Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    একশ বছরের সেরা ভৌতিক – সম্পাদনা : শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায় ও বারিদবরণ ঘোষ

    বারিদবরণ ঘোষ এক পাতা গল্প770 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ছক্কা মিয়ার টমটম – সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ

    এ মুলুকে রাতবিরেতে বাস ফেল করলে ছক্কা মিয়ার টমটম ছাড়া আর উপায় ছিল না৷ ঝড়-বৃষ্টি হোক, মহাপ্রলয় হোক, রাতের বেলা ভীমপুর গদাইতলা দশমাইল পিচের সড়কে যদি কষ্ট করে একটু দাঁড়িয়ে থাকা যায়, ছক্কা মিয়ার টমটমের দেখা মিলবেই মিলবে৷ অন্ধকার ঝড়বৃষ্টির মধ্যে প্রথমে ঠাহর হবে একচিলতে টিমটিমে আলো৷ তারপর আলোটা এগিয়ে আসবে আর এগিয়ে আসবে৷ মেঘের ডাকাডাকি যতই থাক, কানে বাজবে অদ্ভুত এক আওয়াজ টং লং….টং লং…টং৷ বিদ্যুতের আলোয় হঠাৎ চোখে পড়বে কালো এক এক্কাগাড়ি—তেরপলের চৌকা একটা টোপর চাপানো৷ সামনে কালো এক মূর্তি আর নড়বড় করে দৌড়ানো এক টাট্টু!

    মুখে কিছু বলার দরকার নেই৷ ছক্কা মিয়ার টমটম সওয়ারি দেখামাত্র থেমে যাবে৷ তখন একলাফে পেছনের তেরপল সরিয়ে চৌকা টোপরে ঢুকলেই নিশ্চিন্ত৷ আবার টলতে টলতে চলতে থাকবে ছক্কা মিয়ার টমটম—টং…লং…টং লং৷

    টমটম কথাটা এসেছে ইংরেজি ‘ট্যান্ডেম’ থেকে—যে গাড়ির সামনে কয়েক সার ঘোড়া যেত৷ কিন্তু ভীমপুরের ছক্কা মিয়ার এক্কাগাড়ির ঘোড়া মোটে এক৷ তবু আদর করে লোকে নাম দিয়েছিল টমটম৷

    ছক্কা মিয়ার চেহারাটি কিন্তু ভারি বদরাগী৷ ঢ্যাঙা, টিঙটিঙে রোগা, একটু কুঁজো গড়ন৷ লম্বাটে মুখের বাঁকানো নাকের তলায় পেল্লায় গোঁফ৷ চামড়ার রং রোদপোড়া তামাটে৷

    তেমনি তার টাট্টুও৷ যেমন মনিব, তেমনি ঘোড়া৷ হাড়-জিরজিরে লম্বাটে গড়ন৷ ঠ্যাং চতুষ্টয় যেন চারখানি কাঠি৷ মাথাটা দেখে সময় সময় ঠাহর করা কঠিন, এই প্রাণীটি সিঙ্গি, না প্রকৃত একটি ঘোড়া৷ হ্রেষাধ্বনি করলেই পিলে চমকে ওঠে৷ ভীমপুর বাজারের তাবৎ নেড়িকুকুর দিশেহারা হয়ে পালিয়ে যায় লেজ গুটিয়ে৷

    লোকে আজকাল রাস্তা চলতে বাস-রিকশোই পছন্দ করে৷ ছক্কা মিয়ার টমটম চড়লে হাড়-মাংস দলা পাকাতে থাকে বলেও না৷ কালের রেওয়াজ আসলে৷

    কিন্তু ওই যে বলেছি, রাতবিরেতে বাস ফেল করলে তখন উপায়? ছক্কা মিয়া এটা বোঝে এবং দিনে তার টমটমের বাহনটিকে নিয়ে বনজঙ্গল বা ঝিলে চরিয়ে নিয়ে বেড়ায়৷ রাতের বেলা ছোট্ট বাজারের চৌরাস্তায় শিরীষ গাছের তলায় ঘাপটি পেতে বসে থাকে৷ পাশেই টমটম রেডি৷…

     

    আরও দেখুন
    গাড়িতে
    গাড়ি
    আশেপাশের গাড়ির ডিলারশিপ
    গাড়ির
    বাংলা বিজ্ঞান কল্পকাহিনী
    বাংলা শিশু সাহিত্য
    গ্রন্থাগার সেবা
    বাংলা সাহিত্য
    ই-বই ডাউনলোড
    বাংলা উপন্যাস

     

    সেবার পুজোর সময় কলকাতা থেকে ছোটমামার সঙ্গে আসছি৷ মাঝপথে একখানে ট্রেন দাঁড়িয়ে রইল তো রইল, আর নড়ার নাম নেই৷ ব্যাপার কী? না—আগের স্টেশনে মালগাড়ি বেলাইন৷ বেলা গড়িয়ে সন্ধ্যা হল৷ তারপর যখন ট্রেনের চাকা গড়াল, ছোটমামা বেজার মুখে বললেন, ‘বরাতে আবার হতচ্ছাড়া ছক্কা মিয়ার টমটম আছে৷ বাপস!’

    ওই টমটমে কখনো চাপিনি৷ তাই কথাটা শুনে আমার আনন্দ হয়েছিল৷ বললুম, ‘খুব মজা হবে, তাই না ছোটমামা?’

    ছোটমামা দাঁতমুখ খিঁচিয়ে বললেন, ‘মজা হবে! বুঝবে ঠ্যালাটা ’খন!’

    ঠ্যালাটা কিসের বুঝলাম না আগেভাগে৷ দেখলাম, ছোটমামা ট্রেনের জানলা দিয়ে মুণ্ডু বাড়িয়ে বার বার যেন আকাশ দেখছেন৷ একটু পরে বললেন, ‘খুব ঝড়বৃষ্টি হবে৷ কার মুখ দেখে যে বেরিয়েছিলাম! বড়দা অত করে বললেন, তবু থাকলুম না, ছ্যা ছ্যা, আমার কী আক্কেল!’

    ভীমপুর স্টেশনে যখন নামলুম, তখনো কিন্তু ঝড়বৃষ্টির পাত্তা নেই৷ রাত একটা বেজে গেছে৷ বাজার নিশুতি৷ চৌমাথায় শিরীষতলায় গিয়ে দেখি, ছক্কা মিয়ার টমটম দাঁড়িয়ে আছে৷ বলা-কওয়া নেই, দরদস্তুর নেই, ছোটমামা টমটমের পিছনদিকের তেরপল তুলে ঢুকে ডাকলেন, ‘হাঁ করে দেখছিস কী? উঠে আয়, এক্ষুনি একগাদা লোক এসে ভালো জায়গা দখল করে ফেলবে যে৷’

     

    আরও দেখুন
    আশেপাশের গাড়ির ডিলারশিপ
    গাড়ির
    গাড়ি
    গাড়িতে
    পিডিএফ
    বাংলা সাহিত্য
    গ্রন্থাগার সেবা
    নতুন উপন্যাস
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি কোর্স
    বই

     

    ভেতরে খড়ের পুরু গাদার ওপর তেরপল পাতা৷ কেমন একটা বিচ্ছিরি গন্ধ৷ অন্ধকারও বটে৷ যেন এক গুহায় ঢুকেছি৷ সামনে সরে গিয়ে ছোটমামা পর্দাটা ফাঁক করে রাখলেন৷ একটু পরে আরো জনা দুই লোক ভেতরে ঢুকে পড়ল৷ সে এক ঠাসাঠাসি অবস্থা৷

    আর তারপরই আচমকা চিক্কুর ছেড়ে ছেড়ে মেঘ ডাকল এবং শনশন করে এসে গেল একটা জোরালো হাওয়া৷ ছোটমামা বললেন, ‘ওই যা বলেছিলুম, হল তো?’

    ছক্কা মিয়া সামনের আসন থেকে ঘোষণা করল, ‘আরাম করে বসুন বাবুমশাইরা৷ এবার রওনা দিই৷’ তার ঘোড়াটাও মেঘের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে চিঁ হিঁ হিঁ ডাক ছেড়ে যখন পা বাড়াল, তখন টের পেলাম কেন ছোটমামা ‘বাপস’ বলে মুখখানা তুম্বো করেছিলেন৷

    সত্যি ‘বাপস’! হাড়গোড় ভেঙে যাবার দাখিল৷ বাইরে হাওয়ার হইচই আর মেষের হাঁকডাক যত বাড়ছে, ছক্কা মিয়ার ঘোড়াটাও তত যেন তেজী হয়ে উঠছে৷ একটু পরেই চড়বড়িয়ে বৃষ্টির ফোঁটা টোপরের তেরপলে পড়তে শুরু করল৷ ছোটমামা ফাঁকটুকু বন্ধ করে দিলেন৷ আমি তখন অবাক৷ ছক্কা মিয়া বাইরে বসে চাবুক হাঁকাচ্ছে, ওর বৃষ্টির ছাঁট লাগবে না?

     

    আরও দেখুন
    গাড়ির
    গাড়ি
    আশেপাশের গাড়ির ডিলারশিপ
    গাড়িতে
    বাংলা টাইপিং সফটওয়্যার
    বাংলা শিশু সাহিত্য
    ই-বুক রিডার
    বাংলা অনুবাদ সাহিত্য
    বাংলা বিজ্ঞান কল্পকাহিনী
    বাংলা কবিতা

     

    রাস্তাটা ঘুরে রেল লাইন পেরুলে দুধারে বিশাল আদিগন্ত মাঠ৷ ফাঁকা জায়গায় ঝড়বৃষ্টিটা মিয়ার টমটমকে বেশ বাগে পেল৷ প্রতিমুহূর্তে মনে হচ্ছিল, এই বুঝি উল্টে গিয়ে রাস্তার ধারের গভীর খালে নাকানিচুবানি খাবে৷ আমাদের অবস্থা কী দাঁড়াবে, সেও ভাববার কথা৷

    কিন্তু আশ্চর্য, টমটম সমান তালে নড়বড়িয়ে টলতে টলতে চলেছে৷ মাঝে মাঝে ঝড়বৃষ্টির শব্দের ভেতর শোনা যাচ্ছে অদ্ভুত এক শব্দ—টং লং…টং লং…টং লং৷ কখনো ছক্কা মিয়ার টাট্টুঘোড়া বিকট চিঁ হিঁ করে চেঁচিয়ে উঠছে৷ তারিফ করে আমার পেছন থেকে এক সওয়ারি বলে উঠলেন, ‘পক্ষীরাজের বাচ্চা!’

    এতক্ষণে তেরপলের টোপর থেকে ফুটো দিয়ে জল চোঁয়াতে থাকল৷ সওয়ারিরা নড়েচড়ে বসার চেষ্টা করছিল, কিন্তু সরবে কোথায়? বেহদ্দ ভিজে সপসপে হয়ে যাচ্ছিল জামাকাপড়৷ একসময় ছোটমামা হঠাৎ বাজখাঁই চেঁচিয়ে বললেন, ‘আঃ! হচ্ছে কী, হচ্ছে কী মশাই? আমার ওপর পড়ছেন কেন?’

    ‘আপনার ওপর আমি পড়লুম, না আপনি আমার ওপর পড়লেন!’

     

    আরও দেখুন
    গাড়িতে
    গাড়ির
    গাড়ি
    আশেপাশের গাড়ির ডিলারশিপ
    বই পড়ুন
    সেবা প্রকাশনী বই
    উপন্যাস সংগ্রহ
    বাংলা বই
    বইয়ের
    গ্রন্থাগার

     

    ‘কী বাজে কথা বলছেন, আমায় ঠাণ্ডা করে দিয়ে আবার তক্ক? আপনি মানুষ, না বরফ?’

    ‘আমি বরফ! আপনিই তো বরফ৷ ইস, কী ঠাণ্ডা! হাড় অবদি জমে গেল দেখছেন না৷’

    আমার পিছনের সওয়ারি চাপা খিকখিক করে হেসে আমার কানের ওপর বলল, ‘ঝগড়া বেধে গেছে৷ বরাবর যায়, বুঝলেন তো মশাই? ছক্কা মিয়ার টমটমের এই নিয়ম৷ খিকখিক খিকখিক৷

    এমন বিদঘুটে হাসি কখনো শুনিনি৷ কিন্তু এঁর শ্বাসপ্রশ্বাসও যে বরফের মতো হিম৷ বললুম, ‘ইস! একটু সরে বসুন না৷ বড্ড ঠাণ্ডা করে যে!’

    লোকটা ভারি অদ্ভুত৷ সে ওই বিদঘুটে খিকখিক হাসতে হাসতে আরো যেন ঠেসে ধরল আমাকে৷ চেঁচিয়ে উঠলাম, ‘ছোটমামা! ছোটমামা!’

    কিন্তু ছোটমামার কোনো সাড়া পেলাম না৷ টোপরের ভেতরটা যেন ঘন অন্ধকার৷ ফের ডাকলুম, ‘ছোটমামা, কোথায় তুমি?’

     

    আরও দেখুন
    গাড়ি
    গাড়িতে
    গাড়ির
    আশেপাশের গাড়ির ডিলারশিপ
    বাংলা ইসলামিক বই
    বাংলা স্বাস্থ্য টিপস বই
    বাংলা শিশু সাহিত্য
    পিডিএফ
    বাংলা অডিওবুক
    বাংলা কবিতা

     

    লোকটা সেই খিকখিক হাসির মধ্যে বলল, ‘আর ছোটমামা বড়মামা৷ মামারা এখন রাস্তায় পড়ে কুস্তি করছে!’

    হতভম্ব হয়ে হাত বাড়িয়ে ছোটমামাকে খুঁজলুম৷ সুটকেসটা হাতে ঠেকল৷ কিন্তু সত্যিই ছোটমামা নেই৷ তারপর পেছনের দিকে চোখ পড়ল৷ ওদিককার পর্দাটা যেন ফর্দাফাঁই৷ বৃষ্টির ছাট এসে ঢুকছে৷ আমি প্রচণ্ড চেঁচিয়ে বললাম, ‘ছক্কা মিয়া, ছক্কা মিয়া! গাড়ি থামাও—গাড়ি থামাও!’

    পেছনের সওয়ারি ফের সেই বিদঘুটে হাসি হেসে উঠল৷ এবার আমি সামনের পর্দা ঠেলে সরিয়ে ছক্কা মিয়ার ভেজা জামা খামচে ধরলুম৷ ‘গাড়ি থামাও, গাড়ি থামাও বলছি!’

    এতক্ষণে যেন ছক্কা মিয়া আমার কথা শুনতে পেল৷ ঘুরে বলল, ‘কী হয়েছে বাবুমশাই৷

    ‘ছোটমামা পড়ে গেছেন কোথায়!’

    ছক্কা মিয়া বলল, ‘বালাই ষাট পড়বেন কোথায়? ঠিকই আছেন৷ খুঁজে দেখুন না!’

     

    আরও দেখুন
    আশেপাশের গাড়ির ডিলারশিপ
    গাড়ি
    গাড়ির
    গাড়িতে
    বাংলা ভাষা শিক্ষার অ্যাপ
    অনলাইন বুক
    সাহিত্য পর্যালোচনা
    PDF
    বাংলা ইসলামিক বই
    বাংলা ভাষা

     

    ‘নেই৷ তুমি গাড়ি থামাবে কিনা বলো?’

    ‘সামনে একটা মন্দির আছে, সেখানে থামাব৷’ ছক্কা মিয়া চাবুক নেড়ে ঘোড়াটাকে খুঁচিয়ে দিয়ে বলল, ‘যেখানে-সেখানে থামলে ঝড়বৃষ্টিতে কষ্ট পাবেন বাবুমশাই, বুঝলেন না? ওইখানে থামিয়ে আপনার ছোটমামাকে খুঁজবেন বরঞ্চ৷’

    মন্দিরের আটচালার সামনে গাড়ি দাঁড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে আমি ছক্কা মিয়ার পাশ দিয়ে লাফ দিলাম৷ তারপর আটচালায় ঢুকে পড়লাম৷ বুদ্ধি করে ছোটমামার সুটকেস আর আমার কিটব্যাগটাও দু’হাতে নিয়েছিলাম৷

    কিন্তু আটচালায় ঢোকার সঙ্গে সঙ্গে দেখলুম, ছক্কা মিয়ার টমটম বৃষ্টির মধ্যে আচমকা গড়াতে শুরু করেছে৷ ঘোড়াটা চিঁ হিঁ হিঁ ডেকে তেমনি নড়বড়ে পায়ে দৌড়তে লেগেছে৷ আমি ফ্যালফ্যাল করে তাকিয়ে রইলুম৷ মুখে কথাটি পর্যন্ত আর ফুটল না৷ ভারি অদ্ভুত লোক তো ছক্কা মিয়া!

    এখন ঝড়টা প্রায় কমে এসেছে৷ বৃষ্টি সমানে পড়ছে৷ নির্জন আটচালায় দাঁড়িয়ে আছি৷ প্যান্ট শার্ট ভিজে চবচব করছে৷ প্রায় কেঁদে ফেলার অবস্থা আর কি!

     

    আরও দেখুন
    গাড়ি
    গাড়িতে
    আশেপাশের গাড়ির ডিলারশিপ
    গাড়ির
    বিনামূল্যে বই
    বই
    বাংলা রান্নার রেসিপি বই
    বাংলা সংস্কৃতি বিষয়ক কর্মশালা
    গ্রন্থাগার
    বই পড়ুন

     

    কিছুক্ষণ পরে বিদ্যুতের আলোয় দেখি, কে যেন আসছে৷ আমি চেঁচিয়ে উঠলুম, ‘কে—কে?’

    ছোটমামার সাড়া এল৷ ‘অন্তু নাকি রে?’

    আমি কাঁদো কাঁদো গলায় বললুম, ‘হ্যাঁ৷ তোমার কী হয়েছিল ছোটমামা?’

    ছোটমামা আটচালায় ঢুকে বললেন, ‘কী হবে আবার! যা হবার, তাই হয়েছিল৷ তবে ব্যাটাকে এবার যা জব্দ করেছি, আর কক্ষনো ছক্কা মিয়ার টমটমে ভুলেও চড়তে আসবে না৷’

    ছোটমামা আমার কাছে সুটকেস দেখে খুশি হয়ে বললেন, ‘জানতুম, তুই ঠিকই নেমে পড়ে আমার অপেক্ষা করবি কোথাও৷’

    ‘কিন্তু লোকটা কোথায় রইল?’

    হাসলেন ছোটমামা৷ ‘ওকে তুই লোক বলছিস এখনো? ওটা কি লোক নাকি?’

     

    আরও দেখুন
    গাড়িতে
    গাড়ি
    গাড়ির
    আশেপাশের গাড়ির ডিলারশিপ
    Library
    নতুন উপন্যাস
    ই-বুক রিডার
    সাহিত্য পর্যালোচনা
    বাংলা বইয়ের সাবস্ক্রিপশন
    বাংলা কমিকস

     

    ‘তবে কে?’

    ‘বুঝলিনে? ওর ঘাড়ে একটা চন্দ্রবিন্দু বসিয়ে দে, তাহলে বুঝবি৷ থাকগে, এখন রাতবিরেতে ও-নিয়ে আলোচনা করতে নেই৷ ব্যাপারটা কী জানিস, অন্তু? রাতবিরেতে অমন দু-একজন সওয়ারি ছক্কা মিয়ার টমটমে উঠে পড়বে৷ তারপর কী করবে জানিস? অন্ধকারে ঘাড় মটকানোর তাল করবে৷ যেই টের পেয়েছি আমার পেছনের লোকটার মতলব কী, অমনি ওকে ঠেলে ফেলে দেবার চেষ্টা করেছি৷ কিন্তু ব্যাটা পড়বার সময় অ্যায়সা হ্যাঁচকা টান মেরেছে যে আমিও ওর সঙ্গে তেরপলের ফাঁক দিয়ে নিচে পড়েছি৷’

    ‘তারপর? তারপর ছোটমামা?’

    ‘তারপর আর কী? ঝড়বৃষ্টির মধ্যে রাস্তায় কুংফু জুডো যা সব অ্যাদ্দিন কষ্ট করে শিখেছি, চালিয়ে গেলুম৷ এক প্যাঁচে ওকে এমন করে ছুঁড়লুম যে একেবারে বিশ ফুট গভীর খাদে গিয়ে পড়ল৷ এতক্ষণ কোনো বাজ পড়া ন্যাড়া গাছের ডগায় বসে হিঁপিয়ে হিঁপিয়ে কাঁদছে৷’ ছোটমামা হাসতে হাসতে গায়ের জামা খুলে নিঙড়ে নিলেন৷ তারপর বললেন, ‘ঘণ্টা তিনেক কাটাতে পারলেই ফার্স্ট বাস পেয়ে যাব৷ জামাটা নিঙড়ে নে৷ ব্যাগ থেকে তোয়ালে বের করে মাথা মুছে ফেল৷ বাপস!’

     

    আরও দেখুন
    গাড়িতে
    গাড়ির
    আশেপাশের গাড়ির ডিলারশিপ
    গাড়ি
    বাংলা বইয়ের সাবস্ক্রিপশন
    বইয়ের
    বাংলা অডিওবুক
    অনলাইন গ্রন্থাগার
    Library
    বাংলা সাহিত্য কোর্স

     

    আমি শুধু ভাবছিলুম, তাহলে আমার পেছনকার সেই সওয়ারিও কি লোক নয়, সেই লোকটিও কি আমার ঘাড় মটকানোর তালে ছিল? অন্য লোকটার মতো?

    আমার মুখ দিয়ে ছোটমামার প্রতিধ্বনি বেরিয়ে গেল, ‘বাপস!…

    ছক্কা মিয়ার টমটমে তারপর আর ভুলেও চাপার কথা ভাবতুম না৷ কিন্তু বছর দশেক পরে, যখন কিনা আমি পুরোপুরি সাবালক, একরাতে ভীমপুর স্টেশনে নেমে শুনলুম লাস্ট বাস চলে গেছে৷

    স্টেশনবাজার তখন নিঃঝুম৷ সময়টা শীতের৷ আকাশে একটুকরো চাঁদও আছে৷ কিন্তু কুয়াশার ভেতর তার দশা বেজায় করুণ৷ একটা চায়ের দোকান খোলা ছিল৷ শীতের রাত বারোটায় চা-ওলা সবে ঝাঁপ ফেলার যোগাড় করছিল, আমাকে দেখে বুঝি তার দয়া হল৷ এক কাপ চা খাইয়ে দিল৷ শেষে বলল, ‘বাবুমশাই, তাহলে যাবেন কিসে গদাইতলা?’

    ‘কিসে আর যাব?’ বরং দেখি যদি ওয়েটিং রুমে রাতটা কাটানো যায়!’

     

    আরও দেখুন
    গাড়ি
    গাড়ির
    গাড়িতে
    আশেপাশের গাড়ির ডিলারশিপ
    Library
    বাংলা গানের লিরিক্স বই
    বাংলা ইসলামিক বই
    বিনামূল্যে বই
    বইয়ের
    সাহিত্য পত্রিকা

     

    চা-ওলা মুচকি হেসে বলল, ‘ছক্কা মিয়ার টমটমেও যেতে পারেন৷’

    ছক্কা মিয়ার টমটমের কথা ভুলে গিয়েছিলুম৷ সেবার ঝড়বৃষ্টি ছিল কম৷ ছোটমামাও বড় গল্পে মানুষ ছিলেন৷

    হনহন করে চৌমাথায় চলে গেলুম৷ গিয়ে দেখি, শিরীষতলায় আগুন জ্বেলে বসে আছে সেই আদি অকৃত্রিম ছক্কা মিয়া৷ পাশেই তার টমটম তৈরি৷ ঘোড়াটা স্থির দাঁড়িয়ে আছে৷ শীত বাঁচাতে তার পিঠে একটুকরো চটের জামা৷ বললুম, ‘গদাইতলা যাবে নাকি ছক্কা মিয়া?’

    ছক্কা মিয়া ইশারায় টমটম চড়তে বলল৷

    আজ আর কোনো সওয়ারি এল না দেখে আশ্বস্ত হওয়া গেল৷ টমটম তেমনি নড়বড় করে চলতে শুরু করল৷ ঘোড়াটাও বিকট চিঁ-হিঁ-হিঁ ডাকতে ভুলল না৷ অবিকল সব আগের মতোই আছে৷ এমনকি ছক্কা মিয়ার পেল্লায় গোঁফটারও ভোল বদলায়নি৷ আর সে অদ্ভুত ঘণ্টার শব্দ, টং লং…টং লং…টং লং৷

     

    আরও দেখুন
    গাড়ি
    গাড়ির
    গাড়িতে
    আশেপাশের গাড়ির ডিলারশিপ
    বাংলা কবিতা
    বাংলা অনুবাদ সাহিত্য
    নতুন উপন্যাস
    বাংলা ভাষা শিক্ষার অ্যাপ
    অনলাইন গ্রন্থাগার
    বাংলা সাহিত্য কোর্স

     

    কনকনে ঠাণ্ডা হাওয়া তেরপলের ঘেরাটোপের ছেঁদা দিয়ে আঙুল ঢুকিয়ে উত্যত্ত করছিল৷ জড়সড় হয়ে কোণা ঘেঁষে রইলুম৷ সামনেকার মোটা ছেঁদা দিয়ে বাইরে কুয়াশা মাখানো জ্যোৎস্নায় ঝিমধরা মাঠঘাট চোখে পড়ছিল৷ গাছগুলো আগাপাছতলা কুয়াশার আলোয়ান চাপিয়েছে আর মাথায় পড়েছে কুয়াশার টুপি৷ টুকরো চাঁদখানা ছেঁড়া ঘুড়ির মতো একটা ন্যাড়া তালগাছের ঘাড়ে আটকে গেছে দেখতে পাচ্ছিলুম৷

    মাইলটাক চলার পর রাস্তার ধার থেকে কে বাজখাঁই হাঁক ছাড়ল, ‘রোখো, রোখো!’ অমনি টমটম থেমে গেল৷ ঘোড়াটাও স্বভাবত সামনে দু’ঠ্যাং তুলে একখানা চিঁ-হিঁ ছাড়ল৷ তারপর ছক্কা মিয়ার গলা শুনলুম, ‘দারোগাবাবু নাকি? সেলাম, সেলাম!’

    মুখ বাড়িয়ে দেখি, বিশাল এক ওভারকোট পরা মূর্তি৷ সাইকেল নিয়ে দাঁড়িয়ে আছেন কোনো এক দারোগাবাবু৷ বললেন, ‘রোসো৷’ সাইকেলখানা তুলে দিলেন৷ তারপর যখন টোপরের ভেতর ঢুকলেন, মনে হল ভূমিকম্প হচ্ছে৷ ঢুকেই আমাকে টের পেয়ে চমকানো গলায় বলে উঠলেন, ‘কে? কে?’

    বললুম, ‘আমি৷’

    ‘আমি? আমি কি মানুষের নাম হয় নাকি?’ বলে দারোগাবাবু টর্চ জ্বেলে সন্দিগ্ধ দৃষ্টিতে আমাকে দেখে নিলেন৷ নামধাম বলতেই হল৷ পুলিশের লোক বলে কথা! সব শুনে উনি বললেন, ‘আমি আপনাদের গদাইতলা থানার চার্জে৷ কিন্তু আপনাকে কখনো দেখিনি৷’

    বেগতিক দেখে বললুম, ‘কলকাতায় আছি বহুকাল, তাই দেখেননি৷ তা আপনার নামটা জানতে পারি স্যার?’

    ‘বংকুবিহারী রায়৷’

    ‘আসামী ধরতে বেরিয়েছিলেন বুঝি? ওঁকে খুশি করার জন্যই বললুম৷

    বঙ্কু দারোগা জলদগম্ভীর স্বরে বললেন, ‘হুম! ব্যাটা এক দাগী বেগুনচোর, ভীষণ ভোগাচ্ছে৷ আজ একটা বেগুনক্ষেতে দুজন সেপাই নিয়ে ওৎ পেতে ছিলুম৷ তাড়া খেয়ে সটান একটা তালগাছের ডলায় উঠে গেল৷ তাকে আর নামাতে পারলুম না৷ তখন সেপাই দুজনকে তালগাছের গোড়ায় বসিয়ে রেখে এলুম৷ আসতে আসতে হঠাৎ সাইকেলের বেয়াদপি৷’

    দাগী বেগুনচোর এই শীতকালে সারারাত তালগাছের ডগায় বসে আছে৷ কিন্তু তার জন্য নয়, হতভাগা সেপাই দুজনের কথা ভেবে আমার উদ্বেগ হচ্ছিল৷ মুখ দিয়ে বেরিয়ে গেল, ‘আহা!’

    ‘আহা মানে?’ আমাকে ফের টর্চ জ্বেলে সন্দিগ্ধ নজরে দেখে বঙ্কু দারোগা বললেন, ‘হুম! আপনি মশাই এই মড়া-বওয়া গাড়িতে এত রাতে চাপলেন যে? আপনি জানেন, আজকাল সওয়ারি জোটে না বলে ছক্কা মিয়া মড়া বয়ে নিয়ে যায় গঙ্গার ঘাটে!’

    ‘বলেন কী! তাহলে তো ভয়ের কথা৷’ অবাক হয়ে বললুম, ‘সত্যি ভয়ের কথা, আগে জানলে…’

    কথা কেড়ে বঙ্কু দারোগা বললেন, ‘হয়তো জেনেশুনেই চেপেছেন৷ কিচ্ছু বলা যায় না৷’

    ‘কেন এ কথা বলছেন?’

    ‘বলছি আপনার চেহারা দেখে৷ এমন শুঁটকো রোগা চিমসে বাসি মড়ার মতো লোক সচরাচর দেখা যায় না কি না৷’

    এবার আমার খুব রাগ হল৷ ‘কী বলতে চান আপনি?’

    ‘রাতবিরেতে আজকাল ছক্কা মিয়ার টমটমে কে জ্যান্ত, কে মড়া বোঝা যায় না মশাই!’

    হাত বাড়িয়ে বললুম, ‘এই আমার হাত! পরীক্ষা করে দেখতে পারেন, আমি মড়া না জ্যান্ত!’

    বঙ্কু দারোগা আমার হাত সরিয়ে দিলেন জোরে৷ ‘বাপস! এ যে বেজায় ঠাণ্ডা!’

    ‘ঠাণ্ডা হবে না? শীতের রাতে এই মাঠের মধ্যে হাত কি গরম থাকবে?’

    ‘না মশাই, এমন রাতে বিস্তর সিঁদেল চোরের হাত পাকড়েছি, তারা কেউ এমন ঠাণ্ডা ছিল না৷’

    ‘কী? আমায় সিঁদেল চোর বললেন?’

    বঙ্কু দারোগা গলার ভেতর থেকে বললেন, ‘সিঁদেল চোরের ভূত হতেও পারেন৷ কিচ্ছু বলা যায় না৷ তখন আহা বলা শুনেই সন্দেহ জেগেছে৷’

    আর সহ্য হল না৷ খাপপা হয়ে চেঁচালুম, ‘পুলিশ হোন আর যাই হোন, আপনাকে আমি সাবধান করে দিচ্ছি মশাই৷’

    দারোগাবাবু ফের মুখের ওপর টর্চ জ্বেলে বললেন, ‘উঁ হুঁ হুঁ৷ বড্ড এগিয়ে এসেছেন৷ সরে বসুন! সরে বসুন বলছি!’

    মুখের ওপর টর্চের আলো কারই বা সহ্য হয়! ‘টর্চ নেভান!’ বলে টর্চটা ঠেলে ধাক্কা মেরে সরিয়ে দিলুম৷ টর্চটা নিভে গেল৷ এবং কোথায় ছিটকে পড়ল৷ কিন্তু এটাই বোধ হয় ভুল হল৷ আর বঙ্কু দারোগা বিকট গলায় ‘ভূত! ভূত!’ বলে চিক্কুর ছেড়ে আমাকে এক রামধাক্কা মারলেন৷ টোপরের একপাশের জরাজীর্ণ তেরপলের ওপর কাত হয়ে পড়লুম৷ তেরপলটা ফরফর করে ছিঁড়ে গেল এবং টাল সামলাতে না পেরে গড়িয়ে নিচে পড়ে গেলুম৷ কানের পাশ দিয়ে চাকা গড়িয়ে গেল প্রচণ্ড বেগে৷ পলকের জন্য দেখলুম কুয়াশা-ভরা নীলচে জ্যোৎস্নায় কালো টমটম দূরে সরে যাচ্ছে৷ ভেসে আসছে অদ্ভুত এক শব্দ টং লং…টং লং…টং লং…!

    ভাগ্যিস রোডস দফতরের লোকেরা রাস্তা মেরামতের জন্য কিনারায় বালির গাদা রেখেছিল! আঘাত টের পেলুম না৷ সামনে একটা বাড়ি দেখা যাচ্ছিল, লোকেরা লণ্ঠন লাঠিসোঁটা নিয়ে বেরিয়ে এল৷ তখন ঘটনাটা তাদের আগাগোড়া বলতে হল৷

    কিন্তু সব শুনে ওরা আমার দিকে হাঁ করে তাকিয়ে রইল৷ একজন বলল, ‘কী বলছেন বাবু? ছক্কা মিয়ার টমটম পেলেন কোথায়? কাল ভীমপুরের কাছেই একটা ট্রাকের ধাক্কায় ছক্কা মিয়া আর তার ঘোড়াটা মারা পড়েছে যে! ভাগ্যিস টমটমে একটা মড়া ছিল শুধু! সঙ্গের লোকেরা বাসে চেপে গঙ্গার ধারে গিয়েছিল৷ কিন্তু অবাক কাণ্ড দেখুন, মড়াটা একেবারে আস্ত ছিল৷ তুলে নিয়ে গিয়ে ভালোয় ভালোয় চিতেয় তুলতে পেরেছে৷’

    বঙ্কু দারোগার ওপর সব রাগ সঙ্গে সঙ্গে ঘুচে গেল৷ বরং উনি আমাকে বাঁচিয়েই দিয়েছেন দেখা যাচ্ছে৷ কিন্তু ওঁর নিজের ভাগ্যে কী ঘটল কে জানে! আহা বেচারা!

    কী ঘটল, তা পরদিন শুনলুম৷ বঙ্কুবাবু তখন হাসপাতালে৷ লোকে বলছে, আসামী ধরতে গিয়ে সাইকেল থেকে পড়ে কোমরের হাড় ভেঙেছে৷ সাইকেলও অক্ষত নেই৷ কিন্তু আসল ব্যাপারটা তো আমি জানি৷ তবে যাই হোক, আমার ওপর যেটুকু ফাঁড়া গেছে, তার জন্য দায়ী স্টেশন বাজারের সেই ধড়িবাজ চা-ওলা৷ কেমন হেসে বলেছিল, ‘ছক্কা মিয়ার টমটমেও যেতে পারেন!’ সব জেনেশুনেও কী অদ্ভুত রসিকতা!

    অবশ্য এমনও হতে পারে, সে বলেছিল, ‘ছক্কা মিয়ার টমটমেও যেতে পারতেন৷’ আমিই হয়তো ভুল শুনেছিলুম৷ ক্রিয়াপদের গোলমাল স্রেফ!…

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleমহাভারত – বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    Next Article গান্ধীজি : ফিরে দেখা

    Related Articles

    বারিদবরণ ঘোষ

    গান্ধীজি : ফিরে দেখা

    November 6, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }