Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    একদিন অপরাহ্নে – কাসেম বিন আবুবাকার

    কাসেম বিন আবুবাকার এক পাতা গল্প117 Mins Read0
    ⤷

    একদিন অপরাহ্নে – ১

    ১.

    শরতের অপরাহ্ন। ঘণ্টাখানেক আগে এক পশলা বৃষ্টি হয়ে যাওয়ার পর সোনালি রোদে এখন চারদিক ঝলমল করছে। আজ শুক্রবার ছুটির দিন। বৃষ্টি ছেড়ে যাওয়ার পর তনি প্রতিদিনের মতো তাদের বাগানে ছবি আঁকছিল। ছোটবেলা থেকে তার ছবি আঁকার হাত খুব ভালো। কিন্তু পড়াশোনায় তেমন ভালো নয়। প্রতিবছর মোটামুটিভাবে পাস করে। তার মা মুনসুরা বেগমের সেজন্য মেয়ের ওপর খুব রাগ। তিনি বলেন, ছবি আঁকার চেয়ে পড়াশোনায় মন দিলে মেয়ে খুব ভালো রেজাল্ট করতে পারত। সেকথা মেয়েকে অনেকবার রাগা রাগি করে বলেছেন। স্বামীকেও সেকথা বলে মেয়েকে বোঝাতে বলেছেন। তিনি বুঝিয়েছেনও কিন্তু কোনো কাজ হয়নি।

    তনির বাবা রুহুল আমিন মাদারীপুর জেলার ধুরাইল গ্রামের একজন অবস্থাপন্ন গৃহস্থ। ওনাদের এক ছেলে ও এক মেয়ে। মেয়ে বড়। নাম মেহনাজ। ডাক নাম তনি। ছেলে ছোট। নাম রাশেদ। সে ক্লাস এইটে পড়ে। তনি এ বছর ইন্টার পাস করে বি. এ. পড়ছে। তনিদের বাগানটা বেশ বড়। বাঁশের বেড়া দিয়ে ঘেরা। নানারকম ফলের গাছ ছাড়াও এক পাশে বেশ কিছুটা জায়গায় দেশি বিদেশি অনেক রকম ফুলের গাছ। ফুল বাগানের কাছে মুখোমুখি দুটো পাকা বেঞ্চ। বেঞ্চ দুটোর মাঝখানে তিন ফুটের মতো ফাঁকা। দুটোর উপরেই পাকা ছাউনি।

    তনি আজ বাঘ ও বনমহিষের লড়াই-এর ছবি আঁকছিল। তখন তার কোনো দিকে খেয়াল ছিল না। হঠাৎ বাঘের মৃদু গর্জনে বাস্তবে ফিরে এল সে। তার মনে হল, ছবির বাঘটাই যেন বনমহিষের সঙ্গে লড়াই করতে করতে গর্জন করছে। প্রথমে একটু ভয় পেলেও মৃদু হেসে ভাবল, ছবির বাঘ বুঝি গর্জন করতে পারে?

    এমন সময় ক্যানভাসের পাশে একটা ঊনত্রিশ ত্রিশ বছরের সুদর্শন যুবককে একদৃষ্টে তাকিয়ে থাকতে দেখে খুব অবাক হয়ে সেও তার দিকে একদৃষ্টে তাকিয়ে রইল। কতক্ষণ ঐভাবে ছিল তা তারা বলতে পারবে না।

    প্রথমে যুবকটি মৃদু হেসে বলল, ছবির বাঘও তা হলে মাঝে মাঝে গর্জন করতে পারে?

    ছেলেটির কথা শুনে তনি আরও বেশি অবাক হলেও গম্ভীর কণ্ঠে জিঞ্জেস করল, কে আপনি?

    মনে হচ্ছে, আপনি আমার ওপর খুব রেগে গেছেন।

    হ্যাঁ, তাতে আপনার কি? আমার প্রশ্নের উত্তর দিন।

    আমার ওপর কেউ রেগে থাকলে আমি তার কোনো প্রশ্নের উত্তর দিই না।

    আপনি কি জানেন, এখানে আসা আপনার উচিত হয় নি?

    যুবকটি কিছু না বলে চুপ করে রইল।

    তনি রেগে উঠে বলল, কি হল, চুপ করে আছেন কেন?

    বললাম না, কেউ রাগ করে কিছু জিজ্ঞেস করলে আমি উত্তর দিই না? আপনি স্বাভাবিক স্বরে বা হাসি হাসি মুখে যা জিজ্ঞেস করবেন, উত্তর দেব ।

    তনি রাগ সংযত করে বলল, ঠিক আছে, এবার বলুন আপনি কে?

    আমি গালিব। কয়েকদিন হল মাকে নিয়ে এই গ্রামে এসেছি।

    তা এখানে এসেছেন কেন?

    আমি গাছপালা ও ফুলের বাগান পছন্দ করি। রাস্তা দিয়ে যেতে যেতে এত গাছপালা ও ফুলের বাগান দেখে ঢুকে পড়লাম।

    কিন্তু আপনি তো গাছপালা না দেখে আমাকে দেখছিলেন।

    গাছপালা দেখতে দেখতে আপনাকে দেখতে পেয়ে আপনাকেও দেখছিলাম।

    জানেন না, নির্জনে সাবালিকা মেয়েকে দেখা বা তার কাছে আসা ইসলামে নিষেধ?

    তা জানব না কেন? তবে কি জানেন, আপনার মতো অনিন্দসুন্দরী মেয়ে দেখে সে কথা ভুলে গিয়েছিলাম।

    এরকম কথা আগে কখনও তনি শুনেনি। মনে মনে খুশি হলেও একটু গম্ভীর স্বরে বলল, এখন নিশ্চয় মনে পড়েছে, কেটে পড়ন তা হলে?

    কেটে তো পড়তেই হবে, তবে তার আগে একটা কথা বলতে চাই। অবশ্য আপনি যদি অনুমতি দেন।

    বেশ তো বলুন কি কথা বলতে চান?

    আপনি কি জানেন, যে কোন প্রাণীর ছবি আঁকা ইসলামে নিষেধ?

    হ্যাঁ, জানি।

    তবু কেন এরকম ছবি আঁকছেন বলে গালিব ইজেলের দিকে হাত বাড়িয়ে দেখাল।

    এটা আল্লাহর দেয়া প্রতিভা আর প্রতিভা কোনো বিধি-নিষেধ মানে না।

    কথাটা কিছুটা ঠিক হলেও পুরোটা নয়।

    বুঝলাম না।

    আল্লাহ যে প্রতিভা আপনাকে দিয়েছেন, তা দিয়ে তাঁর সৃষ্টি জগতের প্রাণী ছাড়া অন্য সবকিছুতে বিকশিত করতে পারেন।

    যেমন?

    যেমন গাছপালা, পাহাড়-পর্বত, নদী-নালা, খাল-বিল, মাঠ-ঘাট, ঝরনা ও অন্যসব প্রাকৃতিক দৃশ্যের ছবি আঁকতে পারেন।

    তনি প্রসঙ্গ পাল্টাবার জন্য বলল, আপনি বাঘের গর্জন করে আমাকে ভয় পাইয়ে দিয়েছিলেন। আর কোনো প্রাণীর ডাক ডাকতে পারেন না কি?

    সাধারণত যেসব পশু-পাখির সঙ্গে আমরা পরিচিত, তাদের সবার ডাক ডাকতে পারি। শুধু তাই নয়, তাদের ভাষাও কিছু কিছু বুঝতে পারি।

    তনি অবাক কণ্ঠে বলল, ওমা, তাই নাকি?

    আমি কখনও মিথ্যা বলি না।

    তা হলে শিয়ালের ডাক শোনান তো।

    শিয়ালের ডাক এখন ডাকা যাবে না।

    কেন?

    শিয়ালের ডাক এখন ডাকলে গ্রামের সব কুকুরগুলো আপনাদের বাগানে ঢুকে পড়বে। তার চেয়ে ঘুঘু পাখির ডাক ডাকি, কি বলেন?

    বেশ, তাই ডাকুন।

    গালিব একটা জামগাছ দেখিয়ে বলল, আপনি ঐ গাছটার দিকে তাকান।

    তনি জামগাছের দিকে তাকাবার সঙ্গে সঙ্গে তার মনে হল, গাছটার কোনো একটা ডালে বসে ঘুঘু ডাকছে।

    সেদিক থেকে দৃষ্টি ফিরিয়ে নিয়ে গালিবের মুখের দিকে তাকিয়ে জিজ্ঞেস করল, আপনার গ্রামের বাড়ি কোথায়?

    দিনাজপুর জেলার তেঁতুলিয়া গ্রামে।

    সেতো বাংলাদেশের উত্তর সীমান্তে। তা এখানে মাকে নিয়ে এসেছেন কেন? আপনার বাবা ……..।

    তাকে কথাটা শেষ করতে না দিয়ে গালিব বলল, আমরা দুই ভাই ও মা ছাড়া আর কেউ নেই।

    আপনার আর এক ভাই কোথায়?

    সে ঢাকা ইউনিভার্সিটিতে মাস্টার্স করছে।

    মাকে নিয়ে এখানে এসেছেন কেন? বললেন না যে?

    গালিব তার কথার উত্তর না দিয়ে অনেকক্ষণ চুপ করে রইল।

    তনি অধৈর্য গলায় বলল, কি হল, কিছু বলছেন না যে? এখন তো আমি রাগের সঙ্গে কিছু জিজ্ঞেস করিনি।

    গালিব কিছু না বলে গেটের দিকে মাথা নিচু করে চলে যেতে লাগল।

    তনি রাগত স্বরে বলল, আমার কথার উত্তর না দিয়ে চলে যাচ্ছেন কেন? দাঁড়ান।

    গালিব না শোনার ভান করে হাঁটার গতি বাড়িয়ে দিল।

    তনি আরও রেগে গিয়ে কটমট করে তার চলে যাওয়ার দিকে তাকিয়ে রইল। তারপর ছবি আঁকতে মন বসবে না চিন্তা করে সবকিছু নিয়ে ঘরে চলে গেল।

    পরের দিন বাগানে ছবি আঁকতে আসার সময় ভাবল, গালিব যদি আজ আসেন, তা হলে কাল আমার প্রশ্নের উত্তর না দিয়ে চলে যাওয়ার কারণ জিজ্ঞেস করবে। তারপর ইজেল টাঙ্গিয়ে গতকালের ছবিটায় কাজ শুরু করল। সন্ধ্যের আগে ছবির কাজ শেষ করে ফেরার সময় ভাবল, গালিব এলেন না কেন?

    প্রায় দশ বার দিন হয়ে যাবার পরও যখন গালিব এল না তখন তনি ভাবল, গালিব এই গ্রামে মাকে নিয়ে এসেছেন বললেন, কোথায় থাকেন জিজ্ঞেস করা উচিত ছিল।

    আজ কলেজ ছুটির পর তনির বান্ধবী কণা তাকে তাদের বাসায় নিয়ে যাওয়ার সময় বলল, জানিস, আমাদের পোস্ট অফিসে একজন নতুন পোস্ট মাস্টার এসেছেন। বয়স তেমন বেশি না, দেখতে দারুন। কিন্তু কথাবার্তা শুনে মনে হল একদম হাঁদাকান্ত, কি করে যে পোস্ট মাস্টারের চাকরি পেলেন ভেবে পাচ্ছি না।

    তার কথা শুনে তনির মনে হল, কয়েকদিন আগে যে ছেলেটা তাদের বাগানে ঢুকে আলাপ করেছিল সেই ছেলেটা। জিজ্ঞেস করল, পোস্ট মাস্টারের নাম জানিস?

    হ্যাঁ, গালিব।

    তনি মৃদু হেসে চুপ করে হাঁটতে লাগল।

    কণা জিজ্ঞেস করল, কিরে, নাম শুনে হাসলি যে?

    তনি বলল, ওনার সঙ্গে আমার পরিচয় হয়েছে। তবে উনি যে পোস্ট মাস্টার হয়ে এসেছেন, তা জানতাম না।

    কণা অবাক হয়ে বলল, তোর সঙ্গে পরিচয় হল কি করে?

    তনি কয়েকদিন আগে তাদের বাগানে পরিচয় হওয়ার কথা বলে জিজ্ঞেস করল, উনি থাকেন কোথায় জানিস?

    কণা বলল, প্রথমে চাচাঁদের বাড়িতে মাকে নিয়ে কয়েকদিন ছিলেন। তারপর চাচাঁদের বাগান বাড়িতে যে পাকা দু’রুমের বাড়ি আছে, সেই বাড়ি ভাড়া নিয়েছেন।

    কিন্তু ওটাতো ভূতুড়ে বাড়ি। আগের পোস্ট মাস্টারকে ভূত গলাটিপে মেরে ফেলেছিল। সেকথা তুইও তো জানিস?

    হ্যাঁ, জানি। চাচা ওনাকে সবকিছু খুলে বলেছেন। উনি ভূত-পেত্নী বিশ্বাস করেন না। চাচার কথা শুনে বলেছেন, হায়াৎ মউত আল্লাহর হাতে। যার যাতে মৃতু লেখা আছে, তার তাতেই মৃত্যু হবে।

    আচ্ছা, ওনার মায়ের সঙ্গে তোর পরিচয় হয়েছে?

    হ্যাঁ, হয়েছে।

    গালিব সত্যবাদী কিনা জানার জন্য তনি জিজ্ঞেস করল, বাড়ি কোথায় বলেছেন?

    হ্যাঁ, তেঁতুলিয়া।

    আমাকেও তাই বলেছেন। তা তুই ওনাকে হাঁদাকান্ত বললি কেন? যে লোক। ভূতুড়ে বাড়ি জেনেও সেখানে থাকেন, তিনি হাঁদাকান্ত হতে পারেন না। সেদিন কথা বলে আমার তো সেরকম কিছু মনে হয় নি, বরং খুব চালাক ও বুদ্ধিমান মনে হয়েছে।

    কি জানি, আলাপ করে ওনাকে আমার তাই মনে হয়েছে।

    কণাদের বাড়ি থেকে অল্প দূরে পোস্ট অফিস। পোস্ট অফিসের সামনে দিয়ে তাদের বাড়িতে যেতে হয়।

    ততক্ষণে তারা পোস্ট অফিসের কাছে চলে এসেছে। তনি বলল, চল না, ওনার সঙ্গে একটু আলাপ করি।

    কণা বলল, বেশতো চল।

    গ্রাম দেশের পোস্ট অফিস। মাটির দেয়াল, টিনের ছাউনির একটা রুম। একটা টেবিল, দুটো চেয়ার, একটা টুল, বহু পুরনো স্টীলের মরচে পড়া আলমারী ও দুটো কাঠের র‍্যাক। গালিব ও আধা বয়সী পিয়ন আব্দুর রহিম এখানে কাজ করে। আব্দুর রহিম এ পোস্ট অফিসে প্রায় পঁচিশ বছর কাজ করছে। এই গ্রামেরই লোক। ছোট বড় সবাই তাকে রহিম চাচা বলে ডাকে।

    কণা ও তনি যখন সেখানে পৌঁছল তার আগে রহিম চাচা চিঠি বিলি করতে চলে গেছে। গালিব একা কাজ করছিল। তাদেরকে দেখে সালাম দিয়ে বলল, আপনারা কেমন আছেন?

    তনি সালামের উত্তর দিয়ে বলল, ভালো। আপনি কেমন আছেন?

    গালিব বলল, আমিও ভালো। তারপর টুলটা টেবিলের নিচে থেকে বের করে বলল, একজন চেয়ারে ও একজন এটাতে বসুন। বসার পর জিজ্ঞেস করল, দুই সখির একসঙ্গে আসার কারণটা বললে খুশি হতাম।

    তনি অবাক হয়ে বলল, আমরা যে দুই সখি, তা জানলেন কি করে?

    আন্দাজে ঢিল ছুঁড়েছি, লেগে গেছে। এবার আসার কারণটা বলুন।

    তনি বলার আগে কণা বলল, এক সখি আর এক সখির বাড়িতে বেড়াতে যাচ্ছিল। আপনি পোস্ট মাস্টার জেনে দেখা করতে এসেছে।

    শুনে আনন্দিত হলাম। সেজন্য আপনার সখিকে মোবারকবাদ জানাচ্ছি। কিন্তু আপনাদেরকে আপ্যায়ন করাতে পারছি না বলে আনন্দটা নিরানন্দ লাগছে।

    নিরানন্দ লাগবে কেন? এখানে তো আপ্যায়ন করানোর সুযোগ সুবিধে নেই। যাকগে, এবার আসি হলে বলে তনি দাঁড়িয়ে কণাকে বলল, চল যাই।

    কণা এতক্ষণ অবাক হয়ে চিন্তা করছিল, গালিব সাহেব কত সুন্দর করে তনির সঙ্গে কথা বলছেন আর তার সঙ্গে কিনা বোকা ও হাঁদাকান্তর মতো কথা বলেন। তনির কথা শুনে দাঁড়িয়ে বলল, হ্যাঁ চল।

    পোস্ট অফিস থেকে বেরিয়ে যেতে যেতে তনি বলল, তুই বললি কিনা উনি হাঁদাকান্ত, কই, সেরকম কিছু তো মনে হল না?

    কণা বলল, হ্যাঁ, এতক্ষণ আমিও তাই ভাবছিলাম। কি জানিস, যতবার আমার সঙ্গে কথা বলেছেন ততবারই হাঁদাকান্তর মতো কথা বলেছেন। কিন্তু এখন তোর সঙ্গে ওনার কথাবার্তা শুনে ভীষণ অবাক হয়েছি। ব্যাপরটা ঠিক বুঝতে পারছি না।

    আমার মনে হয় উনি তোর সঙ্গে দুষ্টুমি করেছেন।

    তোর কথা হয়তো ঠিক; কিন্তু শুধু শুধু আমার সঙ্গে দুষ্টুমি করবেন কেন?

    তনি হেসে উঠে বলল, আবার দেখা হলে সেকথা জিজ্ঞেস করে নিস?

    ততক্ষণে তারা কণাদের ঘরে পৌঁছে গেল। তনির কথা শুনে বলল, তাতে করবই। এখন ওনার কথা বাদ দে। তারপর সদর দরজা দিয়ে ঢুকে উঠোনে এসে উঁচু গলায় বলল, মা, তোমার সই-এর মেয়েকে নিয়ে এসেছি। দু’জনের খানা রেডি কর।

    তনির মা মুনসুরা বেগম ও কণার মা মাজেদা বেগম একই গ্রামের মেয়ে। ছোটবেলা থেকে দু’জনের মধ্যে খুব ভাব। তাই তারা তখন থেকে সই পাতিয়েছিল। বড় হয়ে বলাবলি করত, আল্লাহ যদি তাদেরকে দু’জা করত, তা হলে তাদের এই সম্পর্ক আজীবন অটুট থাকত।

    আল্লাহ তাদের আশা সম্পূর্ণ পূরণ না করলেও একই গ্রামের দুই ধনী পরিবারের বৌ হয়েছে। স্বামীরা তাদের সম্পর্কের কথা জেনে তখন থেকে এখন পর্যন্ত সেই সম্পর্ক বজায় রাখার ব্যবস্থা করেছেন।

    ওনাদের মেয়ে কণা ও তনি তাদের মায়েদের মতো যেমন একসঙ্গে লেখাপড়া করছে, তেমনি সইও পাতিয়েছে। সেকথা তাদের মা-বাবা জেনে দুই পরিবারের মধ্যে মধুর সম্পর্ক গড়ে তুলেছেন। কণার মা বাবা তনিকে ছেলে আমজাদের বৌ করতে চান। তনির কোনো বড় ভাই না থাকায় তার মা বাবার ইচ্ছা থাকা সত্ত্বেও কণাকে ছেলের বৌ করতে পারছেন না। দুই পরিবার একই গ্রামের হলেও দুই প্রান্তে। দূরত্ব এক কিলোমিটার।

    মাজেদা বেগম মেয়ের কথা শুনে তাড়াতাড়ি হাতের কাজ ফেলে বেরিয়ে এলেন।

    তনি সালাম দিয়ে কদমবুসি করে বলল, সইমা কেমন আছেন?

    মাজেদা বেগম সালামের উত্তর দিয়ে তাকে জড়িয়ে ধরে মাথায়, কপালে ও দু’গালে চুমো খেয়ে বললেন, এতদিন পর সইমার কথা মনে পড়ল বুঝি? তারপর আল্লাহর রহমতে ভালো আছি বলে জিজ্ঞেস করলেন, তোমার মা-বাবা ভালো আছেন?

    তনি বলল, জি, ওনারা ভালো আছেন। খালুজান কোথায়? উনি কেমন আছেন?

    উনিও ভালো আছেন। কামলাদের সঙ্গে মাঠে গেছেন, এখনও ফেরেন নি। যাও মা কণার সঙ্গে হাত মুখ ধুয়ে ঘরে বস। আমি তোমাদের খাওয়ার ব্যবস্থা করছি।

    বিকেলে তনি ফেরার সময় সইমা ও খালুজানকে তাদের বাড়িতে বেড়াতে আসার কথা বলল। তারপর কণাকে বলল, কাল তুই কলেজ থেকে আমাদের বাড়িতে যাওয়ার কথা সইমাকে বলে যাবি।

    ফেরার পথে পোস্ট অফিস বন্ধ দেখে তনি ভাবল, খোলা থাকলে সেদিনের প্রশ্নের উত্তর না দিয়ে চলে এলেন কেন জিজ্ঞেস করা যেত।

    গ্রামের মাঝখানের পাড়ায় মসজিদ। মসজিদের পাশ দিয়ে রাস্তা। তনি দূর থেকে দেখতে পেল মসজিদের সামনে অনেক লোকের ভীড়। তাদের মধ্যে বেশ তর্কাতর্কি হচ্ছে। মসজিদের পাশের রাস্তা দিয়ে যাওয়ার সময় গালিবকে লোকজনের সঙ্গে কথা বলতে শুনেও দাঁড়ান ঠিক হবে না ভেবে চলে গেল। কিছুক্ষণ পরে আব্বা ঘরে এলে জিজ্ঞেস করল, মসজিদ সামনে কি হয়েছিল?

    রুহুল আমিন বললেন, আগে একদিন লুঙ্গী ও পায়জামার ঝুল খাড় গাঁটের নিচে পরা নিয়ে ইমাম সাহেবের সঙ্গে কথা কাটাকাটি হয়েছিল পোস্ট মাস্টারের। আজ আবার পিরানের ঝুল ছোট করে খাড় গাঁটের উপরে করার কথা বলতে ইমাম সাহেব রেগে গিয়ে তর্কাতর্কি করছিলেন। এই ব্যাপার নিয়ে মুসুল্লীদের মধ্যে দুটো দল হয়েছে। একদল বলছে, ইমাম সাহেব আলেম লোক। ওনার চেয়ে কি পোস্ট মাস্টার বেশি জানে? অন্যদল বলছে, পোস্ট মাস্টার আলেম না হলেও ঠিক কথা বলেছেন।

    তনি বলল, আমিও তো জানি পুরুষদের খাড় গাঁটের নিচে লুঙ্গী, পায়জামা বা জামা ঝুলিয়ে পরা শরীয়তে নিষেধ। আর মেয়েদের খাড় গাঁটের উপরে পরা শরীয়তে নিষেধ।

    রুহুল আমিন বললেন, হ্যাঁ মা, তুই ঠিক বলেছিস। পোস্ট মাস্টারও তাই বলেছেন। কিন্তু ইমাম সাহেব বলছেন, পায়ে মোজা পরা থাকলে লুঙ্গী, পায়জামা ও জামার ঝুল খাড় গাঁটের নিচে পরা জায়েয। আর পোস্ট মাস্টার বলছেন, কোন অবস্থাতেই লুঙ্গী, পায়জামা বা জামার ঝুল খাড়গাঁটের নিচে পরা জায়েয হবে না। এ ব্যাপারে উনি দুটো হাদিস উল্লেখ করেছেন। প্রথম হাদিসটা হল, আমাদের নবী হযরত মুহাম্মদ (সঃ) বলিয়াছেন, “পায়ের গোড়ালীর নিম্নে পায়জামার যে অংশ ঝুলতে থাকে, তা দোযখের অগ্নিতে অবস্থিত।” [বর্ণনায় : হযরত আবু হোরায়রা (রাঃ) বুখারী]

    দ্বিতীয় হাদিস হল, রাসূলুল্লাহ (সঃ) বলিয়াছেন, “যে ব্যক্তি পায়জামা, লম্বা জুব্বা এবং পাগড়ী অহঙ্কার সহকারে দীর্ঘ করে ঝুলাইয়া রাখে, বিচারের দিন আল্লাহ তাহার প্রতি দৃষ্টিপাত করিবেন না।” [বর্ণনায় : হযরত সালেম (রাঃ)–আবু দাউদ, নেসায়ী, ইবনে মাজা।]

    তনি বলল, আপনি কার কথা সাপোর্ট করেন? রুহুল আমিন বলল, পোস্ট মাস্টারের। আমার মনে হয়, উনি ইমাম সাহেবের চেয়ে বড় আলেম।

    শেষ-মেস কি ফায়সালা হল?

    ফায়সালা হয়নি। গ্রামের পাঁচজন রায় দিয়েছে, দু’জন লোক ঢাকায় গিয়ে মুফতি বোর্ডের কাছ থেকে ফায়সালা নিয়ে আসবে। অবশ্য প্রস্তাবটা পোস্ট মাস্টারই প্রথম দেন।

    হ্যাঁ, সেটাই ভালো।

    খালেক উজ্জামান মসজিদের মতোয়াল্লী। ওনাদের পূর্বপুরুষরা এই মসজিদের প্রতিষ্ঠাতা। বংশ পরম্পরায় ওনারই মসজিদ পরিচালনা করে আসছেন। পূর্বপুরুষদের মতো এখন আর্থিক অবস্থা না থাকলেও যা কিছু আছে ততেই উনিই গ্রামের মধ্যে সব থেকে অবস্থাপন্ন। উনি দাখিল পাস। সেই বিদ্যা ও আর্থিক অবস্থার কারণে গ্রামের সর্বেসর্বা। গ্রামে আরও যে দু’চারজন অবস্থাপন্ন লোক আছেন, তারা অল্প শিক্ষিত। তা ছাড়া মাদরাসা লাইনেও পড়াশোনা করেন নি। তাই ধর্মীয় ব্যাপারে খালেক উজ্জমান যা বলেন সবাই মেনে নেন। তিনি পোস্ট মাস্টারের কথায় খুব অসন্তুষ্ট হয়েছেন।

    ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleকে ডাকে তোমায় – কাসেম বিন আবুবাকার
    Next Article কালোমেয়ে – কাসেম বিন আবুবাকার

    Related Articles

    কাসেম বিন আবুবাকার

    ক্রন্দসী প্রিয়া – কাসেম বিন আবুবাকার

    July 31, 2025
    কাসেম বিন আবুবাকার

    জানি তুমি আসবে – কাসেম বিন আবুবাকার

    July 31, 2025
    কাসেম বিন আবুবাকার

    কি পেলাম – কাসেম বিন আবুবাকার

    July 31, 2025
    কাসেম বিন আবুবাকার

    কালোমেয়ে – কাসেম বিন আবুবাকার

    July 31, 2025
    কাসেম বিন আবুবাকার

    কে ডাকে তোমায় – কাসেম বিন আবুবাকার

    July 31, 2025
    কাসেম বিন আবুবাকার

    ক্ষমা – কাসেম বিন আবুবাকার

    July 31, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }