Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    কালীগুণীন ও চতুরঙ্গের ফাঁদ – সৌমিক দে

    March 24, 2026

    কপিলাবস্তুর কলস – প্রীতম বসু

    March 23, 2026

    তালদিঘিতে ভাসিয়ে দেব – সায়ক আমান

    March 23, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    উত্তরসাধক – বাণী বসু

    বাণী বসু এক পাতা গল্প289 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    উত্তরসাধক – ৯

    অধ্যায় : ৯

    লুকুর যখন সম্পূর্ণ চেতনা ফিরে এলো, তার মনে হল একটা অদ্ভুত অর্থহীন স্বপ্ন দেখেছে সে। চোখ বড় বড় করে ঘরটা দেখতে থাকল লুকু। এখন যেটা দেখছে সেটাও স্বপ্নের অঙ্গ নয় তো? সীলিংএর ফ্যানটা এখন বন্ধ তার ওপর একটা চড়ুইপাখি বসে। কিরকম একটা হলদেটে রঙ ঘরের ভেতরে, পর্দাগুলো কমলা রঙের বলে আলোটাও কিরকম অদ্ভূত হয়ে যায় এ সময়ে। অর্থাৎ এখন বিকেল, সূর্য এদিকে, পশ্চিমের দিকে চলে এসেছে। সে ঘাড় ঘুরিয়ে টেবিলের ওপর টাইম-পীসটা দেখবার চেষ্টা করল, পারল না। শরীরটা কি রকম ভারি হয়ে আছে। ক্ষীণ কণ্ঠে ডাকল, ‘ঝড়ু’, দু তিনবার ডাকের পর ঝড়ু এলো। মা মারা যাবার পর বাবা তাদের দারুণ ভালো রাঁধুনি মহেশদাকে রাখতে চাইলেন না। একটি বয়স্ক মহিলা দু বেলা রান্না করে দিয়ে যান। বাকি কাজ ঝড়ুই করে।

    ‘কটা বাজে রে?’

    বেশ কিছুক্ষণ ঘড়িটা নিরীক্ষণ করে ঝড়ু উত্তর দিল—‘বড় কাঁটা পাঁচের ঘরে, ছোট কাঁটা চারের ঘরে’

    ‘এখনও তুই বড় কাঁটা ছোট কাঁটা করবি? শিখবি না?

    ঝড়ু সন্ত্রস্তভাবে হাসল।

    ‘হ্যাঁ কেউ এসেছিল?’

    ‘তোমার বন্ধু দাদাবাবুর পর আর কেউ আসেনি।’

    লুকুর ঝপ করে স্বপ্নটার কথা মনে পড়ে গেল। ওটা তাহলে স্বপ্ন নয়! শরীরটা খুব দুর্বল লাগছে। লুকু বলল—‘এক গ্লাস গরম দুধ নিয়ে আয় তো, চকলেট দিতে ভুলবি না।’

    ঝড়ু অন্তর্হিত হলো। দেব তাহলে কেওড়াখালি যায়নি? কেন? দেব কি জানত লুকু যাচ্ছে না! জানাই সম্ভব। দেব কেন এসেছিল? লিকর খাওয়ালো খানিকটা, কি যত্ন করে, লুকুর গলা-ব্যথা অনেক কমে গেছে, এভাবে খাওয়ানো মায়ের পরে, মা-ও নয় ঠিক, দিদার পরে আর কেউ কখনও করেনি। বাবা-মা পার্টিতে বেরিয়ে গেলে, লুকু মুখ গোঁজ করে থাকত, দিদা তখন গল্প বলতে বলতে একটু একটু করে তাকে খাইয়ে দিতেন। দিদার ঘরে ঠাকুর ছিল, ভীষণ শুচিবাই ছিল দিদার। তা-ও। লুকুর মাছ-ভাতের থালা নিয়ে সে দিদার কাছে চলে যেত। দিদাই তার নাম রেখেছিলেন লক্ষ্মীশ্রী। সেকেলে নাম বলে, সবার কত আপত্তি। শেষকালে ডাকতে ডাকতে লুকু হয়ে গেল। লুকুর গলার কাছে এখন একটা পিণ্ড আটকে যাচ্ছে। দিদা, মা। দিদার ডাক ‘লক্ষ্মীশ্রী’ই’। পুরোটা উচ্চারণ করে ডাক দিতেন দিদা! ‘লুকু!’ ছোট্ট করে ডাকত মা! কেউ আর সেভাবে ডাকবে না। শুধু লিকর কেন? ঝড়ু কি জানে না বেশি দুধ দিয়ে চা খেতে লুকু ভালোবাসে! বেশ ক্ষীরের মতো চা, তাতে একটু তেজপাতা, দারচিনি দিলে আরও ভালো। লুকু বমি করে ফেলেছিল। মুখে-চোখে জল দিয়ে দিল দেব। একটুও ঘেন্না করল না তো! অবশ্য দেব ডাক্তার। দেব তাকে ধরে ধরে এনে এখানে শুইয়ে দিয়েছে। কি যেন একটা চাইছিল! লুকুর হঠাৎ সবটা একসঙ্গে মনে পড়ে গেল। দেব তার সিগারেটের প্যাকেটটা নিয়ে গেল, গার্বেজ বিনটা হাঁটকে। স্ট্রেঞ্জ! যাবার সময় বলে গেল লুকু স্মোক করো না, কেউ দিলেও নেবে না, অ্যাজ এ ডকটর অ্যাজ এ ফ্রেন্ড বলছি। যতই ভাবে দেবের হাবভাব, কার্যকলাপ খুব আশ্চর্য লাগে লুকুর। দেব ছেলেটাই আশ্চর্য। মৈথিলী বলে দেবের শ্রেষ্ঠত্ব মেডিক্যাল কলেজের প্রতিটি ক্লাসে, ডিসেকশন রুমে, বারবার প্রমাণ হয়ে যায়। সঠিক উত্তরগুলো ওর মুখ থেকে এমন গড় গড় করে বেরিয়ে আসে যেন মন্ত্র, ভেতরে কোথাও রেকর্ড করা আছে। ওর ডিসেকশনও দেখবার মতো। সরু সরু আঙুলগুলো চলে নিখুঁত সাবলীলভাবে, ও যেন শল্য চিকিৎসক হবার জন্যই জন্মেছে। ডক্টর বাগচি একদিন বলছিলেন ‘তোমরা নিশ্চয়ই অন্তত তিন পুরুষ ডাক্তার।’ নয় শুনে আশ্চর্য হয়েছিলেন ডাঃ বাগচি। ওরা বন্ধুরা বলাবলি করে দেবের বংশে কোথাও সার্জনের জিনটা রিসেসিভ থেকে যাচ্ছিল অনেক দিন থেকে, দেবের মধ্যে প্রকাশিত হল। দেব ছাত্রসংঘের একটা স্তম্ভ। উজান, মৈথিলীও করে। কিন্তু লুকুর কি রকম একটা মনে হয়। আড়াল থেকে দেব সবার ওপরে ছাতটা ধরে আছে। কেন এরকম মনে হয় সে অবশ্য জানে না। ওকে অনেক কথা বলতে ইচ্ছে হয় তার, তার মায়ের কথা, নিজের আশা-আকাঙক্ষার কথা। ছাত্রসঙ্ঘে যোগ সে দিয়েছে ঠিকই। মৈথিলীর কথায় আর মেধা ভাটনগরের জন্য। যতটা অ্যাডভেঞ্চারের নেশায়, ততটা সমাজসেবার আদর্শে উদ্বুদ্ধ হয়ে নয়। মেধাদি বলেন ইতিহাসের সাক্ষ্য বলছে মেয়েরা বারবার যুদ্ধবিগ্রহ, ও রাজনৈতিক জটিলতার উপলক্ষ্য এবং শিকার হয়েছে, যেমন দেবলাদেবী ও কমলা, যেমন পদ্মিনী ও নূরজাহান। রণ ও রাজনীতিতে তারা প্রায় কখনও সফল হয়নি যেমন রাজিয়া, দুর্গাবতী, লক্ষ্মীবাই এবং ক্ষমতা হাতে পেলে তারা প্রায়শই ক্রূর নিষ্ঠুর স্বার্থপর হয়ে দেখা দিয়েছে যেমন ব্লাডি মেরি, ক্যাথরিন দা গ্রেট, মারি আঁতোয়ানেৎ। হয় তারা পুরুষদের ষড়যন্ত্রের কাছে হেরে যাচ্ছে, নয় তো অত্যাচারী পুরুষ শাসকের আদলে নিজেদের গড়ে নিচ্ছে। ষোড়শ শতাব্দীর রাণী এলিজাবেথও কিছু কম স্বার্থপর, কম অত্যাচারী ছিলেন না। এখন মেয়েদের একাংশের ওপর থেকে সমাজের চাপ, পুরুষের চাপ ধীরে ধীরে উঠে যাচ্ছে। গঠনশীল, সৃষ্টিশীল কাজ করে মেয়েরা ইতিহাসের এই কঠোর সাক্ষ্য পাল্টে দিক। মেয়েরা আগে মানুষ পরে মেয়ে এটা যেন সর্বদা মনে রাখে।

     

    আরও দেখুন
    অনলাইন বুকস্টোর
    ডিজিটাল বই
    বাংলা সাহিত্যের ওয়ার্কশপ
    বাংলা অডিওবুক
    Books
    বইয়ের
    উপন্যাস সংগ্রহ
    গ্রন্থাগার
    Library
    লেখকের বই

     

    একথাগুলো মেধাদি সাধারণ ক্লাসে বলেননি। বলেছিলেন তাদের তিনজন মেয়েকে একত্রে। সে গুঞ্জন আর মউমিতা। খুব লজ্জাকর একটা ঘটনা ছিল উপলক্ষ্য। ঘটনাটা লুকুকে নিয়ে। ক্লাসের একটি ছেলে সারা বছর ধরে লুকুকে বিরক্ত করছিল। এ ধরনের উপদ্রব ছোট থেকেই লুকুর অভ্যেস আছে। ওরা অর্পণকে নিয়ে একটু মজাই করত। অর্পণ একদিন একটু বাড়াবাড়ি করে ফেলল। লুকুকে তো একটা সাংঘাতিক প্রেমপত্র লিখলই, লুকুর বাবাকেও লিখে জানাল সে লুকুকে বিয়ে করতে চায়।

    বাপী ভীষণ গম্ভীর মানুষ, লুকুরা দু ভাই বোন বাপীকে বরাবর খুব সমীহ করে এসেছে। যদিও বাপীর আদরও ছিল অতিরিক্ত এবং মা মারা যাবার পর বাপী ক্রমশই নরম হয়ে যাচ্ছিল। রাতে বাপী ঘরে ডেকে বলল—‘কে এ ছেলেটা? অর্পণ দেব না কি নাম? এমন কায়দা করে নাম সই করেছে যে নামটাও ভালো করে উদ্ধার করতে পারছি না। কি সব উল্টোপাল্টা লিখেছে রে? একটা সেকেন্ড ইয়ার হিসট্রি অনার্সের ছেলেকে তুই বিয়ে করবি? তুই, তোরা এতো ইমম্যাচিওর! লুকু, শেষ পর্যন্ত তুই…তোর মার কতো আশা ছিল!’

    ‘ব্যাস ব্যাস!’ লুকুর চোখ জ্বলছে, সে প্রায় বাঘিনীর মতো বাবার বুকে ঝাঁপিয়ে পড়ল; আঁচড়ে কামড়ে একসা করে দিচ্ছে।’

     

    আরও দেখুন
    PDF বই
    বুক শেল্ফ
    Library
    পিডিএফ
    বই ডাউনলোড
    বাংলা হস্তলিপি কুইল
    গল্প, কবিতা
    অনলাইনে বই
    ডিজিটাল বই
    বাংলা লেখকদের সাক্ষাৎকার

     

    ‘কি করছিস! কি করছিস?’

    ‘তুমি আগে কেন জিজ্ঞেস করলে না, আমি ওকে বিয়ে করতে চাই কি না। সব কিছু ধরে নাও কেন?’

    লুকুর মা মারা যাবার পর লুকু এইরকম হিস্টিরিক হয়ে যায় মাঝে মাঝে। তার বাপী ভয় পান, বললেন, ‘ঠিক আছে। আমি ভুল করেছি। ভুল ভেবেছি। কিন্তু তা বলে তুই এভাবে রি-অ্যাক্ট করবি কেন? আমাকে বললেই তো হয়…।’

    কাঁদতে কাঁদতে লুকুর সেই এক কথা—‘তুমি সব কিছু ধরে নিলে কেন?’

    পরের দিন লুকু কলেজ গেল না। তারপর দিন ক্লাসে ঢোকবার মুখে অর্পণ এক গোছা রক্তগোলাপ নিয়ে তার জন্যে অপেক্ষা করছে দেখা গেল। লুকু ঢুকে যাচ্ছিল, মাথা উঁচু করে কোনদিকে না তাকিয়ে, অর্পণ গোলাপের গুচ্ছ তার দিকে বাড়িয়ে ধরল, সঙ্গে সঙ্গে ডান হাতের উল্টো পিঠের ঝটকায় লুকু সেটা ফেলে দিয়েছে। অর্পণের মুখ ফ্যাকাশে। সে আস্তে আস্তে ওখান থেকে চলে গেল। সহপাঠীদের অনেকেই হাসছিল। লুকুর রাগ দেখে কেউ কেউ তাকে শান্ত করবার জন্যও এগিয়ে আসে। অর্পণ এর কিছুদিন পর আত্মহত্যার চেষ্টা করে, হাসপাতালে সময় মতো নিয়ে যাওয়া গিয়েছিল বলে অনেক চেষ্টা চরিত্র করে তাকে বাঁচানো যায়। এখন তাকে কলেজ ছাড়িয়ে নেওয়া হয়েছে। সহপাঠীরা বলে অর্পণকে ওর দিদির কাছে দিল্লিতে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। তার মানসিক অবস্থা ভালো নয়।

     

    আরও দেখুন
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি কাগজ
    বাংলা সাহিত্যের কোর্স
    বাংলা স্বাস্থ্য টিপস বই
    বাংলা কৌতুক বই
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি টিউটোরিয়াল
    বাংলা হস্তলিপি কুইল
    বাংলা অডিওবুক
    লাইব্রেরি
    বাংলা বইয়ের আলোচনা ফোরাম
    কৌতুক সংগ্রহ

     

    এই ঘটনায় গোটা য়ুনিভার্সিটি তোলপাড়। করিডরে করিডরে, কমনরুমে, স্টাফরুমে ওই এক আলোচনা। এম ভি সেই সময়ে একদিন ওদের তিনজনকে ডেকে পাঠান।

    মউমিতা স্বীকার করে ছেলেটিকে নিয়ে ওরা মজা করত; স্রেফ মজা দেখবার জন্যে ওরা ব্যাপারটা বাড়তে দিয়েছিল। অর্পণ এতো বোকা যে সে ওদের ইয়ার্কিগুলো সত্যি বলে ধরে নিত।

    গুঞ্জন খুব তেরিয়া ধরনের মেয়ে, সে বরাবরই লুকুকে খানিকটা আড়াল দিয়ে চলে। সে বলে—‘আমি হলে অনেক দিন আগেই ওকে বেশ করে কষে একটি চড় মারতাম। লুকুর কোনও দোষ নেই।’

    মিস ভাটনগর বললেন, ‘এটা তুমি কি বললে গুঞ্জন? ছেলেটির জীবনটা নষ্ট হতে চলেছে, তোমাদের কোনও অনুতাপ নেই?’

    ‘হোয়াট কুড উই ডু? বলুন মিস তাহলে ও যখন লুকুর জন্য পাগল, লুকুর ওকে পছন্দ না হলেও, ওকে বিয়ে করতে হবে?’

     

    আরও দেখুন
    অনলাইনে বই
    বাংলা সাহিত্যের কোর্স
    ই-বই পড়ুন
    Books
    বাংলা ডিকশনারি অ্যাপ
    PDF
    বাংলা অডিওবুক
    বাংলা স্বাস্থ্য টিপস বই
    বাংলা সাহিত্য ভ্রমণ
    বাংলা সাহিত্যের ওয়ার্কশপ

     

    ‘তা একেবারেই নয়। কিন্তু ফুলটা ওইভাবে ফেলে দেওয়া ওর উচিত হয়নি। ফুলটা একটা সিম্‌বল, ভালোবাসার, আত্মার। সে আত্মা যারই হোক, যেমনই হোক, ওভাবে তাকে অপমানিত করা উচিত হয়নি। এটার দায়িত্ব তোমাদের সবার। লুকুর একার নয়। নেভার ট্রাইফ্‌ল্‌ উইথ এনিবডিজ লাভ। গোড়ার থেকেই খুব সাফ কথায় জানিয়ে দেওয়া উচিত ছিল তুমি এ মনোভাব পছন্দ করছ না। বরং ওকে সহজ হতে দেওয়ার সুযোগ দেওয়া উচিত ছিল তোমাদের।’

    মেধাদির কথা শুনে লুকু কাঁদতে আরম্ভ করে। একেবারে সান্ত্বনাহীন কান্না। অর্পণের অবস্থার জন্য সে তো তখন মরমে মরে যাচ্ছিল। গুঞ্জন বললে—‘ও কে লুকু, নাউ সে সরি।’

    মেধাদি বললেন—‘না, গুঞ্জন না। সরি বললেই সব কিছু ঠিক হয়ে যায় না। লুকু তুমি যদি সাবধান না হও, সীরিয়াস না হও, এরকম ঘটনা আবার ঘটবে। কে বলতে পারে তোমার নিজেরও ক্ষতি হতে পারে।’

    গুঞ্জন, মউমিতা চলে গেল, উনি বললেন—‘তোমরা যাও, আমি ওকে পৌঁছে দেবার ব্যবস্থা করছি।’

    লুকু কাঁদছিল তখনও। উনি তার মুখটাকে নিজের কোলে তুলে নিলেন। মাথায় হাত বুলিয়ে দিচ্ছেন। মেধা ভাটনগরের কোলে একটা মৃদু সুন্দুর সুগন্ধ। একটু পরে বললেন, ‘লুকু একটু কফি খাও।’ লুকু দু হাত দিয়ে মেধাদির কোল চেপে ধরেছে, কিছুতেই উঠতে দেবে না। কান্নাবিকৃত স্বরে বলছে ‘অর্পণের কি হবে মিস।’ দিদি বললেন—‘এত সেন্টিমেন্টাল বোকা ছেলেদের কিছু হওয়া খুব শক্ত। ওকে আরও অনেক শক্ত হতে হবে। এতো ভালনারেবল হলে কি চলে? এই ধাক্কাটায় ওর চোখ খুলে যেতে পারে। ও আরও অনেক শক্তধাতের হয়ে যেতেও পারে, বলা তো যায় না। মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরে আসার অভিজ্ঞতা জীবনটাকে আরও গভীরভাবে ভালোবাসতে শেখাতে পারে ওকে। সেটাই আমরা আশা করতে থাকি। দেখি আমি খোঁজ নেবো। তবে তুমি যেন শুদ্ধু এই অন্যায়টা করেছ বলে ওর প্রতি দুর্বল হয়ে পড়ো না।’

     

    আরও দেখুন
    ই-বই পড়ুন
    উপন্যাস সংগ্রহ
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি কালি
    স্বাস্থ্য টিপস
    বাংলা বইয়ের প্রিন্ট কপি
    বাংলা গানের লিরিক্স বই
    বাংলা হস্তলিপি কুইল
    বইয়ের
    বাংলা অডিওবুক
    বুক শেল্ফ

     

    সেদিন রাতে নিজের হাতে রান্না করে খাওয়ালেন উনি লুকুকে। উনি মাছ মাংস খান না। ছানার একটা তরকারি, চিলি চিকেনের মতো খেতে, রুটি, আর ফ্রুট স্যালাড। স্কুটারের পেছনে চাপিয়ে বাড়ি পৌঁছে দিলেন। গুঞ্জনরা বাপীকে খবর দিয়ে দিয়েছিল। কিন্তু বাপী পায়চারি করছিল। দরজা খুলে হেলমেট পরা দিদিকে আর লুকুকে দেখে অবাক। ভীষণ বিচলিত।

    ‘আপনি এভাবে এতো রাতে, আমাকে একটা খবর দিলেই আমি নিয়ে আসতাম।’

    সেসব কথার কোনও জবাব না দিয়ে মিস বললেন—‘এখন থেকে লুকুকে মাঝে মাঝে আমার বাড়ি রেখে দেবো মিঃ মজুমদার।

    বাপী যেন হাতে চাঁদ পেয়েছে—‘প্লীজ ডু প্রোফেসর ভাটনগর, শী ইজ আ মাদারলেস চাইল্ড। ওর ভাই ওর থেকে অনেক শক্ত। মেয়েটার আমার কি যে হবে!’

    ‘কী যে হবে বলে ছেড়ে দিলে চলবে? একটু বেশি সময় তো ওদের দিতেই হবে আপনার। দ্বিতীয় কেউ নেই যখন। আমি তো পুরা দায়িত্ব নিতে পারবো না।’

     

    আরও দেখুন
    বাংলা ডিকশনারি অ্যাপ
    গ্রন্থাগার
    বাংলা সাহিত্য ভ্রমণ
    বাংলা কৌতুক বই
    বাংলা অডিওবুক
    অনলাইনে বই
    বাংলা রান্নার রেসিপি বই
    লেখকের বই
    বইয়ের
    বাংলা বইয়ের আলোচনা ফোরাম

     

    ‘না না সে কি!’ বাপী খুব লজ্জা পেয়ে গেল। সব কিছু অবশ্য লুকুর শোনার কথা না। বাড়ি পৌঁছেই সে ভেতরে চলে গিয়েছিল। ভাইয়া খেয়েছে কি না, বাপীকে ঝড়ু কি দিয়েছে খোঁজ করতে। কিছুটা লুকু লুকিয়ে লুকিয়ে শুনেছে। সেই থেকে মেধা ভাটনগরকে দেখলেই ও পালায়। মুখ নিচু করে ফেলে। যেন তার গোপন সত্তার একটা চেহারা উনি ঢাকনা সরিয়ে দেখে ফেলেছেন, দেখে ফেলেছেন কোথায় সে নগ্ন। লজ্জা করে। অথচ রাতে শুয়ে শুয়ে মেধা ভাটনগরকেই স্বপ্ন দেখে লুকু। মেধাদির কোমর ধরে সে স্কুটারে করে অনেক দূর চলেছে। মেধাদির কোলে তার মুখ, তিনি ওকে আদর করছেন। মেধাদির মতোই সে হতে চায়। আসলে প্রথম থেকেই সে মেধা ভাটনগরের ভীষণ ভক্ত। গুঞ্জনকে একদিন বলেছিল, ‘আই অ্যাম ক্রেজি অ্যাবাউট হার। এম ভি ক্লাসে এলেই আমার গা শিরশির করে। মনে হয় ঝাঁপিয়ে পড়ে আঁচড়ে কামড়ে দিই। ওই ডিম্পলটা! ডিম্পলটা যে কী পাগল করে দ্যায় আমাকে ধারণা করতে পারবি না।’

    গুঞ্জন বললে—‘তোর মধ্যে লেসবিয়ান টেনডেনসি দেখা দিচ্ছে লুকু সাবধান হ। ইটস নট হোলসাম।’

    লুকু মনে মনে জিভ কামড়ায়। কেন কথাটা গুঞ্জনকে বলতে গেল! এই হোস্টেলাইটগুলো জীবনযাপনের অনন্ত স্বাধীনতা পায়। যা খুশি করে, যা খুশি ভাবে।

     

    আরও দেখুন
    পিডিএফ
    স্বাস্থ্য টিপস
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি কালি
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি কাগজ
    বাংলা বই
    বাইশে শ্রাবণ
    নতুন বই
    লেখকের বই
    বইয়ের তালিকা
    ডিজিটাল বই

     

    প্রথমবার কেওড়াখালি যেতে পারল না সে। মেধাদিও যাননি। দেবও দেখা যাচ্ছে যায়নি। দ্বিতীয়বার যাবে। যাবেই। অশত্থ গাছের ছায়ায় বয়স্ক মহিলাদের অক্ষরপরিচয় করাচ্ছে লুকু। সই করতে শেখাচ্ছে। ফার্স্ট এডের ট্রেনিং দিচ্ছে মৈথিলীর সঙ্গে। দেবের সঙ্গে। তার হাতে ট্রায়াংগুলার ব্যান্ডেছ। একটু দূরে দাঁড়িয়ে দেখছেন মেধা ভাটনগর। চোখে তারিফের দৃষ্টি। উনি কি করছেন? কি করবেন? কিছু না করে শুধু তদারকি করবার পাত্র তো উনি নন! সেবার ডিপার্টমেন্টাল পিকনিকে সব্বাইকে পরিবেশন করে খাওয়ালেন অত্তখানি লম্বা মানুষটা নুয়ে নুয়ে। লুকুর হঠাৎ মনে হল সে একটা ছবি দেখছে। সিনেমার মতো। মেধাদি গ্রামের ঠিক মধ্যিখানে একটা চত্বরে দাঁড়িয়ে আছেন। যদিও এরকম কোনও চত্বর সত্যি-সত্যি আছে কি না সে জানে না। সেই সাদা রঙের কমলাবুটির সরু পাড় টাঙাইলটা পরেছেন। ব্লাউজের হাত কনুই পর্যন্ত। সাদা একটা হাত উঁচু দিকে উঠে আছে। সোজা লম্বা। কোথা থেকে অনেক গাছের পাতা মাথার ওপর ঝরে ঝরে পড়ছে। দেবপ্রিয় অনেক সাদা ফুল নিয়ে এসে পায়ে অঞ্জলি দিল। কে যেন কোথায় বলে উঠল—‘মেধা ভাটনগর’, অমনি চারদিকে রব উঠল ‘অমর রহে।’ কান-ফাটানো চিৎকার। কিন্তু খোলা জায়গায় বলে সে ভাবে কান ফাটায় না। লুকুর বড্ড গলা ব্যথা করছে এখন। কানটা যেন তালা লেগে গেছে।

     

    আরও দেখুন
    বুক শেল্ফ
    বাংলা ডিকশনারি অ্যাপ
    বাংলা বইয়ের উপহার কার্ড
    স্বাস্থ্য টিপস
    বাংলা রান্নার রেসিপি বই
    বাংলা সাহিত্যের কোর্স
    উপন্যাস সংগ্রহ
    বাংলা সাহিত্যের ওয়ার্কশপ
    বাংলা বইয়ের আলোচনা ফোরাম
    বই

     

    ঝড়ু সদর দরজা খুলছে। বাপী ঢুকছে, ভাইকে নিয়ে।

    ‘লুকু, কেমন আছো মা!’

    ‘ভালো না বাপী’, লুকু কোনমতে বলল।

    ‘বিকেলবেলার ডোজগুলো খেয়েছ?’

    ‘এখনও খাইনি।’

    ‘আচ্ছা আমি দিচ্ছি। আগে কিছু খাও। ঝড়ু…’ বাপী ডাকতে ডাকতে ওদিকে চলে গেল।

    ভাইয়া কাছে এসে বলল—‘দিদি আজ বাবা কাউবয় থেকে মাটন চপ এনেছে। গরম একেবারে। তুই খেতে পারবি?

    বাপী ঘরে ঢুকছিল, বলল—‘ঠিক পারবে, ‘কাউবয়ে’র মাটন চপ একেবারে মাখনের মতো। আজকে থার্ড ডে ওষুধ পড়ে গেছে। দেখি লুকু গলাটা।’

     

    আরও দেখুন
    বাংলা স্বাস্থ্য টিপস বই
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি কালি
    গল্প, কবিতা
    PDF বই
    অনলাইনে বই
    বাংলা সাহিত্য
    বাইশে শ্রাবণ
    বুক শেল্ফ
    বাংলা গানের লিরিক্স বই
    বাংলা বইয়ের আলোচনা ফোরাম

     

    লুকু অনুভব করল তার গলার ব্যথা ব্যথা ভাবটা অনেক কমে গেছে। আসলে এতক্ষণ যে ব্যথাটা করছিল সেটা গ্ল্যান্ডের ব্যথাই নয়। গলার কাছে ভাবাবেগের পিণ্ড আটকে থাকার ব্যথা। হয়ত সে চেষ্টা করবে খেতে পারবে না, কিন্তু বাপী যে তাকে মনে করে মাখনের মতো নরম মাটন চপ নিয়ে এসেছে এতেই তার মুখের মধ্যেটা স্বাদে ভরে যাচ্ছে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleএকুশে পা – বাণী বসু
    Next Article শ্বেত পাথরের থালা – বাণী বসু

    Related Articles

    বাণী বসু

    নূহর নৌকা – বাণী বসু

    November 3, 2025
    বাণী বসু

    ছোটোগল্প – বাণী বসু

    November 3, 2025
    বাণী বসু

    অন্তর্ঘাত – বাণী বসু

    November 3, 2025
    বাণী বসু

    খনামিহিরের ঢিপি – বাণী বসু

    November 3, 2025
    বাণী বসু

    খারাপ ছেলে – বাণী বসু

    November 3, 2025
    বাণী বসু

    মোহানা – বাণী বসু

    November 3, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    কালীগুণীন ও চতুরঙ্গের ফাঁদ – সৌমিক দে

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    কালীগুণীন ও চতুরঙ্গের ফাঁদ – সৌমিক দে

    March 24, 2026
    Our Picks

    কালীগুণীন ও চতুরঙ্গের ফাঁদ – সৌমিক দে

    March 24, 2026

    কপিলাবস্তুর কলস – প্রীতম বসু

    March 23, 2026

    তালদিঘিতে ভাসিয়ে দেব – সায়ক আমান

    March 23, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }