Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    এবং কালরাত্রি – মনোজ সেন

    মনোজ সেন এক পাতা গল্প485 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    অখিলবাবুর মৃত্যুরহস্য

    অখিলচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় ছিলেন মধুসূদনপুর মহকুমা আদালতের উকিল। যেমন শকুনের মতো চেহারা তেমনি শকুনির মতো বুদ্ধি। অত্যন্ত ঘুঘু লোক। দিনকে রাত, রাতকে দিন করতে পারেন বলে তাঁর খ্যাতি ছিল। যত প্রত্যক্ষদর্শী সাক্ষীই থাক না-কেন, একজন খুনীকে অনায়াসে মেষশাবকের মতো নিরীহ বলে প্রমাণ করে দিতে তাঁর জুড়ি ছিল না। ফলে তাঁর যেমন প্রচণ্ড পসার তেমনি রোজগার ছিল। লোকে বলে, স্বনামে-বেনামে তাঁর সম্পত্তির পরিমাণ নাকি পঁচিশ-তিরিশ লক্ষ।

    ছোটোবেলা থেকেই অখিলবাবুর স্বভাবচরিত্র একটু গোলমেলে হয়ে পড়েছিল। তাঁর বাবা ছিলেন স্কুলমাস্টার, সর্বজনশ্রদ্ধেয় নিষ্ঠাবান ব্রাহ্মণ। অথচ, হেন দোষ নেই যা অখিলবাবুর ছিল না। মদ্যপান থেকে গোমাংসভক্ষণ তো সামান্য ব্যাপার, যেকোনোরকম নৈসর্গিক বা অনৈসর্গিক দুষ্কর্মে তাঁর কোনোরকম আপত্তি ছিল না। তবে, অত্যন্ত সাবধানে থাকতেন যাতে ধরা না-পড়েন। তাঁর ক্রিয়াকর্মের কথা তাঁর স্ত্রী বন্দিতাকে কোনোদিন জানতে দেননি। তাঁর প্রতি বন্দিতার অগাধ বিশ্বাস আর আস্থা ছিল। স্বামীকে তিনি আদর্শ পুরুষ বলে মনে করতেন।

    অখিলবাবুর জীবনের শেষ মক্কেলের নাম আকবর মণ্ডল। নিত্যানন্দপুরের দুর্দান্ত ডাকাত। হেন খারাপ কাজ নেই যা সে করেনি। তার ভয়ে আশেপাশে পাঁচটা গ্রাম তটস্থ হয়ে থাকত। তারই গ্রামের রাবেয়া খাতুনকে তার স্বামী এনায়েতের সামনে ধর্ষণ করে তাকে গলা টিপে খুন করেছিল সে। এনায়েত আর সহ্য করতে না-পেরে থানায় গিয়ে এজাহার দিয়েছিল। সেই অপরাধে তাকেও খুন করেছিল আকবর। পুলিশ দেখল যে ব্যাপরটা বেশি রকমের বাড়াবাড়ি হয়ে গেছে, আকবর তাদের আয়ত্তের বাইরে চলে যাচ্ছে। তারা আকবরকে অ্যারেস্ট করে ৩০২ ধারায় মামলা দায়ের করে দিল। আকবরের আত্মীয়রা অখিলবাবুকে সেই মামলা চালানোর ভার দিল।

    অখিলবাবুর কাছে এটা নিতান্তই সামান্য ব্যাপার। রাবেয়াকে ধর্ষণের একমাত্র সাক্ষী ছিল এনায়েত। সে আর নেই, কাজেই সেই অপরাধ যে কে করেছিল সেটা নিঃসন্দেহে প্রমাণ করা অসম্ভব। এও বোঝা যাচ্ছে এনায়েতের যেকোনো কারণেই হোক ধারণা হয়েছিল যে আকবরই সেই কাণ্ডটি করেছে। অতএব, সে থানায় এজাহার দিয়ে ফেরার সময় আকবরকে দেখতে পেয়ে তাকে আক্রমণ করেছিল। তখন, আত্মরক্ষা করতে গিয়ে অনিচ্ছা সত্ত্বেও আকবর তাকে খুন করে ফেলে। এই যুক্তির ওপরে তার খালাস হয়ে যাবারই কথা।

    এ পর্যন্ত ঠিকই ছিল, কিন্তু গোলমাল বাধাল নিত্যানন্দপুরের লোকেরা। তাদের যে আকবরের ওপরে এতটা রাগ জমে ছিল আর সেই রাগে যে তারা একযোগে আকবরের বিরুদ্ধে সাক্ষী দিতে এগিয়ে আসবে সেটা অখিলবাবু বুঝতে পারেননি। সরকারপক্ষের সাক্ষী এনায়েতের প্রতিবেশিনী আনোয়ারা খাতুন। সে স্বামী পরিত্যক্তা, রাবেয়ার পাশের বাড়িতে একা থাকে। ঘটনার রাত্রে ভয়ে ঘর থেকে বের হয়নি বটে কিন্তু সে যা শুনেছিল তা আকবরের অপরাধের যথেষ্ট প্রমাণ। তাকে কাঁদিয়ে ছাড়লেন অখিলবাবু। প্রমাণ করে দিলেন যে সে একটি সন্দেহজনক নষ্টচরিত্রের স্ত্রীলোক, যার একটি কথাও বিশ্বাসযোগ্য নয়। তবু সে যে সত্যি কথা বলছে এটা বুঝতে শ্রোতাদের কোনো অসুবিধে হল না।

    পরের সাক্ষী রাবেয়া খাতুনের বারো বছরের কাজের লোক মাসুম। ঘটনার সময় সে ওই বাড়িতেই ছিল। সেও সত্যি কথা বলবে বলে মনে হল অখিলবাবুর। তাকে কব্জা করা হয়তো কঠিন হবে না। কিন্তু জজসাহেবের সহানুভূতি যে তার দিকেই যাবে তার সম্ভাবনা খুবই প্রবল।

    সে রাত্রে আকবরের ছোটোভাই সিরাজকে ডেকে পাঠালেন অখিলবাবু। সিরাজ তার দাদার মতো না হলেও, নানা রকমের ছোটোবড়ো অপরাধের সঙ্গে ভালোভাবেই যুক্ত ছিল। পরামর্শ করে ঠিক হল যে মাসুমের বাবাকে ভয় দেখিয়ে তার সাক্ষী দেওয়ানো বন্ধ করতে হবে। মাসুমের বাবা দরিদ্র দিনমজুর। সে সিরাজের বিরুদ্ধে যেতে সাহস পাবে না।

    পরদিন সকালে অখিলবাবু যা খবর পেলেন তাতে খুবই দমে গেলেন তিনি। মাসুমের বাবা সিরাজের প্রস্তাবে রাজি হয়নি। সে ভয়তো পায়ই নি, উলটে তার পাড়ার লোকজন ডেকে এনে মহা হইচই বাধিয়ে তুলেছিল। সিরাজকে একরকম ল্যাজ গুটিয়ে ওখান থেকে পালাতে হয়েছিল।

    সেদিন কী একটা পুজো উপলক্ষ্যে কোর্ট বন্ধ ছিল। সারা সকাল অখিলবাবু অস্থিরভাবে পায়চারি করলেন। তাঁর কেবলই মনে হচ্ছিল যে এই প্রথম তাঁকে হেরে যেতে হবে। একজন গরিব দিনমজুরই যেখানে ভয় পাচ্ছে না আর কথা শুনছে না, সেখানে অন্য সাক্ষীদের ভাঙানো কি সম্ভব হবে? ব্যাপারটা তাঁর কাছে অসহ্য অপমান বলে মনে হতে লাগল। এদিকে সিরাজের কাছ থেকে অনেক টাকা নিয়ে বসে আছেন। হেরে গেলে সে-ই কি ছেড়ে কথা কইবে? অতএব, দুপুর বেলা তিনি আবার সিরাজকে ডাকলেন।

    অখিলবাবু বললেন, ‘দ্যাখ সিরাজ, যদি দাদাকে বাঁচাতে চাস তাহলে যেভাবেই হোক, সাক্ষীদের মুখ তোকে বন্ধ করতেই হবে। সওয়াল করে জিততে পারব কি না সে ব্যাপারে নিশ্চিত হতে পারছি না। জজসাহেবটা অতিবাজে লোক, ঘুস খায় না, মেয়েছেলের দোষ নেই, মদ পর্যন্ত খায় না। তার ওপরে প্রচণ্ড বদরাগী। একেবারে যাচ্ছেতাই। ওকে হাত করা যাবে না। কাজেই টাকা দিয়ে হোক, ভয় দেখিয়ে হোক, যেভাবে হোক, এই কাজটা তোকে করতেই হবে। দরকার পড়লে দু-একজনকে হাপিস করে দিবি।’

    সিরাজ একগাদা পানখাওয়া এবড়োখেবড়ো দাঁত বের করে হাসল। বলল, ‘ঠিক আছে, চ্যাটার্জীবাবু সেই ব্যবস্থাই করছি। আজ রাতের মধ্যেই ওই পাকটি (বেশ্যা) আনোয়োরাটাকে ফাঁড়িয়ে দিচ্ছি (মেরে ফেলছি) আর মাসুমকে এমন ভসকাব (মেরে মুখ ফাটিয়ে দেব) যে ওর বাপও ওকে চিনতে পারবে না। আমার সঙ্গে টক্কর দেবার মজা টের পাবে। তখন দেখবেন আর কেউ সাহস দেখাতে এগিয়ে আসবে না। কেন কি, এমন কেউ অছে যে শালা জানের পরওয়া করে না? সব শালারা সুড়সুড় করে গর্তের ভেতরে গিয়ে যদি না-ঢুকেছে তো কী বললুম আপনাকে।’

    সিরাজ চলে যাবার পরেও স্বস্তি পেলেন না অখিলবাবু। ভেবে ভেবে তাঁর মাথা গরম হয়ে উঠল। সন্ধে বেলা বন্দিতাকে বললেন, ‘একটু ঘুরে আসছি। কয়েক জন লোকের সঙ্গে দেখা করা দরকার।’

    বলে গাড়ি নিয়ে বেরিয়ে চলে গেলেন শহরের অন্যপ্রান্তে কাঠগোলা বাজারের বেশ্যাপল্লীতে তাঁর রক্ষিতা কাকলি বিশ্বাসের বাড়িতে। শরীর ও মন দুটোকেই একটু শান্ত করা দরকার।

    রাত আটটা নাগাদ সেলফোনে খবর পেলেন যে আনোয়ারা খুন হয়েছে। এইবার খানিকটা নিশ্চিন্ত হলেন অখিলবাবু। সিরাজ তাহলে কথা রেখেছে। কাকলি অনেকক্ষণ ধরেই তাঁর গোমড়া মুখ নিয়ে ঘ্যান ঘ্যান করছিল। এতক্ষণে সেই মুখে হাসি ফুটল। ভাবলেন, ঘণ্টাখানেক ফূর্তি করে উঠে পড়বেন।

    একটু বাদে এমন একটা অপ্রত্যাশিত ঘটনা ঘটল যার জন্য অখিলবাবু একেবারেই প্রস্তুত ছিল না। হঠাৎ দরজায় প্রবল কড়া নাড়ার শব্দ হল। তারপরে দুমদাম লাথি। দরজা ভেঙে যায় আর কী! অখিলবাবুর মনে হল নির্ঘাত পুলিশ এসেছে। তিনি লাফ দিয়ে উঠে জামাপ্যান্ট পরতে শুরু করে দিলেন। কাকলি কোনোরকমে শাড়িটা গায়ে জড়িয়ে যেন সদ্য ঘুম থেকে উঠেছে এইরকম একটা ভাব করে দরজাটা খুলে দিল। সঙ্গেসঙ্গে ময়লা জামাকাপড় পরা গুণ্ডামতন একটা লোক হুড়মুড় করে ভেতরে ঢুকেই তার গলা টিপে ধরল। হুংকার দিয়ে বলল, ‘হারামজাদী, ভেবেছিলি তোকে খুঁজে পাব না, তাই না? উকিলের সঙ্গে আশনাই করে বেঁচে যাবি ভেবেছিস?’

    কাকলি খাবি খেতে খেতে বলল, ‘তুমি… তুমি ঠিকানা পেলে কী করে?’

    ‘একটা বোরখাপরা মোসলমান মেয়ে দিয়েছে আর কোন সময় তোদের একসঙ্গে পাওয়া যাবে তাও বলেছে। এখন আগে তোকে মারব, তারপর ওই শালা উকিলের পেট ফাটাবো।’

    শুনেই অখিলবাবু জামাটা প্যান্টের ভেতরে গুঁজতে গুঁজতে এক লাফে দরজা পেরিয়ে ছুট লাগালেন। জুতোটা পর্যন্ত পরবার সময় পেলেন না। গোলমাল শুনে তখন একদল লোক সিঁড়ি দিয়ে ওপরে উঠে আসছিল। তাদের ধাক্কা মেরে ঠেলে কোনোরকমে নীচে নেমে রাস্তায় এসে পড়লেন। গাড়ির দরজা খুলতে গিয়ে দেখেন যে তাড়াহুড়োয় মানিব্যাগ, হাতঘড়ি, ফোন আর গাড়ির চাবি কাকলির ঘরে ফেলে এসেছেন। তখন আর সেখানে ফিরে যাবার প্রশ্নই ওঠে না। যত শিগগির সম্ভব পালাতে হবে। কাকলির হাসব্যান্ড যদুলাল বিশ্বাস ডেঞ্জারাস মার্ডারার। সে এসে পড়ল বলে। ধরতে পারলে একটা একটা করে হাত-পা ছিঁড়ে নেবে। এদিকে রাস্তায় একটাও রিকশা নেই। এখানে কেউ তাঁকে চেনেও না যে তাঁকে আশ্রয় দেবার ঝুঁকি নেবে। কাজেই, সোজা রাস্তায় না-গিয়ে অখিলবাবু কাঠগোলা বাজারের পেছন দিয়ে মহিষবাথানের মাঠের ভেতর দিয়ে হন হন করে হাঁটতে শুরু করে দিলেন।

    অনেকটা দূরে মুনশিপাড়ার আলো দেখা যাচ্ছিল। একবার ওখানে গিয়ে পড়তে পারলে আর ভয় নেই। মহিষবাথানের মাঠ তাঁর চেনা জায়গা। ছেলেবেলায় এখানে অনেকবার এসেছেন বুনো কুলের সন্ধানে। তাঁর জীবনের প্রথম প্রেমিকা, তাঁদের বাড়ির ঝি, গিরি; তাঁকে এখানে নিয়ে আসত ভালোবাসা শেখাবার জন্য। তখন তাঁর ষোলো বছর বয়েস। কাজেই দ্বাদশীর চাঁদের আলোয় যে ঠিক চলে যেতে পারবেন, তাতে অখিলবাবুর সন্দেহ ছিল না। একমাত্র ভয় সাপের। তবে কিনা, যদুলাল বিশ্বাস আরও ভয়ংকর। অবশ্য এই অচেনা অন্ধকার মাঠে আসতে সে সাহস পাবে কি না সেটাই প্রশ্ন।

    দ্রুতবেগে হাঁটতে হাঁটতে অখিলবাবু ভাবতে লাগলেন— একটি মুসলমান মেয়ে যদুলালকে খবর দিয়েছে। সে কে রে, বাবা? যদুলাল থাকে কৈলাসপুর কলোনিতে। সেখান থেকে কাঠগোলা বাজারে বাসে আসতে কমপক্ষে দু-ঘণ্টা লাগার কথা। ট্যাক্সি করে সে আসবে না, কিপ্টে নাম্বার ওয়ান। তাহলে, সেই মেয়েটি তাকে জানাল কখন? এখানে তো তাঁর আসবার কথা ছিল না, সেটা হঠাৎই ঠিক করেছিলেন। সেকথাটাই বা সেই মেয়েটি জানাল কীভাবে আর যদুলালকে খবরটাই বা দিল কী করে? সে নিজে গিয়েছিল? সেটা অসম্ভব। টেলিফোনে? তাহলে সে যে বোরখা-পরা মেয়ে সেটা যদুলাল জানল কী করে? যদুলালের কি টেলিফোন আছে? সেরকম কথা তো শোনেননি কখনো।

    ভাবতে ভাবতে আর হাঁটতে হাঁটতে হঠাৎ অখিলবাবু দেখলেন, একটু দূরের মাঠের মধ্যে একটা ছোটো দু-কামরার একতলা বাড়ি। তার একটা ঘর অন্ধকার আর অন্যটায় আলো জ্বলছে। লণ্ঠনের ম্লান হলদেটে আলো খোলা জানলা আর দরজা দিয়ে বেরিয়ে আসছে। এখানে আবার এই বাড়িটা হল কবে? এই ফাঁকা মাঠের মধ্যে থাকেই বা কে? ডাকাত-ফাকাত নয় তো? ডাকাত হলে সে তাঁর মক্কেল হতে পারে। কিন্তু মহিষবাথানের ভেতরে এরকম খোলা জায়গায় কোনো ডাকাত থাকে বলে তো শোনেননি কখনো। কৌতূহল সামলাতে না-পেরে বাড়িটার দিকে গুটিগুটি এগিয়ে গেলেন।

    কাছাকাছি আসতেই একটা গোঙানির শব্দ পেলেন অখিলবাবু। এতে তাঁর কৌতূহল আরও বেড়ে গেল। যথাসাধ্য চুপিসাড়ে খোলা জানলাটার নীচে গিয়ে ডিঙি মেরে ভেতরে উঁকি মারলেন। যা দেখলেন তাতে বেশ উত্তেজিত হয়ে পড়লেন ভদ্রলোক। প্রায় নিরাভরণ দরিদ্রলাঞ্ছিত ঘরে একটি খাটিয়ার ওপরে একটি নিরাবরণ সুঠাম নারীদেহ উপুর হয়ে পড়ে রয়েছে। তার ঘন কালো চুল ছড়িয়ে পড়েছে খাটিয়ার থেকে মেঝের ওপর। কিন্তু তার শরীরে বেশ সদ্য আরোপিত ধারালো অস্ত্রের রক্তাক্ত ক্ষতচিহ্ন। কেবল গোঙানির শব্দ ছাড়া তার সর্বাঙ্গে আর কোনোরকম প্রাণের লক্ষণ নেই। বেশ বোঝা যাচ্ছে যে কেউ তাকে ধর্ষণ করে মেরে ফেলতে চেয়েছিল। প্রথমটায় সে কতটা সার্থক হয়েছে সেটা অবশ্য বোঝবার উপায় নেই কিন্তু দ্বিতীয়টায় সে হয়নি সেটা পরিষ্কার বোঝা যাচ্ছে। যাকে মৃত ভেবে লোকটা চলে গেছে, সে কোনোরকমে বেঁচে রয়েছে— বোধ হয় অখিলবাবুর আসবার অপেক্ষায়।

    অখিলবাবুর শরীরে রিরংসা সাপের মতো ফণা তুলে দাঁড়াল। যেকোনো কারণেই হোক, মেয়েটির পড়ে থাকার ওই দৃশ্যটা তাঁর রক্তে আগুন জ্বালিয়ে দিল। কাকলির ঘরে তাঁর শরীরের তৃষ্ণা কিছুই মেটেনি। এই সুযোগে সেটা মিটিয়ে না-নেবার কোনো কারণই নেই। তিনি ব্রাহ্মণসন্তান, কারুর উচ্ছিষ্ট ছোঁন না, সেটা ঠিক। কিন্তু এ বিষয়ে তাঁর কোনোদিন কোনো সন্দেহ নেই যে নারীদেহ সবসময়েই পবিত্র, তা কখনোই উচ্ছিষ্ট হয় না। প্রমাণ, যে পঞ্চকন্যাকে স্মরণ করলে পুনর্জন্ম হয় না, তাঁরা কেউই ঠিক গঙ্গাজলে ধোয়া তুলসীপাতা ছিলেন না। আসলে, তাঁর জন্যে এ হেন যোগাযোগ একমাত্র ঈশ্বরই সৃষ্টি করতে পারেন। সেটা অস্বীকার করে তো তাঁকে ছোটো করা যায় না।

    হঠাৎ তাঁর মনে হল, মেয়েটির যা অবস্থা, তাতে অখিলবাবুর উপরিটা সে সামলাতে পারবে তো? টেঁসে যাবে না তো? তা গেলে যাবে। তার তো মরে যাবারই কথা। মরেই গেছে ধরে নেওয়া যেতে পারে। অখিলবাবু তো নিমিত্তমাত্র। মড়ার ওপর খাঁড়ার ঘা দিলে আইনত কোনো দোষ হয় না। তবে, তাড়াতাড়ি কাজ সারতে হবে। সেই ধারালো অস্ত্রওলা লোকটা যদি আবার ফিরে আসে, তাহলে গোলমাল। অখিলবাবু ঘরে ঢুকে দরজাটা ভালো করে বন্ধ করে দিলেন।

    একটু বাদেই অখিলবাবুর আর্তনাদ জানলা দিয়ে ছিটকে বেরিয়ে এল— ‘এ কী, এ কী, কে তুমি? তুমি বেঁচে আছ? সিরাজ যে বলল সে তোমাকে…’

    তারপরেই একটা প্রাণফাটা হাহাকার মহিষবাথানের নিস্তব্ধ অন্ধকারটাকে থরথর করে কাঁপিয়ে দিয়ে গেল।

    পুলিশ এ ব্যাপারে নিশ্চিত যে অখিলবাবু ডাকাতের হাতে নিহত হয়েছেন, কারণ তাঁর মানিব্যাগ, হাতঘড়ি, ফোন আর সদ্য কেনা বাটার হাশপাপি জুতো নিখোঁজ। কিন্তু কতগুলো খটকা তাদের রয়েই গেছে। যেমন, মহিষবাথানের বিশাল মাঠের মধ্যিখানে রাত্রি বেলা অখিলবাবু গিয়েছিলেন কেন? তাঁর গাড়িটা মধ্যমগ্রামের কাছে পরিত্যক্ত অবস্থায় পাওয়া যায়। তার তেল ফুরিয়ে গিয়েছিল। সেখান থেকে ওই জায়গায় তিনি গেলেন কীভাবে? ডাকাত বা ডাকাতেরা তাঁর সর্বস্ব কেড়ে নিয়ে তাঁকে প্রায় উলঙ্গ করে একটা বাবলা গাছের নীচে ফেলে রেখে গিয়েছিল। তা করতেই পারে। কিন্তু অমন বীভৎসভাবে আঁচড়ে কামড়ে, চোখদুটো উপড়ে দিয়ে, কানদুটো ছিঁড়ে ফেলে, মুখটা প্রায় চেনার অযোগ্য করে রেখে গেল কেন? এহেন নৃশংসতার কি প্রয়োজন ছিল?

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleকালসন্ধ্যা – মনোজ সেন
    Next Article জুল ভের্ন অমনিবাস ৫ (পঞ্চম খণ্ড) – অনুবাদ : মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়

    Related Articles

    মনোজ সেন

    কালসন্ধ্যা – মনোজ সেন

    November 13, 2025
    মনোজ সেন

    ৫x৫ = পঁচিশ – মনোজ সেন

    November 13, 2025
    মনোজ সেন

    দময়ন্তী সমগ্র ১ – মনোজ সেন

    November 13, 2025
    মনোজ সেন

    দময়ন্তী সমগ্র ২ – মনোজ সেন

    November 13, 2025
    মনোজ সেন

    এবং কালরাত্রি ২ – মনোজ সেন

    November 13, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }