Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    একা একা – বিমল কর

    বিমল কর এক পাতা গল্প144 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    একা একা – ৪

    ০৪.

    তেতলায় ঘরের সামনে ছাদটুকুতে শরদিন্দু বসেছিলেন। আকাশটা খুব পরিষ্কার, চারদিক জুড়ে তারা ফুটে আছে। শরদিন্দুর সামনে কিছু টবের গাছ, ফুল নেই, পাতাই চোখে পড়ে। সিঁড়ির দিকের বাতিটা জ্বলছিল। তার সামান্য আলো ছাদের অন্ধকারে পাতলা ভাবে মিশে আছে।

    রিনি খানিকটা আগে ছাদে ছিল। শরদিন্দু তার সঙ্গে কথা বলছিলেন। তনুশ্যাম ছাদের আলসের কাছে দাঁড়িয়ে আশপাশের বাড়ি, দুরের নারকোল গাছ, আকাশ দেখছিল। মাঝে মাঝে বাবা এবং রিনির কথাবার্তা তার কানে আসছিল। বাবা যে খুব গম্ভীর মানুষ তা নয়, কিন্তু কলেজে বাবাকে বেশ গম্ভীর, ভারিক্কি মনে হয়, বাড়িতে বাবা অনেক হালকা। তবু তনু বুঝতে পারছিল, বাবা রিনির সঙ্গে গল্প করার সময় আরও হাসিখুশি মজার মানুষ হয়ে যাচ্ছিল। বাবা যেসব গল্প করছিল, তার অর্ধেকই পুরনো গল্প, নিজেদের বাড়িঘরের গল্প, নীহারপিসির গল্প। তনুর সঙ্গে বাবা বড় একটা এসব গল্প করে না। নীহারপিসি কেমন করে একবার নাকের মধ্যে সেফটিপিন ঢুকিয়ে ফেলেছিল, ডাক্তারখানায় নিয়ে গিয়ে তবে সেটা বার করা গেল: কবে যেন এক সাধু এসে পিসির মুঠোয় ছাই দিয়ে হাতের রুলি খুলে নিয়ে পালিয়েছিল–এইসব গল্প। রিনি যে কতটা অবাক হচ্ছিল কে জানে, মাঝে মাঝে খিলখিল করে হেসে উঠছিল। তনুর মনে হল, রিনি এসব গল্পের বেশিটাই জানে। সে প্রায়ই বাবাকে বলছিল: এটা আমি জানি, ও গল্প আমি শুনেছি। নিজেই কোনও কোনও কথার খেই ধরিয়ে দিচ্ছিল। শেষে তনু ছাদ থেকে নেমে গেল।

    রিনি গেল আরও খানিকটা পরে, নীহার ওপরে আসার পর। নীহার ছাদে এসে মেয়েকে বললেন, রিনি, তোর মামাকে একটু শরবত করে এনে দে। আর শ্যামকে জিজ্ঞেস কর, শরবত খাবে, না এখন দুধ খাবে খানিকটা। যদি দুধ খায়, ওভালটিন দিয়ে দিবি।

    মনে মনে রিনি একটা সংলাপ সঙ্গে সঙ্গে ভেবে নিল। নীচে নেমে মার শ্যামকে সে বলবে: এই যে আসুন খোকাবাবু, মা আপনাকে দুধ খাইয়ে দিতে বললেন। কথাটা মনে করে নিজের মনেই রিনি হেসে ফেলল।

    হাসিটা নীহার দেখতে পেয়েছিলেন। মেয়ের দিকে তাকিয়ে বললেন, হাসছিস যে?

    রিনি চট করে বলে ফেলল, না, মামার জন্যেও দুধ দিয়ে আসি বরং।

    শরদিন্দু তাড়াতাড়ি বললেন, না দুধ নয়। দুধ আমি একবারই খাই, রাত্রে। তুমি আমায় বরং শরবতই করে দাও। সন্ধেবেলায় আমি ইশবগুলের শরবতই খাই লেবু আর মিছরি দিয়ে। …সে পরে হবে, আজ এমনি শরবত খাই।

    আরও দেখুন
    অনলাইনে বই
    কৌতুক সংগ্রহ
    অনলাইন বুকস্টোর
    বাংলা বইয়ের আলোচনা ফোরাম
    বাংলা অডিওবুক
    বাংলা ডিকশনারি অ্যাপ
    বাংলা সাহিত্যের কোর্স
    বাংলা সাহিত্যের ওয়ার্কশপ
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি কালি
    বাংলা কৌতুক বই

    রিনি চলে গেল।

    শরদিন্দু বললেন, তুমি নাকি পুজোপাঠ করতে বসেছিলে?

    নীহার গিয়েছিলেন জলের ট্যাঙ্কটার দিকে। রিনির ভিজে শাড়িটা বাতাসে জাপটে গিয়েছিল। তারে-মেলা শাড়িটা ছড়িয়ে দিলেন ভাল করে। সন্ধেবেলায় গা ধোয়ার অভ্যেসটা মেয়ের গেল না, বিকেলে গা ধুয়ে নিলে ক্ষতি কীসের! অনেক বলেও মেয়েকে এই অভ্যেস ছাড়ানো গেল না। গরম-ঠাণ্ডায় মাসের মধ্যে কুড়িদিন ওর গলা খুসখুস, টনসিল ব্যথা লেগে আছে। একসময় গানের গলা করেছিল চমৎকার, বেশ মিষ্টি, আজকাল সে-পাটও তুলে দিয়েছে। কী বলবেন আর মেয়েকে! নিজের মরজিতে ও চলে। একেবারে বাপের মতন। এই গরম বাতিক এখন চলল। খুব বাড়াবাড়ি করে বর্ষা নামার পর বাতিকটা ঘুচবে। শাড়ির পাশে ব্লাউজ, টপটপ করে জল পড়ছে এত ভিজে। নীহার জলটা নিংড়ে দিয়ে ফিরে এলেন।

    আমায় কিছু বললে? নীহার শুধোলেন।

    আরও দেখুন
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি কাগজ
    ডিজিটাল বই
    রেসিপি বই
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি কালি
    বাংলা রান্নার রেসিপি বই
    বাংলা বইয়ের প্রিন্ট কপি
    বই
    বুক শেল্ফ
    বইয়ের
    ডিকশনারি

    বলছিলাম, তুমি নাকি পুজোপাঠ করছ আজকাল?

    তা একটু করছি বইকি। বুড়ি হয়ে গেলাম, এখনও যদি না করি, তবে আর কবে করব? নীহার মৃদু হাসলেন।

    নীহারের দিকে তাকিয়ে থাকতে থাকতে শরদিন্দু দুহাত মাথার ওপর তুলে ক্যাম্বিসের চেয়ারের মাথায় রাখলেন। তুমি বুড়ি হয়ে গেলে? শরদিন্দু যেন সস্নেহে, এবং সকৌতুকে হাসলেন।

    শরদিন্দুর মুখোমুখি বেতের চেয়ার ছিল একটা; পাশে মোড়া। নারান সন্ধের মুখে বাইরে বের করে রেখে গেছে সব। বেতের ছোট টেবিলে শরদিন্দুর চশমার খাপ, সিগারেট, দেশলাই, ছাইদান।

    নীহার বেতের চেয়ারটায় বসলেন। বুড়ি হতে আমার কিছু বাকি দেখছ নাকি?

    শরদিন্দু সঙ্গে সঙ্গে কোনও জবাব দিলেন না। সামান্য পরে বললেন, তোমার কত বয়েস হল, বলল তো?

    নীহার শরদিন্দুর চোখ, মুখ, আলস্যভরা চেহারা, বিশ্রাম উপভোগের হালকা ভাবটা লক্ষ করতে করতে বললেন, তুমিই বলো না। আমি বললে তো বয়সে কমাব।

    আরও দেখুন
    বুক শেল্ফ
    বাংলা ফন্ট সাবস্ক্রিপশন
    সংগীত
    গ্রন্থাগার
    স্বাস্থ্য টিপস
    বাংলা বইয়ের উপহার কার্ড
    উপন্যাস সংগ্রহ
    বইয়ের
    PDF বই
    বইয়ের তালিকা

    কেন, কেন?

    মেয়েরা যে নিজেদের বয়েস কমিয়েই বলে, নীহার মুচকি হাসলেন।

    শরদিন্দু হেসে ফেললেন। তোমার পঞ্চাশ হয়নি। পঞ্চাশ হতে এখনও দেরি আছে দু-চার বছর।

    তোমার কি ষাট হয়ে গেল? নীহার কৌতুক করে বললেন।

    আমার ফিফটি ফোর চলছে। তোমাতে আমাতে ছ সাত বছরের তফাত।

    মেয়েদের বুড়ি হতে বয়েস শুনতে হয় না গো, এবেলার ফল ওবেলায় গলে যায়।

    শরদিন্দু নীহারকে দেখলেন। যতটা নীহার বলছে অতটা বুড়ো হয়ে যাবার লক্ষণ তার চেহারায় নেই। এখনও ওর মুখে লাবণ্য আছে, বরং সাংসারিক সুখ-দুঃখের স্পর্শে সে লাবণ্য আরও ঘরোয়া আরও কোমল হয়েছে। তোমার কি গুরু-টুরু আছে?

    আরও দেখুন
    বাংলা ই-বুক রিডার
    ট্রেন টু পাকিস্তান
    বাংলা সাহিত্য ভ্রমণ
    বইয়ের তালিকা
    বাংলা বই
    গল্প, কবিতা
    সংগীত
    স্বাস্থ্য টিপস
    বই
    বাংলা গানের লিরিক্স বই

    গুরু–?

    দীক্ষা নাওনি?

    না, সেভাবে আমার দীক্ষা নেওয়া হয়নি। শ্বশুরমশাইয়ের সঙ্গে রামকৃষ্ণ আশ্রমের অনেকের মেলামেশা ছিল। আশ্রম থেকেই যেটুকু…

    ও! শরদিন্দু চেয়ারের মাথার ওপর থেকে হাত দুটো নামিয়ে নিলেন।

    নীহার খানিকটা হালকা করেই শুধোলেন, তা তুমি কিছু করো না?

    পুজোটুজো? না– মাথা নাড়লেন শরদিন্দু না, আমার ও পাট নেই। ঠাকুরদেবতা নিয়ে বসবার সময় কই?

    নীহার ঠাট্টার গলায় বললেন, ছেলেবেলায় তো খুব ঠাকুর ভক্তি ছিল। দুর্গাপূজায় অষ্টমীতে অঞ্জলি দিতে, কালীপুজোয় রাত জেগে বসে থাকতে, সরস্বতীপুজোয় মাতব্বরি করতে। সে সব গেল কোথায়?

    আরও দেখুন
    বাংলা সাহিত্যের ওয়ার্কশপ
    গীতবিতান
    বাংলা হস্তলিপি কুইল
    PDF
    বইয়ের তালিকা
    পোর্টেবল স্পিকার
    বাংলা ফন্ট সাবস্ক্রিপশন
    বুক শেল্ফ
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি কালি
    বাংলা বই

    শরদিন্দু যেন স্মৃতির কেমন এক স্পর্শ অনুভব করে মুদু হাসলেন। ভক্তি আমার এখনও যে একেবারে নেই নীহার তা নয়, আছে। বারো-চোদ্দো মাইল ঠেঙিয়ে দুর্গাপুজো দেখতে যাই। কিন্তু ঘরবাড়ি ছেড়ে বির্ভুইয়ে থাকতে থাকতে আমাদের সংসারের আচার আচরণ অর্ধেক নষ্ট ঘরে ফেলেছি। আমাদের বাঙালি হিন্দুবাড়িতে মেয়েরা থাকলে তবু একটা আচার-ধর্ম চোখে দেখা যায়। সেসব পাটও চুকেছে আমার। তার ওপর ছেলেটা। ওর জন্যে মাথায় যে কতরকম ভাবনা থাকে। বলতে বলতে শরদিন্দু চুপ করে গেলেন, তাঁর গলার স্বর গাঢ় শোনাচ্ছিল। দীর্ঘ করে নিশ্বাস ফেললেন। সামান্য পরে বললেন, চাকরি-বাকরি শেষ হয়ে এল। আর দু চারটে বছর, তারপর ঘরের ছেলে ঘরে ফিরে এসে ওই ভগবান-টগবান করেই জীবনটা কাটাতে হবে।

    নীহার কিছু বললেন না। শরদিন্দুর মনের বারো আনা ছেলের মধ্যে রয়েছে। সারাদিন হয়তো সেই চিন্তাতেই কাটে। বোধহয় এখন ভগবান-টগবানে ভরসাও নষ্ট হয়ে এসেছে।

    কাল একবার গুপ্তসাহেবের কাছে যাই, কী বলো? নীহার বললেন।

    আরও দেখুন
    গ্রন্থাগার
    উপন্যাস সংগ্রহ
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি কাগজ
    Library
    নতুন বই
    মিউজিক
    বাংলা স্বাস্থ্য টিপস বই
    PDF
    গল্প, কবিতা
    বাংলা লেখকদের সাক্ষাৎকার

    একটা খবর দিতে হবে না?

    কিছু না। আমার সবই বলা কওয়া আছে। কালকেও আমার সঙ্গে টেলিফোনে কথা হয়েছে। আমি বলেছি, তোমরা আজ এসে পৌঁছোচ্ছ। উনি জানেন সব। কাল সকালে রিনিকে দিয়ে না হয় বাড়িতে একটা ফোন করিয়ে দেব।

    কখন যেতে হবে?

    বিকেলে। সকালে হাসপাতালে থাকেন। বিকেলে ওঁর চেম্বারে যাব। পার্ক স্ট্রিট।

    শরদিন্দু অন্যমনস্ক হয়ে ফুলের টব-গাছগুলোর দিকে তাকিয়ে বললেন, উনি তোমাদের খুব জানাশুনো?

    হ্যাঁ নীহার ঘাড় হেলালেন, মানুষটি খুব ভাল। রিনির বাবার সিনিয়ার ছিলেন। একই হাসপাতালে ছিলেন একসময়। খুব ভালবাসতেন ওঁকে।

    শরদিন্দু কিছুক্ষণ চুপ করে থেকে বললেন, একেই গেরো বলে বুঝলে নীহার, সেই কলকাতায় আসতে হল, আগে যদি আসতুম, তোমার স্বামী থাকতে, কত সাহায্য পেতাম, হয়তো ছেলেটা এতদিনে ভাল হয়ে যেত।

    আরও দেখুন
    নতুন বই
    বাংলা অডিওবুক
    কৌতুক সংগ্রহ
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি কালি
    Library
    বাংলা সাহিত্য ভ্রমণ
    বাংলা সাহিত্য
    বই
    সংগীত
    বাংলা কৌতুক বই

    নীহার বললেন, এলে না কেন।

    কেন যে শরদিন্দু আসেননি, তা তিনিও জানেন না। তাঁর তো সব জানা ছিল, নীহারের স্বামীর কথা, নীহারের ঠিকানা; এটাও জানতেন ছেলেকে নিয়ে আসতে চাইলে কোনও অনাদর তাঁর হত না। তবু শরদিন্দু আসেননি! সেটা কি অভিমান বশে? ক্ষোভটা দূর করতে পারতেন না? নাকি তাঁর মনে হত, নীহারের স্বামীর কাছে আসায় তাঁর কোনও গ্লানি, আছে? শরদিন্দু, যে কোনও কারণেই হোক, দূরে দূরেই থাকতে চেয়েছিলেন, কাছে আসতে চাননি। নীহার তখনও তাঁর মুখের দিকে তাকিয়ে, যেন জানতে চাইছেন–এলে না কেন?

    শরদিন্দু বললেন, তখন যে এরকম অবস্থা ছিল না। ভুগছিল অবশ্য শ্যাম, কিন্তু চোখ খারাপ চোখ খারাপ করে কেটেছে। জেনারেল হেলথ আর চশমার ওপরই নজর ছিল। ওখানকার ডাক্তাররা আমায় কিছু অ্যাডভাইস করেনি। আস্তে আস্তে অন্যরকম দাঁড়িয়ে গেল। তারপর তো কত রকম করলাম। কলকাতায় পেশেন্ট নিয়ে আসা, থাকা, চিকিৎসা করিয়ে ফিরে যাওয়া, এ তো আমাদের পক্ষে সহজ ব্যাপার নয়, এই দেখো না, তোমাকে কবে থেকে লিখছি শীতের শেষাশেষি আসব। বলেছিলাম শীত, আসতে আসতে সামার পড়ে গেল।

    আরও দেখুন
    বাংলা লেখকদের সাক্ষাৎকার
    বাংলা বই
    ই-বই সাবস্ক্রিপশন
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি কালি
    অনলাইন বুকস্টোর
    উপন্যাস সংগ্রহ
    Books
    PDF
    বাংলা বইয়ের আলোচনা ফোরাম
    বই ডাউনলোড

    রিনি আসছিল। তার পায়ের আওয়াজ হচ্ছিল সিঁড়িতে। বাড়িতে অর্ধেকসময় পায়ে চটি রাখে না রিনি, খালি পায়ে হাঁটতে নাকি তার আরাম লাগে খুব। সাদা ডিশের ওপর শরবতের গ্লাস নিয়ে সে দেখা দিল।

    হাত বাড়িয়ে শরদিন্দু শরবত নিলেন। রিনি মার জন্যে পান সেজে এনেছে, নীহারের হাতে পান দিল।

    শরদিন্দু রিনিকে বললেন, শরবতে বরফ-উরফ দাওনি তো?

    না, রিনির মাথা নাড়ল, খাবেন বরফ? এনে দেব?

    না না।

    ও বলল, আপনি বরফ-টরফ খান না, গলা ধরে যায়।

    শরদিন্দু রিনির ও শব্দটা শুনলেন, ও মানে শ্যাম। কানে কেমন যেন লাগল তাঁর, দুপুর থেকে সন্ধের মধ্যে শ্যাম আর রিনির সম্পর্ক বেশ হৃদ্য হয়ে উঠেছে।

    আরও দেখুন
    অনলাইন বুকস্টোর
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি কাগজ
    উপন্যাস সংগ্রহ
    বাইশে শ্রাবণ
    বাংলা সাহিত্য ভ্রমণ
    বাংলা লেখকদের সাক্ষাৎকার
    বাংলা রান্নার রেসিপি বই
    ট্রেন টু পাকিস্তান
    বাংলা বইয়ের আলোচনা ফোরাম
    বুক শেল্ফ

    নীহারও একসময় তাঁকে এই ভাবে ও বলত। শরদিন্দু কেমন স্নিগ্ধ বোধ করলেন।

    নীহার মেয়েকে জিজ্ঞেস করলেন, শ্যামকে দুধ-টুধ দিয়েছিস?

    দুধ খাবে না। শরবত খাচ্ছে।

    দুধ খাবে না কেন?

    কে জানে! আমি জানি না।

    দুধ খাওয়া নিয়ে তোরা ছেলেমেয়েরা যা করিস বাপু, আমার মাথা গরম হয়ে যায়। রাত্তিরেই খাবে তবে– নীহার বললেন।

    শরদিন্দুর কী যেন মনে পড়ে গেল। নীহারের দিকে সকৌতুক চোখে তাকিয়ে বললেন, তোমারও তো দুধ নিয়ে কত বাতিক ছিল।

    আরও দেখুন
    নতুন বই
    উপন্যাস সংগ্রহ
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি কালি
    বাংলা সাহিত্যের কোর্স
    বাংলা সাহিত্য
    কৌতুক সংগ্রহ
    PDF বই
    বই পড়ুন
    গীতবিতান
    বইয়ের

    নীহার বললেন, আমার সঙ্গে ওদের তুলনা কোরো না। ওদের এই বয়সে—

    বাধা দিয়ে শরদিন্দু বললেন, আমি কিন্তু তোমার ওই বয়েসের কথাই বলছি। এটা আমার জানার মধ্যে পড়ে কিনা।

    নীহার বোধহয় জব্দ হয়ে চুপ করে গেলেন। তাঁর পান-খাওয়া ঠোঁটে রসের সঙ্গে হাসি এসে মিশে গেল।

    রিনি হেসে ফেলেছিল। আর দাঁড়াল না। চলে গেল।

    শরদিন্দু আস্তে আস্তে শরবত খেতে লাগলেন। তাঁর কয়েকগুচ্ছ পাকা চুল কানের পাশের কপালের ওপর এলোমেলো হয়ে ছিল।

    নীহার ধীরে ধীরে পান চিবোচ্ছেন। মাথায় কাপড় নেই। চুলের খোঁপাটা এলো করে জড়ানো।

    বসে থাকতে থাকতে নীহার বললেন, তুমি যেন কী বলছিলে?

    আরও দেখুন
    বইয়ের
    বই ডাউনলোড
    ই-বই পড়ুন
    বাংলা বই
    গ্রন্থাগার
    বাংলা সাহিত্যের কোর্স
    বই
    বাইশে শ্রাবণ
    পিডিএফ
    বাংলা বইয়ের আলোচনা ফোরাম

    কীসের? শ্যামের কথা?

    না, শ্যামের কথা নয়। শ্যামকে কাল নিয়ে যাই আগে তারপর। …তুমি অন্য কী বলছিলে না? রিটায়ার করে আবার নিজের বাড়ি-টাড়িতে ফিরে গিয়ে বসবে।

    ও, হ্যাঁ; বলছিলাম। আমার সেইরকম ইচ্ছে। প্রবাসেই তো জীবনের বারো আনা কেটে গেল। এবার জীবতারা খসে যাবার আগে নিজের জায়গায় ফেরা ভাল। কী বলো? শরদিন্দু পরিহাস করে বললেন।

    নীহার জিজ্ঞেস করলেন, বাড়ির এখন খবর কী? তোমার আসা-যাওয়া ছিল বলে তো শুনিনি।

    একেবারে ছিল না, তা বোলো না। মা যতদিন বেঁচে ছিল পুজোর ছুটিটা বাড়িতেই কাটাতাম। মা মারা যাবার পর দিদির জন্যে যেতে হত। দিদিও চলে গেল, আমারও আসা-যাওয়া ফুরোল। শরদিন্দু সামান্য থেমে আবার খানিকটা শরবত খেলেন। আমাদের সাধুকে তোমার মনে আছে। সাধুই বাড়িটা দেখাশোনা করত, থাকত। আমি কখনও-সখনও গিয়েছি। গত বছর পুজোতে গিয়েছিলাম। বাড়িটার কড়ি, দেওয়াল-টেওয়াল অনেক নষ্ট হয়েছে। বাগানটুকু জঙ্গল। অল্পসল্প মেরামত করিয়ে এসেছি। সাধুই করাচ্ছে, আমি টাকা-পয়সা পাঠিয়ে দিই। ও থাকতে থাকতে বাড়িটা আবার বাসযোগ্য করিয়ে নিলে আমার ঝঞ্জাট বেঁচে যায়।

    নীহার প্রত্যেকটি কথা মন দিয়ে শুনছিলেন। শরদিন্দুদের বাড়ির ছবিটি তাঁর মনে ভাসছিল। আমিও শুনছিলাম, তুমি বাড়িকাড়ি সারাচ্ছ।

    আস্তে আস্তে সারিয়ে নিই, আমার তাড়াহুড়োর কোনও দরকার নেই।

    ভালই করছ। বাইরে বাইরে আর কতকাল থাকবে!

    শরবতের গ্লাসটা রেখে দিলেন শরদিন্দু, বেশ তৃপ্তি পেয়েছেন মনে হল শরবতটুকু খেয়ে। এবার হাত বাড়িয়ে সিগারেটের প্যাকেট, দেশলাই তুলে নিলেন। দেখো নীহার, বুড়ো হয়ে গেলে মানুষের মধ্যে একটা কেমন ভয়-ভয় ভাব হয়। তখন ইচ্ছে করে জানাশোনাদের মধ্যে থাকতে। যাদের চিনি-জানি তাদের মধ্যেই ভরসা খুঁজি। আমি যেখানে চাকরি করেছি এতকাল, সেখানে মাথা গোঁজার একটা ব্যবস্থা করতে পারতাম। অনেকেই বলেছিল। কিন্তু আমার ইচ্ছে হল না। ভালও লাগে না ওভাবে পড়ে থাকতে। তা ছাড়া ছেলেটা? তার কথা ভাবলে দুশ্চিন্তায় রাত্রে ঘুম হয় না। আমার নিজের মানুষ বলতে আর কেউ নেই। তবু নিজের জায়গায় ফিরে আসতে পারলে ছেলেটাকে অন্তত দেখার লোক জুটবে।

    নীহার সমস্তই অনুভব করতে পারছিলেন: শরদিন্দুদের দুশ্চিন্তা, উদ্বেগ, দুঃখ। মানুষটিকে সান্ত্বনা ও ভরসা দিতে বড় ইচ্ছে হল, বললেন, তোমার অত দুর্ভাবনা করার কিছু নেই। এখনও তো একেবারে থুথুরে বুড়ো হয়ে যাওনি। হেসেখেলে কুড়িটা বছর কাটিয়ে দিতে পারবে। শ্যামও বড়টি হয়ে গেছে। দু-চার বছরের মধ্যে সে মানুষ হয়ে যাবে। তোমার ভাবনা কী?

    শরদিন্দু দেশলাই জ্বেলে সিগারেটটা ধরিয়ে নিলেন। নীহারের দিকে না তাকিয়েই বললেন, আরও কুড়িটা বছর বেঁচে থাকতে বলছ?

    নীহার পায়ের দিকের কাপড়টা গুছিয়ে নিতে হেঁট হয়েছিলেন, ঘাড় তুলে বললেন, ওমা, তা কেন থাকবে না! তোমার এমন কী বয়েস হয়েছে বাপু! সত্তর, পঁচাত্তর বছর পর্যন্ত মানুষ বেঁচে থাকে না? বলছ কী তুমি! আমার শ্বশুরমশাই তো আটষট্টি বছর বয়সে গিয়েছেন।

    শরদিন্দু নীহারের দিকে তাকালেন। সামান্য অপেক্ষা করে বললেন, বেঁচে থাকার কথা কেউ কি জোর করে বলতে পারে নীহার? তুমি নিজের অবস্থা দেখে বুঝতে পারছ না, সংসারে ওই জিনিসটার সময় বলে কিছু নেই।

    নীহার নীরব থাকলেন। জীবনে এই সত্যটা তাঁর অজানা নয়। শরদিন্দুর জীবনেও তেমন দুর্ভাগ্য না ঘটেছে এমন নয়, নীহার যেমন স্বামীকে হারিয়েছেন, শরদিন্দুও হারিয়েছেন স্ত্রীকে। নিজের বেদনা, শরদিন্দুর বেদনা–দুইই যেন নীহারের মধ্যে কেমন পাশাপাশি দুটি ধারার মতন বয়ে যেতে যেতে একসময় একত্রে মিশে যাচ্ছিল।

    শরদিন্দু অন্যমনস্কভাবে সিগারেট খেতে খেতে পিঠ হেলিয়ে বসলেন আবার। তিনি যে কোন দিকে তাকিয়ে ছিলেন বোঝা যাচ্ছে না; আকাশের দিকে, নাকি অনেকটা দূরে–যেখানে নারকোল গাছের মাথায় অন্ধকার জমে মেঘের আকার নিয়েছে সেদিকে তাকিয়ে আছেন!

    নীহার শরদিন্দুকে দেখছিলেন। মুখটি চৌকো ধরনের, গালের চামড়ার টান পাতলা হয়ে আসছে, চোখের তলা কুঁচকে যাচ্ছে, চিবুক বেশ পাতলা। মাথায় পাকা চুলের মাত্রাটাই বেশি। চোখ দুটি অনেক স্তিমিত। গলার চামড়া ঝুলে এসেছে যেন। বয়স হিসেবে শরদিন্দুকে আরও প্রৌঢ় মনে হয়। গলার স্বরটি কিন্তু এখনও ভরাট।

    নিশ্বাস ফেলে নীহার বললেন, তুমি পুরুষমানুষ। তোমার অত ভয়-ভাবনা সাজে না। কথাটা বলার পর নীহারের নিজের কাছেই কেমন অর্থহীন শোনাল।

    শরদিন্দু মুখ ফিরিয়ে নীহারের দিকে তাকালেন। আমি অনেক সময় তোমার কথা ভাবতুম। লোকে বলত, তুমি খুব বুদ্ধিমতী, বিচক্ষণ, সাংসারিক বোধবুদ্ধি তোমার কম নয়। আজ এখানে এসে তোমাদের দেখে আমি সত্যিই বেশ অবাক হয়েছি। তুমি তো মেয়ে হয়ে একলা বেশ টেনে এনেছ এই সংসার। তোমার সংসারটিও বড় সুন্দর লাগছে।

    নীহার কেমন এক মুখ করে সামান্য হাসলেন। বললেন, মেয়েদের কি আর ছটফট করলে চলে গো? আমাদের পা-ছড়িয়ে বসে কাঁদার সময় কই! বলে বাঁ পা আস্তে করে চেয়ারের ওপর তুলে হাঁটু মুড়ে নিলেন। পা ঝুলিয়ে বেশিক্ষণ বসে থাকতে তাঁর কষ্ট হয়, বাঁ হাঁটুতে একবার জল জমেছিল। মৃদু গলায় বললেন, উনি যখন যান তখন আমি বড় একলা, অসহায় হয়ে পড়েছিলুম। হঠাৎই চলে গেলেন, দুদিন আগেও বুঝতে পারিনি। কী যে ব্যাধি পুষছিলেন পেটে, রক্ত পড়তে শুরু করল সকাল থেকে, বিকেলে নিয়ে গেল হাসপাতালে। পরের দিন ভোরে চলে গেলেন। আমার তখন যা অবস্থা–চোখের সামনে শুধু অন্ধকার দেখেছি। ভগবানের পায়ে শুধু মাথা খুঁড়েছি। ওই কচি মেয়ে, সম্বল বলতে এই বাড়িটা, আর সহায় বলতে নিজের কেউ না, বাইরের দু-একজন। কিন্তু বসে বসে কাঁদলে তো দিন চলে না। বুক বেঁধে উঠে দাঁড়িয়েছি। এখন আমার যা ভাবনা ওই মেয়েকে নিয়ে, আর কিছু নয়।

    শরদিন্দু স্থির, শান্ত, সস্নেহ দৃষ্টিতে নীহারকে দেখছিলেন।

    দুজনেই কিছুক্ষণ আর কথা বলার মতন কিছু পেলেন না। শরদিন্দু সিগারেটের টুকরোটা ছাইদানে ফেলে দিলেন।

    নীহারই কথা বললেন আবার, আমাদের ওখানে পালিতবাবুদের বাড়িতে এক সন্ন্যাসী এসেছিল একবার তোমার মনে আছে?

    শরদিন্দুর খেয়াল করতে সময় লাগল। খেয়াল হলে মাথা নাড়লেন আস্তে করে।

    সেই সাধু আমার হাত দেখে বলেছিলেন, কোনও কালেই আমার মনের শান্তি হবে না, নীহার বললেন।

    নীহারের দিকে তাকিয়ে থাকতে থাকতে শরদিন্দু শুধোলেন, হয়নি?

    কোথায় আর হল?

    শরদিন্দু নীরব থাকলেন। নীহারের দুর্ভাগ্যই কি সব? তার সৌভাগ্যের দিনে সে কি শান্তি পায়নি? কথাটা পালটে নিয়ে নীহারকে ভরসা দেবার মতন করে বললেন, তোমার দায় তো শেষ হয়ে এসেছে।

    ব্যস্ত ভাবে হাত নেড়ে নীহার বললন, বোলো না বোলো না। মেয়েটা আছে আমার গলার সঙ্গে জড়িয়ে। ওর বরাতে কী আছে–সেই ভেবে ভেবে আমার রাত কাটে।

    শরদিন্দু নীহারের উদ্বেগটুকু অনুভব করলেন। তারপর হালকা করেই বললেন, তোমার মেয়েকে দেখলে তোমায় খানিকটা বোঝা যায়।

    আমায়? নীহার অবাক হয়ে চেয়ে থাকলেন।

    ওর বয়সে তুমিও অনেকটা ওই রকম ছিলে।

    আমি আবার ওর মতন ছিলাম কোথায়! নীহার আপত্তি জানিয়ে বললেন, আমার চোখমুখ ও পায়নি, ওর বাবারটা পেয়েছে।

    শরদিন্দু নরম গলায় হাসলেন। তোমারও পেয়েছে। তোমার গায়ের রং, কোঁকড়ানো চুল, ছিপছিপে গড়ন–সবই দেখছি তোমার মেয়ে পেয়েছে। কথাবার্তা বলার ধরনটাও প্রায় তোমার মতন।

    নীহার হেসে ফেললেন। মাথা নেড়ে বললেন, তোমার মাথা খারাপ হয়েছে, আমি ওর মতন ছিলাম না।

    শরদিন্দু কোনও প্রত্যুত্তর করলেন না, হাসিমুখে তাকিয়ে থাকলেন। তাঁর মুখের ভাব দেখে মনে হচ্ছিল, নীহার অতীতে কেমন ছিলেন তিনি তা বিলক্ষণ জানেন।

    নীহার যেন হঠাৎ কেমন আনমনা হয়ে গিয়েছিলেন। আকাশের দিকে তাকিয়ে থাকলেন কয়েক পলক, চোখ নামিয়ে শরদিন্দুর দিকে তাকালেন। তারপর আচমকা বললেন, তুমি আমায় ভুলে গেছ।

    শরদিন্দুর মুখের ভাব বদলাল না। নীহারের চোখে চোখ রেখে মৃদু গলায় বললেন, ভুলে গিয়েছি?

    দুজনেই নীরব। যেন দুজনের মধ্যে দিয়ে কুড়ি বাইশটা বছরের জল গড়িয়ে যাচ্ছিল।

    শেষে নীহার বললেন, ভুলে যাওয়া আশ্চর্য কী। কতকাল পরে আবার আমায় দেখলে বলল তো?

    তুমিই বলো।

    আঠারো উনিশ বছর পরে। কুড়ি বছরই ধরো– নীহার অন্তরঙ্গ গলায় বললেন। তোমাকে আমি শেষবার দেখেছি, শ্যাম তখন বাচ্চা, বছর চার পাঁচ বয়েস। আমি মেয়ে কোলে করে বাপের বাড়ি গিয়েছিলাম, একেবারে কচি তখন রিনি, দাঁত উঠেছে সবে। তুমি শীতের ছুটিতে বাড়ি এসেছিলে। বউদিকেও আমি সেই প্রথম দেখলাম। এসব কি আজকের কথা! আজ রিনির বয়েস কুড়ি হতে চলল, শ্যামের তেইশ-টেইশ হবে। প্রায় দু যুগ পরে আবার আমায় দেখছ। ভুল হওয়ারই তো কথা।

    শরদিন্দু বাঁ হাতটা পাতলা চুলের ওপর দিয়ে বুলিয়ে নিচ্ছিলেন। তাঁর চোখের দৃষ্টিতে কেমন এক মমতা জড়ানো। ধীরে ধীরে বললেন, হ্যাঁ, তোমার সঙ্গে সেই আমার শেষ দেখা। দু যুগ বলতে পারো। পুষ্প তখন বেঁচে ছিল। …তারপর অবশ্য দেখাসাক্ষাত আর হয়নি। কিন্তু খবরটবর পেতাম সবই।

    নীহার আবার পা নামিয়ে নিলেন। হাঁটুতে সাড়া পাচ্ছেন না, চাপ লেগে যেন অস্বস্তি হচ্ছিল, ব্যথাও করছিল। সরল গলায় বললেন, তা হলে আমি মন্দটা আর কী বলেছি বলো! আমার বিয়ের পর সেই আমায় প্রথম দেখলে, বিয়ের সময় তুমি ছিলে না, তার আগে যা দেখেছ। অতদিনের চেহারা কি তোমার মনে থাকার কথা?

    শরদিন্দু সকৌতুক অথচ শান্ত গলায় বললেন, মনে না থাকলে আজ আমি তোমায় হাওড়া স্টেশনে চিনতে পারলাম কী করে?

    নীহার যেন একথাটা ভেবে দেখেননি আগে। সামান্য থতমত খেয়ে গেলেন। তারপর হেসে বললেন, থাক, ও বড়াই আর কোরো না। তুমি আমায় চেনার আগেই আমি তোমায় খুঁজে নিয়েছি।

    শরদিন্দু মৃদু হেসে বললেন, তোমার সেই পুরনো অভ্যেস আজও আছে নীহার। এখনও তুমি তোমারটা আগে দেখবে। বেশ, তাই হল। তুমিই আমায় আগে খুঁজে নিয়েছ, আমি তোমায় পরে চিনেছি। ..খুশি হলে তো?

    নীহার নীরব হয়ে গেলেন। তাঁর চোখের দৃষ্টি স্নান, বিমর্ষ হয়ে গেল। অনেকক্ষণ পরে নিশ্বাস ফেলে বললেন, কে কাকে আগে চিনেছে সে ঝগড়া আর আমি করব না গো। তুমি ছেলেটাকে নিয়ে আমার কাছে এসেছ, এতকাল পরে, এতেই আমি খুশি।

    .

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleসরস গল্প – বিমল কর
    Next Article কিকিরা সমগ্র ১ – বিমল কর

    Related Articles

    বিমল কর

    কাপালিকরা এখনও আছে – বিমল কর

    October 30, 2025
    বিমল কর

    রাজবাড়ির ছোরা – বিমল কর

    October 30, 2025
    বিমল কর

    ঘোড়া সাহেবের কুঠি – বিমল কর

    October 30, 2025
    বিমল কর

    সেই অদৃশ্য লোকটি – বিমল কর

    October 30, 2025
    বিমল কর

    শুদ্ধানন্দ প্রেতসিদ্ধ ও কিকিরা – বিমল কর

    October 30, 2025
    বিমল কর

    কিকিরা সমগ্র ১ – বিমল কর

    October 30, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }