Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    ঐতিহাসিক সমগ্র – হেমেন্দ্রকুমার রায়

    হেমেন্দ্রকুমার রায় এক পাতা গল্প905 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    পাঁচ । সিংহাসনের ছায়ায়

    খুব গোপনে চারশোখানা ছোট-বড়-মাঝারি জাহাজ সাজিয়ে নেপোলিয়ন যাত্রা করলেন সমুদ্র-পথে। জাহাজে আছে আটত্রিশ হাজার সৈন্য।

    এবং জাহাজে আছেন একদল মহাপণ্ডিত। তাঁদের কেউ কেউ বৈজ্ঞানিক, কেউ দার্শনিক, কেউ প্রত্নতাত্বিক, কেউ রাসায়নিক, কেউ জ্যোতির্বিদ, কেউ জ্যামিতিবিদ বা চিত্রকর বা কবি বা স্থাপত্যবিদ প্রভৃতি। মোট একশো পঁচাত্তর জন। সৈনিকরা অবহেলাভরে এদের ডাকত ‘গাধার দল’ বলে।

    সৈন্যরা লড়াই করবে আর পণ্ডিতরা করবেন প্রাচীন মিশরীয় সভ্যতার অনুসন্ধান ও অনুশীলন।…এই অনুসন্ধানের ফলেই আজকের বিশ্ববিখ্যাত রোসেটা শিলালিপি আবিষ্কৃত হয়েছিল এবং সকলেই জানেন, এই অমূল্য শিলালিপিখানি পাওয়া গেছে বলেই আজ আমরা প্রাচীন মিশরের সভ্যতা, সাহিত্য, সমাজ ও ধর্ম সম্বন্ধে সমস্ত তথ্যই পুনরুদ্ধার করতে পেরেছি।

    এইখানেই নেপোলিয়নের মহামানবতা। তিনি কাঠগোঁয়ার এবং শিক্ষা ও সংস্কৃতিহীন দিগবিজয়ী ছিলেন না। রাজনীতি, সমাজনীতি, শিক্ষা, সাহিত্য, দর্শন ও বিজ্ঞান—প্রত্যেক বিভাগেই তিনি তাঁর অসাধারণ মস্তিষ্কের পরিচয় রেখে গিয়েছেন।

    ইংরেজরা খবর পেলেন, নেপোলিয়ন মস্ত একদল সৈন্য ও অনেক জাহাজ নিয়ে পাড়ি দিয়েছেন ভূমধ্যসাগরের কোথায়। তাঁরা বিস্মিত হলেন, ভয় পেলেন। নৌ-সেনাপতি নেলসন নৌবহর নিয়ে তখনই হন্তদন্ত হয়ে বেরিয়ে পড়লেন। কিন্তু কোথাও নেপোলিয়নকে পাওয়া গেল না।

    নেলসন হতাশ ভাবে বললেন, ‘শয়তান লাভ করেছে শয়তানের সৌভাগ্য!’

    ইতিমধ্যে নেপোলিয়ন খুব সহজে মাল্টা দ্বীপ দখল করে মিশরের আলেকজান্দ্রিয়া শহরে গিয়ে জাহাজ থেকে নেমে পড়েছেন।

    …উত্তপ্ত, আরক্ত মরু-জগৎ! হু-হু বাতাস আগুন-পাগল ধু-ধু মরুভূমির উপর দিয়ে ছোট চারিদিকে গরম বালি ছড়াতে ছড়াতে। মূর্তিমান অতীতের মতন গগনস্পর্শী পিরামিড অটল মহিমায় তাকিয়ে থাকে বর্তমান শূন্যতার দিকে; স্পিংগকস বা নারসিংহী আকাশে মাথা তুলে চিরস্তব্ধ মুখে গম্ভীরভাবে দেখে বহু যুগের ভুলে যাওয়া স্বপ্ন। শতাব্দীর পর শতাব্দীর পুঞ্জ পুঞ্জ ধুলা ঝরে পড়েছে তাদের পাষাণ পদতলে—তারা ভ্রূক্ষেপ করেনি, ফিরে তাকায়নি!

    ঘোড়ার খুরে খুরে বালির মেঘ সৃষ্টি করে মিশরের ম্যামেলিউক সওয়াররা দলে দলে ধেয়ে আসছে ফরাসিদের আক্রমণ করবার জন্যে।

    সেনাদলের সামনে ঘোড়ার পিঠে বসে পিরামিডের দিকে অঙ্গুলিনির্দেশ করে নেপোলিয়ন বললেন, ‘সৈন্যগণ, চল্লিশ শতাব্দী তোমাদের পানে তাকিয়ে আছে চোখ নামিয়ে।’

    যুদ্ধে ম্যামেলিউকরা পরাজিত হয়ে পালিয়ে গেল। নেপোলিয়ন কায়রো শহর দখল করলেন (১৭৯৮ খ্রিস্টাব্দে)।

    কিন্তু আবার সৌভাগ্যের সঙ্গে সঙ্গে এল দুর্ভাগ্য। নেলসন খুঁজতে খুঁজতে আবুকির উপসাগরে এসে ফরাসি নৌবহরকে আবিষ্কার করে ফেলেছেন। জলযুদ্ধে ফরাসিদের চারখানা ছাড়া সমস্ত জাহাজ ডুবে গেল (১৭৯৯ খ্রিস্টাব্দে)।

    যদিও এই শোচনীয় পরাজয়ের জন্যে নেপোলিয়নকে কেউ দায়ী করবে না, তবু খবর শুনে তাঁর মুখ বিবর্ণ হয়ে গেল।

    কিন্তু তারপরেই নিজেকে সামলে নিয়ে সবাইকে তিনি বললেন, ‘দেখছি দেশে ফেরবার বা সেখান থেকে সাহায্য পাওয়ার পথ বন্ধ হল। উত্তম! আমাদের মাথা তুলে রাখতে হবে ঝড়-দোলানো জলের উপরে; ভয় নেই, সমুদ্র আবার হবে প্রশান্ত! প্রাচ্যের রূপ বদলে দেব আমরা—এই হয়তো বিধাতার বিধান! এইখানেই আমাদের থাকতে হবে, তারপর অতীতের বীরপুরুষদের মতন আমরাও হয়ে উঠব মহিমময়!’

    তাঁর দৃষ্টি ছুটল ভারতবর্ষের দিকে। সেখানে তরবারি আস্ফালন করছেন ইংরেজদের মহাশত্রু টিপু সুলতান। তাঁর সঙ্গে চলতে লাগল নেপোলিয়নের কথাবার্তা। পারস্যের শা’য়ের সঙ্গেও ষড়যন্ত্র হতে লাগল। নেপোলিয়ন বললেন, ‘এখানে যদি কেবল পনেরো হাজার সৈন্য রেখে যেতে পারি, আর আমি যদি তিরিশ হাজার সৈন্য পাই, তাহলে ভারতবর্ষে যাত্রা করা অসম্ভব হবে না।’

    ওদিকে ফরাসি নৌবহরের পরাজয়ে উৎসাহিত হয়ে তুর্কি ও মিশরীয়রা আবার শত্রু হয়ে দাঁড়াল। কামানের অভাবে একটি যুদ্ধে বিফল হয়ে বাকি যুদ্ধে ফরাসিরা জয়লাভ করলে।

    হঠাৎ নেপোলিয়নের হাতে এসে পড়ল খানকয় পুরোনো ফরাসি সংবাদপত্র। দুঃসংবাদ! সমস্ত ইতালি আবার ফ্রান্সের হাতছাড়া হয়েছে।

    সেনাপতি ক্লেবারকে মিশরের যুদ্ধ চালাবার জন্যে রেখে, পনেরো মাস পরে নেপোলিয়ন কয়েকজন মাত্র সঙ্গীর সঙ্গে গোপনে আবার স্বদেশের দিকে যাত্রা করলেন।…

    আবার ফ্রান্স!…দিকে দিকে উঠল আনন্দ-কোলাহল! ‘নেপোলিয়ন আবার ফিরে এসেছেন! ফ্রান্সের মহাবীর আবার ফিরে এসেছেন! জয় নেপোলিয়নের জয়!’

    জয়ধ্বনি শুনে শাসনসভার ডিরেক্টরদের বুক দুরু-দুরু কেঁপে উঠল। তাঁদের বুক অকারণে কাঁপেনি।

    নেপোলিয়ন বজ্রকঠিন কণ্ঠে বললেন, ‘তোমাদের হাতে আমি যে শ্রীসমৃদ্ধিশালী ফ্রান্সকে সমর্পণ করে গিয়েছিলুম, তোমরা তার কী দশা করেছ? আমি শান্তিপ্রতিষ্ঠা করে গিয়েছিলুম, এসে দেখছি যুদ্ধ! আমি তোমাদের জয়গৌরবের অধিকারী করে গিয়েছিলুম, এসে দেখছি তোমরা পরাজিত! আমি তোমাদের কাছে কোটি কোটি টাকা রেখে গিয়েছিলুম, এসে দেখছি তোমরা ভিক্ষুক! তোমাদের নিয়ে আর চলবে না!’

    ডিরেক্টরদের বুক অকারণে কাঁপেনি।

    ফরাসি সাধারণতন্ত্রের দ্বারা গৃহীত দ্বিতীয় মাসের নাম Brumaire। ওই মাসের ৯ তারিখ। সেইদিনই সব হিসাবনিকাশ হয়ে গেল। নেপোলিয়ন সৈন্যদের সাহায্যে অকর্মণ্য ডিরেক্টরদের শাসনসভা থেকে দূর করে দিলেন (২৪ ডিসেম্বর, ১৭৯৯ খ্রিস্টাব্দে)।

    গত কয়েক বৎসরের ধারাবাহিক দুর্ভাগ্য, বিপ্লব ও অরাজকতার ফলে ফ্রান্স এমন শ্রান্ত হয়ে পড়েছিল যে, নেপোলিয়নের কাছে সম্পূর্ণভাবে আত্মসমর্পণ করতে কিছুমাত্র ইতস্তত করলে না। নতুন শাসন-সভার নিয়মতন্ত্র যখন জনসাধারণের সামনে দাখিল করা হল, তখন তার স্বপক্ষে ভোট পাওয়া গেল ৩০,১১,০০৭ এবং বিপক্ষে ভোটের সংখ্যা ১,৫৬২ মাত্র!

    নেপোলিয়ন হলেন প্রধান এবং আর দুজন হলেন তাঁর সহকারী শাসনকর্তা—তাঁদের নাম হল যথাক্রমে প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় শাসনকর্তা। প্রজাতন্ত্র এগিয়ে গেল অনেকটা রাজতন্ত্রের কাছাকাছি। এইবারে নেপোলিয়ন নিশ্চয়ই দূর থেকে পথের শেষ দেখতে পেলেন—কিন্তু, সবটা নয়! কোনও মানুষ—এমনকী মহামানুষও জীবনপথের শেষটা সম্পূর্ণ দেখতে পায় না, কারণ মাঝে দোলে নিয়তির রহস্যময় কুহেলিকা।

    …টুইলারিস রাজপ্রাসাদ! ফ্রান্সের রাজাদের নিবাস। নেপোলিয়ন আজ সেখানে বসে মন্ত্রণাসভা আহ্বান করেন। তাঁর সঙ্গে আরও দুজন কনসাল আছেন বটে, কিন্তু তাঁরা হচ্ছেন নেপোলিয়নেরই প্রতিধ্বনি!

    নেপোলিয়ন সর্বপ্রথমে রচনা করলেন নতুন আইনের খসড়া, কারণ বিপ্লবের ফলে ফ্রান্সের আইনকানুন একরকম নষ্ট হয়ে গিয়েছিল বললেই হয়। প্রায় দেড়শত বৎসর হতে চলল, আজও ফ্রান্সে Code Rapoleon বা নেপোলিয়ন-সংহিতা অনুসারে আদালতের বিচারকার্য নির্বাহিত হয়। এবং আজও মধ্য ও দক্ষিণ জার্মানি, প্রুশিয়া, সুইজারল্যান্ড, স্পেন—এমনকি মধ্য ও দক্ষিণ আমেরিকা প্রভৃতি দেশের উপরেও নেপোলিয়ন-সংহিতার প্রভাব বিদ্যমান আছে!

    ঘরের ব্যাপার ভালো করে গুছিয়ে নিয়ে নেপোলিয়ন বাইরের দিকে দৃষ্টিপাত করলেন।

    সশস্ত্র ইংলন্ড তাঁর বিরুদ্ধে। প্রুশিয়ার রাজাও ফ্রান্সের বিরুদ্ধে যুদ্ধঘোষণা করেছেন। অস্ট্রিয়া আবার ইতালি কেড়ে নিয়েছে। ফ্রান্স একা এবং তার চারিদিকে বলবান শত্রু। অন্য কোনও লোক হলে ভয়ে ভেঙে পড়ত। কিন্তু নেপোলিয়ন একটুও বিচলিত হলেন না।

    ফ্রান্সে তখন আর একজন বড় সেনাপতি ছিলেন। তাঁর নাম জেনারেল মোরো। অনেকেই তাঁকে নেপোলিয়নের সমকক্ষ বলে মনে করতেন এবং অনেকের মতে তাঁর সঙ্গে নেপোলিয়নের রেষারেষি ছিল।

    কিন্তু এক্ষেত্রে নেপোলিয়ন যথেষ্ট উদারতা প্রকাশ করলেন। দেড় লক্ষ সৈন্যের সঙ্গে মোরোকে তিনি জার্মানির বিরুদ্ধে পাঠিয়ে দিলেন, ফ্রান্সের যত রণপ্রবীণ যোদ্ধা ছিল সেই বিপুল বাহিনীর মধ্যে। সেখানে মোরো, সেনাপতি নে ও গ্রাউচির সাহায্যে অস্ট্রিয়ানদের বিরুদ্ধে বিখ্যাত হোহেনলিন্ডেন যুদ্ধে (১৮০০ খ্রিস্টাব্দে) জয়লাভ করেন।

    জেনারেল মেসেনাকে পাঠানো হল ইতালিতে। কিন্তু সেখানে ফরাসিরা বিশেষ সুবিধা করে উঠতে পারলে না। মেসেনা পিছু হটে জেনোয়া নগরে গিয়ে আশ্রয় নিলেন—নগর হল অবরুদ্ধ। সুচেট নামে আর একজন ফরাসি সেনাপতিও অস্ট্রিয়ানদের সামনে দাঁড়াতে পারলেন না। অস্ট্রিয়ার প্রধান সেনাপতি কাউন্ট মেলাস সানন্দে দেখলেন, তাঁর সামনে ফ্রান্সের দ্বার খোলা। অস্ট্রিয়ানরা সগর্বে বলতে লাগল—আমরা ইতালি জয় করেছি, এইবারে ফ্রান্সের উপরে হানা দেব।

    নেপোলিয়ন বুঝলেন, অবিলম্বে সসৈন্যে ইতালিতে যেতে না পারলে সর্বনাশের সম্ভাবনা। কিন্তু সৈন্য কোথায়? আসল ফৌজ তো জেনারেল মোরের সঙ্গে!

    তিনি তাড়াতাড়ি সৈন্য সংগ্রহ করতে লাগলেন। কিছুদিন পরে অর্ধশিক্ষিত নতুন লোক নিয়ে যে ফৌজ গঠন করা হল, গুপ্তচরের মুখে তার খবর পেয়ে অস্ট্রিয়ানরা বেজায় ঠাট্টা করতে আরম্ভ করলে—তাদের খবরের কাগজে বেরুতে লাগল হরেকরকম ব্যঙ্গচিত্র!

    নেপোলিয়ন স্থির করলেন, অপ্রত্যাশিত ভাবে তিনি অস্ট্রিয়ানদের আক্রমণ করবেন।

    একচক্ষু হরিণের মতন অস্ট্রিয়ান সেনাপতি মেলাসের দৃষ্টি নিবদ্ধ ছিল ইতালিতে আবদ্ধ অর্ধপরাজিত ফরাসিদের দিকে। এবং তিনি জানতেন, নেপোলিয়নকে আসতে হবে সমতল ক্ষেত্র দিয়ে।

    নেপোলিয়ন ও মেলাসের মাঝখানে আছে ইউরোপের হিমালয়, মহাপর্বত আল্পস এই মেঘচুম্বী হিমারণ্য পার হয়ে বিপুল এক বাহিনী যে আত্মপ্রকাশ করতে পারে, এ-কথা কেউ কল্পনাও করতে পারেনি।

    কিন্তু নেপোলিয়ন বললেন, ‘দু-হাজার বৎসর আগে কার্থেজের মহাবীর হানিবল যা করতে পেরেছিলেন, আমরাই বা তা করতে পারব না কেন?’

    এই অপূর্ব প্রস্তাব শুনে সৈনিকরাও পরম উৎসাহিত হয়ে উঠল।

    তুষার, তুষার, তুষার! ডাইনে বামে তুষারের প্রাচীরের পর তুষারের প্রাচীর, পায়ের তলায় তুষার-কর্দম, মাথার উপরে ঝরছে তুষার বৃষ্টি। সংকীর্ণ পথের পাশে বিরাট অতল খাদ—ভীষণ মৃত্যুগহ্বর! কোথাও কোথাও পথের রেখা পর্যন্ত বিলুপ্ত। একটু শব্দ হলেই পাহাড়ের মতন বৃহৎ বরফের স্তূপ সেই নিরবচ্ছিন্ন নীরবতার রাজ্যকে বজ্ররবে প্রকম্পিত করে হুড়মুড়িয়ে নেমে আসে এবং শত শত লোককে নিয়ে অতল পাতালের দিকে অদৃশ্য হয়। এরই ভিতর দিয়ে হাজার হাজার ফরাসি সৈন্য অগ্রসর হচ্ছে ধীরে ধীরে, ভয়ে নিশ্বাস বন্ধ করে। পদাতিক, অশ্বারোহী, মালবাহী সৈনিক! ভারী ভারী কামানের গাড়ি, রসদের গাড়ি! এক-একটি কামান টানতে দরকার হয় একশো লোক। নেপোলিয়ন নিজে সঙ্গে সঙ্গে থেকে তদবির করেন—সাধারণ সৈনিকের মতন তিনিও করেন সমান কষ্টভোগ।

    কাউন্ট মেলাস ঘুণাক্ষরেও কিছু জানতে পারেননি। পাভিয়া শহরের এক মহিলা-বন্ধুকে তিনি লিখেছিলেন, ‘তোমাকে পাভিয়া ত্যাগ করতে হবে না। ওখানে কোনও বিপদের ভয় নেই।’ ঠিক তার বারো ঘণ্টা পরে নেপোলিয়ন সেখানে গিয়ে হাজির হলেন।

    ইতিমধ্যে জেনোয়ার পতন হল, ফরাসি সেনাপতি মেসেনা আত্মসমর্পণ করলেন।

    ওদিকে নেপোলিয়নের সঙ্গী সেনাপতি লেনস মন্টিবেলো ক্ষেত্রে ভীষণ এক যুদ্ধে অস্ট্রিয়ানদের হারিয়ে দিলেন।

    এই সু ও কু খবর একসঙ্গে নেপোলিয়নের কানে গিয়ে পৌঁছোলো। তিনি ধাবিত হলেন মেলাসের অধীনস্থ প্রধানশত্রু-বাহিনীর দিকে। দুইপক্ষে মিলন হল বিখ্যাত মারেঙ্গো ক্ষেত্রে (১৪ জুন, ১৮০০ খ্রিস্টাব্দে)।

    মেলাসের সৈন্যসংখ্যা চল্লিশ হাজার। নেপোলিয়নের অধীনে বিশহাজারের বেশি সৈন্য ছিল না। তবু তিনি বীর-বিক্রমে শত্রুপক্ষকে আক্রমণ করলেন। তিনি সেনাপতি দেসেক্সের সঙ্গে পাঁচহাজার সৈন্য রেখে এগিয়ে এসেছিলেন এবং কথা ছিল এই সংরক্ষিত সেনাদল যথাসময়ে রণক্ষেত্রে আগমন করবে।

    দুই পক্ষে যুদ্ধ হল বহুক্ষণ ধরে। কিন্তু চল্লিশ হাজার শত্রুর সঙ্গে বিশ হাজার ফরাসি শেষ পর্যন্ত যুঝতে পারলে না, তারা পশ্চাৎপদ হতে লাগল।

    মেলাস বিপুল আনন্দে তাঁর সহকারী জাককে ডেকে বললেন, ‘আমরা জয়লাভ করেছি। শত্রুরা পালাচ্ছে, তুমি অশ্বারোহীদের নিয়ে ওদের পশ্চাদ্ধাবন করো।’ এই বলে তিনি নিশ্চিন্ত ভাবে রণক্ষেত্র ছেড়ে চলে গেলেন। ‘লড়াই তো শেষ হয়ে এল, আর এখানে দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে পা ব্যথা করি কেন?’—তাঁর ভাবটা ছিল অনেকটা এইরকম আর কি!

    নেপোলিয়ন যখন ভাবছেন ভাগ্যদেবী আমার উপরে আবার বিমুখ হয়েছেন, তখন প্রান্তরের প্রান্তে আবির্ভূত হল দেসেক্সের সংরক্ষিত সেনাদল।

    দেসেক্স ঘোড়া ছুটিয়ে নেপোলিয়নের কাছে এসে বললেন, ‘আমার মনে হচ্ছে যুদ্ধে আমরা পরাজিত হয়েছি।’

    নেপোলিয়ন বললেন, ‘আমার মনে হচ্ছে যুদ্ধে আমরা জয়লাভ করেছি। তুমি আক্রমণ করো, আমি পলাতকদের ফিরিয়ে আনি।’

    তাজা পাঁচ হাজার সৈনিক নিয়ে দেসেক্স শত্রুদলের উপরে বাঘের মতন ঝাঁপিয়ে পড়লেন। যারা পালাচ্ছিল, নেপোলিয়নের উৎসাহবাণী শুনে তারাও আবার ফিরে দাঁড়াল। খানিক পরেই মারেঙ্গোর ক্ষেত্রে দশ হাজার হতাহত অস্ট্রিয়ান সৈন্যের উপরে উড়তে লাগল ফরাসিদের বিজয়পতাকা। বন্দিও হল কয়েক হাজার শত্রু!

    নেপোলিয়নের জীবনে মারেঙ্গো হচ্ছে একটি অদ্ভুত ও স্মরণীয় যুদ্ধ। এই যুদ্ধে তিনি হেরেও জিতে গেলেন। এবং এই একটিমাত্র যুদ্ধের ফলে অস্ট্রিয়ার সমস্ত লম্ভঝম্প বন্ধ হয়ে গেল, সন্ধি করে সে ইতালিকে আবার ফিরিয়ে দিলে নেপোলিয়নের হাতে! কিন্তু যাঁর জন্যে মারেঙ্গো হল ফরাসিদের গৌরব-স্মৃতি, সেই সেনাপতি দেসেক্স রণক্ষেত্রেই বরণ করে নিলেন বীরের মৃত্যুকে।

    ফরাসিরা যখন মারেঙ্গোর যুদ্ধক্ষেত্র থেকে পালিয়ে যাচ্ছিল, তখন একজন পর্যটক ফ্রান্সের দিকে আসছিলেন সেইখান দিয়ে। তিনি সদলবলে দেসেক্সের আগমন দেখেননি। ফ্রান্সে পৌঁছে তিনি দিলেন ফরাসিদের পরাজয়-সংবাদ! নেপোলিয়নের শত্রুরা যো পেয়ে অমনি ষড়যন্ত্র আরম্ভ করলে—প্রথম কনসালকে তাড়াবার জন্যে! কিন্তু তাদের বড় আশায় পড়ল ছাই, কারণ তারপরেই এল এই অপূর্ব জয়লাভের সমস্ত সংবাদ—সঙ্গে সঙ্গে শত্রুদের মাথা হেঁট, মুখ বন্ধ!

    মারেঙ্গোর যুদ্ধের পরে ফরাসি দেশে নেপোলিয়নের প্রভুত্ব হল সুপ্রতিষ্ঠিত। এবং ফরাসিরা বেশ বুঝলে, তাদের রক্ষা করতে পারেন একমাত্র নেপোলিয়নই।

    নেপোলিয়নের ক্রমোন্নতি দেখে রাজপক্ষভুক্ত ব্যক্তিরা অত্যন্ত ভীত হল। তারা ফ্রান্সের সিংহাসনে বিতাড়িত ও নির্বাসিত রাজবংশের কারুকে বসাবার চেষ্টা করছিল। কিন্তু তারা যখন বুঝলে যে নেপোলিয়ন বেঁচে থাকতে তাদের বাসনা পূর্ণ হওয়ার কোনওই সম্ভাবনা নেই, তখন তাঁকে হত্যা করবার ঘৃণ্য চেষ্টা হল।

    নেপোলিয়ন একদিন সস্ত্রীক রঙ্গালয়ে যাচ্ছিলেন, হঠাৎ গাড়ির অনতিদূরেই ফাটল একটা মস্ত বোমা। আশপাশের বাড়িগুলোর ছাদ ভেঙে পড়ল এবং নেপোলিয়নের গাড়িরও জানলাগুলো চুরমার হয়ে গেল—কিন্তু তিনি ও তাঁর স্ত্রী বেঁচে গেলেন আশ্চর্যভাবে।

    অধিকাংশ ইউরোপ হল নেপোলিয়নের বশীভূত। জার্মানি, অস্ট্রিয়া, স্পেন, ইতালি, রুশিয়া ও হল্যান্ড—সকলেই নেপোলিয়নের দলে। তাঁকে স্বীকার করতে নারাজ কেবল ইংল্যান্ড। নেপোলিয়ন স্থির করলেন এইবার তাঁর শেষশত্রু নিপাত করবেন।

    ডানকার্ক ও বুলোন বন্দরে ইংল্যান্ড আক্রমণের বন্দোবস্ত হতে লাগল। নেপোলিয়ন নানা আকারের অনেক জাহাজ ও একলক্ষ সৈন্য এনে সেখানে জড়ো করলেন।

    এই বন্দোবস্ত পণ্ড করবার জন্যে ইংল্যান্ড থেকে প্রেরিত হলেন নেলসন। ফরাসিদের সঙ্গে ইংরেজদের জলযুদ্ধ হল। যুদ্ধে হেরে ইংরেজরা পলায়ন করলেন। তাঁদের অনেক লোকও মারা পড়ল। নেপোলিয়নের সৈনিকদের কাছে নেলসনের এই প্রথম পরাজয়।

    নেলসনের অসাফল্যে ইংল্যান্ডের ভাবনার আর সীমা রইল না। ইংরেজরা ভাবলেন, ইউরোপে কেউ আমাদের বন্ধু নেই। নেপোলিয়ন যদি ইংল্যান্ড আক্রমণ করেন তাহলে হয়তো আমরা তাঁকে ঠেকাতে পারব না। তখন তাঁরা বাধ্য হয়ে নেপোলিয়নের সঙ্গে সন্ধি করে ফেললেন (১৮০২ খ্রিস্টাব্দে)। এই সন্ধি আমেন্সের সন্ধি নামে বিখ্যাত। দীর্ঘ দশবৎসর পরে ইউরোপের সর্বত্র শান্তির প্রতিষ্ঠা হল। কেবল রণক্ষেত্রে নয়, রাজনীতির ক্ষেত্রেও নেপোলিয়নের যশ হল ষোলো কলায় পরিপূর্ণ।

    ফ্রান্সের কৃতজ্ঞ জনসাধারণ নেপোলিয়নকে তখন আজীবনের জন্যে কনসাল বলে স্বীকার করে নিলে।

    নেপোলিয়ন শ্রেষ্ঠাসন লাভ করলেন। আর একপদ অগ্রসর হলেই রাজমুকুট!

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80 81 82 83 84 85 86 87 88 89 90 91 92 93 94 95 96 97 98 99 100 101 102 103 104 105 106 107 108 109 110 111 112 113 114 115 116 117 118 119 120 121
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleকিশোর রহস্য উপন্যাস – হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Next Article জয়তু জয়ন্ত – হেমেন্দ্রকুমার রায়

    Related Articles

    হেমেন্দ্রকুমার রায়

    মানুষের গড়া দৈত্য – হেমেন্দ্রকুমার রায়

    January 8, 2026
    হেমেন্দ্রকুমার রায়

    হেমেন্দ্রকুমারের গল্প – হেমেন্দ্রকুমার রায়

    January 8, 2026
    হেমেন্দ্রকুমার রায়

    রহস্য-রোমাঞ্চ সমগ্র – হেমেন্দ্রকুমার রায়

    January 7, 2026
    হেমেন্দ্রকুমার রায়

    রবিন হুড – হেমেন্দ্রকুমার রায়

    January 7, 2026
    হেমেন্দ্রকুমার রায়

    জয়তু জয়ন্ত – হেমেন্দ্রকুমার রায়

    January 7, 2026
    হেমেন্দ্রকুমার রায়

    কিশোর রহস্য উপন্যাস – হেমেন্দ্রকুমার রায়

    January 7, 2026
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }