Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    একেই বলে শুটিং – সত্যজিৎ রায়

    উপন্যাস সত্যজিৎ রায় এক পাতা গল্প110 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    বাঘের খেলা

    জন্তু-জানোয়ার নিয়ে ছবি তোলার ব্যাপারে হলিউডকে কেউ টেক্কা দিতে পারবে বলে মনে হয় না। মনে আছে, আমাদের ছেলেবেলায় একটা অ্যালসেশিয়ান কুকুরকে নিয়ে পরপর অনেকগুলো ছবি কলকাতায় দেখানো হয়েছিল। কুকুরের নাম ছিল রিন-টিন-টিন। সে কুকুর ‘অ্যাকটিং’-এ ছিল মানুষের বাড়া। আরও পরে ‘কলি’ জাতের একটা কুকুরকে নিয়ে তিন-চারখানা ছবি কলকাতায় আসে। এ কুকুরের নাম ছিল ল্যাসি। ল্যাসিকেও দেখে মনে হত পরিচালক তাকে দিয়ে যা ইচ্ছা তাই করিয়ে নিতে পারেন। এই সব শিক্ষিত কুকুর ছিল এক-একটি নামকরা স্টার, আর তাদের রোজগারও ছিল প্রায় মানুষ-তারকাদের সামিল। এক-একটা ছবি করে হেসে খেলে লাখ টাকা বা তারও বেশি পেয়ে যেতেন কুকুরের মালিকরা।

    এই সব কুকুর অভিনেতার খাতির কিরকম সেটা আমি বুঝেছিলাম আজ থেকে বিশ বছর আগে হলিউডের ডিজনি স্টুডিওতে একটা ছবির শুটিং দেখতে গিয়ে। এ ছবির প্রধান চরিত্র ছিল একটি বিরাট লোমশ কুকুর, যাকে আমেরিকায় বলে ‘শ্যাগি ডগ’। আমি যখন স্টুডিওতে পৌঁছেছি তখন শুটিং আরম্ভ হয়নি; ক্যামেরাম্যান আলো সাজাবার তোড়জোড় করছেন। এই আলো সাজানোর সময় অভিনেতার হাজির থাকতে হয়, কারণ তাঁরা পরিচালকের সাহায্যে ক্যামেরাম্যানকে দেখিয়ে দেন এই বিশেষ দৃশ্যে তাঁরা কীভাবে হাঁটাচলা করবেন, কোথায় বসবেন, কোথায় দাঁড়াবেন ইত্যাদি। খুব নামকরা স্টার হলে এ-কাজটা করার জন্য তাঁর বদলে থাকে তাঁর ‘স্ট্যান্ড-ইন’। এই স্ট্যান্ড-ইন হল এমন একজন লোক যিনি চেহারায় ও শরীরের গড়নে স্টারের খুব কাছাকাছি। স্টার নিজে আসেন আলো সাজানোর কাজ হয়ে যাবার পর, একেবারে| শট্ নেবার ঠিক আগে।

    এখানে দেখলাম একপাশে কিছু অভিনেতা ঘোরাফেরা করছেন, আর আর-একধারে চুপটি করে দাঁড়িয়ে আছেন ছবির প্রধান অভিনেতা—সেই বিরাট ধুমশো লোমশ কুকুর। ক্যামেরাম্যানের কাছ থেকে হুকুম আসতেই অভিনেতারা যে যার জায়গায় দাঁড়িয়ে পড়লেন, কিন্তু কুকুর দিব্যি যেখানে ছিল সেখানেই রয়ে গেল। তা হলে কি কুকুরকে এ শট্-এ দরকার হবে না?

    এ প্রশ্নের উত্তর পাবার আগেই হঠাৎ দেখি একটি মাঝবয়সী বেঁটে-বামন কোত্থেকে জানি এসে হাজির হয়েছে, আর তার পিছন পিছন এসেছে একটি লোক যার হাতে রয়েছে একটা লোমশ কুকুরের ছাল। তারপর আরও অবাক হয়ে দেখলাম বামনটি মেঝেতে একটা খড়ির দাগ দেওয়া জায়গায় চতুষ্পদ জানোয়ারের মতো উপুড় হয়ে পড়লেন, আর তাঁর পিঠে চাপিয়ে দেওয়া হল সেই কুকুরের ছাল। তারপর পরিচালকের নির্দেশ অনুযায়ী সেই ছালপরা বামন হাতের তেলো ও হাঁটুতে ভর করে চলে ফিরে বেড়াতে লাগলেন, আর ক্যামেরাম্যানও তাঁর আলো সাজাতে শুরু করলেন। অর্থাৎ এই বেঁটে-বামনটি হলেন ওই শ্যাগি-ডগের মাইনে করা স্ট্যান্ড-ইন।

    বিদেশি ছবিতে জানোয়ারের কোনও পার্ট থাকলেই বুঝতে হবে, সেগুলো সব রীতিমতো শেখানো পড়ানো বুদ্ধিমান জানোয়ার। ঘোড়া বা কুকুরকে তো বেশ সহজেই এটা-সেটা করতে শেখানো যায়, কিন্তু শিক্ষিত দাঁড়কাকের কথা শুনেছ কখনও? আর একটা-দুটো নয়; একসঙ্গে একেবারে শ’খানেক? এ জিনিসও সম্ভব হয়েছে হলিউডেই।। পরিচালক হিচককের নাম হয়তো তোমরা কেউ কেউ শুনেছ; লোমহর্ষক সাসপেন্স ছবি করতে তাঁর জুড়ি আর নেই। বছর দশেক আগে এঁর Birds ছবিতে নানান জাতের অনেকগুলো পাখির দরকার হয়েছিল। গল্পে ছিল সারা পৃথিবীর পাখি হঠাৎ কেন জানি মানুষের উপর ক্ষেপে গিয়ে তাদের আক্রমণ করতে শুরু করছে। নানারকম পাখির মধ্যে সব চেয়ে বেশি সংখ্যায় দরকার দাঁড়কাকের। সারা যুক্তরাষ্ট্রের কাগজে কাগজে বিজ্ঞাপন বেরোল—হিচককের Birds ছবির জন্য শিক্ষিত দাঁড়কাকের প্রয়োজন। যিনি সন্ধান জানেন তিনি অমুক ঠিকানায় যোগাযোগ করুন।

    বিজ্ঞাপন বেরোবার কয়েক দিনের মধ্যেই উত্তর এসে হাজির। জানা গেল অমুক স্টেটের অমুক শহরে একজন লোকের কাছে অনেক শিক্ষিত কাক আছে। ব্যাস-আর কথা নেই। সে লোকও এসে গেল, এবং তার সঙ্গে এসে গেল শ’খানেক শেখানো-পড়ানো দাঁড়কাক। এদের শিক্ষার দৌড় অবিশ্যি খুব ঝেশি নয়। কিন্তু পঞ্চাশটা কাককে যদি বলা হয় একটা নির্দিষ্ট জায়গায় গিয়ে সার বেঁধে চুপ করে বোস, আর তারা যদি বলামাত্র আদেশ পালন করে—সেটাই বা কী কম?

    এটা না বললেও বোধ হয় চলে যে হলিউডের সুবিধে আমাদের এখানে নেই। বাংলার বাইরে মাদ্রাজে বা বোম্বাইয়ে তবু ঘোড়া হাতি বাঘ ইত্যাদি নিয়ে কিছু ছবি হয়েছে, আর সেগুলো দেখে মনে হয় জানোয়ারগুলো মোটামুটি কথা শোনে। বাংলাদেশে বুদ্ধিমান কুকুর-টুকুর চাইলে পাওয়া যায় জানি; পুলিশেরই কিছু অ্যালসেশিয়ান কুকুর আছে যাদের দিয়ে—একটু ধৈর্য ধরতে পারলে—কিছু কিছু সহজ কাজ করিয়ে নেওয়া যায়। কিন্তু আমরা যখন গ্রামে গিয়ে আমাদের প্রথম ছবি ‘পথের পাঁচালী’ তুলি, তখন একটা স্থানীয় কুকুরকে দিয়ে একটা সামান্য কাজ করাতে কী নাজেহাল হতে হয়েছিল সেটা ভাবলে এখনও ঘাম ছুটে যায়। দৃশ্যটা এই—অপু-দুর্গার বাড়ির সামনে মিষ্টিওয়ালা এসেছে, তার কাঁধে বাঁক থেকে হাঁড়িতে মিষ্টি ঝুলছে। ভাইবোনের মিষ্টি খাবার শখ, কিন্তু পয়সা নেই। কী আর করে; তারা ঠিক করল চিনিবাস ময়রার পিছন পিছন যাবে কোন বাড়িতে কে কী কেনে দেখার জন্য।

    আমার মনে হল ব্যাপারটা জমবে যদি ওদের ভুলো কুকুরটাও অপু-দুর্গার পিছু নেয়। ঠিক করলাম প্রথম শট্‌টা নেওয়া হবে এই ভাবে—অপু-দুর্গা বাড়ির বাইরে পাঁচিলের ধারে দাঁড়িয়ে চিনিবাসকে দেখছে, পিছনে দেখা যাচ্ছে কুকুরটা একটা পেয়ারাগাছের নীচে বসে আছে। মিষ্টিওয়ালা রওনা দেওয়ামাত্র দুর্গা ছুট দেবে, তার দেখাদেখি অপু ছুটবে, তার পরেই এই দু’জনকে ছুটতে দেখে কুকুরও ছুটবে।

    শট্‌টা নেবার আগে কুকুরের আসল মালিককে ক্যামেরার ডান পাশে পিছন দিকে দাঁড় করিয়ে বলা হল, ‘অপু রওনা দেওয়ামাত্র তুমি কুকুরের নাম ধরে হাঁক দেবে। ডাকলে আসবে তো কুকুর? মালিক একগাল হেসে মাথা নেড়ে বলল, ‘আজ্ঞে দেখুন আপনি আসে কি না।’

    একটা রিহার্সাল দেওয়া হল। কুকুর দিব্যি মনিবের ডাক শুনে চট করে উঠে দৌড়ে চলে এল। যাক—আর চিন্তার কোনও কারণ নেই।

    শট্ শুরু হল, দুর্গা দৌড়ে বেরিয়ে গেল, অপুও ছুটল দিদির দেখাদেখি, কুকুরের মনিব কুকুরের নাম ধরে ডাক দিলেন—একবার, দু’বার, তিনবার। এ দিকে ঘর ঘর শব্দে ক্যামেরা চলছে, হাজার ফুট ফিল্মের দাম কমপক্ষে দেড়শো টাকা, দশ টাকার ফিল্ম চলে বেরিয়ে গেল, কিন্তু কুকুর মনিবের ডাকে শুধু একটিবার তাঁর দিকে দৃষ্টি দিয়ে ঘাড়টা আবার উল্টোদিকে ঘুরিয়ে নিল। —কাট্ কাট্ কাট্।

    পরিচালক ‘কাট্’ বলার সঙ্গে সঙ্গে ক্যামেরা সুইচ টিপে বন্ধ করে দেওয়া হয়। এবারও তাই হল। কুকুরের কিন্তু ভূক্ষেপ নেই। সে যে কত বড় একটা কাঁচা কাজ করে ফেলেছে সেটা তার মগজে ঢুকছেই না। অথচ শট্‌টা নিতেই হবে। আসলে যদিও অপু দুর্গার সঙ্গে এ কুকুরের কোনও সম্পর্ক নেই, কিন্তু এই একটি শট্ ঠিকভাবে নিলে, যারা ছবি দেখবে তারা একবারও সন্দেহ করবে না যে এ কুকুর অপু-দুর্গার আদরের ভুলো নয়।

    বললে বিশ্বাস করা কঠিন, কিন্তু কুকুরবাবাজি সেদিন তার আলিস্যি আর নির্বুদ্ধিতার জন্য একের পর এক এগারোটি শট্ পণ্ড করে প্রায় হাজার ফুট ফিল্ম খুইয়ে অবশেষে বারো বারের বার বাজিমাত করলেন।

    এর পরের ক’টি শট্-এ দেখানো হয়েছিল ময়রার পিছনে অপু, অপুর পিছনে দুর্গা, আর তার পিছনে কুকুর লাইন করে হেঁটে চলেছে বাঁশবনের ভিতর দিয়ে। যারা ছবি দেখছে তারা কি জানবে যে দুর্গার পিছন দিকে তার মুঠো করা হাতের ভিতর রয়েছে সন্দেশ আর কুকুর চোস্ত অভিনেতার মতো শটের পর শট তার পিছনে হেঁটে চলেছে ওই সন্দেশের লোভেই?

    কুকুর তো তবু ম্যানেজ করা গেল, কিন্তু হঠাৎ যদি দেখি যে কোনও দৃশ্যে বাঘের দরকার হয়ে পড়েছে, তখন? এ সমস্যার সামনে পড়তে হয়েছিল গুপী গাইন ছবিতে। গুপীকে রাজার আদেশে গাধায় তুলে ঢেঁড়া পিটিয়ে গ্রাম থেকে দূর করে দেওয়া হয়েছে! গুপী সেই গাধার পিঠে চড়ে ঠুক ঠুক করে চলতে চলতে এক বনের ধারে পৌঁছে গেছে। সন্ধ্যা হব হব। গুপীর মনের ভাবটা তার গুনগুনুনি থেকে জানা গেছে—

    ‘সন্ধ্যা হইলে বন বাদাড়ে বাঘে যদি ধ-রে,

    গুপী যদি ম-রে।’

    গুপী গাধার পিঠ থেকে নেমে এগিয়ে গিয়ে দেখে বনের ভিতর দিয়েই রাস্তা। বনে ঢুকেই প্রথমে বাঘার সঙ্গে সাক্ষাত, আর তাদের কথাবার্তার ফাঁকেই হঠাৎ ব্যাঘ্রবাবাজির আবির্ভাব। তবে এ বাঘ সোঁদরবনের মানুষখেকো নয়। গুপী-বাঘা যদিও ভয়ে কাঠ, বাঘ কিন্তু এদিক ওদিক পায়চারি করে, তাদের দু’জনকে বিশেষ আমল না দিয়ে আবার যেদিক থেকে এসেছিল সেদিকেই চলে যায়।

    এ দৃশ্য মাথায় যখন এসেছে তখন তুলতেই হবে; কাজেই বাঘ চাই। সার্কাসের বাঘ তো শেখানো-পড়ানো বাধ্য বাঘ হয় বলেই জানি, কাজেই সার্কাসেই খোঁজ করা যাক। শহরে তখন সার্কাসের তাঁবু পড়েছে উত্তর কলকাতার মার্কাস স্কোয়ারে। মাদ্রাজি ম্যানেজারের কাছে আগে থেকে লোক পাঠিয়ে অ্যাপয়েন্টমেন্ট করে গিয়ে হাজির হলাম সার্কাসের তাঁবুতে। টিকিট কিনে সার্কাস ঢের দেখেছি ছোটবেলায়, কিন্তু সকালে যখন সার্কাসের অবসর, তখন তাঁবুর আশেপাশে ঘুরে দেখার সুযোগ আগে কখনও হয়নি। প্রথমে অবিশ্যি আমরা সোজা গেলাম ম্যানেজারের ঘরে,—থুড়ি, তাঁবুতে। সার্কাসের আসল বড় তাঁবুর তিন দিকে থাকে অনেক ছোট ছোট তাঁবু, আর তাতেই থাকে সার্কাসের লোকজনেরা। ম্যানেজারের তাঁবুটিকে অবিশ্যি ছোট বলা চলে না; সেখানে টেবিল চেয়ার আলমারি বিছানা কোনওটারই অভাব নেই।

    ম্যানেজার আমাদের অভ্যর্থনা করে চেয়ারে বসিয়ে মাদ্রাজি কফি খাওয়ালেন। সে কফি আবার পরিবেশন করল যারা সন্ধ্যাবেলা ঘোড়ার খেলা ট্র্যাপিজের খেলা দেখাবে সেই সব মেয়েরা। আমরা কী চাইছি সেটা জেনে নিয়ে ম্যানেজার ডেকে পাঠালেন মিস্টার থোরাটকে। ইনিই বাঘের খেলা দেখান। এখন যেটা দেখালেন সেটা হল তাঁর হাতে বাঘের নখের আঁচড়ের পুরনো দাগ। মাদ্রাজি ভদ্রলোক, মজবুত শরীর, একটু নেপালি ধাঁচের চেহারা, বয়স চল্লিশের বেশি নয়। ভদ্রলোককে বুঝিয়ে দিতে হল আমরা কী চাইছি। বললাম বীরভূমে সিউড়ির কাছে ছবির শুটিং হচ্ছে; সেখানে একটা বাঁশবনের মধ্যে আমরা বাঘ চাই। বাঘটা বন থেকে বেরিয়ে একটা খোলা জায়গায় এসে কিছুক্ষণ এদিকে ওদিকে ঘুরে, সম্ভব হলে একবার আমাদের দিকে তাকিয়ে, আবার যেদিক দিয়ে এসেছিল সেদিকেই চলে যাবে। এ জিনিসটা এই ভারত সার্কাসের বাঘকে দিয়ে করানো সম্ভব হবে কি? থোরাট মাথা নেড়ে বুঝিয়ে দিলেন, হ্যাঁ হবে। এবার ম্যানেজার জিগ্যেস করলেন ক’দিনের জন্য লাগবে বাঘটা। বললাম কলকাতা থেকে সিউড়ি আসতে যেতে যতটা সময় লাগে—প্লাস আমাদের শুটিং-এর জন্য ঘণ্টা দু’-এক। কথাবার্তায় যা বুঝলাম, বাঘ যাবে লরির পিঠে খাঁচাবন্দি অবস্থায়। যাতায়াত নিয়ে দু’দিনের মামলা। সেই দুটো দিন অবিশ্যি সার্কাসে ওই বিশেষ বাঘের খেলাটি বাদ পড়বে।

    থোরাট এবার বললেন, ‘আপলোগ আইয়ে। শের দেখ লিজিয়ে।’

    এইবারে ম্যানেজারের ঘর থেকে বেরিয়ে আমরা তাঁবুর পিছন দিকটায় গেলাম। সার্কাসের সঙ্গে যে দিব্যি একটি ছোটখাটো পশুশালা ডেরা বেঁধেছে মার্কাস স্কোয়ারে সেটা বুঝতে পারলাম। সব চেয়ে দর্শনীয় জানোয়ার হচ্ছে একটি জলহস্তী। মাটিতে একটা চৌবাচ্চা খুঁড়ে তাতে জল ভরে জানোয়ারটা ছেড়ে দেওয়া হয়েছে তার মধ্যে। একটা লরির উপর খাঁচার দরজা থেকে মজবুত তক্তা নেমে এসে জলের ধারে পৌছেছে। বুঝলাম কলকাতার পাট ফুরোলে হিপোমশাই জল থেকে সোজা তক্তা দিয়ে উঠে খাঁচাবন্দি হয়ে আবার সাকার্স যেখানে যাবে সেখানে গিয়ে হাজির হবেন।

    হিপো ছাড়া আছে সিংহ, ভাল্লুক, হাতি, ঘোড়া আর বেশ কয়েক জাতের বাঘ। খাঁচাবন্দি দু’টো রয়েল বেঙ্গল টাইগারকে দেখিয়ে থোরাট বললেন যে, তারই মধ্যে একটাকে নিয়ে তিনি সিউড়ি গিয়ে হাজির হবেন নির্দিষ্ট দিনে। এবার আমি একটা প্রশ্ন করলাম—

    ‘বাঘটাকে খাঁচা থেকে নামিয়ে বাঁশবনে ছেড়ে দেওয়া যাবে তো?

    মিঃ থোরাট কিছুক্ষণ ভুরু কুঁচকে বললেন, ‘ওকে ওভাবে তো কোনও দিন ছাড়িনি, তাই ঠিক ভরসা পাচ্ছি না।’

    সর্বনাশ!—ভেস্তে গেল বুঝি আমাদের সব প্ল্যান। বাঘের সঙ্গে সঙ্গে তার ট্রেনার আবির্ভূত হবেন নাকি বাঁশবনে? আর তাই দেখে গুপী-বাঘা ভয়ে কাঠ হয়ে যাবে? তা তো হয় না।

    মিস্টার থোরাটই এবার আর একটা আইডিয়া দিলেন। ‘বাঘের গলায় তার বেঁধে দেব। সরু অথচ মজবুত তার।‘

    ‘অনেকখানি লম্বা হওয়া চাই সে তার।’

    ‘তা হবে। তারের অন্য দিক বাঁধা থাকবে মাটিতে পোঁতা লোহার খুঁটির সঙ্গে।’

    তার যথেষ্ট সরু হলে হয়তো ক্যামেরায় ধরা পড়বে না, তাই এ প্রস্তাবে আপত্তি করলাম না। কিন্তু একটা মুশকিল। বাঘের গলায় তার জড়ালে গলার লোম চেপে বসে যাবে। তার ফলে ফাঁকি ধরা পড়ে যাবে। একটু ভাবতেই মাথায় একটা ফন্দি এল, সেটা থোরাটকে বললাম।

    ‘বাঘের চামড়া দিয়ে একটা বকলস তৈরি করে সেটাকে বাঘের গলায় বেঁধে তার সঙ্গে তারটা আটকানো যায় না?’

    থোরাট বললেন, সেটা সম্ভব। মিনিট দশেকের মধ্যে সব কথাবার্তা হয়ে গেল। সিউড়িতে পৌঁছানোর তারিখটা বাতলে দিয়ে কিছু আগাম টাকা দিয়ে দেওয়া হল মিঃ থোরাটকে। ভদ্রলোক বললেন, ‘আপনারা নিশ্চিন্ত থাকুন, কোনও ঝঞ্ঝাট হবে না।’ ম্যানেজারকে থ্যাঙ্ক ইউ ও গুডবাই জানাবার পর ভদ্রলোক শুধু একটি অনুরোধ করলেন ভারত সার্কাসের নামটা যেন আমরা কৃতজ্ঞতা স্বীকারের তালিকায় দিয়ে দিই।

    সিউড়ি ও রামপুরহাটের কাছাকাছি অনেকগুলো জায়গায় শুটিং হয়েছিল গুপী গাইনের। নতুন গাঁ নামে একটা গ্রামকে করা হয়েছিল গুপীর গ্রাম। সেখান থেকে মাইল পনেরো দূরে ময়ুরাক্ষী নদীর ধারে একটা বাঁশবন বাছা হয়েছিল গুপী বাঘার প্রথম সাক্ষাত, আর বাঘের দৃশ্যটা তোলার জন্য। প্রথম দৃশ্যটা তোলা হয় বাঘ এসে পৌঁছানোর আগেই। নির্দিষ্ট দিনে খবর এসে গেল যে কলকাতা থেকে সন্ধ্যাবেলা রওনা হয়ে পরদিন সকালে বাঘ ও থোরাট সমেত লরি এসে পৌঁছে গেছে শুটিং-এর জায়গার কাছে। আমরা খবর পেয়েই হন্তদন্ত হয়ে পৌছে গেলাম সেখানে। আমাদের দলে ছিল সবশুদ্ধ জনা পঁচিশেক লোক। তা ছাড়া স্থানীয় কিছু লোক শুটিং হবে জেনে আমাদের অনুমতি নিয়ে হাজির হয়েছিল বাঁশবনের ধারে।

    লরির উপর খাঁচা, খাঁচার উপর ছাউনি। আমরা যেতে ছাউনি খুলে ফেললেন মিঃ থোরাট। ওমা, এ যে দেখছি একটার জায়গায় দু’টো বাঘই এসে হাজির হয়েছে। কী ব্যাপার? থোরাট বললেন, যেটা বাছাই করা হয়েছিল সেটা যদি কোনও গোলমাল করে তাই অন্যটিকে আনা হয়েছে। কথাটা শুনে মোটেই ভাল লাগল না। দ্বিতীয়টিও যদি গোলমাল করে তা হলে কী হবে সেটা জিগ্যেস করার আর ভরসা পেলাম না। থোরাটকে বললাম, ক্যামেরা রেডি হলে পর জানাব, তারপর যেন বাঘ বার করা হয়। এর আগে মফঃস্বলের সার্কাসের বাঘের নমুনা দেখেছি; সে সব বাঘকে দেখলে কষ্ট হয়। ছোট একটা খাঁচার মধ্যে জ্বোরো রুগীর মতো বসে ধুঁকছে, তাদের দিয়ে যে কী করে খেলা দেখানো হয় তা মাথায় আসে না। কিন্তু ভারত সার্কাসের দু’টো বাঘই দিব্যি হৃষ্টপুষ্ট জোয়ান।

    তেপায়া স্ট্যান্ডের উপর ক্যামেরা খাড়া করে বনের যে অংশটায় বাঘ দেখা যাবে সেই দিকে মুখ করে থোরাটকে খবর দেওয়া হল। যারা শুটিং দেখতে এসেছিল তাদের ক্যামেরার পিছন দিকে একটু দূরে পাঠিয়ে দেওয়া হল। আমাদের পিছনোর উপায় নেই, গুপী বাঘাকেও থাকতে হবে ক্যামেরার সামনে হাত পাঁচেক দূরে, কারণ বাঘ ও গুপী-বাঘাকে অন্তত একবার একই শট্-এ একসঙ্গে না দেখালে দৃশ্য জমবে না।

    ইতিমধ্যে বাঘ যেখানে এসে ঘোরাফেরা করবে তার হাত বিশেক ডান দিকে থোরাটের দু’জন সহকারীর একজন একটি পাঁচ ফুট লম্বা মজবুত লোহার শিক মাটিতে পুঁতে ফেলেছে। শিকের পাঁচ ভাগের তিন ভাগ মাটির নীচে, বাইরে বেরিয়ে আছে দু’ ভাগ।

    তারপর লম্বা লোহার তারের একটা দিক শিকের সঙ্গে বেঁধে অন্য দিকটা থোরাট সাহেবের প্রিয় বাঘের গলায় পরানো বাঘছালের বকলসে লাগিয়ে দেওয়া হল।

    আমরা রেডি। খাঁচার হুড়কো টেনে খুলে ফেলা হল। দু’-একবার ডাক দিতেই বাঘবাবাজি খাঁচা থেকে লাফ দিয়ে নামলেন খোলা জমিতে। তারপর যে ব্যাপারটা হল সেটা আমাদের সকলের কাছেই একেবারে যোলো আনা অপ্রত্যাশিত। থোরাটও যে এটা আশা করেনি সেটা তার হতচকিত হিমসিম ভাব দেখেই বুঝতে পারছিলাম। বাঘ খাঁচা থেকে নেমেই প্রচণ্ড উল্লাসে লাফ ঝাঁপ শুরু করে দিয়েছে, আর থোরাটমশাই হাতে ধরা তারের টানে একবার এদিকে একবার ওদিকে হেঁচড়ে যাচ্ছেন, মনে হচ্ছে যে কোনও মুহূর্তে ধরাশায়ী হয়ে পড়বেন।

    আর আমরা? আমরা যে কী করব তা বুঝতে পারছি না। এও একরকম পড়ে পাওয়া সার্কাস আর কি! কিন্তু আমরা তো সার্কাস দেখতে আসিনি। তিন ঠ্যাঙের উপর ক্যামেরাটা অকেজো হয়ে বোকার মতো বনের দিকে চেয়ে আছে, যে দিকে যাবার কোনও লক্ষণই দেখা যাচ্ছে না বাঘের মধ্যে।

    মিনিট পাঁচেক লম্ফঝম্পের পর বাঘ খানিকটা শান্ত হলেন। থোরাট এবং তাঁর দুই সহকর্মীর চেহারা দেখবার মতো। এরই ফাঁকে থোরাট ফ্যাকাশে মুখে কোনও রকমে বুঝিয়ে দিলেন, এ বাঘ নাকি সার্কাসে জন্মেছে, খাঁচার বাইরে কোনও দিন যায়নি, বোধহয় এখানে এসে তার স্বাভাবিক বাসস্থানের আমেজ পেয়েই তার মনে এত স্ফুর্তি জেগে উঠেছে।

    বাঘ ঠাণ্ডা হবার পর শট্ তো নেওয়া হল, কিন্তু তারপর আর এক কাণ্ড। খাঁচার খোলা দরজার সামনে মাটিতে টুল রাখা হয়েছে, থোরাট হুকুম করলেই বাঘ লাফ দিয়ে মাটি থেকে টুলে, টুল থেকে খাঁচায় ঢুকে যাবে, থোরাটের ঘাম বেরিয়ে যাচ্ছে, অথচ বাঘের দিক থেকে খাঁচায় ফিরে যাবার কোনও আগ্রহই প্রকাশ পাচ্ছে না। তার বদলে তিনি একটি বাঁশঝাড়ের নীচে বসে একটি কচি বাঁশের ডগা চিবিয়ে খাওয়া যায় কিনা সেটাই একমনে পরখ করে দেখছেন।

    থোরাটের হাবভাবে বুঝলাম সে এরকম সমস্যার সামনে কখনও পড়েনি। এর মধ্যে আমাদের সাহস অনেকটা বেড়ে গেছে। যে বাঘ বাঁশ চিবিয়ে খায়, সে আর যাই হোক মানুষখেকো নয় নিশ্চয়ই। ক্যামেরাতে কিছু ফিল্ম বাকি ছিল, সেটাকে বাঘের একদম কাছে নিয়ে গিয়ে তার এই অদ্ভুত অব্যাঘ্রোচিত কাণ্ডকারখানার কিছুটা ছবি তুলে রাখছি, এমন সময় কী এক আশ্চর্য খেয়ালে সকলকে চমকে ধাঁধিয়ে দিয়ে দুই লাফে বুলেটের মতো তার খাঁচার ভিতর ঢুকে গেল। বাঁশঝাড় থেকে লরি পর্যন্ত এই হাত চল্লিশেক দূরত্ব পেরোতে তার সময় লেগেছিল খুব বেশি তো আধ সেকেন্ড।

    কিন্তু বাঘ খাঁচায় ঢুকে গেলেও তার সঙ্গে যে আমাদের সম্পর্ক চুকে যায়নি সেটা বুঝতে পারলাম সিউড়ির শুটিং শেষ করে কলকাতায় ফিরে এসে কয়েক দিনের মধ্যেই। বাঁশবনের দৃশ্য প্রিন্ট করে দেখা গেল যে, ক্যামেরার গণ্ডগোলে সমস্ত কাজটাই পণ্ড হয়ে গেছে, শট্‌গুলো বেশি কালো হয়ে যাওয়াতে বাঘ আর বন মিশে একাকার হয়ে গেছে।

    তা হলে কি বাঘের দৃশ্য গুপী গাইন ছবি থেকে বাদ যাবে? মোটেই না। ভারত সার্কাস এখনও আছে। আর, এবার সে বাঘকে অত দূরে যেতে হবে না, কারণ কলকাতার কাছেই বোড়াল গ্রামে ভাল বাঁশবন আছে, সে বাঁশবন আমাদের চেনা, সেখানে বিশ বছর আগে অপু দুর্গা আর ইন্দির ঠাকরুণকে নিয়ে শুটিং করেছি। এবার তার বদলে কাজ করবে গুগী, বাঘা, আর ব্যাঘ্রমশাই।

    আবার লরি এল, থোরাট এল, বাঘ এল, ইস্পাতের তার বকলস, লোহার খুঁটি এল। আর সেই সঙ্গে এল সার্কাসের শুটিং দেখতে গ্রামসুদ্ধ ছেলেমেয়ে, বুড়োবুড়ি সবাই। গতবারের বেয়াড়া ঘটনার কথা তখনও আমাদের মনে টাটকা, তাই গ্রামের লোককে বুঝিয়ে বলা হল—বেশি কাছে আসবেন না, অন্তত হাত পঞ্চাশেক দূরে থাকুন, যা দেখবার পরে ছবিতে দেখতে পাবেন।

    কিন্তু কে কার কথা শোনে? ভিড় এগিয়ে একেবারে ক্যামেরার ধারে চলে এল। এদিকে থোরাট তৈরি, এবার খাঁচার দরজা খোলা হবে। আমরাও ক্যামেরা নিয়ে তৈরি, গুপী বাঘাও তাদের জায়গায় রেডি।

    ঘটাং শব্দে খাঁচার দরজা খুলতেই এবার যেটা হল সে রকম ব্যাপার কেউ কখনও দেখেছে কি না জানি না। বাঘ লাফিয়ে বেরিয়ে একটা হুঙ্কার দিয়ে তীরবেগে চার্জ করল সোজা সেই গ্রামের দেড়শো দর্শকদের লক্ষ্য করে। বীরভূমের জঙ্গলে দেখেছিলাম ম্যাজিকের মতো বাঘ এই আছে এই নেই, আর এখানে দেখলাম দেড়শো ছেলেমেয়ে বুড়োবুড়ি এই আছে এই নেই| বাঘ অবিশ্যি কলারে টান পড়ার জন্য গ্রামের লোক অবধি পৌছাতে পারেনি; কিন্তু সেটা আর আগে থেকে কে বুঝবে? এরকম পরিত্রাহি পিট্‌টান, আর তারপরে ওই অত লোকের একসঙ্গে ফ্যাকাশে মুখে থরহরি কম্প—এ কোনও দিন ভুলব না।

    আশ্চর্য, ওই এক আস্ফালনের পরেই কিন্তু বাঘ একেবারে ঠাণ্ডা। দিব্যি সুবোধ বালকের মতো থোরাটের ইশারা মেনে আমাদের বাছাইকরা জায়গায় এসে এদিক ওদিক দেখে সে আবার হেলতে দুলতে থোরাটের কাছেই ফিরে গেল। আর আমার ক্যামেরাও যে এবার কোনও গণ্ডগোল করেনি সেটা দু’দিন পরে পর্দায় ছবি দেখেই বুঝেছিলাম।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleএকের পিঠে দুই – সত্যজিৎ রায়
    Next Article আরো বারো – সত্যজিৎ রায়

    Related Articles

    সত্যজিৎ রায়

    মানপত্র সত্যজিৎ রায় | Maanpotro Satyajit Ray

    October 12, 2025
    উপন্যাস বুদ্ধদেব গুহ

    নগ্ন নির্জন – বুদ্ধদেব গুহ

    May 28, 2025
    উপন্যাস বুদ্ধদেব গুহ

    কোয়েলের কাছে – বুদ্ধদেব গুহ

    May 23, 2025
    উপন্যাস সত্যজিৎ রায়

    রবার্টসনের রুবি – সত্যজিৎ রায়

    April 3, 2025
    উপন্যাস সত্যজিৎ রায়

    বোম্বাইয়ের বোম্বেটে – সত্যজিৎ রায়

    April 3, 2025
    উপন্যাস সত্যজিৎ রায়

    রয়েল বেঙ্গল রহস্য – সত্যজিৎ রায়

    April 3, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }