Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    একা একা – বিমল কর

    বিমল কর এক পাতা গল্প144 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    একা একা – ৩

    ০৩.

    রিনির চুল বাঁধা শেষ হয়ে এসেছিল; লম্বা বিনুনিটা বুকের ওপর টেনে নিয়ে সাদা রিবনের ফাঁস জড়াতে জড়াতে বারান্দায় এসেছিল, বেসিনে গিয়ে হাতটা একটু ধুয়ে নেবে, হেয়ার ক্রিমে হাত চটচট করছে। আচমকা ভেতর থেকে হাসি শুনল। বারান্দায় হাসবার মতন কেউ নেই। সরলাদি রান্নাঘরের দিকে কী একটা কাজ করছে, নারান নীচে। বেসিনের কাছে দাঁড়িয়ে রিনি হাসির শব্দটা কান পেতে শুনল। মার ঘনশ্যাম হাসছে। তার ঘরে বসে বসে হাসছে। হেসে যেন গড়িয়ে পড়ছে। রিনির মাথায় এল না, নেহাত পাগল ছাড়া একলা ঘরে বসে কে আর হাসতে পারে! ছেলেটার মাথাও খারাপ নাকি?

    হাত ধুয়ে, রিনি তনুর ঘরে গিয়ে দাঁড়াল। তনু জানলার কাছে দাঁড়িয়ে। রাস্তা দেখছে। কিংবা চিলড্রেন পার্কে বাচ্চাকাচ্চাদের খেলাধুলো দেখছে হয়তো। রাস্তায় কিছু দেখে তনুর হাসি পেয়েছে নিশ্চয়।

    রিনি সাড়া দিল।

    তনু ফিরে তাকাল। এখন আর তার চোখে সেই দিনের বেলার চশমা নেই। রঙিন, চোখ-ঢাকা চশমার বদলে তার চোখে পুরু কাচের সাধারণ চশমা। তনুর চোখ দেখা যাচ্ছিল।

    রিনি এমন চোখ করে তাকিয়ে থাকল, যেন জিজ্ঞেস করছিল, ব্যাপার কী? এত হাসির কী হয়েছে?

    তনু নিজের থেকেই বলল, কলকাতায় বহুত মজা আছে।

    এবার রিনির নিজেরই হাসি পেল: শ্যামের কথাতেও মজা কম নয়। রিনি ভুরু তুলে যেন তনুশ্যামের মাথার মাপটা, কিংবা মগজের পরিমাপটা অনুমান করতে করতে বলল, মজাটা হল কোথায়? সে মজার স্থান কাল-পাত্র জানতে চাইছিল।

    তনু জানলা দিয়ে বাইরের দিকটা দেখাল।

    রিনি এগিয়ে গিয়ে বাইরে তাকাতে তেমন কিছু দেখতে পেল না। হঠাৎ সে পাখি-ডাকের শব্দ শুনল, তীব্র ডাক। রিনি যেন সঙ্গে সঙ্গে ব্যাপারটা বুঝতে পারল। চিলড্রেন্স পার্কের গেটের সামনে একটা আধ-পাগলা ছেলে মাঝে মাঝে এসে বসে; মুখের সামনে মুঠো পাকিয়ে নানা ধরনের পশুপাখির ডাক ডাকে, রাজ্যের বাচ্চাকাচ্চা তাকে ঘিরে জটলা পাকায়, কেউ বলে, ঘুঘু ডাকো, কেউ বলে, কোকিল ডাকো। ঘুঘু, কোকিল, টিয়া, ময়না, কুকুর, বেড়াল, শেয়াল ডাকতে ডাকতে ছেলেটার দম ফুরিয়ে গেলে সে চুপ করে বসে বসে বিড়ি খায়। বাচ্চাগুলোও অদ্ভুত। তাদের যার যা থাকে, চিনেবাদাম, ডালমুট, চুইং গাম, লেবু লজেন্স–ছেলেটাকে উদার হাতে বিতরণ করে দেয়। দু-চারজন যে জ্বালাতন না করে তাও নয়, তবে সেটা তেমন কিছু না। ওই পাগলা ছেলেটা নাকি শীতকালে সার্কাসের দলে কাজ করেছে।

    রিনি বুঝতে পারল, সেই পাগলা ছেলেটার চারপাশে বাচ্চাকাচ্চার ভিড় আর ছেলেটার বিচিত্র সব ডাক শুনে তনুর হাসি পেয়েছে। এতে হাসির যে কী আছে রিনি বুঝল না।

    রিনি বলল, ও আধ-পাগলা। জীবজন্তুর ডাক ডাকে।

    তনু বলল, পাগলরা খুব ট্যালেন্টেড হয়।

    রিনি প্রথমে অবাক হল, তারপর আড়চোখে তনুর দিকে তাকিয়ে থাকল। তার হাসি পাচ্ছিল, কিন্তু হেসে ফেললে তনুকে খোঁচা মেরে ঠাট্টা করা যাবে না বলে হাসিটা চেপে কী বলবে কী বলবে ভাবছিল।

    তনু নিজেই বলল, আমাদের ওখানে একটা পাগলা আছে, ফার্স্ট ক্লাস ডিজাইনার।

    ডিজাইনার? কী ডিজাইন করে?

    সব। তনু কথার শেষে বেশ একটা জোর দিল শব্দে, রিনিরা ঠিক এভাবে সব বলে না। আমাদের কলেজে আগে মালী ছিল বানোয়ারি; এখন পাগলা হয়ে গেছে। গার্ডেনের ডিজাইন করে, গেট ডিজাইন করে, প্যাণ্ডেল বানাতে পারে, দেওয়ালিতে দীপ সাজায়…ভেরি ট্যালেন্টেড।

    রিনি চোখ বাঁকা করে খোঁচা মেরে বলল, তোমার ডিজাইনও ও করেছে?

    তনু কেমন থমকে গেল। তারপর হেসে ফেলল। হাসতে হাসতে বলল, এ ম্যান ইজ ডিজাইনড অ্যান্ড ডেস্টিনড বাই গড।

    রিনি আর হাসতে পারল না। তার অমন ঠাট্টাটা মাঠে মারা যাওয়ায় যেন বিশ্রী লাগছিল।

    তনুর সঙ্গে রিনির আলাপ-সালাপ হয়ে গিয়েছে আগেই, নীহার যেমন ওপরে গিয়েছিলেন শরদিন্দুর জিনিসপত্র গুছিয়ে ঘরদোর পরিষ্কার ফাঁকা করে দিতে তেমন মেয়েকে ভার দিয়েছিলেন তনুর জিনিসপত্র গুছিয়ে ঘরটাকে পরিষ্কার করার। অবশ্য নিজেই তিনি মেয়েকে দিয়ে খানিকটা খানিকটা গুছিয়ে দিয়েছিলেন, বাকিটা রিনি সেরে ফেলেছে। তনুর ঘরে লটবহর কমই জমা ছিল।

    তনু আর রিনির মধ্যে আলাপটা তখনই ঘটে যায়। তারপর চায়ের সময় রিনি নিজের হাতে চা ঢেলে তনুকে নিয়েছে, দুজনে এক সঙ্গে বসে বসে চা খেয়েছে, গল্প করেছে।

    রিনি তনুর চোখের দিকে তাকাল। চা খাবার সময়ই তনু চশমা বদল করে ফেলেছিল; রোদের আলোর ঝাঁঝ কমে গেলে রঙিন চশমাটা পরার কিংবা চোখ ঢেকে রাখার দরকার তার হয় না। তনুর চোখের চারপাশ তার গায়ের রঙের চেয়ে ফরসা। চোখ আড়াল রেখে রেখে এরকম হয়েছে। চামড়াটা পাতলা দেখায় চোখের পাশে, কেমন দুর্বল, বড় বড় চোখ করে সমস্ত পাতা মেলে তনু তাকাতে পারে না, চোখ ছোট করে তাকায়। রিনি লক্ষ করেছে তনুর চোখের পাতা যেন অনেকটা আধবোজা হয়ে থাকে, পলক পড়ে তাড়াতাড়ি। চোখের মণি খানিকটা কটা রঙের। আশ্চর্য লাগে কিন্তু চোখ দুটির দিকে তাকালে-কেমন যেন নরম, সরল, নিরীহ, সকৌতুক। পুরু কাচের চশমার আড়াল থেকেও ওর বিস্ময়, হর্ষ, ছেলেমানুষি স্পষ্ট ধরা পড়ে।

    রিনি তনুর চোখ দেখতে দেখতে এবার বলল, বিদ্যের জাহাজ!

    জাহাজ?

    যা বড় বড় কথা শুনছি।

    বড় কথা কেন! বইয়ে এমন কথা পড়তে হয়। কোথাও পড়েছি

    থাক, আর শিক্ষা দিতে হবে না। রিনি মজার ভঙ্গি করে হাত নেড়ে বলল, পড়াশোনার কথা শুনলে, আমার জ্বর হয়।

    মগর, তুমি কলেজে পড়।

    আমি কলেজে যাই বেড়াতে, হুল্লোড় করতে, ফুচকা খেতে।

    তনু ছেলেমানুষের মতন কৌতুক বোধ করে হাসছিল। তোমাদের কলেজ কোথায়?

    রিনি ঠাট্টা করে বলল, কমনরুমে, গড়িয়াহাটার মোড়ে, চায়ের দোকানে…

    তনু কিছু বুঝল, কিছু বুঝল না। হাসতে লাগল।

    কী ভেবে রিনি হঠাৎ সদয় হল, বলল, আমাদের কলেজটা কোথায় তুমি বুঝবে না। কলকাতার কী চেন তুমি? এখান থেকে কলেজ খানিকটা দূরে।

    তনু বলল, আমাদের কলেজ আর কোয়ার্টার্স পাশাপাশি। আমাদের কলেজের কম্পাউন্ড খুব বড়। পাশেই প্রফেসরদের কোয়ার্টার্স।

    বুঝতে পারছি, রিনি এবার বিনুনিটা হাতের ঝাঁপটায় পিঠের দিকে ঠেলে দিল, ঘাড় নাড়ল। সামান্য, ঠাট্টা করে বললে, নয়তো গায়ে অত বিদ্যের গন্ধ থাকত না।

    তনু হাসিমুখে রিনিকে দেখছিল; কোনও কথা বলল না।

    রিনি ঘরের মধ্যে দাঁড়িয়েই বুঝতে পারছিল, বিকেল শেষ হয়ে যাচ্ছে, বাইরে আর রোদ-টোদ নেই; ছায়া জমেছে। রাস্তায় বোধহয় বাতি জ্বলে ওঠার সময় হয়ে গেল।

    কী মনে করে রিনি বলল, আমি একটু বাইরে যাব। যাবে?

    সঙ্গে সঙ্গে তনু মাথা নেড়ে সায় দিল। রিনি বলল, ঠিক আছে; যাবার সময় ডাকব।

    রিনি ঘর ছেড়ে চলে এল। নিজের ঘরে আসতে আসতে রিনির হাসি পাচ্ছিল। মার শ্যাম বা শ্যামচাঁদ বেশ ক্যাবলা; হাঁদা টাইপের।

    এমন বোকা, গণেশ মার্কা ছেলে, বাবা আর দেখা যায় না। কলকাতার ছেলেদের পাশে একেবারে অচল, গেঁয়ো। তনুকে যদি একবার রিনিদের কলেজের কমনরুমে নিয়ে যাওয়া যায়–মেয়েরা ওকে ঠুকরে ঠুকরেই শেষ করে দেবে। হেনা তো প্রথমেই বলবে, কোথাকার ডেসপ্যাঁচ রে রিনি, অ্যাস আইল্যান্ড থেকে? হেনাটা যেমন ফাজিল, তেমনই চতুর। মেয়েদেরই যা পেছনে লাগে, কাঁদিয়ে ছাড়ে, তা ছেলে! হেনা অদ্ভুত অদ্ভুত কথা তৈরি করে। তার মতন ঠোঁট কাটা মেয়েও বাবা দুটি নেই।

    রিনি তাড়াতাড়ি শাড়ি জামাটা বদলে নিতে লাগল। তাকে একবার দোকানে যেতে হবে। মনিহারি দোকানে। কয়েকটা জিনিস আনতে হবে। মা বলেছে। রিনিরও দু একটা জিনিস রয়েছে নিজের। কটা ক্লিপ দরকার, এক ডজন জামার হুক, গরমে ঘাড়ের কাছে ঘামাচি হচ্ছে, বোরেটেড পাউডার নিতে হবে। রিনি একটা ফোন করবে মাধুকে।

    শরদিন্দুমামার ছেলেটি বোকাসোকা, হাঁদা যাই হোক এমনিতে কিন্তু বেশ। খুব সরল। রিনির সঙ্গে ভাব হবার পর গড়গড় করে নিজের কথা বলে গেল। তার চোখ ছেলেবেলা থেকেই খারাপ। স্বাস্থ্যও ছিল রোগা। আগে মাথা ধরত খুব, তারপর দূরের জিনিস দেখতে পেত না। আট ন বছর বয়স থেকেই চশমা উঠেছে চোখে। চশমার পাওয়ার বছর বছর এত বেড়ে চলল, সেই সঙ্গে আরও নানা উপসর্গ এমন হয়ে দেখা দিল যে তনুকে হরদম চোখের ডাক্তারের কাছে ছুটতে হত। তার শরীর স্বাস্থ্য নিয়ে মামাও ব্যস্ত হয়ে উঠলেন। সাধারণ স্বাস্থ্যের জন্যে অনেক ওষুধপত্র খেয়েছে তনু; তাতে শরীরে উপকার হলেও চোখের কিছু হয়নি। এক এক ডাক্তার এক এক রকম বলে, চিকিৎসা করে, শেষে চোখ দুটোর যায়-যায় অবস্থা। বাবার সঙ্গে তনু নানা জায়গায় চিকিৎসা করাতে গেছে। কিছু উপকার হয়নি। এক সময় তনুর এমন হয়েছিল যে, বই পর্যন্ত ছোঁয়া বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। চুপচাপ বাড়িতে বসে থাকতে হত। তারপর একজন ডাক্তার সন্দেহ করলেন, উলটোপালটা চিকিৎসার জন্যে চোখ অন্ধ হয়ে যেতে বসেছে। পুরনো সব চিকিৎসা বন্ধ করতে হবে। করে দেখতে হবে চোখ আবার কতটা স্বাভাবিক হয়। তিনি কয়েকটা সাধারণ স্বাস্থ্যের ওষুধ দিলেন, আর চোখের কয়েকটা একসারসাইজ শিখিয়ে দিলেন। তাতে সত্যিই খানিকটা উন্নতি হল। লেখাপড়া ছেড়ে দিতে হয়েছিল তনুকে; আবার সে কলেজ যাতায়াত, পড়াশোনা শুরু করল। কিন্তু তার চোখের ব্যাধিটা যাচ্ছে না, নানারকম কষ্ট হয়, উপসর্গ দেখা দেয়। চোখের দৃষ্টিশক্তি আরও ক্ষীণ হয়ে আসছে। চশমার পাওয়ার বাড়িয়ে আর কতকাল চলবে! বাবা তাই কলকাতায় নিয়ে এসেছেন বড় ডাক্তার-টাক্তার দেখিয়ে চিকিৎসা করাবেন।

    রিনি আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে মুখে আলতো করে পাউডার বুলিয়ে গায়ের কাপড়টা ঠিক করে নিল। সে এমন কোথাও যাচ্ছে না, যাবে পাড়ার দোকানে, সাজসজ্জায় ঘটা করল না। এমনিতেও সে সাজগোজের ঘটা বড় একটা করে না। তার ভাল লাগে না তেমন। রিনি ঘরের বাইরে এসে তেতলার সিঁড়ি দিয়ে তরতর করে ওপরে উঠে গেল, মার কাছে। কথা বলে নীচে নেমে এসে আবার মার ঘরে গেল, টাকা পয়সা নিয়ে বাইরে আসতে আসতে ডাকল তনুকে। নিজের ঘরে গিয়ে ব্যাগটা হাতে ঝুলিয়ে দোলাতে দোলাতে বাইরে এসে দেখে তনু বারান্দায় এসে দাঁড়িয়েছে।

    সিঁড়ি দিয়ে নীচে নামতে নামতে রিনি হেসে বলল, মা বলল, তোমায় সব সময় চোখে চোখে রাখতে, হাত ধরে নিয়ে যেতে। রিনি একটু বাড়িয়ে বলল অবশ্য।

    তনু বলল, কেন?

    কলকাতার রাস্তা, গাড়িঘোড়ার ভিড়, কে জানে কোন বিপদ বাধিয়ে বসো৷

    কথাটা তনু হালকাভাবেই নিল, বলল, না না, আমি ঠিক আছি।

    নীচে নার্সারি স্কুলের ঘরগুলো বন্ধ। সিঁড়িতে আলো জ্বালিয়ে দিয়েছে রিনি৷ নার্সারির পাশে এক চিলতে জমি, একটা দোলনা ঝোলানো রয়েছে। দশ পনেরো পা হেঁটে এসে ছোট কাঠের গেট। তারপর রাস্তা।

    রাস্তায় এসে রিনি বলল, আমাদের পাড়াটা কিন্তু এখনও অন্য জায়গার চেয়ে ফাঁকা। খুব হইচই নেই। ফুটপাথ ধরে রিনি হাঁটতে লাগল।

    তনু পাশে পাশে হাঁটছিল। বলল, এখানকার বাড়িগুলো খুব ডিসেন্ট। কত উঁচু-উঁচু। আমাদের শহরে ওল্ড টাউনে বিলকুল পুরনো বাড়ি। নিউ টাউনে বিশ-পঁচিশটা ভাল বাড়ি হয়েছে। আমরা থাকি টাউনের ওয়েস্ট সাইডে কলেজ এরিয়ায়। আমাদের দিকটা লোনলি।

    রিনি শুধোল, খুব ফাঁকা?

    বহুত ফাঁকা। পিচ রোড। দুপাশে গাছ। একটা পুরনো চার্চ আছে। চার্চটার খুব বিউটি। পাহাড়ের মতন উঁচু জমিতে চার্চ, চারদিকে গাছ, নীচে চার্চের তলায় ক্রিসমাসে ফিয়েস্টা হয়। …

    ফিয়েস্টা?

    মেলা, তনু রিনির দিকে তাকাল, কোনও সেন্টস ডে সেলিব্রেট করাকে ফিয়েস্টা বলে। খুব আমোদ আহ্লাদ নাচগান করে ফিয়েস্টা হত। স্পেন-টেনে এখনও হয়। আরও অনেক জায়গায় হয়। ওটা একরকম ফেস্টিভ্যাল। আমাদের ওখানে মেলার মতন হয়, বহুত লোক আসে।

    রিনি ঘাড় ঘুরিয়ে বলল, তোমাদের ক্রিশ্চান কলেজ তো?

    হ্যাঁ; ওদিকে অনেক জায়গায় মিশনারি স্কুল কলেজ আছে। আমাদেরটা মেথডিস্ট চার্চের হাতে। ছোট কলেজ, মেনলি রেসিডেনসিয়াল।

    রিনি আর কিছু বলল না। রাস্তায় মানুষজন কম নয়, সন্ধে হয়ে এল, বাতি-টাতি জ্বলে উঠেছে চারপাশে। আজ গরমটা মাঝামাঝি, তবু পিচের রাস্তার একটা ভাপ যেন অনুভব করা যাচ্ছে এখনও। বাতাসে ধুলোর গন্ধ। শুকনো বকুল গাছটার তলায় ফুটপাথ ঘেঁষে একজোড়া ট্যাক্সি দাঁড়িয়ে আছে। সেজেগুজে মেয়েরা এসে উঠছে, বিয়ে বাড়ি-টাড়িতে যাবে হয়ত।

    তনুকে মোটামুটি নজরে রেখে রিনি ফুটপাথ ধরে হাঁটছিল। তনু অন্ধ নয়, তবু অন্ধেরই মতন। একেই তো হাঁদার মতন হাঁটছে, তার চোখ যে কোনদিকে তা খেয়াল করতে পারছে না রিনি। তনু রাস্তাঘাট, আলল, দোকান, বাড়ি, মানুষ কখন যে কোনটা দেখছে, দেখতে দেখতে দাঁড়িয়ে পড়ছে, এর তার গায়ে গিয়ে পড়ে সামলে নিচ্ছে–রিনি বুঝে উঠতে পারছিল না। দু-চারবার রিনিকে ডাকতে হল, সাবধান করতে হল। এরকম মানুষ নিয়ে পথ হাঁটা মুশকিল। তাও তো এই রাস্তায় বাস-টাস চলে না, নয়তো রিনিকে সত্যিসত্যিই তনুর হাত ধরে নিয়ে হাঁটতে হত।

    তনু আর একটু হলেই খোঁড়া রাস্তার গর্তে পা ফেলত। রিনি বাঁচিয়ে দিল। তারপর ধমকের গলায় বলল, রাস্তা দেখে হাঁটো। এ তোমার এতোয়ারপুর নয়।

    তনু রাস্তা দেখে হাঁটতে লাগল।

    এখানটায় জাদা ভিড়।

    ভিড় হবে না! সন্ধেবেলায় লোকে বাইরে বেরিয়েছে, মানুষজন অফিস-টফিস থেকে ফিরছে, এখন তো ভিড় হবেই।

    সামনেই রিনিদের মনিহারি দোকান। রিনি দোকানের দিকে এগুল না। তনুকে ট্রামরাস্তা পর্যন্ত নিয়ে যাবে বেড়াতে, তারপর ফিরবে। সোজা হাঁটতে লাগল রিনি। রাস্তায় নানা ধরনের জটলা। মোড়ের মাথায় এলে একেবারে দাঁড়িয়ে পড়ছে সে তনুকে নিয়ে, তারপর দুপাশ ভাল করে দেখে রাস্তা পেরোচ্ছে।

    একটা আইসক্রিমের দোকান হয়েছে নতুন, সেখানে মেয়েদের খুব ভিড়। যত রাজ্যের পাড়ার মেয়ে বউ ভিড় করে আইসক্রিম খায়। তনুকে কলকাতার একটা আইসক্রিম খাওয়াতে ইচ্ছে হল রিনির। নিজেরও লোভ রয়েছে। কিন্তু ওই মেয়েলি ভিড়ে তনুকে নিয়ে যেতে ইচ্ছে করল না। রিনি তফাত থেকেই চেনা মুখ দেখতে পাচ্ছিল। কেউ ডেকে ফেলতে পারে ভেবে রিনি অন্যমনস্কর ভান করে জায়গাটা পেরিয়ে গেল।

    ট্রামরাস্তার কাছাকাছি এসে রিনি সেই ছোঁড়াদের জটলাটাকে দেখতে পেল। চায়ের দোকানের সামনে এই জটলা রিনি তার বাচ্চা বয়স থেকেই দেখছে। কিছু কিছু মুখ অদল বদল হয়েছে এইমাত্র, নয়তো সেই একই ধরনের জটলা। এক দঙ্গল ছেলে নানা ভঙ্গিতে দাঁড়িয়ে, এ ওর গলাটলা জড়িয়ে সারাটা সন্ধে এখানে আড্ডা মারে। রিনি এদের কাউকে কাউকে চেনে, এই পাড়ারই ছেলে, ছেলেবেলায় এক সঙ্গে খেলাধুলোও করেছে। এখনও ওই ছেলেগুলোর বাড়িতে কোনও উৎসব অনুষ্ঠানে রিনিদের যেতে হয় সামাজিকতা রাখতে। রাস্তায় কিন্তু পরস্পরের মধ্যে ব্যবহারটা অচেনার মতন। রিনি ওদিকে খুব কমই তাকায় না তাকিয়েও বুঝতে পারে কারা কারা আছে। ওই দলের মধ্যে একজনকে শুধু পছন্দ করে রিনি, শঙ্করদা। লম্বা চওড়া চেহারা, বছরে তিনবার চুল কাটে, হপ্তায় বার দুই দাড়ি কামায়, গলার আওয়াজ গমগম করছে, রাস্তা কাঁপিয়ে হাসে। আজকাল আবার হাতে বালা পরে, হিপিদের মতন জামা-টামা গায়ে চাপায়। রিনিকে মাঝেমধ্যে ডাকে শঙ্করদা। তবে জটলার মধ্যে ঠিক নয় এই রিনি বলে ডেকে নিজেই বন্ধুদের ভিড় থেকে এগিয়ে আসে, কাছাকাছি এসে দু-চারটে কথা বলে, খবরাখবর নেয়, তারপর অক্লেশে পঁচিশটা পয়সা চেয়ে বসে। রিনি দিয়ে দেয়। আসলে পঁচিশটা পয়সা সেই মুহূর্তে সিগারেট কেনার জন্যে দরকার, বন্ধুদের চা সিগারেট খাইয়ে, কাউকে আবার ট্রামভাড়া বাসভাড়া দিয়ে শঙ্করদার পকেট ফাঁকা। আপাতত রিনির পঁচিশ পয়সায় কটা চারমিনার হবে। তারপর আবার কাউকে ধরবে রাস্তায়। চেনা অচেনা বড় একটা গ্রাহ্য করে না। দিব্যি আছে শঙ্করদা। বলে, বুঝলি রিনি, আমার হচ্ছে মডেস্ট লাইফ, এ মংক ইন মডার্ন সোসাইটি। রিনি ভেঙিয়ে বলে মংকস লাইফ না আর কিছু! তার সাহস হয় না যে বলবে, এ তোমার মাংকিস লাইফ।

    জটলাটাকে রিনি তফাতে রেখে চলে যেতে যেতে আড়চোখে একবার দেখে নিল। রিনি এবং তনুকে ওরা দেখছে। কে একজন আর-একজনকে হঠাৎ এমনভাবে তাড়া করলে যে তাড়া-খাওয়া ছোঁড়াটা ছুটে এসে প্রায় রিনিদের পাক খেয়ে আবার ফিরে গেল। এই রগড় বা ইতরামির অর্থ রিনি জানে। শঙ্করদা নিশ্চয় ওখানে নেই, থাকলে ওদের এই সাহস হত না।

    বিরক্ত বোধ করে রিনি একটু তাড়াতাড়ি হাঁটতে লাগল। সামান্য এগিয়েই যমুনার সঙ্গে দেখা। যমুনা মুখ নিচু করে একপাশ দিয়ে চলে যাচ্ছিল। হঠাৎ মুখ তুলতেই রিনির সঙ্গে চোখাচোখি হয়ে গেল। দুজনেই থমকে দাঁড়িয়ে পড়ল।

    কী রে? রিনি বলল।

    রিনি।

    কোথায় গিয়েছিলি?

    এই একটু কাজে– যমুনা বলল, তাকে কেমন চঞ্চল, বিব্রত দেখাচ্ছিল। রিনিকে এড়িয়ে যেতে পারলেই যেন বাঁচে।

    রিনি যমুনার এই বিব্রতভাব বুঝতে পারছিল না। অথচ ওটা এমনই যে চোখে না পড়ে যায় না। যমুনার সাজপোশাকটাও রিনির কাছে দৃষ্টিকটু লাগছিল। গলায় পাথরের মালা, হাতে একগাদা প্লাস্টিকের চুড়ি, চোখে বড় করে পেনসিল টেনেছে, মাথার চুলে ফোলানো খোঁপা। শাড়িটাও খুব বাহারে।

    যমুনার সঙ্গে দু-একটা কথা বলার ইচ্ছে থাকলেও তার হাবভাব দেখে রিনি কিছু বলতে পারছিল না।

    আমি যাই রে যমুনা পাশ কাটাবার জন্যে ব্যস্ত হল খুব। তারপর জবাবের জন্যে দাঁড়াল না, চলে গেল।

    রিনি বেশ অবাক হল। যমুনাকে দেড় মাসের মধ্যে আর দেখেনি রিনি। মিল্ক বুথে চাকরি করত যমুনা, ছেড়ে দিয়েছে। কলেজ তো অনেক আগেই ছেড়েছে। ওর বাড়িতে নানারকম গোলমাল যাচ্ছিল রিনি শুনেছে। কিন্তু যমুনাকে আজ যেরকম মনে হল, বাড়ির গোলমালের জন্যে সেরকম হবার কথা নয়।

    তনুকে ঘাড় ফিরিয়ে ডাকতে গিয়ে রিনি দেখে তনু নেই। আশেপাশে তাকিয়েও সে তনুকে দেখতে পেল না। আরে! দু পা পিছিয়ে গেল রিনি, ভাল করে দেখল, না, তনুকে দেখা যাচ্ছে না। এখানে এমন কিছু মানুষজনের ভিড় নেই যে, তনুকে দেখা যাবে না। কোথায় গেল তনু? কী আশ্চর্য। আচমকা কেমন এক উদ্বেগ বোধ করল রিনি। পেছনের দিকে না এগিয়ে রিনি তাড়াতাড়ি সামনের দিকে হাঁটতে লাগল। অদ্ভুত ছেলে তো! এরকম মাথা খারাপ ছেলে সে আর দেখেনি, বাবা। এই পেছনে পেছনে আসছিল, পলকের মধ্যে বেপাত্তা! গেল কোথায়? রিনি চারদিকে খুঁজতে খুঁজতে সামনে এগিয়ে চলল, যতদূর সম্ভব দ্রুত পায়ে। তনু যেভাবে রাস্তা হাঁটে তাতে ভরসা করা যায় না। সামনে ট্রামরাস্তা, ডবলডেকার বাস ছুটছে সবসময়, আরও হাজার রকম গাড়িঘোড়া। একটা বিপদ না বাধিয়ে বসে। বিপদের কথা মনে আসতেই রিনির বুক ধক করে উঠল। ট্রামরাস্তার দিকে তাড়াতাড়ি এগিয়ে গেল রিনি৷

    হঠাৎ রিনির নজরে পড়ল, বড় রাস্তার মোড়ে, আদ্যিকালের পাকুড়গাছটার তলায় দাঁড়িয়ে তনু খুব বিমুগ্ধচিত্তে কলকাতার সন্ধে দেখছে। ট্রামের আসাযাওয়া, তার চাকার শব্দ, ঘন্টি, ডবলডেকার বাসের আকাশ কাঁপানো গর্জন, প্রাইভেট বাসগুলোর গায়ে কন্ডাক্টরদের দামামা বাজাবার আওয়াজ, মানুষজন, রিকশা–সমস্ত যেন তনুকে সম্মোহিত করে ফেলেছে। ট্রামের মাথায় ফুলকি জ্বলে উঠল, আলো ঝলসে গেল, বাসের পেছনে কালো ধোঁয়া উড়ে রাস্তা অন্ধকার করে দিল, নীলচে রঙের টিউব আলোর বিজ্ঞাপনটা জ্বলে উঠেছে–তনু সবই কৌতূহলের সঙ্গে লক্ষ করছে।

    রিনি একেবারে তনুর গায়ের পাশে গিয়ে ডাকল, এই! ডাকবার সময় তার খেয়াল ছিল না যে, সে তনুকে বেশ একটু ঠেলা মেরে দিয়েছে।

    তনু তাকাল।

    রিনি খানিকটা ধমকের গলায় বলল, বাঃ, অদ্ভুত ছেলে তো! আমি দাঁড়িয়ে আছি, আর তুমি দিব্যি হন হন করে এগিয়ে এলে? আমি এক্কেবারে বোকা। এদিক খুঁজছি, ওদিকে খুঁজছি। আশ্চর্য।

    তনু বলল, আমি এইটুকু এগিয়ে এসে দাঁড়ালাম।

    এইটুকু? রিনি পাশ ফিরে তারা যেখানে দাঁড়িয়েছিল সেই দূরত্বটা হাতের ইশারায় দেখাল।

    তনু বলল, কতটুকু আর?

    রিনি ধমক দিল, কতটুকু আর! খুব মজা পেয়েছ। …একটা কিছু হলে তোমার নীহারপিসি আমার গলা কুপিয়ে দিত। খুব হয়েছে, আর বেড়িয়ে দরকার নেই। চলো।

    তনু হেসে বললে, আমি সামনের রাস্তা পেরোইনি। তোমার জন্যে দাঁড়িয়েছিলাম।

    রিনি তার অভিভাবকত্বর মর্যাদা রেখে বলল, বেশ করেছিলে, এখন ফিরে চলো।

    তনুকে নিয়ে রিনি আবার ফিরতে লাগল। তনু মাঝে মাঝে কথা বলছিল। রিনি জবাব দিচ্ছিল না। তেমন। তনুর কথার জবাব তার জানা ছিল না। যেমন, ট্রামের চাকা কতগুলো? ডিজেল ইঞ্জিনের এই ধোঁয়া শহরের বাতাস নষ্ট করছে কেমন করে ইত্যাদি ইত্যাদি।

    হাঁটতে হাঁটতে রিনি তাদের বাড়ির কাছাকাছি এসে মনিহারি দোকানটার সামনে থামল। তনুকে বলল, এখানে দাঁড়াও, কোথাও যাবে না; আমি জিনিসগুলো কিনে আনি।

    তনু দোকানের সামনে সিঁড়ির নীচে দাঁড়িয়ে থাকল।

    জিনিসপত্র কিনে রিনি কোথায় যেন আড়ালে চলে গেল ফোন করতে। ফোন সেরে রাস্তায় নেমে এল, হাতে ব্রাউন পেপারের প্যাকেট।

    তনু হাত বাড়াল, আমায় দাও।

    থাক।

    দাও, আমি নিচ্ছি।

    রিনি হঠাৎ তার ডান হাতের মুঠো তনুর হাতের ওপর আলগা করে দিল। তনু দেখল, রিনি তার হাতে পুরু একটা চকোলেট বার ফেলে দিয়েছে। হেসে ফেলল তনু। বলল, চকোলেট আমার খুব ফেভারিট। তুমি জানলে কী করে?

    ঘাড় বেঁকিয়ে রিনি বলল, হাত গুনে।

    তোমার শেয়ার নাও।

    তুমি খাও। তোমার এখনও টফি-চকোলেট খাবার বয়েস রয়েছে।

    তোমারও আছে।

    তনু হাত বাড়িয়ে রিনির জিনিসপত্রের প্যাকেটটা ততক্ষণে নিয়ে নিয়েছে। রিনির হাতে সামান্য কটা জিনিস।

    বাড়ির কাছাকাছি এসে রিনি বলল, পার্কে যাবে? না থাক..দেরি হয়ে যাচ্ছে, মা ভাববে।

    তনু বলল, কটা বেজেছে?

    রিনি হাতে ঘড়ি পরেনি। তা হলেও তার অনুমান, সাতটা বেজেছে হয়তো। না, রাত নিশ্চয় হয়নি; কিন্তু নুকে নিয়ে রাস্তায় বেরিয়েছে, মা ভাবতে পারে। কী মনে করে রিনি বলল, আচ্ছা চলো, পাঁচ-দশ মিনিটে কী আর হবে–একটা পাক দিয়ে যাই।

    রিনিদের বাড়ির সামনে চিলড্রেনস পার্কটা সন্ধের পর পাড়ার বড়দের একটু হাওয়া খাওয়ার জায়গা হয়ে ওঠে। গরমের দিনে অনেকেই এসে বসে থাকে, গল্পগুজব করে। সকালে বুড়োরা চক্করবে।

    পার্কে এসে রিনি দেখল, বসার জায়গা কোথাও নেই। ছোট পার্ক। ঘাসের চিহ্নও বড় একটা দেখা।

    যাচ্ছে না। রিনি হাঁটতে হাঁটতে এক জায়গায় এসে দাঁড়াল। বসবে? দরকার নেই বসে, যা ধুলো।

    তনু বলল, তোমাদের কলকাতায় ঘাস নেই।

    রিনি টপ করে বলল, আমাদের কলকাতায় গোরুঘোড়া কম।

    তনু প্রথমটায় বোঝেনি, পরে বুঝল। বুঝে জোরে হেসে উঠল। আমি যদি বলি, বেশি। বেশি বলেই এই হাল।

    রিনি আর জবাব দিতে পারল না। মার শ্যামচাঁদ একেবারে নেহাত গাধা নয়। বুদ্ধি ধরে।

    তনু এর মধ্যে কখন চকোলেটটা ভেঙে ফেলেছে। রিনির হাতে আধখানা গুঁজে দিয়ে, নিজে বাকি আধখানা মুখে দিল।

    ঠিক এমন সময় একটা বাচ্চা মতন ছেলে বেলফুলের মালা বেচতে সামনে এসে দাঁড়াল। রিনি মাথার চুলে মালা জড়ানো তেমন পছন্দ করে না, সেরকম কোনও সুযোগও তার আজ নেই, তবু কী মনে করে একটা মালা কিনে হাতব্যাগের মধ্যে রেখে দিল।

    পার্কের বাইরে এসে রাস্তা পেরোবার সময় রিনি আবার যমুনাকে দেখল। রিকশায় বসে আছে, পাশে যেন একটা অবাঙালি লোক। রিকশাটা ঠুনঠুন করে ঘন্টা বাজিয়ে চলে গেল। রিনি অবাক হয়ে রিকশার পেছনটা দেখতে দেখতে রাস্তা পেরিয়ে এল।

    .

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleসরস গল্প – বিমল কর
    Next Article কিকিরা সমগ্র ১ – বিমল কর

    Related Articles

    বিমল কর

    কাপালিকরা এখনও আছে – বিমল কর

    October 30, 2025
    বিমল কর

    রাজবাড়ির ছোরা – বিমল কর

    October 30, 2025
    বিমল কর

    ঘোড়া সাহেবের কুঠি – বিমল কর

    October 30, 2025
    বিমল কর

    সেই অদৃশ্য লোকটি – বিমল কর

    October 30, 2025
    বিমল কর

    শুদ্ধানন্দ প্রেতসিদ্ধ ও কিকিরা – বিমল কর

    October 30, 2025
    বিমল কর

    কিকিরা সমগ্র ১ – বিমল কর

    October 30, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }