Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    একদিন অপরাহ্নে – কাসেম বিন আবুবাকার

    কাসেম বিন আবুবাকার এক পাতা গল্প117 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    একদিন অপরাহ্নে – ১০

    ১০.

    রফিক পড়াশোনা শেষ করে গ্রামে ফিরে যখন শুনল, আমজাদ ঢাকা থেকে এক মেম বিয়ে করে এনেছে তখন মাকে একদিন বলল, তক্বদিরকে বিশ্বাস করে ধৈর্য ধরে ছিলাম। আমার মন বলছে তনির সঙ্গে আল্লাহ আমার জোড়া করেছেন। তাই আমজাদ অন্য মেয়েকে বিয়ে করেছে। তোমরা আর একবার চাচা-চাচির কাছে প্রস্তাব দাও। এবার আর না করতে পারবেন না।

    জোবেদা বিবি একসময় কথাটা স্বামীকে বললেন।

    জহির উদ্দিন বললেন, তুমিই ভাবির সঙ্গে দেখা করে কথাটা বলে দেখ কি বলে। রাজি থাকলে আমি বড় ভাইয়ের সঙ্গে কথা বলব।

    ততদিনে তনির সঙ্গে গালিবের মন দেয়া নেয়া হয়েছে এবং তাদের বিয়ের কথাও একরকম পাকাপাকি হয়ে গেছে। তাই জোবেদা বিবি এতদিন পর যখন আবার বিয়ের প্রস্তাব দিলেন তখন মুনসুরা বেগম বুদ্ধি খাঁটিয়ে বললেন, কি আর বলব বোন, সবই তকদির। আমজাদ মেম বিয়ে করে আনার পর আমরা দুঃখ পেলেও কিছু করার নেই। তারপর পোস্ট মাস্টার গালিবের সঙ্গে তনির বিয়ের পাকা পাকি হওয়ার কথা বললেন।

    জোবেদা বিবি আর কি বলবেন, বিদায় নিয়ে ফিরে এসে প্রথমে স্বামীকে জানালেন।

    জহির উদ্দিন বললেন, হ্যাঁ, আমিও যেন ঐরকম কিছু শুনেছিলাম। এখন ছেলেকে জানিয়ে বলো, আমি তার জন্য মেয়ের খোঁজ করছি।

    মায়ের মুখে কথাটা শুনে রফিক রায়হানের উপর খুব রেগে গেলেও কোনো উচ্চবাচ্য করল না। শুধু বলল, চাচা মেয়ের বিয়ে কেমন করে দেয় দেখব।

    তারপর গালিবদের সব খবর নিয়ে সিদ্ধান্ত নিল, ওদেরকে এই গ্রাম থেকে যেমন করে তোক তাড়াতে হবে।

    রফিকের বন্ধু ফজলু এস. এস. সি. পাস করে আর পড়েনি। রফিক কলেজে পড়র জন্য ঢাকায় চলে গেলে গ্রামের আজে বাজে ছেলেদের সঙ্গে মিশে খারাপ হয়ে যায়। সারাদিন বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডা দেয়। রাতে চুরি চামারী করে, তাদের সঙ্গে মদ-তাড়ি খায়। তার বাবা সেকথা জেনে ছেলের বিয়ে দিয়ে দেন। বিয়ের পর কিছুদিন বন্ধুদের সঙ্গে মিশল না। কিন্তু ঘরে নতুন বৌ, তার সখ সাধ মেটাবার ও নিজের পকেট খরচ কোথায় পাবে? প্রথম দিকে মায়ের কাছ থেকে নিত। পরে মা যখন বলল, তুমি রুজী রোজগার করার চেষ্টা কর, আমি আর কতদিন তোকে টাকা পয়সা দেব। তোর বাবা বলছিল, নিজেদের জমি-জমার কাজও তো করতে পারিস।

    ফজলু রেগে উঠ বলল, লেখাপড়া করেছি কামলার কাজ করার জন্য?

    মা করিমা খাতুন বললেন, তা যদি না করিস, তা হলে অন্য কিছু রোজগার কর।

    ফজলু একদিন চেয়ারম্যানের কাছে গিয়ে বলল, আমার রুজী রোজগারের ব্যবস্থা না করে মা-বাবা আমার বিয়ে দিয়েছেন। এখন আমাকে কামলাদের সঙ্গে জমিতে কাজ করতে বলছেন। আমি ওসব পারব না। আপনি কিছু একটা ব্যবস্থা করে দিন।

    চেয়ারম্যান তাকে নিজের চোরাকারবারে লাগিয়ে দিলেন। এখনও ফজলু সেই কাজ করছে।

    রফিক একদিন ফজলুর সঙ্গে দেখা করে বলল, তুইতো জানিস আমি তনিকে ভালবাসি এবং তাকে বিয়ে করার জন্য মা-বাবাকে দিয়ে প্রস্তাব পাঠিয়েছিলাম তাও জানিস। কেন চাচা প্রস্তাব ফিরিয়ে দিয়েছিলেন সে কথাও তোকে বলেছি। এবারে ঢাকা থেকে এসে শুনলাম আমজাদ মেম বিয়ে করে এনেছে। তাই মাকে দিয়ে আবার প্রস্তাব পাঠাই; কিন্তু ঐ বেটা পোস্ট মাস্টারের সঙ্গে নাকি বিয়ের কথা পাকা হয়ে গেছে। তা ছাড়া পোস্ট মাস্টারের ভাইয়ের সঙ্গেও নাকি আমজাদের বোন কণার বিয়ের কথা পাকা হয়ে গেছে। ঐ দুই বেটাকে কি করে এখান থেকে ভাগান যায় বলতো?

    ফজলু জানে, চেয়ারম্যান পোস্ট মাস্টারের উপর ভীষণ ক্ষ্যাপা। তিনিও তাকে এখান থেকে তাড়াবার চেষ্টা করছেন। এসব কথা রফিককে বলা ঠিক হবে ভেবে বলল, তুই চিন্তা করিস না, আমি ওদেরকে তাড়াবার ব্যবস্থা করব।

    কি ব্যবস্থা করবি বল না শুনি।

    সে কথা শোনা তোর দরকার নেই। তুই তো জানিস আমি কি ধরনের ছেলে। এমন কিছু করব, যার ফলে মা ও দুই ভাই চাকরি ছেড়ে পালাতে বাধ্য হবে।

    দেখিস, এমন কিছু করিস না, যাতে আমি না জড়িয়ে পড়ি।

    আরে না, তোকে জড়াতে যাব কেন? তুই নিশ্চিন্ত মনে ঘরে যা, আমি এখন একটা কাজে যাব। কি করি না করি তিন চার দিনের মধ্যে জানতে পারবি।

    রফিক চলে যাওয়ার পর ফজলু চিন্তা করল, পোস্ট মাস্টারকে মার্ডার করতে পারলে একদিকে যেমন রফিক তনিকে বিয়ে করতে পারবে, অন্যদিকে চেয়ারম্যান ও দারোগা সাহেব খুব খুশি হবেন। খুশি হয়ে চেয়ারম্যান তাকে মোটা বখশীষ দেবেন। কিভাবে কি করবে ফজলু দু’দিন চিন্তা ভাবনা করল।

    তখন গ্রীষ্মকাল। বেলা তখন দুটো। রহিম চাচা সাপ্তাহিক ছুটিতে বাড়ি গেছে। আজ ফেরার কথা থাকলেও ফেরেনি। গালিব একা কাজ করছে।

    রায়হান কলেজ থেকে ফেরার পথে পোস্ট অফিসে ঢুকে বলল, কিরে, খেতে যাবি না?

    গালিব বলল, তুই যা আমি জোহরের নামায পড়ে আসছি।

    রায়হান তাড়াতাড়ি আসার কথা বলে বাসার পথ ধরল।

    পোস্ট অফিস থেকে ওদের বাসার দূরত্ব আধা কিলোমিটার। ঐ আধা কিলোমিটারের অর্ধেকটা পথের দু’ধারে জঙ্গল। রায়হান যখন জঙ্গলের পথ ধরে আসছিল তখন ফজলু তার দু’জন সহযোগীকে নিয়ে তার ওপর হামলা চালাল। দুই সহযোগী রায়হানকে জাপটে ধরল আর ফজলু বড় ছুরি তার কাঁধে ও পিঠে দুই তিন বার মেরেছে এমন সময় গালিব সেখানে পৌঁছে গেল।

    গালিব রায়হানকে নামায পড়ে আসার কথা বললেও বাথরুমে যাওয়ার প্রয়োজন হওয়ায় সে চলে যাওয়ার একটু পরে বাসায় আসছিল। দূর থেকে ঘটনাটা দেখে ছুটে এসে ফজলুকে ধরে কয়েকটা আছাড়া দিতে অজ্ঞান হয়ে গেছে দেখে তাকে ছেড়ে দিয়ে বাকি দু’জনকে ধরতে যাওয়ার আগেই তারা রায়হানকে ছেড়ে দিয়ে জঙ্গলের ভেতরে দৌড়ে পালিয়ে গেল।

    রায়হান দু’তিনটে ছুরির আঘাত পেলেও জ্ঞান হারায়নি। দু’হাতে ক্ষতস্থানে চেপে রেখে গালিবকে বলল, চিন্তা করিস না আমার গুরুতর কিছু হয়নি। আমি বাজারে ডাক্তারখানায় যাচ্ছি। তুই ওকে বাসায় নিয়ে গিয়ে জ্ঞান ফেরানোর চেষ্টা কর। এখনি গ্রামের কাউকে কিছু জানাবার দরকার নেই।

    গালিব বলল, তুই ডাক্তারখানায় গেলেই সবাই জেনে যাবে। তার চেয়ে ঘরে চল। একে ঘরে রেখে ডাক্তার নিয়ে আসব।

    ডাক্তার সাহেব আগের যুগের এল. এফ. এম. পাস হলেও বেশ ভালই চিকিৎসা করেন। তিনি প্রথমে রায়হানের ক্ষতস্থান ব্যান্ডেজ করে দেয়ার সময় বললেন, ছুরির ফলা বেশি গভীরে যায়নি। ভয়ের কোনো কারণ নেই। ওষুধ লিখে দিচ্ছি, খেলে তাড়াতাড়ি ভালো হয়ে যাবেন। ফজলুর জ্ঞান ফেরানোর ব্যবস্থা করে বললেন, একে তো চিনি। তারপর জিজ্ঞেস করলেন, দু’জনের অবস্থা এরকম হল কি করে?

    গালিব বলল, সে কথা পরে জানবেন। আমাকে চেনেন তো?

    চিনব না কেন? আপনি তো পোস্ট মাস্টার। আপনার কত সুনাম।

    একটা অনুরোধ করব রাখতে হবে।

    বলুন। সাধ্যমতো চেষ্টা কর।

    এদের দু’জনের অবস্থা যা দেখলেন এবং এদের চিকিৎসার কথা কাউকেই বলবেন না।

    ডাক্তার সাহেব বিচক্ষণ লোক। বেশ অবাক হয়ে বললেন, কেন বলুন তো?

    সে কথাও পরে জানতে পারবেন। এখন অনুরোধটা রাখবেন কিনা বলুন।

    দেখুন, ফজলুকে মনে হয় আপনি চেনেন না। ও চেয়ারম্যানের লোক। চেয়ারম্যান জেনে গেলে আপনাদের বিপদ হতে পারে।

    সেইজন্যে তো কাউকে জানাতে নিষেধ করলাম।

    একে নিয়ে আপনারা কি করতে চান?

    কিছুই করব না। জ্ঞান ফেরার পর ওর কাছ থেকে শুধু জানব, কার হুকুমে এ কাজ করেছে।

    ও যদি মুখ না খোলে? আমার তো মনে হয় মেরে ফেললেও মুখ খুলবে না।

    গালিব তার আইডি কার্ড দেখিয়ে বলল, কি করে মুখ খোলাতে হয়, তা আমাদের জানা আছে। আরও বলল, আমার এই পরিচয় এখানকার কেউ জানে না। এমন কি থানার দারোগা-পুলিশও নয়।

    মনে হচ্ছে কোনো রহস্য উদঘাটন করতে এসেছেন?

    জি, ঠিক ধরেছেন। যেদিন রহস্যের উঘাটন করতে পারব, সেদিন সবাই আমার আসল পরিচয় জানতে পারবে।

    ততক্ষণে ফজলুর জ্ঞান ফিরে এল। উঠে বসতে যেতে কোমরের ব্যথায় ঝাঁকিয়ে উঠে ভয়ার্ত দৃষ্টিতে গালিবের দিকে তাকিয়ে রইল। সে জানে পোস্ট মাস্টার ও কলেজের প্রফেসার যমজ ভাই। গালিবকে হত্যা করার সিদ্ধান্ত নেয়ার পর খোঁজ নিয়ে জেনেছে, গালিব প্রতিদিন দুপুর দু’টার সময় বাসায় ভাত খেতে যায়। তাই আজ তার দু’জন সহযোগীকে নিয়ে জঙ্গলে লুকিয়েছিল। রায়হানকে আসতে দেখে পোস্ট মাস্টার মনে করে আক্রমণ করে। এখন জ্ঞান ফিরে আসার পর ভুলটা বুঝতে পারল।

    গালিব ডাক্তার সাহেবকে বলল, ওর জ্ঞান ফিরেছে, আপনি এখন আসতে পারেন। ডাক্তার বিদায় নিয়ে চলে যাওয়ার পর গালিব ফজলুকে বলল, যা যা জিজ্ঞেস করব, তা যদি ঠিক ঠিক উত্তর দাও, তা হলে তোমাকে ছেড়ে দেব। নচেৎ তোমাকে কি করব তা আমি ও আল্লাহ ছাড়া কেউ জানে না। ভেব না, তোমাকে থানায় দেব। থানায় তোমাকে দেব না, কারণ দারোগা সাহেবকে আমি বিশ্বাস করি না। চেয়ারম্যানের কথায় অথবা তোমার কাছ থেকে টাকা খেয়ে ছেড়ে দেবেন। তারপর আরও অনেক কিছুর ভয় দেখাতে ফজলু বন্ধু রফিকের উপকার করার কথা ও চেয়ারম্যানের কাছে বখশীষ পাওয়ার কথা জানিয়ে বলল, আপনার ভাইকে আপনি মনে করে আক্রমণ করি।

    গালিব তার কথা টেপ করে নিল। তারপর চিকিৎসার জন্য বেশ কিছু টাকা দিয়ে বলল, চেয়ারম্যানের দলে আর কাজ করো না। খেটে খুটে সত্তাবে উপার্জন করার চেষ্টা কর। যদি আমার কথামতো চল, তা হলে তোমার এই অপকর্মের কথা কাউকে বলব না। তা না হলে ঢাকার জেলে পাঠাবার ব্যবস্থা করব। মনে রেখ, ছুরির বাঁটে তোমার হাতের ছাপ আছে এবং তোমার সব কথা টেপ করে রেখেছি।

    ফজলু কাঁদ কাঁদ গলায় বলল, চেয়ারম্যানের দল ছেড়ে দিলে উনি আমাকে ছাড়বেন না। লোকের দ্বারা আমাকে খুন করে ফেলবেন।

    তুমি চেয়ারম্যানকে আমার কথা বলে দল ছাড়বে। তা হলে তোমাকে কিছু বললেও খুন করবে না। বরং আমাকে খুন করার চেষ্টা করবে। চেয়ারম্যান আমাকে যাই কিছু করুক না কেন তোমার কোনো ক্ষতি যেন না করে সে দিকে আমি লক্ষ্য রাখব।

    ফজলুর সহযোগী দু’জন পালিয়ে গিয়ে ঘটনাটা চেয়ারম্যানকে জানাল।

    চেয়ারম্যান রেগে উঠে বললেন, ফজলু একটা আস্ত গাধা। তা না হলে এরকম একটা কাজ আমাকে না জানিয়ে করতে গেল কেন? আর তোরাও তার সঙ্গে গিয়ে খুব অন্যায় করেছিস। যাক, যা হওয়ার হয়েছে। চুপ চাপ থাক, একথা কারও কাছে বলাবলি করবি না। দেখা যাক ওরা ফজলুকে নিয়ে কি করে। ব্যাটা ফজলু যদি আমার সম্পর্কে কিছু ফাঁস করে দেয়, তা হলে ওকেসহ ওদের দু’ভাইকে দুনিয়া থেকে সরাবার ব্যবস্থা করব। শোন, তোরা ফজলুর খোঁজ নিয়ে আমাকে জানাবি।

    চার পাঁচ দিন পার হয়ে যাওয়ার পরও যখন ফজলু দেখা করল না তখন। রফিক তাদের ঘরে গেল। তাকে বিছানায় শুয়ে থাকতে দেখে জিজ্ঞেস করল, তোর কি হয়েছে?

    ফজলু চুপে চুপে ঘটনাটা বলে বলল, ভাবছি এবার সম্ভাবে জীবন যাপন করব।

    তুই আমার কথা ওদের কাছে বলেছিস না কি?

    প্রথমে চেয়ারম্যানের কথা বলি। পরে তোর কথা বলতে বাধ্য করালো। কিছু মনে করিস না দোস্ত। ওদের দু’ভাইয়ের মতো মানুষ এ যুগে আছে কিনা জানি না। আমাকে একথা কারো কাছে প্রকাশ করতে নিষেধ করেছেন। উনি কারও কাছে প্রকাশ করবেন না। বন্ধু বলে তোকে বললাম। তুই যেন আর কারও কাছে প্রকাশ করবি না। পোস্ট মাস্টার ফেরেশতা তুল্য লোক। আমার মনে হয় তোকে কিছু বলবেন না।

    বন্ধুর প্রতি অসন্তুষ্ট প্রকাশ করে রফিক বলল, আমার কথা বলা তোর মোটেই উচিত হয়নি। তারপর বাড়ি ফিরে এল।

    প্রতি শুক্রবার অপরাহ্নে তনির ছবি আঁকা দেখতে গালিব তাদের বাগানে আসে। আজও আসছিল। বাগানের গেটের কাছে এসে দেখল, বাগানের ভেতরে একটা জামগাছের আড়ালে দাঁড়িয়ে রফিক একদৃষ্টে তনির দিকে তাকিয়ে আছে। গালিব গলা খাকারি দিতে রফিক চমকে উঠল।

    সালাম দিয়ে গালিব বলল, এখানে দাঁড়িয়ে আছেন কেন? চলুন কাছে গিয়ে দেখি তনি কি ছবি আঁকছে।

    গালিবের গলা খাকারি শুনে রফিক চমকে উঠলেও খুব রেগে গিয়েছিল। তারপর তাকে সালাম দিতে ও তার কথা শুনে রাগ সামলে নিয়ে সংগত কণ্ঠে সালামের উত্তর দিয়ে বলল, এসময় আপনি এখানে কেন?

    যদি বলি আপনি যে কারণে এখানে এসেছেন, আমিও ঐ একাই কারণে এসেছি।

    রফিক আরও রেগে উঠে বলল, ও আমার চাচাতো বোন, এখানে আসার আমার অধিকার আছে।

    আর আমি যদি বলি ও আমার বাগদত্তা, আমারও আসার অধিকার আছে।

    রফিক রেগে গিয়ে কথা বলতে না পেরে অগ্নিদৃষ্টিতে তার দিকে তাকিয়ে রইল।

    গালিব মৃদু হেসে বলল, আপনি শুধু শুধু আমার ওপর রাগ করছেন। জানেন না, বেশি রেগে গেলে মানুষ হিতাহিত জ্ঞান হারিয়ে ফেলে? যাকগে, চলুন তনির কাছে গিয়ে জিজ্ঞেস করি এখানে আসার অধিকার কার বেশি। একথা বলার পরও তাকে একই দৃষ্টিতে তাকিয়ে থাকতে দেখে তার একটা হাত ধরে বলল, ঠিক আছে, তনি যদি আপনাকে সাপোর্ট করে, তা হলে কথা দিচ্ছি, আমি আর কখনও ওর সঙ্গে দেখা করব না।

    রফিক রেগে গেলেও ফজলুর কথা মনে পড়তে ভয় পেয়েছে। তাই ভয়টা যাতে প্রকাশ না পায় সেজন্য রাগের অভিনয় করছিল। গালিবের কথা শুনে ভাবল, ফজলুর কথাই ঠিক। সব কিছু জেনেও তার বিরুদ্ধে কোনো অ্যাকসান তো নিলেনই না, বর এখন যা ব্যবহার করছেন, তা এ যুগের ছেলের কাছ থেকে আশা করা যায় না।

    তনি ছবি আঁকতে আঁকতে হঠাৎ তাদের দিকে দৃষ্টি পড়তে কাছে এসে সালাম দিয়ে বলল, আপনারা এখানে কি করছেন? তারপর গালিবের দিকে তাকিয়ে বলল, আপনিই বা রফিক ভাইয়ের হাত ধরে আছেন কেন?

    গালিব বলল, এসে দেখি উনি এখানে দাঁড়িয়ে তোমার দিকে তাকিয়ে রয়েছেন। তাই হাত ধরে বললাম চলুন তনির কাছে যাই। তারপর রফিককে উদ্দেশ্য করে বলল, তা হলে এখানেই ফয়সালা হয়ে যাক?

    রফিক কিছু বলার আগে তনি বলল, কিসের ফয়সালা?

    গালিব বলল, তোমার প্রতি কার অধিকার বেশি, ওনার না আমার? এ নিয়ে কথা হচ্ছিল।

    বেশ কয়েকদিন আগে রফিক তনিকে মনের কথা জানিয়েছিল। শুনে তনি গালিবের সঙ্গে তার বিয়ের কথা পাকাপাকি হয়ে গেছে বলে বলেছিল, রফিক ভাই মনে কিছু না করে মাফ করে দিও। এখনও সে আশা ছাড়েনি জেনে তাকে উদ্দেশ্য করে বলল, রফিক ভাই, তোমাকে সেদিন বলার পরও ………..।

    তাকে কথাটা শেষ করতে না দিয়ে রফিক গালিবকে উদ্দেশ্য করে বলল, আমি তনির উপযুক্ত নই। আপনার সঙ্গে যে ব্যবহার করেছি, ক্ষমা করে দেবেন। কথা শেষ করে হন হন করে সেখান থেকে চলে গেল।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleকে ডাকে তোমায় – কাসেম বিন আবুবাকার
    Next Article কালোমেয়ে – কাসেম বিন আবুবাকার

    Related Articles

    কাসেম বিন আবুবাকার

    ক্রন্দসী প্রিয়া – কাসেম বিন আবুবাকার

    July 31, 2025
    কাসেম বিন আবুবাকার

    জানি তুমি আসবে – কাসেম বিন আবুবাকার

    July 31, 2025
    কাসেম বিন আবুবাকার

    কি পেলাম – কাসেম বিন আবুবাকার

    July 31, 2025
    কাসেম বিন আবুবাকার

    কালোমেয়ে – কাসেম বিন আবুবাকার

    July 31, 2025
    কাসেম বিন আবুবাকার

    কে ডাকে তোমায় – কাসেম বিন আবুবাকার

    July 31, 2025
    কাসেম বিন আবুবাকার

    ক্ষমা – কাসেম বিন আবুবাকার

    July 31, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }