Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    এক ডজন একজন – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    মুহম্মদ জাফর ইকবাল এক পাতা গল্প145 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ১১. যখন এ্যাডভেঞ্চারের গল্প

    ১১. যখন মিঠুনের কাছ থেকে সবাই তাদের এ্যাডভেঞ্চারের গল্প শুনেছে।

    মাস্টার সাহেবের পুকুর ঘাটে সবাই বসেছে। মাস্টার সাহেব রীতিমতো জোর করে রিতু এবং তার ভাইবোনদের তার নিজের বাড়িতে নিয়ে এসেছেন। মাস্টার সাহেবের স্ত্রী নিজে অনেক কিছু রান্না করেছেন, সবাই সেগুলো হই চই করে খেয়েছে (মাংস অনেক ঝাল ছিল কিন্তু বাচ্চারা সেটা কাউকে বুঝতে দেয় নাই।) খাওয়ার পর সবাই পুকুরের ঘাটে এসে বসেছে। টিটন এবং মিঠুন তারা কীভাবে পালিয়ে এসেছে সবার কাছে সেই গল্প করছে। গল্পটা অবশ্যি এর মাঝে কয়েকবার করা হয়ে গেছে কিন্তু প্রত্যেকবার যেহেতু গল্পের ডালপালা ছড়াতে থাকে তাই নূতন করে শুনতে কোনো সমস্যা হচ্ছে না। সবাই আগ্রহ নিয়ে শুনছে। পুকুরঘাটে মিঠুন এবং টিটন যেভাবে ঘটনাটা বর্ণনা দিয়েছে সেটার বিশ্বাসযোগ্য অংশটা এরকম :

    মিঠুনকে ইব্রাহীম ডেকে পাঠিয়েছে বলে একটা মানুষ প্রথমে তাদের কাছে এসেছিল, সেই মানুষটা বুঝতে পারে নাই রিতু মিঠুনের সাথে টিটনকেও পাঠিয়ে দেবে। দুইজন হওয়ার কারণে মানুষগুলোর একটু যন্ত্রণা বেশি হয়েছে। তাদেরকে জঙ্গলের ভিতরে ঠেলে ঢুকিয়ে দেওয়ার সাথে সাথে দুইজন মানুষ তাদেরকে ধরে ফেলেছে। তারা যেন চিৎকার দিতে না পারে সেইজন্য মানুষগুলো প্রথমেই তাদের মুখ চেপে ধরেছে টিটন ভদ্র ছেলে কিছু করে নাই, কিন্তু মিঠুন মুখ থেকে চিউয়িংগামটা বের করে মানুষটার হাত কামড়ে তার বারোটা বাজিয়ে দিয়েছে। মিঠুনকে চিৎকার করতে দেয় নাই কিন্তু মানুষটা নিজে যন্ত্রণায় গলা ফাটিয়ে চিৎকার করেছে। মিঠুন তাকে কিল ঘুষি মেরেছে, খামচি দিয়ে চোখে গুলো তুলে নেওয়ার চেষ্টা করেছে। অসুবিধা জায়গায় লাথি মেরেছে এক কথায় মানুষটার বারোটা বাজিয়ে দিয়েছে। শুধু তাই না, হুটোপুটি করার সময় তার মাথার চুলে চিউয়িংগাম লাগিয়ে দিয়েছে।

    মিঠুন একটুও ভয় পায় নাই এবং সে খুব ভালো করে জানে সে তাদের নাস্তানাবুদ করে ছেড়ে দিবে। শুধু টিটুনের বুড়ো আঙ্গুল রামদা দিয়ে কোপ দিয়ে আলাদা করে দেবে বলার পর সে একটু শান্ত হয়েছে। মিঠুন বলেছে বুড়ো আঙ্গুল খুবই জরুরি আঙুল, এই আঙুল না থাকলে কিছু করা যায় না, সেইজন্য সে ছেড়ে দিয়েছে। অন্য কোনো আঙুলের ভয় দেখালে সে শান্ত হতো না। (গল্পের এই অংশে টিটন খুবই বিরক্ত হয়েছে যে মিঠুন তার অন্য যে কোনো আঙুল কেটে ফেলে দেওয়া নিয়ে মোটেও চিন্তিত ছিল না।)

    যাই হোক মানুষগুলো তাদেরকে আজহার আলীর মহাজনী নৌকায় তুলেছে, তাদের হাত বেঁধে পাটাতনের নিচে রেখে নেমে গেছে। মানুষগুলো নৌকা থেকে নামার আগেই মিঠুন তার হাত পায়ের বাঁধন খুলে ফেলেছিল। মিঠুন কীভাবে সেটা করেছে সেটা সবাইকে করে দেখালো। মানুষগুলো যখন তাকে বাঁধে তখনই সে তাদেরকে শক্ত করে বাঁধতে দেয় নাই, হাত পা গুলো জোর করে ছড়িয়ে রেখেছে, যখনই বাঁধতে চেষ্টা করেছে সে অনেক জোরে চিৎকার করেছে। মানুষগুলো ধারণা করেছে তারা এত জোরে বেঁধেছে যে ব্যথায় চিৎকার করছে।

    মানুষগুলো চলে যাবার পর সে প্রথমে একটা হাত ছুটিয়ে এনেছে, সেটা দিয়ে হাতের বাঁধন খুলেছে, তারপর পায়ের বাঁধন খুলেছে। মিঠুন নিজেকে ছোটানোর পর টিটনকে ছুটিয়েছে তারপর মাথার উপর ঢেকে রাখা কাঠ সরিয়ে পাটাতন থেকে বের হয়ে এসেছে। পাটাতন থেকে বের হয়ে দুইজন মিলে নৌকাটা খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে দেখেছে। নৌকাটা চিনির বস্তা দিয়ে বোঝাই। ছইয়ের কাছে একটা চাটাই দিয়ে ঢাকা একটা জায়গায় একটা বন্দুক এবং কয়েকটা কার্তুজ খুঁজে পেয়েছে। মিঠুন বন্দুকে একটা কার্তুজ ঢুকিয়ে আকাশের দিকে একটা ফাঁকা গুলি করতে চেয়েছে কিন্তু টিটন তাকে সেটা করতে দেয় নাই।

    নৌকার ভিতরে অনেক রকম জঙ্গিদের বই ছিল, বেশ কয়েকটা দা এবং চাইনিজ কুড়াল। কাগজপত্র এবং চিঠি, চিঠিতে অনেক বানান ভুল সেইজন্য তারা পড়ার আগ্রহ দেখায় নাই। নৌকায় মাঝে লুঙ্গি, পাঞ্জাবি, গামছা এইরকম কিছু কাপড় জামা এবং একটা লম্বা নল লাগানো হুঁকো খুঁজে পেয়েছে। কোটা দেখে মিঠুনের কিছু মনে হয় নাই কিন্তু টিটন আনন্দে লাফাতে লাগল। সে নাকী হুঁকোর লম্বা নল দিয়ে কীভাবে এই মহাজনী নৌকাটা ডুবিয়ে দেবে।

    মিঠুন মোটেও টিটনের কথা বিশ্বাস করে নাই কিন্তু সত্যি সত্যি হুঁকোর নলটা পানিতে ভরে নদীতে এক মাথা আর নৌকার ভিতরে আরেক মাথা রেখে টিটন কী যেন করে ফেলল তখন নদীর পানি নৌকার ভিতর এসে পড়তে নাগল।

    (গল্পের এই জায়গায় টিটন সবাইকে বলল, এইভাবে উঁচু জায়গা থেকে নিচু জায়গায় পানি ফেলার পদ্ধতির নাম সাইফন এবং সাইফন কীভাবে কাজ করে সে সেইটাও বোঝানোর জন্যে রেডি ছিল কিন্তু যারা শুনছে তাদের কারোই বিজ্ঞান নিয়ে কোনো আগ্রহ ছিল না বলে সেটা সে বোঝানোর সুযোগ পেল না।)।

    নৌকাটা অনেক বড় এবং কোর নল দিয়ে অল্প করে পানি এসে ঢুকছে, কাজেই পুরো নৌকাটা পানিতে ভরে ডুবে যেতে একটু সময় নেবে। টিটনের কোনো তাড়াহুড়ো ছিল না, এতক্ষণে নিশ্চয়ই নৌকাটা ডুবে গেছে। তবে নৌকাটা ডুবে গেলে নৌকাতে রাখা চিনির বস্তাগুলো যখন নদীর পানিতে গলে যাবে তখন পুরো নদীর পানি নিশ্চয়ই মিষ্টি হয়ে যাবে। আজহার আলীর নিশ্চয়ই অনেক ক্ষতি হয়ে যাবে কিন্তু এগুলো নাকী চোরাচালানি করে আনা চিনি, এভাবেই এগুলোর নদীর পানিতে গলে যাওয়াই উচিৎ।

    মহাজনী নৌকাটা প্রায় নদীর মাঝখানে নোঙর করে রেখেছিল। সেখান থেকে তীরে আসতে তাদের খুব বেশি ঝামেলা হয় নাই। নদীতে অনেক নৌকা চলাচল করে তাদের হাত তুলে ডেকে অনুরোধ করতেই তাদের তীরে নামিয়ে দিয়েছে। তারা টাকা দিয়ে নৌকার ভাড়া দিতে পারে নাই তবে টাকার বদলে মাঝিকে দুই গামলা চিনি দিয়েছে।

    তীরে এসে একটু খোঁজখবর করতেই একজন জানিয়েছে রিতু তিতু আর টিয়া মাস্টার সাহেবের সাথে আজহার আলীর বাড়িতে গেছে তখন একজন তাদেরকে আজহার আলীর বাড়ি নিয়ে গেছে।

    মিঠুনের খুব সখ ছিল, বন্দুকটা যেহেতু সে খুঁজে পেয়েছে সে এটা নিজের কাছে রেখে দেবে। কিন্তু মাস্টার সাহেব রাজী হন নাই। বন্দুকটা মিঠুনের হাত থেকে নিয়ে থানায় পাঠিয়ে দিয়েছেন।

    টিটন আর মিঠুন কিডন্যাপ হয়েছে আবার ছাড়াও পেয়েছে, আজহার আলী অনেক বিপদের মাঝে আছে, মতি আর খলিল রীতিমতো গ্রামের মানুষের পা ধরে কান্নাকাটি করছে, আজহার আলীর চোরাচালানি করে আনা চিনি বোঝাই মহাজনী নৌকা নদীতে ডুবে গেছে, নদীর পানি সরবতের মতো মিষ্টি, এক কথায় বলা যেতে পারে সবকিছু একেবারে ম্যাজিকের মতো ঘটে যাচ্ছে। আনন্দ এবং উত্তেজনায় সবাই প্রায় ভুলেই গিয়েছিল যে তারা এখানে এসেছে ইদরিস মিয়াকে খুঁজে বের করে তার সাথে কথা বলতে। সকালবেলা গেস্টহাউজ থেকে বের হয়েছে ইদরিস মিয়ার সাথে দেখা করতে, এখন দুপুর গড়িয়ে গেছে।

    তিতু সবার আগে অন্যদের সেটা মনে করিয়ে দিল। মিঠুন যখন রংচং চড়িয়ে তার গল্পটা আবার শুরু করতে যাচ্ছিল তখন তিতু ইব্রাহীম চাচাকে বলল, ইব্রাহীম চাচা আমরা মুক্তিযোদ্ধা ইদরিস মিয়ার সাথে কথা বলতে যাব না?

    ইব্রাহীম চাচা বলল, তোমরা যদি যেতে চাও। আজকে এতো কিছু হয়েছে।

    সবাই একসাথে বলল, যাব। যাব। আমরা যাব। এখনই যাব। শুধু তাই না যাওয়ার জন্য কয়েকজন লাফ দিয়ে উঠে দাঁড়াল। তারপর মাস্টার সাহেবের বাসায় মানুষজনের কাছ থেকে বিদায় নিয়ে তারা ইসদিও মিয়ার খোঁজে রওনা দেয়।

    ইব্রাহীম চাচা এবারে সবাইকে নিয়ে নদীর তীর ঘেঁষে হাঁটতে লাগল। সবাই আজহার আলীর নৌকাটা কোথায় ছিল দেখতে চাইছিল। কিন্তু তখন সেখানে কিছু নাই, নৌকার মাস্তুলটা চেষ্টা করলে একটুখানি দেখা যায়। নদীর তীরে ঠিক হাঁটার রাস্তা নেই। জায়গাটা উঁচু নিচু, মাঝে মাঝে ছোট খাল, গাছপালা, ঝোঁপঝাড়। মাঝে মাঝে গরু ছাগল উদাস মুখে দাঁড়িয়ে আছে না হয় মনোযোগ দিয়ে ঘাস খাচ্ছে। নদীর তীরে ছোট ছোট গ্রাম, সেখান থেকে মহিলারা থালাবাসন কাপড় নিয়ে নদীর দিকে যাচ্ছে না হয়, নদী থেকে ফিরে আসছে। ছোট ছোট ছেলে মেয়েরা নদীর পানিতে লাফালাফি করছে। তাদের আনন্দ দেখে সবারই মনে হলো তারাও যেন পানিতে গিয়ে লাফিয়ে পড়ে!

    হাঁটতে হাঁটতে রিতু বলল,আমরা কী বাঁচা বেঁচে গেছি। যদি মিঠুন না হলে টিটুনের কিছু একটা হতো তাহলে আমাদের কী হতো।

    টিটন বলল, কী আর হতো? ওরা ভয় দেখাবে চাইছিল আমরা ভয় পেতাম।

    তিতু বলল, আমি অনেক ভয় পেয়েছি।

    টিয়া বলল, আমিও।

    মিঠুন বলল, আমি একটুও ভয় পাই নাই।

    রিতু হাসল, বলল এই প্রথম দুষ্টু হওয়ার একটা উপকারিতা দেখতে পেলাম, যখন ভয়ের ব্যাপার হয় তখনও ভয় পায় না।

    রিতুর কথা শুনে মিঠুন দাঁত বের করে হি হি করে হাসল।

    ১আরো মিনিট ত্রিশেক হাঁটার পর ইব্রাহীম চাচা বলল, আমরা এসে গেছি।

    এসে গেছি?

    ইব্রাহীম চাচা উত্তর দিল না। ইব্রাহিম চাচা তার আগের অবস্থায় ফিরে গেছে। দরকার না হলে এখন আর একটা কথাও বলবে না।

    ইব্রাহীম চাচা আরো খানিকদূর হেঁটে এক জায়গায় দাঁড়িয়ে গেল। তারপর একটু দূরে একটা ঝপড়া গাছ দেখিয়ে বলল, গাছের নিচে একটা চালাঘর দেখেছ? ইদরিস মিয়া এখানে থাকেন।

    ইব্রাহীম চাচা এটাকে চালাঘর বলছে কিন্তু এটা চালাও না ঘরও না। কার্ডবোর্ডের বাক্স, পলিথিনের ব্যাগ, কাঠ-কুটো, বাঁশের কঞ্চি এইসব দিয়ে কোনোমতে একটা কিছু দাঁড় করানো হয়েছে। বৃষ্টি হলে সরাসরি মাথায় বৃষ্টি পড়বে না, এছাড়া এই চালাঘরটির আর কোনো কাজে আসার কথা না। চালাঘরটির নিচে একটা বিছানা, কয়েকটা হাঁড়িকুড়ি। একটি দড়ি থেকে একটা লুঙ্গি এবং একটা রং ওঠা পাঞ্জাবী ঝুলছে। জায়গাটা নির্জন এবং ফাঁকা। আশে পাশে কেউ নেই।

    রিতু জিজ্ঞেস করল উনি কোথায়?

    ইব্রাহীম কোনো উত্তর দিল না। টিটন বলল, আমরা তো আর অ্যাপয়ন্টমেন্ট করে আসি নাই। উনাকে থাকতে হবে কে বলেছে?

    রিতু মাথা নাড়ল বলল, তা ঠিক।

    তিতু বলল, আমরা অপেক্ষা করি। জায়গাটা কী সুন্দর।

    মিঠুন নিজের ঘাড়ে থাবা দিয়ে একটা মশা মেরে বলল, খালি মশাগুলো একটু রাজাকার টাইপ!

    টিটন বলল, মশাকে দোষ দিবি না। মা মশাদের বাচ্চা জন্ম দেওয়ায় জন্য রক্ত খেতে হয়। কাজেই যতবার একটা মশা মারবি জেনে রাখিস তুই একটা মাতৃহন্তা।

    রিতু বলল, হয়েছে। এখন মশার জন্য দালালি করতে হবে না।

    ঠিক এই সময় ইব্রাহীম বলল, ঐযে, ইদরিস মিয়া আসছেন।

    কোথায়? কোথায়?

    ইব্রাহিম নিশ্চয়ই কথার উত্তর দিবে না তাই সবাই এদিক সেদিক তাকাতে থাকে। তখন দেখল পিছনে জঙ্গলের ভিতর থেকে একজন লম্বা মানুষ হেঁটে হেঁটে আসছে। মানুষটা এমনভাবে হাঁটছে যে দেখে মনে হয় সে বুঝি মাটিতে পা দিয়ে হাঁটছে না শূন্যের উপর ভাসতে ভাসতে আসছে। শুধু তাই না মানুষটাকে দেখে মনে হয় তার চারপাশে কী হচ্ছে সে কিছুই জানে না।

    মিঠুন সবার আগে এবং তার পিছু পিছু অন্য সবাই মানুষটার দিকে এগিয়ে গেল। মানুষটা কাউকে দেখল বলে মনে হলো না। সে অনেকটা আপন মনে হেঁটে হেঁটে তার বিচিত্র চালাঘরটার নিচে গিয়ে বিছানাটা টেনে বিছিয়ে দিল। একটা চাটাইয়ের উপর একটা কথা তার ওপর একটা তেল চিটচিটে বালিশ। মানুষটা সেখানে পিঠ সোজা করে বসল যেন সে কোনো একটা ধ্যান করতে বসেছে।

    বাচ্চারা কাছাকাছি গিয়ে তার সামনে হাঁটু গেড়ে বসে পড়ে। মানুষটা তাদের দিকে তাকায় কিন্তু তাদের দেখছে কী না সেটা বোঝা গেল না। রিতু গলা পরিষ্কার করে বলল, আমরা ঢাকা থেকে এসেছি।

    মানুষটা হ্যাঁ না কিছু বলল না, তাদের দিকে এক ধরনের শূন্য দৃষ্টিতে তাকিয়ে রইল। রিতু বলল, আমরা সবাই ভাইবোন। কাজিন বলতে পারেন।

    মানুষটা এবারেও কিছু বলল না। রিতু বলল, আপনি নিশ্চয়ই ইদরিস মিয়া, মুক্তিযোদ্ধা?

    এবারে মানুষটা একটু ভুরু কুঁচকে, তারপর শুকনো গলায় বলল তোমাদের কোনো একটা ভুল হয়েছে। আমি কেউ না।

    তিতু অবাক হয়ে বলল, কেউ না?

    মিঠুন হি হি করে হাসল, বলল, কেউ না কখনো হয় না। হাত দিয়ে ইদরিস মিয়াকে দেখিয়ে বলল, এই যে আপনি কেউ।

    টিটন পিছন থেকে মিঠুনের কাঁধে ধরে একটা ছোট ধাক্কা দিয়ে বলল, মিঠুন, তুই চুপ করবি?

    মিঠুন চুপ করল। রিতু বলল, আমরা ঢাকা থেকে এসেছি। আমরা আপনার সাথে একটু কথা বলতে চাই।

    মানুষটা বিচিত্র একটা দৃষ্টিতে রিতুর দিকে তাকিয়ে রইল, যখন মনে হলো কিছু বলবে না তখন হঠাৎ করে বলল, আমি কারো সাথে কথা টথা বলি না। তোমরা অন্য কোনোখানে যাও।

    তিতু বলল, কিন্তু আমরা তো আপনার সাথেই কথা বলতে চাই। অন্য কারো সাথে না।

    মানুষটা তিতুর কথার উত্তর দিল না। এতক্ষণ তাদের দিকে তাকিয়েছিল এবারে একটা নিশ্বাস ফেলে দূরে নদীর দিকে তাকিয়ে রইল। বোঝাই যাচ্ছে সে আর কথা বলবে না।

    টিয়া প্রায় কাঁদো কাঁদো গলায় বলল, আপনি আমাদের সাথে কথা বলবেন না?

    মানুষটা কোনো কথা না বলে স্থির দৃষ্টিতে নদীর দিকে তাকিয়ে রইল। ইব্রাহীম চাচা কাছাকাছি দাঁড়িয়ে ছিল, এবারে সে বলল, উনি আজকে মনে হয় কথা বলতে চাচ্ছেন না। চল, আমরা যাই।

    রিতু বলল, আপনি যান। আমরা আর কিছুক্ষণ থাকি।

    ইব্রাহীম চাচা বলল, উনাকে বিরক্ত করা ঠিক হবে না।

    রিতু বলল, আমরা বিরক্ত করব না। আমরা একটু বসে থাকি। আপনি যান।

    ঠিক আছে। আমি অপেক্ষা করি। বলে ইব্রাহীম চাচা হেঁটে হেঁটে নদীর দিকে এগিয়ে গেল। ইব্রাহীম চাচা বেশ খানিকটা দূরে যাবার পর রিতু ইদরিস মিয়ার দিকে তাকিয়ে বলল, ঠিক আছে, আপনি যদি শুধু আমাদের কথা একটু শুনেন।

    ইদরিস মিয়া নামের মানুষটা এবারে নদী থেকে চোখ ফিরিয়ে ওদের দিকে তাকালো। রিতু বলল, আমার নানার নাম ছিল আসাদ রহমান।

    ছেলেমেয়েরা সবাই দেখতে পেলো ইদরিস মিয়ার পুরো শরীরটা কেমন যেন ঝাঁকুনি দিয়ে উঠল। রিতু শান্ত গলায় বলতে লাগল, আমার নানা একজন মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধের পর আমার নানা কখনো ফিরে আসেন নাই। আমরা কেউ জানি না আমার নানার কী হয়েছে।

    হঠাৎ করে মনে হলো ইদরিস মিয়ার শরীরটা অল্প অল্প কাঁপতে শুরু করেছে। রিতু একটু অবাক হলেও কথা থামাল না, বলতে থাকল, আমরা জানতে পেরেছি আমার নানা আসাদ রহমান এই এলাকায় যুদ্ধ করেছিলেন। আপনিও এই এলাকায় যুদ্ধ করেছেন। আমরা তাই আপনার কাছে জানতে এসেছি, আপনি কী যুদ্ধের সময় আমার নানাকে কখনো দেখেছেন, নানার কী হয়েছে আপনি জানেন?

    ছেলেমেয়েরা অবাক হয়ে দেখল, ইদরিস মিয়ার সমস্ত শরীর কাঁপছে, তার দুই চোখ পানিতে ভরে উঠেছে। মানুষটা নিজের ঠোঁট কামড়ে তার চোখের পানি আটকানোর চেষ্টা করছে। পারছে না।

    তিতু সামনে এগিয়ে মানুষটার হাত ধরে ফেলল, বলল, আপনি আমার নানাকে চিনেন? নানার কী হয়েছে আপনি জানেন। তাই না? তাই না?

    মানুষটার চোখ থেকে ঝর ঝর করে পানি ঝরতে থাকে। ইদরিস মিয়া ভাঙা গলায় বলল, হ্যাঁ। আমি চিনি। আমি চৌত্রিশ বছর থেকে আসাদ ভাইয়ের কবরটা পাহারা দিচ্ছি। তোমাদের জন্য।

    টিটন বলল, আমার দাদার কবরটা কোথায় আপনি জানেন? আপনি জানেন?

    হ্যাঁ জানি। ইদরিস মিয়া একটা বড় নিশ্বাস ফেলে বলল, তোমাদের দাদা, আসাদ ভাই মারা যাওয়ার পর তার পকেটে আমি একটা ফাটো আর একটা চিঠি পেয়েছিলাম। সেই চিঠি কাকে দিব আমি জানি না। তাই আমি তোমাদের দাদার কবরের কাছে বসে আছি। আমি জানি একদিন না একদিন তোমরা আসবে।

    তিতু জিজ্ঞেস করল, আছে সেই চিঠিটা আপনার কাছে। হ্যাঁ, আছে। তোমাদের দিব।

    টিয়া বলল, দাদার কবরটা দেখাবেন আমাদের?

    দেখাব। আস আমার সাথে।

    ইদরিস মিয়া উঠে দাঁড়ালেন। তারপর লম্বা লম্বা পা ফেলে হাঁটতে থাকেন। মিঠুন গিয়ে তার হাত ধরে বলল, আমরা কী আপনাকে দাদু ডাকতে পারি?

    মানুষটা মিঠুনের দিকে তাকালো, তার মাথায় হাত রাখল, তারপর বলল, হ্যাঁ ভাই। তুমি আমারে দাদু ডাকতে পার। তোমার দাদু আমার মায়ের পেটের ভাই থেকেও বড় ভাই ছিল।

    ইদরিস মিয়া ছেলেমেয়েদের নিয়ে জঙ্গলের মতো জায়গাটাতে ঢুকলেন, গাছপালার ভেতর দিয়ে ছোট একটা হাঁটা পথ। হেঁটে হেঁটে খানিকদূর যেতেই জঙ্গলটা একটু হালকা হয়ে গেল, তারপর বেশ খানিকটা ফাঁকা জায়গা। ফাঁকা জায়গাটায় নানা রকম ঝোঁপঝাড়। তার মাঝে খানিকটা জায়গা কেউ যেন ঝেড়ে মুছে রেখেছে। একটা বকুল ফুলের গাছ তার নিচে ঘন সবুজ ঘাসের একটা গালিচা। কেউ বলে দেয়নি কিন্তু তারা সবাই বুঝে গেল এটাই আসাদ রহমানের কবর। তাদের দাদার কবর। তাদের নানান কবর।

    ইদরিস মিয়া কবরটার পাশে উবু হয়ে বসে সেখানে হাত রেখে ফিসফিস করে বলল, ভাইজান। আপনার নাতি নাতনিরা আপনারে দেখতে আসছে। আমি আপনারে বলছিলাম না, একদিন আসবেই না আসব? রিতু দেখল বোকা তিতুটা ভেউ ভেউ করে কাঁদতে শুরু করেছে। তার না হয় মনটা নরম, সে কাঁদতেই পারে। কিন্তু অন্যদের চোখও কেন ঝাপসা হয়ে আসছে?

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleকাবিল কোহকাফী – মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    Next Article আমার সাইন্টিস মামা – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    Related Articles

    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    ছোটগল্প – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    সাদাসিধে কথা – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    মেকু কাহিনী – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    আমার বন্ধু রাশেদ – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    সায়েন্স ফিকশান সমগ্র ১ – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    টুনটুনি ও ছোটাচ্চু – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }