Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    ওগো টুনটুনি কীগো ছোটাচ্চু – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    মুহম্মদ জাফর ইকবাল এক পাতা গল্প127 Mins Read0
    ⤶

    লক্কর ঝক্কর

    সকাল বেলা দাদি দই আর চিড়া দিয়ে নাশতা করে তার চায়ের কাপটাতে চুমুক দিয়ে ভুরু কুঁচকে তার ওষুধের প্যাকেটটার দিকে তাকিয়ে অনেকটা আপন মনে বললেন, “আমি কি ওষুধ খেয়েছি?”

    ঝুমু খালা টেবিলে পানি রাখছিল, সে বলল, “খালা, সেইটা তো আমি খেয়াল করি নাই।”

    “মনে হয় খেয়েছি। তাই না? এই দেখো পানির গ্লাসটা খালি। তার মানে ওষুধ খেয়ে পানি খেয়েছি তাই গ্লাসটা খালি।”

    ঝুমু খালা বলল, “আপনি পানি খাইছেন কি না সেইটা মনে আছে?”

    “না। সেইটাও মনে নাই। কিছুই মনে থাকে না।”

    মুনিয়া কাছে দাঁড়িয়ে দাদির (কিংবা নানির) সাথে ঝুমু খালার কথা শুনছিল, এবারে বলল, “দাদি, তোমার কিছুই মনে থাকে না কেন? আমার যদি একটা ওষুধ খেতে হয় সেটা সারা জীবন মনে থাকে।”

    ঝুমু খালা বলল, “তোমার সারা জীবন মনে থাকে কারণ তোমার পিছন পিছন দৌড়াইয়া তোমারে ধরে চিৎ কইরা ফালাইয়া চাইরজন মিলে তোমার মুখ হা করে জোর কইরা ওষুধ খাওয়াইতে হয়। আর খালা প্রত্যেক দিন সকালে আর রাত্রে ওষুধ খায়, সেই জন্য তার মনে থাকে না—”

    দাদি বললেন, “ওইগুলা কিছু না। আমার বয়স হয়েছে। বয়স হলে মানুষের কিছু মনে থাকে না।”

    মুনিয়া বলল, “কেন দাদি? বয়স হলে কিছু মনে থাকে না কেন?”

    “মনে হয় মগজ দুর্বল হয়ে যায়।”

    “কেন দাদি? মগজ দুর্বল হয় কেন?”

    দাদি মাথা নেড়ে বললেন, “মনে হয় কাজ করতে করতে মগজ দুর্বল হয়ে যায়। দেখিস না পুরানো বাস কীরকম লক্কর ঝক্কর মার্কা থাকে? সেই রকম। মানুষও লক্কর ঝক্কর হয়ে যায়।“

    উত্তরটা মুনিয়ার পছন্দ হলো না, বলল, “না দাদি। তুমি মোটেও লক্কর ঝক্কর না! তুমি কোনোদিন লক্কর ঝক্কর হবে না।”

    দাদি হাসলেন। বললেন, “বলে লাভ নাই—মানুষের বয়স হলে লক্কর ঝক্কর হবেই, তারপর একদিন মানুষের ইঞ্জিন বন্ধ হয়ে যাবে।“

    মুনিয়া আঁতকে উঠল, বলল, “তোমার ইঞ্জিন বন্ধ হয়ে যাবে?”

    “হবে না? একদিন ইঞ্জিন বন্ধ হবে।”

    মুনিয়া মুখ শক্ত করে বলল, “না দাদি তোমার ইঞ্জিন বন্ধ করতে পারবে না। তোমাকে সবসময় তোমার ইঞ্জিন চালাতে হবে।”

    দাদি মুনিয়ার মুখের দিকে তাকিয়ে দেখলেন সে প্রায় কাঁদো কাঁদো হয়ে গেছে। তাই তাড়াতাড়ি বললেন, “ঠিক আছে, ঠিক আছে, আমি আমার ইঞ্জিন চালিয়ে যাব।”

    ঝুমু খালা হাত নেড়ে তার প্যাটেন্ট কারা স্টাইলে ঝংকার দিয়ে বলল, “কিন্তু খালা যদি তার প্রেশারের ওষুধ খাইতে ভুইলা যায় তাহলে ইঞ্জিল চলবে কেমন করে? ইঞ্জিল কি এমনি এমনি চলে? ইঞ্জিলের মাঝে পেট্রল দিতে হয়।”

    মুনিয়া বলল, “ঝুমু খালা, তুমি ইঞ্জিনকে ইঞ্জিল কেন বল? আর দাদিরে তুমি কেমন করে পেট্রল দিবে?”

    ঝুমু খালা হেসে ফেলল, বলল, “ঠিক আছে ঠিক আছে। ইঞ্জিল না ইঞ্জিন। আর তোমার দাদুরে আমি পেট্রল দিব না। হেই তো খালি তোমার দাদু না, হেই আমারও খালা। তোমার দাদুরে আমি দেইখা শুইনা রাখব যেন ইঞ্জিন বন্ধ না হয়। ঠিক আছে?”

    মুনিয়া বলল, “ঠিক আছে। থ্যাংকু ঝুমু খালা।”

    .

    মুনিয়া যদিও ঝুমু খালার উপর দাদির ইঞ্জিন চালু রাখার দায়িত্ব দিয়ে চলে গেল কিন্তু দাদির কথাগুলো তার মাথার মাঝে কুটুর কুটুর করতে লাগল। তাই অন্য বাচ্চাদের কাছে সে তার দুশ্চিন্তার কথাটা জানাল।

    মুনিয়া যেহেতু ছোট তাই তার কথাবার্তাকে সাধারণত কেউ বেশি গুরুত্ব দেয় না, কিন্তু দাদিকে নিয়ে তার দুশ্চিন্তাটাকে সবাই খুব গুরুত্ব দিয়ে নিল।

    শাহানাপু বলল, “বয়স হলে ভুলে যাওয়াটা খুবই স্বাভাবিক। তখন ব্রেনের হিপোকাম্পাস ছোট হতে থাকে। হিপোকাম্পাস মেমোরি তৈরি করে। সাথে নিউরোট্রান্সমিটারও কমে যায়।”

    শাহানাপুর কথা কেউ কিছু বুঝল না কিন্তু বোঝার জন্য কেউ কিছু জিজ্ঞেসও করল না, তাহলে শাহানাপু আরও জটিল কিছু বলে ফেলবে।

    মুনিয়া বলল, “দাদি তার ওষুধ খেয়েছে কি না সেটাও মনে রাখতে পারে না। আমি কোনোদিন ভুলি না—”

    শান্ত বলল, “তুই ভুলিস না কারণ তোকে ওষুধ খাওয়ানোর জন্য সবাই মিলে যুদ্ধ করতে হয়—চারজন মিলে তোকে চেপে ধরে রাখতে হয়। তারপর চামুচে করে মুখে ওষুধ ঢালতে হয়।”

    টুম্পা বলল, “তারপর তুই যখন চিৎকার করিস, ওষুধটা তোর নাক দিয়ে বের হয়ে আসে।”

    টুনি বলল, “এইভাবে ওষুধ খেলে সবার মনে থাকত।”

    মুনিয়ার মুখটা হঠাৎ একশ ওয়াট বালবের মত জ্বলে উঠল, বলল, “আমরা সবাই মিলে দাদিকে এইভাবে ওষুধ খাওয়াই না কেন? তাহলে দাদি কখনও ভুলে যাবে না।”

    সবাই অবাক হয়ে মুনিয়ার দিকে তাকিয়ে রইল। প্রমি বলল, “তোকে যেভাবে খাওয়ানো হয় সেইভাবে?”

    মুনিয়া মাথা নাড়ল, বলল, “হ্যাঁ।”

    “প্রথমে সবাই মিলে দাদিকে ধাওয়া করব, তারপর দাদিকে চোপ ধরে মুখ হা করে ওষুধ ঢেলে দিব? তারপর দাদি চিৎকার করবে আর তখন নাক দিয়ে ট্যাবলেটটা বের হয়ে আসবে?”

    এবারে মুনিয়াকে একটু বিভ্রান্ত দেখা গেল, পুরো দৃশ্যটা কল্পনা করে নিজেই বুঝতে পারল তার জন্য যে পদ্ধতিটা কাজ করেছে, দাদির বেলায় সেটা কাজ নাও করতে পারে।

    কিন্তু শান্ত হঠাৎ করে বলল, “মুনিয়া আসলে ভুল বলে নাই।”

    সবাই অবাক হয়ে শান্তর দিকে তাকাল, জিজ্ঞেস করল, “ভুল বলে নাই?”

    শান্ত মুনিয়ার পক্ষ নিয়ে বলল, “মুনিয়া বোঝানোর চেষ্টা করেছে যে, দাদির ওষুধ খাওয়ার ব্যাপারটার মাঝে যদি একটা নাটকীয় ঘটনা থাকে তাহলে দাদি সেটা ভুলবে না।”

    “যে রকম?”

    “মনে কর দাদি ঠিক যখন ট্যাবলেটটা মুখে দিচ্ছে তখন আমরা সবাই চিৎকার করে উঠলাম! দাদি চমকে উঠে জিজ্ঞেস করল, কী হয়েছে? আমরা বললাম, কিছু হয় নাই—তুমি ওষুধ খাচ্ছ! তাহলে দাদি ওষুধ খাওয়ার ঘটনাটা ভুলবে না!”

    সবাই একজন আরেকজনের মুখের দিকে তাকাল, প্রমি বলল, “আমরা প্রত্যেকদিন দাদির ওষুধ খাওয়ার সময় চিৎকার করব?”

    “প্রত্যেক বার চিৎকার না, একেকবার একেকটা। কোনোবার চিৎকার, কোনোবার গান, কোনোবার নাচ, কোনোবার একটা ঘণ্টা বাজানো এইরকম।”

    সবাই এত অবাক হয়ে শান্তর দিকে তাকিয়ে রইল যে, শান্ত শেষ পর্যন্ত বলল, “ঠিক আছে, সবাইকে করতে হবে না। যার ইচ্ছে করবে সে করবে।”

    টুম্পা বলল, “আমি করব।”

    মুনিয়া বলল, “আমি করব।”

    শান্ত খুশি হয়ে বলল, “এই তো দুইজন দিয়ে শুরু করলেই হবে। আস্তে আস্তে অন্য সবাই যোগ দিবে। আমিও যোগ দিব।”

    মুনিয়া শাহানাপুকে জিজ্ঞেস করল, “শাহানাপু, দাদি বলছে বয়স হয়েছে বলে দাদির শরীর নাকি লক্কর ঝক্কর হয়ে গেছে। দাদির লক্কর ঝক্কর শরীর কেমন করে ঠিক করা যায়?”

    শাহানাপু মাথা চুলকালো, বলল, “বয়সের তুলনায় দাদির শরীর যথেষ্ট ভালো। এখনও দাদি ঘুরাঘুরি করে সবার খোঁজখবর নেয়। মোটেও বুড়ো মানুষের মত ঘরে বসে থাকে না।”

    শান্ত বলল, “চুং চাং নামে একরকম চাইনিজ চা আছে যেটা খেলে আয়ু বাড়ে। এইজন্য চাইনিজরা দুইশ আড়াইশ বছর বাঁচে।”

    শাহানাপু ধমক দিয়ে বলল, “চাইনিজরা মোটেও দুইশ আড়াইশ বছর বাঁচে না। আমি চুং চাং নামে কোনো চায়ের নাম শুনি নাই।

    শান্ত বলল, “ঠিক আছে চুং চাং না হলে টুং টাং হবে। কিংবা ভুং চাং—কিছু একটা হবে।”

    টুনি বলল, “শান্ত ভাইয়া, তুমি কোথায় কী পড় তার কোনো ঠিক ঠিকানা নাই।”

    প্রমি বলল, “আমি পড়েছি আয়ু বাড়াতে হলে ভালো করে ঘুমাতে হয় আর বেশি করে হাসতে হয়।”

    শাহানাপু বলল, “এইটা ঠিক আছে। একজন মানুষ যদি হাসিখুশি থাকে, শান্তিমত ঘুমায় তাহলে তার আয়ু বেশি হতেই পারে।”

    মুনিয়া বলল, “তাহলে আমরা দাদিকে হাসিখুশিও রাখতে পারি।”

    শাহানাপু বলল, “সেটা কীভাবে করবি!”

    মুনিয়া মাথা চুলকালো। তখন শান্ত বলল, “আমার কাছে এক হাজার একটা জোকসের বই আছে, সেখান থেকে প্রত্যেকদিন দাদিকে জোকস পড়ে শুনাতে পারি।”

    মুনিয়া হাতে কিল দিয়ে বলল, “এইটাই সবচেয়ে ভালো।” তারপর শান্তর দিকে তাকিয়ে বলল, “জোকসগুলি হাসির তো?”

    টুনি মাথা নেড়ে বলল, “শান্ত ভাইয়ার থেকে কোনো জোকসের বই নিবি না মুনিয়া, দেখবি সব আজেবাজে জোকস। আউলফাউল জোকস।”

    শান্ত মুখ শক্ত করে বলল, “তুই জানিস না জোকস যত আউলফাউল হয় তত হাসির হয়?”

    “তাই বলে মুনিয়া দাদিকে আউলফাউল জোকস শুনাবে? কক্ষনো না।” টুনি মুনিয়ার দিকে তাকিয়ে বলল, “আমি তোকে জোকস বলে দিব, মুনিয়া তুই দুশ্চিন্তা করিস না।”

    মুনিয়া কৃতজ্ঞ হয় বলল, “থ্যাংকু টুনি আপু।”

    পরদিন সকালে দেখা গেল দাদি তার ওষুধের প্যাকেটটি সামনে রেখে গালে হাত দিয়ে বসে আছেন। ঝুমু খালা এক সময় জিজ্ঞেস করল, “আপনি ওষুধ খাইছেন?”

    “না, এখনও খাই নাই। মুনিয়ার জন্য অপেক্ষা করছি।”

    ঝুমু খালা অবাক হয়ে বলল, “মুনিয়ার জন্য অপেক্ষা করতেছেন? কেন?”

    “কাল রাত্রে আমাকে বলে রেখেছে সকালে সে না আসা পর্যন্ত আমি যেন ওষুধ না খাই।”

    ঝুমু খালা আরও অবাক হল, বলল, “কেন?”

    “জানি না।”

    ঝুমু খালা মাথা নেড়ে বলল, “এই বাসার পোলাপানের সমস্যাটা কী? আপনি একজন বুড়া মানুষ, কেনি আঙুলের সমান একটা বাচ্চা হুকুম না দিলে ওষুধটাও খাইতে পারবেন না? খালা, আপনি মনে হয় পোলাপানগো বেশি লাই দিতাছেন।”

    দাদি হাসলেন, বললেন, “এই পোলাপান ছাড়া আমার আছে কে? দেখি মুনিয়ার ঘটনাটি কী?”

    কিছুক্ষণ পর মুনিয়াকে দেখা গেল। ঘুম ঘুম চোখ দেখে বোঝা যাচ্ছে মাত্র ঘুম থেকে উঠেছে। তার দুই হাতে দুটো বড় বড় ডেকচির ঢাকনা। সে এসে দাদির (কিংবা নানি) কাছে দাঁড়িয়ে জিজ্ঞেস করল, “দাদি, তুমি কি ওষুধ খেয়ে ফেলেছ?”

    দাদি বললেন, “না। এখনও খাই নাই।”

    “এখনই খেয়ো না, আমি যখন বলব তখন খেয়ো।”

    “ঠিক আছে।”

    মুনিয়া তখন তার হাতের ঢাকনা দুটো একটার সাথে আরেকটার ঠোকা দিয়ে বিকট ঝনঝন আওয়াজ করতে থাকে এবং এই শব্দ শুনে বাসার আরো কিছু মানুষ এসে উঁকি দেয়। মুনিয়া এক সময় শব্দ বন্ধ করে চিৎকার করে বলল, “এখন দাদি ওষুধ খাবে!”

    দাদি তার চোখ কপালে তুলে বললেন, “খাব? ওষুধ খাব?”

    “হ্যাঁ দাদি খাও।”

    দাদি ওষুধ খেলেন। তখন মুনিয়া আবার চিৎকার করে বলল, “দাদি এইমাত্র তার ওষুধ খেয়েছেন।”

    তারপর আবার সে ঢাকনা দুটো একটার সাথে আরেকটা ঠুকে বিকট ঝনঝন শব্দ করতে থাকে। সবাই অবাক হয়ে মুনিয়ার কর্মকাণ্ড দেখতে থাকে। মুনিয়া এক সময় তার বিকট ঝনঝনানি বন্ধ করল। তারপর আবার ঘুম ঘুম চোখে যেভাবে এসেছিল সেভাবে ফিরে যেতে লাগল। মনে হয় তার অসমাপ্ত ঘুম সমাপ্ত করার জন্য।

    দাদি এত অবাক হয়েছেন যে, কিছুক্ষণ লাগল বুঝতে কী ঘটেছে। যখন বুঝতে পারলেন তখন মুনিয়াকে ডাকলেন, “এই মুনিয়া শুনে যা।”

    মুনিয়া দাঁড়াল বলল,”কী হয়েছে?”

    “তুই এটা কী করলি? কেন করলি?”

    “মনে নাই, তুমি বলেছিলে যে ওষুধ খেয়েছ কি না তোমার মনে থাকে না? এখন থেকে তুমি আর ভুলবে না।”

    দাদি বললেন, “প্রত্যেক দিন তুই এসে বাজনা বাজাবি?”

    “না। একেকদিন একেকজন আসবে।”

    দাদি বললেন, “কিন্তু কিন্তু—” কথা শেষ না করে কিছুক্ষণ হা করে তাকিয়ে থাকলেন, তারপর বললেন, “কিন্তু কেন?”

    “মনে নাই তুমি বলেছিলে তোমার শরীর লক্কর ঝক্কর হয়ে যাচ্ছে? ঠিকমত ওষুধ খেলে লক্কর ঝক্কর হবে না।’

    মুনিয়ার কথা শুনে দাদির চোখে পানি এসে গেল। নরম গলায় বলল, “মুনিয়া আমার কাছে আয়।”

    মুনিয়া কাছে এলে দাদি তাকে ধরে তার কানে ফিসফিস করে বললেন, “শোন তোকে গোপন কথা বলি। তোদের মত নাতি নাতনি যাদের আছে, ওষুধ না খেলেও তাদের শরীর কোনোদিন লক্কর ঝক্কর হয় না।”

    মুনিয়া চোখ বড় বড় করে বলল, “সত্যি? সবাই যে বলে আমরা তোমাকে শান্তিমত থাকতে দিই না!”

    “ওরা কী জানে? ওরা কিছু জানে না!”

    মুনিয়া তখন দাঁত বের করে হেসে তার ঢাকনা দুইটা নিয়ে ঘুমুতে চলে গেল।

    .

    ঘণ্টাখানেক পরে টুম্পা হাতে একটা মোটা বই নিয়ে দাদির কাছে হাজির হল। দাদি বললেন, “কী খবর টুম্পা? সকাল বেলা এখানে কী করিস? স্কুল যাবি না?”

    “যাব নানু। যাওয়ার আগে একটা কাজ করে যাই তোমার সাথে।”

    “কী কাজ?”

    “তোমার দুই মিনিট সময় আছে?”

    “আছে।”

    “তাহলে শোনো।”

    “কী শুনব।”

    “একটা জোকস।”

    দাদি চোখ বড় বড় করে বললেন, “জোকস? এই সকালে জোকস শুনব?”

    “হ্যা নানু। এই দেখ এইটা জোকসের বই। টুনি আপা দিয়েছে।”

    টুম্পা তখন জোকসটা পড়তে শুরু করল :

    একজন মহিলা একদিন একজন সাইকিয়াট্রিস্টের কাছে গিয়েছে। সাইকিয়াট্রিস্ট তাকে জিজ্ঞেস করলেন, “আপনার সমস্যা কী?”

    মহিলা বললেন, “আসলে সমস্যা আমার নয়। সমস্যা আমার স্বামীর।”

    সাইকিয়াট্রিস্ট জিজ্ঞেস করলেন, “আপনার স্বামীর কী সমস্যা?”

    মহিলা বললেন, “আমার স্বামী মনে করে সে একটি ফ্রীজ।”

    সাইকিয়াট্রিস্ট খানিকক্ষণ চিন্তা করে বললেন, “আপনার স্বামী যদি নিজেকে ফ্রীজ মনে করে তাহলে আপনার কী সমস্যা?”

    মহিলা বললেন, “আমার স্বামী রাত্রে মুখ হা করে ঘুমায়। তখন তার মুখের ভিতর আলো জ্বলে, সেই আলোতে আমি ঘুমাতে পারি না।”

    টুম্পা পড়া শেষ করে দাদির মুখের দিকে তাকালো এবং দাদি হি হি করে হাসলেন। হাসতে হাসতে বললেন, “তোর এই বইয়ে এইরকম হাসির জোকস আছে?”

    “হ্যাঁ।”

    “আমাকে দিস, যখন কাজকর্ম থাকবে না, তখন পড়ব।”

    তোমার পড়তে হবে না নানু, আমরা প্রত্যেকদিন পড়ে শোনাব। “ দাদি ভুরু কুঁচকালেন, “তোরা প্রত্যেক দিন পড়ে শোনাবি?”

    “হ্যাঁ, নানু।”

    “কেন?”

    “একজন মানুষ যদি হাসে তাহলে তার আয়ু বাড়ে। সেইজন্য আমরা ঠিক করেছি এখন থেকে আমরা তোমাকে জোকস পড়ে শোনাব।”

    দাদি কিছুক্ষণ টুম্পার দিকে তাকিয়ে রইলেন, তারপর নরম গলায় বললেন, “টুম্পা, কাছে আয়।”

    টুম্পা কাছে গেল, দাদি তখন টুম্পাকে বুকে জড়িয়ে ধরে বললেন, “তোদের হয়েছেটা কী? হঠাৎ করে তোরা আমার জন্য এত ব্যস্ত হয়ে গেলি।”

    টুম্পা বলল, “তুমি নাকি বলেছ তোমার ইঞ্জিন বন্ধ হয়ে যাবে।”

    দাদি হাসলেন, “এইটা একটা কথার কথা। এইটা শুনে তোরা সব এত ঘাবড়ে গেলি? তোদের ভয় পাওয়ার কিছু নাই। আমার ইঞ্জিন বন্ধ করার কোনো ইচ্ছা নাই। ঠিক আছে?”

    .

    রাত্রি বেলা দাদি তার সোফায় বসে টিভি দেখছেন, ঝুমু খালা তার পায়ের কাছে বসে গভীর মনোযোগ দিয়ে একজন বউ আর তার শাশুড়ির ঝগড়া শুনছে এবং বউটির অপদার্থ স্বামীকে কঠিন ভাষায় বকাবকি করছে। বাচ্চারা তাদের অভ্যাসমত হুটোপুটি করছে, তখন দাদি হঠাৎ টিভি থেকে চোখ ফিরিয়ে বাচ্চাদের ডাকলেন, বললেন, “সবাই আয় আমার কাছে।”

    বাচ্চারা ধরেই নিল তাদের চেঁচামেচি বেশি হয়ে গেছে তাই তাদেরকে বকুনি দেওয়ার জন্য ডাকছেন। তারা আগেই কান ধরে বলল, “দাদি—আর গোলমাল করব না—খোদার কসম।”

    দাদি বললেন, “খোদাকে টানাটানি করতে হবে না। তোরা কাছে আয়।”

    বাচ্চারা কান ধরা অবস্থাতেই এগিয়ে এল। দাদি বললেন, সকালে মুনিয়া অ্যালার্ম বাজিয়ে ঘুম থেকে উঠে আমার কাছে এসেছে যেন আমি ওষুধ খেয়ে সেটা ভুলে না যাই। টুম্পা স্কুল যাওয়ার আগে আমার কাছে এসেছে, জোক পড়িয়ে শুনিয়েছে আমাকে হাসানোর জন্য। কেন এই দুইজন এগুলো করেছে তোরা জানিস।”

    বাচ্চারা চেঁচালো, “জানি জানি।”

    একজন বলল, “এটা চলবে, চলবে।”

    আরেকজন বলল, “আস্তে আস্তে আরও ডালপালা ছড়াবে—”

    দাদি (কিংবা নানি) হাত তুলে সবাইকে থামিয়ে বললেন, “কেন তোদের হঠাৎ করে আমাকে নিয়ে এত টেনশন হয়েছে আমি জানি না। আমি তোদের টেনশন দূর করার জন্য বলতে চাই আমি যেন ওষুধ খেয়েছি কি না সেটা ভুলে না যাই সেইজন্য টুনি খুবই সোজা একটা কাজ করে দিয়েছে।”

    সবাই অবাক হয়ে টুনির দিকে তাকাল, জিজ্ঞেস করল, “কী করে দিয়েছ?”

    টুনি বলল, “পার্মানেন্ট কলম দিয়ে ওষুধের উপর তারিখ লিখে দিয়েছি—এখন তাকালেই বুঝবে ওষুধটা আছে না খাওয়া হয়েছে—”

    বাচ্চারা মাথায় থাবা দিল, বলল, “হায় খোদা এত সোজা!”

    দাদি (কিংবা নানি) বললেন, “কাজেই তোদের কারো অ্যালার্ম দিয়ে সকালে ঘুম থেকে উঠে আমার কাছে এসে লাফঝাঁপ চিৎকার করে ঘণ্টা বাজাতে হবে না। তোরা আরাম করে ঘুমা।”

    বাচ্চারা আনন্দের শব্দ করল। দাদি হাত তুলে সবাইকে থামিয়ে বলল, “আর তোদেরকে আমাকে হাসানোর জন্য কষ্ট করে জোকসের বইটা থেকে জোকস পড়ে আমাকে হাসাতে হবে না। তার কারণ, তোরা সবাই এমনই ক্লাউন যে, আমি যখন একা একা থাকি তখন তোদের কাজকর্মের কথা মনে করে আমি নিজে নিজে হাসি!”

    বাচ্চারা আবার আনন্দের শব্দ করল।

    দাদি বললেন, “মানুষ হাসলেই যদি আয়ু বাড়ে তাহলে আমার মত লম্বা আয়ু এই দুনিয়াতে কারো কোনোদিন হবে না।”

    বাচ্চারা এবারে যত জোরে চিৎকার করল, বহুদিন তারা এত জোরে চিৎকার করে নাই। ঝুমু খালা পর্যন্ত সেই চিৎকারে যোগ দিল!

    দাদি তাদের দিকে তাকিয়ে মুখে আঁচল দিয়ে হাসতে থাকেন, হাসি আর থামাতে পারেন না!

    নিশ্চয়ই সেজন্য তার আয়ু তখনই খানিকটা বেড়ে গেল!

    -সমাপ্ত-

    ⤶
    1 2 3 4 5 6
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleসাইক্লোন – মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    Next Article বাহ্ টুনটুনি বাহ্ বাহ্ ছোটাচ্চু – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    Related Articles

    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    ছোটগল্প – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    সাদাসিধে কথা – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    মেকু কাহিনী – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    আমার বন্ধু রাশেদ – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    সায়েন্স ফিকশান সমগ্র ১ – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    টুনটুনি ও ছোটাচ্চু – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }