Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    একা একা – বিমল কর

    বিমল কর এক পাতা গল্প144 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    একা একা – ১১

    ১১.

    পরের দিন সকালে ঘুম ভাঙতে তনুর দেরি হয়ে গেল। কেউ তাকে ডাকেনি। রিনি রোজ ভোরবেলায় তাকে ডেকে দেয়। ডেকে দিয়ে চা করতে চলে যায়। তনু কোনওরকমে মুখটা ধুয়ে জামাটা বদলাতে না বদলাতে রিনি চা নিয়ে আসে। চা-টুকু খেয়েই দুজনে ভোরের মুখে লেকের দিকে বেড়াতে চলে যায়। এই ভোরটুকু, যখন আলো ফুটছে, ফরসা হয়ে আসছে সব, পাড়াটা ঘুমে জড়ানো, হরিণঘাটার গাড়ি আসছে, গাছতলায় কুকুর ঘুমিয়ে আছে, এক-আধটা ঝাড়ুদার রাস্তায় নেমেছে, গাছের মাথায় পাখি-টাখি ডাকতে শুরু করল–তখন শান্ত নিরিবিলি কলকাতার পথ দিয়ে রিনির সঙ্গে হেঁটে যেতে যেতে তনুর কী ভালই না লাগে! আজকাল তনুর ঠিক সময়ে ঘুম ভেঙে যেতেও শুরু করেছিল। আজ আর ভাঙল না। কিংবা ঘুমটা সময় মতনই পাতলা হয়ে এসেছিল, বাইরে থেকে কেউ দরজায় টক টক শব্দ করছে না, কেউ ডাকছে না দেখে–তনু ঘুমের আলস্যের মধ্যে এখনও ভোর হয়নি ভেবে আবার ঘুমিয়ে পড়েছিল। কাল বৃষ্টির জন্যে জানলাগুলোও সব প্রায় বন্ধ। খোলা জানলাটা তার চোখে পড়েনি, পড়ার কথাও নয়।

    ঘুম ভেঙে তনু দেখল, বেশ রোদ। তাড়াতাড়ি বাইরে এসে দেখে অবাক। বেলা হয়ে গেছে। চায়ের টেবিলে বাবা আর নীহারপিসি। তনু বাথরুমে চলে গেল।

    চোখ-মুখ ধুয়ে জামা পালটে তনু যখন চায়ের টেবিলে এল, শরদিন্দু তখন খবরের কাগজ হাতে নিয়ে উঠে পড়ছেন। ছেলেকে একবার দেখলেন তিনি। তারপর কাগজ হাতে করে বসবার জায়গায় গিয়ে বসলেন।

    নীহার চা জলখাবার দিতে দিতে জিজ্ঞেস করলেন, কেমন আছিস শ্যাম?

    তনু ঠিক বুঝতে পারল না প্রথমে, পরে বুঝল।

    নীহার টোস্ট আর ডিমের পোচ এগিয়ে দিয়ে বললেন, শরীর-টরীর খারাপ হয়নি তো?

    না।

    তুই বসে বসে খা। আমার আজ তাড়া আছে একটু। পুজো পাঠাব। আমি স্নান করতে যাই।

    নীহারপিসি চলে গেলেন। বাবা বারান্দার বসার জায়গাটায় বসে কাগজ দেখছেন। সিগারেটের গন্ধ আসছে।

    তনু নিজের মনে চা খেতে খেতে এদিকে ওদিক তাকাল। রিনি কোথায়? সকালে ডাকল না। চায়ের টেবিলে নেই। তার গলা শোনা যাচ্ছে না, সাড়াশব্দ পাওয়া গেল না। রিনির কি শরীর খারাপ হল? জ্বর-টর হল নাকি? কাল রিনিই বেশি ভিজেছে। মানে, রিনিই শখ করে প্রথমে বৃষ্টির মধ্যে বেরিয়ে গিয়েছিল, তার মাথায় এত চুল, এত বেশি বড় বড় যে বৃষ্টির জলে তার ভেজা চুল একেবারে পাগলির মতন হয়ে গিয়েছিল। তনু খুব হেসেছে। তার ওপর রিনির জলে পা দিয়ে কী ছলাত ছলাত করে হাঁটা! সর্দি-টর্দি, জ্বর হতে পারে। রিনি জ্বর গায়ে শুয়ে আছে নাকি? পিসিকে জিজ্ঞেস করা হল না। বাবার সামনে জিজ্ঞেস করতেও তার সাহস হল না।

    টোস্ট শেষ করে তনু চায়ে মুখ দিল। বারান্দার শার্সিগুলো খোলা, খুব আলো আর রোদ আসছে। কাল বিকেলে যে অমন বৃষ্টি হয়ে গেল বোঝার উপায় নেই। নীচের নার্সারি স্কুল থেকে কাচ্চাবাচ্চার গলা ভেসে আসছে।

    কাল বৃষ্টি এসে সব গোলমাল হয়ে গেল। রিনি অবশ্য বৃষ্টি পেয়ে আহ্লাদে আটখানা হল। আর তনুও কাল যুধিষ্ঠিরের মতন অশ্বত্থামা করেছে! না করে উপায় কী। তারা কাল কালীঘাটে ঠিক যায়নি। কালীঘাট যে কোথায় তাও তনু জানে না। তবে কালীঘাটের কথা সে শুনেছে। তনুরা বিকেলে বেড়াতে বেরিয়ে কোথায় যাবে কোথায় যাবে করছিল–তখন তনু বলল, সেই গির্জাটার দিকে চলো না; ভেরি ফাইন প্লেস। ওরা ট্রামে করে সেন্ট ক্যাথিড্রালের দিকে চলে গিয়েছিল। নিরিবিলি রাস্তায় হাঁটতে হাঁটতে তনু খুব আবেগ দিয়ে সক্রেটিসের মৃত্যুর শেষ বিবরণটা শোনাচ্ছিল: বুঝলে রিনি, প্লেটোর লেখা থেকে তোমায় পড়ে শোনাব একদিন, মাস্টারপিস। ইউ উইল বি ইন টিয়ারস। তারপর বিষ খাবার সময় ক্রিটো বলল, এত তাড়াতাড়ি খাবার কী আছে, আরও পরে খাবেন, অনেকেই আরও পরে খায়, এখনও পাহাড়ের মাথার ওপর সূর্য রয়েছে। সক্রেটিস জবাব দিলেন, ক্ৰিটো তুমি যাদের কথা বলছ, তারা হয়তো ভাবে, বিষটুকু আরও একটু দেরি করে খেলে কিছু লাভ হবে, আমি তা ভাবি না, যে জীবন চলে গিয়েছে তাকে অল্প সময়ের জন্যে বাঁচিয়ে রাখার চেষ্টা করে কী লাভ… সক্রেটিসের বিষ খাবার কাহিনী থামিয়ে দিয়ে রিনি বলল, এই রে–ওই দেখো। বলতে বলতে কোথাকার এক ঝড় ধুলো উড়িয়ে তাদের কালো করে দিয়ে গেল, তারপর চারপাশ ঘুটঘুট করে উঠল। ছোটাছুটির সময় আর নেই। বৃষ্টি এসে গেল। তনু গাছতলায় দাঁড়িয়ে মাথা বাঁচাচ্ছিল, হঠাৎ দেখল রিনি বৃষ্টির মধ্যে নেমে গেছে।

    বৃষ্টির মধ্যে খানিকটা হেঁটে খানিকটা রিকশা করে আসতে আসতে কালীঘাট-পাড়ার কাছে এসে রিনি বলল, এই, খুব তত ভেজা হল, বাড়ি গিয়ে তোমার নীহারপিসির মুখের সামনে দাঁড়ানো যাবে না। শোনো, আমি কিন্তু কালীঘাটের কথা বলব; কালীঘাটের কথা শুনলে রক্ষে পেয়ে যেতে পারি। ঠাকুরদেবতা তোর…বাড়ির কাছাকাছি এক জায়গায় নেমে রিনি কোন একটা শীতলা না কীসের মন্দির থেকে পয়সা ফেলে কপালে সিন্দুর লেপটে নিল। নুর কপালেও লাগিয়ে দিল। বলল, এই দাগটাই। আসল, বুঝলে।

    তনু নিজেই এখন হেসে উঠল। হাসবার পর তার বাবার কথা মনে পড়ল। তাকিয়ে দেখল, বাবা তার দিকে চেয়ে রয়েছে।

    ছেলের দিকে একটু তাকিয়ে শরদিন্দু বললেন, কী হল?

    না, কিছু না। তনু মুখ নামিয়ে চা খেতে লাগল। খোলা শার্সি দিয়ে এক জোড়া চড়ুই ঢুকে রিনির মানিপ্ল্যান্টের ওপর বসে তাদের ছোট ছোট ডানা ছড়িয়ে আবার গুটিয়ে নিয়ে উড়ে গেল।

    শরদিন্দু শেষপর্যন্ত কাগজ হাতেই উঠে পড়লেন। শ্যাম, আজ ডাক্তারের কাছে যাবার কথা, বিকেলে।

    আজ?

    হ্যাঁ। আজই এইটিন্থ..

    আচ্ছা।

    তোমার ওষুধও শেষ হয়ে আসার কথা।

    আছে দু-একটা। দেখব।

    শরদিন্দু চলে গেলেন সিঁড়ির দিকে। তেতলায় যাচ্ছেন, নিজের ঘরে।

    তনু চারপাশে একবার তাকাল। বাবা সিঁড়ি দিয়ে উঠছে, আশেপাশে আর কেউ নেই–একেবারে ফাঁকা বারান্দা, নীহারপিসি স্নান করতে চলে গেছেন।

    চা খেয়ে তনু বসে থাকল। রিনি কি সত্যিই অসুখে পড়ল? ফাঁকা বারান্দায় রোদ-আলো দেখতে দেখতে তনু চেয়ার ঠেলে উঠে দাঁড়াল। রিনির যদি খুব সর্দি হয়ে থাকে, কিংবা জ্বর-টর, তনু রিনিকে বুঝিয়ে দেবে যে, অশ্বত্থামায় কিছু হয় না, পাপের ফল শাস্তি।

    রিনি! তনু রিনির শোবার ঘরে গিয়ে দাঁড়াল। রিনি নেই। ঘর ফাঁকা। বিছানা পরিষ্কার। দরজাগুলো হাট করে খোলা। রিনির শোবার ঘরের যেখানে যা সবই ঠিক রয়েছে। তনু বেশ অবাক হল। রিনি কোথায় গেল?

    বাইরে এসে দাঁড়াল তনু। সকালে রিনি স্নান করতে যায় না। গেলেও এত দেরি হবার কিছু নেই। পিসি এখন বাথরুমে।

    রিনি কি তেতলায়? তেতলায় সে কী করবে? বাবার ঘর পরিষ্কার করে দিতে গিয়েছে? তা হলে এখনও কি থাকবে নাকি? সিঁড়ির দিকে তাকিয়ে তনু একটু ভাবল। না, রিনি নিশ্চয় তেতলায় নেই। রান্নাঘরে গিয়ে সে রাঁধতে বসেছে যে তাও নয়। তবু তনু একবার ওপাশটা দেখে এল।

    বারান্দায় আসতেই নারানের সঙ্গে দেখা, নারান দোকানে গিয়েছিল। হাতে জিনিসপত্র। নারানকে জিজ্ঞেস করল, দিদি কোথায়? নারান বলল, খুব সকালে দিদি বেরিয়ে গেছে। খুব সকালে রিনি কোথায় যেতে পারে তনু বুঝতে পারল না। ভোরবেলায় ওরা দুজনে লেকের দিকে বেড়াতে যায়। রিনি কি একলাই বেড়াতে চলে গেল? বেড়াতে গেলেও এত বেলা পর্যন্ত সে লেকে বসে নেই। তবে?

    তনু বারান্দায় কিছুক্ষণ বসে থাকল। কাল বৃষ্টিতে ভিজে বাড়ি ফিরে রিনি আর তার সঙ্গে কথাবার্তা বলেনি। ভীষণ চটে গিয়েছিল রিনি, নীহারপিসির উপর, বাবার ওপর। রাগ করে সেই যে নিজের ঘরে গেল তার পর থেকে তনু আর তাকে দেখেনি। অন্যদিন রিনি সন্ধেবেলায় তনুর ঘরে কতবার আসে, রাত্রে খাওয়া-দাওয়ার পর এসে দুধের গ্লাস দিয়ে যায়, দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে কত হাসি গল্প করে; কাল খাবার সময় রিনি ছিল না, রাত্রে দুধ ওভালটিন দিতেও আসেনি। খাবার সময় টেবিলে বাবা, পিসি ও তনু সবাই এক রকম চুপচাপ ছিল। রিনির কথা বাবা জিজ্ঞেস করেছিল একবার, পিসি বলল, ও খাবে না বলেছে, রাগ হয়েছে মেয়ের, হোক একটু।

    রিনির এত রাগের কী আছে তনু বুঝতে পারল না। তনুর ওপরই বা রাগ হবার কারণ কী? বরং তনু কাল বৃষ্টিতে ভেজার দায়টা নিজের কাঁধেই নেবার চেষ্টা করেছে। রিনির মাথা গরম।

    বারান্দায় খানিক বসে তনু নিজের ঘরে এল। জানলা দিয়ে তাকিয়ে থাকল কিছুক্ষণ। যতটা দেখা যায় রাস্তা দেখল, পার্কের সামনেটা দেখল, রিনির কোনও চিহ্ন নেই। তনুর সব সময়ই মনে হচ্ছে, এখুনি সিঁড়িতে রিনির চটির শব্দ পাওয়া যাবে, গলা শোনা যাবে।

    রিনি বাড়িতে না থাকায় চুপচাপ হয়ে আছে সব। বাবা তেতলায়, নীহারপিসি স্নান সেরে বেরিয়ে তাঁর ঘরে চলে গিয়েছেন, সরলাদি রান্নাঘরে সাড়াশব্দ খুব কম। কাকের ডাক, চড়ুইয়ের কিচকিচ, নার্সারি স্কুলের ছড়া-পড়ানোর শব্দ ছাড়া তেমন কোনও সাড়া এ বাড়িতে পাওয়া যাচ্ছে না। তনু ক্রমশ অধৈর্য হয়ে উঠতে লাগল। তার খারাপ লাগছিল। রিনি বড় আশ্চর্য মেয়ে। কোনও কিছু না বলে কোথায় চলে গেল।

    তনুর কী খেয়াল হল, সে ঘর থেকে বারান্দায় এসে বাইরের চটিটা পায়ে দিল, তারপর সিঁড়ি দিয়ে সোজা নীচে। নীচে বাচ্চাগুলো সুর করে ছড়া পড়ছে; পুসি ক্যাট, পুসি ক্যাট, হোয়্যার হ্যাড ইউ বিন…। তনুর খুব মজা লাগল। রাস্তায় রিনির সঙ্গে দেখা হয়ে গেলে তনু এই রকম সুর করে বলবে–পুসি ক্যাট, পুসি ক্যাট…

    ফটকের বাইরে রাস্তায় এসে দাঁড়াল তনু। এই পাড়ার বড় রাস্তাটা তার চেনা হয়ে গেছে। সে এদিকে সোজা ট্রামলাইন পর্যন্ত চলে যেতে পারে, আর ওদিকে হাঁটতে হাঁটতে সোজা লেক পর্যন্ত। তনু আপাতত কোনদিকে যাবে কিছু ঠিক করতে পারল না। লেকের দিকে গিয়ে লাভ নেই, রিনি ওখানে এত বেলা পর্যন্ত একলা বসে থাকবে না। তনু ট্রামরাস্তার দিকেই ধীরে ধীরে হেঁটে চলল। কালকের বৃষ্টির পর আজ রোদ ভীষণ ঝকঝক করছে। রাস্তায় অনেক লোকজন, গাড়ি। দোকানপত্র সব কখন খুলে গিয়েছে, রোদের তাত বাঁচাতে কোনও কোনও দোকানের মাথার ওপর ঢালু করে তেরপল টাঙানো হয়েছে। গোটা কয়েক কুলি আলমারি মাথায় করে যাচ্ছিল। একটা আধটা খানা-খন্দে কালকের বৃষ্টির জল জমে আছে। রাস্তার পাশে পাশে কাদা জমেছে।

    অন্যমনস্কভাবে তনু হাঁটছিল, দাঁড়াচ্ছিল কোথাও, রিনিকে খুঁজছিল, যে কোনও সময়ে সে লোকজনের মধ্যে রিনির মুখ দেখতে পেয়ে যাবে এই আশায় চেয়ে চেয়ে মানুষজন দেখছিল। তনু একটা কৃষ্ণচূড়া গাছের তলায় অনেকক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকল। রিনি খুবই আশ্চর্য মেয়ে। ভেরি স্ট্রেঞ্জ। ওর দেমাক খারাপ৷ এত রাগের কোনও দরকার ছিল না। রাগ মানুষকে নষ্ট করে। তনুর ওপর রাগ করার তো কোনও কারণই নেই। সে দোষের মধ্যে গির্জার দিকে বেড়াতে যেতে বলেছিল। কিন্তু রিনিকে বৃষ্টিতে ভিজতে, জলের মধ্যে পা ছুঁড়ে ছুঁড়ে হাঁটতে বলেনি।

    তনু গাছতলা থেকে সরে গেল। মাথায় খুব রোদ লাগছে। আজ রোদের তেজ খুব। ট্রামরাস্তার দিকে এগিয়ে চলল তনু। রিনিকে তনু একটা কথা আজ বোঝাবে; দেখো রিনি, অ্যাঙ্গার ইজ এ কাইন্ড অফ ক্রুয়েলটি। রাগের সঙ্গে নিষ্ঠুরতার কোনও তফাত তেমন নেই। মানুষের অনেক ব্যবহার আছে যা সে সোজাসুজি প্রকাশ করতে না পারলে ইনডিরেক্টলি প্রকাশ করে। রাগ হল জুয়েলটিরই একটা ফর্ম। তোমার এই রকম রাগ হওয়া উচিত নয়। একদিন তুমি নিষ্ঠুর হয়ে যাবে।

    প্রায় রিনি বলে মনে হয়েছিল। কিন্তু রিনি নয়। শাড়িটা রিনির মতো। হাতে বই খাতা মেয়েটির। তনুর হঠাৎ খেয়াল হল, রিনির কলেজ খুলে যায়নি তো? না, কলেজ আরও দু-একদিন পরে খোলার কথা। তা ছাড়া রিনির কলেজ দুপুরে।

    তনু হাঁটতে হাঁটতে ট্রামরাস্তার সামনে এসে বড় গাছটার তলায় দাঁড়াল। গাছতলায় ছায়া আছে। ট্রাম আসছিল। বাস চলে গেল ধুলো উড়িয়ে। একটা অ্যাম্বুলেন্স গাড়ি বাঁ দিকে বেঁকে চলে গেল।

    চুপচাপ দাঁড়িয়ে থাকল তনু। ট্রাম দেখছে, বাস দেখছে। এইবার রিনি ঝপ করে ট্রাম কিংবা বাস থেকে নেমে পড়বে ভাবছে। রিনি নামছে না। রোদ খুব চড়ে গেছে। চোখে লাগছে। ট্রাম বাসগুলো ভিড়ে ভরতি হয়ে একদিকে চলে যাচ্ছে।

    কোথায় গেল রিনি? আশ্চর্য মেয়ে! কাউকে কিছু না জানিয়ে সে কোথায় যেতে পারে? তনু নানা রকম ভাবতে লাগল। ভাবতে ভাবতে তার হঠাৎ মনে পড়ল, কাল রিনি একবার বলেছিল কোথায় যেন যাবে। কোথায়? তনু মনে করবার চেষ্টা করতে লাগল। কাল রিকশা করে ফেরার সময় রিনি বলেছিল সে আজ সকালে কার কাছে কোথায় যেন যাবে। কোথায়? তনু মনে করবার চেষ্টা করতে লাগল। কাল রিকশা করে ফেরার সময় রিনি বলেছিল সে আজ সকালে কার কাছে কোথায় যেন যাবে। কলেজের কোনও বন্ধুর কাছে? মাধুর কাছে? বোধহয় তাই বলেছিল। রিনি একদিন তাকে মাধুর বাড়ি নিয়ে গিয়েছিল। তারা সিনেমা দেখেছিল। বাড়িটা তো তনু দেখেছে। মাধুদের ওখানে গানের ব্যাপার-ট্যাপার কিছু আছে। গানের কোনও স্কুলে নয়তো? ভাল করে মনে করবার চেষ্টা করতে গিয়ে তনুর মনে হল, রিনি যেন বলেছিল মাধুর দিদির গানের স্কুলে একবার যাবে, সেখানে তাকে বার বার করে ডেকেছে। জায়গাটা এমন কিছু দুরে নয়।

    তনুর হঠাৎ মনে হল, যে যদি রিনিকে খুঁজতে যায়, রিনি একেবারে আকাশ থেকে পড়বে। সাংঘাতিক সারপ্রাইজ হবে।

    পকেটে অন্যমনস্কভাবে হাত দিয়ে দেখল তনু, তারপর বড় রাস্তায় নেমে হাঁটতে লাগল। ট্রামবাস গাড়ি-ঘোড়া দেখতে দেখতে অনেকটা এগিয়ে আচমকা একটা বাসে উঠে পড়ল। বাসটায় ভিড় কিছু কম। তনু বসতে পারল না, দাঁড়িয়ে থাকল। টলেমলে লোহার হ্যাঁন্ডেল ধরে অনেকটা চলে যাবার পর তনু বসতে পারল, বাস ফাঁকা হয়ে এসেছে। কণ্ডাক্টর এসে টিকিট চাইল। তনু কিছু বলার আগেই সে একটা টিকিট দিয়ে চেঁচিয়ে চেঁচিয়ে কী বলল। বাসটা একটা বাঁক ঘুরে যাচ্ছে। আশেপাশে বাড়ি ঘরদোর আর ঠিক কলকাতার মতন নয়, কাঁচা বাড়ি, মাঠ, জলজমা ডোবা, কাঠগোলা চোখে পড়তে তনুও নেমে পড়ল। বাস ফাঁকা হয়ে গেল।

    রাস্তায় নেমে পড়ে তনু তার মাথার মধ্যে কেমন যেন অস্বস্তি অনুভব করল। রোদ প্রচণ্ড। সামনে তাকানো যায় না। জলতেষ্টা পাচ্ছিল তনুর। আশেপাশে তাকিয়ে বাঁ দিকে সে ঘর বাড়ি রাস্তা দেখতে পেয়ে হেঁটে এগিয়ে গেল। মাধুদের বাড়ি কি এদিকে? একটা বাড়ি তার দেখা দেখা মনে হল, হলুদ মতন। দোতলা। মাধুদের বাড়ি যেতে দেখেছিল।

    রিনি এখানে কোথাও আছে। গানের স্কুলে।

    তনুর চোখ জ্বালা করতে লাগল। জল এল বার কয়েক। চশমা খুলে হাত দিয়ে চোখটা মুছল। আকাশের দিকে তাকাবার সাহস হল না, রোদের তাত আর এই ভীষণ উজ্জ্বল আলো থেকেই বোঝা যায়, আকাশটা লাল হয়ে আছে, গনগন করছে।

    .

    অনেকটা হেঁটে এল তনু। রোদে তার কষ্ট হচ্ছে। চোখে খুব স্পষ্ট করে দেখতে অসুবিধে হচ্ছে। একটা বাড়ির গায়ে সেলাই শেখার স্কুলের বোর্ড ঝুলছে লাল মতন। পাড়াটা খুব চুপচাপ। লোকজন তেমন নেই। দোকানপত্র ভাল করেও যেন খোলা নয়।

    রিনি এখানে ঠিক কোথায়, কোন বাড়িতে, কোন গানের স্কুলে, খোঁজবার জন্য তনু দাঁড়াচ্ছে, বাড়ি দেখছে, আবার হাঁটছে। তার চোখ বারবার জলে ভরে আসছিল। মাথার ওপর জৈষ্ঠ্যের রোদ দাউদাউ করে জ্বলছে। বাতাস নেই। অসম্ভব গরম। তনু ঘামছিল, মাথার মধ্যে যন্ত্রণা হচ্ছে, চোখের পাতা খুলে রাখতে বেশ কষ্ট হচ্ছিল তার। তবু তনু মাঝে মাঝে কপালের ওপর হাত রেখে চোখ আড়াল করে সেই বাড়িটা খুঁজছিল–যেখানে রিনি আছে। রিনি।

    তনু লক্ষ করেনি যে, সে এখানে ঢোকার পর খানিকটা আসতেই একটা চুলকাটা সেলুন থেকে একজন তাকে লক্ষ করেছিল প্রথমে। খুব ভাল করে তাকে নজর করতে হয়নি। সিগারেটের টুকরোটা ফেলে দিয়ে সে দোকানের ভেতর তাকিয়ে অন্য একজনকে চোখের ইশারা করল।

    পরশু এ-পাড়ায় জোড়া খুন হয়েছিল। কাল পুরোপুরি বনধ গিয়েছে। আজও থমথমে ভাব। দোকানপত্র সামান্যই খুলেছে। খুলে আবার টাটা রোদে এতটা বেলায় ঝাঁপ ফেলে দিয়েছে। পাড়াটা খুব থমকে আছে। পরশু, কাল দু-দিন খেপে খেপে বোমা পড়েছে, পুলিশের গাড়ি এসেছে, বিশ-পঁচিশ জন এখনও হাজতে।

    তনু একটা ঘুঘুর ডাক শুনতে পেল, ঘুঘু ডাকছে। নারকোল গাছের মাথার ওপর দিয়ে জ্বলন্ত আকাশটা ছড়ানো রয়েছে। কোথায় যেন কে শিস দিল। এপাশ ওপাশ শিস বাজাল। শিসের শব্দটা তনু খেয়াল করল না।

    সেলুনের দোকান থেকে একজন বেরিয়ে হন হন করে এগিয়ে একটা ঝাঁপফেলা চায়ের দোকানের পাশ দিয়ে ভেতরে ঢুকে পড়ল। সঙ্গে সঙ্গে কসাইখানার দোকানের গায়ে যে-ছেলেটা বেঁকে ঘাড় কাত করে দাঁড়িয়ে ছিল সে ডান হাতটা তুলল, আবার নামাল।

    তনু কোনও কিছুই লক্ষ করল না। তার চোখ, ভুরু, কপাল জুড়ে অসহ্য এক যন্ত্রণা শুরু হয়েছে। যদিও হাতের কাছে আয়না নেই, কিন্তু তনু বুঝতে পারছে, তার চোখে জল আসছে, দৃষ্টি ঝাপসা হয়ে আসছে। রিনি তাকে ওই অবস্থায় দেখলে অবাক হবে।

    কসাইখানার টিনের পাললার মধ্যে থেকে ছেলেটা হাত বের করে নিল। তার গায়ে ঘন নীল রঙের একটা কলার-তোলা গেঞ্জি, প্রায় কালো দেখায়। পায়ে মোটা চামড়ার চটি, মাথার চুল ঝাঁকড়া, রুক্ষ। ছেলেটা তার ডান হাতের মুঠো শক্ত করল।

    পকেটে হাত দিল তনু, তার সঙ্গে রুমাল নেই। রুমাল থাকলে মুখের গলার ঘাড়ের ঘামটা মোছা যেত। ঘামে ভেজা রুমালটা চোখে চাপা দিলে খানিকটা আরাম পাওয়া যেত। ঘুঘু তো নয়, কোথাও কোনও ছায়ায় বসে কোকিল ডাকছে একটা। রিনি, রিনি যে কোথায়? জামার হাতায় কপাল মুছল তনু। সরু নোংরা গলির মধ্যে থেকে ছিপছিপে চেহারার পাজামা পরা হাতকাটা গেঞ্জি গায়ে দুটো ছেলে উঁকি দিল। দেখল, সব তৈরি। সেলুনের কাছ থেকে, চায়ের দোকানের খিড়কি দিয়ে, কসাইখানার পাশ থেকে ওরা সকলেই আস্তে আস্তে এগিয়ে আসছে। হিমুদের মাঠের পানাপুকুরের কাছে একেবারে খালি গায়ে, খাটো কালো প্যান্ট পরে লম্বা তামাটে চেহারার বুলবুল দাঁড়িয়ে। বুলবুল এমনভাবে হাত ঝুলিয়ে দাঁড়িয়ে যেন একটা ছাগল তাড়া খেয়ে তার কাছে আসবে, এলেই সে অক্লেশে তাকে ধরে ফেলবে।

    তনু এখন আর কিছুই দেখতে পাচ্ছিল না। তার চোখে অনবরত জল এসে এসে মণি দুটোর গায়ে পরদা পড়ে গেছে যেন, নাকের পাশ দিয়ে জলটা গড়িয়ে পড়লে খুব গরম লাগছে! যন্ত্রণা এত বেশি যে তনু দু-চোখ গুটিয়ে পাতা বুজে ফেলেছে। তার মাথায় কিছু আর আসছিল না। সমস্ত যেন মাখামাখি হয়ে গেছে চোখ আর মনের মধ্যে, সে কিছুই ভাবতে পারছে না, দেখতে পাচ্ছে না। মাথার ওপর আগুন, পায়ের তলায় হলকা, আশেপাশে ভয়ঙ্কর রোদটা শান দেওয়া অসংখ্য ছুরির মতন ঝকঝক করছে।

    তনুকে দাঁড়াতে হল। দাঁড়াবার পর তার মনে হল ওর আশেপাশে কারা আছে।

    কোথাথেকে আসা হচ্ছে? একজন কে জিজ্ঞেস করল।

    তনু চুপ। সে দেখবার চেষ্টা করল তার মুখের সামনে কে রয়েছে। দেখতে পেল না।

    তনুর সাজ পোশাক খুঁটিয়ে দেখতে দেখতে পরিষ্কার গলায় আর-একজন বলল, কোথাকার কাট রে?

    মুখ ফেরাবার চেষ্টা করল না তনু, হাত উঁচিয়ে চশমাটা খুলে চোখের জল মুছে একবার তাকাবার চেষ্টা করতে গেল। কিন্তু সে হাত ওঠাতে পারল না। তার হাত কে চেপে ধরে ফেলেছে।

    তনুর জামার পকেটে একজন হাত ঢুকিয়ে দিল। বুক পকেটে। তারপর পাশ পকেটে।

    তিনটে টিকিট। দুটো স্টেট বাসের একটা প্রাইভেট বাসের। আর একজন বলল।

    তনু মনে করতে পারল না। স্টেট বাসের টিকিট দুটো রিনি তার হাতে গুঁজে দিয়েছিল একদিন, মেঘলা দুপুরে তারা যখন দোতলা বাসে চেপে ইউনিভারসিটি দেখতে যাচ্ছিল। টিকিট দুটো দিয়ে রিনি বলেছিল, রেখে দিয়ে, তোমার কলকাতা বেড়াবার স্মৃতিচিহ্ন।

    প্রাইভেট বাসের টিকিট দেখ তো রতন।

    শালার চোখ কী লাল কী রে শুয়োরের বাচ্চা চেপে আছিস কেন?

    তনু বুঝল তাকে কেউ প্রচণ্ড জোরে লাথি মেরেছে। সে আবার চোখ খোেলবার, ভাববার চেষ্টা করল। চোখের জন্যে তার ভাবনাও এমন হয়ে গেছে যেন খোলা আয়নার ওপর প্রখর রোদ ঝলসে যাচ্ছে, কিছু দেখা যাচ্ছে না। তার কপাল, গলা, ঘাড় থেকে ঘাম গড়িয়ে বুক-পিঠ ঠাণ্ডা করে দিয়েছে।

    একটা রিকশার আওয়াজ এলো। বেশ জোরেই আসছে। বিশ্রী শব্দ হচ্ছিল।

    সঙ্গে সঙ্গে তনু অনুভব করল তার হাতের ওপর আর চাপ নেই। কারা যেন ছুটে পালাচ্ছে, পায়ের শব্দ। পায়ের শব্দ চাপা পড়ে গেল গাড়ির শব্দে। তনু রাস্তার মধ্যে অন্ধর মতন দাঁড়িয়ে। দু-চোখ দিয়ে অবিরত জল গড়িয়ে পড়ছে।

    .

    পুলিশের ওয়ারলেস ভ্যানে তনুকে তুলে নিয়ে ফিরতে ফিরতে কম বয়েসি এক অফিসার জিজ্ঞেস করল, কোথায় থাকা হয়।

    তনু প্রথমে কিছু বলতে পারল না। পরে বলল, আমি কলকাতায় নিউ কামার।

    সে তো বুঝতেই পারছি। কোথা থেকে আসা হয়েছে।

    এখতিয়ারপুর। মধ্যপ্রদেশ।

    এম পি থেকে? সেখান থেকে এখানে কেন? মরবার জন্যে?

    আমি বাবার সঙ্গে কলকাতায় চোখ দেখাতে এসেছিলাম।

    যেখানে গিয়েছিলে সেটা চোখ দেখাবার জায়গা? ইডিয়েট কোথাকার!

    তনু চুপ করে থাকল। তার চোখ দিয়ে তখনও জল পড়ছে, যন্ত্রণা হচ্ছে।

    তুমি ওখানে কোথায় গিয়েছিল? ।

    তনু চুপ। তার ঠোঁট কাঁপছে, ফুলে উঠেছে, মুচড়ে যাচ্ছে। গালের মাংস দুমড়ে যাচ্ছিল।

    ওরা তোমায় লিঞ্চ করত, বুঝলে? তোমার মতন গাধা, মুর্থ ইডিয়েট আমি দেখিনি। নিজের লাইফটাও বাঁচাতে শেখোনি?

    তনুর গলা দিয়ে শব্দ বেরুচ্ছিল না। তার যে কী তৃষ্ণা পেয়েছে।

    তুমি কোন সাহসে ওখানে ঢুকেছিলে? কোথায় গিয়েছিলে?

    তনু কোনও রকমে বলল, একজনকে খুঁজতে।

    একজনকে! কাকে? ।

    তনু কিছু বলতে পারল না। তার ঠোঁট, ফুলে কাঁপতে লাগল।

    .

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleসরস গল্প – বিমল কর
    Next Article কিকিরা সমগ্র ১ – বিমল কর

    Related Articles

    বিমল কর

    কাপালিকরা এখনও আছে – বিমল কর

    October 30, 2025
    বিমল কর

    রাজবাড়ির ছোরা – বিমল কর

    October 30, 2025
    বিমল কর

    ঘোড়া সাহেবের কুঠি – বিমল কর

    October 30, 2025
    বিমল কর

    সেই অদৃশ্য লোকটি – বিমল কর

    October 30, 2025
    বিমল কর

    শুদ্ধানন্দ প্রেতসিদ্ধ ও কিকিরা – বিমল কর

    October 30, 2025
    বিমল কর

    কিকিরা সমগ্র ১ – বিমল কর

    October 30, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }