Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    উলের কাঁটা – নারায়ণ সান্যাল

    নারায়ণ সান্যাল এক পাতা গল্প181 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    উলের কাঁটা – ৮

    আট

    কৌশিককে নিয়ে শ্রীনগর থেকে যখন রওনা হয়েছিলেন তখনও রাত কাবার হয়নি। হাড়-কাঁপানো শীত। পহেলগাঁওয়ে যখন পৌঁছালেন তখন সূর্যোদয় হচ্ছে। ফাঁকা রাস্তায় বুলেটের মতো গাড়িটা চলে এসেছে। বাসু-সাহেব গাড়িটা সেই মেথডিস্ট চার্চের পিছন দিকে দ্বিতীয় বাড়িটার সামনে দাঁড় করালেন। কৌশিককে নিয়ে হাঁটতে হাঁটতে তৃতীয় বাড়িখানার সামনে এসে কলিং বেল বাজালেন।

    গৃহস্বামিনী বোধ হয় তখনও শয্যাত্যাগ করেননি। একটু বিলম্ব হল তাঁর আসতে। এবারও ল্যাচ-কী দেওয়া দরজা অল্প ফাঁক করে বললেন, কী চাই? ও আপনারা! এত সকালে?

    বাসু বললেন, হ্যাঁ রাত থাকতেই বেরিয়েছি। মিসেস কাপুর ফিরে এসেছেন ভেবেছিলাম; কিন্তু ওঁর দরজাটা তালাবন্ধ।

    —না ও ফেরেনি। ভিতরে বসবেন?

    বাসু ইংরাজী ছেড়ে বিশুদ্ধ হিন্দুস্থানীতে বললেন, না বসব না। আপনার বোধ হয় এখনও প্রাতঃকৃত্যাদিই সারা হয়নি, নয়?

    মহিলা সসঙ্কোচে ইংরাজীতে বললেন, মাপ করবেন। আমি হিন্দি জানি না। কী বলছেন?

    —ঐ ময়না পাখিটাকে আর একবার দেখতে চাই।

    —ও! কিন্তু ওটা তো ও বাড়িতে আছে।

    বাসু বলেন, তাহলে ও বাড়ির চাবিটাই বরং দিন। আমি একটু বাথরুমেও যাব। মিসেস কৃষ্ণমাচারীর মূর্তি অপসারিত হল। একটু পরে ফিরে এসে একটি চাবি দরজার ফাঁক দিয়ে গলিয়ে দিয়ে বললেন, ওর বেডরুমের চাবিটা ও আমাকে দিয়ে যায়নি। এটা সদরের চাবি। ময়নাটা বারান্দায় টাঙানো আছে, আর ল্যাট্রিনও ব্যবহার করতে পারবেন।

    —থ্যাঙ্কু সো মাচ।

    সে বাড়ি থেকে বেরিয়ে এসেই কৌশিক বলল, ভদ্রমহিলা হিন্দি একেবারেই জানেন না, তাই মুন্নার ঐ ‘বোল’টার অর্থগ্রহণ হয়নি।

    বাসু বললেন, একেবারেই জানেন না, তা নয়। সেদিন যখন মুন্না বলেছিল—’আইয়ে বৈঠিয়ে চা পিজিয়ে’ তখন উনি বুঝতে পেরেছিলেন।

    কৌশিক বলে, তা তো বুঝলাম। এখন কি ময়না বদল করবেন?

    —অফকোর্স! তুমি গাড়ি থেকে ঐ পাখিটাকে নিয়ে এস। আমি এ বাড়ির দরজাটা খুলি।

    ময়না বদল করে, চাবিটা ঐ ভদ্রমহিলাকে ফেরত দিয়ে বাসু আবার এসে বসলেন গাড়িতে। বললেন, আমার ভয় ছিল, ইতিমধ্যেই পুলিসে এটাকে না সরিয়ে নিয়ে থাকে।

    —সে আশঙ্কাও ছিল নাকি?

    —নিশ্চয়! তাই তো রাত থাকতেই চলে এসেছি!

    কৌশিক বলে, সতীশ বর্মন এ ভুল করল কেন? কাল তারা বিকালের দিকে নিশ্চয়ই এখানে এসেছিল। মিসেস কৃষ্ণমাচারীকে জিজ্ঞাসাবাদও করেছে। পাখিটার অদ্ভুত ‘বোলটাও’ শুনেছে। তবু পাখিটাকে নিয়ে যায়নি কেন? আন্দাজ করতে পারেন?

    —পারি। দুটো কারণে। প্রথমত ওরা রমাকে গ্রেপ্তার করতে চায়। ঐ পাখিটার টানেই রমা ফিরে আসতে পারে এটাই ওরা আশা করেছিল; ভেবেছিল, আমি এসে যদি জেনে যাই ‘মুন্নাকে’ পুলিসে ‘সীজ’ করে নিয়ে গিয়েছে তাহলে রমা আর তার বাড়িতে ফিরবেই না। দ্বিতীয়ত, ওদের থিওরি—রমাই হত্যাকারী। সেক্ষেত্রে পাখিটাকে রমা বাঁচিয়ে রাখবে কেন এটা ওরা বুঝে উঠতে পারেনি। পাখিটা যে ‘বোল’ পড়ছে তা শুনেও রমা ঘাবড়াচ্ছে না কেন এটা ওদের মাথায় ঢোকেনি। সে যাই হোক, আজ বিকালের মধ্যেই এখানে সতীশ বর্মন আসবে এবং পাখিটাকে ‘সীজ’ করবে।

    — কেন?

    —কাল রাত্রে ওরা জেনেছে মহাদেও প্রসাদ তাঁর স্ত্রীকে ‘রমা’ বলে ডাকতেন। সতীশ বর্মন সে-কথার গুরুত্ব না দিলেও শর্মাজীর অর্ডারে যোগীন্দর সিং পাখিটাকে উঠিয়ে নিয়ে যাবার ব্যবস্থা করবে।

    পহেলগাঁও থেকে আবার শ্রীনগরে যখন এসে পৌঁছালেন তখন বেশ বেলা হয়েছে। দোকানপাট সব খুলেছে। বাসু-সাহেব গাড়িটাকে নিয়ে এলেন সেন্ট্রাল মার্কেটে। ইয়াকুব মিঞার দোকানে এসে বললেন, মিঞাসাব একটা উপকার করতে হবে। এই পাখিটাকে আপনার জিম্মাদারীতে দিন সাতেক রাখতে হবে। রাজি আছেন?

    —আলবৎ। এ-আর বেশি কথা কি?

    বাসু-সাহেব একটি পঞ্চাশ টাকার নোট বার করে বলেন, নিন ধরুন।

    —এটা কেন স্যার?

    —আমার পাখির খোরাকি?

    —আমি কি ওকে সোনার দানা খাওয়াব?

    —না, সেজন্য নয়। প্রথম কথা, দোকানে এটাকে রাখবেন না। আপনার বাড়িতে রাখবেন। আর এটা যে আপনার কাছে গচ্ছিত রেখে সে কথাটা যেন তৃতীয় ব্যক্তি জানতে না পারে। কেমন? কোন ক্রমেই যেন এ পাখিটা খোয়া না যায়।

    ইয়াকুব বললে, ঠিক হ্যায় সা’ব। কিন্তু কেন বলুন তো?

    ঠিক তখনই বোল পড়ল পাখিটা; রমা! মৎ মারো। পিস্তল নামাও। …দ্রুম…হায় রাম।

    ইয়াকুবের চোখ দুটি ছানাবড়া হয়ে ওঠে!

    বাসু বলেন, শুনলেন তো? এই হচ্ছে আমার একনম্বর সাক্ষী। সেদিন যে লোকটার ছবি দেখিয়েছিলাম তার নাম রমাপ্রসাদ। ডাকনাম ‘রমা’। লোকটা যখন হত্যা করে তখন এই ময়নাটা শুনে ফেলেছিল ঐ কথাগুলো। এখন বুঝছেন তো ময়নাটার দাম কত? ওর কিছু ভালমন্দ হয়ে গেলে পুলিস কিন্তু আপনাকেই সন্দেহ করবে। এজন্যই মাত্ৰ সাতদিনের খোরাকি বাবদ নগদ একশ’ টাকা দিচ্ছি। খুব সাবধান! ওকে এক্কেবারে লুকিয়ে রাখবেন। পঞ্চাশ টাকা এখন দিয়ে গেলাম, আবার পঞ্চাশ টাকা এই বাবু দেবেন দিনসাতেক পরে, যখন ময়নাকে ডেলিভারী নিতে আসবেন। ঠিক হ্যায়?

    ইয়াকুব মস্ত সেলাম করে বললে, বেফিকর রহিয়ে সা’ব।

    সেন্ট্রাল মার্কেট থেকে বেরিয়ে এলেন যখন তখন সূর্য মধ্যগগনে। বাসু বলেন, এ বেলার মতো খেল খতম; চল হাউসবোটে ফিরি।

    হাউসবোটে চুপচাপ বসে আছেন রানী দেবী। নিতান্ত একা।

    মধ্যাহ্ন-আহার শেষ হলে বাসু বলেন, কৌশিক এ-বেলায় তুমি রানীকে নিয়ে নৌকায় করে একটু ঘুরে এস। ইচ্ছা করলে গাড়িতেও যেতে পার, কারণ আমার গাড়ি লাগবে না।

    —আপনি এ বেলা তাহলে কী করবেন?

    —আমি এই হাউসবোটেই থাকব। একটু থিংক করব।

    এই ‘থিংক্’-করা ব্যাপারটার সঙ্গে রানী দেবী ঘনিষ্ঠভাবেই পরিচিত। উনি এখন হুইস্কির বোতল নিয়ে বসবেন, পাইপ ধরিয়ে। বাইরে যদি সাইক্লোন হতে থাকে, পায়ের নিচে ভূমিকম্পে মাটি দু-ফাঁক হয়ে যায় উনি টের পাবেন না। কায়মনোবাক্যে উনি বুদ হয়ে থাকবেন ঐ ‘থিংক্’ করার ব্যাপারে। রানী দেবী লক্ষ করে দেখেছেন, প্রতিবারই রহস্য সমাধানের শেষাশেষি কয়েকঘণ্টা এইভাবে অন্তর্লীন চিন্তায় উনি মগ্নচৈতন্য হয়ে থাকেন। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই জাগর-জগতে ফিরে এসে একটা স্বগতোক্তি করেন : লোকটা কে বুঝতে পারছি, কেন করেছে তাও বোঝা যাচ্ছে—কিন্তু প্রমাণ করব কী করে?

    বেলা একটা নাগাদ কৌশিক আর রানী দেবী বেরিয়ে গেলেন, নৌকাতেই। বাসু বোতলটা টেনে নিলেন।

    .

    তন্ময়তা ভাঙলো খোদাবক্সের ডাকে। যখন সে ফুটখানেক দূরত্বে এগিয়ে এসে তৃতীয়বারের জন্যে বললে হজৌর?

    চমকে জেগে উঠে বললেন, ক্যা বাৎ? ক্যা হুয়া?

    একই আর্জি তৃতীয়বার পেশ করল খোদাবক্স, ছোটাহজৌর আয়ে হেঁ। আপকো সেলাম দিয়া।

    বাসু হাত-ঘড়িতে দেখলেন বেলা চারটে। হাউসবোটের জানলা দিয়ে নজর পড়ল পড়ন্ত রৌদ্রে ঝিলাম ঝিমাচ্ছে। দূরে সারি সারি গাছের পাতায় সোনা-গলানো রোদ। মনকে গুটিয়ে আনলেন সেদিক থেকে। বললেন, ঠিক হ্যয়। ম্যয় আভি আতাহুঁ।

    খেয়াল হল শীত করছে। দুপুরে শুধু পাঞ্জাবি গায়ে বসেছিলেন। হুইস্কির কল্যাণেই বোধ হয় টের পাননি, প্রখর রৌদ্রতাপ অপসৃত হয়েছে অপরাহ্ণের নিরুত্তাপ পদক্ষেপে ঘর ছেড়ে করিডোরে পা দিয়েই আবার ফিরে গেলেন। শালটা খুলে নিয়ে গায়ে জড়ালেন। বাইরের ঘরে এসে দেখেন সূরযপ্রসাদ এবং গঙ্গারামজী এসেছেন।

    ওঁরা কিছু বলার আগেই নিজে থেকে বলে ওঠেন, আপনাদেরই ফোন করতে যাচ্ছিলাম। ইতিমধ্যে আরও কিছু তথ্য সংগ্রহ করা গেছে। কাল রাত্রেই তোমাদের বলেছিলাম, আমি মুন্নার তল্লাস করছি। মুন্নাকে খুঁজে পাওয়া গেছে। সে আছে রমা দাসগুপ্তার বাড়িতে—পহেলগাঁওয়ে। সে নাকি একটা অদ্ভুত ‘বোল’ পড়ছে : ‘রমা! মৎ মারো…পিস্তল নামাও…দ্রুম্…হায় রাম।’ এখন প্রশ্ন হচ্ছে এই, ময়নাটা এ-কথা কেন বলছে? তোমরা আন্দাজ করতে পার?

    সূরয বলে, এর তো একটাই জবাব—লোকটা যখন পিতাজীকে গুলি করে তখন মুন্না সেখানে ছিল। আমি তো সেদিনই বলেছি, মুন্নার অদ্ভুত ক্ষমতা আছে—একবার মাত্র শুনেই কখনও কখনও সে ‘বোল’ তুলে নিতে পারত। তা পুলিসে কি ‘মুন্না’কে সীজ করেছে?

    —পুলিস এখনও খবরটা জানতে পারেনি। আমি রমার কর্মস্থল থেকে ঠিকানা সংগ্রহ করে তার বাড়িতে গিয়েছিলাম। পহেলগাঁওয়ে মেথডিস্ট চার্চের পিছনে পাশাপাশি তিনখানা বাড়ি, তার মাঝের বাড়িটাই রমার। কিন্তু ওর বাড়িতে তালা ঝুলছে। ওর প্রতিবেশিনী বললেন, রমা কোথায় গেছে কেউ জানে না।

    সূরয বলে, তাহলে আপনি কেমন করে ‘মুন্না’কে দেখলেন?

    —ওর বাড়ির পিছনের বারান্দায় খাঁচাটা ঝোলানো আছে। আমি দূর থেকে দেখেছি মাত্র। ওর বোল স্বকর্ণে শুনেও এসেছি। কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে এ-ক্ষেত্রে ‘রমা’ কে? রমা দাসগুপ্তা, না সুরমা খান্না?

    গঙ্গারামজী বললেন, রমা দাসগুপ্তা হতে পারে না, কারণ তাহলে সে ঐ পাখিটাকে এতদিন জিন্দা রাখত না।

    তারপর সূরযের দিকে ফিরে বললেন, তোমার মনে আছে নিশ্চয়ই, খান্নাজী মিসেস খান্নাকে ‘রমা’ বলে ডাকতেন?

    বাসু বলেন, কিন্তু মুশকিল হচ্ছে এই যে সুরমা দেবীর একটা বজ্র-আঁটুনি ‘অ্যালেবাই’ রয়েছে।

    গঙ্গারাম বলেন, তাই নাকি? সেটা কী?

    —মিসেস খান্না প্লেনের টিকিট সংগ্রহ করতে না পেরে ছয় তারিখ ভোর দিল্লি থেকে রওনা হন। শ্রীনগরে এসে পৌঁছান ছয় তারিখ সন্ধ্যায়। বাসে ওঁর সহযাত্রী ছিলেন এমন একজন ভদ্রলোক যিনি সন্দেহের অতীত।

    গঙ্গারাম বলেন, কে তিনি?

    বাসু সে-কথা কানে না নিয়ে বললেন, ঐ দুজন ছাড়া ‘রমা’ নামের আর কাউকে তোমরা চেন?

    দুজনেই জানালেন, তেমন কোন লোকের কথা ওঁরা মনে করতে পারছেন না।

    বাসু বলেন, তাহলে পাখিটা ঐ বোল্ বলছে কেন?

    সূরয বলে, ময়নাটার কথা মুলতুবি থাক। যে জন্য আমরা এসেছি সে কথাই বলি। পিতাজীর যে সিন্দুকটা আমাদের বাড়িতে আছে, তাতে কিছু কাগজপত্র ও গহনা ছিল বটে। কিন্তু ক্যাশ ছিল না। পিতাজীর যে সুটকেসটা লগ্‌-কেবিনে পাওয়া গেছে তাতে একটি গোদরেজের নম্বরী চাবি ছিল। ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়াতে খোঁজ নিয়ে জানা গেল তাদের ভল্টের লকারের চাবি সেটা। এইমাত্র আমি সেখান থেকেই আসছি। ভল্টে ছিল কিছু দলিলপত্র, কিছু শেয়ারের কাগজ, একটা খামে 430 খানা একশ টাকার নোট আর ঐ উইলটা! এই দেখুন, বিশেষ করে এই প্যারাগ্রাফটা :

    “যেহেতু আমি আমার স্ত্রী শ্রীসুরমা খান্নার সহিত গত বৎসর বাইশে অগস্ট তারিখে একটি চুক্তি করিয়াছি যে, আমার স্ত্রী সুরমা খান্না একতরফা বিবাহ-বিচ্ছেদের আবেদন করিবেন এবং আমি কোনও আপত্তি পেশ করিব না; এবং আমার আপত্তি বা প্রতিবাদ না থাকায় তিনি একতরফা বিবাহ-বিচ্ছেদের ডিক্রি পাইবেন এবং সে-কারণে তাঁহার বাকি জীবনের ভরণ-পোষণ ও বিবাহ-বিচ্ছেদের খেসারৎ বাবদ তিনি উক্ত বিবাহ-বিচ্ছেদ সম্পাদন-সাপেক্ষে আমার নিকট হইতে এককালীন পঞ্চাশ হাজার টাকা লাভ করিবেন, সেই হেতু আমি আমার উইলে উপযুক্ত স্ত্রী শ্রীসুরমা খান্নার জন্য কোনও সম্পত্তি রাখিয়া যাইতেছি না। যেহেতু আমি মনে করি তাঁহার বাকি জীবনের ভরণপোষণ বিবাহ-বিচ্ছেদ-খেশারত বাবদ ঐ 50,000 টাকা (পঞ্চাশ হাজার টাকা) যথেষ্ট, ন্যায্য এবং পর্যাপ্ত। উল্লেখ থাকে যে, বিবাহ-বিচ্ছেদ ডিক্রি আদালত কর্তৃক গ্রাহ্য হইবার পূর্বেই যদি কোন কারণে আমার দেহান্তর ঘটে তবে পূর্ব বৎসরের ঐ বাইশে অগস্টের চুক্তি অনুযায়ী আমার স্ত্রী শ্রীসুরমা খান্না আমার সম্পত্তি হইতে ঐ 50,000 টাকাই শুধু পাইবেন—তাঁহার আর কোনও দাবী-দাওয়া গ্রাহ্য হইবে না। সেই কারণে এই উইলে আমার সম্পত্তির আংশিক ওয়ারিশরূপে আমি তাঁহার উল্লেখ করি নাই। আমার মৃত্যুর পূর্বে অথবা পরে ঐ 50,000 টাকাই তিনি শুধু পাইবেন। তদ্ভিন্ন আমার শেয়ার, ব্যাঙ্ক-ব্যালান্স, ফিক্সড-ডিপোজিট প্রভৃতি হইতে আমার একান্ত সচিব শ্রীগঙ্গারাম যাদব তাঁহার একনিষ্ঠ সেবা ও বন্ধুত্বের প্রতিদান স্বরূপ 10,000 (দশ হাজার টাকা) পাইবেন। তদ্ভিন্ন ‘ক’ বর্ণিত সূচী অনুসারে আমার ব্যক্তিগত ভৃত্য, ড্রাইভার, কর্মচারী নগদে হাজার হইতে পাঁচশ টাকা আমার স্নেহের দান স্বরূপ লাভ করিবেন। এই অর্থ প্রদান করার পর আমার যাবতীয় স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তি আমি আমার একমাত্র পুত্র কল্যাণীয় শ্রীমান সূরযপ্রসাদ খান্নাকে নির্ব্যঢ়-স্বত্বে প্রদান করিয়া যাইতেছি। প্রকাশ থাকে যে, আমার স্বোপার্জিত সম্পত্তি ব্যতিরেকে আমার পৈতৃক সম্পত্তির অর্ধাংশ আমার পিতৃদেব আমার ভ্রাতা শ্রীমান প্রীতমপ্রসাদ খান্নাকে দান করিয়া গিয়াছিলেন এবং পরে আমার ভ্রাতা প্রীতম তাহার পৈতৃক সম্পত্তি আমাকেই নির্ব্যঢ়-স্বত্বে দান করিয়া সংসার ত্যাগ করে। আইন সে সম্পত্তি বর্তমানে আমার। তবু আমি একান্তভাবে আশা রাখি যে, যদি কোনদিন শ্রীপ্রীতম আমার পুত্রের সাক্ষাতে ফিরিয়া আসে তাহা হইলে শ্রীমান সূরয এমন ব্যবস্থা করিবে যাহাতে প্রীতম অর্থকষ্ট সহ্য করিতে বাধ্য না হয়। শর্তসাপেক্ষে নির্ব্যঢ়-স্বত্বে উইল সম্পাদন করা আইনত গ্ৰাহ্য নহে এ বিষয়ে আমি অবগত আছি। ইহা আমার পুত্রের নিকট অনুরোধ মাত্র।”

    পাঠ শেষ করে সূরয বলে, এখন বলুন স্যার, যদি প্রমাণিত হয় যে, বিবাহ-বিচ্ছেদের ডিক্রি লাভের পূর্বেই পিতাজীর দেহান্তর হয়েছিল, তাহলে কি বিমাতার সে সম্পত্তিতে কোনও অধিকার বর্তায়?

    বাসু বললেন, না। উইলের বয়ান এমন নিখুঁত ছকা, যে সুরমা দেবী ঐ পঞ্চাশ হাজার টাকার বেশি কিছুই দাবি করতে পারেন না। তুমি বরং বল, তোমার চাচাজী প্রীতমপ্রসাদের কথা।

    —কী বলব? আমি জীবনে তাঁকে কোনদিন দেখিনি। যতদূর জানি, পিতাজীর সঙ্গে ইদানীং তাঁর কোন যোগাযোগ ছিল না। অবশ্য তিনি যদি কোনোদিন সশরীরে এসে উপস্থিত হন এবং নিজের পরিচয় প্রমাণ করতে পারেন তবে নিশ্চয় আমি তাঁকে সম্পত্তির অংশ দেব। শুধু তাই নয়, আমি আমার বিমাতাকেও স্বেচ্ছায় বেশ কিছু টাকা দেব।

    রাসু সবিস্ময়ে বলেন, কাকে? সুরমা দেবীকে?

    —আজ্ঞে না। রমা দেবীকে। তিনি কোথায় আছেন জানেন?

    –না। এখনও জানি না।

    সূরয বলে, আপনাকে একটা কথা খোলাখুলি জিজ্ঞাসা করি। আপনি কি মনে করেন রমা দেবী এই জঘন্য ব্যাপারটার সঙ্গে কোনভাবে জড়িত?

    বাসু বললেন, না। আমি আন্তরিকভাবে বিশ্বাস করি, সে জড়িত নয়। কিন্তু পুলিস যদি একবার তাকে ধরতে পারে, তাহলে তাকে বাঁচানোও খুব কঠিন।

    —কেন? কঠিন কেন?

    —আনুষঙ্গিক তথ্য, যাকে বলে ‘সারকাস্ট্যান্‌শিয়াল এভিডেন্স’ তা রমার বিরুদ্ধে অত্যন্ত জোরালো। হত্যাপরাধ প্রমাণ করতে তিনটি জিনিসের দরকার—উদ্দেশ্য, সুযোগ এবং অস্ত্র। আর হত্যাপরাধ থেকে মুক্তি পাওয়ার সবচেয়ে সহজ উপায় ‘অ্যালেবাই’, অর্থাৎ হত্যার সময় সে যে অন্য কোথাও ছিল তার প্রমাণ আছে। বেচারীর অবস্থা দেখ—যশোদা কাপুরের ছদ্মনামে মহাদেও ওকে বিবাহ করেন। তিনি যে বিবাহিত এই তথ্যটা গোপন করে। এর চেয়ে অনেক সামান্য কারণে স্ত্রী স্বামীকে এবং স্বামী স্ত্রীকে খুন করেছে। অসংখ্য কেস-হিস্ট্রি আছে তার। দ্বিতীয়ত সুযোগ। রমা জানতো কোন লগ্‌-কেবিনে তাঁকে পাওয়া যাবে। তৃতীয় অস্ত্র। সেটা মন-বাহাদুর ওরই জিম্মায় রেখে গিয়েছিল। আর বেচারীর কোনও ‘অ্যালেবাই’ নেই। কী জানো সূরয, আইন যাকে বলে ‘সারকামস্ট্যানশিয়াল এভিডেন্স’ তার চেয়ে বড় মিথ্যাবাদী নেই। ফ্যাক্ট বা তথ্য হচ্ছে ঢেঁাড়া সাপ। যেভাবে তাকে ইন্টারপ্রেট করবে, যে-চোখে তাকে দেখবে তাতেই ফ্যাক্টের ফণায় বিষ জমে উঠবে!

    গঙ্গারামজী বলেন, তাহলে কেন মনে করছেন রমা দেবী ও কাজটা করেননি?

    —যেহেতু আমি প্রমাণ পেয়েছি। কী প্রমাণ তা আমি বলব না, কারণ রমা আমার ক্লায়েন্ট। তাছাড়া আমি নিশ্চিত, ঘটনার সময় ‘মুন্না’ ঐ কেবিনে ছিল না।

    সূরয বলে, আমাদের কি উচিত নয় পুলিসকে জানানো যে, ‘মুন্না’ এখন কোথায় আছে তা আমরা জানতে পেরেছি?

    —কী দরকার? ওরা ওদের পথে চলুক, আমরা আমাদের পথে অগ্রসর হব। আমি বরং তোমার মায়ের সঙ্গে আবার একবার কথা বলতে চাই।

    —কিন্তু তিনি যে কোথায় আছেন তা তো আমরা জানি না। আপনি কাল চলে আসার পরেই ওঁরা দুজন মালপত্র নিয়ে চলে যান। ঘণ্টাদুয়েক পরে টেলিফোন করে জানতে পারি, ওঁরা ঐ হোটেল ছেড়ে চলে গেছেন। কোথায় গেছেন তা কিছু বলে যাননি!

    এই সময়েই কৌশিক আর রানী দেবী ফিরে এলেন। সূরয ও গঙ্গারাম বিদায় হলেন। ওঁরা কিছু মার্কেটিং করে এসেছেন। সে সব দেখাতেই কিছু সময় গেল। তারপর খোশগল্প চলল কিছুক্ষণ।

    .

    আরও ঘণ্টাখানেক পরে বাসু-সাহেব বললেন, সূরযকে একবার ফোনে ধর তো? কৌশিক ফোন তুলে নিয়ে ডায়াল করল। একটু পরেই সাড়া দিল সূরয। বাসু তাকে বললেন, একটা কথা গঙ্গারামজীকে জিজ্ঞাসা করা হয়নি। তোমার পিতাজী কি গঙ্গারামকে কোন নগদ টাকা দিয়েছিলেন–দিল্লি যাবার রাহাখরচ বাবদ?

    সূরয বলল, ঠিক জানি না। কেন বলুন তো?

    —তুমি গঙ্গারামজীকে একটু জিজ্ঞাসা করে আমাকে জানাবে? আমি টেলিফোনটা ধরে আছি।

    —চাচাজী তো এখন নেই। ওঁর রাত্রে কোথায় নিমন্ত্রণ আছে। সেখানেই গেছেন। ফিরতে রাত হবে। কাল সকালে আপনাকে জানাব।

    বাসু বললেন, না সূরয, তাহলে সারা রাত আমার ঘুম হবে না। আমি জেগে আছি। গঙ্গারামজী ফিরে এলে যেন আমাকে ফোন করে খবরটা জানান।

    সূরয স্বীকৃতি ও শুভরাত্রি জানিয়ে লাইন কেটে দিল।

    কৌশিক বলে, ঐ খবরটা সত্যিই এত জরুরী?

    —না হলে আমি মিছামিছি ব্যস্ত হচ্ছি?

    যাই হোক বাসু-সাহেবকে বিনিদ্র রজনী যাপন করতে হল না। গঙ্গারাম রাত প্রায় পৌনে এগারোটায় টেলিফোন করে জানালো, দোসরা তারিখে তার মালিক গঙ্গারামজীকে দশখানি একশ টাকার নোট দিয়ে বলেছিলেন, যদি দিল্লি যেতে হয় তাই পথ-খরচটা রাখ। আমি টেলিফোনে নির্দেশ দিলেই তুমি ফিক্সড-ডিপজিটগুলি নিয়ে দিল্লি চলে যাবে।

    বাসু বললেন, থ্যাঙ্কু!

    গঙ্গারাম প্রশ্ন করেন, এ খবরটা হঠাৎ জানতে চাইছেন কেন?

    —ডেবিট-ক্রেডিট মেলাতে। ও আপনি বুঝবেন না।

    পরদিন সকালে প্রাতঃকৃত্যাদি সেরে বাসু-সাহেব প্রাতরাশের টেবিলে এসে দেখেন ডাইনিং টেবিলে খোদাবক্স চারজনের চারখানা প্লেট সাজিয়েছে। রানী দেবী আর কৌশিকই শুধু নয়, প্রাতরাশের টেবিলে বসে আছে সুজাতাও।

    —এ কী! তুমি! কোথা থেকে? কখন এসেছ?

    সুজাতা বলে, এই মিনিট পনের। আমি ফেল্লু মেরেছি বাসু-মামু। আপনার পাহাড়ী ময়না আমার চোখে ধুলো দিয়ে সটকেছে।

    বাসু সক্ষোভে বলেন, যেমন দেবা তেমনি দেবী! তোমরা দুজনেই সমান! এমন করলে তোমাদের ‘সুকৌশলী’ চলবে কেমন করে?

    রানী ওঁকে ধমক দেন, তুমি আর ওকে বকো না। বেচারী এমনিতেই একেবারে ভেঙে পড়েছে।

    বাসু-সাহেব জোড়া পোচের প্লেটটা টেনে নিয়ে বলেন, শিকল কাটল কী করে?

    —আমরা একটা হোটেলে উঠেছিলাম। এই শ্রীনগরেই। নাম ভাঁড়িয়ে। ডব্‌ল্‌-বেড রুম। আমরা দুইবোন এই পরিচয়ে। কাল সারাদিন দুজনে একসঙ্গে ছিলাম। হোটেল ছেড়ে সারাদিনে একবারও বার হইনি। ও বেশ গল্পগুজব করছিল। আমি স্বপ্নেও ভাবিনি—ও পালাবার তালে আছে। ও বরং ভাব দেখাচ্ছিল যেন আপনার ছত্রছায়ায় এসে ও নিশ্চিন্ত বোধ করছে। যশোদা কাপুরের সঙ্গে ওর প্রেম কী-করে হল সেই গল্পই শোনালো সারাদিন। রাত্রে দরজাটা বন্ধ করে চাবি আমি বালিসের নিচে রেখেছিলাম। তাই প্রথম রাত্রে ও পালাতে পারেনি। পরদিন যখন দেখলাম ওর পালাবার কোনও ইচ্ছাই নেই তখন আমি একটু অসাবধান হয়ে পড়ি। কাল রাত্রে দরজাটা ভিতর থেকে বন্ধ করে চাবি কী-হোলেই রেখে শুয়েছিলাম। আজ ভোরবেলা ঘুম থেকে উঠে দেখি পাশের বিছানাটা খালি। প্রথমে ভেবেছিলাম—ও বুঝি বাথরুমে আছে। তার পরই নজর হল টেবিলের উপরে চাবিটা রাখা আছে, আর তার নিচে একখণ্ড কাগজ চাপা দেওয়া। এই দেখুন :

    এক লাইনের চিঠি : কিছু মনে করো না ভাই, চলে যাচ্ছি।

    কৌশিক বলে, পালালো কেন? কোথায় যেতে পারে?

    বাসু বলেন, ও গেছে পহেলগাঁও। তার দেরাজ থেকে একবাণ্ডিল চিঠি বার করে আনতে! নিতান্ত ছেলেমানুষী!

    রানী বলেন, তা ছেলেমানুষ ছেলেমানুষী করবে না?

    বাসু ধমক দিয়ে ওঠেন, ছেলেমানুষ! জানো, ওর বয়স কত?

    রানী বলেন, বছর দিয়ে কি ছেলেমানুষী মাপা যায়?

    ***

    বিকেলবেলা বাসু-সাহেব একটি টেলিফোন পেলেন। রিসিভারটা তুলে নিয়ে আত্মঘোষণা করা মাত্র ও-প্রান্ত থেকে শর্মাজী বলেন, দুঃসংবাদ আছে মিস্টার বাসু। মানে আপনার তরফে।

    —বুঝেছি। আমার ক্লায়েন্টকে আপনারা খুঁজে পেয়েছেন।

    —হ্যাঁ। শুধু খুঁজেই পাইনি। তাকে হাতে-নাতে ধরা গেছে।

    —হাতে-নাতে মানে?

    —পুলিস আজ সকাল দশটা নাগাদ ওকে ওর বাড়ি থেকেই গ্রেপ্তার করেছে। ও তখন অর্গলবদ্ধ ঘরে বসে একরাশ এভিডেন্স পোড়াচ্ছিল। আর ওর বারান্দায় মরে পড়েছিল সেই ময়নাটা : মুন্না!

    —মরে পড়েছিল? রমা মেরেছে?

    —তাছাড়া আর কে?

    বাসুর কণ্ঠস্বরে বিস্ময়। বলেন, সে কেন মারতে যাবে? –

    —পাখিটা কি ‘বোল’ পড়ে তা নিশ্চয় অমনি ভুলে যাননি?

    —সে কথা নয় মিস্টার শর্মা। আপনি কি কোনও যুক্তি-নির্ভর সিদ্ধান্তে আসতে পেরেছেন–সেক্ষেত্রে এতদিন কেন ঐ মেয়েটি এমন একটা মারাত্মক এভিডেন্সকে খাইয়ে-দাইয়ে বাঁচিয়ে রাখল? কেন তাকে ঘটনাস্থলেই মেরে ফেলল না?

    —মিস্টার বর্মন বলছেন, হয়তো পাখিটা এই নতুন বোলটা সম্প্রতি পড়তে শুরু করেছে। উনি ক্রিমিনোলজি বিষয়ে এক্সপার্ট—

    —টু হেল্ উইথ্ বর্মন অ্যান্ড হিজ এক্সপার্ট ওপিনিয়ান! আপনি নিজে বিশ্বাস করতে পারেন—একটা ‘বোল পড়া’ পাখি একটা বাক্য একবার মাত্র শুনে দশ-বারোদিন সেটা স্মৃতিতে পুষে রাখল, তারপর হঠাৎ একদিন বোল পড়ল? যে কোনও প্রাণীবিজ্ঞানীকে জিজ্ঞাসা করলেই…

    ওঁকে থামিয়ে দিয়ে শর্মাজী বলেন, বাই দ্য ওয়ে, মিসেস্ সুরমা খান্না কোথায় গেছেন আপনি জানেন?

    না। আমরা কেউই জানি না। আপনি কি তাঁর অ্যালেবাইটা যাচাই করতে পেরেছেন?

    —তাঁর কোনও ‘অ্যালেবাই’ আছে নাকি?

    —সেটাই তো আমার প্রশ্ন।

    —আমরা তাঁর সঙ্গে যোগাযোগই করতে পারছি না। আশ্চর্য মানুষ! স্বামী মারা গেছেন আর এখন উনি এমনভাবে নিরুদ্দেশ হয়ে গেলেন কেন?

    —এবং সেটাও আমার প্রশ্ন।

    —সে যাই-হোক, যে জন্য আপনাকে ফোন করছি সেই আসল কারণটা এবার বলি। ডিস্ট্রিক্ট অ্যান্ড সেশন্ত্ জাজ আপনার সঙ্গে একবার দেখা করতে চান। কাল কখন আপনার সময় হতে পারে?

    —সাক্ষাৎটা কোথায় হবে? পহেলগাঁওয়ে?

    —না, শ্রীনগরেই। ধরুন যদি কাল সাড়ে নটা নাগাদ আপনাকে পিক্ আপ করে নিই? অসুবিধা আছে কিছু?

    —তার আগে আমি আমার ক্লায়েন্টের সঙ্গে দেখা করতে চাই। সে কোথায় আছে? আই মীন, রমা দাসগুপ্তা?

    —শ্রীনগরে জেল-হাজতে।

    —তাহলে আপনি অনুগ্রহ করে ব্যবস্থা করে দেবেন যাতে কাল আটটার সময় আমি জেল-হাজতে ওর সঙ্গে দেখা করতে পারি। তারপর আপনার অফিসে নটায় যাব। গাড়ি পাঠাবার দরকার নেই। সূরযের গাড়িতেই যাব।

    —দ্যাটস্ অল রাইট।

    —একটা কথা, আপনাদের ডিস্ট্রিক্ট জাজের নামটা কী?

    —জাস্টিস্ জে. পি. লাল।

    —জাস্টিস্ জগদানন্দ প্রসাদ লাল কি?

    —হ্যাঁ, আপনি চেনেন?

    —নিশ্চয়ই। ভারতবর্ষের এমন কোনও প্র্যাকটিসিং ল’ইয়ার নেই যে তাঁর নাম জানে না। আইনের ওপর অনেকগুলি মৌলিক গ্রন্থ তিনি লিখেছেন। ইট উড বি রিয়াল অনার টু মীট হিম্।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleঅ-আ-ক-খুনের কাঁটা – নারায়ণ সান্যাল
    Next Article কুলের কাঁটা – নারায়ণ সান্যাল

    Related Articles

    নারায়ণ সান্যাল

    অলকনন্দা – নারায়ণ সান্যাল

    September 3, 2025
    নারায়ণ সান্যাল

    আবার যদি ইচ্ছা কর – নারায়ণ সান্যাল

    September 3, 2025
    নারায়ণ সান্যাল

    আম্রপালী – নারায়ণ সান্যাল

    September 3, 2025
    নারায়ণ সান্যাল

    বিশ্বাসঘাতক – নারায়ণ সান্যাল

    September 3, 2025
    নারায়ণ সান্যাল

    সোনার কাঁটা – নারায়ণ সান্যাল

    September 3, 2025
    নারায়ণ সান্যাল

    মাছের কাঁটা – নারায়ণ সান্যাল

    September 3, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }