Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    ঐতিহাসিক সমগ্র – হেমেন্দ্রকুমার রায়

    হেমেন্দ্রকুমার রায় এক পাতা গল্প905 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    অষ্টম অধ্যায় । পথের নেশা

    এখনও দরায়ুস পলাতক! তাঁকে বন্দি ও বশীভূত করতে না পারলে আলেকজান্ডারের শান্তি নেই। বিষধর পালিয়ে গেলেই নির্বিষ হয় না।

    কিন্তু দরায়ুস যাবেন কোথায়? তিনি যত এগিয়ে যান, আলেকজান্ডার তাঁর পিছনে লেগে থাকেন কায়ার পিছনে ছায়ার মতো।

    এই অনুসরণ করতে করতে আলেকজান্ডারকে অস্ত্র ধরতে হয়েছিল বারংবার। তিনি এক প্রদেশ পার হয়ে অন্য প্রদেশে গিয়ে পড়লেই তাঁর পশ্চাতে বিদ্রোহ ঘোষণা করে নব নব শত্রু। তাঁকে ফিরে এসে শত্রু দমন করে তবেই আবার অগ্রসর হতে হয়। এইসব কারণে দরায়ুসের পলায়নের সুবিধা হতে লাগল যথেষ্ট।

    আলেকজান্ডার ও তাঁর যুগে আর কেউ সন্দেহ করেনি, যে গ্রিক ও পারসিরা আজ মৃত্যু সংগ্রামে নিযুক্ত, মূলত তারা একই জাতি। আলেকজান্ডার পরে পাঞ্জাবে গিয়েও বুঝতে পারেননি যে, ওখানকার ভারতীয়রাও তাঁর জাতভাই। স্মরণাতীত কাল আগে মধ্য এশিয়া থেকে যে মূল আর্যজাতি দক্ষিণ দিকে অভিযান আরম্ভ করে, উত্তর ভারতীয় হিন্দু, ইরানের পারসি ও গ্রিসের গ্রিকগণ হচ্ছে তারই তিনটি শাখা। বহুযুগের এপারে এসে পড়ে তারা নিজেদের পূর্ব-কাহিনি ভুলে গিয়েছে, তাই পরস্পরকে ‘বর্বর’ বা ‘যবন’ বা অন্য কিছু বলে গালাগালি দেয় এবং ভাইয়ে ভাইয়ে হানাহানি করে।

    দরায়ুসের মন্দ ভাগ্য! আলেকজান্ডারের হাতে আত্মসমর্পণ করলেই ভালো করতেন, কিন্তু তা না করে তিনি পালিয়ে বেড়াতে লাগলেন অভিশপ্ত ভবঘুরের মতো। শেষটা তিনি গিয়ে পড়লেন তপ্ত তৈল থেকে জ্বলন্ত আগুনে।

    দরায়ুস পালালেন ইরানের উত্তর দিকে, আলেকজান্ডারও ছুটলেন উত্তর দিকে। এগুতে এগুতে হঠাৎ একদিন দেখা গেল, পথের উপরে পড়ে রয়েছে ‘সর্বশক্তিমান ঈশ্বর’ উপাধিধারী পারসি সম্রাট তৃতীয় দরায়ুসের মৃতদেহ! তাঁর দেহের সর্বত্র ছোরার আঘাত (খ্রিস্টপূর্ব ৩৩০ অব্দ)! সাম্রাজ্য স্থাপক, মহামহিমময় দিগবিজয়ী কুরুষ (Cyrus) থেকে যে রাজবংশের আরম্ভ, দরায়ুস তার শেষ বংশধর। আজকের পারস্যের রাজাও ‘সর্বশক্তিমান ঈশ্বর’ উপাধিটির উপরে দাবি করেন বটে, কিন্তু সে যেন বিষম ঠাট্টার মতন শোনায়!

    খোঁজ নিয়ে জানা গেল, দরায়ুসকে হত্যা করেছেন তাঁরই এক জ্ঞাতি, নাম—বেসাস। লোকটি ছিল ব্যাকট্রিয়ার ক্ষত্রপ বা শাসনকর্তা।

    আলেকজান্ডার রাগে জ্বলে উঠে বললেন, ‘সম্রাট হত্যা! ছুটে চলো হত্যাকারীর পিছনে! যেখানে থাক, খুঁজে বার করো তাকে!’

    বেসাস প্রমাদ গুণে ব্যাকট্রিয়ায় চম্পট দিলে। ব্যাকট্রিয়া হচ্ছে আফগানিস্তানের উত্তরে। বেসাস ভেবেছিল, আলেকজান্ডার দেশ ছেড়ে কখনওই এত উত্তরে আসতে সাহস করবেন না।

    আলেকজান্ডার খবর পেলেন। আরও শুনলেন যে, পারস্য সাম্রাজ্যের উত্তরে যেসব শাসনকর্তা দরায়ুসকে হত্যা করবার জন্যে ষড়যন্ত্র করেছিল, তারা বেসাসকেই বসাতে চায় ‘সর্বশক্তিমানে’র সিংহাসনে। বেসাস নিজেও রাজ নাম গ্রহণ করেছে।

    আলেকজান্ডার ঝড়ের মতন ছুটলেন এই নতুন ‘সর্বশক্তিমানে’র সর্বশক্তি খর্ব করতে। বেসাস রক্ষা পেলে না, সে ধরা পড়ল এবং রাজহত্যার শাস্তিস্বরূপ তাকে প্রাণদণ্ড দিয়ে ক্রুশবিদ্ধ করা হল।

    তারপর নানা খণ্ডযুদ্ধ, কষ্টস্বীকার ও গিরি-নদী-প্রান্তর অতিক্রম করবার পর আলেকজান্ডার তুর্কিস্থান পর্যন্ত দখল করে ফেললেন। এখানে সেসব কথা না বললেও চলবে। কারণ, আলেকজান্ডারকে বাধা দিতে পারে, এ অঞ্চলে এমন কোনও শত্রু ছিল না।

    কিন্তু একদিনের কাহিনি উল্লেখযোগ্য।

    তপনতপ্ত এশিয়ার এক মরু-প্রান্তর। আকাশের দিকে তাকানো যায় না, বাতাসের সঙ্গে সঙ্গে গায়ে এসে লাগে যেন প্রখর অগ্নিবাণ, শুকনো ধু-ধু প্রান্তরে কোথাও নেই জলবিন্দু। গ্রিক সৈন্যরা ধুঁকতে ধুঁকতে পথ চলতে গিয়ে এলিয়ে পড়ছে—দারুণ তৃষ্ণায় তাদের জিভ গেছে শুকিয়ে, প্রাণ করছে টা টা। নেই লোকালয়, নেই যেন পথের শেষ।

    জনকয় সৈনিক অপূর্ব ও অভাবিত এক আবিষ্কার করলে। মাটির ভিতরে একটি গর্ত, তার ভিতরে একটুখানি জল!

    একজন সৈনিক লোহার শিরস্ত্রাণ খুলে জলটুকু সংগ্রহ করলে। হাজার হাজার সৈনিক সেই জলের কথা শুনে দীর্ঘশ্বাস ত্যাগ করলে। কারণ, সেটুকু জলে তৃষ্ণানিবারণ হতে পারে মাত্র একজনের!

    সৈনিক ভাবলে, রাজার দাবি সকলের আগে। সে জলটুকু এনে ধরলে আলেকজান্ডারের সামনে।

    রাজাও কম তৃষিত নন। তাঁরও ছাতি তখন যেন ফেটে যেতে চাইছে। তিনি বিপুল আগ্রহে সেই জলপূর্ণ শিরস্ত্রাণ টেনে নিয়ে নিজের ঠোঁটের কাছে তুললেন। তারপরেই দেখতে পেলেন, তৃষ্ণা-কাতর শতশত চোখের আকুল দৃষ্টি নিবদ্ধ হয়ে রয়েছে শিরস্ত্রাণের দিকেই।

    শিরস্ত্রাণসুদ্ধ দুই হাত ঠোঁটের কাছ থেকে নামিয়ে আলেকজান্ডার বললেন, ‘একজনের মতো জল, অথচ সবাই চায় তেষ্টা মেটাতে! সকলের আগে রাজার দাবি বলে আমি তো এ জল পান করতে পারি না।’

    তিনি শিরস্ত্রাণ উপুড় করে ধরলেন—তৃষিত মাটির খানিকটা স্নিগ্ধ হল, ক্ষণিকের জন্যে।

    কী স্বার্থত্যাগ, কী মহত্ব! হাজার হাজার সৈনিক তৃষ্ণার জ্বালা ভুলে আলেকজান্ডারের নামে করলে জয়ধ্বনি!

    ইতিহাসে যেসব সেনাপতি নাম কিনেছেন, তাঁদের অনেকেই এমনিভাবে সাধারণ সৈনিকদের সুখ-দুঃখ নিজের বলে মনে করে সেনাদলের কাছে হয়েছেন আদরের দেবতার মতন!

    এই অঞ্চলে আলেকজান্ডার সৈনিকদের নিয়ে বৎসরখানেক ধরে বিশ্রাম করেন। (খ্রিস্টপূর্ব ৩৩০-২৯ অব্দ) এবং এর মধ্যে কতকগুলি ছোট-বড় এমন ঘটনা ঘটে, যার দ্বারা ধরা পড়ে তাঁর চরিত্রের বিশেষত্ব।

    তিনি আলেকজেন্দ্রিয়ার মতন নিজের নামে অনেকগুলি নতুন নগর প্রতিষ্ঠা করেন। এইরকম নিজের নামে নূতন নগর-প্রতিষ্ঠার ঝোঁক শেষটা তাঁকে নেশার মতো পেয়ে বসেছিল। আর কোনও দিগবিজয়ী এমন অহমিকা প্রকাশ করেননি।

    শকরাজ অক্সিয়ার্তেজকে পরাজিত করে তিনি তাঁর কন্যা রোক্সানাকে বিবাহ করেন। আলেকজান্ডারের ভাবপ্রবণ চিত্ত কি এখানেও তাঁরপর পরিকল্পনার প্রথম প্রকাশ দেখাবার চেষ্টা করেছিল? এই ঘটনায় তাঁর সঙ্গী গ্রিকগণ বিস্ময়ে হতভম্ব হয়ে গিয়েছিল, কারণ, তাদের পক্ষে এটা ছিল ধারণাতীত! সাম্রাজ্যস্রষ্টা অভিজাত গ্রিকবীর হয়ে বর্বর ও অসভ্য রাজার মেয়েকে বিবাহ! কিন্তু তারা জানত না, এর পর এমন কত ঘটনা তাদের জন্যে অপেক্ষা করে আছে!

    আলেকজান্ডার যখন ভারতে জয়পতাকা উড়িয়ে পারস্যের সুসা শহরে প্রত্যাগত, তখন তিনি দরায়ুসের মেয়ে স্তাতিরাকেও করেছিলেন নিজের অঙ্কলক্ষ্মী। সেই সময়ে সেখানে এক আশ্চর্য দৃশ্য দেখা যায়।

    আলেকজান্ডারের দেখাদেখি তাঁর কয়েক শত সেনাধ্যক্ষও এক-একটি ইরানি সুন্দরীর পাণিপীড়ন করেন। আবার এইসব দেখে সাধারণ গ্রিক সৈনিকের সঙ্গে হয় দশ হাজারেরও বেশি পারসি কন্যার বিবাহ! ইউরোপের সঙ্গে এশিয়ার এমন বিবাহবন্ধনের কথা ইতিহাসে আর কখনও লেখা হয়নি!

    আলেকজান্ডার নিজেই তাঁর সৈনিকগণকে উৎসাহ দিতে ছাড়েননি। বহু সৈনিক পারস্যে গিয়ে ঋণগ্রস্ত হয়ে পড়েছিল। আলেকজান্ডার নিজের তহবিল থেকে টাকা দিয়ে তাদের ঋণ পরিশোধ করে বলেন, ‘এইবারে তোমাদের প্রত্যেককে পারসি মেয়ে বিয়ে করতে হবে!’

    সেইখানেই আলেকজান্ডার বুঝিয়ে দিয়েছিলেন যে, তিনি চান, ইউরোপের সঙ্গে এশিয়ার ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক—দুই মহাদেশের সর্বজাতি সম্মেলন! পিতৃকৃত্য পালনের জন্যে প্রথমে তিনি এশিয়ার বিরুদ্ধে অস্ত্রধারণ করেন বটে, কিন্তু তারপরেই তাঁর শত্রুভাব লুপ্ত হয়ে গিয়েছিল। তিনি বুঝেছিলেন, এশিয়ার সঙ্গে ইউরোপের মিলন ঘটাতে পারলে তার ফল হবে অত্যন্ত শুভ। তিনি যে কেবল এশিয়ার কন্যাদের গ্রহণ করেই এই মিলনস্বপ্নকে সফল করতে চেয়েছিলেন, তা নয়; পরে আমরা দেখাব, রাজনীতির ক্ষেত্রেও তিনি অবলম্বন করেছিলেন ওই এক পন্থাই।

    বর্বর ও অসভ্য রাজকন্যা হলেও রোক্সানা হচ্ছে প্রাচ্যেরই মেয়ে এবং প্রাচ্য দেশ বলতে আলেকজান্ডার কেবল পারস্যদেশই বোঝেননি।

    আলেকজান্ডার যখন সমরখন্দে, তখন বিশেষ একটি অন্যায় কাজ করেছিলেন।

    ছয় বছর আগে গ্রানিকাস ক্ষেত্রে ক্লিটাস তাঁর প্রাণরক্ষা করেছিলেন, একথা বলা হয়েছে যথাসময়েই।

    সমরখন্দের এক ভোজসভায় একদিন আলেকজান্ডারের সঙ্গে তাঁর বন্ধু ক্লিটাসের ঝগড়া হল। দুজনেই সমান ক্রুদ্ধ!

    ক্লিটাস রাজা বলে আলেকজান্ডারকে সমীহ করলেন না। মুখে যা আসে তাই বলে গালাগালি দিতে লাগলেন।

    শেষটা আলেকজান্ডার আর সহ্য করতে পারলেন না। রাগে অজ্ঞান হয়ে বন্ধুর দেহে বসিয়ে দিলেন তীক্ষ্ণ বর্শা! তৎক্ষণাৎ ক্লিটাসের মৃতদেহ মাটির উপরে লুটিয়ে পড়ল।

    রাগের মাথায় এই অসম্ভব কাণ্ড করে ফেলে আলেকজান্ডার কিছুক্ষণ স্তম্ভিত হয়ে রইলেন। তারপর ধীরে ধীরে তাঁর সহজ অবস্থা ফিরে এল। তারপরেই তিনি দুঃখে পাগলের মতন হয়ে উঠলেন।

    বিষম অনুতাপে হঠাৎ তিনি বন্ধুর মৃতদেহে বিদ্ধ বর্শাটা একটানে খুলে নিয়ে আত্মহত্যা করতে উদ্যত হলেন।

    ভাগ্যে সেখানে তাঁর দেহরক্ষী ছিল উপস্থিত। সে তাড়াতাড়ি তাঁর হাত থেকে বর্শাটা কেড়ে নিলে।

    এই হচ্ছে আলেকজান্ডারের আর এক স্বরূপ। একদিকে তিনি ধীর, স্থির, ভাবুক, কাব্যপ্রিয়, নির্ভীক, উদার ও দয়ালু ‘জনগণমনঅধিনায়ক’; আর একদিকে গোঁয়ার, ক্রোধে উন্মত্ত, অধীর, অহঙ্কারী, নিষ্ঠুর ও হিংস্র।

    এমনকী, তাঁর বিরুদ্ধে চক্রান্ত করেছেন এই সন্দেহে পরে তিনি তাঁর পিতৃবন্ধু ও প্রবীণ সেনাপতি বৃদ্ধ পার্মেনিয়ো এবং তাঁর পুত্র ফিলোটাস এবং আরও অনেক বিখ্যাত সেনারক্ষীকে পর্যন্ত প্রাণদণ্ডে দণ্ডিত করতে কুণ্ঠিত হননি! এবং পরে আমরা দেখব, ভারতবর্ষে গিয়েও তিনি তৈমুর লং ও নাদির শাহের মতোই নৃশংস হয়ে করেছিলেন কী দারুণ হত্যাকাণ্ডের অনুষ্ঠান।

    আবার এই লোকই পরম শত্রুকেও ক্ষমা করতে পেরেছিল হাসিমুখে। প্রমাণ, মহারাজ পুরু।

    এক জলদস্যু-সম্পর্কীয় বিখ্যাত গল্পেও আলেকজান্ডারের চরিত্রের এমনি মাধুর্যের প্রমাণ পাওয়া যায়।

    ডায়োমেডেস—নামজাদা বোম্বেটে। সমুদ্রের দিকে দিকে জাহাজ ভাসিয়ে নিজের সাংঘাতিক ব্যবসা চালাত। সে কত বাণিজ্য-জাহাজ ডুবিয়েছে, কত পণ্য ও অর্থ হরণ করেছে, কত লোককে প্রাণে মেরেছে তার আর সংখ্যা নেই। শেষটা সে ধরা পড়ল। তাকে আলেকজান্ডারের সম্মুখে এনে হাজির করা হল।

    আলেকজান্ডার ক্রুদ্ধ স্বরে বললেন, ‘ওরে ডাকাত, সমুদ্রে সমুদ্রে কোন সাহসে তুই এমন অত্যাচার করে বেড়াস?’

    ডায়োমেডেস মৃত্যু নিশ্চিত জেনে নির্ভীক ভাবে বললে, ‘রাজা, তার চেয়ে নিজেকে জিজ্ঞাসা করুন, দেশে দেশে কোন সাহসে আপনি এমন অত্যাচার করে বেড়ান? আমি তো একখানি মাত্র বোম্বেটে জাহাজের মালিক, আমি আর কতটুকু অত্যাচার করতে পারি? আর আপনি হচ্ছেন অগণ্য জাহাজের ফৌজের মালিক, জলে স্থলে দেশে দেশে নিয়ে যান ধ্বংস আর যুদ্ধ! তবু আমার উপাধি ‘ডাকাত’, আর আপনার উপাধি ‘রাজা’ ও ‘দিগবিজয়ী’! অদৃষ্টের গতি যদি ফেরে, আমি যদি বেশি সফল হই আর আপনি হন কম সফল, তাহলে আমাদের উপাধি আর অবস্থাও বদলে যেতে কতক্ষণ!’

    যুক্তি শুনে আলেকজান্ডার রাগ করলেন না। ডাকাতকে বহু অর্থদান করে বললেন, ‘কিন্তু সাবধান, ভবিষ্যতে আর যেন ডাকাতি কোরো না।’

    পারস্য সাম্রাজ্য বিস্তৃত ছিল ভারতবর্ষের সিন্ধুনদ পর্যন্ত। আলেকজান্ডার এইবারে স্থির করলেন, তিনি সাম্রাজ্যের বাকি অংশটুকুকেও রেহাই দেবেন না। উত্তর ভারতে যদি পারস্যের দাবি না থাকত, তাহলে আলেকজান্ডার ভারতের মাটি মাড়াতেন কি না, সে বিষয়ে আমাদের গভীর সন্দেহ আছে।

    কিন্তু রণক্ষেত্রে গ্রিকরা যুদ্ধ-ব্যবসায়ী ভারতীয় সৈন্যদের সঙ্গে একাধিক বার পরিচিত হবার সুযোগ পেলেও ভারতবর্ষ ছিল তাদের কাছে এক অজানা রহস্যময় অতি দুর্গম দেশ। কোথায় গ্রিস, আর কোথায় ভারতবর্ষ! মাঝে হাজার হাজার মাইলের ব্যবধান! আজকাল ট্রেন, বাষ্পীয় জাহাজ ও এরোপ্লেনের যুগে, গ্রিস থেকে ভারতবর্ষে যেতে কোনও দুশ্চিন্তা হয় না, কিন্তু সে যুগে পায়ে হাঁটা পথে এই দুই দেশে আনাগোনা করার কথা স্বপ্নেও কেউ মনে আনতে পারত না। তার উপরে গ্রিকদের যেতে হবে শত্রু রূপে, পথে কোনও সাহায্য পাবার আশা নেই—আছে পদে পদে শুধু বিপদ ও মৃত্যুর সম্ভাবনা!

    এবং কত বৎসর আগে গ্রিকরা স্বদেশ, আত্মীয়স্বজন ও বন্ধুবান্ধবদের পিছনে ফেলে এসেছে! চিরশত্রু পারস্যের পতন হল, এখনও আবার নূতন অভিযানের প্রস্তাব!

    গ্রিকরা ভারতবর্ষে যেতে ভয় পেলে এবং তাদের মনও কাঁদতে লাগল দেশের জন্যে।

    আলেকজান্ডার নিজের সৈনিকদের মন জানতেন। তারা যে তাঁকে পিতার মতো, দেবতার মতো ভালোবাসে, এ সত্যও তাঁর অজানা ছিল না। তাদের মন ফেরাবার গুপ্ত অস্ত্র তাঁর কাছেই ছিল। অবশেষে তিনি সেই অস্ত্রই প্রয়োগ করলেন।

    বললেন, ‘বেশ, তাই হোক। যদিও আমি জানি এত তাড়াতাড়ি দেশে ফিরতে গেলে আমরা পালিয়ে যাচ্ছি ভেবে শত্রুরা আমাদের পিছন থেকে বারংবার আক্রমণ করবে, তবু তোমাদের ইচ্ছায় আমি বাধা দেব না। বেশ, দেশেই যাও! তোমাদের আমি ত্যাগ করলুম!’

    আলেকজান্ডার তাদের ত্যাগ করবেন! তাদের বন্ধুর মতো, পিতার মতো, দেবতার মতো আলেকজান্ডার তাদের ত্যাগ করবেন! এতবড় দুর্ভাগ্য তারা ধারণাতেই আনতে পারলে না। না, না, এ হতেই পারে না—অসম্ভব!

    সৈনিকেরা সমস্বরে বলে উঠল, ‘রাজা, রাজা! আমরা দেশে যেতে চাই না, আমরা তোমার সঙ্গে থাকতে চাই! তোমার সঙ্গে আমরা পৃথিবীর শেষ প্রান্তেও যেতে রাজি!’

    ভারতবর্ষেই যাওয়া স্থির হল।

    এক দেশ থেকে আর এক দেশ, এক সভ্যতা থেকে সভ্যতার অন্তঃপুরে বিজয়ী বীরের মতন প্রবেশ করবার জন্যে আর একবার অগ্রসর হলেন আলেকজান্ডার! ছিলেন মাসিডনের ক্ষুদ্র নরপতি, আজ হয়েছেন বিশ্ববিজয়ী সম্রাট! কিন্তু ঐতিহাসিকরা বলেন, ভাগ্যলক্ষ্মীর প্রসাদ পেয়েও এবং শক্তির মদিরা পান করেও কোনও দিন তিনি আত্মহারা হননি। মানুষের তুচ্ছতা অসহায়তা কতখানি সেটা তাঁর অজ্ঞাত ছিল না।

    পারস্য সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠাতা কুরুষের সমাধিভবন। একদিন আলেকজান্ডার সেখানে গিয়ে উপস্থিত।

    তিনি সমাধি প্রস্তরের উপরে লেখা এই কথাগুলি পড়লেন :

    ‘হে মানুষ, তুমি যেইই হও এবং যেখান থেকেই তোমার আগমন হোক—কারণ আমি জানি তুমি আসবেই—আমার এই কথাগুলি শুনে রাখো : আমি হচ্ছি সেই কুরুষ—পারসিদের জন্যে যে বিপুল সাম্রাজ্য জয় করেছিল : আজ এই যে একমুঠো মাটি হয়েছে আমার আবরণ, এর জন্যে তুমি আমাকে হিংসা কোরো না।’

    শোনা যায়, এই লিপি পাঠ করবার পর আলেকজান্ডার মনুষ্য জীবনের নশ্বরতা ও অনিশ্চয়তার কথা স্মরণ করে ভাবের আবেগে অস্থির হয়ে উঠেছিলেন।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80 81 82 83 84 85 86 87 88 89 90 91 92 93 94 95 96 97 98 99 100 101 102 103 104 105 106 107 108 109 110 111 112 113 114 115 116 117 118 119 120 121
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleকিশোর রহস্য উপন্যাস – হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Next Article জয়তু জয়ন্ত – হেমেন্দ্রকুমার রায়

    Related Articles

    হেমেন্দ্রকুমার রায়

    মানুষের গড়া দৈত্য – হেমেন্দ্রকুমার রায়

    January 8, 2026
    হেমেন্দ্রকুমার রায়

    হেমেন্দ্রকুমারের গল্প – হেমেন্দ্রকুমার রায়

    January 8, 2026
    হেমেন্দ্রকুমার রায়

    রহস্য-রোমাঞ্চ সমগ্র – হেমেন্দ্রকুমার রায়

    January 7, 2026
    হেমেন্দ্রকুমার রায়

    রবিন হুড – হেমেন্দ্রকুমার রায়

    January 7, 2026
    হেমেন্দ্রকুমার রায়

    জয়তু জয়ন্ত – হেমেন্দ্রকুমার রায়

    January 7, 2026
    হেমেন্দ্রকুমার রায়

    কিশোর রহস্য উপন্যাস – হেমেন্দ্রকুমার রায়

    January 7, 2026
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }