Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    রুদ্রসমগ্র – রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

    January 8, 2026

    রান্না খাদ্য পুষ্টি – সিদ্দিকা কবীর

    January 8, 2026

    শহর খুলনার আদি পর্ব – আবুল কালাম সামসুদ্দিন

    January 8, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    ঐতিহাসিক সমগ্র – হেমেন্দ্রকুমার রায়

    হেমেন্দ্রকুমার রায় এক পাতা গল্প905 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    সূর্য দেবী, পর্মল দেবী

    ঐতিহাসিক বলছেন : ইসলাম ধর্মের উদয় হচ্ছে ইতিহাসের অন্যতম বিস্ময়কর ব্যাপার!

    ৬২২ খ্রিস্টাব্দে হজরত মহম্মদ সহায়-সম্পদহীন অবস্থায় প্রাণ রক্ষার জন্যে পালিয়ে যান মক্কা থেকে মদিনায়।

    তারই কিছু-বেশি এক শতাব্দীকাল পরেই দেখা গেল, হজরত মহম্মদের অনুবর্তীরা যে সাম্রাজ্য স্থাপন করেছেন, তার বিস্তার আটলান্টিক সাগর থেকে সিন্ধুনদ এবং কাস্পিয়ান সাগর থেকে নীলনদ পর্যন্ত!

    এই বিশাল সাম্রাজ্যের অন্তর্গত ছিল ইউরোপের স্পেন, পোর্তুগাল ও দক্ষিণ ফ্রান্সের কতকাংশ; আফ্রিকার সমুদ্র-তীরবর্তী উত্তর অংশ, মিশর, আরব, সিরিয়া, মেসোপটেমিয়া, আর্মেনিয়া, পারস্য, আফগানিস্তান, বেলুচিস্তান ও ট্রানসঅক্সিয়ানা।

    তারপরও হজরত মহম্মদের উত্তরাধিকারী ও অনুবর্তীগণ খ্রিস্টর্ধমাবলম্বীদেরও একসঙ্গে পূর্ব ও পশ্চিম দিক থেকে বারংবার আক্রমণ করতে ছাড়েননি—এক কনস্তান্তিনোপল নগরকেই তাঁরা অবরোধ করেছিলেন উপরি উপরি তিনবার।

    কিন্তু ৭১৬ খ্রিস্টাব্দে তৃতীয় থিয়োডোসিয়াসের এবং ৭৩২ খ্রিস্টাব্দে চার্লস দি হ্যামারের কাছে যদি তাঁরা শোচনীয়রূপে পরাজিত না হতেন, তাহলে আজ হয়তো ইউরোপীয়দের হাতে হাতে থাকত বাইবেলের পরিবর্তে কোরান!

    ওই দুই স্মরণীয় পরাজয়ের কিছু আগেই ইসলাম ধর্মের বিপুল বন্যা এসে উপস্থিত হয়েছিল পশ্চিম আর্যাবর্তের সীমান্ত পর্যন্ত।

    তখন খলিফা ওয়ালিদের সাম্রাজ্যের পূর্বাঞ্চলের শাসনকর্তা ছিলেন হাজাজ! এই পূর্বাঞ্চলের সীমান্তের পরেই আরম্ভ হয়েছে ভারতবর্ষের সিন্ধুদেশ এবং সেখানে রাজত্ব করতেন ব্রাহ্মণবংশীয় রাজা দাহির।

    ভারতবর্ষ তখন মুসলমান আরব-সন্তানদের নাম শুনেছিল অবশ্যই, কিন্তু আরবদের মনে যে ভারত আক্রমণের বাসনা জেগেছে, এমন কোনও সম্ভাবনার ইঙ্গিত তখন পর্যন্ত পাওয়া যায়নি।

    তার বেদ, উপনিষদ, পুরাণ, তন্ত্র-মন্ত্র, মন্দির-মঠ ও তেত্রিশ কোটি দেবতা এবং হাজার রকম সু আর কু সংস্কার প্রভৃতি নিয়ে আর্য ভারতবর্ষ তখন নিশ্চিন্ত হয়ে দেখত কেবল অতীত গৌরবের স্বপ্ন!

    সারা ভারতবর্ষ ছোট ছোট রাজ্যের দ্বারা বিভক্ত। চন্দ্রগুপ্ত, অশোক, কনিষ্ক, সমুদ্রগুপ্ত বা হর্ষবর্ধনের মতো সাম্রাজ্য স্থাপন করতে পারেন, ভারতে তখন এমন প্রবল শক্তির অধিকারী ছিলেন না কেউ। ওরই মধ্যে যাঁরা অপেক্ষাকৃত বলবান রাজা, বৈচিত্র্য সন্ধানের জন্যে তাঁরা করতেন পরস্পরের সঙ্গে যুদ্ধ-বিবাদ!

    বীরত্বের অভাব তাঁদের ছিল না, কিন্তু অভাব ছিল একতার। সকলে মিলে একসঙ্গে দাঁড়িয়ে কোনও বহিঃশত্রুকে বাধা দেবার ক্ষমতা বা বিচারবুদ্ধি তাঁদের ছিল না। বহিঃশত্রুর আবির্ভাব হলে প্রত্যেকেই স্বতন্ত্রভাবে কেবল আপন রাজ্য সামলাবার জন্যেই ব্যস্ত হয়ে থাকতেন।

    এইভাবেই দিন যাচ্ছিল। হয়তো আরও কিছু কাল কেটে যেত এইভাবেই।

    আরবদের দৃষ্টি তখন ইউরোপের দিকে আকৃষ্ট, একতার অভাবে অন্তঃসারশূন্য হলেও ভারতবর্ষ তখন পর্যন্ত ছিল তাদের চোখের আড়ালে।

    কিন্তু ভগবান বোধহয় চাইলেন নির্বোধ ভারতকে কঠিন দণ্ড দিতে। দৈবের লীলায় ঘটল এমন এক অভাবিত ঘটনা, আর্যাবর্ত করলে আরবের দৃষ্টি আকর্ষণ।

    সুদূর সিংহলে ছিল কয়েকজন আরব সওদাগর। তাদের মৃত্যুর পর তাদের কন্যারা হল অনাথা। সিংহলের রাজা দয়াপরবশ হয়ে সেই অনাথা মেয়েগুলিকে জলপথে খলিফার পূর্বাঞ্চলের শাসনকর্তা হাজাজের নিকটে পাঠিয়ে দিলেন।

    কিন্তু তাঁর এই দয়ার ফলেই হল ভারতবর্ষের সর্বনাশের সূত্রপাত! সব সময়েই ভালোর ফলে ভালো হয় না।

    জলপথে খলিফার রাজ্যে যেতে গেলে পথিমধ্যে পড়ে সিন্ধুদেশের সাগরতট। সেইখানে একদল বোম্বটে খলিফার উদ্দেশে প্রেরিত জাহাজগুলিকে আক্রমণ ও লুণ্ঠন করে অদৃশ্য হয়।

    সেই সংবাদ শুনে শাসনকর্তা হাজাজ রাজা দাহিরকে এক পত্র পাঠিয়ে জানালেন, অবিলম্বে দুষ্ট বোম্বেটেদের দমন এবং তাঁর ক্ষতিপূরণ করতে হবে।

    রাজা দাহির উত্তর দিলেন, ‘বোম্বেটেরা আমার অধীন নয়। তাদের দমন করবার শক্তি আমার নেই।’

    হাজাজ এই উত্তর সন্তোষজনক বলে মনে করলেন না। তিনি ক্রুদ্ধ হয়ে খলিফার কাছ থেকে হুকুম আনিয়ে সেনাপতি উবেদুল্লাকে সসৈন্যে পাঠিয়ে দিলেন সিদ্ধুদেশ আক্রমণ করতে।

    সিন্ধুদেশের প্রধান বন্দর দেবুলের নিকটে হল আরবের সঙ্গে ভারতের সর্বপ্রথম শক্তিপরীক্ষা। হিন্দুরা হল জয়ী। আরব সৈন্যদের কতক মারা পড়ল, কতক পালিয়ে বাঁচল। সেনাপতি উবেদুল্লাও দেহরক্ষা করলেন যুদ্ধক্ষেত্রে।

    হাজাজ আরও বেশি সৈন্যের সঙ্গে আবার সেনাপতি বুদেলকে পাঠালেন দাহিরের বিরুদ্ধে।

    ফল অন্যরকম হল না। এবারেও ভারতের ত্রিশূলের আঘাতে বিশ্বজয়ী আরবের অর্ধচন্দ্রাঙ্কিত পতাকা ছিন্ন-ভিন্ন হয়ে গেল এবং নিহত হলেন সেনাপতি বুদেল।

    রাগে ও দুঃখে হাজাজ পাগলের মতো হয়ে উঠলেন—খলিফার কাছে মান বুঝি আর থাকে না! তিনি বিপুল আয়োজন করতে লাগলেন তৃতীয় অভিযানের জন্যে।

    এবারে সেনাপতি হলেন হাজাজের ভাইয়ের ছেলে ও জামাই ইমাদ-উদ-দিন মহম্মদ। তাঁর অধীনে ছিল খলিফার সর্বশ্রেষ্ঠ সৈন্যদল—উষ্ট্রারোহী ও অশ্বারোহী। সেই বিপুল বাহিনী নিয়ে মহম্মদ দেবুল দুর্গ অবরোধ করলেন (৭১১ খ্রিস্টাব্দ)। দুর্গের ভিতর ছিল মাত্র চার হাজার রাজপুত সৈন্য। তারা বেশিদিন দলে ভারী আরবদের বাধা দিতে পারলে না। দুর্গের পতন হল।

    দেবুলের বাসিন্দাদের বলা হল, হয় মুসলমান হও, নয় মরো। হিন্দুরা ধর্ম ছাড়তে রাজি হল না। তখন নারী ও শিশুদের বন্দি করে প্রত্যেক পুরুষকে নিক্ষেপ করা হল তরবারির মুখে।

    দেবুলের পতনের জন্যে দাহির কিছুমাত্র বিচলিত হলেন না। বললেন, ‘দেবুল তো নগণ্য জায়গা, আসল যুদ্ধ হবে এইবারে আমার সঙ্গে।’ তিনিও তোড়জোড় আরম্ভ করলেন।

    দাহির ভুল বুঝেছিলেন। কোথায় বিশ্বজয়ী সম্রাট ওয়ালিদ—সাম্রাজ্য যাঁর তিনটি মহাদেশে বিস্তৃত, আর কোথায় দাহির—ভারতে একটি ক্ষুদ্র প্রদেশের রাজা! ধনবলে ও লোকবলে দুজনের মধ্যে তুলনাই চলে না! তবু যে দুই-দুইবার তিনি আরব অভিযানকে ব্যর্থ করতে পেরেছিলেন, এইখানেই দাহিরের বাহাদুরি।

    ঠিক সেই সময়ে ভারতে দাহিরের চেয়ে ঢের বেশি শক্তিশালী রাজা ছিলেন। দাক্ষিণাত্যের প্রতাপশালী চালুক্য, পল্লভ ও রাষ্ট্রকূট নৃপতিরা যদি তখন দাহিরকে সাহায্য করতে আসতেন, তাহলে আরবদের ভারতে প্রবেশ করবার উচ্চাকাঙ্ক্ষা হয়তো অঙ্কুরেই হত বিলুপ্ত।

    কিন্তু আপন আপন প্রাধান্য বিস্তারের জন্যে তখন তাঁরা পরস্পরের সঙ্গে গৃহযুদ্ধে নিযুক্ত, ভারত-সীমান্তে কালবৈশাখীর উদয় দেখবার সময় তাঁদের হয়নি।

    বিশেষ করে রাষ্ট্রকূট নৃপতিরা এমন প্রবল পরাক্রান্ত ছিলেন যে, পরে আরব শাসনকর্তারা পর্যন্ত তাঁদের সঙ্গে বন্ধুত্ব-বন্ধন অটুট রাখবার জন্যে প্রাণপণ চেষ্টার ত্রুটি করতেন না।

    দাহিদের সঙ্গে আরবদের সঙ্ঘর্ষের মাত্র চৌষট্টি বৎসর আগে উত্তরভারতের একচ্ছত্র সম্রাট হর্ষবর্ধন দেহত্যাগ করেছিলেন। তাঁর বলিষ্ঠ বাহু যতদিন অস্ত্রধারণে সক্ষম ছিল, ততদিন কোনও বিদেশি শত্রু ভারতে প্রবেশ করতে সাহসী হয়নি।

    মহম্মদ সদলবলে অগ্রসর হতে লাগলেন, এবং জয়ী হলেন একাধিক ছোট ছোট যুদ্ধেও। কিন্তু তখনও রাজা দাহিরের সঙ্গে তাঁর দেখা হয়নি।

    দাহির বামনাবাদ থেকে রাওয়ারে এসে হাজির হলেন—সঙ্গে তাঁর পঞ্চাশ হাজার অশ্বারোহী সৈন্য।

    আরবরাও সেইখানে এসে হাজির। দুই পক্ষই প্রস্তুত, কিন্তু সহসা কোনও পক্ষই আক্রমণ করতে অগ্রসর হল না।

    এইভাবে গেল কয়েকদিন। দুই পক্ষই পরস্পরের গতিবিধি লক্ষ করে, এখানে-ওখানে মাঝে মাঝে দু-একটা হাঙ্গামা হয়—ব্যস, এই পর্যন্ত!

    শেষটা দাহির আর স্থির থাকতে পারলেন না। ৭১২ খ্রিস্টাব্দের ২০ জুন তারিখে রণহস্তীর উপর আরোহণ করে তিনি উচ্চকণ্ঠে বললেন, ‘সৈন্যগণ, আরবদের আক্রমণ করো!’

    আরম্ভ হল যুদ্ধ।

    কেউ হটতে রাজি নয়—দুই পক্ষেরই সমান জিদ! কার শক্তি বেশি, তাও বোঝা অসম্ভব! ঝন ঝন বাজতে লাগল তরবারি, শন শন ছুটতে লাগল শূল ও বাণ, ঝক-মক জ্বলতে লাগল হাজার হাজার বিদ্যুৎ-শিখা! বর্মে-বর্মে ঠোকাঠুকির শব্দ, যোদ্ধাদের ভৈরব-গর্জন, মত্ত হস্তীদের বৃংহিত ধ্বনি, অশ্বদের হ্রেষারব, আহতদের চিৎকার—পৃথিবীর কান যেন ফেটে যায়!

    যুদ্ধের পরিণাম যখন সম্পূর্ণ অনিশ্চিত, হঠাৎ ঘটল এক অঘটন।

    আরব তিরন্দাজরা জ্বলন্ত তুলা-জড়ানো তির নিক্ষেপ করছিল। আচম্বিতে সেই রকম একটি তির এসে লাগল দাহিরের হাতির গায়ে। তিরের শাণিত ফলার সঙ্গে সঙ্গে জ্বলন্ত আগুনের বিষম স্পর্শ পেয়ে হাতি দাহিরকে নিয়ে পাগলের মতো পাশের নদীর ভিতরে গিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়ল। নেতা ও রাজার সেই দশা দেখে হিন্দু সৈন্যরা যুদ্ধ বন্ধ করে দাঁড়িয়ে রইল স্তম্ভিত, চিত্রার্পিতের মতো।

    নদীর মাঝখানে গিয়ে মাহুত অনেক কষ্টে হাতিকে শান্ত করলে। দাহির আবার তীরে এসে উঠলেন। আবার আরম্ভ হল যুদ্ধ।

    ঐতিহাসিকদের বর্ণনায় জানা যায়, দাহির আরবদের মধ্যে গিয়ে পড়ে বিপুল বিক্রমে যখন শত্রুর পর শত্রু সংহার করছিলেন, তখন হঠাৎ এক তিরের আঘাতে আহত হয়ে হস্তীপৃষ্ঠ থেকে ঠিকরে পড়ে গেলেন মাটির উপরে।

    কিন্তু তবু তিনি নিরস্ত হলেন না, সেই আহত অবস্থাতেই উঠে দাঁড়িয়ে আবার তিনি ঘোড়ার উপরে চড়তে যাচ্ছেন, ঠিক সেই সময়ে কোথা থেকে একজন আরব সৈনিক ছুটে এসে তরবারি চালিয়ে তাঁকে কেটে ফেললে।

    সঙ্গে সঙ্গে যুদ্ধ সাঙ্গ। নায়কের মৃত্যুতে হতাশ হয়ে হিন্দু সৈন্যরা রণক্ষেত্র ছেড়ে পলায়ন করলে। আকাশ-বাতাস পরিপূর্ণ হয়ে উঠল আরবদের জয়নাদে।

    বারংবার এই একই দৃশ্যের অভিনয় হয়েছে ভারতবর্ষে। প্রধান নায়কের পতন হলে এদেশি সৈন্যরা আর রণক্ষেত্রে দাঁড়াতে চায় না। কিন্তু ইউরোপের বহু রণক্ষেত্রেই দেখা গিয়েছে, প্রধান নায়কের মৃত্যুর পরেও তাঁর স্থান গ্রহণ করে দ্বিতীয় নায়ক সৈন্যদের চালনা করে নিয়ে গেছেন জয়ের পথে।

    দাহির তো রণক্ষেত্রে বরণ করে নিলেন বীরের মৃত্যু এবং ভারতের মাটিতে সেইদিনই প্রথম কায়েমি হয়ে উড়তে লাগল অর্ধচন্দ্র-চিহ্নিত পতাকা, কিন্তু তারপর?

    তারপর সিন্ধুদেশের রাজধানীতে যখন সেই খবর গিয়ে পৌঁছোল, দাহিরের প্রধানা রানি রানিবাই তাঁর সখীদের সঙ্গে আত্মহত্যা করে শত্রুদের কবল থেকে করলেন উদ্ধারলাভ।

    তারপর? চরম যুদ্ধের পরেও হিন্দুরা মরিয়া হয়ে বামনাবাদে গিয়ে আর একবার ফিরে দাঁড়ালে। কিন্তু তারা আর ফেরাতে পারলে না ভারতবর্ষের দুর্ভাগ্যের স্রোত। যুদ্ধক্ষেত্রে আত্মবলি দিলে ছাব্বিশ হাজার হিন্দু। আরবরা দখল করলে বামনাবাদ। তারপর আর মাথা তুলতে পারেনি সিন্ধুদেশবাসী হিন্দুরা। মুসলমানদের ভারত-বিজয়ের অধ্যায় সম্পূর্ণ হল।

    তারপর? বামনাবাদে ছিলেন রাজা দাহিরের দুই কুমারী কন্যা—সূর্য দেবী ও পর্মল (পরিমল) দেবী। তাঁদের রূপ দেখে চমৎকৃত হলেন বিজয়ী মহম্মদ। তিনি তাঁদের পাঠিয়ে দিলেন খলিফার হারেমের শোভাবৃদ্ধির জন্যে।

    তারপর? হ্যাঁ, তারপরেও আরও কিছু বাকি আছে। অপূর্ব এই পরিশিষ্ট! এ হচ্ছে এক ঐতিহাসিক রূপকথা!

    সূর্য দেবী, পর্মল দেবী! যেন স্বর্গীয় পারিজাতের দুটি হালকা পাপড়ি! রূপকাহিনির রাজকন্যারা যেন মূর্তিগ্রহণ করেছে তাঁদের মোহনীয় তনুলতার মধ্যে!

    পবিত্র আর্যাবর্তের দুই রাজকুমারী, বন্দিনী হয়ে তাঁরা চলেছেন কোন অজানা সুদূরে, বিধর্মী আরব খলিফার ভয়াবহ হারেমে! এমন সম্ভাবনা তখনকার দিনে কল্পনা করাও অসম্ভব!

    তাঁরা কাঁদছেন, কাঁদছেন আর কাঁদছেন; এবং কাঁদতে কাঁদতে মাঝে মাঝে তাঁরা গম্ভীর ও মূর্তির মতো স্থির হয়ে যাচ্ছেন; এবং তারপর মাঝে মাঝে গঙ্গাজলে-ধোয়া নির্মল ফুলের মতো অশ্রু-ভেজা মুখ দুখানি তুলে পরস্পরের সঙ্গে চুপিচুপি কী কথা বলছেন—যেন কী পরামর্শ করছেন! কিন্তু চুপিচুপি কথা বলবার দরকার ছিলনা। ভারতের ভাষা বোঝে না আরবরা।

    সূর্য দেবী, পর্মল দেবী! খলিফার হারেমে হাজির হলেন তাঁরা যথাসময়ে।

    দুই ভারতীয় রাজকুমারীর রূপের ছটা দেখে খলিফা ওয়ালিদের চক্ষু স্থির! শুষ্ক, দগ্ধ মরুর সন্তানের সুমুখে ভারতের স্নিগ্ধ সরস শ্যামল শ্রী মূর্তিমতী। চক্ষুস্থির হবার কথাই তো!

    জ্যেষ্ঠ রাজকুমারীর কাছে এগিয়ে গিয়ে খলিফা বললেন, ‘আমি তোমাকে বিবাহ করব।’

    সূর্য দেবী দুই হাত জোড় করে বললেন, ‘মহিমময় সম্রাট, আমাদের কারুর সঙ্গেই তো আপনার বিবাহ হতে পারে না!’

    খলিফা সবিস্ময়ে বললেন, ‘কেন?’

    সূর্য দেবী বললেন, ‘সম্রাটের সেনাপতি মহম্মদ আগেই আমাদের গ্রহণ করেছেন!’

    খলিফা ভ্রূ সঙ্কুচিত করে বললেন, ‘তোমার কথার অর্থ আমি বুঝতে পারছি না।’

    সূর্য দেবী বললেন, ‘সেনাপতি মহম্মদ গোপনে আমাদের বিবাহ করেছেন। আমরা সম্রাটের যোগ্য নই।’

    খলিফা ওয়ালিদ বজ্র-কণ্ঠে গর্জন করে বললেন, ‘কী! আমার ভৃত্য মহম্মদের এতবড় স্পর্ধা! উত্তম, আমি এখনই তার পাপের শাস্তি বিধান করব!’

    খলিফা ওয়ালিদ তখনই রাগে কাঁপতে কাঁপতে এক আদেশপত্র রচনা করলেন স্বহস্তে। তার মর্ম হচ্ছে এই : মহাপাপী মহম্মদ যেখানেই থাক, আমার এই আদেশপত্র পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই যেন তাকে বন্দি করা হয়। তারপর কাঁচা গোচর্মের মধ্যে তাকে পুরে, চামড়া সেলাই করে আমার কাছে যেন পাঠিয়ে দেওয়া হয়—এই আমার হুকুম।

    খলিফা জানতেন, কাঁচা চামড়ার মধ্যে মহম্মদের দেহ সুদূর ভারত থেকে তাঁর রাজধানীতে আসতে লাগবে অনেকদিন। এর মধ্যে কাঁচা চামড়া যাবে শুকিয়ে, সঙ্কুচিত হয়ে এবং তা মহম্মদের দেহের চারপাশে চেপে বসে করবে তার প্রাণসংহার! এ-রকম শাস্তি দেবার পদ্ধতি বোধহয় আরবদের দেশে বহুকাল থেকেই প্রচলিত ছিল।

    রাজধানীতে যথাসময়েই এল চামড়ার থলির মধ্যে মহম্মদের মৃতদেহ।

    খলিফা সেইদিকে অঙ্গুলি নির্দেশ করে সূর্য দেবীকে সগর্বে বললেন, ‘দ্যাখো, আমার ভৃত্যরা কীভাবে আমার হুকুম তামিল করে!’

    সূর্য দেবী বললেন, ‘সম্রাট, হুকুম দেওয়া খুবই সহজ! কিন্তু তার আগে সম্রাটের উচিত ছিল না, আমার অভিযোগ সত্য কি না সে-সম্বন্ধে খবর নেওয়া?’

    খলিফা বিপুল বিস্ময়ে প্রশ্ন করলেন, ‘তুমি কী বলতে চাও?’

    —’আমি মিথ্যাকথা বলেছি।’

    —’মিথ্যাকথা বলেছ?’

    —’হ্যাঁ সম্রাট, হ্যাঁ! মহম্মদ আমাদের বিবাহ করেননি।’

    —’মহম্মদ তোমাদের বিবাহ করেনি!’

    —’না।’

    —’এমন মিথ্যাকথা বলার কারণ?’

    সূর্য দেবীর দুই চোখে ফুটল আগুনের ফিনকি। তীব্র স্বরে বললেন, ‘কারণ নেই সম্রাট? আপনি কি এরই মধ্যে ভুল গিয়েছেন যে, মহম্মদ আমাদের জন্মভূমি কেড়ে নিয়েছে, আমাদের পিতাকে হত্যা করেছে? তাই আমরা নিলুম প্রতিশোধ!’

    খলিফা ওয়ালিদ চিৎকার করে বললেন, ‘শয়তানি! তোদের জন্যে আমি আমার বিশ্বস্ত বিজয়ী সেনাপতিকে হারালুম। মৃত্যুদণ্ড! তোদের উপরেও আমি মৃত্যুদণ্ড দিলুম! এমন ভীষণ যন্ত্রণা দিয়ে তোদের হত্যা করা হবে যা তোরা কল্পনাও করতে পারবি না!’

    সূর্য দেবী কী উত্তর দিয়েছিলেন, মুসলমান ঐতিহাসিকরা তা লিপিবদ্ধ করেননি। কিন্তু সূর্য দেবী ও পর্মল দেবী ছিলেন সেকালকার আর্যাবর্তের কন্যা। তখনকার হিন্দু মেয়েরা যে কেমন হাসিমুখে অনায়াসে প্রাণ বিসর্জন দিতে পারত, ইতিহাসে আছে তার অগুনতি প্রমাণ।

    সুতরাং আমরা এটুকু অনুমান করলে অন্যায় হবে না যে, খলিফার কথার উত্তরে সূর্য দেবী হয়তো বলেছিলেন, ‘কী ভয় দেখাও সম্রাট? বিধর্মীর কবলে পড়লে ভারতের মেয়ে মৃত্যুকে দেখে ঘনিষ্ঠ বন্ধুর মতো! জন্মভূমির শত্রুকে আমরা ইহলোক থেকে বিদায় করেছি—আমরা পিতৃহত্যার প্রতিশোধ নিয়েছি! আর আমাদের বাঁচবার ইচ্ছা নেই—যা খুশি করতে পারো!’

    এই গল্পটি বলেছেন মুসলমান ঐতিহাসিকরাই এবং ইউরোপীয় ঐতিহাসিকরাও এই গল্পটিকে গ্রহণ করেছেন। কিন্তু আধুনিক ঐতিহাসিকরা কাহিনিটিকে সত্য বলে মানতে রাজি নন!

    গল্পটি রূপকথা কি না জানি না, কিন্তু সিন্ধু-বিজয়ের অল্পদিন পরেই মহম্মদকে যে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়, তার ঐতিহাসিক প্রমাণের অভাব নেই।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80 81 82 83 84 85 86 87 88 89 90 91 92 93 94 95 96 97 98 99 100 101 102 103 104 105 106 107 108 109 110 111 112 113 114 115 116 117 118 119 120 121
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleকিশোর রহস্য উপন্যাস – হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Next Article জয়তু জয়ন্ত – হেমেন্দ্রকুমার রায়

    Related Articles

    হেমেন্দ্রকুমার রায়

    মানুষের গড়া দৈত্য – হেমেন্দ্রকুমার রায়

    January 8, 2026
    হেমেন্দ্রকুমার রায়

    হেমেন্দ্রকুমারের গল্প – হেমেন্দ্রকুমার রায়

    January 8, 2026
    হেমেন্দ্রকুমার রায়

    রহস্য-রোমাঞ্চ সমগ্র – হেমেন্দ্রকুমার রায়

    January 7, 2026
    হেমেন্দ্রকুমার রায়

    রবিন হুড – হেমেন্দ্রকুমার রায়

    January 7, 2026
    হেমেন্দ্রকুমার রায়

    জয়তু জয়ন্ত – হেমেন্দ্রকুমার রায়

    January 7, 2026
    হেমেন্দ্রকুমার রায়

    কিশোর রহস্য উপন্যাস – হেমেন্দ্রকুমার রায়

    January 7, 2026
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অসম্পূর্ণ বই
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    রুদ্রসমগ্র – রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

    January 8, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    রুদ্রসমগ্র – রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

    January 8, 2026
    Our Picks

    রুদ্রসমগ্র – রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

    January 8, 2026

    রান্না খাদ্য পুষ্টি – সিদ্দিকা কবীর

    January 8, 2026

    শহর খুলনার আদি পর্ব – আবুল কালাম সামসুদ্দিন

    January 8, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }