Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    রুদ্রসমগ্র – রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

    January 8, 2026

    রান্না খাদ্য পুষ্টি – সিদ্দিকা কবীর

    January 8, 2026

    শহর খুলনার আদি পর্ব – আবুল কালাম সামসুদ্দিন

    January 8, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    ঐতিহাসিক সমগ্র – হেমেন্দ্রকুমার রায়

    হেমেন্দ্রকুমার রায় এক পাতা গল্প905 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    তৃতীয়। ভারতের দ্বারে প্রথম বার

    মরুভূমি—আরক্ত, অনুর্বর, বিপুল শূন্যতার রাজ্য! তারই বুক-চেরা পায়ে চলা পথে রাঙা মাটির প্রলেপ—রোদের তাতে পুড়ে শুকিয়ে ফেটে চৌচির। দুপুরের বাতাস গরম ফুঁ দিয়ে হু হু করে বালি ছড়িয়ে এমন উড়ন্ত যবনিকার সৃষ্টি করে যে, প্রভাত ও বিকাল ছাড়া অন্য কোনও সময়ে তার ভিতর দিয়ে নজর চলে না।

    কিন্তু এ আসল মরুভূমি নয়। কারণ এরই মধ্যে মাঝে মাঝে দেখা যায় শুষ্ক নদীর বাঁকা রেখা—তারা এগিয়ে গিয়েছে বৃহত্তর নদী আমুদরিয়ার কোলের দিকে। এসব নদীর ধারে ধারে ছোট ছোট লতাগুল্ম ও শরবন দেখা যায়। মাঝে মাঝে পাওয়া যায় কূপ। সেসব কূপের জল মানুষের ব্যবহারযোগ্য না হলেও, জন্তুরা তা পান করে সাগ্রহেই। এবং যেখানে যেখানে জল কতকটা চলনসই, সেখানেই তুর্কি জাতীয় যাযাবররা তাঁবু ফেলে বসে থাকে—দলে হালকা পথিকদের সাংঘাতিক অভ্যর্থনা করবার জন্যে!

    স্থানীয় ভাষায় এই মরু-প্রান্তরের নাম হচ্ছে, ‘রাঙা বালি’।

    পলাতক তৈমুর নিলেন এই রাঙা বালির আশ্রয়। সঙ্গে তাঁর সহধর্মিণী আলজাই এবং জনকুড়ি বিশ্বস্ত অনুচর। প্রত্যেকেই অশ্বারোহী ও সশস্ত্র।

    দিন কয় পথ চলবার পর এইখানেই তৈমুর তাঁর শ্যালক আমির হুসেনের দেখা পেলেন। তিনিও পলাতক ও রাজ্যহারা। হুসেনেরও সঙ্গে ছিলেন তাঁর স্ত্রী বিখ্যাত সুন্দরী দিলসাদ আগা, এবং এ-দলেও কয়েকজন সৈনিক ছিল।

    তৈমুর প্রথমে খিভা শহরের দিকে যাত্রা করলেন; কিন্তু সেখানকার শাসনকর্তা তাদের আশ্রয় না দিয়ে করলেন সসৈন্যে আক্রমণ!

    তৈমুর ও হুসেন আত্মরক্ষার জন্যে তাড়াতাড়ি একটা পাহাড়ের বা গিরিসঙ্কটের উপরে গিয়ে উঠলেন। শত্রুরা সংখ্যায় অনেক বেশি হলেও তৈমুরের অধীনস্থ তাতাররা একটুও ভয় পেলে না—কারণ ঘোড়ার পিঠে আসন পেতে ধনুক-বাণ ধরতে পারলে তাতার সৈনিকরা যমের সঙ্গেও লড়তেও পিছপা নয়!

    তাতারদের এক কোমরে থাকে ছিলা-জোড়া ধনুক আর এক কোমরে বাণ-ভরা তূণ। তাদের ছোট ঢাল বাঁধা থাকে উপর হাতে এবং তরবারি বা গদাও তারা সঙ্গে রাখে; কিন্তু অন্য অস্ত্রের চেয়ে তারা ধনুক-বাণ ব্যবহার করতেই বেশি ভালোবাসে।

    বিকট চিৎকার করতে করতে তাতাররা শত্রু দলের ভিতর গিয়ে পড়ল এবং বাণ ছুড়তে লাগল বৃষ্টিধারার মতন। শত্রুরাও উত্তর দিতে ছাড়লে না। দেখতে দেখতে দুই পক্ষের অনেকগুলো ঘোড়া হল আরোহীশূন্য।

    তাতারদের মধ্যে একজন বীরের নাম এলচি বাহাদুর। তিনি শত্রুদের মাঝখানে গিয়ে এমন বেপরোয়ার মতন লড়াই করতে লাগলেন যে, তৈমুর নিজে গিয়ে হাত ধরে তাঁকে টেনে আনলেন।

    আমির হুসেনও পড়লেন মহা বিপদে। তিনি ঘোড়া ছুটিয়ে শত্রুদের পতাকাবাহীর উপরে গিয়ে পড়ে তাকে বধ করলেন বটে, কিন্তু শত্রুব্যূহ ভেদ করে আর বেরিয়ে আসতে পারলেন না। তৈমুর তাড়াতাড়ি তাঁকে উদ্ধার করতে গেলেন এবং শত্রুরা তখন হুসেনকে ছেড়ে তাঁকেই আক্রমণ করলে। সেই ফাঁকে হুসেন সরে পড়লেন। তৈমুরের দুই হাতে যখন দুইখানা তরবারি শত্রুর রক্তে রাঙা হয়ে উঠেছে, অন্যান্য তাতার বীররা তখন তাঁর দুই পাশে গিয়ে দাঁড়াল।

    তৈমুর চিৎকার করে বললেন, ‘এইবারে সবাই দল বেঁধে একসঙ্গে শত্রুদের আক্রমণ করো!’

    হঠাৎ একটা তিরে আহত হয়ে হুসেনের ঘোড়া প্রভুকে পিঠ থেকে ছুড়ে ফেলে দিলে। হুসেনের স্ত্রী বীরনারী দিলসাদ তখনই নিজের ঘোড়া ছুটিয়ে স্বামীর পাশে এসে দাঁড়ালেন। স্ত্রীর ঘোড়ায় চড়ে হুসেন আবার যুদ্ধে যোগদান করলেন।

    এসব দিকে তখন তৈমুরের দৃষ্টি ছিল না; কারণ তাঁর প্রধান শত্রু খিভার শাসনকর্তাকে তখন তিনি সামনাসামনি পেয়েছেন! তখনই বেজে উঠল তাঁর ধনুকের ছিলা, এবং সঙ্গে সঙ্গে গণ্ডদেশে আহত হয়ে শাসনকর্তা হলেন ‘পপাত ধরণীতলে!’ পরমুহূর্তে অশ্বারোহণে নিপুণ তৈমুর ঘোড়ার পিঠ থেকে না নেমেই মাটির দিকে ঝুঁকে পড়ে একটা পরিত্যক্ত বর্শা তুলে ভূপতিত শত্রুর বুকে দিলেন আমূল বসিয়ে!

    নেতার শোচনীয় পরিণাম দেখে শত্রুরা পলায়ন করলে।

    তৈমুর যুদ্ধে জয়লাভ করলেন বটে, কিন্তু তাঁর পক্ষে বেঁচেছিল তখন সাতজন মাত্র সৈনিক এবং তারাও প্রত্যেকেই অল্পবিস্তর আহত।

    তৈমুর কঠোর হাস্য করে বললেন, ‘না, এখনও আমরা অদৃষ্ট পথের শেষে এসে হাজির হইনি!’

    পাছে শত্রুরা আবার দলে ভারী হয়ে আক্রমণ করতে আসে, সেই ভয়ে তৈমুর রাত্রির অন্ধকার ভেদ করে অন্ধের মতন অগ্রসর হতে লাগলেন।

    তারপর আবার এল প্রভাত এবং আবার এল রাত্রি এবং আবার দিনের আলোর পর রাত্রের অন্ধকার! এর মধ্যে আরও নতুন নতুন দুর্ভাগ্যেরও অভাব হল না।—

    আমির হুসেন তাঁর স্ত্রীর সঙ্গে দল ছেড়ে স্বদেশের দিকে যাত্রা করলেন। তৈমুরের সঙ্গে রইল মাত্র একজন অনুচর ও দুইটি ঘোড়া। মালবহনের জন্যে একটি ঘোড়া রেখে বাকি ঘোড়াটি স্ত্রীকে দিয়ে তৈমুর পদব্রজে চললেন মরু বালু দলন করে।

    জীবনে এর অগে যিনি পায়ে হেঁটে পথ চলেননি এবং এর পরে যাঁর উপাধি হবে ‘পৃথিবী জেতা’, তাঁর দিকে তাকিয়ে আলজাই বললেন, ‘স্বামী, আমাদের অদৃষ্ট এর চেয়ে মন্দ হতে পারে না!’

    বারো দিন কাটল পথে-বিপথে। তারপর হল রাঙা বালির শেষ ও নতুন দুর্ভাগ্যের আরম্ভ।

    সে অঞ্চলের সর্দারের নাম আলি বেগ। পলাতক তৈমুরকে দেখে সে বুঝলে, এঁকে হস্তগত করতে পারলে প্রচুর লাভের সম্ভাবনা। আলি বেগ তখনই তৈমুর ও তাঁর স্ত্রীকে একটা গোয়ালঘরে বন্দি করে রেখে জাট মোগলদের কাছে দূত পাঠালে।

    কীট-পতঙ্গ ও দুর্গন্ধ ভরা জঘন্য গোয়ালঘর। রাজার জামাই ও সবুজ শহরের কর্তা তৈমুর এবং রাজার মেয়ে আলজাই তারই ভিতরে বসে মরুভূমির তপ্ত হাওয়ায় পুড়তে পুড়তে নরক-যন্ত্রণা ভোগ করতে লাগলেন। এইভাবে কাটল দুই মাস দুই দিন।

    তৈমুর এমন কষ্টের কল্পনাও করেনি কোনওদিন। বিকৃত স্বরে তিনি বললেন, ‘দোষী হোক আর নির্দোষই হোক—জীবনে কারুকে কখনও আমি বন্দি করে রাখব না!’

    এদিকে তৈমুরের মূল্য কত হওয়া উচিত, তাই নিয়ে জাট-মোগলদের সঙ্গে দর-কষাকষি করতে করতে আলি বেগ তার লাভের সুযোগ হারাতে বাধ্য হল।

    আলি বেগের দাদা ছিলেন পারস্য দেশের এক সর্দার। সমস্ত খবর শুনে তিনি বিরক্ত হয়ে ভাইকে চিঠি লিখলেন, ‘জাট-মোগলদের সঙ্গে হয়েছে সবুজ শহরের কর্তার ঝগড়া। এর মধ্যে তোমার মাথা গলানো উচিত নয়।’ সঙ্গে সঙ্গে তিনি তৈমুরের জন্যে পাঠিয়ে দিলেন অনেক মূল্যবান উপহার।

    আলি বেগ অনিচ্ছাসত্বেও তৈমুরকে মুক্তি দিলে। দাদার পাঠানো উপহারগুলি বুদ্ধিমানের মতন নিজের ভাগে রেখে তৈমুরকে সে দান করলে একটা বেতো ঘোড়া ও একটা বুড়ো উট।

    এত দুঃখেও মিষ্টি হাসি হেসে আলজাই বললেন, ‘স্বামী, এখনও আমরা পথের শেষে আসিনি!’

    শরৎকালের বৃষ্টি এল—এই সময়ে আমু নদীর তীরে এক নির্দিষ্ট স্থানে হুসেনের সঙ্গে তৈমুরের যোগদান করবার কথা।

    কিন্তু তৈমুর একবার লুকিয়ে নিজের দেশটা দেখে আসবার লোভ সামলাতে পারলেন না। বিশেষত, একেবারে খালি হাতে সঙ্গীহীন কাঙালের মতন কুটুম্বের কাছে যাওয়ার ইচ্ছাও তাঁর হল না। হুসেন ছিলেন রীতিমতো জাঁকি মানুষ। তিনি নিজেকে কেবল তৈমুরের চেয়ে বুদ্ধিমান নয়, উচ্চশ্রেণির লোক বলেই মনে করতেন।

    আলজাইকে কাছাকাছি একটা গ্রামে লুকিয়ে রেখে ছদ্মবেশী তৈমুর এসে হাজির হলেন সমরখন্দ শহরে।

    কিন্তু সেখানকার গতিক সুবিধার নয়। জাট-মোগলদের দোর্দণ্ডপ্রতাপে সবাই সেখানে ভয়ে থরহরি কম্পমান। সমরখন্দের তাতারীরা চিরদিনই যোদ্ধা নেতার অনুগামী হতে অভ্যস্ত। মুসলমানদের মতন তাদের মধ্যে ধর্মান্ধতার প্রভাব ছিল না—তারা বীরধর্মে দীক্ষিত, যুদ্ধ ছাড়া আর কোনও কিছু নিয়ে মাথা ঘামাতে চাইত না। যে নেতা তাদের বীর্যকে জাগ্রত ও বিজয় গৌরবের পথে চালনা করতে পারতেন, তারা হত তাঁরই বিশ্বস্ত অনুচর।

    কিন্তু তৈমুর হচ্ছেন যুবক ও সহায়-সম্বলহীন। তাঁর অনুগামী হয়ে দুর্দান্ত জাট-মোগলদের বিষ-দৃষ্টিতে পড়বার জন্যে তাদের আগ্রহ দেখা গেল না। তবু কয়েকজন ডানপিটে লোক তৈমুরের সঙ্গী হতে রাজি হল।

    ওদিকে এরই মধ্যে মোগলরা তৈমুরের পুনরাবির্ভাব আবিষ্কার করে ফেললে। তৈমুর সঙ্গীদের নিয়ে সেখান থেকে অদৃশ্য হয়ে চুপিচুপি সবুজ শহরের ভিতরে প্রবেশ করলেন।

    তাঁর প্রিয় সবুজ শহর! এইখানেই তাঁর জন্ম এবং এইখানেই কেটেছে তাঁর স্বপ্নময় শৈশব ও আনন্দময় প্রথম যৌবন!

    আমির কাজগানের রণপ্রবীণ বাহাদুররা তখনও সবুজ শহরে বসে নিজেদের গৌরবোজ্জ্বল রক্তাক্ত অতীতের কথা ভেবে দীর্ঘশ্বাস ত্যাগ করে। তৈমুরের আগমন সংবাদ তাদের কাছে পৌঁছোতে দেরি লাগল না। ছুটে এল এলচি বাহাদুর, জাকু বার্লাস প্রমুখ বীরবৃন্দ।

    তারা বললে, ‘তৈমুর, তৈমুর! ভগবানের ধরণী যখন এখন বিপুলা, তখন আমরা আর সংকীর্ণ শহরে চার দেওয়ালের মধ্যে আবদ্ধ থাকি কেন?’

    তৈমুর দৃপ্ত কণ্ঠে বললেন, ‘থামো বচনবাগীশের দল! কী তোমরা করতে চাও? তোমরা কি বাজপাখির মতন শিকারের উপরে ঝাঁপিয়ে পড়তে পারবে? না, তোমরা হচ্ছ কাক, জাট-মোগলদের উচ্ছিষ্ট কুড়িয়ে খেয়েই দিনের পর দিন কাটাবে?’

    বাহাদুররা বললে, ‘ইয়ে আল্লা! আমরা কাক নই!’

    নিজের ছোটখাটো দলটি নিয়ে তৈমুর চললেন হুসেনের সঙ্গে দেখা করতে। এ দলের অধিকাংশ লোকই সৈনিক বলে আত্মপরিচয় দিতে পারে না—তাদের কেউ হচ্ছে বন্য তুর্কিজাতীয় লোক, কেউ বা বিপদপ্রিয় আরব। উচ্চাকাঙ্ক্ষা বলতে তারা খালি বোঝে হানাহানি ও লুঠতরাজ! সৈনিক হিসাবে উচ্চশ্রেণির না হলেও তৈমুর পা দিয়েছেন যে দুর্গম পথে, তারা তার পক্ষে যোগ্য সহযাত্রীই বটে!

    এ পথ দুর্বলের পথ নয়। মাইলের পর মাইল, এমনি পাঁচ শত মাইল ধরে নতোন্নত পথ চলেছে সুদীর্ঘ পর্বতশ্রেণির ভিতর দিয়ে—সর্বাঙ্গে মেঘচুম্বী শিখরের পর শিখরের ছায়া। গিরিসঙ্কটের মধ্যবর্তী এক নদীর তীর ধরে এই উচল পথ ঊর্ধ্বে, ঊর্ধ্বে,—ক্রমে আরও ঊর্ধ্বে গিয়ে ডুবে গিয়েছে প্রায় দেড় ফুট পুরু তুষাররাশির মধ্যে এবং অবশেষে গিয়ে পড়েছে একেবারে আফগানিস্তানের বুকের উপরে!

    মহাপর্বতের হিমানী ক্ষেত্রের পর হিমানী ক্ষেত্র! তুষারার্ত ঝঞ্ঝাবায়ু হা হা রবে বয়ে যায় অধিত্যকার উপর দিয়ে—ধ্বনি-প্রতিধ্বনি জাগিয়ে পাহাড়ের রন্ধ্রে রন্ধ্রে! সেইখানে পড়ে যাত্রীদের তাঁবু। দিনের বেলায় কোনওদিকে ভালো করে তাকানো যায় না—কারণ, তুষার ক্ষেত্রের উপর তীব্র সূর্যকর পড়ে লক্ষ লক্ষ তীক্ষ্ণ ছুরির জ্বলন্ত শিখার মতন অন্ধ করে দেয় দৃষ্টিকে!

    ঘোড়াদের গায়ে পশমি আবরণ, মানুষদের পরনে নেকড়ে ও নকুলজাতীয় পশুর চর্মে প্রস্তুত পোশাক। মাঝে মাঝে স্থানীয় গিরিদুর্গের ভিতর থেকে ভেসে আসে প্রহরী ও কুকুরের চিৎকার। মাঝে মাঝে লোভী আফগানিরা হিংস্র জন্তুর মতন এসে হানা দেয়! কিন্তু তারা জানত না যে কোন শ্রেণির বেপরোয়া গোঁয়ারদের সঙ্গে পাল্লা দিতে যাচ্ছে! প্রত্যেক বারেই তৈমুরের দল তাদের হারিয়ে যথাসর্বস্ব কেড়ে নেয়!

    অবশেষে হিন্দুকুশের তুষার মুল্লুক ছাড়িয়ে তৈমুর কাবুলের উপত্যকার ভিতরে গিয়ে পড়লেন।

    কাবুলের সিংহাসন দখল করেছেন তখন জাট-মোগলবংশের এক ব্যক্তি। আমির হুসেন স্বরাজ্য ত্যাগ করে পলাতক।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80 81 82 83 84 85 86 87 88 89 90 91 92 93 94 95 96 97 98 99 100 101 102 103 104 105 106 107 108 109 110 111 112 113 114 115 116 117 118 119 120 121
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleকিশোর রহস্য উপন্যাস – হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Next Article জয়তু জয়ন্ত – হেমেন্দ্রকুমার রায়

    Related Articles

    হেমেন্দ্রকুমার রায়

    মানুষের গড়া দৈত্য – হেমেন্দ্রকুমার রায়

    January 8, 2026
    হেমেন্দ্রকুমার রায়

    হেমেন্দ্রকুমারের গল্প – হেমেন্দ্রকুমার রায়

    January 8, 2026
    হেমেন্দ্রকুমার রায়

    রহস্য-রোমাঞ্চ সমগ্র – হেমেন্দ্রকুমার রায়

    January 7, 2026
    হেমেন্দ্রকুমার রায়

    রবিন হুড – হেমেন্দ্রকুমার রায়

    January 7, 2026
    হেমেন্দ্রকুমার রায়

    জয়তু জয়ন্ত – হেমেন্দ্রকুমার রায়

    January 7, 2026
    হেমেন্দ্রকুমার রায়

    কিশোর রহস্য উপন্যাস – হেমেন্দ্রকুমার রায়

    January 7, 2026
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অসম্পূর্ণ বই
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    রুদ্রসমগ্র – রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

    January 8, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    রুদ্রসমগ্র – রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

    January 8, 2026
    Our Picks

    রুদ্রসমগ্র – রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

    January 8, 2026

    রান্না খাদ্য পুষ্টি – সিদ্দিকা কবীর

    January 8, 2026

    শহর খুলনার আদি পর্ব – আবুল কালাম সামসুদ্দিন

    January 8, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }