Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    এক ডজন একজন – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    মুহম্মদ জাফর ইকবাল এক পাতা গল্প145 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ১০. যখন সবাই আতংকিত

    ১০. যখন টিটন আর মিঠুনকে কিডন্যাপ করে সবাইকে আতংকিত করে ফেলেছে।

    রিতু মনে মনে আশা করেছিল যে মিঠুন আর টিটন আসলে ইব্রাহীম চাচার সাথেই আছে, অশিক্ষিত একটা মানুষ মিছি মিছি তাদের ভয় দেখাতে চেষ্টা করছে। কিন্তু যখন সে দেখল গেস্টহাউজ থেকে ইব্রাহীম চাচা একা লম্বা লম্বা পা ফেলে প্রায় ছুটে আসছে তখন সে বুঝল আসলে তারা সত্যি সত্যি বড় বিপদে পড়েছে। তাদের আল্লু আম্মুরা যে তাদের প্রথমে আসতে দিতে চাননি তার কারণটা এখন সে হঠাৎ করে বুঝতে পারে।

    ইব্রাহীম রিতু তিতু আর টিয়ার কাছে এসে তাদের কাছ থেকে খবর নিল, তারপর ভুল বানানে লেখা অশিক্ষিত মানুষের চিঠিটা কয়েকবার পড়ল। রিতু দেখতে পেলো দেখতে দেখতে ইব্রাহীমের কপালে বিন্দু বিন্দু ঘাম জমে উঠেছে। গ্রামের রাস্তায় মানুষজন খুব কম, যে কয়জন এসেছে ইব্রাহীম তাদের সবাইকে জিজ্ঞেস করল তারা আট বছর আর বারো বছরের দুইজন কমবয়সী ছেলেকে দেখেছে কী না। কেউ দেখেনি। কথা শেষ করে কোনো মানুষই চলে গেল না, তারা সবাই দাঁড়িয়ে রইল এবং দেখতে দেখতে গ্রামের অনেক মানুষের ভীড় হয়ে গেল। দুইজন বাচ্চাকে কিডন্যাপ করে অন্যদেরকে গ্রাম ছেড়ে চলে দেওয়ার জন্য হুমকি দিয়েছে ব্যাপারটা গ্রামের কোনো মানুষ মেনে নিতে পারছে না। গ্রামের মানুষেরা এটা তাদের গ্রামের জন্য একটা কলংক হিসেবে মনে করছে।

    তখন তখনই কম বয়সী অনেকেই গ্রামের এদিকে সেদিকে গিয়ে টিটন আর মিঠুনকে খোঁজাখুজি শুরু করল। তবে বেশিরভাগ মানুষই কী করা উচিৎ ছিল সেই ব্যাপারে বড় বড় লেকচার দিতে থাকল। বয়স্ক কয়েকজন মানুষ এখন কী করা উচিৎ সেটা নিয়ে নিজেদের মাঝে কথা বলে ঠিক করল সবার আগে তাদের মাস্টার সাহেবের সাথে পরামর্শ করা দরকার। মাস্টার সাহেব এই গ্রামের মান্যগণ্য মানুষ, কাছাকাছি একটা প্রাইভেট কলেজে বাংলা পড়ান। তখন তখনই একজন মাস্টার সাহেবকে খবর দেওয়ার জন্য ছুটে গেল। অন্যরা রিতুদের নিয়ে মাস্টার সাহেবের বাড়ির দিকে রওনা দিল।

    গাছের নিচে চায়ের দোকান এবং যেটা একই সাথে একটা মনোহারী দোকান। সেখানে গিয়ে দেখা গেল মাস্টার সাহেব এর মাঝে দোকানটাতে পৌঁছে গেছেন। মাস্টার সাহেবের চোখে চশমা এবং চুলে পাক ধরেছে। দোকানের বাঁশের মাচায় বসেছিলেন, রিতুদের দেখে উঠে এলেন। এর মাঝে তিনি পুরো ঘটনাটি শুনেছেন এবারে রিতুর মুখ থেকে আরেকবার শুনলেন, তারপর মুখ কঠিন করে বললেন, এইটা রাজাকার কমান্ডার আজহার আলীর কাজ।

    ভীড় করে থাকা মানুষগুলো নিজেদের মাঝে কথা বলছিল হঠাৎ করে সবাই একেবারে চুপ করে গেল। মনে হয় একটা মশা উড়ে গেলেও শোনা যাবে। মাস্টার সাহেব চোখ থেকে চশমা খুললেন, তার পাঞ্জাবির কোনা দিয়ে চশমা পরিষ্কার করলেন তারপর থমথমে গলায় বললেন, আমি যখন কালকে খবর পেয়েছি ঢাকা থেকে কয়েকজন ছেলে মেয়ে এসে একজন মুক্তিযোদ্ধাকে খুঁজছে ইন্টারভিউ নেওয়ার জন্য তখনই মনে হয়েছে এই আজহার আলী এইটা নিশ্চয়ই পছন্দ করবে না। এই লোক আমাদের গ্রামে কিছু করতে দেয় না, কেউ একটা গান গাইলে ও বলে ইসলাম গেল ইসলাম গেল।

    ভীড়ের অনেকে মাথা নাড়ল। কয়েকজন বিড় বিড় করে কিছু একটা বলল, কী বলল ঠিক বোঝা গেল না।

    মাস্টার সাহেব আবার গম্ভীর গলায় বললেন, কালকেই আমার মনে হয়েছিল এই বাচ্চা ছেলেমেয়েগুলারে একটু সাহায্য করি, গ্রামের মানুষ তাদের সাথে থাকি যেন কেউ কিছু করতে না পারে। কিন্তু তার আগেই দেখো কী হয়ে গেল।

    রিতু অনেক কষ্টে চোখের পানি আটকে রেখে বলল, এখন কী হবে?

    মাস্টার সাহেব রিতুর মাথায় হাত রেখে বললেন, তুমি চিন্তা করো না মা। আমরা আছি। গ্রামের মানুষ মিলে আমরা তোমার ভাইদের খুঁজে বের করব।

    ভীড় করে থাকা মানুষেরাও মাথা নাড়ল। গলা উঁচিয়ে বলল, খুইজা বার করুম। খোদার কসম।

    মাস্টার সাহেব বললেন, মাথা গরম করে লাভ নাই। সবাই বের হয়ে যাও, ভাগাভাগি করে খুঁজতে থাকো। এই গ্রামের এক ইঞ্চি জায়গা বাকি রাখবা না। যদি খুঁইজা না পাই তখন আজহার আলীর বাড়িতে যাব। সবাই রেডি থেকো।

    রেডি। আমরা রেডি।

    যাও। খুঁজতে থাকো। দেরি করো না।

    ততক্ষণে অবশ্য দেরি হয়ে গেছে। মতি আর খলিল মিলে মিঠুন আর টিটনকে আজাহার আলীর চিনির বস্তা বোঝাই মহাজনী নৌকার মাঝে আটকে ফেলেছে। গ্রামের মানুষ পুরো গ্রাম তন্ন তন্ন করে খুঁজেছে কারো মাথায় আসে নাই নদীর মাঝে দাঁড়িয়ে থাকা বড় বড় মহাজনী নৌকার মাঝে খুঁজে দেখা।

    তবে কাজটা মোটেও সহজ হয় নাই। প্রথমত কথা ছিল শুধু মিঠুনকে নিয়ে আসা হবে। ভয় দেখানোর জন্য একটা বাচ্চাই যথেষ্ট। কিন্তু রিতু জোর করে মিঠুনের সাথে সাথে টিটনকে দিয়ে দেওয়ার জন্য মতি আর খলিলের হিসাবে একটু গোলমাল হয়ে গেছে। যে মানুষটা মিঠুন আর টিটনকে ইব্রাহীমের কথা বলে ডেকে নিয়ে গেছে সে এই গ্রামের কেউ না। এই গ্রামের মানুষ হলে তাকে চিনে ফেলতে পারে সেইজন্য অন্য গ্রাম থেকে মানুষ আনা হয়েছে।

    যখন জঙ্গলের ভেতর শর্টকাট মারার কথা বলে প্রায় জোর করে টিটন আর মিঠুনকে রাস্তার পাশে জংলা জায়গায় ঢুকিয়ে দেওয়া হলো তখন মতি খপ করে মিঠুনকে আর খলিল টিটনকে ধরে ফেলল। তারা যেন শব্দ করতে পারে সেইজন্য প্রথমেই তাদের মুখ চেপে ধরা হলো। টিটন বেশি ছটফট না করলেও মিঠুন মতিকে ছেড়ে দিল না। লাথি কিল ঘুষি থেকে শুরু করে খামচি কিংবা টান মেরে লুঙ্গি খুলে ফেলা থেকে শুরু করে কামড় দিয়ে কবজি থেকে এক খাবলা গোশত তুলে ফেলা কিছুই বাকি থাকল না। হুটোপুটির সময় মিঠুন যে তার মুখের চিউয়িংগামটা মতির চুলে লাগিয়ে দিয়েছে মতি সেটা তখনো জানে না। শেষ পর্যন্ত খলিল একটা রামদা বের করে টিটনের বুড়ো আঙুল কোপ দিয়ে ফেলে দেবে ভয় দেখানোর পর মিঠুন শান্ত হলো।

    মতি তার শরীরের বিভিন্ন জায়গায় হাত বুলাতে বুলাতে পাশের গ্রামের ভাড়া করে আনা মানুষটাকে বলল, তোরে না কইলাম একজনরে আনতে, দুইজন আনলি কোন আক্কেলে?

    আমি কী আনতে চাইছি? হেই মাতবর মেয়ে জোর করে পাঠাইছে।

    খলিল ফোঁস করে একটা নিশ্বাস ফেলে বলল। একদিক দিয়া তো ভালোই হইছে। এইটার আঙুল কাইটা ফালামু বলার পর ইবলিশটারে ঠাণ্ডা করানো গেছে।

    মতি তার কনুইয়ের ছাল ওঠা জায়গায় হাত বুলাতে বুলাতে মিঠুনের দিকে বিষ দৃষ্টিতে তাকাল। বলল সেইটা খুব ভুল কথা কইস নাই।

    খলিল জিজ্ঞেস করল, এখন কী করুম?

    আগে একটা চিঠি লেখ। সেই চিঠিটা ঐ ছেমড়ির হাতে দিতে হইবে। কে লিখব চিঠি?

    খলিল বলল, আমার লেখাপড়া হয় নাই, চিঠিপত্র লেখার পারি না।

    মতি বলল, একটা চিঠি লিখতে আর কতো লেখাপড়া জানতে হবে?

    খলিল বলল, তয় তুমি লিখো না কেন?

    মতি বলল, লেখাপড়া করলে তো লিখেই ফেলতাম।

    মিঠুন বলল, কাগজ দেন আমি লিখে দেই।

    মানুষগুলো মিঠুনের কথা শুনে চোখ কপালে তুলে বলল, এই ছেমড়া তুমি যদি আবার মুখ খুলো দাঁত ভাইঙ্গা দিমু।

    মিঠুনের আরো কিছু বলার ছিল, কিন্তু শেষ পর্যন্ত কিছু বলল না। পাশের গ্রামের মানুষটা বলল, ঠিক আছে কাগজটা দেও, আমি লিখে দেই।

    তখন সে চিঠিটা লিখল, মিঠুন এবং টিটন বেশ মনোযোগ দিয়ে শুনলো চিঠিতে কি লিখছে। লিখা শেষ হলে মিঠুন বলল, আমারে একটা কাগজ দিবেন? আমিও একটা চিঠি লিখি।

    মতি আবার খেঁকিয়ে উঠল, বলল, খবরদার। কইছি না মুখ খুলবি না।

    পাশের গ্রামের মানুষটা চিঠি এবং একটা লজেন্স নিয়ে চলে যাবার পর মতি আর খলিল টিটন এবং মিঠুনকে নিয়ে রওনা হলো। জংগলের ভিতর দিয়ে নদীর তীরে এসে ছোট একটা নৌকাতে মতি প্রথমে মিঠুনকে তুলে রওনা দিল। তাকে বলা হয়েছে সে যদি একটু চিৎকার করে সাথে সাথে টিটনের একটা বুড়ো আঙুল কেটে ফেলা হবে। টিটনের বুড়ো আঙুলের জন্যে মায়া করে মিঠুন চুপচাপ রইল। তা নাহলে সে মোটেও চুপ করে থাকার মানুষ না। মিঠুনকে আজহার আলীর মহাজনী নৌকায় শক্ত দড়ি দিয়ে বেঁধে রেখে মতি নৌকা নিয়ে ফিরে এল, টিটনকে নৌকায় নিয়ে যাওয়া মোটামুটি সহজ হলো, তাকে ভয় দেখানো হলো একটু খানি শব্দ করা হলে মহাজনী নৌকায় মিঠুনের একটা আঙ্গুল কোপ দিয়ে কেটে ফেলা হবে। যদি কোনো গোলমাল না করে চুপচাপ বসে থাকে তাহলে ঘণ্টাখানেকের মাঝে তাদের দুজনকে ছেড়ে দেওয়া হবে এবং তখন সবাই মিলে ঢাকা চলে যেতে পারবে।

    মহাজনী নৌকাতে দুইজনকে শক্ত দড়িতে বেঁধে পাটাতনের নিচে শুইয়ে রাখল। মুখ কাপড় দিয়ে বেঁধে রেখেছে যেন চিৎকার করতে না পারে। তারপর মতি আর খলিল ছোট নৌকাটাতে করে তীরে নেমে গেল।

    যখন মতি বৈঠা বেয়ে তীরে যাচ্ছে তখন খলিল বলল, মতি তোর মাথায় কী?

    মতি মাথায় হাত দিয়ে মিঠুনের চটচটে চিউয়িংগামটা আবিষ্কার করে। এটাকে টেনে সরানোর চেষ্টা করল এবং যতই চেষ্টা করতে থাকল সেটা ততই ছড়িয়ে যেতে থাকল। নদীর পানিতে ধোওয়ার চেষ্টা করার পর সেটা আরও পাকাপাকি ভাবে চুলে লেগে গেল। তীরে নামার পর খলিল সেটাকে কেরোসিন তেল দিয়ে সরানোর বুদ্ধি দিল। একটু কেরোসিন তেল দেওয়ার পর মাথা থেকে এক ধরনের দুর্গন্ধ বের হওয়া ছাড়া অন্য কোনো লাভ হলো না। খলিল তখন তাকে একটা নাপিতের কাছে নিয়ে গেল। নাপিত পরীক্ষা করে বলল, চুল কেটে ফেলা ছাড়া এটাকে সরানোর কোনো উপায় নেই এবং যত দেরী করা হবে সেটা ততই তার মাথায় ছড়িয়ে যেতে থাকবে। মতি কেন তার মাথায় এই জিনিসটি লাগিয়েছে নাপিত দুর্বল ভাবে সেটা জানতে চেয়েছিল কিন্তু মতির প্রচণ্ড ধমক খেয়ে সে চুপ করে গেল।

    মাথা থেকে এক খাবলা চুল চেছে ফেলার পর মতিকে অত্যন্ত অদ্ভুত দেখাতে থাকে। মতি মাথার অন্য অংশ থেকে চুল এনে এই অংশটা ঢেকে রাখার চেষ্টা করল কিন্তু কোনো লাভ হলো না। মতির ধমক খাওয়ার কারণে নাপিত আর কোনো পরামর্শ দেওয়ার চেষ্টা করল না। তখন খলিল নিজেই বলল, মতি তুই বরং মাথাটা কামিয়েই ফেল।

    মাথা কামিয়ে ফেলব?

    এক খাবলা চুল নাই, দেখে মনে হয় চুরি করে ধরা পড়েছিস সেইজন্য কেউ জোর করে চুল কেটে দিয়েছে।

    মতি শুনে মেঘ স্বরে বলল, চুপ কর হারামজাদা।

    গ্রামের লোকেরা সারা গ্রাম খুঁজেও টিটন আর মিঠুনকে খুঁজে না পেয়ে আবার মাস্টার সাহেবের বাড়িতে একত্র হয়েছে। তার বাড়ির সামনে বড় পুকুর সেই পুকুরের ঘাটে রিতু তিতু এবং টিয়াকে নিয়ে দুশ্চিন্তিত মুখে বসে আছে। কিছুক্ষণ হলো টিয়া ফুঁপিয়ে ফুঁপিয়ে কাঁদতে শুরু করেছে। টিয়াকে দেখে তিতুর চোখে পানি টলটল করছে এবং তাদের দুজনকে এভাবে ভেঙ্গে পড়তে দেখে রিতুও কী করবে বুঝতে পারছে না। ঢাকায় তাদের বাবা মাকে জানানো উচিৎ কী না রিতু ঠিক বুঝতে পারছে না। মাস্টার সাহেব তাদের সান্ত্বনা দিয়ে বলছেন, গ্রামের মানুষেরা মিলে টিটন আর মিঠুনকে বের করে ফেলবে, তার কথার উপর ভরসা করে রিতু এখনো তাদের আবু আম্মুদের জানায়নি।

    গ্রামের মানুষদের কথা শুনে মাস্টার সাহেব বললেন, সবাই চল, আমরা আজহার আলীর বাড়ি যাই।

    গ্রামের মানুষ বলল, চলেন।

    তখন প্রায় শখানেক মানুষ দল বেধে আজহার আলীর বাড়িতে রওনা দিল। মিনিট দশেকের মাঝেই তারা আজহার আলীর বাড়ি পৌঁছে যায়।

    বাড়ির সামনে শদুয়েক মানুষের হই চই শুনে আজহার আলী বের হয়ে এল এক সাথে এত মানুষ দেখে সে ঘাবড়ে যায় কিন্তু মুখে সে সাহসের একটা ভাব ধরে রেখে বলল, কী ব্যাপার, এইখানে এত চিল্লাফাল্লা কিসের?

    মাস্টার সাহেব কঠিন মুখে বলল, আপনি খুব ভালো করে জানেন চিল্লাফাল্লা কিসের। উল্টাপাল্টা কথা না বলে সোজাসুজি বলেন ছেলে দুইটারে কোথায় রাখছেন?

    আজহার আলী অবাক হবার ভান করল, ছেলে পিলে? কোন ছেলে পিলে? কার ছেলে পিলে?

    আপনি জানেন কোন ছেলে পিলে। কার ছেলেপিলে।

    আজহার আলী বলল, না আমি কিছু জানি না।

    রিতু হাতের চিঠিটা সামনে এগিয়ে দিয়ে বলল, এই চিঠিটা কে লিখেছে?

    আজহার আলী চিঠিটাতে চোখ বুলিয়ে বলল, আমি জানি না, এই চিঠি কে লিখেছে।

    রিতু হাত বাড়িয়ে চিঠিটা নিয়ে নিল, তখন আজহার আলী বলল, চিঠি যেই লেখুক অনায্য কথা তো লেখে নাই। আমাগো গেরামে ঝামেলা পাকানোর দরকার কী? অন্যগ্রামে যায় না কেন?

    উপস্থিত মানুষেরা চাপা স্বরে প্রতিবাদ করল। মাস্টার সাহেব বললেন, ঝামেলা? এইখানে কোন জিনিসটা ঝামেলা?

    আজহার আলী বলল, চিঠিতে লিখেছে পোলাপান চলে গেলেই ছেলে দুইটারে ছেড়ে দিবে। তাহলে পোলাপান যায় না কেন? আমাগো গেরামে কী এমন মধু যে এইখানে থাকতে হবে?

    টিয়া তখন হঠাৎ তার রিনরিনে গলায় বলল, আপনি তো চিঠিটা পড়েন নাই, খালি হাতে নিয়ে ফেরত দিয়েছেন। চিঠিতে কী লেখা আছে সেইটা কেমন করে জানলেন?

    গ্রামের লোক হই হই করে উঠল, বলল, এই মেয়েতো সত্যি কথাই বলেছে। চিঠি তো পড়েই নাই কেমন করে জানে এইখানে কী লেখা? কেমন করে জানে?

    আরেকজন বলল, নিজে লিখেছে জানবে না কেন?

    আরেকজন বলল, লেখাপড়া জানে কিনা দেখো। মনে হয় লিখতেও জানে না পড়তেও জানে না।

    মানুষজন এতো জোরে হই চই করতে থাকে যে আজহার আলী ভয় পেয়ে যায়। মাস্টার সাহেব হাত তুলে সবাইকে শান্ত করলেন, তারপরে মেঘ স্বরে বললেন, এক্ষুণি বলেন, ছেলে দুইটা কোথায়?

    আজহার আলী বলল, আমি জানি না।

    তাহলে কে জানে?

    গ্রামের একজন বলল, এর দুইজন সাঙ্গাত আছে মতি আর খলিল, তাগো ডাকেন। তারা নিশ্চয়ই জানে।

    মাস্টার সাহেব জিজ্ঞেস করলেন, হ্যাঁ। মতি আর খলিল কই?

    আজহার আলী বলল, মতি আর খলিল কই আমি কেমন করে জানুম। হেরা থাকে তাদের মতন।

    আজহার আলী কথা শেষ না করতেই ভীড় ঠেলে মতি আর খলিল এগিয়ে আসে। গলা উঁচিয়ে মতি আজহার আলীকে জিজ্ঞেস করল হুজুর কুনো সমস্যা? এইখানে ফালতু মানুষের ভীড় কিসের লাইগা?

    মতির বেয়াদপের মতো কথা শুনে সবাই আরো রেগে ওঠে। একজন হুংকার দিয়ে কিছু একটা বলতে চাচ্ছিল তখন হঠাৎ আরেকজন হি হি করে হেসে উঠে বলে, আরে মইত্যা তুই কী চুরি কইরা ধরা পড়ছস নাকী? খালি চুলের গোছা কাটছে নাকী ধইরা মাইরও দিছে?

    মতি চোখ পাকিয়ে কিছু একটা বলতে যাচ্ছিল তার আগেই তিতু চিৎকার করে বলল, চিউয়িংগাম! চিউয়িংগাম! মিঠুন নিশ্চয়ই এর মাথায় চিউয়িংগাম লাগিয়ে দিয়েছে! মিঠুন সব সময়ে এই ভাবে মাথায় চিউয়িংগাম লাগিয়ে দেয়।

    সাথে সাথে রিতু আর টিয়াও চিৎকার করতে লাগল, নিশ্চয়ই এরা মিঠুনকে ধরে নিয়ে গেছে। মিঠুন তখন চিউয়িংগাম খাচ্ছিল, এর মাথায় চিউয়িংগাম লাগিয়েছে! এরা মিঠুন আর টিটনকে ধরেছে!

    মিঠুন আর টিটনকে ধরার মাঝে মাথার এক খাবলা চুল না থাকার কী সম্পর্ক কেউ ভালো করে বুঝতে পারল না কিছু সেটা নিয়ে কেউ মাথা ঘামালো না। গ্রামের লোক ঝাঁপিয়ে পড়ে মতি আর খলিলকে ধরে ফেলল।

    এরপর কী হতো কেউ জানে না, কিন্তু পৃথিবীর সপ্তমাশ্চর্যের এক আশ্চর্য ঘটে যাওয়ার কারণে সবাই থেমে গেল। সবাই অবাক হয়ে দেখল মিঠুন আর টিটন হেলতে দুলতে আসছে। মিঠুনের ঘাড়ে একটা বন্দুক। তাদের বয়সী একটা ছেলে পথ দেখিয়ে মিঠুন আর টিটনকে আজহার আলীর বাড়িতে আনছে।

    আজহার আলী মিঠুনের ঘাড়ের বন্দুকটা চিনতে পারল এটা তার বেআইনী অস্ত্র। তাই বাড়িতে রাখে না, তার মহাজনী নৌকায় ছইয়ের নিচে লুকানো থাকে। এই ছেলে দুইটা যেহেতু বন্দুকটা খুঁজে পেয়েছে তার সাথে আরো অনেক কিছু নিশ্চয়ই খুঁজে পেয়েছে। সর্বনাশ!

    আজহার আলী ঘামতে থাকে। গ্রামের মানুষজন যে হঠাৎ করে ভয়ংকর উত্তেজনায় চিৎকার শুরু করেছে সেটাও সে ভালো করে শুনতে পায় না।

    হঠাৎ করে আজহার আলীর বাথরুম পেয়ে যায়।

    টিটন এবং মিঠুন তার মহাজনী নৌকায় কী করে এসেছে সেটা জানলে সে নিশ্চিত ভাবেই বাথরুম করেই ফেলতো।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleকাবিল কোহকাফী – মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    Next Article আমার সাইন্টিস মামা – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    Related Articles

    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    ছোটগল্প – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    সাদাসিধে কথা – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    মেকু কাহিনী – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    আমার বন্ধু রাশেদ – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    সায়েন্স ফিকশান সমগ্র ১ – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    টুনটুনি ও ছোটাচ্চু – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }