Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    একদিন অপরাহ্নে – কাসেম বিন আবুবাকার

    কাসেম বিন আবুবাকার এক পাতা গল্প117 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    একদিন অপরাহ্নে – ৪

    ৪.

    একদিন কণা কলেজ থেকে ফেরার সময় পোস্ট অফিসের কাছে এসেছে এমন সময় তাদের বাড়ির দিক থেকে গালিবকে আসতে দেখে সালাম বিনিময় করে বলল, নিশ্চয় চাচার কাছে এসেছিলেন?

    গালিব বলল, ঠিক বলেছেন। তারপর বলল, আরও যদি কিছু জানতে চান, তা হলে অফিসের ভেতরে চলুন।

    অফিসের ভেতরে এসে বাসার পর কণা বলল, আবার রাতের বেলা ভূতেরা ছাদে ইট ফেলতে শুরু করেছে না কি?

    গালিব হেসে ফেলে বলল, মনে হয় আর কখনও ভূতেরা ছাদে ইট ফেলবে। না।

    কণাও হেসে ফেলে বলল, ওমা, তাই নাকি? নিশ্চয় এর পিছনে কোনো কারণ আছে।

    কেন, আপনি শোনেন নি, একদিন যখন রাতে ভূতেরা ছাদে ইট ফেলছিল তখন আমি আমার পাখি মারা বন্দুক দিয়ে গুলি করে তাদের তাড়িয়ে দিয়েছি? এই নিয়ে কত হৈ চৈ? পরের দিন থানা থেকে পুলিশ এসে আমার ঘর সার্চ করল।

    কণা বলল, হ্যাঁ শুনেছি। চাচার সঙ্গে দেখা করতে এসেছিলেন শুনে মনে হল, আবার হয়তো ভুতেরা ছাদে ইট ফেলতে শুরু করেছে। চাচার কাছে এসেছিলেন কেন?

    মক্তব মাদরাসা করার ব্যাপারে আলাপ করতে এসেছিলাম।

    একটা কথা জিজ্ঞেস করব?

    গালিব মৃদু হেসে বলল, একটার অনেক বেশি প্রশ্নতো করেই ফেলেছেন। বলুন কি জানতে চান?

    আগে আমার সঙ্গে বোকার মতো কথাবার্তা বলেছেন, আর আজ……. বলে কণা থেমে গেল।

    গালিব আবার মৃদু হেসে বলল, আজ চালাকের মতো কথা বলছি কেন, এটাই জানতে চাচ্ছেন, তাই না?

    জি। অথচ তনির সঙ্গে প্রথম থেকেই……. বলে কণা আবার থেমে গেল।

    গালিব বলল, জানেন তো, মন মানুষকে চালিত করে। আমার মন যখন যার সঙ্গে যেরকম কথাবার্তা বা ব্যবহার করতে বলে সেই রকম করি। এতে যদি কিছু দোষ হয়ে থাকে, তবে ক্ষমা প্রার্থী বলে দু’হাত জোড়া করল।

    কণা বলল, না-না, ক্ষমা চাওয়ার মতো অপরাধ আপনি করেন নি। আচ্ছা, আপনি নাকি সব পশুপাখির ডাক ডাকতে পারেন?

    কার কাছে একথা শুনেছেন?

    তনির কাছে। বলুন না পারেন কি না।

    সব পশু পাখির ডাক না পারলে অনেকের পারি ।

    কই যে কোন একটা পশু বা পাখির ডাক ডাকেন তো?

    ভয় পাবেন না তো?

    কেন ভয় পাব কেন? আপনি কি সিংহ বা বাঘের ডাক ডাকবেন নাকি?

    যদি বলি তাই।

    কই ডাকুন, ভয় পাব না।

    গালিব বলল, দরজার দিকে তাকান।

    কণা দরজার দিকে তাকান মাত্র গালিব সিংহের মতো গর্জন করে উঠল।

    কণা ভয়ে চমকে উঠে দাঁড়িয়ে থর থর করে কাঁপতে লাগল।

    গালিব হেসে ফেলে তার একটা হাত ধরে বসিয়ে বলল, আপনাকে আগেই সাবধান করেছি, তবু ভয় পেলেন?

    কথা শেষ করে হাত ছেড়ে দিতে গেলে কণা তার হাত ধরে রেখে ভয়ার্ত কণ্ঠে বলল, সত্যি, আপনার কোনো তুলনা নেই। সেদিন তনির মুখে আপনার বাঘের গর্জন করার কথা শুনে বিশ্বাস করতে পারিনি। তাই আজ……….. কথাটা আর শেষ করতে পারল না। ততক্ষণে ছেলে, বুড়ো, জোয়ান, মেয়ে, পুরুষ সিংহের গর্জন শুনে পোস্ট অফিসের বাইরে ভীড় করেছে। একজন বৃদ্ধ লোক তাদের দিকে তাকিয়ে বলল, একটু আগে সিংহের গর্জন শুনে ভাবলাম, দশ বছর পর বুঝি সার্কাস দল আমাদের গ্রামে এসেছে।

    কণা গালিবকে দেখিয়ে বলল, ইনি অনেক রকম পশু-পাখির ডাক ডাকতে পারেন শুনে আমি সিংহের ডাক ডাকতে বলি। উনিই সিংহের ডাক ডেকেছেন। এখন আপনারা চলে যান। তারপর গালিবকে বলল আসি পরে আপনার সঙ্গে দেখা করব। কথা শেষ করে লোকজনদের সাথে সেও চলে গেল।

    পরের দিন কলেজে যাওয়ার সময় কণা তনিকে গতকাল গালিবের সিংহের গর্জন করার ঘটনা জানিয়ে জিজ্ঞেস করল, গালিব সাহেবকে তোর কি মনে হয়?

    তনি বলল, আমার মনে হয় ওনার মধ্যে এক্সট্রা কিছু পার্টস আছে।

    এক্সট্রা পার্টস বলতে কি বোঝাতে চাইছিস?

    যাদু টাদু জনেন মনে হয়?

    দূর, যাদু বলে দুনিয়াতে কিছু আছে না কি? দাদির কাছে শুনেছি আগের যুগে কেউ কেউ যাদু জানলেও বর্তমানে যাদু বলে কিছু নেই।

    তা হলে জুয়েল আইচ টিভিতে যেসব যাদু দেখান সেগুলো কি?

    কণা কিছু বলার আগে গালিবের গলা শুনতে পেল, সেগুলো হল ধাঁধা, হাত সাফাই ও কেমিক্যালের কারসাজি।

    গালিবের কথা শুনে তনি ও কণা পিছন ফিরে তাকে দেখে খুব অবাক হয়ে দাঁড়িয়ে পড়ল।

    গালিব বলল, মনে হচ্ছে আমাকে দেখে খুব অবাক হয়েছেন। আপনাদের কলেজের প্রিন্সিপালের সঙ্গে দেখা করতে যাচ্ছিলাম। চলুন, যেতে যেতে কথা বলি।

    চলতে শুরু করে তনি বলল, নিশ্চয় পোস্ট অফিসের কাছ থেকে আমাদের পিছন পিছন আসছেন?

    গালিব বলল, ঠিক বলেছেন। কি জানেন, আমি পোস্ট অফিস থেকে বেরিয়ে দেখি আপনারা কিছুটা আগে আগে আসছেন।

    তা হলে তো আমাদের সব কথাবার্তা শুনেছেন?

    হ্যাঁ, শুনেছি।

    কাজটা কি ঠিক করেছেন?

    না, ঠিক করিনি।

    নিজের গুণাগুণ শুনতে বুঝি খুব ভালো লাগছিল?

    না, ভালো লাগেনি। আল্লাহ শ্রবণ শক্তি যখন দিয়েছেন তখন ভালো না লাগলেও শুনতে হল।

    কণা বলল, আমরা যদি ব্যক্তিগত কোনো গোপন কথা বলতাম তখন কি করতেন?

    তখন উপস্থিতি জানিয়ে দিতাম অথবা এতটা দূরত্ব বজায় রাখতাম যাতে আপনাদের কথা যেন শোনা না যায়।

    তা প্রিন্সিপালের সঙ্গে এমন কি কাজ যে, অফিসের কাজ ফেলে যাচ্ছেন?

    ওনার এক ছেলে ঢাকায় থাকেন। তিনি আর্জেন্ট টেলিগ্রাম করেছেন। সেটা দিতে যাচ্ছি।

    কেন রহিম চাচাকে দিয়ে পাঠাতে পারতেন না।

    তা পারতাম। উনি আজ অসুস্থ। তাই আমাকেই যেতে হচ্ছে।

    তনি বলল, একটা অনুরোধ করব রাখবেন?

    করেই দেখুন।

    যে কোন একটা পাখির ডাক ডেকে শোনান।

    তার আগে আমার একটা অনুরোধ আপনাদেরকে রাখতে হবে।

    কণা বলল, অনুরোধটা ইসলামের পরিপন্থি না হলে আপত্তি নেই। তারপর তনির দিকে তাকিয়ে বলল, তুই কি বলিস?

    তনি বলল, তোর সঙ্গে আমিও একমত।

    গালিব বলল, আমাকে আপনাদের কি রকম মনে হয়?

    কণা বলল, কি রকম বলতে কি জানতে চাইছেন?

    তনি বলল, হ্যাঁ, কণা ঠিক কথা বলেছে। কি উদ্দেশ্যে প্রশ্নটা করেছেন, তা বললে ঠিক কথা বলব কি করে?

    গালিব বলল, বিয়ের পাত্র হিসাবে জানতে চাইছি।

    তনি ও কণা একে অপরের দিকে কয়েক সেকেন্ড চেয়ে থেকে দু’জনেই হেসে উঠল। হাসি থামিয়ে প্রথমে তনি বলল, আপনি বিদেশী ছেলে। কয়েক মাস হল এখানে এসেছেন। তা ছাড়া আপনার সঙ্গে মাত্র তিন চারবার দেখা সাক্ষাৎ। আপনার সম্পর্কে একরকম আমরা কিছুই জানি না। তবে যতটুকু জেনেছি, তাতে মন্দ কিছু পাই নি।

    গালিব কণাকে বলল, আপনি কিছু বলুন।

    কণা বলল, তনি যা বলেছে আমিও তাই বলব। তবে আর একটু বলতে পারি, মানুষকে মুগ্ধ করার ক্ষমতা আপনার আছে। এবার আমার প্রশ্নের উত্তর দিন। হঠাৎ এরকম প্রশ্ন আমাদের কেন করলেন?

    মেয়েরাই প্রকৃতপক্ষে ছেলেরা পাত্র হিসাবে কেমন বলতে পারে।

    তা অবশ্য ঠিক। এবার একটা পাখির ডাক ডেকে শোনান।

    ততক্ষণে তারা কলেজের কাছাকাছি চলে এসেছে। গালিব কয়েক সেকেন্ড চুপ করে থেকে বলল, এখন বসন্ত কাল, কোকিলের ডাক নিশ্চয় ভালো লাগবে? আপনারা কলেজ বিল্ডিং-এর পাশে যে কাঁঠাল গাছ রয়েছে ঐ দিকে তাকান।

    তনি ও কণা কাঁঠাল গাছের দিকে তাকাবার সঙ্গে সঙ্গে গালিব কু-হুঁ-কু-হুঁ করে কয়েকবার ডেকে থেমে গেল।

    তনি ও কণার মনে হল কাঁঠালগাছের ডালে কোনো কোকিল ডাকছে। তারপর গালিবের দিকে তাকিয়ে তাকে দেখতে পেল না।

    কণা বলল, কি ব্যাপার বলতো? গালিব সাহেব যেন মুহূর্তে গায়েব হয়ে গেলেন?

    তনি বলল, ঐ দেখ উনি প্রিন্সিপালের রুমে ঢুকছেন।

    কণা বলল, এত তাড়াতাড়ি ওখানে গেলেন কি করে?

    তনি মৃদু হেসে বলল, আমরা যখন কাঁঠালগাছের দিকে তাকিয়েছিলাম তখন উনি কুহু-কুহু ডাকতে ডাকতে চলে গেলেন।

    কণা বলল, একটা কথা ভেবে খুব অবাক হচ্ছি, উনি এখান থেকে তো কোকিলের ডাক ডাকতে শুরু করেন, অথচ আমার যেন মনে হল, কাঁঠালগাছে কোকিল ডাকছে।

    তনি আবার মৃদু হেসে বলল, হ্যাঁ, আমারও তাই মনে হয়েছে। উনি আগে একবার এরকম করে আমাকে দেখিয়েছিলেন। এবার ক্লাসে যাই চল, ক্লাস শুরু হয়ে যাবে।

    আজ কলেজ কি কারণে যেন তিনটি ক্লাস হওয়ার পর ছুটি হয়ে গেল।

    তনি ও কণা কলেজ থেকে বেরিয়ে গালিবকে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখে জিজ্ঞেস করল, কি ব্যাপার? এখানে দাঁড়িয়ে আছেন কেন?

    আপনাদের জন্য অপেক্ষা করছি।

    তনি বলল, কারণটা জানতে পারি?

    গালিব বলল, একসঙ্গে এলাম, একসঙ্গে যাব তাই আর কি?

    কণা বলল, আমার তো মনে হচ্ছে আরও কারণ আছে।

    গালিব বলল, আপনার অনুমান ঠিক।

    তা হলে কারণটা বলে ফেলুন।

    চলুন, যেতে যেতে বলছি বলে গালিব হাঁটতে শুরু করল।

    ওরাও হাঁটতে শুরু করে তনি বলল, আমার তো মনে হচ্ছে আপনি প্রায় এক ঘণ্টা অপেক্ষা করছিলেন? এবার কারণটা বলুন।

    গালিব কিছু না বলে চুপচাপ হাঁটতে লাগল।

    কণা বলল, কি হল, চুপ করে আছেন কেন? বলুন।

    গালিব বলল, আপনাদের মায়েরা একই গ্রামের মেয়ে, ছোটবেলা থেকে সই পাতিয়েছিলেন এবং বলাবলি করতেন একই বাড়ির দু’ভাই-এর বৌ হলে জা হিসাবে আজীবন একসঙ্গে থাকতেন। সে আশা ওনাদের পূরণ না হলেও একই গ্রামের দুই পরিবারের বৌ হয়েছেন এবং এখনও ওনাদের সম্পর্ক বজায় আছে। সেকথা জেনে আপনারাও ছোটবেলা থেকে সই পাতিয়েছেন এবং ওনাদের মতো আপনারাও আশা করেন, আপনারা যেন একই বাড়ির বৌ হয়ে আজীবন একসঙ্গে থাকতে পারেন। তারপর জিজ্ঞেস করল, কথাটা কি আমি ঠিক বলেছি?

    তনি ও কণা তার কথা শুনে এত অবাক হল যে? বেশ কিছুক্ষণ তার দিকে তাকিয়ে রইল।

    গালিব মৃদু হেসে বলল, আমি ঠিক বলেছি কিনা বললেন না যে?

    তনি জিজ্ঞেস করল, আমাদের পরিবারের ব্যক্তিগত কথা আপনি জানলেন কি করে?

    তা হলে আমি ঠিক কথা বলেছি তাই না?

    হ্যাঁ, বলেছেন; কিন্তু খুব অবাক হচ্ছি এসব আপনি জানলেন কি করে?

    এত অবাক হচ্ছেন কেন? চলুন যেতে যেতে বলছি বলে গালিব আবার হাঁটতে শুরু করে কণাকে উদ্দেশ্য করে বলল, আমার মা আপনার মায়ের কাছে। থেকে শুনেছেন। আমি আবার ওনার কাছ থেকে শুনেছি।

    কণা বলল, মা না হয় ওনাদের কথা বলেছেন; কিন্তু আমাদের মনের কথা মা তো জানে না,বলল কি করে?

    আপনাদের মনের কথা আপনার মা বলেন নি, আমি অনুমান করে বলেছি।

    তনি বলল, এসব কথা আমাদেরকে শোনানোর উদ্দেশ্য কি?

    উদ্দেশ্য একটা আছে। আপনারা শুনতে চাইলে বলতে পারি।

    বলুন।

    আমি আপনাদের মনের আশা পূরণ করতে পারব ইনশাআল্লাহ।

    তনি ও কণা আবার দাঁড়িয়ে পড়ে একে অপরের দিকে কিছুক্ষণ তাকিয়ে রইল। তারপর প্রথমে কণা বলল, কিভাবে পারবেন? আমার ভাইয়ের সঙ্গে তো তনির বিয়ের কথা পাকা হয়ে আছে।

    গালিব বলল, পাকা কথা হয়ে থাকলেও হবে না।

    আপনি বললেই হল। ওরা একে অপরকে পছন্দ করে। তা ছাড়া উভয় পরিবারের মুরুব্বীরা বিয়ের পাকা কথা বলে রেখেছেন।

    কিন্তু আল্লাহ রাজি না থাকলে দুনিয়াশুদ্ধ লোক চাইলেও যে হবে না সে কথা নিশ্চয় বিশ্বাস করেন?

    হা করি। কিন্তু আপনি কি করে বলছেন, একাজ হবে না?

    সে কথা এখন বলতে পারব না। কিছুদিনের মধ্যে আপনারা এমনই জানতে পারবেন।

    তনি জ্ঞান হওয়ার পর থেকে কণার ভাইয়া আমজাদকে ভালবাসে। কিন্তু আমজাদ তনি যে তাকে ভালবাসে সে কথা জানে না। তাকে সইমার মেয়ে হিসাবে বোনের মতো স্নেহের চোখে দেখে। আর সেটাকেই তনি ভালবাসা মনে করে। এখন গালিবের কথা শুনে রেগে উঠে বলল, আপনাকে এখনই বলতে হবে কেন আমাদের বিয়ে হবে না।

    বললাম তো “এখন বলতে পারব না, কিছুদিনের মধ্যে আপনারা এমনই জানতে পারবেন।” কথা শেষ করে গালিব দ্রুত হেঁটে তাদের কাছ থেকে চলে গেল।

    তনি তার ওপর আরও রেগে গিয়ে কিছু বলতে গিয়েও বলতে পারল না।

    তার মনে হল কিছু বলতে গেলে কেঁদে ফেলবে।

    তার অবস্থা বুঝতে পেরে কণা রাগের সঙ্গে গালিবকে উদ্দেশ্য করে বলল, দাঁড়ান, কথার উত্তর না দিয়ে চলে যাচ্ছে কেন?

    গালিব না শোনার ভান করে আরও দ্রুত হাঁটতে লাগল।

    কণা জানে তনি ভাইয়াকে ভীষণ ভালবাসে। বলল, চল যাই। তারপর যেতে যেতে বলল, ওনার কথায় তুই খুব কষ্ট পেয়েছিস বুঝতে পারছি। কিন্তু আমি এক তিল বিশ্বাস করিনি। ভাইয়া কত ধার্মিক তা তো জানিস। ধার্মিক ছেলেরা কখনও কাউকে বিট্টে করে না। তা ছাড়া মুরুব্বীরা কথাবার্তা পাকা করে রেখেছেন। ভাইয়ার মতো ছেলে কি মুরুব্বীদের কথা বরখেলাপ করতে পারবে?

    তনি ততক্ষণে সামলে নিয়েছে। চোখ মুছে বলল, কিন্তু মুরুব্বীদের কথা তো আমজাদ ভাই জানে না। তারপর কয়েক সেকেন্ড চুপ করে থেকে বলল, গালিব সাহেবকে তুই কতটুকু চিনেছিস জানি না, কিন্তু আমি তাকে যতটুকু চিনেছি, তাতে মনে হচ্ছে, উনি কখনও মিথ্যা বা ফালতু কথা বলতে পারেন না।

    কণা অবাক হয়ে বলল, তুই তা হলে নিজের ভালবাসার থেকে ওনার কথা বেশি বিশ্বাস করিস?

    তনির চোখে আবার পানি এসে গেল। চোখ মুছে বলল, এখন আমার মাথা ঠিক নেই, তোর কথার জবাব দিতে পারব না।

    কলেজ থেকে ফেরার পথে প্রথমে তনিদের ঘর পড়ে। গ্রামে ঢোকার আগে পথটা দু’ভাগ হয়েছে ততক্ষণে তারা সেখানে পৌঁছে যেতে তনি বলল, কথাটা কাউকে বলবি না।

    পাগল হয়েছিস, কাউকে বলতে যাব কেন? বললাম না, ওনার কথা এক তিল বিশ্বাস করিনি বলে কণা নিজের পথ ধরল। পোস্ট অফিসের পাশ দিয়ে আসার সময় দরজা থেকে উঁকি দিয়ে দেখল, রহিম চাচা একা কাজ করছে, গালিব সাহেব নেই।

    রহিম চাচা তাকে চিনে। দেখতে পেয়ে জিজ্ঞেস করল, কিছু বলবে মা?

    কণা বলল, মাস্টার সাহেব কোথায়?

    আমি অসুস্থ তাই উনি কলেজে প্রিন্সিপালের একটা আর্জেন্ট টেলিগ্রাম নিয়ে গেছেন। এখনও ফেরেননি।

    ও বলে ঘরে যাওয়ার সময় ভাবল, মনে হয় বাসা থেকে খেয়ে অফিসে আসবে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleকে ডাকে তোমায় – কাসেম বিন আবুবাকার
    Next Article কালোমেয়ে – কাসেম বিন আবুবাকার

    Related Articles

    কাসেম বিন আবুবাকার

    ক্রন্দসী প্রিয়া – কাসেম বিন আবুবাকার

    July 31, 2025
    কাসেম বিন আবুবাকার

    জানি তুমি আসবে – কাসেম বিন আবুবাকার

    July 31, 2025
    কাসেম বিন আবুবাকার

    কি পেলাম – কাসেম বিন আবুবাকার

    July 31, 2025
    কাসেম বিন আবুবাকার

    কালোমেয়ে – কাসেম বিন আবুবাকার

    July 31, 2025
    কাসেম বিন আবুবাকার

    কে ডাকে তোমায় – কাসেম বিন আবুবাকার

    July 31, 2025
    কাসেম বিন আবুবাকার

    ক্ষমা – কাসেম বিন আবুবাকার

    July 31, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }