Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    এক ডজন একজন – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    মুহম্মদ জাফর ইকবাল এক পাতা গল্প145 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ০৯. যখন মুক্তিযোদ্ধা ইদরিস মিয়া

    ৯. যখন সবাই মিলে মুক্তিযোদ্ধা ইদরিস মিয়াকে খোঁজ করতে শুরু করেছে।

    সকাল বেলা বাচ্চারা যখন নাস্তা করতে বসেছে তখন ইব্রাহীম তাদের সাথে এসে বসল। এর আগে তারা যতবার খেতে বসেছে তখন ইব্রাহীম কাছে আসে নাই। মানুষটা যেহেতু কথা বলে না তাহলে সাথে না বসলেই ভালো। একটা মানুষ সাথে বসে আছে, সবার কথা শুনছে কিন্তু কোনো কথা বলছে না ব্যাপারটা জানি কী রকম। কাল রাত্রেই এইটা নিয়ে আলাপ হয়েছে, টিয়া বলেছে অন্যদের থেকে ইব্রাহীম চাচা আলাদা। যেহেতু ইব্রাহীম চাচা কোনো কথাই বলে না তাই সে বসে থাকলে কোনো সমস্যা হয় না, ইব্রাহীম চাচা একটা ফার্নিচারের মতো, কিংবা ফুলদানির মতো, চুপ চাপ বসে থাকে। কোনো শব্দ করে না।

    কাজেই সকাল বেলা যখন ইব্রাহীম চাচা সবার সাথে নাস্তা করতে বসল তাদের টিয়ার কথা মনে পড়ল। তারা পরীক্ষা করতে চাইল আসলেই ইব্রাহীম চাচাকে ফুলদানি হিসেবে চালানো যায় কিনা।

    তারা আজকে কীভাবে মুক্তিযোদ্ধা ইদরিস মিয়াকে খুঁজবে সেইটা নিয়ে আলোচনা শুরু করল। মিঠুন বলল, একটা রিকশা ভাড়া করে সেখানে একটা মাইক লাগাব। তারপর সেই মাইকে বলতে থাকব ভাইসব, ইদরিস মিয়া নামে একজনকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। তিনি একজন মুক্তিযোদ্ধা। তার সন্ধান পেলে যোগাযোগ করুন

    সবাই না সূচক ভাবে মাথা নাড়ল। তারপর চোখের কোনা দিয়ে ইব্রাহীম চাচার দিকে তাকাল। সে গভীর মনোযোগ দিয়ে পরটা ছিঁড়ে ছিঁড়ে খাচ্ছে, মিঠুনের কথা শুনছে বলে মনে হলো না। টিয়ার ফুলদানি থিওরিটি সত্যি হতেও পারে।

    রিতু বলল, ছোট বাচ্চা হারিয়ে গেলে মাইকে ঘোষণা দেওয়া যায়। একজন বড় মানুষকে মাইক দিয়ে খোঁজা ঠিক না।

    টিটন বলল, মাইকে কথা বলতে হলে পুলিশের পারমিশন নিতে হয়।

    টিয়া বলল, রাস্তা এত খারাপ রিকশা যাবে না। তার চাইতে আমরা বাড়িতে বাড়িতে গিয়ে খোঁজ নিতে পারি।

    তিতু বলল, সবার বাড়িতে যেতে হবে না। যারা মুক্তিযুদ্ধের সময় ছিল শুধু তাদের বাসায় গেলেই হবে।

    রিতু বলল, আমরা পাঁচজন পাঁচটা ভাগে ভাগ হয়ে যাই। তাহলে অনেক তাড়াতাড়ি হবে।

    টিয়া বলল, চার ভাগ। মিঠুনকে আলাদা ছাড়া যাবে না। সে একা একা কারো বাড়িতে গেলে ঝামেলা হতে পারে।

    মিঠুন গরম হয়ে বলল, কী ঝামেলা।

    টিটন বলল, কী না কী বলে ফেলবি। কী না কী করে ফেলবি।

    তিতু বলল, আমরা মুক্তিযুদ্ধ গবেষণার ভলান্টিয়ার কার্ড গলায় ঝুলিয়ে যেতে পারি, তাহলে সবাই গুরুত্ব দেবে।

    রিতু বলল, গুড আইডিয়া।

    টিটন বলল, ইদরিস মিয়ার ছবি থাকলে খুব ভালো হতো। তাহলে সবাইকে দেখাতে পারতাম।

    মিঠুন বলল, তোমরা আমার কোনো কথা শুনতে চাও না। আসলে মাইক দিয়ে বলাই সবচেয়ে ভালো। এক সাথে সবাইকে জানানো যাবে। তার সাথে আরেকটা জিনিস করতে পারি।

    রিতু ভুরু কুঁচকে বলল, কী জিনিস?

    আমরা মাইকে বলতে পারি ইদরিস মিয়া মুক্তিযোদ্ধাকে খুঁজে পেলেই আকর্ষণীয় পুরস্কার।

    আকর্ষণীয় পুরস্কার?

    হ্যাঁ। মনে করো একটা মোবাইল ফোন। না হলে একটা টেলিভিশন। সবাই যখন একটু অবাক হয়ে মিঠুনের দিকে তাকিয়ে আছে ঠিক তখন ফুলদানী হয়ে বসে থাকা ইব্রাহীম চাচা মুখ খুলল, বলল, ইদরিস মিয়াকে খুঁজে পাওয়া গেছে।

    পাঁচজন এক সাথে চিৎকার করে উঠল, খুঁজে পাওয়া গেছে? এরপরেই তারা জিজ্ঞেস করতে চাইছিল, তাহলে এতক্ষণ বললেন না কেন? কিন্তু সেটা জিজ্ঞেস করল না কারণ তারা জানে এটা জিজ্ঞেস করলে ইব্রাহীম চাচা কোনো উত্তর দিবে না।

    সবাই ইব্রাহীম চাচার দিকে তাকিয়ে রইল এরপর কী বলে শোনার জন্য, কিন্তু ইব্রাহীম চাচা কিছু বলল না, গভীর মনোযোগ দিয়ে পরোটা ছিঁড়ে ছিঁড়ে মুগডাল দিয়ে খেতে লাগল। শেষ পর্যন্ত রিতু জিজ্ঞেস করল, ইদরিস মিয়াকে কেমন করে খুঁজে বের করেছেন?

    ইব্রাহীম চাচা রিতুর প্রশ্নের উত্তর দিল না, বলল, তোমরা সবাই রেডি হও। জায়গাটা বেশ দূর। মনে হয় বেশির ভাগ জায়গা হেঁটে যেতে হবে।

    রিতু মুখ শক্ত করে বলল, কিন্তু কিভাবে উনাকে খুঁজে পেলেন বললেন না।

    ইব্রাহীম চাচা রিতুর দিকে তাকাল, তখন রিতু আবার বলল, কীভাবে খুঁজে পেয়েছেন?

    ইব্রাহীম চাচা বুঝতে পারল রিতু উত্তর না শোনা পর্যন্ত লেগেই থাকবে। তাই মুখ খুলল, বলল, মানুষটাকে কেউ চিনে না। তাই বুঝেছি স্থানীয় মানুষ না, বাইরের মানুষ। বাইরের মানুষ কারা হতে পারে খোঁজ নিলাম, রিকশাওয়ালা, ভ্যান ড্রাইভার, মাটি কাটার ডেইলি লেবারার এরকম কিছু মানুষ বাইরের। তাদের মাঝে খোঁজ নিলাম। তখন জানতে পারলাম সেখানে একজনের নাম ইদরিস মিয়া। খুব গরীব কিন্তু অসম্ভব তেজ। কারো সাথে কথা বলে না। লোকজন ভাসা ভাসা শুনেছে সগ্রামের সময় যুদ্ধ করেছে। জানো তো, গ্রামের মানুষ মুক্তিযুদ্ধকে বলে সংগ্রামের সময় না হলে বলে গণ্ডগোলের সময়।

    সবাই মাথা নাড়ল, বলল জানি।

    কাজেই বুঝে গেলাম এই ইদরিস মিয়াই আমাদের ইদরিস মিয়া।

    টিয়া জিজ্ঞেস করল, উনি কী করেন?

    ঠিক নাই। কখনো রিকশা চালান। কখনো মাটি কাটেন। নদীর পাড়ে ছোট একটা চালা ঘরের মতো তৈরি করে সেখানে থাকেন। বিকাল বেলার দিকে বের হয়ে জঙ্গলের দিকে যান।

    কেন?

    কেউ জানে না। এক দুইজন বলেছে সেখানে গিয়ে একটা গাছের নিচে বসে থাকেন। পাগল কিসিমের মানুষ।

    সবাই চুপ করে রইল। ইব্রাহীম চাচা আগে কখনো কথা বলে নাই। এখন যখন শেষ পর্যন্ত তার মুখ খুলানো গেছে কথা বলতেই থাকল, বলল, তার সাথে যারা থাকে তারা বলেছে ইদরিস মিয়া কথা বলে খুব কম কিন্তু যখন কথা বলে খুব শান্তভাবে ধীরে সুস্থে কথা বলে। সুন্দর ভাষায় কথা বলে। এই জায়গা ছেড়ে কোথাও যায় না। মাঝে মাঝে কয়েকদিনের জন্য যদি যায় তাহলে আবার ফিরে আসে।

    বাচ্চারা নিজেদের ভিতর এক ধরনের উত্তেজনা অনুভব করে। এখনো কাউকে বলে নাই যে তারা আসলে এসেছে তাদের দাদা কিংবা নানার খোঁজ নিতে। সেটা তারা গোপন রাখতে চায়। যখন তারা ইদরিস মিয়ার সাথে কথা বলবে তখন চেষ্টা করবে ইব্রাহীম চাচা যেন আশে পাশে না থাকে।

    ইব্রাহীমের মনে হয় হঠাৎ করে কথা বলার রোগ হয়েছে। সে মুগের ডাল দিয়ে পরটা খাওয়া বন্ধ করে আবার কথা বলা শুরু করল, যার সাথেই যোগাযোগ করেছি, সেই বলেছে ইদরিস মিয়া কারো সাথে কথা বলতে চায় না। একবার নাকী একজন সাংবাদিক তার সাথে কথা বলতে এসেছিল, ইদরিস মিয়া একটা কথাও বলে নাই।

    তিতু ভয়ে ভয়ে বলল, আমাদের সাথেও কথা বলবেন না?

    ইব্রাহীম চাচা বলল, জানি না। গিয়ে তোমাদের নিজেদের চেষ্টা করতে হবে।

    রিতু জিজ্ঞেস করল, আমরা কখন যাব?

    যত তাড়াতাড়ি সম্ভব। আমি এক কাপ চা খেয়ে নেই। তোমরা জামা কাপড় পরে আস।

    বাচ্চারা যখন জামা কাপড় পরে নেমে এসেছে তখন তারা যদি ভালো করে লক্ষ্য করতো তাহলে দেখতে গেস্টহাউজের সামনে একটা বড় গাছে হেলান দিয়ে বসে থাকা একজন মানুষ তড়াক করে উঠে দাঁড়িয়ে সাইকেল চালিয়ে গ্রামের দিকে ছুটে যাচ্ছে।

    সবাই মিলে তিনটা রিকশা করে রওনা দিয়েছে। প্রথম রিকশায় রিতু আর মিঠুন। মিঠুনকে সামলানোর জন্য রিতুকে সব সময় আশেপাশে থাকতে হয়। পরের রিকশাতে টিটন রিতু আর টিয়া। সবার শেষে একটা রিকশায় ইব্রাহীম।

    রিকশা করে মিনিট দশেক যাওয়ার পর মিঠুন চলন্ত রিকশা থেকে তড়াক করে লাফ দিয়ে নিচে নেমে গেল। বলল, রিকশাতে ঝাঁকুনির চোটে তার ইয়ে ঢিলে হয়ে যাচ্ছে। ইয়েটা কী জিজ্ঞেস করার পরও সেটা সে ব্যাখ্যা করতে রাজি হলো না দেখে কেউ আর চাপাচাপি করল না। কখন কী বলতে গিয়ে মিঠুন কী বলে ফেলে সেটা নিয়ে সবাই ভয়ে ভয়ে থাকে। মিঠুন বলল, সে রিকশায় পাশে পাশে হেঁটে হেঁটে যাবে। রাস্তা এত খারাপ যে সত্যি সত্যি রিকশায় না গিয়ে হেঁটে হেঁটেই তাড়াতাড়ি যাওয়া যাবে।

    তখন অন্যরাও বলল যে তারাও হেঁটে হেঁটে যাবে। এই পুরো পথ রিকশায় গেলে হয় রিকশা ভেঙ্গেচুরে যাবে না হয় তাদের হাড়গোড় ভেঙ্গেচুরে যাবে। তখন রিকশা ভাড়া মিটিয়ে দিয়ে সবাই হেঁটে হেঁটে যেতে লাগল।

    এভাবে যখন তারা আরো কিছুদূর গিয়েছে তখন হঠাৎ ইব্রাহীমের ফোন বেজে উঠল। ইব্রাহীম ফোনটার দিকে তাকাল একটি অপরিচিত নাম্বার থেকে কেউ তাকে ফোন করেছে। সে ফোনটা কানে লাগাল অন্য পাশ থেকে কেউ কথা বলল এবং সেটা শুনে তার ভুরু কুঁচকে উঠল, বলল, কে দেখা করতে চাইছে? অন্যপাশ থেকে কিছু একটা বলল এবং ইব্রাহীমের ভুরু আরো কুঁচকে উঠল, বলল, এখনই? সন্ধ্যাবেলা হলে হয় না?

    ইব্রাহীম আরো কিছুক্ষণ কথা বলে ফোনটা বন্ধ করে অন্যদের দিকে তাকালো। বলল, আমার একটু গেস্টহাউজে যেতে হবে।

    রিতু জিজ্ঞেস করল, কেন?

    লোকাল পুলিশ থেকে একজন এসেছে সে কথা বলতে চায়।

    কী নিয়ে কথা বলবে?

    জানি না। খুবই নাকী জরুরি। আমি একটু শুনে আসি।

    আমরা তাহলে আস্তে আস্তে হাঁটি?

    ইব্রাহীমকে একটু বিভ্রান্ত দেখাল, তারপর বলল, ঠিক আছে তোমরা এই রাস্তা ধরে আস্তে আস্তে হাঁটো আমি যাব আর আসব।

    ইব্রাহীম পা চালিয়ে গেস্টহাউজের দিকে রওনা দিল। গেস্টহাউজে পৌঁছতে তার মিনিট দশেক লাগল। গিয়ে দেখে সেখানে কেউ নেই। গেস্টহাউজের কেয়ারটেকার জোরে জোরে মাথা নেড়ে বলল তারা মোটেও তাকে ফোন করেনি। পুলিশ থেকেও কেউ আসে নাই। কেউ তার সাথে কথা বলতে চায় নাই। হঠাৎ করে ইব্রাহীম দুশ্চিন্তিত হয়ে যায়। কোনো একজন তাকে বাচ্চাদের থেকে সরিয়ে নিয়েছে। তাহলে কী তারা বাচ্চাদের কিছু করতে চায়? সময়টা ভালো না, এখানে আজহার আলী নামে একজন রাজাকার কমান্ডার থাকে, মুক্তিযুদ্ধ শব্দটাতেই তার অ্যালার্জি। সে কী বাচ্চাদের কোনো ক্ষতি করতে চায়? হতে পারে এই সরকার রাজাকারের পক্ষের সরকার তাই বলে ছোট বাচ্চাদের কিছু করার দুঃসাহস তাদের হবে? ইব্রাহীম পা চালিয়ে বাচ্চাদের কাছে ফিরে যেতে থাকে।

    সে অবশ্যি তখনো জানে না যে যা হবার তা এর মাঝে হয়ে গেছে।

    .

    ইব্রাহীম চলে যাবার কিছুক্ষণ পরেই একজন মানুষ ছেলেমেয়েদের কাছে। এল। বলল, আমাকে ইব্রাহীম সাহেব পাঠিয়েছেন।

    রিতু জানতে চাইল, কেন?

    ইব্রাহীম সাহেব বলেছেন মিঠুনকে নিয়ে যেতে।

    রিতু অবাক হয়ে বলল, মিঠুন? মিঠুনকে কেন নিয়ে যেতে হবে?

    মানুষটা মাথা নাড়ল, বলল, জানি না। ইব্রাহিম সাহেব অপেক্ষা করছেন।

    টিয়া বলল, চাচি মনে হয় ঢাকা থেকে ফোন করেছেন।

    তিতু বলল, হ্যাঁ হতে পারে। মিঠুনুকে নিয়ে সবাই সব সময় চিন্তা করে।

    রিয়া বলল, ঠিক আছে, মিঠুন যা। একা যাবি না, টিটন তুইও সাথে যা।

    এবারে মানুষটা খুব ব্যস্ত হয়ে বলল, না,না, একা যেতে বলেছে।

    রিতু বলল, একা যেতে বলেছে মানে কী? টিটন সাথে যাক। মিঠুন কোনদিক যেতে কোনদিকে চলে যাবে।

    মিঠুন চিউয়িংগাম চিবুচ্ছিল, মুখ থেকে বের করে সেটাকে টেনে লম্বা করে আবার মুখে ঢুকিয়ে বলল, আমি একা যেতে পারব।

    তোকে একা যেতে হবে না। আর মুখ থেকে হাত দিয়ে এইভাবে চিউয়িংগাম বের করবি না। ছিঃ।

    মিঠুন জিজ্ঞেস করল, কেন? মুখ থেকে চিউয়িংগাম বের করলে কী হয়?

    টিয়া বলল, দেখে ঘেন্না লাগে।

    মিঠুন বলল, এর সাথে ঘেন্না লাগার কী আছে?

    সেইটা যদি না জানিস তোকে মনে হয় আর শেখানো যাবে না।

    মানুষটা বলল তাড়াতাড়ি। দেরি হয়ে যাচ্ছে।

    রিতু ভুরু কুঁচকে তাকালো, দেরি হয়ে যাচ্ছে মানে কী? ভাবল মানুষটাকে জিজ্ঞেস করবে কিন্তু শেষ পর্যন্ত জিজ্ঞেস করল না। মিঠুন আর টিটনকে বলল তোরা যা। ইব্রাহীম চাচা কী বলে শুনে আয়। সাবধানে যাবি।

    মিঠুন মুখের চিউয়িংগামটা আবার টেনে লম্বা করতে করতে হাঁটতে থাকে। টিয়া বলল, ছিঃ মিঠুন! ছিঃ!

    মিঠুন আর টিটন মানুষটায় সাথে কিছুদূর হেঁটে যাবার পরই মানুষটা একটা জংলা মতন জায়গার দিকে দেখিয়ে বলল, এখন এইদিকে?

    টিটন অবাক হয়ে বলল, কোনদিকে?

    এই যে। জঙ্গলের ভিতর দিয়ে।

    জঙ্গলের ভিতর দিয়ে কেন?

    শর্ট কাট। বলে মানুষটা দুইজনকে প্রায় টেনে জঙ্গলে ঢুকিয়ে ফেলল এবং কিছু বোঝার আগে হঠাৎ করে দুই পাশ থেকে দুইজন মানুষ তাদের উপর ঝাঁপিয়ে পড়ল। প্রথমেই তাদের মুখ চেপে ধরল যেন চিৎকার করতে না পারে। দুইজন হুটোপটি করতে থাকে কিন্তু মানুষগুলোয় গায়ে মোষের মতো জোর টিটন আর মিটুন নড়তেই পারল না।

    .

    ওদিকে রিতু কেমন যেন দুশ্চিন্তিত মুখে দাঁড়িয়ে থেকে বলল, জিনিসটা ভালো লাগছে না।

    তিতু জিজ্ঞেস করল, কোন জিনিসটা?

    এইযে হঠাৎ করে ইব্রাহীম চাচাকে ডেকে পাঠাল। ঠিক তখন আরেকজন এসে বলল, মিঠুনকে ডাকছে। পুরো ব্যাপারটা জানি কেমন।

    টিয়া বলল, কেমন আবার কী?

    মিঠুন আর টিটনকে যেতে দেওয়া ঠিক হয় নাই।

    কেন?

    জানি না। কিন্তু মনে হচ্ছে কাজটা ঠিক হয় নাই।

    টিয়া বলল, আপু তুমি শুধু শুধু বেশি চিন্তা করো।

    কিন্তু কয়েক মিনিটের মাঝে দেখা গেল রিতু শুধু শুধু বেশি চিন্তা করে না, তার চিন্তা করার সত্যিকারের একটা কারণ আছে। ছোট একটা ছেলে একটা লজেন্স খেতে খেতে কোথা থেকে জানি তাদের কাছে হাজির হলো। ছেলেটা লজেন্স চুষতে চুষতে বলল, ঐ স্যার আমারে এই লজেন্সটা দিছে।

    একজন স্যার তাকে একটা লজেন্স দিয়েছে সেটা কেন ছেলেটা তাদেরকে বলছে রিতু বুঝতে পারল না। তখন দেখল তার হাতে ভাজ করা একটা কাগজ। ছেলেটা কাগজটা তাদের দিকে এগিয়ে দিয়ে বলল, স্যার বলছে তোমাগো এই কাগজটা দিতে।

    রিতুর বুকটা ধ্বক করে উঠল। সে কাগজটা হাতে নিয়ে ভাঁজ খুলে তাকালো, সেখানে খুবই খারাপ হাতে লেখা:

    এই চিঠি পাওয়ার সাথে সাথে তুমরা আমাগো গেরাম তেকে বিদায় হও। যদি বিদায় হও তাইলে তুমাদের ভাইগো ছেড়ে দিমু।
    যদি বিদায় না হও তাহলে পরতি ঘণ্টায় একটা করে আঙুল কাটি ফেলমু।
    –তুমাগো আজরাইল।

    রিতুর হাত পা ঠাণ্ডা হয়ে গেল।

    তিতু বলল, আমরা কেন এই গ্রাম থেকে বিদায় হব? আমরা কী করেছি?

    টিয়া বলল, এইটুকু চিঠিতে আটটা বানান ভুল।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleকাবিল কোহকাফী – মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    Next Article আমার সাইন্টিস মামা – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    Related Articles

    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    ছোটগল্প – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    সাদাসিধে কথা – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    মেকু কাহিনী – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    আমার বন্ধু রাশেদ – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    সায়েন্স ফিকশান সমগ্র ১ – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    টুনটুনি ও ছোটাচ্চু – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }