Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    এম্পায়ার অভ দা মোগল : দি টেনটেড থ্রোন – অ্যালেক্স রাদারফোর্ড

    লেখক এক পাতা গল্প617 Mins Read0
    ⤶

    ৩. ঐতিহাসিক দায়বদ্ধতা

    জাহাঙ্গীর তাঁর প্রপিতামহ বাবরের মত নিজের স্মৃতিকথা–তুজুকে-ই জাহাঙ্গীরি–লিখেছিল যা তিনি ১৬০৫ সালে লিখতে শুরু করেন, যে বছর সম্রাট হিসাবে তাঁর অভিষেক হয়। বাবরের চেয়ে একেবারেই ভিন্ন একটা পৃথিবীর বর্ণনা তিনি দিয়েছেন, জাহাঙ্গীরের স্মৃতিকথাও প্রাণবন্ত আর বিশদ এবং অনেকক্ষেত্রেই ভীষণ ভোলামেলা। তাঁর স্মৃতিকথায় আমরা বিরোধিতায় আকীর্ণ একজন মানুষকে খুঁজে পাই–তিনি কখনও চাম্পা ফুলের জটিল সৌন্দর্য কবিতার ছন্দে বর্ণনা করছেন বা আমের চমৎকার স্বাদের কথা বলছেন আবার পরমুহূর্তেই স্বীকার করছেন তিনি তার আব্বাজানের বন্ধু আর পরামর্শদাতা আবুল ফজলকে খুন করিয়েছেন কারণ তিনি তাঁর বন্ধু ছিলেন না। আরেকটা দীর্ঘ আর তিক্ত পরিচ্ছেদে তিনি নিজের একসময়ের প্রিয় পুত্র খুররমের কাছ থেকে বিচ্ছেদের বর্ণনা দিয়েছেন, অবজ্ঞাভরে তাকে সম্বোধন করেছেন যে অমঙ্গলের বার্তাবাহী এবং বি-দৌলত, বদমাশ’ হিসাবে। মেহেরুন্নিসার প্রতি তার ভালোবাসা স্পষ্ট। তিনি একটা পরিচ্ছদে তিনি বর্ণনা করেছেন কীভাবে একটা খাটিয়ার উপর থেকে এক গুলিতে মেহেরুন্নিসা একটা বাঘ শিকার করেছিল যা, তিনি লিখছেন ভীষণ কঠিন একটা কাজ। ১৬২২ সালে, ক্রমশ দুবর্ল হয়ে পড়ায় জাহাঙ্গীর তাঁর স্মৃতিকথা লেখার দায়িত্ব মুতামিদ খানকে, তার একজন লিপিকার, দেন যিনি মহবত খানের বিদ্রোহের সময় উপস্থিত ছিল। তিনি বিশ্বস্ততার সাথে ১৬২৪ সাল পর্যন্ত স্মৃতিভাষ্য লেখা বজায় রাখেন এবং তারপরে নিজের ভাষ্য লিখেন-ইকবাল-নামা-জাহাঙ্গীরের জীবনের শেষ তিনবছরের কথা। এসব ছাড়াও আরও কিছু দিনপঞ্জি রয়েছে যেমন ফারিশতা’র গুলশান-ই-ইব্রাহিম যা জাহাঙ্গীরের জীবনের আংশিক বিবরণ। শাহজাহাননামার মত দিনপঞ্জি খুররমের কথা শোনায়।

    জাহাঙ্গীরের রাজত্বকালে বেশ কয়েকজন বিদেশী পর্যটক হিন্দুস্তান এসেছিল তাঁরা যা প্রত্যক্ষ করেছে সেসব প্রাণবন্তভাবে বর্ণনা দিয়েছে। স্যার টমাস রো, মোগল দরবারে আগত প্রথম ইংরেজ প্রতিনিধি, লিখিত পুস্তক বিস্তারিত বর্ণনায় ঠাসা এবং অনেক সময় সেখানে পক্ষপাতিত্বের সুর থাকলেও মোগল দরবারের জৌলুস দেখে একজন ইউরোপীয়ের বিস্ময় সেখানে ঠিকই টের পাওয়া যায়। অন্যান্য তথ্যসূত্রের ভিতর রয়েছে হিন্দুস্তানে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানী প্রেরিত উইলিয়াম হকিন্সের লেখা, যিনি আগ্রা জাহাঙ্গীরের দরবারে ১৬০৯ সাল থেকে ১৬১১ সাল পর্যন্ত অবস্থান করেছিলেন; উইলিয়াম ফিঞ্চ, হকিন্সের সহকারী, যিনি আকবরের রক্ষিতা আনারকলির, ‘ডালিম সুন্দরী’ গল্পের উৎস; এডোয়ার্ড টেরী, একজন পাদ্রী যিনি রো’র চ্যাপলিন ছিলেন কিছু সময়ের জন্য এবং তার সাথেই ইংল্যান্ডে ফিরে যান; এবং বিখ্যাত ইংরেজ পর্যটক টমাস ক্রোয়েট যিনি স্থলপথে হিন্দুস্তানে এসেছিলেন এবং ১৬১৫ সালে জাহাঙ্গীরের দরবারে উপস্থিত হন। তিনিই জাহাঙ্গীরের হাতির চোখ ধাঁধানো অলঙ্কারের বর্ণনা দেন যা ভিতরে রয়েছে। তাদের নিতম্বের জন্য সোনার তৈরি আসবাব।

    এম্পায়ার অব দি মোগলের পঞ্চক উপন্যাসের প্রথম তিনটি উপন্যাসের মত, এই উপন্যাসের প্রধান চরিত্রগুলো–রাজকীয় মোগল পরিবার, পারস্যের গিয়াস বেগ এবং তাঁর সমস্ত পরিবার যাদের ভিতরে মেহেরুন্নিসা এবং আরজুমান্দও রয়েছে, সুযোগ সন্ধানী মহবত খান, আবিসিনিয়ার সেনাপতি আর প্রাক্তন দাস মালিক আম্বার এবং টমাস রো’র মত আরো অনেকের–অস্তিত্ব রয়েছে। কিছু সহায়ক চরিত্র যেমন সুলেমান বেগ, নিকোলাস ব্যালেনটাইন এবং কামরান ইকবাল বাস্তব চরিত্রের উপর আধারিত হলেও আসলে কল্পিত চরিত্র।

    প্রধান ঘটনাসমূহ–খসরুর বিদ্রোহ, মালিক আম্বারের বিরুদ্ধে খুররমের অভিযানসমূহ, এবং তার আব্বাজানের কাছ থেকে তাঁর বিচ্ছেদ, মহবত খানের অভ্যুত্থান–অবশ্য সত্যি ঘটনা যদিও আমি কিছু পরিবর্তন অথবা পরিবর্ধন করেছি এবং কোনো কোনো স্থানে ঘটনাবলি সংকুচিত আর সময়সীমা পরিবর্তন করেছি। জাহাঙ্গীর বাস্তবিক মেহেরুন্নিসার প্রতি, যাকে পরবর্তীতে নূর জাহান হিসাবে সবাই চিনবে, মোহাবিষ্ট ছিলেন যিনি নিজের প্রভাব খাটিয়ে ব্যক্তিগত ক্ষমতা লাভ করেন এবং কার্যত হিন্দুস্তানের শাসক হয়ে উঠেন–সেই সময়ের একজন রমণীর পক্ষে যা একটা অবিস্মরণীয় অর্জন। একটা ব্যাপার বিস্ময়কর যে যখন রাজঅন্তঃপুরের মহিলাদের চিত্রকর্ম খুব অল্প দেখা যেত তখন মেহেরুন্নিসার বেশ কয়েকটা প্রতিকৃতি যার ভিতরে একটার বর্ণনা এই উপন্যাসে রয়েছে এখনও টিকে আছে। সূত্র অনুযায়ী এটা স্পষ্ট যে মেহেরুন্নিসা প্রথমে নিজের ভাস্তি আরজুমান্দের বিয়ে খুররমের সাথে দেয়ার জন্য সহায়তা করে কিন্তু তারপরে তাঁদের বিরুদ্ধে অবস্থান নেন। গল্পের গতিময়তার জন্য খানিকটা কল্পনার অবতারণা জরুরি। স্যার টমাস রো রাজত্বের একটা সুন্দর খণ্ডচিত্র দান করেছে যেখানে শেকসপিয়রীয় বিষাদের সমস্ত উপকরণসহ উপস্থিত: একজন অভিজাত রাজপুরুষ, একজন বিদূষী স্ত্রী, একজন বিশ্বস্ত পরামর্শদাতা, একজন কুটিল সৎ-মা, একজন উচ্চাকাঙ্খি সন্তান, একজন ধূর্ত প্রিয়পাত্র…’ আর প্রায়শই মহান বিষাদগাঁথায় যে অন্তর্নিহিত বার্তা মূর্ত হয়ে সেটা হল–যে মূল চরিত্রগুলো তাদের নিজেদের বিনাশের রূপকার হয়ে উঠে।

    উপন্যাসটা লেখার সময় সবচেয়ে পরম আনন্দের বিষয় ছিল গবেষণার জন্য ভারতবর্ষে ভ্রমণের সময় অতিবাহিত সময়টা। খুররমের মত আমি দক্ষিণে দাক্ষিণাত্যে গিয়েছি, নর্মদা নদী অতিক্রম করেছি এবং বেলেপাথরের আসিরগড় দূর্গের পাশ দিয়ে ক্ষয়াটে সোনালী পাহাড়ী ভূ-প্রকৃতির ভিতর দিয়ে ভ্রমণ করেছি। আমার গন্তব্যস্থল ছিল তাপ্তি নদীর তীরে বুরহানপুরের দূর্গ-প্রাসাদ-দাক্ষিণাত্যের সালতানের বিরুদ্ধে যা একটা সময় মোগলদের অগ্রবর্তী নিয়ন্ত্রক কেন্দ্র ছিল এবং এই স্থানে অনেক বিয়োগান্তক আর অশুভ ঘটনার জন্ম হয়েছে। ধ্বংসপ্রাপ্ত ভগ্নস্তূপের মাঝে হেঁটে বেড়াবার সময় যেখানে একটা সময় মার্বেলের নহর দিয়ে চমৎকার ফ্রেসকো অঙ্কিত হাম্মামে পানি প্রবাহিত হতো আর খুররমের রণহস্তি একসময়ে হাতিমহলে যেখানে বিচরণ করতো সেখানে আমি মাঝে মাঝে মোগলদের অস্তিত্ব অনুভব করতে পারি।

    যোধপুরের কাছে আমি আফিমের তিক্ত স্বাদযুক্ত পানি গ্রামের একজন বয়স্ক লোকের অঞ্জলি থেকে পান করেছি যা রাজপুত যোদ্ধাদের অবশ্যই যুদ্ধের পূর্বে পান করতে হয়। আগ্রায় আমি আমার পুরাতন জ্ঞান আবারও ঝালিয়ে নেই–লাল কেল্লা যেখানে একটা পাথরের খণ্ড থেকে প্রস্তুত জাহাঙ্গীরের পাঁচ ফিট উঁচু গোসলের আধার যা ভ্রমণের সময় সবসময়ে তার সঙ্গে থাকতো দূর্গ প্রাঙ্গণে এখনও রয়েছে; গিয়াস বেগের মার্বেলের কারুকাজ করা সমাধি যা মেহেরুন্নিসা তৈরি করেছেন, যা ইতিমাদ-উদ-দৌলার সমাধি’ হিসাবে পরিচিত; কাছেই সিকান্দ্রা অবস্থিত যেখানে মহামতি আকবরের অতিকায় বেলেপাথরের সমাধিসৌধ অবস্থিত যা জাহাঙ্গীরের রাজত্বকালে সমাপ্ত হয়; চম্বল নদী আর নদীর বিপুল সংখ্যক ‘ঘড়িয়াল (মাছখেকো কুমীর), সারস আর শুশুক। সেই সাথে সুযোগ হয়েছিল জাহাঙ্গীরের প্রিয় রসালো আম আর ঝাল রাজস্থানী লাল মাস খাওয়ার–মরিচ দিয়ে রান্না করা ভেড়ার মাংস এই সময়েই আনারস আর আলুর মত নতুন পৃথিবী থেকে মরিচও ভারতবর্ষে আসতে শুরু করেছে।

    আমি ভ্রমণ করার সময় মোগল বাহিনীকে বিশাল ধূলোর মেঘের জন্ম দিয়ে যেন অবারিত ভূপ্রকৃতির মাঝে ধীরে কিন্তু নিশ্চিত ভঙ্গিতে এগিয়ে যেতে দেখি। আমি রাতের বেলা তাদের শিবিরে তাবু খাটাতে দেখি যার আকৃতি একটা প্রায় ছোট শহরের মত এবং পরিচারকেরা তুলার বিচি আর তেল বিশাল একটা পাত্রে পূর্ণ করে সেটা বিশ ফিট উঁচু একটা দণ্ডের উপর স্থাপন করছে সেটা অগ্নি সংযোগ করতে–আকাশ দিয়া, আকাশের আলো–রাতের আকাশে যা উপরের দিকে আগুনের শিখা ছড়িয়ে দেয়। আমি গোবরের ঘুঁটে দিয়ে জ্বালান হাজার রান্নার আগুন থেকে ভেসে আসা তিক্ত গন্ধ যেন টের পাই এবং বাদ্যযন্ত্রীদের বাজনার সুর শুনতে পাই যারা সবসময়ে আগুয়ান মোগল বাহিনীর সঙ্গে থাকতো। খুররম আর জাহাঙ্গীর যদিও প্রায় চারশ বছর পূর্বে জীবিত ছিল, কিন্তু কোনো কোনো সময় তাদের পৃথিবী আর তারা যেন আমাদের আশেপাশেই বিরাজ করতে থাকে।

    .

    অতিরিক্ত তথ্যসূচি

    প্রথম অধ্যায়

    আকবর ১৫৪২ সালের ১৫ অক্টোবর জন্মগ্রহণ করেন এবং ১৬০৫ সালের ১৫ অক্টোবর মৃত্যুবরণ করেন।

    ১৫৬৯ সালের ৩০ আগস্ট জাহাঙ্গীর জন্মগ্রহণ করেন এবং আকবরের মৃত্যুর পরে সিংহাসনে অধিষ্ঠিত হন।

    ১৫৮৭ সালে আগস্টের কোনো একদিন খসরু ভূমিষ্ট হয় এবং জাহাঙ্গীরের বিরুদ্ধে ১৬৬০ সালের এপ্রিলে সে প্রথমবারের মত বিদ্রোহ ঘোষণা করে। পারভেজের জন্ম ১৫৮৯ সালে।

    ১৫৯২ সালের ৫ জানুয়ারি খুররম জন্মগ্রহণ করে।

    শাহরিয়ারের, এক উপপত্নীর সন্তান, জন্ম তারিখ সঠিকভাবে জানা যায় না কিন্তু অনুমান করা হয় আকবরের মৃত্যুর কাছাকাছি সময়েই তার জন্ম।

    তৈমূর, যাযাবর বারলাস তূর্কীদের একজন গোত্রপতি, পশ্চিমে ‘তৈমূর দি লেম’ এর বিকৃত ট্যাম্বারলেন নামেই বেশি পরিচিত। ক্রিস্টোফার মারলোর নাটকে তাকে ‘ঈশ্বরের চাবুক’ হিসাবে দেখানো হয়েছে।

    জাহাঙ্গীর হয়ত মুসলিম চন্দ্র মাসের দিনপঞ্জি ব্যবহার করেছিলেন, কিন্তু আমি দিনগুলো পশ্চিমে আমাদের ব্যবহৃত প্রচলিত সৌর, খ্রিস্টান, দিনপঞ্জি অনুসারে পরিবর্তন করেছি।

    খসরুর দু’জন ঘনিষ্ট সেনাপতিকে বাস্তবিকই যেভাবে বর্ণিত হয়েছে সেভাবে পশুর চামড়া দিয়ে মুড়ে লাহোরের রাস্তায় প্রদক্ষিণ করানো হয়েছিল এবং আরো অনেককে সূক্ষ প্রান্তযুক্ত লাঠির অগ্রভাগে শূলবিদ্ধ করা হয়েছিল।

    দ্বিতীয় অধ্যায়

    জাহাঙ্গীরের নির্দেশে বলা হয়ে থাকে মেহেরুন্নিসার স্বামী শের আফগানকে হত্যা করা হয়েছিল, যদিও কোনো ইউরোপীয় এই কাজ করে নি।

    তৃতীয় অধ্যায়

    মেহেরুন্নিসাকে শিশু অবস্থায় তাঁর পরিবার কর্তৃক পরিত্যাগ করার বিষয়টা কিছু দিনপঞ্জিতে উল্লেখ করা হয়েছে, যেমন জাহাঙ্গীরের সামনে তাঁর নেকাব ফেলে দেয়ার ঘটনা।

    চতুর্থ অধ্যায়

    হেরেমে যৌনতার সীমা লঙ্ঘনের জন্য চরম শাস্তি দেয়া হতো। যেমন একবার এক মহিলাকে গলা পর্যন্ত বালিতে কবর দিয়ে সূর্যের আলোয় ধুকে ধুকে মারা যাবার জন্য ফেলে রাখা হয়েছিল।

    পঞ্চম অধ্যায়

    শাহী মিনা বাজারের বাস্তবিকই খুররম প্রথম আরজুমান্দকে দেখে। তাঁর জন্ম ১৫৯৩ সালে।

    ষষ্ঠ অধ্যায়

    খসরুর দ্বিতীয় বিদ্রোহ এবং তাকে অন্ধ করার ঘটনা ১৬০৭ সালের গ্রীষ্মকালের কথা। গিয়াস বেগকে জিজ্ঞাসাবাদ করে মুক্তি দেয়া হয় এবং তাঁর ছেলে মীর খানকে ষড়যন্ত্র করার কারণে মৃত্যুদণ্ড দেয়া হয়।

    অষ্টম অধ্যায়

    মেহেরুন্নিসা আর জাহাঙ্গীর ১৬১১ সালে বিয়ে করে এবং খুররম আর আরজুমান্দের বিয়ে হয় ১৬১২ সালে।

    নবম অধ্যায়

    মালিক আম্বারের বিরুদ্ধে খুররমের প্রথম অভিযানের সময়কাল ১৬১৬। জাহানারা, যিনি বস্তুতপক্ষে খুররম আর আরজুমান্দের দ্বিতীয় সন্তান–হুঁর আল-নিসা নামে তার এক বড় বোন ভূমিষ্ট হবার কিছুদিন পরেই মারা যায়–১৬১৪ সালের এপ্রিলে জন্মগ্রহণ করেছিল।

    একাদশ অধ্যায়

    রো ১৬১৫ সালে ভারতবর্ষে আগমন করেন বিভিন্ন উপহার সামগ্রী নিয়ে যার ভিতরে ছিল শকট, মারকেটোর’র মানচিত্র আর চিত্রকর্ম।

    দ্বাদশ অধ্যায়

    বো’র চিঠিতে বাস্তবিকই জাহাঙ্গীরের গর্বের, তার ধর্মীয় সহনশীলতা, নিষ্ঠুরতা, অজ্ঞেয়বাদ আর মেহেরুন্নিসার প্রভাবের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। রো চিঠিতে বর্ণনা করেছেন কীভাবে তিনি সম্রাটকে পরিচালিত করেন এবং তাকে নিজের খেয়াল খুশিমত ব্যবহার করেন। জাহাঙ্গীরের প্রতিকৃতি যেখানে রাজা জেমস তাঁর পায়ের কাছে রয়েছে লন্ডনের বৃটিশ লাইব্রেরিতে রয়েছে।

    ত্রয়োদশ অধ্যায়

    মালিক আম্বারের বিরুদ্ধে খুররমের দ্বিতীয় অভিযান পরিচালিত হয় ১৬২০ সালে।

    পঞ্চদশ অধ্যায়

    ১৬২২ সাল নাগাদ খুররমের সাথে তাঁর আব্বাজানের বিচ্ছেদের সূচনা হয় যদিও রো ভারতবর্ষ ত্যাগ করেন ১৬১৯ সালে।

    একুশ অধ্যায়

    মহবত খানের অভ্যুত্থান ১৬২৬ সালের ঘটনা–সেই বছরই পারভেজ মারা যায়। জাহাঙ্গীর ১৬২৭ সালের ২৮ অক্টোবর মারা যায়।

    চব্বিশ অধ্যায়

    অনেক লেখক যাঁদের ভিতরে কয়েকজন সমকালীন সময়ের ইউরোপীয় লেখক নিজের অগ্রসর হবার কথা গোপন রাখতে তাঁর শবাধারের অনুগমনের বিষয়টার উল্লেখ করেছেন, অনেকে এমন দাবিও করেছে যে তিনি নিজের মৃত্যুর একটা নকল দৃশ্যের অবতারণাও করেছিলেন। ইতিহাস হলো, খসরু বুরহানপুরে খুররমের অধীনে বন্দি থাকা অবস্থায় ১৬২১ সালে মারা যায়। আধুনিক ইতিহাসবিদ আর সমসাময়িক পর্যবেক্ষকরা বিশ্বাস করে এর জন্য খুররম দায়ী। খসরুর স্ত্রী আসলেই আত্মহত্যা করেছিল। দাওয়ার বকস, খসরুর জ্যেষ্ঠ সন্তান যে জাহাঙ্গীরের মৃত্যুর পরে সিংহাসন পাবার চেষ্টা করেছিল এবং পরাজিত হয়েছিল আর খুররমের আদেশে শাহরিয়ার এবং তার অন্য কয়েকজন পুরুষ আত্মীয়ের সাথে পরবর্তীতে তাকে হত্যা করা হয়।

    ছাব্বিশ অধ্যায়

    খুররম (শাহ জাহান) আনুষ্ঠানিকভাবে সিংহাসনে আরোহণ করে ১৪ ফেব্রুয়ারি ১৬২৮ সালে–আকবরের সিংহাসন আরোহণের ৭২তম বার্ষিকীতে এবং বাবরের ১৪৫তম জন্মবার্ষিকীতে। শাহ জাহান যেসব অহঙ্কারী খেতাব নিজের বলে দাবি করে তার ভিতরে রয়েছে পৃথিবীর অধিশ্বর’ এবং মাঙ্গলিক সমাপাতনের দ্বিতীয় প্রভু’–একসময়ে তৈমূরের গর্বের সাথে ব্যবহৃত খেতাবের নির্লজ্জ আত্মসাৎকরণ। তাঁর সিংহাসনে আরোহনের সময়ে আরজুমান্দের গর্ভে খুররমের দশম সন্তান ভূমিষ্ট হয় যাদের ভিতরে ছয়জন–জাহানারা, দারা শুকোহ, শাহ্ সূজা, রোসন্নারা, আওরঙ্গজেব এবং মুরাদ বকস–জীবিত ছিল।

    ⤶
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleএম্পায়ার অভ দ্য মোগল : দ্য সার্পেন্টস্ টুথ – অ্যালেক্স রাদারফোর্ড
    Next Article রুলার অভ দা ওয়ার্ল্ড : এম্পায়ার অভ দা মোগল – অ্যালেক্স রাদারফোর্ড

    Related Articles

    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    বিপিনের সংসার – বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    January 8, 2026
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    ভয় সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    কিশোর অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    প্রকাশ্য দিবালোকে – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 18, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    তারপর কী হল – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 17, 2025
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    শর্ম্মিষ্ঠা নাটক – মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    November 11, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }