শরীরটাকে কেমন ঘেন্না করে। এখন যেন মনে হচ্ছে গায়ে ইদুঁর-পচা গন্ধ। ডিওডোরান্টটা ভালো করে স্প্রে করে একটু ট্যালকম পাউডার হাতে পায়ে ঘষে নিল সে। চুলগুলো ভালো করে ব্রাশ করল। মা বলত হান্ড্রেড স্ট্রোকস আ ডে। এখন সে ক্ষমতা নেই। একটু যেন ফ্রেশ লাগছে এবার। নিজের ঘরে থাকতে ভালো লাগছে না। ঘরটা যেন তার নিঃশ্বাসে নিঃস্বাসে ভর্তি হয়ে গেছে। নিজের ওপর কি রকম রাগ হচ্ছে। গ্ল্যান্ড হবার আর সময় পেল না! ওরা সকলে কি সুন্দর গ্রামে ঘুরে এলো। নিশ্চয়ই অনেক মজা করেছে। চ্যারিটি শো করতে গিয়েই যা মজা!

     

     

    আচ্ছা…আমার বদলে কি কেউ গিয়েছিল? কে যেতে পারে? মেয়েদের পক্ষে বাড়ি থেকে পারমিশন যোগাড় করা একটু মুশকিল। কলেজ থেকে এক্সকার্শন যাওয়া হচ্ছে সে এক রকম, বন্ধুরা মিলে কোথাও বেড়াতে যাওয়া হচ্ছে সে-ও চলে, কিন্তু কয়েকজন ছেলে-মেয়ে মিলে জনৈক অধ্যাপকের নেতৃত্বে গ্রাম সংস্কার! হরি বলো! কথাগুলো বুল্টুর। সে এইভাবে অভিভাবকদের নকল করে। গুঞ্জনের কি পরীক্ষা আছে। আগেই বলে দিয়েছিল যেতে পারবে না। মউমিতা, সর্বাণী কি বাড়ি থেকে অনুমতি পাবে? তবে কি মৈঘিল একাই গেল? একবার ফোন করে দেখলে হত। কিন্তু গলা খুলতে বড় কষ্ট। তার চেয়ে একটা বই নিয়ে ড্রয়িংরুমে সোফায় গিয়ে বসি। বাবা অফিস থেকে কখন ফিরবে তার ঠিক নেই। ভাইয়ের স্কুল থেকে ফিরতেও বেশ দেরি।

    বাড়িটা একদম ফাঁকা। ড্রয়ার থেকে একটা সিগারেটের প্যাকেট বার করি। ধরাই, হ্যাঁ? দিস ইজ ফান, জাস্ট ফান। আচ্ছা তোমরাই বলো ছেলেরা যত খুশি স্মোক করবে, মেয়েরা কেন করবে না? দুজনেরই যদি কাজকর্ম এক হয়, টেনশন এক প্রকৃতির হয়, সব দিক থেকে সমান… শুধু শরীরের গঠন আলাদা! শান্তনু, প্রমিত, উজান সবাই স্মোক করতে পারে। দেব, হ্যাঁ দেবও টানে লুকিয়ে লুকিয়ে। দেব সব ব্যাপারে শহরের ছেলেদের টেক্কা দিতে পারে, খালি চালচলনে পারে না। এ জন্য ওর একটা কমপ্লেক্স আছে। নির্ঘাৎ তাই ও লুকিয়ে লুকিয়ে সিগারেট খায়। যখন কেউ থাকে না, তখন। কোন মামার বাড়িতে থাকে সেখানে পারে না, নিজের দেশের বাড়িতে পারে না। ওর মেজ জেঠু শকড্‌ হবেন, অন্যদের সামনে সেজে থাকে গুডি বয়। কিন্তু আড়ালে আবডালে ও স্মোক করা ভালোমতো অভ্যেস করছে। হঠাৎ একদিন পা ফাঁক করে দাঁড়িয়ে রিং টিং ছেড়ে সব্বাইকে চমকে দেবার ধান্দা। আমার স্মোক করতে দারুণ লাগে। কি রকম একটা অতিরিক্ত ব্যক্তিত্ব আসে। খুব ভালো করে তখন বুঝতে পারি ছেলেরা কেন এতো স্মোক করে। ব্যক্তিত্বের অভাব, শক্তি সামর্থ্যে স্মার্টনেসে ঘাটতি সবই পুষিয়ে যায় ধোঁয়ায়। যে ছেলেকে এমনিতে কেউ পাত্তা দেয় না, সে-ই যখন ঠোঁটে সিগারেট ঝুলিয়ে, চোখ আধরোজা করে একটু একটু করে ধোঁয়া ছাড়ে, তার চেহারায় একটা আলাদা ডাইমেনশন আসে। লোকে বলবে তুমি মেয়ে, তোমার তো পুরুষত্বের দরকার নেই, তুমি কেন স্মোক করবে, বাজে অভ্যাস ধরবে একটা! পুরুষত্ব মানে কি? বায়োলজিক্যাল পুরুষত্ব একটা হাস্যকর প্রত্যঙ্গ। ওটার জন্যে কোনও দুঃখ নেই। কিন্তু আদেশ করবার ক্ষমতা, যে কোনও কাজে একটা অনায়াস সামর্থ্য এইগুলোর জন্য ভেতরে ভেতরে একটা ভীষণ তাগিদ আছে, বুঝতে পারি এগুলো মুন্নির আছে। জীবনে যদি কিছু করতে হয় তো ওটা চাই। মৈথিল, মৌমিতা, আমি, উজান, গুঞ্জন, প্রমিত সব এক স্কুলের ছাত্রছাত্রী। কেউ এক বছর আগে, কেউ পরে। এইচ. এসের পর একেক জন একেক জায়গায় ছড়িয়ে পড়েছে। আমার ইচ্ছে ছিল আর্কিটেকচার পড়ি। কিন্তু জয়েন্টে পারলাম না। বাবা বলল, ‘হিসট্রিতে তো তোমার বরাবর ভালো মার্ক্স। হিসট্রি নিয়ে পড়াশোনা করো। একেবারেই আর সায়েন্স নয়।’ মৈথিলও তাই বলল। কিন্তু আমরা পুরনো স্কুলের বন্ধুরা সবাই ছাত্রসঙ্খে আছি। নিয়মিত দেখাসাক্ষাৎ হয়। নিজেদের অভিজ্ঞতার কথা আমরা বলাবলি করি।

     

     

    এমনিতেই আমাকে সুন্দর দেখতে বলে, নরম বলে, অনেকে অনেক সুযোগ নেয়। লোকের হাবভাব দেখে মনে হয় রূপ দেখানো আর রূপ দেখিয়ে পাঁচজনকে এনটারটেইন করা ছাড়া আমার আর কোনও কাজ নেই। মউমিতা খালি বলবে—‘তোর আর কি? তোর যা রূপ, মুণ্ডু ঘুরে যাবে, যেখানেই যাবি।’

    —‘আই অবজেক্ট।’ আমি চেঁচাই ‘রূপ আছে আছে, তাই বলে সব কিছুর সাবস্টিট্যুট সেটা নয়।’

    —‘তাহলে অত সাজিস কেন?’

    —চুলের যত্ন, গাত্রত্বকের যত্ন, ম্যাচ করে ড্রেস করাটা সাজ হল? এ সব সে জন্মে থেকে মায়ের কাছে শিখেছে। তার মা লিপস্টিক, ব্লাশার ছাড়া বেরোত না। মাসে দু বার বিউটি সেলুনে গিয়ে চুল সেট করে আসতো। ছোট্ট লুকু সে সব সময়ে ধৈর্য ধরে মায়ের ভ্যানিটি ব্যাগ ধরে সেলুনের উঁচু চেয়ারে বসে থাকত। যে সময়ের যা, তা ছাড়া অন্য কিছু মাকে পরাও তো! সন্ধের শাড়ি আলাদা, রাত্রের শাড়ি আলাদা, সকালের আলাদা, বিকেলের আলাদা। লুকুকেও মা ডজন ডজন, ফ্রক করিয়ে দিত, একটু বড় হতে কত রকম ড্রেস। মায়ের তুলনায় লুকু তো কিছুই করে না। মায়ের সঙ্গে সঙ্গেই চলে গেছে তার সাজগোজ। আসলে তার গায়ের চামড়াটা শুধু মাখনের মতো নরমই নয়, স্বচ্ছও। ভেতরে সূক্ষ্ম লাল রক্তবহা নালীগুলোর লালিমা যেন দেখা যায়। মনে হয় সে খুব প্রসাধন করেছে। লুকুর চোখের জমি নীল, মণিগুলো গাঢ় নীল, কাচের মতো একটা স্বচ্ছতা সেখানেও। যেন মণির ছিদ্রপথ ধরে বহুদূরে তার শরীর মনের অভ্যন্তরে রোমাঞ্চকর এক যাত্রায় নেমে যাওয়া চলে। শ্যাম্পু করলেই লুকুর চুলে ঢেউয়ের ওঠানামা শুরু হয়। অন্য সময়ে নরম সুগন্ধ, সামান্য সোনালি আভার দ্যুতিময় একঢাল চুল। তার চোখের পাতা মস্ত লম্বা, বাঁকানো। মায়ের একটা কথা লুকুর প্রায়ই মনে পড়ে— ‘লুকু, চেহারাটা তোমার একটা অ্যাসেট। তাকে কোনমতেই নষ্ট করো না। শুধু চেহারার জন্য জীবনে অনেক সুযোগ, অনেক ভক্তি, ভালোবাসা পাবে তুমি, যেগুলো অন্যরা পাবে না।’

     

     

    কিন্তু শুধু রূপের জোরে কোথাও পৌঁছতে লুকুর ঘৃণা হয়। এমন কোনও দেবপাদপীঠ সে আরোহণ করতে চায় না, যেখানে মানুষের রূপজ-মোহ তাকে অন্ধের মতো তুলে দেবে। গা ঘিনঘিন করে তার যখন বয়স্ক মানুষেরা মুখের দিকে হাঁ করে তাকিয়ে থাকতে থাকতে বাসের সীট ছেড়ে দেয়। লেডিজ সীটের কাছে লেপটে থাকে মাঝবয়সীরা। দেখুক না, সৌন্দর্য দেখবারই জিনিস। উজানকেও একবার দেখলে আবার দেখতে ইচ্ছে করে লুকুর। কিন্তু অমন লোভ থাকবে কেন দৃষ্টিতে! সেদিন এসপ্লানেডে নেমেছে, মেট্রোয় বাড়ি ফিরবে। একজন ভদ্রলোক মুখের দিকে অবাক হয়ে তাকিয়ে বললেন—‘আহা হা হা, মে গড ব্লেস ইউ।’ এই প্রতিক্রিয়াটা ভারি অদ্ভুত, ভারি নতুন লেগেছে লুকুর। সুন্দর চেহারার জন্যে যদি লোকের কাছ থেকে স্বতঃস্ফূর্তভাবে আশীর্বাদ পাওয়া যায় তো মন্দ কি? কিন্তু তারপর? রূপ তো প্রথম দর্শন। তার পরও তো অনেক দর্শন আছে, তখন? তখন নিজের মূল্য প্রতিষ্ঠিত করতে হলে অন্য কিছুও তো চাই। পরীক্ষার মার্ক্সটা পর্যন্ত আশানুরূপ না হলে ওরা বলে ‘তোর আর দরকার কি?’

    এ রকম যখন বলে কেউ, তখন রাগে তার শরীরের ভেতরটা কেমন করতে থাকে। কিন্তু ভাবমূর্তি তৈরি করেছে ভদ্র, নরম মেয়ের, চট করে তার থেকে সে বেরিয়ে আসতে পারে না। মৈথিলী যে বুদ্ধিতে, অন্যান্য গুণে তার থেকে শ্রেষ্ঠ সেটা সে মেনে নিয়েছে। যা সূর্যের মতো স্বতঃপ্রকাশ তাকে মেনে না নেওয়ার কোনও মানে হয়? তার সঙ্গে লুকুর প্রতিযোগিতা নেই। ছিল না। কিন্তু গুঞ্জন, মৌমিতা, উজান তাকে ছাড়িয়ে গেলে তার ভীষণ অপমান বোধ হত। উজানের সঙ্গে এক ব্র্যাকেটে থেকে তার স্বস্তি হত। আর উজান তো এখন ভিন্ন পথের যাত্রী হয়ে গেছে।

     

     

    পুরো সিগারেটটা শেষ করে খানিকটা আরাম পাওয়া গেল। সকাল থেকে মনটা খারাপ হয়ে ছিল। এখন অনেকটা হালকা লাগছে। ফ্রাস্ট্রেশন বড় বিশ্রী জিনিস।…

    এক এক সময় ভাবি কি দরকার আমার এই দৌড়বাজির! আমি যা, যতটুকু মেনে নিই না কেন? কিন্তু ভেতর থেকে কিসে যেন আমায় কামড়ায়। আমি না দৌড়ে পারি না। সাধে কি আর আমার বাবা অত স্মোক করে। খুব রিল্যাক্সড লাগে। মনটা এখন কত হালকা লাগছে। নিশ্চয়ই পারবো। এম. ভির মতো আমি উড়ে যাচ্ছি দেশে দেশে। উনি সমস্ত ইয়োরোপ ঘুরেছেন, ইউ. এস. এ. তো বটেই। এখন থেকেই ওঁকে আমার অ্যামবিশনের কথাটা বলা উচিত। যাবো স্টেটস, সেখানে এম. এস করব, পি. এইচ. ডি। তারপর ওখানকার য়ুনিভার্সিটিতে পড়াবো। গ্রেটকোট পরা এম. ভির একটা ছবি আছে মার্কিন ছাত্রছাত্রীদের সঙ্গে…ওই রকম একটা ছবি…ঘরে চলে যাই… ঘুম পাচ্ছে। ভাবল বটে কিন্তু এতো ঘোর আলস্য লাগছিল যে লুকু সোফার ওপরেই ঘুমিয়ে পড়ল। মাথাটা তার বুকের ওপর ঝুঁকে পড়েছে; চুলগুলো গোছা গোছা হয়ে ঝুলছে মাথার দু পাশ থেকে। হাতটা সোফার হাতলেরর ওপর। পাশে চৌকোণা টেবিলে অ্যাশট্রেতে সিগারেটের স্টাব। তার আঙুলে এখনও সিগারেট ধরার ভঙ্গি।

     

     

    পাখির ডাকে তাদের বাড়ির বেল বাজল। লক্ষ্মীশ্ৰী শুনতে পেল না। তাদের বাড়িতে একটি অল্পবয়সী ছেলে কাজ করে, বুদ্ধিশুদ্ধি কাঁচা, সে সাহেবের নির্দেশমতো ফুটো দিয়ে দেখল লুকুদিদির বন্ধু। দরজা খুলে দিল। দেবপ্রিয়র চোখ দুটো ঈষৎ লাল, চুলটা ভালো করে আঁচড়ায়নি। সে তার স্বভাবের বিপরীত দ্রুত ভঙ্গিতে ঢুকে এলো। ঢুকেই লুকুকে অদ্ভুত একটা ট্যাবলোর মতো ঘুমন্ত দেখতে পেলো। দেবপ্রিয় ছেলেটিকে বলল—চা করতে পারবে? শুধু লিকর হলেই হবে। আমাদের দুজনেরই।

    —‘দিদি বেশি দুধ চিনি ছাড়া চা খায় না।’

    —‘আচ্ছা আজ খাবে। তুমি নিয়ে তো এসো।’

    ছেলেটি রান্নাঘরে চলে গেল। দেবপ্রিয় লম্বা লম্বা পায়ে ঘরটা পার হলো, যেখানে লুকু ঘুমিয়ে পড়েছিল, সেখানে পৌঁছে হাঁটু গেড়ে কার্পেটের ওপর বসে পড়ল, তার ঠিক সামনে। পাশের অ্যাশট্রেটা ভালো করে দেখল। আস্তে করে লুকুর আঙুল দুটো ধরে ঘুরিয়ে ফিরিয়ে দেখল। নাকের কাছে ধরলো, হঠাৎ কারো দেখলে মনে হতে পারে সুন্দরী লক্ষ্মীশ্রীর আঙুলে সে চুমো খাচ্ছে। তারপর দেবপ্রিয় লুকুর মাথাটা আস্তে আস্তে সোফার পিঠে রেখে দিল। ডাকলো ‘লুকু, লুকু চোখটা খোলো।’

     

     

    বেশ কিছুক্ষণ ডাকবার পর লুকু সামান্য একটু চোখ খুলল। বেশ লাল।

    দেবপ্রিয় বলল—‘লুকু সোজা হয়ে বসো। এতে ঘুমোচ্ছ কেন? ওষুধ খেয়েছে কিছু?’

    লুকু সোজা হতে চেষ্টা করছিল, পারছিল না। চা এসে গিয়েছিল। দেবপ্রিয় বলল—‘একটু চা খাও লুকু।’

    লুকু এবার কথা বলল—‘চা খাব না।’

    —‘হ্যাঁ খাবে। তোমার গ্ল্যান্ড ফুলেছে, গলায় ব্যথা, না? ভালো লাগবে খাও। আমি ধরছি।’ দেবপ্রিয়র হাতে ধরা কাপ থেকে এক চুমুক খেয়ে লুকু মুখ বিকৃত করল।

    —‘খাও, আরও একটু খাও।’ একটু একটু করে পুরো দু পেয়ালা চা-ই তাকে ধৈর্য ধরে খাওয়ালো দেবপ্রিয়। তার পরে বলল—‘লুকু, আমার পকেট থেকে সিগারেটের প্যাকেটটা কে সরিয়েছে? তুমি? না?’

    লুকু অস্পষ্টভাবে হাসছে—‘কেন দেব, আমার খাবার ইচ্ছে হলে কি আমি এক প্যাকেট কিনে নিতে পারি না?’

     

     

    —‘পারোই তো! আমারটা নিলে কেন?’

    —‘পারি না। সিগারেটের দোকানদারগুলো যা বিশ্রী। তা ছাড়া, তুমি? তুমিই বা কেন খাবে? তোমার কিসের কমপ্লেক্স দেব…’ লুকু জড়িয়ে বলল।

    —‘কি আবোল-তাবোল বকছ? আমি খাই না খাই সেটা আমার ব্যাপার। তুমি কেন আমার প্যাকেটটা নিতে গেলে? শোনো, প্যাকেটটা আমাকে দাও।’

    লুকু উঠতে পারছিল না, কোনমতে উঠতে গিয়ে একবার ধপাস করে বসে পড়ল। তারপর বলল—‘দেব, আমায় একটু ধরবে?’

    দেবপ্রিয় সারাক্ষণ ওকে খুব চিন্তিতভাবে লক্ষ্য করছিল। বলল—‘নিশ্চয়ই ধরবো। কোথায় যেতে চাও?’

    —‘বাপীর ঘরে।’

     

     

    ধরে ধরে লুকুকে তার বাবার ঘরে নিয়ে যাবার পর বাবার টেবিল-ড্রয়ার থেকে ‘লুকু এক প্যাকেট সিগারেট বার করল, দেবপ্রিয়র দিকে ছুঁড়ে দিয়ে আলগা-আলগা গলায় বলল—‘তোমার প্যাকেটটা আমি শেষ করে ফেলেছি দেব, বাপীরটা থেকে তোমাকে গোট্টা একটা দিয়ে দিলাম। আই মে হ্যাভ টু গিভ হিম অ্যান এক্সপ্ল্যানেশন। মাই বাপী ইজ সো পার্টিকুলার। স-ব গোনা গাঁথা। আই নেভার থট ইউ আর সো স্টিঞ্জি। একটা প্যাকেটের জন্যে এ তো!’ বলতে বলতে লুকুর চোখ মুখ কেমন হয়ে যাচ্ছিল। দেবপ্রিয় তাকে প্রায় ছিনিয়ে নিয়ে বাইরের বেসিনের কাছে নিয়ে গেল। সব বমি করে দিল লুকু। পাতলা সাবুর খিচুড়ি খেয়েছিল, পায়েস, লেবুর রস, কিছুক্ষণ আগেকার চা-স-ব। দেবপ্রিয় বলল—থ্যাংক গড। মুখে-চোখে জল দিয়ে, লুকুকে তার ঘরের বিছানায় শুইয়ে দিয়ে সে পাখাটা চালিয়ে দিল। লুকুর গলাটা ভালো করে ঢেকে দিল, পরে বলল—‘লুকু তোমার বাবার প্যাকেটটা কিন্তু আমার চাই না। আমার প্যাকেটটা চাই।’

    —‘হারিয়ে গেছে যে!’ লুকু এখন খানিকটা শান্ত, ‘শেষ করে ফেলেছি তো!’

    —‘সবগুলো খেয়ে ফেলেছো? আটটাই?’ আতঙ্কিত গলায় দেবপ্রিয় বলল।

     

     

    —‘আটটা নয়, সাতটা। উঃ দেব তুমি কী কিপটে? একদম শাইলক একটা! সুদ দিতে হবে না কি আরেকটা প্যাকেট, কিংবা আ পাউণ্ড অফ ফ্লেশ?’

    —‘শোনো লুকু, কি ভাবে-খেয়েছে?’

    —‘অফ অ্যান্ড অন! একলা হতে পারলেই খেয়েছি।’

    —‘ভালো লেগেছে…নিশ্চয়!’

    —‘ওহ শিওর!’

    —‘তুমি খালি প্যাকেটটাই আমাকে দাও।’

    —‘খালি প্যাকেট?’ লুকুর চোখে বিস্ময়।

     

     

    —‘লুকু, প্লীজ!’

    —‘দেখো টেবিলের তলায় গার্বেজ বিন আছে। ওখানে থাকতে পারে।’

    দেবপ্রিয় টেবিলের তলা থেকে কাগজের ঝুড়িটা টেনে আনছে, হাঁটকাচ্ছে, লুকু অবাক হয়ে দেখছে। ওটা পেল শেষ পর্যন্ত। সোজা হয়ে উঠে দাঁড়িয়েছে। বলল—‘লুকু তুমি যতক্ষণ না সুস্থ বোধ করছ, চুপচাপ শুয়ে থাকো, আমি চলি।’

    —‘সে কি বসবে না? গল্প করবে না? কেওড়াখালির গল্প!’

    —‘কেওড়াখালি আমি যাইনি। ওরা এখনও ফেরেনি যদ্দূর জানি। আমার বড্ড জরুরি কাজ আছে’ আরেক দিন এসে আড্ডা মারা যাবে।’

    লুকুর এতো ক্লান্ত লাগছে যে সে তার হতাশাটাকেও ভালো করে প্রকাশ করতে পারছে না। দেবপ্রিয় ঘর থেকে বেরোতে ফিরে তাকাল, বলল—‘লুকু, তুমি আর সিগারেট খেয়ো না।’

     

     

    —‘হোয়াই? হু আর ইউ টু সে সো?’

    —‘আমি ডাক্তার। লুকু, আমি বন্ধুও। তুমি স্মোক করবে না। কেউ খেলাচ্ছলে, গল্পচ্ছলে দিলেও না। কথাটা শুনো।’

    দেবপ্রিয় ঘর থেকে বেরিয়ে সামান্য গলা তুলে ডাকল—‘ঝড়ু!’

    ঝড়ু রান্নাঘরের পাশের স্টোর রুম থেকে বেরিয়ে এলো। অদ্ভুত দৃষ্টিতে তাকাল দেবপ্রিয়র দিকে। তারপর পেছন পেছন গিয়ে দরজা বন্ধ করে দিল।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleএকুশে পা – বাণী বসু
    Next Article শ্বেত পাথরের থালা – বাণী বসু

    Related Articles

    বাণী বসু

    নূহর নৌকা – বাণী বসু

    November 3, 2025
    বাণী বসু

    ছোটোগল্প – বাণী বসু

    November 3, 2025
    বাণী বসু

    অন্তর্ঘাত – বাণী বসু

    November 3, 2025
    বাণী বসু

    খনামিহিরের ঢিপি – বাণী বসু

    November 3, 2025
    বাণী বসু

    খারাপ ছেলে – বাণী বসু

    November 3, 2025
    বাণী বসু

    মোহানা – বাণী বসু

    November 3, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    কালীগুণীন ও চতুরঙ্গের ফাঁদ – সৌমিক দে

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    কালীগুণীন ও চতুরঙ্গের ফাঁদ – সৌমিক দে

    March 24, 2026
    Our Picks

    কালীগুণীন ও চতুরঙ্গের ফাঁদ – সৌমিক দে

    March 24, 2026

    কপিলাবস্তুর কলস – প্রীতম বসু

    March 23, 2026

    তালদিঘিতে ভাসিয়ে দেব – সায়ক আমান

    March 23, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }