Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    একেই বলে শুটিং – সত্যজিৎ রায়

    উপন্যাস সত্যজিৎ রায় এক পাতা গল্প110 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    উট বনাম ট্রেন

    তোমাদের মধ্যে যারা সোনার কেল্লা ফিল্ম দেখেছ, তারা জান যে সেখানে উটকে নিয়ে বেশ একটা মজাদার ঘটনা আছে। রহস্য-রোমাঞ্চ উপন্যাস লেখক লালমোহন গাঙ্গুলি ওরফে জটায়ু মরুভূমিতে উটের পিঠে চড়ার স্বপ্ন দেখেন। এ স্বপ্ন গল্পের শেষের দিকে আশ্চর্যভাবে ফলে যাচ্ছে। জয়সলমির যাবার পথে মন্দার বোসের চক্রান্তে ফেলুর গাড়ির টায়ার পাংচার হয়, তার ফলে ফেলু তোপ্‌সে লালমোহন পথে বসে। এমন সময় দূরে দেখা যায় উটের দল। আট মাইল দূরে রামদেওরা স্টেশনে গিয়ে অপেক্ষা করতে পারলে মাঝরাত্তিরের ট্রেনটা ধরা যাবে। ফেলু স্থির করে এই পথটুকু তারা উটেই যাবে। ফেলু তোপসের তো কোনও চিন্তা নেই—দু’জনেই স্মার্ট, দু’জনেরই খেলাধুলো ব্যায়াম করা ছিমছাম শরীর—কিন্তু জটায়ু তো নামেই জটায়ু। উটের সামনে পড়ে অ্যাদ্দিনের স্বপ্ন যে বিভীষিকা হয়ে দাঁড়িয়েছে। কী জানোয়ার রে বাবা। নেশাখোরের মতো আধবোজা ঘোলাটে চোখ, এবড়ো খেবড়ো কোদালের মতো দাঁত, ঝোলা ঠোঁট উলটিয়ে অষ্টপ্রহর কী জানি চিবোচ্ছে—আর হাঁটলে পরে সর্বাঙ্গে যা দোলানি, দেখলে মনে হয় সওয়ারের হাড়গোড় সব আলগা হয়ে যাবে। না জানি এ জানোয়ারের পিঠে চড়লে কী ভোগান্তি আছে|

    কিন্তু উপায় নেই। ফেলু তোপ্‌সে তড়াক তড়াক করে উঠে পড়ে, লালমোহন উঠতে গিয়ে প্রায় বেসামাল হয়ে কোনও রকমে ম্যানেজ করে। ফেলু উটওয়ালাদের হুকুম দেয়—‘চলো রামদেওরা’।

    উটের দল চলেছে সার বেঁধে, লালমোহন প্রমাদ গুনছে, মাঝপথে হঠাৎ তোপসের চোখ গেল—ওই দূরে ট্রেন আসছে। ওটাকে থামাতে পারলে আর রামদেওরা গিয়ে দশ ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হয় না। ছুট ছুট ছুট| উটের দল লাইনের ধারে পৌঁছে যায়, ফেলু পকেট থেকে রুমাল বার করে প্রাণপণে নাড়তে থাকে, ট্রেন সে সংকেত অগ্রাহ্য করে মরুপ্রান্তর কাঁপিয়ে চোখের সামনে দিয়ে তারস্বরে সিটি মারতে মারতে বেরিয়ে যায়। ফেলু দাঁতে দাঁত চেপে বলে ‘শাবাশ’। জটায়ু আধমরা। স্বপ্ন ভেঙে খান খান। এ শিক্ষা ভোলবার নয়। অগত্যা সবাই উটের পিঠেই চলতে শুরু করে রামদেওরা উদ্দেশে।

    এই তো গেল উটের পর্ব। ছবিতে শুধু এই দৃশ্যটি তুলতে কত কাঠখড় পোড়াতে হয়েছিল সেটা বললে ফিল্ম তৈরির এলাহি কারবারটা তোমরা কিছুটা আন্দাজ করতে পারবে।

    এটা সবাই জানে যে উট জিনিসটার অভাব নেই রাজস্থানে। গুপী গাইন ছবিতে হাল্লার সেনা দেখানোর জন্য উটের মালিক সমেত এক হাজার উট জোগাড় হয়েছিল মাত্র দু’-তিন দিনের চেষ্টায়। এ ব্যাপারে অবিশ্যি জয়সলমিরের মহারাজা আমাদের অনেক সাহায্য করেছিলেন। সোনার কেল্লায় আমাদের চাহিদা ছিল এর তুলনায় সামান্যই। কিন্তু মুশকিল এই যে, যে জায়গাটা শুটিং-এর জন্য বাছা হয়েছিল, তার ত্রিসীমানায় কোনও লোকালয় নেই। চারিদিকে ধূ ধূ করছে বালি, মাঝে মাঝে শুকনো ঘাস আর ছোট ছোট কাঁটা ঝোপ। এরই মধ্যে দিয়ে চলে গেছে মিটার গেজের লাইন; দেখলে মনে হয় যার শুরুও নেই শেষও নেই। এই রেললাইনের পাশ দিয়েই আবার চলে গেছে জয়সলমির যাবার মোটরের রাস্তা। লাইন যদি রাস্তা থেকে বেশি দূর হত তা হলে শুটিং সম্ভব হত না, কারণ জয়সলমিরে আমাদের ডেরা—সেখান থেকে মালপত্তর লোকজন নিয়ে আসতে হবে শুটিং-এর জায়গায়। উট যখন ট্রেনের দিকে ছুটে যাবে, তখন ক্যামেরাকেও ছুটতে হবে তার সঙ্গে সঙ্গে। তার মানে ক্যামেরাকে চাপতে হবে হুড খোলা জিপের উপর, আর তার মানেই রেললাইনের কাছাকাছি পিচ বাঁধানো রাস্তা চাই।

    যোধপুর থেকে জয়সলমির পর্যন্ত দেড়শো মাইল রাস্তা চষে বেড়িয়ে একটিমাত্র জায়গা পাওয়া গেল যেখানে আমরা যা যা চাইছি তার সব কিছুই আছে। জায়গাটা জয়সলমিরের প্রায় সত্তর মাইল পূবে, যোধপুরের দিকে। উটের দলকে আসতে হবে সেখান থেকে আরও সাত মাইল পূবে খাচি নামে একটা গ্রাম থেকে। উটওয়ালাদের বলে দেওয়া হল তারা যেন উটগুলোকে সাজপোশাক পরিয়ে আনে। আমরা উটকে যে চোখে দেখি, রাজস্থানের মরুদেশের লোকেরা মোটেই সে চোখে দেখে না। উট দেখে আমাদের হাসি পায়, কিন্তু তাদের পায় না। কারণ উট হল তাদের পরম বন্ধু, মরুভূমিতে একমাত্র সহায়। এই বন্ধুটিকে সাজানোর জন্য রাজস্থানীরা আদ্যিকাল থেকে যে কত রকমের কত বাহারে জাজিম ঝালর গয়নাগাটি তৈরি করে এসেছে তার হিসেব নেই। এই সব পরে উটের দল যখন বালির উপর দিয়ে সার বেঁধে চলে, তখন তারা এই রুক্ষ প্রাকৃতিক পরিবেশে আশ্চর্য সুন্দরভাবে খাপ খেয়ে যায়। দেখলে মনে হয় ঘোড়া বা হাতি বা অন্য কোনও জানোয়ার হলে নিশ্চয়ই এতটা মানানসই হত না। যাই হোক, উটওয়ালারা কথা দিল যে তারা দুপুরেই এসে পৌঁছে যাবে। আমাদের লোক শুটিং-এর জায়গায় অপেক্ষা করবে, নইলে উটওয়ালাদের পক্ষে জায়গা চিনে বার করার কোনও উপায় থাকবে না।

    উট তো হল, এবার ট্রেনের ব্যাপার। যোধপুর থেকে একটা সকালের ট্রেন সত্তর মাইল দূরে পোকরান অবধি যায়। আমরা সেই ট্রেনটাকেই ব্যবহার করব বলে ঠিক করেছিলাম। পোকরান হল যোধপুর আর জয়সলমিরের মাঝামাঝি। আমাদের বাছাই করা জায়গাটা অবিশ্যি পোকরান ছাড়িয়ে আরও ২০ মাইল পশ্চিমে, তাও আমাদের ভরসা ছিল যে রেলের কর্তাদের বলে সেই ট্রেনটাকেই আমরা আমাদের কাজের জায়গা অবধি এগিয়ে নেব।

    আমরা শুটিং-এর জোগাড় করে তৈরি হয়েছি, এমন সময় একটা ভয়াবহ ঘটনা আমাদের রক্ত জল করে দিল। কয়লার দাম বেড়ে যাওয়াতে রেলের কর্তৃপক্ষ দিনের ট্রেনটিকে এক দিনের নোটিসে দিলেন বাতিল করে| সর্বনাশ| ফেলুর দল উটের পিঠে করে ছুটে গিয়ে ট্রেন থামানোর চেষ্টা করছে-আমার এই সাধের দৃশ্য কি ছবিতে স্থান পাবে না? এ হতেই পারে না।

    সেই দিনই রেলের কর্তাদের সঙ্গে দেখা করলাম। তাঁদের সমস্ত ব্যাপারটা বুঝিয়ে বললাম, এই দৃশ্যটা তুলতে না পারলে আমাদের এত খরচ করে রাজস্থানে আসাটাই মাটি হয়ে যাবে। আমাদের কপাল ভাল যে কর্তাদের মধ্যে রসিক লোকের অভাব ছিল না। তাঁরা ব্যাপারটা বুঝলেন এবং বুঝে যে ব্যবস্থা করলেন তা হল এই—তাঁরা আমাদের ব্যবহারের জন্য একটি আস্ত ট্রেন দেবেন যাতে থাকবে থার্ড ক্লাস, ফাস্ট ক্লাস মেশানো ছ’টি বগি, গার্ডের গাড়ি, কয়লার গাড়ি ও ইঞ্জিন; ট্রেন চালু করতে যা কয়লা লাগবে তার খরচ দেব আমরা। ব্যাস, সমস্যা মিটে গেল। সত্যি বলতে কি, আমার মতে এটা হল শাপে বর, কারণ এ ট্রেনটা থাকবে আমাদের হাতের মুঠোয়। নির্দিষ্ট কয়েক ঘণ্টা সময়ের মধ্যে আমরা সেটাকে নিয়ে এগোনো পিছনো থামানো চালানো যা ইচ্ছে তাই করতে পারব।

    ঠিক হল পোকরান স্টেশনে এসে ট্রেন আমাদের জন্য অপেক্ষা করবে। আমরা জয়সলমির থেকে একশো মাইল রাস্তা মোটরে গিয়ে ট্রেনে চাপব। ট্রেন রওনা হবে আমাদের উটের দৃশ্যের জন্য বাছাই করা জায়গার দিকে। ফেলু তোপসে জটায়ু অপেক্ষা করবে সেখানে। যাবার পথে আমরা ট্রেনের কামরায় শুটিং করব মুকুল আর বর্মনকে নিয়ে। বর্মন মুকুলকে নিয়ে জয়সলমির যাবার পথে ঝিমিয়ে পড়েছে, আর মুকুল তন্ময় হয়ে জানালা দিয়ে বাইরের দৃশ্য দেখছে।

    এ ছাড়া যাবার পথে আরও একটা জিনিস তোলার ইচ্ছে আছে। ক্যামেরা নিয়ে কয়লার গাড়িতে গিয়ে চাপব, সেখান থেকে ইঞ্জিনের ছবি তুলব—সামনেই চোঙা দিয়ে কালো ধোঁয়া বেরোচ্ছে, আর তার মধ্যে দিয়ে সমান্তরাল রেললাইন একেবারে দিগন্ত পর্যন্ত চলে গেছে।

    প্রথম গণ্ডগোলটা হল পোকরানে। ট্রেন আসার কথা এগারোটার সময়, এল আড়াইটার পর। কাজের সময় যেখানে আগে থেকে হিসেব করে ভাগ করা থাকে, সেখানে দশ-পনেরো মিনিট এদিক ওদিক হলেই হিমসিম খেতে হয়, আর এ তো তিন ঘণ্টার ব্যাপার। এই নিয়ে কথা কাটাকাটি করলে আরও মূল্যবান সময় নষ্ট হবে, তাই আমরা চটপট মালপত্র নিয়ে কামরায় উঠে গাড়ি চালু করে দিলাম।

    মুকুল আর বর্মনকে নিয়ে কামরার ভিতরের কাজটা নির্ঝঞ্ঝাটে হয়ে গেল। তারপর গাড়ি থামিয়ে আমরা জনা তিনেক গিয়ে উঠলাম কয়লার গাড়িতে। সেখানে কয়লার স্তুপ ছাড়া কিছুই নেই, তাই সেই স্তুপের ওপরেই দাঁড়িয়ে ক্যামেরা হাতে নিয়ে রেডি হয়ে আবার ট্রেন চালু করে দেওয়া হল। ক্রমে গাড়ির স্পিড বাড়লে পর ক্যামেরাও চলতে শুরু করল। ইঞ্জিনে ড্রাইভার ছাড়াও আর একজন লোক থাকে, সে হল স্টোকার। তার কাজ হল একটি অতিকায় খোন্তায় কয়লা তুলে বয়লারে ঢালা। ঢাললেই বয়লারের আগুন গন গন করে জ্বলে ওঠে, আর সেই সঙ্গে চোঙা দিয়ে ভস ভস করে কালো ধোঁয়া বেরোয়।

    আমার হাতে ক্যামেরা, কয়লার উপর পা দিয়ে কনুই দুটোকে ইঞ্জিনের ছাতে ভর করে দাঁড়িয়ে ছবি তুলছি। তারই মধ্যে কেন যে মাঝে মাঝে পা হড়কে টাল হারিয়ে ফেলছি সেটা বুঝতে পারছি না। শট্ নেওয়ার পরে বুঝলাম, আমি কয়লার স্তুপের সামনের দিকে দাঁড়ানোর ফলে স্টোকারবাবু বাধ্য হয়ে আমার ঠিক পায়ের তলা থেকেই কয়লা তুলে নিচ্ছিলেন। বুঝলাম একেই বলে পায়ের তলা থেকে মাটি সরে যাওয়া|

    এই কয়লার গাড়িতে করেই আমরা উটের শুটিং-এর জায়গায় পৌঁছে গেলাম। উট সমেত বাকি দল সেখানে অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছে। কেবল যে জিনিসটি না হলে ছবি তোলা যায় না, সেটিকে আর ধরে রাখা যায়নি। সেটি হল সূর্যের আলো। পশ্চিম দিগন্তে মামার আধখানা উঁকি মারছে, নতুন জায়গায় ক্যামেরা বসাতে বসাতে তিনি যে একেবারেই ডুব দেবেন তাতে কোনও সন্দেহ নেই।

    উট, ট্রেন, সব যে যার ঘরে ফিরে গেল, তবে যাবার আগে ঠিক হয়ে গেল পরদিন আমরা আবার এই একই জায়গায় জমায়েত হচ্ছি দুপুর আড়াইটার সময়। ট্রেনও পোকরানে না থেকে সোজা চলে আসবে এইখানে।

    আগেই বলেছি যে আমাদের ডেরা ছিল জয়সলমিরে। মুকুলের সোনার কেল্লা থেকে আধ মাইল দূরে একটি ছোটখাটো প্রাসাদের মতো গেস্টহাউসে আমাদের ত্রিশ-পঁয়ত্রিশ জনের থাকার ও খাওয়ার ব্যবস্থা হয়েছিল। পরদিন ভোরে উঠে আমরা প্রথমে গেলাম কেল্লার ভিতরে শুটিং করতে। ঘণ্টা তিনেক ধরে সেখানে ছবির শেষ দৃশ্যের কিছু শট্ নেওয়া হল। তারপর তাড়াতাড়ি দুপুরের খাওয়া সেরে আমরা আড়াইটার মধ্যে গিয়ে হাজির হলাম উটের শুটিং-এর জায়গায়।

    গিয়ে দেখি উটের দল আগেই হাজির। এবার শুধু ট্রেন আসার অপেক্ষা। গতকালের গণ্ডগোলটাও যে শাপে বর হয়েছে সেটা বুঝলাম আকাশের চেহারা দেখে। সাদা আর ছাই রঙের টুকরো টুকরো মেঘে আকাশ ছেয়ে আছে, আর তারই ফাঁক দিয়ে ফাঁক দিয়ে সোনালি রোদ এসে পড়েছে মরুভূমির উপর। নাটকীয় দৃশ্যের পক্ষে এমন মানানসই নাটকীয় আলো গতকাল ছিল না।

    আজ ট্রেনও এসে হাজির হল ঘড়ির কাঁটায় কাঁটায়। আসার আগের মুহূর্ত পর্যন্ত সকলেরই বুক ধুকপুক করছিল, কারণ কাল সকালেই জয়সলমির ছেড়ে চলে যেতে হবে যোধপুর, আর কালই সন্ধ্যায় আমরা তলপি-তলপা গুটিয়ে রাজস্থান ছেড়ে ঘরমুখো রওনা হব। হঠাৎ যখন কানে এল ঝুক্ ঝুক্ শব্দ, তখন সবাই একসঙ্গে স্বস্তির নিঃশ্বাস ছাড়লাম।

    ট্রেন এসে থামবার পর ড্রাইভারকে সব ব্যাপারটা বুঝিয়ে দেওয়া হল। তাকে পিছিয়ে যেতে হবে সিকি মাইল। সেখান থেকে আবার রওনা হয়ে ট্রেন আমাদের দিকে এগিয়ে আসবে, সময় বুঝে আমরা সওয়ার সমেত উটের দলকে রওনা করিয়ে দেব। ক্যামেরা থাকবে হুড খোলা জিপের উপর, পিচের রাস্তা দিয়ে জিপ ঠেলে ক্যামেরাকেও উটের সঙ্গে সঙ্গে দৌড় করানো হবে ট্রেনের দিকে।

    ড্রাইভারকে সবই বোঝানো হয়েছিল, কেবল একটি জিনিস বাদে—যার ফলে আমাদের প্রথম বাজি ভেস্তে গেল। ট্রেন আসছে, উট ছুটছে, ক্যামেরাও ছুটছে; ট্রেন উটের কাছাকাছি এসে গেলে পর ফেলু যেই পকেট থেকে রুমাল বার করে হাত নেড়েছে, অমনি ঘ্যাঁ-চ করে ব্রেক কষে ট্রেন থেমে গেল। ড্রাইভারকে জিগ্যেস করতে বলল, ‘বাবু যে আমায় থামবার জন্য ইশারা করল, তাইতো থামলাম’। ড্রাইভার বেচারা তো আর জানে না যে ও জিনিসটা করলে গল্পের ঘটনা একেবারে উলটিয়ে যায। পিছোও, পিছোও— ট্রেন পিছোও, আবার সেই সিকি মাইল দূরে। উট পিছোও, ফেলু তোপসে লালমোহন পিছোও, জিপ ক্যামেরা সব পিছোও, আবার সব শুরু থেকে নতুন করে হবে। এবারে নিশ্চয়ই আর কোনও গণ্ডগোল হবে না।

    ট্রেন আবার রওনা হল। ওই যে শব্দ শোনা যাচ্ছে, ওই এসে পড়ল বলে। উটের দলকে ইশারা করে দেওয়া হল। জিপকে ঠেলার জন্য সার বেঁধে লোক তৈরি। এক ঠেলায় একদফা ঘাম ছুটে গেছে তাদের; এবার দ্বিতীয় দফা।

    ক্যামেরা চালু করার জন্য ‘স্টার্ট’ কথাটা বলতে গিয়ে জিভে আটকে গেল। ট্রেন তো আসছে, কিন্তু ধোঁয়া কই? মরুপ্রান্তরের বিশাল ঝলমলে আকাশ ট্রেনের মিশকালো ধোঁয়ায় ছেয়ে যাচ্ছে—এ না হলে দৃশ্যটা জমবে কী করে? থামাও থামাও, ট্রেন থামাও, উট থামাও, জিপ থামাও।

    দলের যত লোক যে যার কাজ ফেলে দুহাত তুলে ট্রেনের দিকে ছুটে গেল। রোক্‌কে, রোক্‌কে।

    ঘ্যাঁ-চ করে ট্রেন আবার ব্রেক কষল।

    স্টোকারবাবু নিজে শুটিং দেখার জন্য এত উদ্গ্রীব যে বয়লারের কয়লা দিতে ভুলেই গেছেন—ধোঁয়া আর হবে কোত্থেকে? এবার কিন্তু কয়লা দেওয়া চাইই চাই। তৃতীয়বার ভুল হলে আমরা পথে বসব, কারণ চারবারের বার আর আলো থাকবে না। স্টোকারের খেয়াল খুশির উপর নির্ভর না করে এবার ইঞ্জিনে আমাদের নিজেদের একজন লোক রেখে দিলাম।

    ফেলু, তোপসে আর জটায়ু উটের পিঠে চড়ে জায়গায় গিয়ে দাঁড়াল। বার বার তিনবার শট্ নেওয়াতে একটা লাভ হবে জানি—সওয়ারদের আর দম বেরোনোর অভিনয় করতে হবে না। জটায়ুর অবস্থা তো দেখছি এর মধ্যেই ছেড়ে দে মা কেঁদে বাঁচি। কিন্তু দৃশ্যটা যাতে ভালভাবে তোলা হয় তা জন্য সবাই সমান ব্যগ্র, তাই পরিশ্রম হলেও কেউ সেটা গায়ে মাখছে না।

    তিনবারের পর আর কোনও দিক দিয়ে কোনও গণ্ডগোল না হওয়াতে দৃশ্যটা নিখুঁতভাবে তোলা হয়ে গেল।

    কিন্তু তার মানেই যে সেদিনের কাজ শেষ হয়ে গেল তা নয়। এই একই ট্রেন আমাদের আবার প্রয়োজন হবে আজই রাত্রে দশটার সময়। রামদেওরা স্টেশনের দৃশ্য| মাঝরাত্তিরে জয়সলমিরের ট্রেন এল, ফেলু তোপসে লালমোহন ট্রেনে চাপল, আর ট্রেন ছাড়া মাত্র রাজস্থানির ছদ্মবেশে মন্দার বোস দৌড়ে গিয়ে ফেলুদের কামরার দরজার হাতল ধরে ঝুলে পড়ল।

    সে হল আরেক পর্ব।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleএকের পিঠে দুই – সত্যজিৎ রায়
    Next Article আরো বারো – সত্যজিৎ রায়

    Related Articles

    সত্যজিৎ রায়

    মানপত্র সত্যজিৎ রায় | Maanpotro Satyajit Ray

    October 12, 2025
    উপন্যাস বুদ্ধদেব গুহ

    নগ্ন নির্জন – বুদ্ধদেব গুহ

    May 28, 2025
    উপন্যাস বুদ্ধদেব গুহ

    কোয়েলের কাছে – বুদ্ধদেব গুহ

    May 23, 2025
    উপন্যাস সত্যজিৎ রায়

    রবার্টসনের রুবি – সত্যজিৎ রায়

    April 3, 2025
    উপন্যাস সত্যজিৎ রায়

    বোম্বাইয়ের বোম্বেটে – সত্যজিৎ রায়

    April 3, 2025
    উপন্যাস সত্যজিৎ রায়

    রয়েল বেঙ্গল রহস্য – সত্যজিৎ রায়

    April 3, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }