Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    ঐতিহাসিক সমগ্র – হেমেন্দ্রকুমার রায়

    হেমেন্দ্রকুমার রায় এক পাতা গল্প905 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    সপ্তম অধ্যায় । অসম্পূর্ণ মহাকাব্য

    ইসাস প্রান্তরের যুদ্ধে বোঝা গেল, গ্রিসকে গোলাম করবার ক্ষমতা পারস্যের আর কোনওদিন হবে না।

    দরায়ুস পালিয়ে গেলেন বটে, কিন্তু তাঁর পরিবারবর্গ হল আলেকজান্ডারের হাতে বন্দি। কিন্তু আলেকজান্ডার তাঁদের সঙ্গে এমন ভদ্র ব্যবহার করলেন যে, তাঁরা সবাই মুগ্ধ হয়ে গেলেন। সেকালে বিজেতার কাছে বিজিত এমন শিষ্ট ব্যবহার প্রত্যাশা করত না।

    ঐশ্বর্যে পারস্য ছিল অতুলনীয়, গ্রিস স্বাধীন হলেও তার কাছে এ হিসাবে একান্ত নগণ্য ছিল। চাষার ছেলে রাজার প্রাসাদে ঢুকলে যেমন ভ্যাবাচ্যাকা খেয়ে যায়, দরায়ুসের বিচিত্র পটমণ্ডপে প্রবেশ করে তার সোনার থালাবাটি ও অন্যান্য পাত্রের স্তূপ, বহুমূল্য আসবাব ও কারুকার্যকরা কার্পেট প্রভৃতি দেখে আলেকজান্ডার হতভম্ব হয়ে গেলেন। অভিভূতকণ্ঠে বললেন, ‘রাজা বলতে কী বোঝায়, এইবারে বুঝতে পারছি!’

    জয়লাভ করেও আলেকজান্ডার কিন্তু দরায়ুসের অনুসরণ করতে পারলেন না। তাঁর পিছনে ছিল পারস্য সাম্রাজ্যের বিপুল আর এক অংশ—সিরিয়া ও মিশর প্রভৃতি নিয়ে যা গঠিত। পিছন দিকে এত বড় শত্রু-সাম্রাজ্য রেখে তিনি পারস্যের দিকে অগ্রসর হতে সাহস করলেন না—এবং রণনীতিতে অভিজ্ঞ অন্য কেহই যা করতেন না। প্রাচ্যভূমির দিকে অগ্রসর হতে গেলে যে সিরিয়া প্রভৃতি দেশ নিজের অধিকারভুক্ত রাখা উচিত, সেই প্রাচীন কালেই তরুণ আলেকজান্ডার তা উপলব্ধি করতে পেরেছিলেন। বহুকাল পরে আঠারো শতাব্দীতে ফরাসি দিগবিজয়ী নেপোলিয়নও এই সত্য বুঝে ভারতবর্ষ বিজয়ের বাসনা নিয়ে আলেকজান্ডারেরই পায়ে চলা পথে পথিক হয়েছিলেন—যদিও তিনি সিরিয়া পার হবার সুযোগ পাননি।

    অল্পবিস্তর চেষ্টার পর সিরিয়া আলেকজান্ডারের হস্তগত হল। প্রাচীন সভ্যতার লীলাক্ষেত্র মিশর, পারসিদের শাসন যন্ত্রের চাপে আর্তনাদ করছিল, তার জন্যে আলেকজান্ডারকে আর লড়াই করতে হল না। নবীন গ্রিক দিগবিজয়ীকে সে মুক্তিদাতা বলে অভ্যর্থনা করে সিংহদ্বার খুলে দিলে। আলেকজান্ডার নিজের নামে এখানে যে নগর প্রতিষ্ঠা করলেন, সেই আলেকজেন্দ্রিয়া আজও পৃথিবীর অন্যতম প্রধান নগরী রূপে বিখ্যাত হয়ে আছে। গ্রিসের অধঃপতনের পরে শিক্ষা ও সংস্কৃতিতে এথেন্সের স্থানগ্রহণ করেছিল, আলেকজেন্দ্রিয়াই।

    আলেকজান্ডারের কল্পনাতীত সাফল্য দেখে এতদিন পরে গ্রিসের প্রধান সম্ভ্রান্ত রাষ্ট্র এথেন্সেরও চোখ ফুটল। এথেন্সও দূত প্রেরণ করে অভিনন্দন জানালে যে—আলেকজান্ডারই হচ্ছেন এশিয়ার বিরুদ্ধে গ্রিসের সর্বশ্রেষ্ঠ যোদ্ধা!

    এরপর এই পৃথিবীতে আলেকজান্ডারের পরমায়ু ছিল মাত্র সাত বৎসর! কিন্তু কী বিচিত্র, কী অদ্ভুত ও কী অসাধারণ ঘটনার ধারার সঙ্গে প্রবাহিত হয়ে গিয়েছে এই সাতটি বৎসরের প্রত্যেকটি দিন! সাত বৎসরের মধ্যে পৃথিবীর আর কোনও মানুষ সভ্যতার ইতিহাসে এমন চিরস্মরণীয় পরিবর্তন আনতে পারেনি।

    এইবারে আলেকজান্ডার নিশ্চিন্ত হয়ে আবার পারস্যের দিকে দৃষ্টিপাত করলেন। পারস্যের খ্যাতি, প্রতিপত্তি ও অদ্বিতীয়তার মূলে তিনি প্রচণ্ড আঘাত করেছেন বটে, কিন্তু এখনও সে ধূলিসাৎ হয়নি, এখনও সে মৃত নয়।

    এদিকে দরায়ুসও বুঝতে পেরেছেন, আলেকজান্ডার হচ্ছেন অপরাজেয়। অন্তত তাঁকে দমন করতে পারে পারস্যের এমন শক্তি নেই। তাড়াতাড়ি তিনি সন্ধির প্রস্তাব করে পাঠালেন। ইউফ্রেটেস নদীর পশ্চিম তীর পর্যন্ত ছেড়ে দিয়ে আলেকজান্ডারের হাতে তিনি নিজের কন্যা ও প্রচুর অর্থ সমর্পণ করতে চাইলেন। অন্য যে-কোনও লোক এ শর্তে রাজি হয়ে যেত—কিন্তু আলেকজান্ডার সে লোক নন।

    প্রধান সেনাপতি পার্মেনিয়ো বললেন, ‘রাজা, আমি যদি আলেকজান্ডার হতুম, তাহলে এই প্রস্তাবেই সায় দিতুম।’

    আলেকজান্ডার বললেন, ‘ঠিক। আমি যদি পার্মেনিয়ো হতুম, এ প্রস্তাবে নিশ্চয়ই নারাজ হতুম না!’

    দরায়ুস তখন আবার যুদ্ধক্ষেত্রে অবতীর্ণ হবার জন্যে বিপুল আয়োজন করলেন। তখনও তাঁর সাম্রাজ্য ছিল বহুজনপূর্ণ ও বহুদূরবিস্তৃত। সাম্রাজ্যের নানা প্রদেশ থেকে নানাজাতীয় সৈনিক এসে দরায়ুসের পতাকার তলায় সমবেত হল—এমনকী, ভারত থেকে কয়েক হাজার ভারতীয় ধনুকধারী সৈনিক পর্যন্ত। এবারে যুদ্ধের আয়োজন হল আর এক বিখ্যাত প্রাচীন সভ্যতার ক্ষেত্রে—অর্থাৎ বাবিলনে। টাইগ্রিস নদীর নিকটে গৌগামালা নামক স্থানে দরায়ুস তাঁর শিবির স্থাপন করলেন।

    আলেকজান্ডারের সৈন্যসংখ্যা প্রায় পঞ্চাশ হাজার। কিন্তু পারসিদের সংখ্যা তার চেয়ে এত বেশি ছিল যে, রণপ্রবীণ সেনাপতি পার্মেনিয়ো পর্যন্ত ভয় পেয়ে গেলেন। তিনি বললেন, ‘রাজা, দিনের আলোয় শত্রুদের সংখ্যা দেখলে গ্রিকরা হতাশ হতে পারে। তার চেয়ে রাতের অন্ধকারে আমরা আক্রমণ করব, আমাদের সৈন্যরা কিছু বুঝতে পারবে না।’

    আলেকজান্ডার বললেন, ‘তা হয় না। আমি বিজয়গৌরব চুরি করতে চাই না।’

    রাত্রির তিমিরাবগুণ্ঠন ভেদ করে ফুটে উঠল পারস্যশিবিরের হাজার হাজার আলোকমালা এবং সেখান থেকে বায়ু তরঙ্গে ভেসে আসতে লাগল সাগর গর্জনের মতন গম্ভীর কোলাহল। সেখানে দাঁড়ালে চোখ আর কান দুই-ই অভিভূত হয়।

    এই যুদ্ধের উপরে গ্রিসের ভবিষ্যৎ নির্ভর করছে। আলেকজান্ডার ছিলেন অদৃষ্টবাদী। জ্যোতিষীদের আনিয়ে নিজের ভাগ্যগণনা করলেন। ফল হল সন্তোষজনক। তখন দেবতার উদ্দেশে পূজা নিবেদন করে ঘুমিয়ে পড়লেন তিনি নিশ্চিন্ত শিশুর মতো।

    পরদিন যুদ্ধ আরম্ভ হলে দেখা গেল, ঘনব্যূহ ভেদ করবার জন্যে পারসিরা একরকম অস্ত্র-কণ্টকিত রথ আবিষ্কার করেছে। একে পারসিদের সংখ্যা এত বেশি যে, গ্রিক সৈন্যসীমার দুই পাশ ছাড়িয়ে তাদের ব্যূহ অনেক দূরে ছড়িয়ে পড়েছে, তার উপরে আবার এই নূতন আবিষ্কারের বিভীষিকা! গ্রিকরা রীতিমতো চাঞ্চল্য প্রকাশ করতে লাগল।

    কিন্তু আলেকজান্ডার অচঞ্চল। রথ ছুটতে পারে সমতলক্ষেত্রে। তাঁর ডান পাশে ছিল অসমোচ্চ পাহাড়ে জমি, অস্ত্র-কণ্টকিত রথের গতিরোধ করবার জন্যে তিনি সৈন্য সমাবেশ করলেন সেইখানে। এবং পারসিরাও তাঁর অভিপ্রায় বুঝে গ্রিকদের বামপার্শ্বস্থ সমতল ক্ষেত্রে সরে এল।

    দরায়ুস, আলেকজান্ডারের কৌশল ধরে ফেলে গ্রিকদের ডান পাশ আক্রমণ করবার জন্যে পাঠিয়ে দিলেন অশ্বারোহী সৈন্যদের। বর্শা ও তরবারি নিয়ে পারসি অশ্বারোহীরা আকাশে বাতাসে ধুলোর মেঘ উড়িয়ে এসে পড়ল গ্রিকদের উপরে, হই হই রবে! খড়েগ খড়েগ ঝনঝন সংগীত—সঙ্গে সঙ্গে বিদ্যুৎ চমক! হাজার হাজার বর্শা ফলক উঠল এবং নামল—শত শত গ্রিকদেহ ফুঁড়ে বেরিয়ে এল রক্ত ফোয়ারা! গ্রিকদল পশ্চাৎপদ—পারসিদের বিজয় হুঙ্কার।

    আলেকজান্ডার চিৎকার করে বললেন, ‘গ্রিসের ছেলে তোমরা, পিছিয়ে এসো না—এগিয়ে যাও! ভুলো না, এই পারসি বর্বররা একদিন গ্রিক দেবতাদের মন্দির কলঙ্কিত করেছিল—আজ তার প্রতিশোধ নাও!’

    গ্রিকরা আবার ফিরে দাঁড়াল—এবারে পারসিরা হল পশ্চাৎপদ!

    অস্ত্র-কণ্টকিত রথ ছুটে আসতে লাগল গ্রিকদের বাম পাশের সমতল ক্ষেত্রের উপর দিয়ে। রথ আর রথ আর রথ—কত রথ! তাদের গাত্র-সংলগ্ন ধারালো অস্ত্রগুলো মুখ বাড়িয়ে আছে যেন ঘনব্যূহের নরদেহগুলোকে ছিঁড়ে ফালা ফালা করে দেবার জন্যে! কিন্তু গ্রিক ধনুক থেকে ছুটতে লাগল শোঁ শোঁ শব্দে ঝাঁকে ঝাঁকে বাণ এবং আঠারো ফুট লম্বা বর্শাগুলো আন্দোলিত হতে লাগল ঘন ঘন! কত রথ অচল! তবু ছুটে আসে অন্য রথ! তখন ঘনব্যূহের সৈন্যরা হঠাৎ দুই পাশে সরে গেল এবং সামনে গলিপথ বেয়ে ভিতরে গিয়ে ঢুকল রথগুলো! অমনি ঘনব্যূহের দুইপাশ আবার এক হয়ে বন্ধ করে দিলে পথ এবং চারিপাশ থেকে আক্রান্ত রথগুলো হল চূর্ণবিচূর্ণ।

    আগেই বলা হয়েছে, পারসি ফৌজের অধিকাংশ সরে এসেছিল গ্রিকদের বাম পার্শ্বে। ফলে তাদের মধ্যভাগ দুর্বল হয়ে পড়ল।

    তীক্ষ্ণচক্ষু আলেকজান্ডার তা লক্ষ করেই তাঁর প্রধান সৈন্যদল দিয়ে প্রচণ্ড বেগে পারসিদের মধ্যভাগ আক্রমণ করলেন।

    ফল হল সাংঘাতিক। পারসিদের অশ্বারোহী দল পশ্চাৎপদ, পারসিদের অস্ত্র-কণ্টকিত রথগুলো অচল বা চূর্ণবিচূর্ণ এবং পারসিদের দুর্বল মধ্যভাগ বিধ্বস্ত! এরপর তাদের আর কোনও আশা রইল না।

    ওই দেখা যায় সম্রাট দরায়ুসের সমুজ্জ্বল রথ! কিন্তু কী দুর্গতি তার! চারিদিকে তাঁর হত বা আহত নরদেহের স্তূপ—সামনে, পিছনে, দক্ষিণে, বামে কোনওদিকে তাঁর নড়বার উপায় নেই। অচল-রথের অসহায় সম্রাট, আর তাঁর রক্ষা নেই!

    আলেকজান্ডার নিজের অশ্বারোহীদের ডেকে সম্রাটকে বন্দি করবার হুকুম দিতে যাবেন, সেইসময় বামপার্শ্ব থেকে পার্মেনিয়োর জরুরি আবেদন এল—’আমি আর শত্রুদের রুখতে পারছি না—সৈন্য পাঠান, সৈন্য পাঠান!’

    যে পারসি সৈন্যরা গ্রিকদের বাম পাশে ছিল, তারা তখনও ভয়াবহ বিক্রমে যুদ্ধ করছিল, তাদের ঠেকাতে পারছিল না গ্রিকরা।

    যে গ্রিক অশ্বারোহীরা বিশৃঙ্খল পারসিব্যূহের মধ্যভাগে গিয়ে দরায়ুসকে বন্দি করতে পারত, তখন তাদের ছুটে যেতে হল পার্মেনিয়োকে সাহায্য করতে।

    সেই ফাঁকে সচল-রথ থেকে লাফিয়ে পড়ে একটা ঘোড়ায় চড়ে দরায়ুস তাড়াতাড়ি পালিয়ে গেলেন। আলেকজান্ডার মহা আক্রোশে পার্মেনিয়োকে দিতে লাগলেন অভিশাপ! তাঁর অভিযোগ হচ্ছে, পারসিদের মধ্য ও বাম ভাগ যখন বিধ্বস্ত হয়েছে তখন তারা তো শক্তিহীন! দরায়ুসকে বন্দি করতে পারলে তাদের বাকি সৈন্যরা কতক্ষণ আর লড়াই করতে পারত? পার্মেনিয়ো আমার মুখের গ্রাস কেড়ে নিলেন!

    সম্রাট পলাতক শুনে যেসব পারসি সৈন্য তখনও লড়াই করছিল তারাও অদৃশ্য হল কে কোথায়!

    নেমে এল অন্ধ-রাত্রির তিমির যবনিকা, ঢেকে গেল পৃথিবীর বীভৎস রক্ত চিত্র, জেগে রইল কেবল আসন্ন মৃত্যুর কাতর ক্রন্দন।

    দরায়ুসের সঙ্গে সঙ্গে সেই কালো রাত্রির অন্ধকারে পালিয়ে গেলেন পারস্যের সৌভাগ্যলক্ষ্মী।

    বাবিলন আলেকজান্ডারের হস্তগত। কিন্তু এখনও অক্ষত আছে নিজ পারস্য ও মিডিয়া—যেখান থেকে প্রথম আত্মপ্রকাশ করে পারসি সাম্রাজ্য! তার উপরে দরায়ুস এখনও নাগালের বাইরে! সুতরাং কর্তব্য এখনও অসমাপ্ত।

    আলেকজান্ডার আবার অগ্রসর হলেন। আবার এখানে-ওখানে দুই-একটা ছোটখাটো যুদ্ধের পর পারস্যের বৃহৎ নগর সুসা এবং তার রাজধানী পার্শেপোলিস তাঁর হস্তগত হল। সঙ্গে সঙ্গে তিনি পেলেন যুগে যুগে সঞ্চিত পারসি রাজভাণ্ডারের অতুল ঐশ্বর্য। আরও পেলেন সেইসব লুণ্ঠিত দ্রব্য, সম্রাট ক্সের্ক্সেস গত যুগে যা এথেন্স থেকে কেড়ে নিয়ে গিয়েছিলেন।

    তারপর দরায়ুসকে অধীনতা স্বীকার করবার জন্যে তিনি কিছুদিন সময় দিলেন। কিন্তু দরায়ুস এতখানি মাথা নোয়াতে রাজি হলেন না, একবেতানার (বর্তমান হামাদান) প্রাসাদে অচলের মতন বসে বসে ফেলতে লাগলেন দীর্ঘশ্বাস। এরপর এখানেও আর একবার যুদ্ধের চেষ্টা হল। কিন্তু আলেকজান্ডারের আগমন সংবাদ পেয়েই দরায়ুসের সমস্ত সাহস উবে গেল, আবার তিনি পলায়ন করলেন।

    আলেকজান্ডার আজ পারস্যে অদ্বিতীয়। পারস্যের রাজসিংহাসন এখন তাঁর জন্যে অপেক্ষা করছে। পারস্য আর কোনওদিন গ্রিসের প্রভু হবার জন্যে স্পর্দ্ধা প্রকাশ করবে না। তিনি পিতৃকৃত্য পালন করেছেন।

    পরিষদবর্গ বললে, ‘রাজা, এখনও পূর্ণ প্রতিশোধ নেওয়া হয়নি।’

    —’আরও কী প্রতিশোধ নিতে চাও?’

    —’রাজা, ভুলে যাবেন না, তৃতীয় দরায়ুসের পূর্বপুরুষ ক্সের্ক্সেস আমাদের পবিত্র এথেন্স নগরীকে সমর্পণ করেছিল অগ্নিশিখার মধ্যে। তারই প্রতিশোধ চাই! আমরাও পুড়িয়ে ছাই করব ক্সের্ক্সেসের প্রাসাদকে!’

    —’উত্তম! তার আয়োজন করো।’

    দলে দলে লোক ছুটে এল জ্বলন্ত মশাল হাতে করে। তাদের পুরোভাগে গিয়ে দাঁড়ালেন আলেকজান্ডার—তাঁরও হাতে নৃত্যশীল অগ্নিশিখা এবং মাথায় জড়ানো ফুলের মালা।

    ধূ ধূ করে জ্বলে উঠল সেই জগতে অতুলনীয় বিরাট প্রাসাদ—হুড়মুড় করে ভেঙে পড়তে লাগল তার বর্ণবিচিত্র। কারুকার্যে কমনীয় উচ্চ ভিত্তি, ফেটে চৌচির হয়ে যেতে লাগল। তার দর্পণের মতন মসৃণ শিলাস্তম্ভগুলো, অগ্নিবেত্রাঘাতে বিদীর্ণ হয়ে যেন আর্তরব করতে লাগল ওস্তাদ শিল্পীদের হাতে গড়া প্রস্তরমূর্তিরা! একটা বৃহৎ সভ্যতার বহুযুগব্যাপী শিল্পসাধনার আদর্শ গড়াগড়ি দেয় বুঝি ধুলায়!

    আলেকজান্ডার তরুণ যুবক ছাড়া কিছুই নন, বন্ধুদের প্ররোচনায় হঠাৎ তিনি আত্মবিস্মৃত হয়েছিলেন। এখন হঠাৎ আবার কী ভেবে অনুতপ্ত কণ্ঠে চিৎকার করে হুকুম দিলেন—’না, না! নিবিয়ে ফ্যালো, নিবিয়ে ফ্যালো—আগুন নিবিয়ে ফ্যালো!’

    আগুন নিবল বটে—কিন্তু প্রাসাদের অনেকখানি গ্রাস করে। আজ প্রত্নতাত্বিকরা আবার আবিষ্কার করেছেন প্রাসাদের ধ্বংসাবশেষ।

    কিন্তু কী ভেবে আলেকজান্ডার আগুন নেবাবার আদেশ দিয়েছিলেন? পারস্যের প্রভু হয়ে কি তাঁর মনে হঠাৎ নতুন সম্ভাবনার ইঙ্গিত জেগেছিল? না, দিগবিজয়ে বেরুবার আগেই মানস নেত্রের সামনে তিনি নিজের সে অপূর্ব পরিকল্পনা দেখতে পেয়েছিলেন, আবার তারই ছবি আচম্বিতে তাঁর মনে পড়ে গেল?

    জোর করে কিছু বলা যায় না। কারণ, আলেকজান্ডারের নিজের মুখের কথা সেদিন কেউ শোনেনি।

    কিন্তু আর একদিনের ঘটনা নিয়ে আলোচনা করলে যেন এই রহস্যের ভিতরটা অস্পষ্টভাবে দেখা যায়!

    একদিন আলেকজান্ডার পথে যেতে যেতে দেখলেন, মস্ত একটি পাথরের মূর্তি গড়াগড়ি যাচ্ছে।

    শুনলেন, এ হচ্ছে ক্সের্ক্সেসের প্রস্তরমূর্তি।

    আলেকজান্ডার সেই ভূপতিত মূর্তির উপরে উঠে খানিকক্ষণ দাঁড়িয়ে রইলেন।

    তারপর বললেন, ‘আমার কী করা উচিত? তুমি গ্রিসকে আক্রমণ করেছিলে বলে তোমাকে কি এই পথের ধুলোতেই শুইয়ে রাখব? না, তোমার অসীম সাহস আর শক্তিকে মর্যাদা দেবার জন্যে আবার তোমাকে তুলে দাঁড় করিয়ে দেব?’

    মনে মনে যেন এই সমস্যা পূরণের জন্যেই তিনি মৌন হয়ে রইলেন। তারপর আর কিছু না বলে প্রস্থান করলেন।

    পারস্য বিজয়ের সঙ্গে সঙ্গেই আলেকজান্ডার দেখতে হয়তো পেয়েছিলেন নিজের জন্যে একটি বিশেষ পথ। এখনও এ নতুন পথে চলেনি আর পথিক। সে পথের শেষে ছিল এমন একটি মিলনক্ষেত্র, প্রতীচ্য যেখানে দাঁড়াতে পারে প্রাচ্যের হাত ধরে।

    এই হচ্ছে আধুনিক ঐতিহাসিকদের অনুমান। এমন অনুমানের কোনও সঙ্গত কারণ আছে কি না, পরে আমরা তাও দেখবার চেষ্টা করব। তবে জোর করে কিছু বলা যায় না। কারণ, আলেকজান্ডারের স্বল্পস্থায়ী জীবন হচ্ছে অসম্পূর্ণ মহাকাব্য।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80 81 82 83 84 85 86 87 88 89 90 91 92 93 94 95 96 97 98 99 100 101 102 103 104 105 106 107 108 109 110 111 112 113 114 115 116 117 118 119 120 121
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleকিশোর রহস্য উপন্যাস – হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Next Article জয়তু জয়ন্ত – হেমেন্দ্রকুমার রায়

    Related Articles

    হেমেন্দ্রকুমার রায়

    মানুষের গড়া দৈত্য – হেমেন্দ্রকুমার রায়

    January 8, 2026
    হেমেন্দ্রকুমার রায়

    হেমেন্দ্রকুমারের গল্প – হেমেন্দ্রকুমার রায়

    January 8, 2026
    হেমেন্দ্রকুমার রায়

    রহস্য-রোমাঞ্চ সমগ্র – হেমেন্দ্রকুমার রায়

    January 7, 2026
    হেমেন্দ্রকুমার রায়

    রবিন হুড – হেমেন্দ্রকুমার রায়

    January 7, 2026
    হেমেন্দ্রকুমার রায়

    জয়তু জয়ন্ত – হেমেন্দ্রকুমার রায়

    January 7, 2026
    হেমেন্দ্রকুমার রায়

    কিশোর রহস্য উপন্যাস – হেমেন্দ্রকুমার রায়

    January 7, 2026
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }