Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    রুদ্রসমগ্র – রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

    January 8, 2026

    রান্না খাদ্য পুষ্টি – সিদ্দিকা কবীর

    January 8, 2026

    শহর খুলনার আদি পর্ব – আবুল কালাম সামসুদ্দিন

    January 8, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    ঐতিহাসিক সমগ্র – হেমেন্দ্রকুমার রায়

    হেমেন্দ্রকুমার রায় এক পাতা গল্প905 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    একাদশ । দিল্লি

    সমরখন্দের আমির তৈমুর,—যাঁর রক্তাক্ত তরবারির সামনে হৈম সংঘ, পারস্য, আফগানিস্তান ও মেসোপটেমিয়ার পতন হয়েছে, তিনিই আসছেন আজ একতাহীন, শৃঙ্খলাহীন, শক্তিহীন, প্রায় অরাজক ভারতবর্ষের রত্নভাণ্ডার লুণ্ঠন করতে!

    দুর্বল দিল্লিশ্বর নাসিরুদ্দিনের সিংহাসনই কেবল কেঁপে উঠল না, উত্তর-পশ্চিম ভারতের সমস্ত হিন্দু-মুসলমানের প্রাণও কেঁপে উঠল দুরু দুরু করে। কারণ তৈমুরের কীর্তি-কাহিনি কারুরই অজানা ছিল না। তৈমুর—তৈমুর! ভগবানের চাবুক তিনি, প্রহার করেন নির্বিচারে, হিন্দু-মুসলমান-খ্রিশ্চান সকলকেই বলি দিয়ে দেশে দেশে তিনি নরমুণ্ডের পিরামিড রচনা করেছেন এবং যুদ্ধক্ষেত্রে তিনি নৃশংসেরও চেয়ে নৃশংস! গজনির মামুদের সংহার মূর্তি ভারতবর্ষ তখনও ভুলতে পারেনি, সুতরাং তৈমুরের নামে লোকের হৃৎকম্প হওয়া আশ্চর্য নয়।

    পৌত্র পির মহম্মদ মুলতান দখল করলেন। কিছুদিন পরে তৈমুরও করলেন তাঁর সঙ্গে যোগদান। তারপর নব্বই হাজার তাতার অশ্বারোহী নিয়ে অগ্রসর হতে লাগলেন—লক্ষ্য তাঁর দিল্লি।

    কিন্তু ভারতবর্ষ দুর্বল হলেও দিল্লির পথ নিষ্কন্টক হল না। মুসলমান, রাজপুত ও জাট-নায়করা নানাস্থানে এই বিদেশি দিগবিজয়ীকে বাধা দেওয়ার জন্যে দলবদ্ধ হলেন, কিন্তু তাঁরা কেউই আত্মরক্ষা করতে পারলেন না। পাক-পাটান, দীপালপুর, শিরা, ফতেবাদ ও তোহানা প্রভৃতি স্থানে যেখানেই অস্ত্রে অস্ত্রে সংঘাত বাধল, ভারতীয় হিন্দু-মুসলমানের রক্তধারায় মাটি হয়ে উঠল পিচ্ছিল। কত শহর ও গ্রাম পরিণত হল সমতল ক্ষেত্রে, বাসিন্দাদের নিক্ষেপ করা হল নগ্ন অস্ত্রের মুখে, চারিদিক আচ্ছন্ন হয়ে গেল আগুন ও ধোঁয়ায়! হাজারে হাজারে কাতারে কাতারে লোক ছুটে চলল দিল্লির দিকে—হতভাগ্যরা ভাবলে, পালিয়ে তারা ভগবানের চাবুককে ফাঁকি দিতে পারবে!

    যুদ্ধ যা হল তা নামেমাত্র যুদ্ধ, তৈমুরের সামনে কেউ দাঁড়াতেও পারলে না, সুতরাং এসব যুদ্ধের বর্ণনা দিয়েও লাভ নেই। অধঃপতিত ভারতবর্ষের পঙ্গু পুরুষত্বের গগনভেদী আর্তনাদ ক্রমে দিল্লির কাছ পর্যন্ত গিয়ে হাজির হল।

    দিল্লীশ্বরের ডান হাতের মতন ছিলেন তখন মাল্লু খাঁ। কিছু সৈন্য সংগ্রহ করে তিনি দিল্লি থেকে বেরিয়ে তৈমুরকে বাধা দিতে এলেন।

    এর পর যে বিয়োগান্ত দৃশ্যের অভিনয় হল তা বড়ই মর্মন্তুদ। তৈমুরের সঙ্গে ছিল একলক্ষ হিন্দু বন্দি। দিল্লির সৈন্যেরা আসছে শুনে নির্বোধরা আনন্দ প্রকাশ না করে থাকতে পারলে না।

    তৈমুর ভাবলেন, এক লক্ষ সক্ষম বন্দি বিদ্রোহী হলে বিশেষ বিপদের সম্ভাবনা। তিনি তখনই হুকুম দিলেন, ‘ওদের সকলকে হত্যা করো।’

    সঙ্গে সঙ্গে ঊর্ধ্বে উৎক্ষিপ্ত অস্ত্রে অস্ত্রে হল ঝকমক বিদ্যুৎ সঞ্চার এবং দেখতে দেখতে এক লক্ষ মৃতদেহ লুটিয়ে পড়ল রক্তরাঙা মাটির উপরে। তাদের কাতর কান্না আজও জেগে আছে ভারতের প্রাণে।

    ইতিমধ্যে মাল্লু খাঁ আবার পশ্চাৎপদ হয়ে দিল্লির ভিতরে গিয়ে আশ্রয় নিলেন।

    এর পর দুই পক্ষই চরম যুদ্ধের জন্যে প্রস্তুত হতে লাগল।

    তাতার সৈন্যরা আবার ভয় পেলে, কারণ তারা দেখলে তাদের বিরুদ্ধে দলে দলে হাতি প্রস্তুত হচ্ছে। সেইসব অদ্ভুত, বিরাটদেহ জীবের শুঁড়ে শুঁড়ে বাঁধা নগ্ন তরবারি এবং তাদের পৃষ্ঠদেশে ছোটখাটো দুর্গের মতন সৈনিকে পরিপূর্ণ হাওদা। তাদের বিশ্বাস হল, এদের সঙ্গে লড়াই করা অসম্ভব।

    সঙ্গের জ্যোতিষীরা গ্রহ-নক্ষত্র বিচার করে বললেন, ‘হুজুর, মানুষ কখনও এমন আজগুবি জানোয়ারের সামনে দাঁড়াতে পারে না।’

    তৈমুর অটল। ১৩৯৮ খ্রিস্টাব্দের ১৭ ডিসেম্বর তারিখে তিনি সসৈন্যে যমুনা নদী পার হয়ে ব্যূহ সাজাতে লাগলেন। হাতিদের বাধা দেওয়ার জন্যে ব্যূহের সামনে স্থাপন করলেন পরস্পরের সঙ্গে বাঁধা দলে দলে মহিষ।

    দিল্লিশ্বর নাসিরুদ্দিন ও তাঁর যোদ্ধা মন্ত্রী মাল্লু খাঁয়ের সঙ্গে ছিল মাত্র চল্লিশ হাজার পদাতিক ও দশ হাজার অশ্বারোহী সৈন্য।

    তাতাররা বুঝলে সংখ্যায় তারা দ্বিগুণ। সুতরাং তাদের উৎসাহ বেড়ে উঠল।

    ভারতীয় সৈনিকরা আক্রমণ করলে। নিপুণ সেনাপতি তৈমুরের আদেশে তাতারদের দক্ষিণ পাশের সেনাদল ভারতীয়দের বামপাশ ক্রমে ক্রমে ঘিরে ফেলে পিছন দিকে গিয়ে হাজির হল। তখন ভারতীয়রা আক্রান্ত হল একসঙ্গে সম্মুখ ও পিছন থেকে।

    ভারতের পক্ষে ফল হল মারাত্মক। দিল্লীশ্বরের সমস্ত সৈন্য প্রাণভয়ে পৃষ্ঠভঙ্গ দিতে দেরি করলে না। এমনকি যাদের জন্যে এত দুর্ভাবনা, সেই হাতির দলও পালিয়ে গেল ভীত গোরুর মতন।

    পরদিনই তৈমুর দিল্লি নগর অধিকার করলেন।

    যুদ্ধ থেমে গেল বটে, কিন্তু দিল্লির বিষের পাত্র তখনও পূর্ণ হল না।

    বিজয়ী ও দাম্ভিক তাতারদের দুর্ব্যবহারে উত্যক্ত ও মরিয়া হয়ে দিল্লির হিন্দু বাসিন্দারা বিদ্রোহ ঘোষণা করলে। বহু পরিবারের হিন্দু নারীরা জ্বলন্ত অগ্নিকুণ্ডে দিলেন আত্মাহুতি এবং পুরুষরা মৃত্যুপণ করে তরবারি হাতে নিয়ে তাতারদের উপরে ঝাঁপিয়ে পড়লেন। দিল্লির পথে পথে জাগল যোদ্ধাদের সিংহনাদ ও আর্তনাদ। কিন্তু অসংখ্য তাতারি সৈনিকদের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে নাগরিকরা প্রাণদান ছাড়া আর কিছুই করতে পারলে না। দিল্লির পথে পথে সাজানো হল নরমুণ্ডের পিরামিড। বাকি হিন্দুরা হল বন্দি। কথিত আছে, এমন তাতারি ছিল না, যে অন্তত বিশজন হিন্দু গোলাম সংগ্রহ করেনি।

    পনেরো দিন ধরে দিল্লি লুট করে অগাধ ঐশ্বর্যের মালিক হয়ে তৈমুর স্বদেশের দিকে যাত্রা করলেন। যাত্রাপথে তৈমুরকে প্রায় প্রতিদিনই যুদ্ধবিগ্রহে লিপ্ত থাকতে হল। মীরাট, হরিদ্বার, কাংগ্রা ও জামু প্রভৃতি স্থানে তিনি যে কত হিন্দু সংহার করলেন, তার হিসাব থাকলে পৃথিবী আজও শিউরে উঠত। বেশ বোঝা যাচ্ছে, মুসলমানের চেয়ে হিন্দুরাই তৈমুরকে বেশি বাধা দিয়েছিল। তৈমুর অসংখ্য ভারতীয় শিল্পী ও কারিগরকেও বন্দি করে নিয়ে গেলেন—সমরখন্দে উচ্চশ্রেণির শিল্পীর অভাব ছিল বলে।

    ঐতিহাসিকরা বলেন, একবারমাত্র যুদ্ধযাত্রা করে তৈমুর ভারতবর্ষকে যতটা দুর্দশাগ্রস্ত করে গিয়েছিলেন, ততটা আর কেউ পারেনি; এদিক দিয়ে গজনির কুবিখ্যাত দস্যু ও হত্যাকারী মামুদ পর্যন্ত তাঁর কাছে ম্লান হয়ে পড়বেন।

    তৈমুরের পিছনে পড়ে রইল মরুভূমির মতন দীন উত্তর ভারতবর্ষ। সমস্ত দেশ জুড়ে জাগল দুর্ভিক্ষ ও মড়কের হাহাকার, পথ-ঘাট-মাঠ ছেয়ে রইল লক্ষ লক্ষ কাঙালে, নগরের পর নগর হয়ে গেল ভারতের বুক থেকে অদৃশ্য। এমনকী দিল্লি নগরও পড়ে রইল বিরাট এক ধ্বংসস্তূপের মতন—শহরের ভিতরে মানুষের বসবাস রইল না বললেও চলে। ইতিহাসে পড়ি, তৈমুরের প্রস্থানের পর দীর্ঘ দুই মাসের ভিতরে দিল্লি নগরে একটিমাত্র পাখিকেও উড়তে দেখা যায়নি!

    কোনও কোনও ঐতিহাসিকের মত হচ্ছে, সমগ্র এশিয়ার একেশ্বর হওয়ার জন্যে তৈমুরের বাসনা ছিল যে, তখনকার প্রাচ্যদেশের সর্বপ্রধান সাম্রাজ্য চিনকেও তিনি অধিকার বা বশীভূত করবেন। চিনে যাওয়ার পথের পাশেই পড়ে উত্তর ভারতবর্ষ। পিছনে বা পাশে শত্রু রেখে পাছে তাঁকে বিপদগ্রস্ত হতে হয়, সেই ভয়েই আগে থাকতে ভারতকে তিনি পঙ্গু করে রাখলেন। এবং জয়ী হয়েও ভারতের অন্যান্য প্রদেশের দিকে দৃষ্টিপাত না করে স্বদেশে ফিরে গেলেন। কারণ যা-ই হোক, তৈমুরের ভারত আক্রমণ যে তাঁর যোদ্ধা-জীবনের একটি সংক্ষিপ্ত অধ্যায় মাত্র, সে বিষয়ে সন্দেহ নেই।

    ১৩৯৯ খ্রিস্টাব্দের ২০মে তারিখে আমির তৈমুর সমরখন্দে ফিরে এলেন এবং তার এক হপ্তা পরেই দেখি, ভারত-বিজয়কে স্মরণীয় করবার জন্যে তিনি এক বিরাট মসজিদ প্রতিষ্ঠায় নিযুক্ত হয়েছেন। অন্তত দুই লক্ষ নরহত্যা করে তিনি যে দেশে ফিরে এসেছেন, এজন্যে তাঁর মনে একটিও দুঃখের রেখা পড়ল না, সমস্ত যুদ্ধবিগ্রহ ও রক্তপাতের কথা ভুলে তিনি তাঁর মসজিদকে অপূর্ব করে তোলবার উপায় চিন্তা করতে লাগলেন।

    মসজিদের বাইরের দেওয়াল যখন সম্পূর্ণ হল, ভিতরের সূক্ষ্ম কারুকার্যের জন্যে তখন নিযুক্ত করা হল ভারত থেকে বন্দি করে আনা দুই শত শিল্পীকে। মাত্র তিন মাসের মধ্যেই তারা গড়ে ফেললে চারি শত আশিটি পাথরের থাম, ভিতরদিককার ছাদ ও অলংকৃত পিতলের দরজাগুলি। মসজিদ নির্মাণ সমাপ্ত!

    হঠাৎ তাঁর খেয়াল হল, সমরখন্দের ক্ষুদ্র বাজার রাজধানীর উপযুক্ত নয় এবং বাজারে আনাগোনা করবার পথটিও বড়ো সংকীর্ণ। তখনই তিনি হুকুম দিলেন—’বড় করে তোলো বাজারকে, তৈরি করো দীর্ঘ ও চওড়া একটি রাজপথ! সময় দিলুম বিশ দিন।’

    যথাসময়ে হুকুম তামিল করবার লোকের অভাব হল না। তৈমুরের হুকুম—যমের হুকুম।

    আমির তৈমুরের বয়স এখন চৌষট্টি বৎসর। যদিও তাঁর দেহ আগেকার মতোই বলিষ্ঠ আছে, তবু মাঝে মাঝে এখন তিনি পীড়িত হয়ে পড়েন। এখন তাঁর বিশ্রাম করবার সময়, কিন্তু বিশ্রাম সহ্য হয় না তাঁর ধাতে। আজও তিনি সেই দৃপ্ত তৈমুর—একা যিনি শত্রু-দুর্গের সিংহদ্বারের সামনে ছুটে গিয়েছিলেন দ্বন্দ্বযুদ্ধ করবার জন্যে। কেউ যুদ্ধে আহ্বান করলে এখনও তিনি শান্ত ও নিশ্চেষ্ট হয়ে থাকতে পারেন না।

    এশিয়া মাইনর থেকে তাঁর সামন্ত রাজাদের তাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। তাঁর পুত্রদের অধীনস্থ দেশে নতুন নতুন শত্রুর আবির্ভাব হয়েছে। বোগদাদ নগর শত্রুর করতলগত হয়েছে। এসব হচ্ছে নতুন যুদ্ধের আহ্বান!

    তৈমুর সাড়া দিতে কালবিলম্ব করলেন না। দেশে ফেরবার চার মাস পরেই আবার তিনি করলেন যুদ্ধযাত্রা। সমরখন্দ তিন বছর তাঁর মুখ দেখতে পেলে না।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80 81 82 83 84 85 86 87 88 89 90 91 92 93 94 95 96 97 98 99 100 101 102 103 104 105 106 107 108 109 110 111 112 113 114 115 116 117 118 119 120 121
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleকিশোর রহস্য উপন্যাস – হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Next Article জয়তু জয়ন্ত – হেমেন্দ্রকুমার রায়

    Related Articles

    হেমেন্দ্রকুমার রায়

    মানুষের গড়া দৈত্য – হেমেন্দ্রকুমার রায়

    January 8, 2026
    হেমেন্দ্রকুমার রায়

    হেমেন্দ্রকুমারের গল্প – হেমেন্দ্রকুমার রায়

    January 8, 2026
    হেমেন্দ্রকুমার রায়

    রহস্য-রোমাঞ্চ সমগ্র – হেমেন্দ্রকুমার রায়

    January 7, 2026
    হেমেন্দ্রকুমার রায়

    রবিন হুড – হেমেন্দ্রকুমার রায়

    January 7, 2026
    হেমেন্দ্রকুমার রায়

    জয়তু জয়ন্ত – হেমেন্দ্রকুমার রায়

    January 7, 2026
    হেমেন্দ্রকুমার রায়

    কিশোর রহস্য উপন্যাস – হেমেন্দ্রকুমার রায়

    January 7, 2026
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অসম্পূর্ণ বই
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    রুদ্রসমগ্র – রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

    January 8, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    রুদ্রসমগ্র – রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

    January 8, 2026
    Our Picks

    রুদ্রসমগ্র – রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

    January 8, 2026

    রান্না খাদ্য পুষ্টি – সিদ্দিকা কবীর

    January 8, 2026

    শহর খুলনার আদি পর্ব – আবুল কালাম সামসুদ্দিন

    January 8, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }