Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    উলের কাঁটা – নারায়ণ সান্যাল

    নারায়ণ সান্যাল এক পাতা গল্প181 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    উলের কাঁটা – ৬

    ছয়

    সুজাতা রমাকে নিয়ে রওনা হয়ে পড়ার পর কৌশিক বলে, এর পর? আজকের মতো কি খেল খতম্?

    বাসু ব্যঙ্গের স্বরে বলেন, আজ্ঞে না! সার্কাসের শেষ খেলা হচ্ছে ‘বাঘিনী’র!

    ড্রাইভারকে নির্দেশ দিলেন—সূরযপ্রসাদের প্রাসাদে গাড়ি নিয়ে যেতে।

    প্রকাণ্ড হাতাওয়ালা বাড়ি। গেটে বন্দুকধারী গুর্খা প্রহরী। গাড়ি নিয়ে পোর্চে থামতেই বেরিয়ে এলেন এক ভদ্রলোক। বাসু দেখলেন, গঙ্গারামজী। এগিয়ে এসে বললেন, আসুন স্যার, সূরয আপনাকে প্রতি পনের মিনিট পর পর হাউসবোটে ফোন করে চলেছে।

    —নতুন কোনও ঝামেলা বেধেছে নাকি?

    —বিশেষ কিছু নয়, গৃহকর্ত্রী এসে পৌঁছেছেন। ঐ শুনুন না—

    ইতিমধ্যে ওরা সোপান অতিক্রম করে প্রকাণ্ড ড্রইংরুমে প্রবেশ করেছেন। ড্রইংরুমের পিছনেই দ্বিতলে ওঠার সিঁড়ি। উপর থেকে ভেসে আসছে একটি মহিলাকণ্ঠ—রীতিমতো রূঢ় ও কর্কশ।

    গঙ্গারামজী বলেন, ওঁরা দুজন আর সূরয একা। পারবে কেন?

    —কেন? আপনি তো সূরযকে মদৎ দিতে পারতেন?

    —কী করে দেব স্যার? আমি তো এখনও নিশ্চিতভাবে জানি না–কে আমার মনিব। সদ্যোবিধবা, না সূরয?

    —তাহলে আমি বরং সূরযের পাশে গিয়ে দাঁড়াই।

    কৌশিক বলে, আমি আসব?

    —না। তুমি হাউসবোটে ফিরে যাও। রানু একা পড়ে গেছে।

    —সিঁড়ি দিয়ে উপরে উঠতে উঠতে বাসু বলেন, ভদ্রমহিলার তরফে কোনও উকিল নিয়োজিত হয়েছেন কি?

    —আজ্ঞে না। উনি বলছেন, ওঁর উকিল দরকার হবে না। অনেক উকিলের উনি নাক কাটতে পারেন!

    বাসু-সাহেব রুমাল দিয়ে নিজের নাকটা মুছলেন।

    দুজনে ঢুকতেই সূরযপ্রসাদ আসন ত্যাগ করে উঠে দাঁড়ালো। বললে, গুড ইভনিং স্যার। আপনাকেই খুঁজছিলাম আসুন।

    মায়ের দিকে ফিরে বললে, মিসেস্ খান্না, ইনিই হচ্ছেন আমার সলিসিটার, মিস্টার পি. কে. বাসু। আর ও হচ্ছে জগদীশ মাথুর।

    বাসু-সাহেবের লক্ষ্য হল—সূরয মহিলাকে মাতৃসম্বোধন করেনি। বাসু মাথা ঝুঁকিয়ে বললেন, আপনার সঙ্গে পরিচিত হয়ে ধন্য হলাম মিসেস্ খান্না।

    ভদ্রমহিলা শাণিত দৃষ্টিতে একবার বাসু-সাহেবকে দেখে নিয়ে অস্ফুটে একটি মাত্র শব্দে কী যেন স্বগতোক্তি করলেন। বঙ্গভাষে বোধ করি সেটা অনুবাদ করলে দাঁড়ায় : আদিখ্যেতা!

    জগদীশ কিন্তু সোৎসাহে এগিয়ে এল। বাসু-সাহেবের সঙ্গে করমর্দন করে বললে, আপনার সব কেসগুলো হিন্দি বা ইংরাজীতে অনুবাদ করাচ্ছেন না কেন? আমি মাত্র দুটি কাহিনী…

    হঠাৎ মাঝখানে ওর মা ধমক দিয়ে ওঠেন : জগু! বস চুপ করে। এখন আমাদের খোশগল্প করার সময় নয়।

    বাসু মহিলার দিকে ফিরে বললেন, তাহলে কিভাবে আমরা সময়টা কাটাবো?

    —জরুরী ব্যাপারটা আশু ফয়সালা করে। সূরয আপনাকে টাকা দিয়ে নিযুক্ত করেছে খোশগল্প করার জন্য নয়। আমাকে আমার স্বামীর সম্পত্তি থেকে বঞ্চিত করতে। ক্ষমতা থাকে আপনি চেষ্টা করে দেখুন। বলুন, আপনার কী বলার আছে?

    বাসু বলেন, সব চেয়ে ভালো হয়, আপনি যদি একজন এটর্নি নিযুক্ত করেন, যিনি আপনার স্বার্থ দেখবেন। আইনঘটিত ব্যাপার তো—

    মহিলা খখনে গলায় বলেন, আমাকে আইন দেখাতে আসবেন না মশাই। দরকার হলে দশ-বিশটা উকিল আমি আমার ভ্যানিটি-ব্যাগে পুরে ফেলতে পারি। বুয়েছেন? বলুন, কী বলতে চান?

    বাসু বলেন, বিষয়টা কী আগে শুনি। নিচে থেকেই আপনার কণ্ঠস্বর শুনতে পাচ্ছিলাম। সে আলোচনাটাই শুরু হক না আবার?

    —বেশ। শুনুন মশাই। সূরযকে বলেছি। আপনাকেও বলি। আমার বিয়ে হওয়া ইস্তক সূরয আমাকে বিষ-নজরে দেখে। নানাভাবে আমাকে বিপদে ফেলবার চেষ্টা করে এসেছে। সেসব কথা যদি আমি খোলাখুলি ওর বাপকে বলতাম তাহলে এতদিনে সে ওকে ত্যাজ্যপুত্র করে ছাড়ত। আমি বলিনি। কী দরকার ওসব নোংরামির মধ্যে যাবার? কিন্তু সূরযের অত্যাচারে এ সংসারে টিকতেও পারিনি। গত এক বছর ধরেই তীর্থে-তীর্থে ঘুরে বেরিয়েছি। আমি জানতাম ও সুবিধা পেলে আমাকে বিষ খাওয়াতো—তাই শ্রীনগরে এলেও আমি বরাবর হোটেলে উঠেছি। এ-বাড়ির ছায়া মাড়াইনি। কিন্তু সে খেলা শেষ হয়ে গেছে। এখন সব কিছু বর্তেছে আমাতে। সব কিছু আমাকে বুঝে নিতে হবে। দেখতে হবে, কোম্পানির কত লাখ টাকা ও ইতিমধ্যে হাতিয়েছে। ওকে বলেছি, খাতা-পত্র সব নিয়ে আসতে। ও শুধু ঢিলিমিশি করছে।

    বাসু বলেন, ব্যবসায়ের খাতাপত্র দেখতে চাওয়ার আগে আপনিই যে মালকিন্ এটা প্রমাণ হওয়া চাই তো? সেটার কতদূর কী হয়েছে?

    –বেশ। সে-কথাই বলি। আমি যদ্দুর জানি—মহাদেও আমাকে বলেও ছিল—সে একটা উইল করেছে। সব কিছু স্থাবর-অস্থাবর স্বত্ব আমাকেই দিয়ে গেছে। সূরয বোধ হয় একটা কী-যেন মাসোহারা পাবে।

    বাধা দিয়ে বাসু বলেন, উইলটা আছে আপনার কাছে?

    —আপনি কি আমাকে সেইরকম মেয়েছেলে ভেবেছেন? জ্যান্তস্বামীর উইল ভ্যানিটি ব্যাগে ভরে তীর্থে তীর্থে ঘুরে বেড়াবো? উইলটা এখানেই, এ বাড়িতেই ছিল এবং আছে। যদি না সূরয সেটা ইতিমধ্যে পুড়িয়ে ফেলে থাকে। ও যেমন ছেলে—ও সব পারে!

    বাসু ধীরকণ্ঠে বলেন, ব্যক্তিগত চরিত্রাপহরণ না করেও কি আমরা আলোচনাটা করতে পারি না মিসেস্ খান্না?

    এক কথায় ফয়সালা করে দিলেন উনি : না!

    গঙ্গারামজী কী একটা কথা বলতে গেলেন—ঠিক সেই সময়ই জ্বলন্ত এক জোড়া চোখ তুলে মহিলা তাঁর দিকে তাকালেন। গঙ্গারামের সব কিছু গুলিয়ে গেল। ঢোক গিলে তিনি স্ট্যাচু মেরে যান।

    বাসু বলেন, মিসেস্ খান্না, আমি একটা ব্যক্তিগত প্রশ্ন করতে বাধ্য হচ্ছি। যে এক বছর ধরে তীর্থে-তীর্থে ঘুরছিলেন আর মহাদেও প্রসাদও যে ঐ এক বছর হিমালয়ের বিভিন্ন প্রান্তে ঘুরে বেড়াচ্ছিলেন তার কারণটা কি এই নয় যে, আপনাদের ‘সেপারেশন’ চলছিল?

    —নিশ্চয়ই নয়! এসব ঐ সূরযের রটনা!

    —আপনারা কি দুজনে এটাই স্থির করেননি যে, ঐ ‘সেপারেশন’ পিরিয়ড শেষ হলে বিবাহ-বিচ্ছেদ’টা কার্যকরী করা হবে?

    —এক কথা কতবার আপনাকে বলব মশাই? তেমন কোনও কথাই ওঠেনি! সূরয খাই ভাবুক না কেন, আমাদের স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে কোনও রকম মনকষাকষি কোনওদিন হয়নি।

    সূরয এই সময় বলে ওঠে, মিস্টার বাসু, আমি এখানে একটি তথ্য পেশ করতে চাই। আমি ব্যাঙ্কে খোঁজ নিয়ে জেনেছি, গত দোসরা সেপ্টেম্বর পিতাজী এবং চাচাজী ব্যাঙ্কে গিয়েছিলেন এবং পিতাজী কিছু ফিক্সড-ডিপজিট জমা দিয়ে পঞ্চাশ হাজার টাকা লোন চেয়েছিলেন। চাচাজী আমার কাছে স্বীকার করেছেন, এই ব্রাঞ্চ থেকে লোন না পেয়ে পিতাজী তাঁকে দিল্লিতে পাঠিয়ে দেন। চাচাজী দশ তারিখে দিল্লি ব্রাঞ্চে সেই ফিক্সড-ডিপজিট দাখিল করে দুখানি ব্যাঙ্ক ড্রাফ্‌ট করিয়ে আনেন।

    মহিলা বলেন, তাতে কী হল?

    সে কথায় কান না দিয়ে সূরয বলে, চাচাজী আমার কাছে আরও স্বীকার করেছেন, পিতাজী ঐ টাকাটা একটা মানি সেটলমেন্ট কেসে খরচ করতে চেয়েছিলেন। কিন্তু কে সেই পার্টি তিনি আমাকে বলছেন না।

    মহিলা পুনরায় প্রতিবাদ করেন, এসব ‘খেজুরে গল্প’ কেন শোনানো হচ্ছে?

    সূরয তাঁর দিকে জ্বলন্ত দৃষ্টিতে তাকিয়ে বলে, বারে বারে আমাকে বাধা দেবেন না। আমার বক্তব্য শেষ হলে, আপনি কথা বলবেন।

    মহিলা সোফায় এলিয়ে পড়ে বলেন, বেশ বল। শুধু ‘খেজুরে’ নয়, ‘আষাঢ়ে’ গল্প।

    সূরয সূত্রটা তুলে নিয়ে বলে, আমার বিশ্বাস, আপনি যে প্রসঙ্গ তুলেছেন—ঐ সেপারেশনের কথা, তার সঙ্গে এই পঞ্চাশ হাজার টাকার যোগাযোগ আছে। চাচাজী এ বিষয়ে কী জানেন, তা জানা দরকার।

    বাসু-সাহেব বলেন, ঠিক কথা। মহাদেওপ্রসাদ জীবিত থাকলে একমাত্র তাঁর কাছেই আপনার কৈফিয়ত দেবার কথা হত। তাঁর অবর্তমানে তাঁর স্ত্রী ও পুত্রের কাছে সব কথা আপনাকে খুলে বলতে হবে। বিশেষ এ একটা মার্ডার কেস।

    গঙ্গারাম মিসেস্ খান্নার দিকে তাকাচ্ছেন না। বললেন, আজ্ঞে হ্যাঁ, আপনি ঠিকই ধরেছেন। ওঁদের সেপারেশনই চলছিল। মিসেস্ খান্না ডিভোর্সে রাজি হয়েছিলেন, নগদ —

    ওঁকে মাঝপথে থামিয়ে দিয়ে মহিলা চাপা গর্জন করে ওঠেন, গঙ্গারাম! আমি তোমাকে শেষবারের মতো সাবধান করে দিচ্ছি কিন্তু —

    হঠাৎ গঙ্গারামজী সাহস ফিরে পান। সুরমার চোখে চোখ রেখে বলেন, আমাকে বৃথাই ভয় দেখাচ্ছেন, মিসেস খান্না। কী করবেন আপনি? সম্পত্তির অধিকার পেলে আমাকে বরখাস্ত করবেন, এই তো? তা আপনিই যদি এ কারবারের মালিক হয়ে বসেন, তাহলে আমি নিজে থেকেই পদত্যাগ করব! আর আমার ভয়টা কিসের?

    মিসেস খান্না কালনাগিনীর মতো হিসহিসিয়ে ওঠেন, তুমি আমাকে চেন না!

    চোখ দুটো জ্বলে উঠল গঙ্গারামের। বললে, চিনি, খুব চিনি। কিন্তু আমি তো আধা-সন্ন্যাসী মহাদেও প্রসাদ খান্না নই, আমাকে গুলি করে মারা অত সহজ নয়!

    যেন জ্যাক-ইন-দ্য-বক্স পুতুল। তড়াং করে উঠে দাঁড়িয়ে পড়েন মিসেস খান্না। চিৎকার করে ওঠেন, কী! কী বললে? আমি মানহানির মকদ্দমা করব।

    বাসু তাঁকে থামিয়ে দেন : বসুন, বসুন। মানহানির মকদ্দমা যখন হবে তখন ওসব কথা উঠবে। আপাতত আমরা সম্পত্তির মালিক কে সেটারই ফয়সালা করছি। বলুন, গঙ্গারামজী। আপনি কী যেন বলছিলেন?

    মিসেস্ খান্না গোঁজ হয়ে বসে থাকেন। গঙ্গারামজী বলে চলেন, মিসেস্ খান্না ডিভোর্সে রাজি হয়েছিলেন, নগদ পঞ্চাশ হাজার টাকা ক্ষতিপূরণ পাওয়ার শর্তে। আমার মালিক সে শর্ত মেনে নেন। স্থির হয়েছিল, মিসেস খান্না দিল্লি আদালতে বিবাহ-বিচ্ছেদের আর্জি পেশ করবেন এবং খান্নাজী তা কনটেস্ট করবেন না। ঠিক এক বছর আগে মিসেস্ খান্না আর্জি পেশ করেন। আদালত এক কথায় সে আর্জি মেনে নেন না, ওঁদের এক বছর সেপারেশনে থাকবার নির্দেশ দেন। এ বছর পাঁচই সেপ্টেম্বর মিসেস্ খান্না দলিলটা পাবেন এমন কথা ছিল। আদালত থেকে তিনি নির্দেশ পান সোমবার পাঁচই সেপ্টেম্বর আদালত থেকে দলিলটা ডেলিভারি নিয়ে যেতে। মিসেস্ খান্না আমাকে টেলিফোন করে জানিয়েছিলেন। ছয়ই সকালের ফ্লাইটে তিনি শ্রীনগরে আসবেন এবং নগদে পঞ্চাশ হাজার টাকা পেলে বিবাহ-বিচ্ছেদের দলিলটা হস্তান্তরিত করবেন। সে-কথা আমি যখন আমার মালিককে জানালাম তখন উনি লিখলেন, সোমবার পাঁচই উনি এসে ব্যাঙ্ক থেকে টাকাটা তুলে আমাকে দিয়ে যাবেন। পরদিন আমি ঐ টাকা মিসেস্ খান্নাকে দেব এবং বিবাহ-বিচ্ছেদের দলিলটা নিয়ে সিন্দুকে রাখব। যে কোনও কারণেই হোক মালিক শুক্রবার দোসরা সকালে সাড়ে নটা নাগাদ এসে উপস্থিত হলেন। বাড়ির সিন্দুক থেকে এক বাণ্ডিল ফিক্সড-ডিপজিট সার্টিফিকেট নিয়ে আমাকে সঙ্গে করে ব্যাঙ্কে যান। সেখানে ব্যাঙ্ক-ম্যানেজারের সঙ্গে কথা বলে বোঝা গেল যে, এ টাকা পেতে হলে হয় তাঁকে অথবা আমাকে দিল্লি যেতে হবে। উনি সার্টিফিকেটগুলি আমাকে দিয়ে বলেন সেগুলি বাড়িতে রাখতে। আরও বলেন, তিনি অন্য কোনও সূত্র থেকে টাকাটা যোগাড় করা যায় কিনা দেখবেন। নেহাৎ না পারলে উনি টেলিফোন করে আমাকে জানাবেন, যাতে আমি ঐগুলি জামানৎ দিয়ে দিল্লি থেকে ব্যাঙ্ক ড্রাফ্ট করিয়ে আনতে পারি। এর পর উনি আড়াইটার বাসে পহেলগাঁওয়ের দিকে চলে যান।

    বাধা দিয়ে বাসু বলেন, বাসে? পাবলিক্ বাসে? গাড়িতে নয়?

    —আজ্ঞে না। পাবলিক্ বাসে। যদিও তাঁর দুখানা অ্যাম্বাসাডার, একটা স্টেশন-ওয়াগন, একটা ল্যান্ডরোভার আর একত্রিশখানা ট্রাক আছে। যা হোক, যে-কথা বলছিলাম, পাঁচই রাত আটটা নাগাদ তিনি ঐ ট্রাউট-প্যারাডাইস থেকে আমাকে ফোন করে বললেন দিল্লি থেকে ব্যাঙ্ক ড্রাফ্ট করিয়ে আনতে।

    বাসু বললেন, উনি কি ঐ লগ্‌-কেবিন থেকেই ফোন করেন?

    —না। ঐ লগ্‌-কেবিন থেকে নয়। উনি বললেন, লগ-কেবিনের টেলিফোনটা ডেড হয়ে আছে। তিনি অন্য কোনও জায়গা থেকে ফোন করছেন। কোথা থেকে তা উনি বলেননি। আমিও জিজ্ঞাসা করিনি। সে যাই হোক, আমি তৎক্ষণাৎ এয়ার-অফিসে ফোন করি। সৌভাগ্যক্রমে পরদিন মর্নিং ফ্লাইটে একটা টিকিট পেয়ে যাই। ছয়ই ভোরের প্লেনে দিল্লি চলে যাই। কিন্তু সেখানে পৌঁছেই অসুস্থ হয়ে পড়ি। দু-তিন দিন আমি হোটেল ছেড়ে বেরুতে পারিনি। দশ তারিখে ব্যাঙ্কে গিয়ে ড্রাফ্‌টটা তৈরি করি। পরদিনই অর্থাৎ এগারোই সূরয আমাকে টেলিফোন করে দুঃসংবাদটা জানায়। আমি তৎক্ষণাৎ ফিরে আসি। ড্রাফ্‌ট দুটি এখনও আমার কাছে আছে।

    সূরয ক্ষুব্ধ কণ্ঠে বলে, কী আশ্চর্য! এসব কথা তো আপনি আমাকে ঘুণাক্ষরেও জানাননি চাচাজী?

    —না জানাইনি। কারণ মালিকের নির্দেশ ছিল সব কিছু গোপন রাখতে,—হ্যাঁ, এমনকি তোমার কাছ থেকেও। নির্দেশ ছিল, ঐ দলিলটি সংগ্রহ করে শুধু তাঁরই হাতে দেওয়ার। সে সৌভাগ্য আমার হল না, তার আগেই তিনি আমাকে ফাঁকি দিয়ে-

    গলাটা ধরে এল প্রভুভক্ত একান্ত সচিবের। রুমাল দিয়ে চশমার কাচটা মুছে নিয়ে বললেন, আমি অপেক্ষা করছিলাম মিস্টার বাসুর জন্য। এখন আমার বুক থেকে একটা পাষাণভার নেমে গেল।

    বাসু মিসেস্ খান্নার দিকে ফিরে বললেন, এ বিষয়ে আপনি কী বলেন?

    মিসেস্ খান্না বলেন, নাটক মঞ্চস্থ করছেন আপনারা, আমি তো দর্শকমাত্র। আমি কী বলব? একটা কথাই বলতে পারি : এনকোর! এনকোর!

    বাসু গম্ভীরভাবে বলেন, মিসেস্ খান্না, ব্যাপারটা আশু ফয়সালা হয়ে যাক এটা নিশ্চয় আপনিও চাইছেন। দিল্লি-আদালত আপনাদের বিবাহ-বিচ্ছেদ মঞ্জুর করেছেন কি না এটা আমরা ঠিকই জানতে পারব। কিছুটা সময় লাগবে, এই যা। এ-ক্ষেত্রে আপনি কি জানাবেন, দিল্লি আদালত সেটা মঞ্জুর করেছেন কি না?

    —হ্যাঁ করেছেন।

    —সেটা নিয়েই আপনি এসেছেন শ্রীনগরে! সাত তারিখে?

    —সে কৈফিয়ত আপনাকে দিতে যাব কেন?

    সূরয বলে, বিবাহ-বিচ্ছেদ যদি হয়ে গিয়ে থাকে, তবে ক্ষতি-পূরণ স্বরূপ ঐ পঞ্চাশ হাজার টাকাই তাঁর প্রাপ্য, কেমন তো? এ-ক্ষেত্রে উনি আমার বিমাতা নন? তার মানে বাকি সম্পত্তির কিছুই উনি দাবী করতে পারেন, না?

    কোথাও কিছু নেই অট্টহাস্যে ফেটে পড়েন মহিলা। হাসির দমক সামলে বলেন, তুমি বড় তাড়াহুড়া করে ফেলছ সূরয। একদিন পরে কাজটা হাসিল করলে সব কিছুই তোমাতে বর্তাতো!

    —কোন কাজ?

    —বাপ্‌কে খুন করা, আবার কী?

    —শাট আপ!—গর্জে ওঠে সূরয।

    জগদীশ এতক্ষণ নীরব ছিল। এবার বললে, মা, কী বলছ ভেবেচিন্তে বল!

    —আমি জানি, জগু আমি কী বলছি। এই দেখুন ব্যারিস্টার-সাহেব সেই বিবাহ-বিচ্ছেদের দলিলটা।

    সূরয বললে, মিস্টার বাসু, আমার প্রশ্নটার জবাব পাইনি। বিবাহ-বিচ্ছেদ যখন হয়ে গেছে তখন—মাঝপথেই সে থেমে যায়। দেখে, বাসু-সাহেব মন দিয়ে দলিলটা দেখছেন। মিসেস্ খান্নার কিন্তু তর সয় না। বলেন, কই ব্যারিস্টার-সাহেব? এবার নাটকে আপনার ডায়ালগ্ যে? আপনার ক্লায়েন্টকে শুনিয়ে দিন কেন ঐ বিবাহ-বিচ্ছেদ দলিলটা সিদ্ধ নয়?

    বাসু বললেন, হ্যাঁ, বিবাহ-বিচ্ছেদের এ দলিলটা সিদ্ধ কিনা সেটা এখনই বলা যাচ্ছে না। আদালত বিবাহ-বিচ্ছেদের দলিলটা অনুমোদন করেছেন ছয়ই সেপ্টেম্বর। ঠিক কটার সময়—এমন কি ‘ফোরনুন’ না ‘আফ্‌টারনুন’ তারও উল্লেখ নেই। অপরপক্ষে মহাদেওপ্রসাদ খুন হয়েছেন ঐ ছয় তারিখেই সকাল এগারোটা নাগাদ। বিবাহ-বিচ্ছেদের দলিলটি সিদ্ধ হচ্ছে ম্যাজিস্ট্রেটের স্বাক্ষরমুহূর্ত থেকে। যদি প্রমাণিত হয়, তিনি বেলা এগারোটার পর সই করেছেন, তাহলে এ ডিভোর্স-সার্টিফিকেট সিদ্ধ নয়। কারণ মৃতব্যক্তি বিবাহ-বিচ্ছেদ করতে পারে না, কাউকে ওকালতনামা দেওয়া থাকলেও।

    মিসেস্ খান্না বলেন, ম্যাজিস্ট্রেট বিকালবেলা সইটা করেন, এবং আমার তরফে অ্যাটর্নি সেটা ডেলিভারি নেন বিকাল চারটায়। প্রয়োজন হলে আমার অ্যাডভোকেট সেই মর্মে এফিডেবিট করবেন।

    বাসু বলেন, তারপর? আপনারা দুজন সাত তারিখের ফ্লাইটে শ্রীনগরে চলে আসেন? —একই কথা বার বার জিজ্ঞেস করছেন কেন বলুন তো?

    —কারণ এমনও হতে পারে যে আপনি ছয় তারিখ মর্নিং ফ্লাইটে দিল্লি থেকে এসেছেন, এবং আপনার পুত্র পরদিন ঐ বিবাহ-বিচ্ছেদ দলিলটা নিয়ে এসেছে?

    —তাতে কী হল?

    —হয়নি কিছুই। আমি জানতে চাইছি আপনি কবে শ্রীনগরে এসেছেন?

    —আমি তো বারে বারেই বলছি, সে কথা ইরেলিভ্যান্ট অ্যান্ড ইম্মেটিরিয়াল। ছয় তারিখ সকালে আমি কোথায় ছিলাম, তার সঙ্গে সম্পত্তির মালিকানার কোনও সম্পর্ক নেই। আপনিই না একটু আগে বললেন, আমাদের বর্তমান মামলাটা শুধু সম্পত্তির অধিকার বিষয়ে?

    —তার মানে ছয়ই সকালে আপনার কোনো ‘অ্যালিবাই’ নেই!

    —লুক হিয়ার মিস্টার ব্যারিস্টার। এটা আদালত নয়। আপনার অবান্তর প্রশ্নের জবাব আমি দেব না। আশা করি আপনি বুঝতে পেরেছেন—ঐ বিবাহ-বিচ্ছেদের কাগজখানা নিতান্ত মূল্যহীন।

    বাধা দিয়ে সূরয বলে ওঠে, একটু আগে আপনি বলছিলেন, আমিই বাবাকে খুন করেছি। অথচ দেখা যাচ্ছে ছয়ই সকালে আপনি কোথায় ছিলেন তার সন্তোষজনক কৈফিয়ত দিতে পারছেন না। আমি খোঁজ নিয়ে জেনেছি, আপনি হোটেলে চেক-ইন করেছেন সাত তারিখ সকালে। অথচ এয়ারলাইন্স বলছে, ছয়-সাত দু-দিনের প্যাসেঞ্জার লিস্টেই আপনার নাম নেই! তার মানে…

    Sp

    —ব্যস ব্যস! ঐ পর্যন্তই থাক। তোমার ব্লাড প্রেসার বেশি, ডাক্তার বলেছেন, উত্তেজিত না হতে, তাই না? আচ্ছা চলি ব্যারিস্টার-সাহেব-

    পুত্রকে সঙ্গে নিয়ে মহিলাটি কক্ষত্যাগ করবার জন্য উঠে দাঁড়ান। বাসু বলেন, বসুন, যাবেন না। আমার আরও একটা কথা বলার আছে-

    —আবার কি?—মিসেস্ খান্না বসে পড়েন।

    –খবরটা এখনও জানাজানি হয়নি, কিন্তু পুলিসে এটা শীঘ্রই জানতে পারবে। মহাদেও প্রসাদ সাতাশে অগস্ট তারিখে একটি মহিলাকে বিবাহ করেন।

    সূরয চমকে ওঠে। গঙ্গারামও। কিন্তু মিসেস্ খান্নাকে বিন্দুমাত্র বিচলিত হতে দেখা গেল না। বললেন, কী দুর্ভাগ্য, আমাদের নিমন্ত্রণ হল না! মহাদেও যে চরিত্রের লোক তাতে আমি অবাক হইনি। লোকটা মরে গেছে, তাই ‘বাইগামি’র মামলা আনা যাবে না। তা সে যাই হোক, আমার সঙ্গে যতদিন না বিবাহ-বিচ্ছেদ হচ্ছে ততদিন সেই মাগির কোনও দাবী আইনত দাঁড়ায় না। মেয়েটি কে তা জানবার আমার বিন্দুমাত্র কৌতূহল নেই। আয় জগু, আমরা যাই। অনেক কাজ এখনও বাকি।

    মিসেস্ খান্না চলে যাবার পর বাসু দেখলেন, দু-হাতে মুখ ঢেকে বসে আছে সূরয। তারপর মুখ তুলে বললে, এ তথ্য কী করে পেলেন?

    —ঐ উলের কাঁটা আর ব্র্যাসিয়ারের সূত্র ধরে। মেয়েটির দোষ নেই, সে জানত না উনি বিবাহিত।

    সূরয বলে, ইতিমধ্যে আর কিছু জেনেছেন?

    —জেনেছি। লগ-কেবিনে যে ময়নাটাকে পাওয়া গেছে সে মুন্না নয়। যে কোনো কারণেই হোক তোমার বাবা মুন্নাকে কোনও নিরাপদ স্থানে সরিয়ে দিয়ে ঠিক ঐ রকম দেখতে আর একটি ময়নাকে ঐ লগ্‌-কেবিনে নিয়ে এসেছিলেন।

    সূরয চমকে উঠে বলে, তিনি নিজেই? কেন?

    —কেন তা এখনও বুঝতে পারিনি। তবে তিনি নিজেই ঐ দ্বিতীয় ময়নাটিকে খরিদ করেন দোসরা সেপ্টেম্বর শ্রীনগরের বাজারে।

    তারপর উনি গঙ্গারামের দিকে ফিরে বলেন, দোসরা বেলা দেড়টার বাসে আপনি কি তাঁকে তুলে দিয়ে এসেছিলেন? তাঁর সঙ্গে কি আর একটা ময়না ছিল?

    গঙ্গারাম বললেন, আজ্ঞে না। বাসে আমি নিজে তাঁকে তুলে দিতে যাইনি। তাঁর সঙ্গে আর একটা ময়না ছিল কিনা তা আমি জানি না। কিন্তু তিনি কেন আবার একটা ময়না কিনবেন? আর সেই দ্বিতীয় পাখিটাই বা কোথায়?

    বাসু বললেন, দ্বিতীয় পাখি নয় গঙ্গারামজী, সেটাই প্রথম পাখি। তার নাম মুন্না। তার দেখা পেলেই বোঝা যাবে কী কারণে খান্নাজী তাকে নিরাপদ দূরত্বে সরিয়ে দিয়েছিলেন। গঙ্গারাম বললেন, নিরাপদ দূরত্বে মানে? আততায়ী তো ময়নাটার কোনও ক্ষতি করেনি। মালিক কেন আশঙ্কা করলেন যে, মুন্নার কোনও বিপদ আছে?

    বাসু বলেন, যতক্ষণ না ‘মুন্না’কে খুঁজে পাচ্ছি ততক্ষণ এ প্রশ্নের জবাব আমার জানা নেই। কিন্তু এ-কথা নিশ্চিত যে, ঘটনার সময় ওঁর লগ্‌-কেবিনে মুন্না আদৌ ছিল না।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleঅ-আ-ক-খুনের কাঁটা – নারায়ণ সান্যাল
    Next Article কুলের কাঁটা – নারায়ণ সান্যাল

    Related Articles

    নারায়ণ সান্যাল

    অলকনন্দা – নারায়ণ সান্যাল

    September 3, 2025
    নারায়ণ সান্যাল

    আবার যদি ইচ্ছা কর – নারায়ণ সান্যাল

    September 3, 2025
    নারায়ণ সান্যাল

    আম্রপালী – নারায়ণ সান্যাল

    September 3, 2025
    নারায়ণ সান্যাল

    বিশ্বাসঘাতক – নারায়ণ সান্যাল

    September 3, 2025
    নারায়ণ সান্যাল

    সোনার কাঁটা – নারায়ণ সান্যাল

    September 3, 2025
    নারায়ণ সান্যাল

    মাছের কাঁটা – নারায়ণ সান্যাল

    September 3, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }