Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    এম্পায়ার অভ দা মোগল : দি টেনটেড থ্রোন – অ্যালেক্স রাদারফোর্ড

    লেখক এক পাতা গল্প617 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ১.০৬ নিহন্তার খড়গ

    মালকিন, উঠুন।’ কেউ একজন যেন তাঁর কাঁধ ধরে প্রবল ভাবে ঝাঁকাতে থাকে এবং মেহেরুন্নিসার মনে হয় সে কি স্বপ্ন দেখছে, কিন্তু ঘুম ঘুম চোখ খুলে সে নাদিয়াকে তাঁর উপর ঝুঁকে থাকতে দেখে।

    ‘কি হয়েছে? কেন তুমি আমার ঘুম ভাঙালে?’ পরিচারিকাটা তাঁর শয্যার পাশে রাখা মার্বেলের তেপায়ার উপরে একটা জ্বলন্ত তেলের প্রদীপ রেখেছে এবং কক্ষের আওয়াজির ভিতর দিয়ে প্রবাহিত উষ্ণ বাতাসে এটা কম্পমান একটা কমলা রঙের আভার জন্ম দিয়েছে।

    আপনার কাছে একটা চিঠি এসেছে। হেরেমের প্রবেশ দ্বারে যে বার্তাবাহক এটা পৌঁছে দিয়েছে সে বলেছে এটা যেন অবিলম্বে আপনাকে দেয়া হয়। মেহেরুন্নিসা খেয়াল করে পরিচারিকা কথাগুলো বলার সময় কৌতূহলের কারণে প্রায় থরথর করে কাঁপছে। সে বিছানায় উঠে বসে, তাঁর হৃৎপিণ্ডের স্পন্দন সহসাই বেড়ে গিয়েছে এবং নাদিয়ার হাত থেকে তার জন্য ধরে রাখা সীলমোহর করা কাগজটা নেয়। রাতের অন্ধকারে যে সংবাদ আসে সেটা কেবল দুঃসংবাদই হতে পারে। সে যখন চিঠিটার ভাঁজ খুলছে তখন তাঁর আঙুল মৃদু কাঁপে এবং সে তার ভাইঝির ঝরঝরে হস্তাক্ষর দেখা মাত্র চিনতে পারে। চিঠিটা খুব ব্যস্ততার মাঝে লেখা হয়েছে। পুরো চিঠিটা বেমানান কালির দাগ আর বেশ কয়েকটা শব্দ কেটে দেয়া হয়েছে।

    ফুপিজান, ভয়ঙ্কর কিছু একটা ঘটেছে। আমার আব্বাজান সামরিক প্রয়োজনে দিল্লি গিয়েছেন এবং আমার আর আমার দাদিজানের পক্ষে আর কারো মুখাপেক্ষী হওয়া সম্ভব নয়। আজ রাতের বেলা আমি যখন দূর্গে আমার পিতামহের আবাসস্থলে অবস্থান করছিলাম তখন প্রহরীরা আমার দাদাজানকে গ্রেফতার করতে এসেছিল। তারা দাবি করে গোয়ালিওরে নিজের কারাপ্রকোষ্ঠ থেকে সম্রাটকে হত্যা করার অভিপ্রায়ে যুবরাজ খসরু দ্বারা নিয়ন্ত্রিত একটা ষড়যন্ত্রে তাঁর ভূমিকা রয়েছে এবং রাজকীয় কোষাগার দখল করতে তাঁর সাহায্যের জন্য খসরু তাকে তাঁর উজির হিসাবে নিয়োগ করে তাকে পুরস্কৃত করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। তুমি ভালো করেই জানো আমার দাদাজান কেমন মানুষ–সবসময়েই ভীষণ শান্ত, ভীষণ সম্মানিত। তিনি আমাদের দুশ্চিন্তা করতে নিষেধ করে নিরবে তাঁদের সাথে গিয়েছেন কিন্তু আমি ঠিকই দেখেছি তিনি কতটা বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছেন এবং সেইসাথে তিনি ভয়ও পেয়েছেন।

    চিঠিতে আরও কিছু লেখা রয়েছে, কিন্তু মেহেরুন্নিসা ইতিমধ্যে যতটুকু পড়েছে সেটুকুই সে টায়টোয় কোনোমতে আত্মীভূত করে। তার আব্বাজান গিয়াস বেগ, যিনি প্রথমে আকবর আর পরবর্তীতে জাহাঙ্গীরের অধীনে দুই দশকের বেশি সময়কালব্যাপী এমন বিশ্বস্ততার সাথে দায়িত্ব পালন করে আসছেন, তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে সম্রাটকে হত্যা করার ষড়যন্ত্র করার কারণে… এটা একেবারেই অসম্ভব। তাঁর মুহূর্তের জন্য মনে হয় সে এখনও বোধহয় গভীর ঘুমে আচ্ছন্ন রয়েছে এবং পুরো ব্যাপারটাই একটা অদ্ভুত দুঃস্বপ্ন, কিন্তু মুশকিল হল আশেপাশেই কোথাও একটা মশা উচ্চ স্বরগ্রামে ক্লান্তিকরভাবে গুনগুন করছে আর নাদিয়া সবসময়ে যে সুগন্ধি ব্যবহার করে থাকে সেটার তীব্র কস্তুরি গন্ধ, সন্দেহাতীতভাবে বাস্তব।

    ‘এটা কি? আশা করি কোনো দুঃসংবাদ নেই? নাদিয়া জানতে চায়, তার চোখ উত্তেজনায় চক চক করছে।

    ‘আমাদের পারিবারিক একটা ব্যাপার। তুমি এখন যেতে পারো, কিন্তু প্রদীপটা রেখে যাও আমি যেন পড়ার জন্য আলো পেতে পারি।’

    মেহেরুন্নিসা যখন নিশ্চিত হয় যে পরিচারিকা বাস্তবিকই চলে গিয়েছে সে তার মুখের উপর থেকে নিজের লম্বা কালো চুলের গোছা সরিয়ে নিয়ে পুনরায় আরজুমান্দের লেখা চিঠিটার দিকে তাকায়, ধীরে ধীরে চিঠিটার পুরো বিষয়বস্তু আত্মস্থ হতে আরম্ভ করতে তাঁর হাত পায়ের রক্ত নিস্তেজ হয়ে আসতে থাকে। তাঁর আব্বাজানের জীবন হুমকির মুখে দাঁড়িয়ে রয়েছে আর তাঁদের পুরো পরিবার ধ্বংস কিংবা আরো মারাত্মক পরিণতির মুখোমুখি এসে উপনীত হয়েছে। যুবরাজ খুররমের সাথে আরজুমান্দের বিয়ের ধারণাই এখন হাস্যকর হয়ে পড়েছে, এবং তাঁর নিজের আশা আকাঙ্খও… সে এক মুহূর্তের জন্য তখনও আন্দোলিত হতে থাকা জরির কারুকাজ করা পর্দার দিকে ভীত দৃষ্টিতে তাকিয়ে থাকা থেকে নিজেকে বিরত রাখতে পারে না, প্রতি মুহূর্তে তার কেবলই মনে হতে থাকে যেকোনো মুহূর্তে পর্দার নাজুক কাপড় একপাশে সরিয়ে হেরেমের প্রহরী আর খোঁজার দল ঝড়ের বেগে ভেতরে প্রবেশ করবে তাকেও গ্রেফতার করতে।

    তাকে এখন অবশ্যই মাথা ঠাণ্ডা রাখতে হবে। আরজুমান্দের চিঠিখানা শক্ত করে ধরে সে পড়তে থাকে। আমার দাদাজানকে তাঁরা নিয়ে যাবার সময় সেখানে আগত প্রহরীদের একজন তাকে বলেছিল, আপনার ছোট ছেলে মীর খানকে দুই দিন পূর্বে একই অভিযোগে গোয়ালিওরে গ্রেফতার করা হয়েছে এবং শৃঙ্খলাবদ্ধ অবস্থায় আগ্রায় নিয়ে আসা হয়েছে। দুশ্চিন্তায় আমার দাদাজান প্রায় অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। ফুপুজান দয়া করে আমাদের সাহায্য করেন। আমাদের কর্তব্য করণীয় সম্পর্কে সত্ত্বর আমাদের অবহিত করবেন। চিঠিটার শেষে দ্রুত টানে আরজুমান্দ লেখা।

    মেহেরুন্নিসা শয্যা থেকে উঠে দাঁড়ায় এবং চিঠিটা যত্নের সাথে ভাঁজ করে তেপায়ার উপরে তেলের প্রদীপের পাশে রাখে। সে তারপরে মন্থর পায়ে হেঁটে বাতায়নের কাছে যায় এবং সূর্যের তাপে তখনও উত্তপ্ত হয়ে থাকা বেলেপাথরের সংকীর্ণ পার্শ্বদেশে হাত রাখে। সে নিচের দিকে তাকিয়ে দু’জন মহিলা প্রহরীকে হেরেমের আঙিনায় পরিক্রমণ করতে দেখে, তাদের আলকাতরায় চোবানো ছেঁড়া কাপড়ের মশালের আলোয় তাদের চারপাশে নৃত্যরত ছায়ারা ছড়িয়ে যায়। দরবারের সময়রক্ষক, ঘড়িয়ালীকে সে কাছাকাছি কোথাও থেকে ঘণ্টার সংকেত ধ্বনি করতে শুনে–একবার, দুইবার, তিনবার… সে আকাশের দিকে তাকালে সেখানে আকাশের মসিকৃষ্ণ গভীরতার একপ্রান্ত থেকে অন্যপ্রান্তে উজ্জ্বল তারকারাজির অসংখ্য নক্সা ছড়িয়ে থাকতে দেখে। পৃথিবীর সমস্যাবলী থেকে এত দূরবর্তী, তারকারাজির দূরাগত শীতল সৌন্দর্য কীভাবে যেন তাঁর মাঝে শক্তি জোগায়, তাকে শান্ত করে এবং আরো পরিষ্কারভাবে চিন্তা করতে তাকে সাহায্য করে।

    তাঁর আব্বাজান গিয়াস বেগ, সম্মান আর অতিমাত্রায় অনুগত, নিরপরাধ, সে নিশ্চিত। তাঁর বিরুদ্ধে যে অভিযোগ সেটা নিঃসন্দেহে ভুল বোঝাবুঝি কিংবা ঈর্ষাপ্রসূত। কিন্তু তাঁর ছোট ভাই মীর খানের অভিযোগের বিষয়টার ব্যাখ্যা কি হতে পারে? সে নিশ্চিতভাবে কিছুই বলতে পারে না। কাবুলে তাঁরা একসাথে বড় হয়েছে। সে সবসময়েই জানে যে তার এই ছোটভাইটা তার কিংবা আসফ খানের মত বুদ্ধিমান–কিংবা তাদের মত মানসিক শক্তির অধিকারী হয়নি। মীর খান আত্মাভিমানী এবং নিজের এই সীমাবদ্ধতা সে কখনও স্বীকার করে না। সে খুব ভালো করেই জানে তাকে কত সহজে ভুল পথে পরিচালিত করা সম্ভব। তারা যখন ছোট ছিল তখন কতবার যে সে তাকে তার নিজের নয় বরং তার স্বার্থে তাকে হঠকারী কাজে প্রলুব্ধ করেছে। তার জন্য ফল সংগ্রহ করতে ভাইকে সে একবার খুবানির গাছের পচা ডাল বেয়ে উঠতে প্ররোচিত করেছিল মনে পড়তে সে আপন মনে হেসে উঠে। সেই ডাল তার ভাইকে নিয়ে নিচে ভেঙে পড়েছিল।

    অনেকদিন আগের সেসব কথা। মীর খানের এতদিনে বিচক্ষণ আর বিবেচক হবার কথা, কিন্তু আসাফ খান যেমন অল্প বয়সেই উন্নতি করেছিলেন তেমন সাফল্য সে লাভ করে নি। হতাশা, বড় ভাইয়ের সাফল্যে ঈর্ষান্বিত হয়ে আর হতাশার কারণেই কি বিশাল পুরষ্কারের মিষ্টি প্রলোভনে ভুলে সে অবাস্তব কোনো ষড়যন্ত্রে সামিল হয়েছিল? তাঁর জানার কোনো উপায় নেই। তাঁর ছোট ভাই তাঁদের আব্বাজান গিয়াস বেগের মতই নিরপরাধও হতে পারে। তাকে বিচার করতে গিয়ে সে কোনো ধরনের তাড়াহুড়ো করতে চায় না। এখন কি করণীয় সেটাই বরং ঠাণ্ডা মাথায় আর যুক্তি সহকারে ঠিক করা বেশি গুরুত্বপূর্ণ। তাঁর নিজের এবং তার পরিবারের ভাগ্য–এমনকি হয়তো তাঁদের জীবন–এখন একটা সরু সুতার মাথায় ঝুলছে। তার এখন কোনোভাবেই হঠকারীতা প্রদর্শন করা চলবে না, কিন্তু হাত পা গুটিয়ে বসে থাকাটা হয়তো প্রাণঘাতি প্রতিপন্ন। হতে পারে…

    সে দিল্লিতে আসাফ খানকে সবকিছু জানিয়ে চিঠি লিখতে পারে। তিনি হয়তো ইতিমধ্যেই এখানকার পরিস্থিতি সম্বন্ধে অবহিত হয়েছেন এবং এই মুহূর্তে আগ্রার পথে ঘোড়া নিয়ে ধুলোর ঝড় তুলে ছুটে আসছেন। তাঁরা একসাথে বসে সিদ্ধান্ত নিবে তাঁদের পরিবারকে এই বিপর্যয়ের হাত থেকে বাঁচাতে তাঁদের কি করা উচিত। তাছাড়া এই ষড়যন্ত্রে তিনিও হয়তো জড়িয়ে পড়েছেন এবং এখন হয়তো বন্দি রয়েছেন। নাহ্, আসাফ খানের ভাগ্যে কি ঘটেছে সেটা জানার জন্য সে অপেক্ষা করবে না। তাকে এবং তাকে একলাই যা করার করতে হবে।

    নিজের ছোট কক্ষে প্রায় ঘন্টাখানেক অস্থিরভাবে পায়চারি করার পরে, দিগন্তের কোণে ভোরের ধুসর আলোর রেখা উঁকি দিতে মেহেরুন্নিসা পা আড়াআড়িভাবে রেখে তার লেখার টেবিলের সামনে এসে বসে। সে সবুজ অনিক্স পাথরের দোয়াতদানিতে–তাঁর আব্বাজান দোয়াতদানিটা তাকে উপহার দিয়েছিল–নিজের কলমটা ডুবিয়ে নিয়ে আরজুমান্দের উদ্দেশ্যে দ্রুত কয়েকটা কথা সাজিয়ে লিখে। তোমার আব্বাজান ফিরে আসা পর্যন্ত আমার দাদিজানের কাছে ধৈর্য ধরে অপেক্ষা করো এবং আমার কাছ থেকে পুনরায় কোনো সংবাদ না পাওয়া পর্যন্ত কিছু করবে না। আমার উপরে আস্থা রাখো। সে লেখাটা শেষ করেই ভিজা কালি শুষে নেয়ার জন্য বালির মিহিগুড়ো সেটার উপরে ছিটিয়ে দিয়ে, কাগজটা ভাজ করে এবং গালার লম্বা একটা টুকরো উত্তপ্ত করে সেটা ফোঁটায় ফোঁটায় ভজের উপরে ফেলে এবং নিজের মোহর দিয়ে সেটার উপরে ছাপ দেয়, পারস্যে বহু শতাব্দি যাবত তাঁদের পরিবারে ব্যবহৃত ঈগলের প্রতীক মোহরটায় খোদাই করা রয়েছে। সে মোহরটা কদাচিত ব্যবহার করে কিন্তু এখন ব্যবহার করলে কারণ তাঁদের পরিবারের গৌরবোজ্জল দীর্ঘ অতীতের কথা অহঙ্কারী ঈগলটা, সে যা করবে বলে সিদ্ধান্ত নিয়েছে কিন্তু আরজুমান্দের কাছে প্রকাশ করে নি সেটা করার জন্য পদক্ষেপ নিতে তাকে সাহস জোগায়।

    সে পুনরায় দোয়াতদানি থেকে লেখনীটা তুলে নিয়ে জাহাঙ্গীরের উদ্দেশ্যে আরেকটা চিঠির মুসাবিদা শুরু করে। মহামান্য সম্রাট, আপনাকে এই চিঠি লেখার সাহস আমার কখনও হতো না যদি না আমার পরিবারের প্রতি আমার ভালোবাসা এবং তাঁদের সম্মান রক্ষার জন্য তাঁদের প্রতি আমার ভিতরে একটা কর্তব্যবোধ কাজ করতো। মহামান্য সম্রাট, অনুগ্রহ করে আমাকে একবার দেখা করার অনুমতি দেন। গিয়াস বেগের কন্যা, মেহেরুন্নিসা। সে চিঠিটার আবার ভাঁজ করে এবং গালা গরম করে আর কিছুক্ষণ পরে রক্ত-লাল গালার নরম ফোঁটায় গলে পরতে শুরু করে।

    *

    যন্ত্রণাদায়ক মন্থরতায় দিনটা অতিবাহিত হতে থাকে। চারপাশ অন্ধকার করে শীঘ্রই সন্ধ্যা নামবে। মেহেরুন্নিসা ভাবে, সবাই নিশ্চয়ই জানে কি হয়েছে। ফাতিমা বেগম আজ তাকে ডেকে পাঠান নি। বাস্তবিকপক্ষে কেউই তাঁর কাছেই আসে নি, এমনকি সদা-উৎসুক নাদিয়ারও আজ কোনো পাত্তা নেই। তাদের ভিতরে নিশ্চয়ই গিয়াস বেগের পরিবারের সাথে বেশি খাতিরের ব্যাপারে একটা ভয়ের সংক্রমণ ঘটেছে, তার মানে এই না যে সেও বিষয়টা পাত্তা দেয়। একজন পরিচারিকাকে চিঠির সাথে একটা স্বর্ণমুদ্রা ঘুষ দিয়ে এবং জাহাঙ্গীরের উজির মাজিদ খানের কোনো পরিচারিকার হাতে চিঠিটা পৌঁছে দিতে বলে সাথে এটাও বলবে যে গিয়াস বেগের মেয়ের কাছ থেকে চিঠিটা এসেছে, কিন্তু তারপরেও জাহাঙ্গীরের কাছে চিঠি লেখার পরে প্রায় বারোঘন্টা অতিবাহিত হতে চলেছে। মাজিদ খানের বিষয়ে সে যা কিছু শুনেছে তার মনে হয়েছে যে মাজিদ খান একটা বিবেকসম্পন্ন মানুষ, যিনি গত কয়েকমাস যাবত তাঁর আব্বাজানের বাসার একজন নিয়মিত অতিথি ছিলেন, কিন্তু তিনিও এখন হয়তো গিয়াস বেগের সাথে একটা দূরত্ব বজায় রাখবেন। উজির মহাশয় একটা জ্বলন্ত মোমবাতির শিখায় চিঠিটা ধরে রেখে, তাঁর শেষ আশাটাও ভষ্ম করে দিচ্ছে সে কল্পনা করে।

    ‘এই মুহূর্তে আমার সাথে চলেন। মেহেরুন্নিসা চমকে ঘুরে তাকায়। খাজাসারাকে প্রবেশ করতে সে শুনেনি এবং মালাকে তাঁর কাছ থেকে মাত্র চার ফুট দূরে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখে সে কেঁপে উঠে। সে তার হাতের কর্তৃত্বের নিদর্শনসূচক দণ্ড দিয়ে দরজার দিকে ইঙ্গিত করার সময় তাঁর চোখে মুখে একটা আবেগহীন অভিব্যক্তি ফুটে থাকে। মেহেরুন্নিসার পরনে নীল রেশমের তৈরি তাঁর সবচেয়ে সুন্দর আলখাল্লা রূপার জরি দিয়ে যার উপরে সোলোমী ফুলের নক্সা করা ভাগ্যক্রমে যদি সম্রাট দেখা করার জন্য তাকে ডেকে পাঠান সেই কথা ভেবে, কিন্তু মালার কঠোর মুখমণ্ডলের দিকে তাকিয়ে তাঁর সন্দেহ হয় যে মালা আদতেই তাকে সেজন্যই ডাকতে এসেছে। রাজকীয় হেরেম থেকে সে সম্ভবত বহিস্কৃত হতে চলেছে, সেক্ষেত্রে সে কোনোভাবেই নিজের প্রিয় জিনিষগুলো যেমন অনিক্সের সবুজ দোয়াতদানি আর বিশেষ করে তাঁর অলঙ্কারগুলো ফেলে যাবে না। সে দামী একটা কাশ্মিরী শাল, আসাফ খান তাকে দিয়েছিলেন, তুলে নিয়ে নিজের অলঙ্কারের বাক্সের দিকে হাত বাড়ালে খাজাসারা তখন অসহিষ্ণু ভঙ্গিতে বলে, কিছু নিতে হবে না। তুমি যেভাবে রয়েছে ঠিক সেভাবেই আমার সাথে এসো। নিজেকে কেবল অবগুণ্ঠিত করে নাও।

    মেহেরুন্নিসা শালটা নামিয়ে রাখে এবং নেকাব বেঁধে নিয়ে নিজের চোখ আজ্ঞানুবর্তীভাবে নত করে রাখে। মালার সবুজ আলখাল্লায় আবৃত লম্বা অবয়বকে অনুসরণ করে নিজের আবাসন কক্ষ থেকে বের হয়ে এসে, দরদালান দিয়ে এগিয়ে গিয়ে হেরেমের আঙিনা অতিক্রম করার সময়, যেখানে ইতিমধ্যেই সাঁঝের ঝাড়বাতি জ্বালান হয়েছে, সে ভাবে আমার জীবনের তাহলে এভাবেই সমাপ্তি ঘটবে। তীর্যক দৃষ্টিতে তার দিকে তাকিয়ে থাকতে, কটু মন্তব্য শুনে, কান্নায় তাঁর চোখের পাতা ভারি হয়ে আসে কিন্তু সে সবকিছু ঝেড়ে ফেলে ধীরে সুস্থে গর্বিত ভঙ্গিতে মাথা তুলে দাঁড়ায়। খাজাসারা যদিও দ্রুত হেঁটে যাচ্ছে কিন্তু বেত্রাহত কুকুরের মত তাড়াহুড়ো করে সে হেরেম থেকে বের হয়ে যাবে না।

    কিন্তু তখনই সে খেয়াল করে যে তাঁদের ঠিক উল্টো দিকে অবস্থিত হেরেমের দরজার দিকে মালা তাকে নিয়ে যাচ্ছে না। সে বরং দ্রুত বামদিক দিকে বাঁক নেয় এবং নিচু ধাপ বিশিষ্ট একপ্রস্থ সিঁড়ির দিকে এগিয়ে যায় যা দূর্গের এমন একটা অংশের দিকে উঠে গিয়েছে মেহেরুন্নিসা আগে কখনও দেখেনি। তার বক্ষপিঞ্জরের সাথে তার হৃৎপিণ্ড ধাক্কা খায়। মালা তাকে কোথায় নিয়ে যাচ্ছে? খাজাসারা সিঁড়ির একেবারে উপরের ধাপে পৌঁছে থামে এবং কাঁধের উপর দিয়ে পিছনের দিকে ঘুরে তাকায়। ‘পা চালিয়ে এসো। মেহেরুন্নিসা তাঁর নীল আলখাল্লার ঝুল সামলে নিয়ে উপরের দিকে উঠতে শুরু করে। সে উপরে উঠে এসে একটা প্রশস্ত চতুরে নিজেকে আবিষ্কার করে। ঠিক উল্টো দিকে দুই পাল্লা বিশিষ্ট উঁচু একটা দরজা যার গায়ে কমদামি পাথর বসান রূপার পাতা ঝলমল করছে। মালা দরজার বাইরে প্রহরারত চারজন রাজপুত প্রহরীকে দ্রুত কিছু একটা বলার সময় মেহেরুন্নিসার দিকে ইঙ্গিত করে।

    প্রহরীরা দরজার পাল্লা খুলে দেয়। মালা দরজার নিচে দাঁড়িয়ে মেহেরুন্নিসার এগিয়ে আসবার জন্য অপেক্ষা করে, তারপরে তাঁর কব্জি আঁকড়ে ধরে তাকে নিয়ে দু’পাশে বুটিদার রেশমের পর্দা দেয়া একটা প্রশস্ত অলিন্দ দিয়ে সামনের দিকে এগিয়ে যায়। পুরুষ ময়ুরের মত দেখতে, যার ছড়ান পেখমে পান্না আর নীলা বসান, সোনার দাহকে ধিকিধিকি জ্বলতে থাকা ধূপ আর মশলার সুগন্ধে অলিন্দের বাতাস ভারি হয়ে আছে। তাদের সামনে আরো একজোড়া দরজা পেছনের দরজার চেয়ে আরও উঁচু আর চওড়া আর পাল্লার উপরে সোনার পাতের উপরে কচ্ছপের খোলা আর হাতির দাঁতের কারুকাজ করা। দরজার সামনে ইস্পাতের ফলাযুক্ত বর্শা হাতে দশজন রাজপুত প্রহরী ঋজু আর স্থির ভঙ্গিতে সামরিক কায়দায় দাঁড়িয়ে রয়েছে। ‘আমরা কোথায় এসেছি?’ সে মালার কাছে ফিসফিস করে জানতে চায়।

    রাজকীয় হেরেমে মহামান্য সম্রাটের এটা ব্যক্তিগত প্রবেশ পথ। এই দরজা দিয়ে তার একান্ত ব্যক্তিগত কক্ষে যাওয়া যায়।

    ‘তুমি আমাকে সম্রাটের কাছে নিয়ে চলেছো?

    ‘হ্যাঁ। তোমার সাথে কি করা হবে সন্দেহ নেই তিনি সিদ্ধান্ত নেবেন।

    মেহেরুন্নিসা কিছুই শুনতে পায় না। সে সম্রাটের সামনে উপস্থিত হবার পূর্বে মূল্যবান সময়ের যতটুকু অবশিষ্ট রয়েছে সেই অবসরে জাহাঙ্গীরের কাছে চিঠিটা লেখার পর থেকেই তাকে বলার জন্য সে নিজের মনে যে কথাগুলো আউড়ে এসেছে সেগুলোই আরেকবার স্মরণ করে নেয়। বিশাল দরজাটার সোনালী পাল্লা দুটো এখন ধীরে ধীরে খুলে যাচ্ছে। মালা একপাশে সরে দাঁড়ায় এবং তাকে একলাই সামনে এগিয়ে যেতে হবে। সে মাথা উঁচু করে দরজার নিচে দিয়ে এগিয়ে যায়।

    বিশাল কক্ষের দূরবর্তী প্রান্তে সম্রাট একটা নিচু মঞ্চে উপবিষ্ট। মেহেরুন্নিসা আশা করেছিল কর্চি, পরিচারকদের, এমনকি প্রহরীও হয়তো দেখতে পাবে সম্ভাব্য বিশ্বাসঘাতকের মেয়ে আর বোনের হাত থেকে সম্রাটকে সুরক্ষিত রাখতে, কিন্তু কক্ষে তারা দু’জন ছাড়া আর কেউ নেই। বাতায়ন দিয়ে আগত আলোয় দীর্ঘায়িত হতে থাকা ছায়া আর মোমবাতির কাঁপতে থাকা আলোর কারসাজিতে তাঁর পক্ষে জাহাঙ্গীরের অভিব্যক্তি বোঝাটা কঠিন করে তুলে। সে তাঁর কাছ থেকে তখনও পনের ফিট দূরে থাকার সময়ে, মেহেরুন্নিসা যেমন ঠিক করে রেখেছিল সেভাবেই মুখ নিচের দিকে রেখে তাঁর সামনে ছুঁড়ে দেয়, তাঁর খোলা চুল তার চারপাশে উড়ছে। সেইসাথে সে তার পরিকল্পনা অনুসারে জাহাঙ্গীর কথা বলা পর্যন্ত অপেক্ষা করে না।

    ‘সম্রাট আমার সাথে দেখা করার মহানুভবতা প্রদর্শনের জন্য আপনাকে ধন্যবাদ। আমি এখানে এসেছি আপনার সামনে আমার আব্বাজান গিয়াস বেগের পক্ষে সাফাই দিতে। আমি আমার জীবনের দিব্যি দিয়ে বলতে পারি যে আপনার, তাঁর শুভাকাঙ্খি, যিনি তাকে সবকিছু দিয়েছেন, ক্ষতি হয় এমন কোনো কিছু তিনি কখনও করবেন না। আমার আব্বাজান কখনও নিজের পক্ষে সাফাই দিবেন না তাই আমাকেই সেটা করতে হলো। আমি কেবল ন্যায়বিচার কামনা করছি।’ মেহেরুন্নিসা স্থির হয়ে পুরু গালিচায় মুখটা আরো গুঁজে দিয়ে, দুই হাত দু’পাশে ছড়িয়ে, যেভাবে ছিল সেভাবেই থাকে।

    তাঁর সামনের ছায়াচ্ছন্ন বেদীতে উপবিষ্ট লোকটার কাছ থেকে কোনো শব্দ ভেসে আসে না। সে মাথা তুলে তাকাবার ইচ্ছাকে জোর করে দমন করে কিন্তু সে যখন কেবল ভাবতে শুরু করেছে যে তার দিকে না তাকিয়ে তার পক্ষে আর থাকা সম্ভব না ঠিক তখনই তার শক্তিশালী হাত নিজের বাহু নিচে সে অনুভব করে, তাকে পায়ের উপরে দাঁড় করাবার জন্য তুলছে। সে চোখ বন্ধ করে থাকে। তিনি যখন তাঁর এত কাছে অবস্থান করছেন তখন সে তার মুখে করুণার পরিবর্তে দোষারোপের অভিব্যক্তি দেখবে সেই ভয়ে চোখ খুলে তার মুখের দিকে তাকাতে পারে না। তাঁর কাঁধ থেকে হাত সরে যায় কিন্তু তারপরেই সে টের পায় তিনি তাঁর নেকাবের একটা পাশ সরিয়ে দিচ্ছেন। সে চোখ খুলে তাকায় এবং জীবনে দ্বিতীয়বারের মত তার চোখে চোখ রাখে। কাবুলে বহু বছর আগে দেখার পর থেকে তার মনে গেঁথে থাকা সেই মুখ সে সামনে দেখতে পায়। মুখাবয়বে বয়সের ছাপ পড়ায় আরও বেশি সুদর্শন দেখায় কিন্তু এই মুহূর্তে সেখানে কঠোর আর শীতল একটা অভিব্যক্তি ফুটে রয়েছে যার দিকে তাকিয়ে সে সহসাই অসুস্থবোধ করে এবং নিস্তেজ হয়ে যায়। জাহাঙ্গীর তার দিকে আগ্রহের সাথে তাকিয়ে কিন্তু তাঁর ভাবনার বিন্দুমাত্র চিহ্ন মুখে ফুটে উঠে না। সে কয়েক মুহূর্ত পরে ঘুরে দাঁড়ায় এবং নিজের বেদীতে উঠে সেখানে পুনরায় আসন গ্রহণ করে। আপনার আব্বাজান আর ভাইজান দু’জনকেই জেরা করা হয়েছে।’

    ‘আমার আব্বাজান কোনো অপরাধ করতে পারেন না, মেহেরুন্নিসা নিজের কণ্ঠস্বর শান্ত আর সংযত রাখার আপ্রাণ চেষ্টা করতে করতে কোনোমতে বলে। কে তাকে অভিযুক্ত করেছে?

    ‘গোয়ালিওর দূর্গের প্রধান আধিকারিক। তাঁর গুপ্তচরেরা আড়িপেতে আমার ছেলেকে আপনার ভাই মীর খানের সাথে আলোচনা করতে শুনেছে যে পারস্যের শাহের কাছে যদি কান্দাহার সমর্পণের প্রতিশ্রুতি দেয়া হয় তাহলে কি সৈন্যবাহিনী পাঠিয়ে আমাকে ক্ষমতাচ্যুত করতে সাহায্য করতে তিনি রাজি হবেন। আপনার ভাই উত্তর দেয় যে পারস্যের রাজদরবারে গিয়াস বেগের এখন প্রভাব রয়েছে… সে ইঙ্গিত দেয় সে তাকে ষড়যন্ত্রে অংশ নিতে হয়তো রাজি করাতে পারবে।’

    মেহেরুন্নিসার মুখ ক্রোধে রক্তিম হয়ে উঠে। সে চোখের সামনে পুরো পরিস্থিতিটা স্পষ্ট দেখতে পায় একজন যুবরাজের বিশ্বাসভাজন হতে পারার গর্বে মীর খান এতটাই উদ্বেলিত হয়ে উঠেছে যে সে যেকোনো কিছু করবে বা বলবে…মেহেরুন্নিসা থুতনি উঁচু করে। এমন একটা ধারণা ঘৃণার অযোগ্য। মীর খান কেবল নিজেকে একজন কেউকেটা হিসাবে জাহির করতে চেয়েছে। আমি ভূমিষ্ঠ হবার আগেই আমার আব্বাজান পারস্য ত্যাগ করেছেন। তিনি পারস্যের সাথে সমস্ত সম্পর্ক ছিন্ন করেছিলেন মোগল সাম্রাজ্যের একজন আধিকারিক নিযুক্ত হবার পরে আর যোগ্যতার সাথেই তিনি নিজের দায়িত্ব পালন করেছেন। তাকে যদি ষড়যন্ত্রের সাথে যুক্ত করা সম্ভবও হয়–যা তিনি কোনোভাবেই হবেন না–আর পুরো বাপারটা কোনো অর্থ বহন করে না যেখানে তার নাতনির সাথে যুবরাজ খুররমের বিয়ের হতে চলেছে সেখানে আপনার বিরুদ্ধে আপনার অন্য সন্তানকে সমর্থন করে তাঁর কি লাভ?

    জাহাঙ্গীর তার দিকে অপলক দৃষ্টিতে তাকিয়ে থাকে। মেহেরুন্নিসা ভাবে তার জন্য যদি এখনও কোনো অনুভূতি তার ভিতরে অবশিষ্ট থাকেও সেটা তিনি ভালোভাবেই গোপন রেখেছেন।

    ‘আপনার কথায় যুক্তি রয়েছে কিন্তু আপনি এতটা উত্তেজিত হয়ে তর্ক করার আগেই আমি ইতিমধ্যেই সিদ্ধান্ত নিয়েছি যে ষড়যন্ত্রের বিষয়ে গিয়াস বেগ কিছুই জানেন না, জাহাঙ্গীর অবশেষে কথা বলে। আমি তাকে বহুদিন ধরেই চিনি এবং বিশ্বাস করি তিনি একজন সৎ লোক।

    মেহেরুন্নিসা ভাবে, আমার আব্বাজান নিরাপদ। তার চারপাশের সবকিছু এক নিমেষের জন্য মনে হয় যেন অন্ধকারাচ্ছন্ন হয়ে উঠে এবং সে নিজের চোখের উপর হাত রাখে, নিজেকে শক্ত করতে আপ্রাণ চেষ্টা করে।

    কিন্তু আপনার ভাইয়ের ব্যাপারে এটা প্রযোজ্য নয়…’

    ‘আমার ভাইজান…’।

    ‘মীর খানের বিরুদ্ধে অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হয়েছে। সে প্রথমে যদিও সবকিছু অস্বীকার করেছিল, একটা সময় পরে… জেরার একটা পর্যায়ে… সে স্বীকার করে যে আমার বিশ্বাসঘাতক সন্তান যুবরাজ খসরু তাকে বিপুলভাবে পুরস্কৃত করার লোভ দেখিয়ে আমার বিরুদ্ধে একটা ষড়যন্ত্রে তাকে অংশ গ্রহণ করতে বলে এবং সে রাজি হয়।

    মেহেরুন্নিসা কথা বলে না।

    ‘আপনি এখানে ন্যায়বিচার চাইতে এসেছেন। এইমাত্র আপনি প্রমাণ করেছেন যে আপনি কতটা বিবেচনাবোধের অধিকারী। আমার স্থানে আপনি থাকলে কি করতেন?

    সে কোনো কথা না বলে গাঢ় নীলের জমিনে ঘন লাল ফুলের নক্সা করা পুরু গালিচার দিকে তাকিয়ে থাকে যখন হাসতে হাসতে খুবানি গাছের পচা ডাল বেয়ে এগিয়ে গিয়ে তার জন্য কয়েকটা ফল পারতে এগিয়ে যাওয়া উৎফুল্ল, ভাবনাহীন মীর খানের বালক বয়সের স্মৃতি, তাকে প্রায় দৈহিক যন্ত্রণায় বিদ্ধ করে। সম্রাট। তার কণ্ঠস্বর শান্ত, সংযত, আতঙ্কের লেশমাত্র নেই সেখানে। আপনার সামনে পছন্দের কোনো সুযোগ নেই। মীর খান একজন বিশ্বাসঘাতক। তাকে প্রাণদণ্ডে দণ্ডিত করুন। আপনার স্থানে আমি থাকলে তাই করতাম।

    ‘আপনি চিঠিটে আপনার পরিবারের প্রতি আপনার ভালোবাসার কথা উল্লেখ করেছেন। ভাইয়ের মৃত্যুর জন্য পরামর্শ দেয়াটা কি একজন স্নেহময়ী বোনের উপযুক্ত কাজ?

    ‘পারস্যে একটা প্রবাদ প্রচলিত রয়েছে: “একটা গাছে যদি বাছে ফল ফলে তাহলে বাগান বাঁচাতে হলে গাছটা কেটে ফেল।” মীর খান তাঁর সম্রাট হিসাবে আপনার প্রতি নিজের কর্তব্য পালন করতে ব্যর্থ হয়েছে এবং সেই সাথে নিজের পরিবারের প্রতিও সে তার দায়িত্ব পালন করে নি। সে একটা কীট আক্রান্ত বৃক্ষ। তাঁর বাকি পরিবার হল প্রবাদে উল্লেখ করা উদ্যান।

    ‘বেশ কথা। আপনার পরামর্শ অনুযায়ী কাজ হবে। জাহাঙ্গীর ঝুঁকে পড়ে তার পেছনে রাখা পিতলের একটা ঘন্টা তুলে নিয়ে সেটা বেশ জোরে বাজায়। ঘন্টার ধাতব শব্দ দুই কি তিনবার বোধহয় ধ্বনিত হয়েছে বেদীর ডানদিকে অবস্থিত একটা দরজা দিয়ে একজন কর্চি কক্ষের ভেতরে প্রবেশ করে।

    ‘আদেশ করুন, সম্রাট?

    ‘বিশ্বাসঘাতক মীর খানকে আমার সামনে হাজির করা হোক।’

    মেহেরুন্নিসা কিংবা বেদীর উপরে স্তব্ধ হয়ে বসে থাকা জাহাঙ্গীর কেউ কোনো কথা বলে না অপেক্ষার সময়গুলো যখন অতিবাহিত হয়। নিজের জীবনের সবচেয়ে দীর্ঘতম বিপর্যয়ের পরবর্তী অধ্যায়ের জন্য সে নিজেকে প্রস্তুত করে। এখন বোধহয় সন্ধ্যা সাতটা বাজে–আরজুমান্দ বানুর আতঙ্কিত চিঠি নাদিয়া তাকে পৌঁছে দেয়ার পরে পনের ঘন্টা অতিবাহিত হয়েছে। সে মানসিকভাবে যদিও পরিশ্রান্ত কিন্তু তার এখন কোনোভাবেই নিজের দুর্বলতা প্রকাশ করা চলবে না। সে এই পরিস্থিতির ভিতর দিয়ে কেবল শক্ত থেকেই বের হয়ে আসতে পারবে এবং নিজেকে আর নিজের পরিবারকে রক্ষা করতে পারবে।

    পুরুষ কণ্ঠস্বর আর আগুয়ান পায়ের শব্দ এক ঝটকায় তাকে তার ভাবনা থেকে বের করে আনে। কর্চি সেই একটা দরজা দিয়ে কক্ষের ভিতরে প্রবেশ করেছে এবং তারপরে দরজার একপাশে দাঁড়িয়ে সে চিৎকার করে বলে, “মীর খানকে ভিতরে নিয়ে এসো।

    দু’জন প্রহরী নিজেদের মাঝে তৃতীয় আরেকজনকে টেনে ভিতরে নিয়ে আসে। মোমবাতির দপদপ করতে থাকা আলোয় তারা যখন বেদীর দিকে এগিয়ে যায় মেহেরুন্নিসা তখন নিজের উপর রীতিমত বলপ্রয়োগ করে দৃষ্টি সরিয়ে নেয়া থেকে বিরত থাকতে। সে যেখানে দাঁড়িয়ে রয়েছে প্রহরীরা তার পাশে এসে দাঁড়ায় এবং তাদের মাঝের লোকটা ঠেলে সামনের দিকে মাটিতে ফেলে দেয়। মীর খান কোনো বাধা না দিয়ে মাটিতে আছড়ে পড়ে। বস্তুতপক্ষে, তাকে দেখে মনে হয় না যে তার জ্ঞান আছে। সে যখন সামনের দিকে টলমল করে আছড়ে পড়ে সেই অবসরে মেহেরুন্নিসা তাঁর কালচে, রক্তাক্ত মুখ দেখতে পায়। তার পরনের কাপড় ছেঁড়া, তাঁর পিঠে আগুনের ছ্যাকার লাল ক্ষত, সম্ভবত তপ্ত লোহার সাহায্যে সৃষ্ট। সে নিজেকে প্রবোধ দেয় মীর খানকে নিজের ভুলের মাশুল অবশ্যই দিতে হবে–যে তাকে অবশ্যই উৎসর্গ করতে হবে যাতে বাকি সবাই তারা রক্ষা পায়–কিন্তু তার পাশে মেঝেতে নিজের অত্যাচারিত ছোট ভাইকে পড়ে থাকতে দেখাটা সহ্য করাও তাঁর জন্য কষ্টকর হয়ে উঠে। জাহাঙ্গীর মীর খান নয় বরং তার দিকে অপলক দৃষ্টিতে তাকিয়ে রয়েছে বুঝতে পেরে, সে প্রাণপণে আত্মসংবরণের চেষ্টা করে। সম্রাট কিছুক্ষণ পরে বন্দির দিকে তাকায়।

    ‘মীর খান, নিজের সাফাই দিতে তোমার কি বলার আছে?

    মীর খানের পুরো দেহ থরথর করে কাঁপছে। প্রহরীদের একজন তাঁর মাথার লম্বা কালো চুলের ঝুটি ধরে এবং তার মাথাটা তুলে ধরে। মহামান্য সম্রাটের প্রশ্নের জবাব দাও।’

    মীর খান বিড়বিড় করে দুর্বোধ্য কিছু একটা বলে এবং প্রহরী নিজের জুতো পরা পা তুলে এবার তার পেটে সজোরে একটা লাথি বসিয়ে দেয়। সে এইবার কয়েকটা শব্দ স্পষ্ট করে উচ্চারণ করতে সক্ষম হয়। সম্রাট, আমাকে ক্ষমা করুন।

    ‘বিশ্বাসঘাতকতার জন্য ক্ষমা করার প্রশ্নই উঠে না। একজন বিশ্বাসঘাতকের মৃত্যুই তোমার প্রাপ্য। তোমায় প্রাণদণ্ডে দণ্ডিত করার পরামর্শ এমনকি তোমার নিজের বোনও দিয়েছে।’ মীর খান হতাশ চোখে তার দিকে তাকালে মেহেরুন্নিসা কুঁকড়ে যায়। আমার উচিত ছিল তোমাকে হাতির পায়ের নিচে পিষে ফেলা কিংবা শূলে দেয়া যেমনটা আমি আমার সন্তানের পূর্ববর্তী বিদ্রোহের সমর্থকদের করেছিলাম যাঁদের পরিণতি থেকে শিক্ষা নেয়ার মত বুদ্ধিও তোমার নেই।’ জাহাঙ্গীরের কণ্ঠস্বর হিম শীতল শোনায়। মীর খানের পাশে বসে তাকে আগলে ধরে একটু আগে যা বলেছিল সেসব ভুলে গিয়ে ভাইয়ের জীবনের জন্য করুণা ভিক্ষা করা থেকে মেহেরুন্নিসা অনেক কষ্টে নিজেকে বিরত রাখে। জাহাঙ্গীর অবশ্য এসবে ভ্রূক্ষেপ না করে বলতে থাকে, কেবল তোমার বোনের খাতিরে যার মত সাহসী তুমি কখনও হতে পারবে না আমি তোমাকে এই জীবন থেকে তোমার প্রাপ্য ধীর আর যন্ত্রণাদায়ক নিস্কৃতির হাত থেকে রেহাই দিলাম। মৃত্যুর পূর্বে তোমার কি কিছু বলবার আছে?

    মীর খান অনেক কষ্ট করে হাঁটুর উপর ভর দিয়ে বসে কিন্তু সে যখন কথা বলে সেগুলো না তার বোন না সম্রাটকে উদ্দেশ্য করে বলা। কথাগুলোর মাঝে কোনো প্রকার ক্ষোভ কিংবা ক্রোধ না থাকায় সে হাফ ছেড়ে বাঁচে। ‘মেহেরুন্নিসা… আমাকে ক্ষমা করে দিও…’

    ‘ভাইজান, আমি আপনাকে ক্ষমা করে দিয়েছি। তার মুখ শুকিয়ে কাঠ হয়ে থাকায় কথাগুলো ধীরে নিঃসৃত হয়।

    ‘আর আমাদের আব্বাজান আর আসাফ খানকেও বলে দিও আমায় যেন মার্জনা করে। ষড়যন্ত্রের বিন্দুবিসর্গ সম্বন্ধে তারা জানতো না… এবং আমাদের আম্মাজানকে জানিয়ে তাকে আমি ভালোবাসি আর আমার জন্য যেন কষ্ট না পায়। মীর খান এখন ফুঁপিয়ে কাঁদছে, অশ্রুধারায় তার মুখের শুকনো রক্ত গলতে শুরু করে।

    ‘জল্লাদকে ডেকে পাঠাও, জাহাঙ্গীর আদেশ দেয়। লোকটা নিশ্চয়ই এতক্ষণ বাইরে অপেক্ষা করেছিল কারণ সাথে সাথে কালো পাগড়ি ধাতব-বোম শোভিত আটসাট জামা পরিহিত দীর্ঘদেহী একটা লোক দুই মাথাযুক্ত একটা কুঠার হাতে ভেতরে প্রবেশ করে এবং তার অন্য পেষল হাতে মনে হয় একটা পশুর চামড়া মুড়িয়ে ধরা রয়েছে।

    ‘সম্রাট?

    ‘এই লোকটার শিরোচ্ছেদ কর।

    জাহাঙ্গীরের আদেশ শুনে মীর খান পুনরায় মেঝেতে লুটিয়ে পড়ে। জল্লাদ লোকটা এবার চামড়াটার ভাঁজ খুলে, তারপরে বেদীর সামনে থেকে গালিচাটা সরিয়ে দিয়ে সেখানে পাথরের মেঝের উপরে যত্ন নিয়ে চামড়াটা বিছিয়ে দেয়। সে প্রস্তুত হতে প্রহরীদের উদ্দেশ্যে মাথা নাড়ে। মীর খান তখনও ফুঁপিয়ে কাঁদছিলো যখন প্রহরীরা তাকে পুনরায় ধরে এবং টেনে সামনের দিকে চামড়ার উপরে নিয়ে আসে। তোমার গর্দান বাড়িয়ে দাও, জল্লাদ আদেশের সুরে বলে। একজন প্রহরী তার ডান হাতটা দেহের কাছ থেকে টেনে ধরলে যা এখন ভীষণভাবে কাঁপছে অন্য প্রহরীও তাঁর বাম হাতটা একইভাবে টেনে ধরতে, মেহেরুন্নিসা লক্ষ্য করে তার ভাই দারুণ সাহসের পরাকাষ্ঠা দেখিয়ে ধীরে নিজের গলা বাড়িয়ে দেয়। জল্লাদ তাঁর ঘাড়ের উপর থেকে কালো চুলের গোছা সরিয়ে দেয় তারপরে, সন্তুষ্টচিত্তে পিছিয়ে এসে কুঠারটা হাতে তুলে নেয়। সে তারপরে যত্নের সাথে কুঠারটার ওজন নিজের হাতে ভারসাম্য অবস্থায় রেখে কাঁধের উপর দিয়ে জিজ্ঞাসু দৃষ্টিতে জাহাঙ্গীরের দিকে তাকাতে সে বোঝা যায় কি যায় না এমনভাবে মাথা নাড়ে।

    মেহেরুন্নিসা মোমের আলোয় বাঁকা ফলাটা ঝলসাতে দেখে যখন জল্লাদ কুঠারটা এক মোচড়ে নিজের মাথার উপর তুলে ধরে। হন্তারক ফলাটা নামিয়ে আনতে সে টের পায় তার গালের পাশ দিয়ে বাতাসের একটা ঝাপটা বয়ে যায়, তারপরে ফলাটা তার ভাইয়ের গলা নিখুঁতভাবে দ্বিখণ্ডিত করতে হাম আর মাংসের সাথে ইস্পাতের সংঘর্ষের ভোঁতা আওয়াজ সে শুনতে পায় এবং আরো একটা মৃদু ভোঁতা শব্দের সাথে তাঁর ছিন্ন মস্তক মাটিতে আঘাত করতে উজ্জ্বল রক্ত ছিটকে উঠতে দেখে। মেহেরুন্নিসা কিছুক্ষণ নিথর দাঁড়িয়ে থাকে। তারপরে স্বস্তিকর একটা অনুভূতি–জল্লাদ লোকটা নিজের কাজ ভালোই জানে। তাঁর ভাই কষ্ট পায় নি। সে তাকে যন্ত্রণাদায়ক মৃত্যুর হাত থেকে নিকৃতি দিয়েছে। সে তাকিয়ে দেখে জল্লাদ দ্রুত মীর খানের ছিন্ন মস্তক আর দেহটা চামড়া দিয়ে ঢেকে দেয় এবং একজন প্রহরীর সাহায্যে সেগুলো কক্ষ থেকে সরিয়ে নেয়। আয়তাকার পাথরের খণ্ডের উপরের পড়ে থাকা কয়েক ফোঁটা রক্তই কেবল সাক্ষী দেয় যে কিছুক্ষণ আগে এখানে একজনের জীবনাবসান হয়েছে।

    ‘সবকিছু মিটে গিয়েছে, মেহেরুন্নিসা শুনতে পায় জাহাঙ্গীর বলছেন। ‘আপনি এবার হেরেমে ফিরে যেতে পারেন।’

    মেহেরুন্নিসার অনুভব করার আর চিন্তা করার সব শক্তি যেন বিলীন হয়েছে। সে অন্ধের মত আদেশ পালন করে, কক্ষের দূরবর্তী প্রান্তের অতিকায় সোনালী দরজার দিকে টলতে টলতে এগিয়ে যায় যা ইতিমধ্যে তার জন্য খুলতে শুরু করেছে।

    হেরেমে নিজের কক্ষে ফিরে এসে যা সে ভেবেছিল আর কখনও দেখতে পাবে না মেহেরুন্নিসার কিছুটা সময় লাগে অবশেষে কান্নায় ভেঙে পড়তে। নিজের ভাইয়ের মৃত্যুদণ্ড প্রত্যক্ষ করা খুবই কঠিন। নিজেকে সুস্থির রাখার জন্য সে তার হাতের নখ দিয়ে যেখানে আঁকড়ে ধরেছিল সেখান থেকে এখন রক্তপাত শুরু হয়েছে। কিন্তু মীর খান নিজেই নিজেকে এই বিপর্যয়ে আপতিত করেছে। সে দোষী আর ন্যায়বিচার সম্পন্ন হয়েছে। তাকে বাঁচাবার জন্য তার কিছুই করার ছিল না এবং সেই চেষ্টা করতে গেলে সে সম্ভবত নিজেকে আর সেই সাথে তাঁদের পুরো পরিবারকে বিপদগ্রস্থ করে তুলতো। তাঁর আব্বাজান যেমন শিশুকালে তাকে মরুভূমিতে পরিত্যাগ করেছিলেন তাঁদের বাকি পরিবারকে বাঁচবার একটা সুযোগ দিতে, তাকে ঠিক সেভাবেই মীর খানকেও উৎসর্গ করতে হয়েছে। তাঁর বিচক্ষণতার মানে এই নয় যে সে ভাইকে ভালোবাসে না, যতই দুর্বল আর বোকা সে হোক। কিন্তু এখন কি করণীয়? জাহাঙ্গীরের সাথে সাক্ষাতের বিষয়ে সে এতদিন ধরে যে স্বপ্ন দেখছিলো তা অবশেষে পূরণ হয়েছে কিন্তু সে যেমন কল্পনা করেছিল তার থেকে একেবারে ভিন্ন একটা প্রেক্ষাপটে। ভবিষ্যতের গর্ভে তার জন্য… বা তাঁর পরিবারের জন্য… কি অপেক্ষা করছে?

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleএম্পায়ার অভ দ্য মোগল : দ্য সার্পেন্টস্ টুথ – অ্যালেক্স রাদারফোর্ড
    Next Article রুলার অভ দা ওয়ার্ল্ড : এম্পায়ার অভ দা মোগল – অ্যালেক্স রাদারফোর্ড

    Related Articles

    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    বিপিনের সংসার – বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    January 8, 2026
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    ভয় সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    কিশোর অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    প্রকাশ্য দিবালোকে – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 18, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    তারপর কী হল – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 17, 2025
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    শর্ম্মিষ্ঠা নাটক – মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    November 11, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }