Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    রুদ্রসমগ্র – রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

    January 8, 2026

    রান্না খাদ্য পুষ্টি – সিদ্দিকা কবীর

    January 8, 2026

    শহর খুলনার আদি পর্ব – আবুল কালাম সামসুদ্দিন

    January 8, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    ঐতিহাসিক সমগ্র – হেমেন্দ্রকুমার রায়

    হেমেন্দ্রকুমার রায় এক পাতা গল্প905 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    আট । ভাগ্যলক্ষ্মীর ত্যাজ্যপুত্র

    ইউরোপের শ্রেষ্ঠ শক্তিরা পাঁচ-পাঁচ বার নেপোলিয়নের বিরুদ্ধে সম্মিলিত হয়েছিল, কিন্তু পাঁচবারই তাদের আর্তনাদ করতে হয়েছে একজন মাত্র মানুষের পায়ের তলায় পড়ে!

    এইবারে ষষ্ঠবারের জন্যে তারা আবার সম্মিলিত হল। এবারে দলে আছে রুশিয়া, প্রুশিয়া, অস্ট্রিয়া, ইংল্যান্ড ও সুইডেন।

    নেপোলিয়ন রুশিয়ায় নিজের সর্বনাশ করে এসেছেন। যে শিক্ষিত সেনাদলের জন্যে ইউরোপে তিনি অপরাজেয় হয়েছিলেন, তাদের কঙ্কাল পড়ে আছে এখন রুশিয়ার তুষার-মরুর মধ্যে।

    কিন্তু নেপোলিয়ন নামের এমনই মোহিনীশক্তি, আবার তাঁর আহ্বানে প্রাণ দিতে ছুটে এল দলে দলে নতুন বীর! যদিও এই নতুন বাহিনীর মধ্যে আগেকার মতন শিক্ষিত ও রণপ্রবীণ সেপাই নেই, তবু তাদের নিয়েই আবার তিনি যুদ্ধক্ষেত্রে অবতীর্ণ হতে কিছুমাত্র দ্বিধাবোধ করলেন না।

    প্রথমে লড়াই হল প্রুশিয়া ও রুশিয়ার সঙ্গে (১৮১৩ খ্রিস্টাব্দে)।

    একেবারে কাঁচা সেপাই, তার উপরে কামানের অভাব—কামানও খোয়া গেছে রুশিয়ায়। তবু লুটজেন ও বউটজেন ক্ষেত্রে মায়াবী নেপোলিয়নকে সঙ্গে পেয়ে নবীন ফরাসি সৈনিকরা এমন উন্মাদনা ও বীরত্ব প্রকাশ করলে যে, শত্রুরা দুইবারই পলায়ন করতে বাধ্য হল।

    নেপোলিয়ন উচ্ছ্বসিত কণ্ঠে বললেন, ‘আমি আজ বিশ বৎসর ধরে ফরাসি সৈন্য চালনা করছি, কিন্তু এর চেয়ে সাহস আর ঐকান্তিকতা আর কখনও দেখিনি! আমার সাহসী, নবীন সৈন্য এরা। গৌরব আর বীরত্বের ধারা এদের শিরায় শিরায়।’

    নেপোলিয়ন আবার বার্লিনের কাছে! রুশ ও প্রুশিয়ানরা পালিয়ে গিয়ে আশ্রয় নিয়ে অস্ট্রিয়ায় এবং অস্ট্রিয়াও ভিড়ে গেল তাদের দলে। সংখ্যায় তারা দুই লক্ষ। রুশ ও প্রুশিয়ানদেরও ফৌজে হাজার হাজার নতুন সেপাই এসে যোগ দিয়েছে। সুইডেনও পাঠিয়েছে কয়েক হাজার সৈন্য। দাদা জোসেফের ভায়রাভাই বার্নাদেটকে নেপোলিয়ন দয়া করে সুইডেনের সিংহাসন দান করেছিলেন, এখন সে তারই প্রতিদান দিতে এসেছে উপকারীর মাথার উপরে খাঁড়া তুলে।

    অন্যান্য সেনাপতিদের সসৈন্যে দিকে দিকে রেখে মূল ফৌজ নিয়ে নেপোলিয়ন শত্রুদের আক্রমণ করলেন। কিন্তু শত্রুরা যুদ্ধ করতে লাগল নতুন পদ্ধতিতে। নেপোলিয়নকে দেখলেই তারা পশ্চাৎপদ হয়, আর লড়াই করে হারায় অন্যান্য ফরাসি সেনাপতিদের। তবু নেপোলিয়ন ড্রেসডেন শহরের কাছে আবার তাদের যুদ্ধে নামতে বাধ্য করলেন। এখানে শত্রুদের সঙ্গে ছিলেন ভূতপূর্ব ফরাসি সেনাপতি জেনারেল মোরো—যাঁর মুণ্ডু কাটা যায়নি নেপোলিয়নেরই উদারতায়!

    ড্রেসডেনের যুদ্ধই হচ্ছে বিজয়ী নেপোলিয়নের শেষ বড় যুদ্ধ (১৮১৩, জুলাই)। এই যুদ্ধে জয়ী হয়ে তিনি বিশ হাজার শত্রু বন্দি করেন। এবং এইখানেই মারা পড়েন জেনারেল মোরো।

    কিন্তু যুদ্ধে জিতলে কী হবে, এবারে শত্রুসংখ্যা যেন অনন্ত! তাদের কাবু করা অসম্ভব। উপরন্তু তারা নেপোলিয়নের সঙ্গে শক্তিপরীক্ষা করে না, যেখানে নেপোলিয়ন নেই, সেইখানেই তাদের আবির্ভাব! এমনি করে দিনে দিনে ফরাসিরা যত দুর্বল হয়ে পড়ছে, শত্রুরা হয়ে উঠছে ততই প্রবল!

    তারপরে আরম্ভ হল লিপজিকের তিনদিনব্যাপী ভয়াবহ যুদ্ধ। আসলে এটি হচ্ছে ধারাবাহিক ভিন্ন ভিন্ন যুদ্ধের সমষ্টি (১৮১৩ খ্রিস্টাব্দে, ১৬ থেকে ১৮ পর্যন্ত)। মিত্রপক্ষে ছিল তিনলক্ষ সৈন্য এবং নেপোলিয়নের সৈন্য-সংখ্যা মাত্র এক লক্ষ বিশহাজার। তার উপরে যুদ্ধের সময়ে তাঁর সামন্ত রাজাদের বহু সৈন্য শত্রুপক্ষে গিয়ে যোগদান করেছিল। তবু নেপোলিয়ন প্রাণপণে লড়লেন, কিন্তু প্রায় ষাট হাজার শত্রু বধ করেও অসম্ভবকে আর সম্ভব করতে পারলেন না। অবশেষে তাঁর কামানের গোলাও ফুরিয়ে গেল। কেবল গোলা নয়, ফরাসিদেরও লোকক্ষয় হল পঞ্চাশ হাজার। তাঁর পক্ষে তখন পশ্চাৎপদ হওয়া ছাড়া আর কোনও উপায় রইল না।

    এই পরাজয়ের পর সমগ্র ইউরোপের দিকে দিকে নতুন নতুন শত্রু নেপোলিয়নের বিরুদ্ধে মাথা তুলে দাঁড়াতে লাগল। এমনকী, তাঁর দয়ায় আজ যারা মাথায় পড়েছে রাজমুকুট, তারাও শত্রুরূপে আত্মপ্রকাশ করতে লজ্জিত হল না—এমনকী তাঁর ভগ্নীপতি ও হাতেগড়া নেপলসের রাজা মুরাট পর্যন্ত! ইতালিতে আবার ফরাসি প্রভুত্ব বিলুপ্ত হল, স্পেনেও তাই!

    নেপোলিয়ন তখন সন্ধিপ্রার্থনা করলেন! মিত্রপক্ষ সন্ধির যে শর্ত দিলেন তা অন্যায় নয়। নেপোলিয়নকে তাঁরা কেবল ফ্রান্সরাজ্য ছেড়ে দিতে রাজি হলেন, কিন্তু সে শর্ত বাতিল করে নেপোলিয়ন নিজের দুর্ভাগ্যকে ডেকে আনলেন নিজেই!

    আবার যুদ্ধ আরম্ভ হল, নেপোলিয়ন লড়তে লাগলেন সপ্তরথীর দ্বারা বেষ্টিত একা অভিমন্যুর মতন! মিত্রপক্ষের অসংখ্য সৈন্যের তুলনায় তাঁর সৈন্যবল নগণ্য! সাধারণ সৈনিকের মতন তিনি যুদ্ধসাগরে ঝাঁপ দিয়ে পড়েন, তাঁর চারিদিক দিয়ে ছুটতে থাকে মৃত্যু-ঝটিকা!

    মন্টরিউ যুদ্ধক্ষেত্রে লড়াই যেখানে ঘোরতর হয়ে উঠেছে, নেপোলিয়ন সেইখানে গিয়ে হাজির! অশ্বপৃষ্ঠে নয়, পদব্রজে!

    বুড়ো গোলন্দাজরা তাদের প্রিয় সম্রাটকে এই বিপদের মধ্যে এসে দাঁড়াতে দেখে একেবারে মারমুখো হয়ে উঠল।

    তারা আজন্ম সৈনিক, কেউ আদবকায়দা ও মার্জিত ভাষার ধার ধারে না। ছেলেকে স্নেহশীল বাপ যেমনভাবে ধমক দেয়, তেমনি ভাবেই একজন কঠোর স্বরে বললে, ‘সম্রাট! এ তোমার জায়গা নয়!’

    নেপোলিয়ন হেসে বললেন, ‘বীর, যে বুলেটে আমি মরব, এখনও তা তৈরি হয়নি!’

    দুর্বল হয়েও একে একে নেপোলিয়ন আরও কয়েকটি যুদ্ধে জয়লাভ করলেন—কিন্তু বৃথা! শত্রুরা বেড়ে উঠছে রক্তবীজের ঝাড়ের মতন! নেপোলিয়নের সৈন্যসংখ্যা কমছে বই বাড়ছে না! প্রুশিয়ান জেনারেল ব্লুচার এ-পর্যন্ত যে কতবার তাঁর কাছ থেকে হেরে পালালেন তার আর সংখ্যা হয় না! তবু যতবারই তিনি পালান, ততবারই নতুন পল্টন নিয়ে আবার ফিরে আসেন। প্রত্যেক পরাজয়ের পর ব্লুচার যেন অধিকতর বলবান হয়ে ওঠেন!

    নতুন সৈন্যদলের উপায় নেই, নতুন শক্তিলাভের সম্ভাবনা নেই, তবু নেপোলিয়ন লড়ছেন, লড়ছেন, লড়ছেন! কিন্তু বৃথা! লক্ষ লক্ষ শত্রু চারিদিক দিয়ে প্যারির দিকে ধেয়ে আসছে মহাবন্যার মতন! এই দুর্বল অবস্থায় কোনওদিক সামলাবেন তিনি? অবশেষে অসম্ভবকে লাভ করবার জন্যে ফরাসি সৈন্যদেরও আর কোনও আগ্রহ রইল না, নতুন যুদ্ধের কথা শুনলে ফরাসি সেনাপতিরাও বিরক্ত হয়ে ওঠেন! ফ্রান্সের জনসাধারণও অবিশ্রান্ত যুদ্ধপ্রবাহে পড়ে হাঁপিয়ে উঠেছে। দেশের অধিকাংশ পরিবারই সন্তান বা পিতা বা স্বামী বা আর কারুকে হারিয়েছে—তাদের আর সৈনিক জোগান দেওয়ারও শক্তি নেই। তারাও একবাক্যে বলে উঠল, ‘যুদ্ধ নয়, আর যুদ্ধ নয়!’

    নেপোলিয়ন তখনও সত্তর হাজার সৈন্য জোগাড় করতে পারতেন এবং শত্রুপক্ষ সংখ্যায় অগণ্য হলেও তখনও তাঁকে এমন যমের মতন ভয় করে যে, আটঘাট বেঁধে প্যারির চারিদিক ঘিরে দূরে বসে থাকলেও, কেউ আর তাঁর কাছাকাছি আসতে রাজি নয়!

    ঘরে-বাইরে বাধা পেয়ে নেপোলিয়ন সিংহাসন ত্যাগ করলেন (১৪ এপ্রিল, ১৮১৪ খ্রিস্টাব্দে)।

    মিত্রপক্ষ বললেন, ভূমধ্যসাগরের ক্ষুদ্র দ্বীপ এলবা, অতঃপর নেপোলিয়নকে সেইখানেই বাস করতে হবে। নিজের দ্বীপের ভিতরে তিনি স্বাধীনই থাকবেন, তাঁর সম্রাট উপাধিও বজায় রইল।

    সমগ্র ইউরোপে যাঁর ছায়া ধরত না, তাঁর রাজ্য হবে এলবা দ্বীপ—চওড়ায় ছয় ও লম্বায় উনিশ মাইল!

    নেপোলিয়ন আর সইতে পারলেন না, চেষ্টা করলেন সকল জ্বালা জুড়োতে। তিনি বিষপান করলেন। কিন্তু মৃত্যুও তাঁকে সাহায্য করলে না, বিষের তাড়নায় কেবল কষ্ট পেলেন মাত্র। নিয়তি তাঁকে বাঁচিয়ে রাখলে, অধিকতর দুর্ভাগ্যের জন্যে। (কিন্তু অনেক ঐতিহাসিকই এই আত্মহত্যা চেষ্টার কথা বিশ্বাস করেন না এবং তার যুক্তিসঙ্গত কারণও আছে।)

    নেপোলিয়নের ছেলেকে নিয়ে স্ত্রী চলে গেলেন বাপের বাড়িতে, অস্ট্রিয়ার রাজপ্রাসাদে। নেপোলিয়ন জীবনে আর স্ত্রী-পুত্রের মুখ দেখেননি।

    ফ্রান্স থেকে বিদায় নেওয়ার দিন এল। রাজপ্রাসাদের সোপানশ্রেণির উপরে নেপোলিয়ন, প্রাঙ্গণে অপেক্ষা করছে প্রাচীন রক্ষী ফৌজের রণপ্রবীণ সৈনিকগণ—তাঁর সঙ্গে যারা শত শত যুদ্ধ জয় করেছে।

    নেপোলিয়ন সিঁড়ি বেয়ে নীচে নামতে লাগলেন, সৈনিকরা আকাশ-বাতাস কাঁপিয়ে সমস্বরে বলে উঠল, ‘সম্রাট দীর্ঘজীবী হোন!’

    নেপোলিয়ন সৈন্যদের কাছে এসে দাঁড়ালেন। অভিভূত কণ্ঠে বললেন, ‘আমার প্রাচীন রক্ষী বাহিনীর সৈনিকগণ! আজ বিশ বৎসর ধরে দেখছি, সর্বদাই তোমরা বিচরণ করেছ যশ ও গৌরবের পথে। গত কয়েক সপ্তাহ ধরে তোমরা হয়েছ নির্ভীকতা ও বিশ্বস্ততার আদর্শ—আমার সৌভাগ্যের দিনেও তোমরা যা ছিলে।…ফ্রান্সে ঘরোয়া যুদ্ধের সম্ভাবনা হয়েছিল। সেইজন্যেই দেশের মুখ চেয়ে আমি নিজের সমস্ত স্বার্থকে বলি দিলুম। আমি বিদায় নিচ্ছি।…বন্ধুগণ, তোমরা ফ্রান্সের সেবা করো। তোমাদের সঙ্গে রইল আমার শুভ-ইচ্ছা। আমার অদৃষ্টের জন্যে অশ্রু ফেলো না। তোমাদের যশোগৌরব বাড়াবার জন্যেই আমি বেঁচে রইলুম। আমরা সকলে মিলে যে মহান কীর্তি স্থাপনা করেছি, তারই কাহিনি রচনা করব আমি। সন্তানগণ, বিদায়! তোমাদের সকলকে বুকে জড়িয়ে ধরতে পারলে আমি খুশি হতুম। অন্তত তোমাদের পতাকা দাও—আমি চুম্বন করব।’

    পতাকাবাহী পতাকা নামালে। নেপোলিয়ন তাকে আলিঙ্গন ও পতাকাকে চুম্বন করলেন এবং বললেন, ‘সঙ্গীগণ, বিদায়।’

    তিনি দ্রুতপদে শকটের ভিতরে গিয়ে ঢুকলেন। আবার উচ্চরব উঠল—’সম্রাট দীর্ঘজীবী হোন!’ শকট চলে গেল।

    যুদ্ধকঠিন প্রাচীন সৈনিকরা সেইখানে দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে শিশুর মতন ফুঁপিয়ে ফুঁপিয়ে কাঁদতে লাগল। যেন তারা আজ পিতৃহারা!

    দৃশ্যপট বদলে গেল।…পল্লিপথ দিয়ে নির্বাসিতের শকট ছুটছে। এখান দিয়ে যেতে যেতে নেপোলিয়ন আর এক নতুন অভিজ্ঞতা লাভ করলেন। এখানে সৈনিকদের অশ্রুজল নেই, শিক্ষিত নাগরিকদের মৌখিক সভ্যতার মুখোশও নেই। এখানে পথের দুধারে গ্রাম্য ইতরের জনতা! উলঙ্গ হৃদয়! যাদের ভাই-ছেলে-বাপ-স্বামী যুদ্ধ ক্ষেত্রের রক্তসাগরে অতলে তলিয়ে গেছে, তারা অপেক্ষা করছে আজ নেপোলিয়নকে অভ্যর্থনা করতে! নেপোলিয়নের গাড়ি দেখা যায় আর গগনভেদী চিৎকার ওঠে—’অত্যাচারীকে উচ্ছন্নে দাও!’ ‘হত্যাকারীকে হত্যা করো!’ নর-নারীরা পাগলের মতন গাড়ির উপরে ঝাঁপিয়ে পড়ে, ইট ছোড়ে, গালাগালি দেয় অকথ্য ভাষায়!

    ফ্রান্সের মানসপুত্র নেপোলিয়ন! আজ তাঁকে ছদ্মবেশ ধারণ করতে হল! কী উত্থান! কী পতন!

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80 81 82 83 84 85 86 87 88 89 90 91 92 93 94 95 96 97 98 99 100 101 102 103 104 105 106 107 108 109 110 111 112 113 114 115 116 117 118 119 120 121
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleকিশোর রহস্য উপন্যাস – হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Next Article জয়তু জয়ন্ত – হেমেন্দ্রকুমার রায়

    Related Articles

    হেমেন্দ্রকুমার রায়

    মানুষের গড়া দৈত্য – হেমেন্দ্রকুমার রায়

    January 8, 2026
    হেমেন্দ্রকুমার রায়

    হেমেন্দ্রকুমারের গল্প – হেমেন্দ্রকুমার রায়

    January 8, 2026
    হেমেন্দ্রকুমার রায়

    রহস্য-রোমাঞ্চ সমগ্র – হেমেন্দ্রকুমার রায়

    January 7, 2026
    হেমেন্দ্রকুমার রায়

    রবিন হুড – হেমেন্দ্রকুমার রায়

    January 7, 2026
    হেমেন্দ্রকুমার রায়

    জয়তু জয়ন্ত – হেমেন্দ্রকুমার রায়

    January 7, 2026
    হেমেন্দ্রকুমার রায়

    কিশোর রহস্য উপন্যাস – হেমেন্দ্রকুমার রায়

    January 7, 2026
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অসম্পূর্ণ বই
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    রুদ্রসমগ্র – রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

    January 8, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    রুদ্রসমগ্র – রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

    January 8, 2026
    Our Picks

    রুদ্রসমগ্র – রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

    January 8, 2026

    রান্না খাদ্য পুষ্টি – সিদ্দিকা কবীর

    January 8, 2026

    শহর খুলনার আদি পর্ব – আবুল কালাম সামসুদ্দিন

    January 8, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }