Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    ওডিসি – হোমার

    পার্থ সারথী দাস এক পাতা গল্প358 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ১৭. ওডিসিয়াসের নগরযাত্রা

    সপ্তদশ পর্ব
    ওডিসিয়াসের নগরযাত্রা

    সকাল হতেই টেলিমেকাস কুটির ত্যাগ করে নগর মধ্যে যাবার জন্য পোশাক। পরিধান করে প্রস্তুত হয়ে ইউমেয়াসকে বলল, আমার মা আমাকে সশরীরে না দেখলে অশ্রু বিসর্জন বন্ধ করবেন না। তাই আমি প্রাসাদে যাচ্ছি। তুমি এই অতিথিকে পথটি দেখিয়ে দেবে। উনি উদার ব্যক্তিদের কাছ থেকে কিছু সাহায্য চাইবেন। এখন আমি ওর জন্য কিছু করতে পারব না। তাতে উনি যদি কিছু মনে করেন তাহলেও কোন উপায় নেই।

    ওডিসিয়াস তখন বললেন, আপনি কিছু মনে করবেন না। আমি তাতে কোন অস্বস্তি বা অসাচ্ছন্দ্য বোধ করব না। ভিক্ষুকদের পক্ষে শহরই সবচেয়ে বাঞ্ছনীয় স্থান। সুতরাং আপনি নিশ্চিন্তে যেতে পারেন। আমি একটু বেলা হলে তুষারপাত বন্ধ হলে যাব। আমার শীতের পোশাক নেই। আর শহরের পথটাও বেশ দীর্ঘ।

    ওদিকে পাণিপ্রার্থীদের উপর প্রতিশোধবাসনা দ্রুত চরিতার্থ করার জন্য টেলিমেকাস প্রাসাদে গিয়ে দেখল ইউরিক্লীয়া বাইরের ঘরের চেয়ারগুলো আসন দিয়ে ঢেকে রাখছে। টেলিমেকাসকে দেখার সঙ্গে সঙ্গে ইউরিক্লীয়া ছুটে গিয়ে প্রাসাদের ভিতরে খবর দিতে প্রাসাদের সমস্ত দাসীরা ছুটে এল। তারপর রাণী পেনিলোপ এসে অপূর্ণ চোখে তার পুত্রের গলা জড়িয়ে ধরে তার গালে চুম্বন করলেন। আর্তেমিস বা অ্যাফ্রোদিতের মত স্বর্ণপ্রতিমাসম রূপ নিয়ে পেনিলোপ বললেন, হে আমার প্রিয় পুত্র, আমার ইচ্ছার বিরুদ্ধে আমাকে কিছু না বলে তুমি তোমার পিতার অনুসন্ধান করতে গেলে আমি ভেবেছিলাম তোমাকে আর কোনদিন দেখতে পাব না।

    টেলিমেকাস বলল, হে মাতঃ, যখন এতবড় একটা বিপদ থেকে উদ্ধার পেয়েছি তখন আর আমাকে আবেগের দ্বারা বিচলিত করে তুলো না। আমি এখন বরং তোমার ঘরে স্নান করে শুদ্ধ বস্ত্র পরিধান করে দেবতাদের নিকট প্রার্থনা কর। আমি পীয়েরীয়াসের কাছে আমার এক অতিথিকে রেখে এসেছি। তাকে আনার জন্য আমি যাচ্ছি।

    অন্তরের মধ্যে তীব্র হিংসার বিষ পোষণ করে রেখে টেলিমেকাসকে দেখার সঙ্গে সঙ্গে তার প্রতি সদ্ব্যবহার করতে লাগল পাণিপ্রার্থীরা। মুখে তার কুশল জিজ্ঞাসা করল তারা। দেবী এথেনের কৃপায় টেলিমেকাসের চেহারাটি এমনই মনোহর হয়ে উঠেছিল যে তার দিকে দৃষ্টি নিক্ষেপ না করে কেউ পারছিল না। প্রাসাদ থেকে বেরিয়ে টেলিমেকাস যখন বাজারের দিকে হেঁটে যাচ্ছিল তখন মেন্টর, অ্যান্টিফাস, অ্যান্টিয়াস, হ্যাঁলিসার্থেস প্রমুখ টেলিমেকাসের বন্ধুভাবাপন্ন লোকেরা তাকে নানারকম প্রশ্ন করতে করতে এগিয়ে যাচ্ছিল তার সঙ্গে। এমন সময় পীয়েরীয়াস টেলিমেকাসের অতিথি থিওক্লাইমেনাসকে সঙ্গে করে সামনে এসে দেখা করল টেলিমেকাসের সঙ্গে। তারাও প্রাসাদের দিকেই আসছিল। পীয়েরীয়াস টেলিমেকাসকে বলল, আমার কাছে মেনেলাসের দেওয়া আপনার যেসব মূল্যবান বস্তু আছে তা আপনি নিয়ে যাবার ব্যবস্থা করুন।

    টেলিমেকাস বলল, বুঝতে পারছি না ঘটনার গতি কোনদিকে যাবে, পাণিপ্রার্থীরা যদি আমাকে প্রাসাদ মধ্যে হত্যা করে তাহলে ওসব বস্তু তোমার কাছেই থাকবে। তুমিই ভোগ করবে। আর যদি তাদের কোনরকমে মৃত্যুপুরীতে পাঠাতে অথবা বিতাড়িত করতে পারি প্রাসাদ থেকে তাহলে ওসব আমি নিয়ে যাব তোমার কাছ থেকে।

    এই কথা বলার পর অতিথি থিওক্লাইমেনাসকে সঙ্গে করে প্রাসাদে নিয়ে গেল টেলিমেকাস। প্রাসাদের দাসীরা অতিথিকে স্নান করিয়ে পোশাক পরিয়ে পান ও আহাৰ্যবস্তুর দ্বারা তৃপ্ত করলে পর পেনিলোপ টেলিমেকাসকে বললেন, তোমার পিতার কি সংবাদ পেলে বললে না তো আমায়।

    টেলিমেকাস বলল, আমি অবশ্যই তা তোমায় বলব মা। আমি প্রথমে পাইলসে রাজা নেস্টরের সঙ্গে সাক্ষাৎ করি। তিনি আমাকে পুত্রস্নেহে সমাদর করেন এবং আমার মুখ থেকে সবকথা শুনে মেনেলাসের কাছে রথে করে পাঠিয়ে দেন। মেনেলাসের কাছে গিয়ে আমি অনিন্দ্যসুন্দরী রাণী হেলেনকে দর্শন করি, যার জন্য ট্রয় ও গ্রীকজাতির লোকেরা এক সর্বধ্বংসী যুদ্ধে মত্ত হয়ে ওঠে। সেখানে মেনেলাস বললেন তিনি সমুদ্রের এক সুপ্রাচীন দেবতার কাছ থেকে শুনেছেন আমার পিতা ওডিসিয়াস নাকি কোন এক দ্বীপে জলদেবী ক্যালিপসোর হাতে বন্দী আছেন, কোন নাবিক ও জাহাজ না পেয়ে আসতে পারছেন না।

    একথা শুনে বিশেষভাবে বিচলিত হয়ে পড়লেন রাণী পেনিলোপ। থিওক্লাইমেনাস তখন বললেন, শুনুন রাণীমা, আমি জিয়াস ও অন্যান্য দেবতাদের নামে শপথ করে বলছি, রাজা ওডিসিয়াস এই মুহূর্তে এই নগরমধ্যেই কোথাও না কোথাও অবস্থান করছেন এবং তিনি এইসব পাণিপ্রাথীদের উপর প্রতিশোধ গ্রহণ করার পরিকল্পনা করছেন। জাহাজে আমরা যে সুলক্ষণ দেখতে পাই তা টেলিমেকাসকে আগেই বলেছি।

    পেনিলোপ বললেন, আপনার কথা যদি সত্য হয় তাহলে দেখবেন আপনাকে এমন সব উপহারদানে ভূষিত করব যা দেখে ঈর্ষান্বিত হবে লোকে আপনার ভাগ্যে।

    অন্যদিনকার মত পাণিপ্রার্থীরা যথন প্রাসাদপ্রাঙ্গণে বর্শাক্ষেপণ প্রভৃতি অস্ত্রক্রীড়ায় মত্ত ছিল। সীডন গিয়ে তাদের ডাকতেই তারা সবাই প্রাসাদমধ্যে চলে এসে শূকর কেটে ভোজসভায় আয়োজন করতে লাগল।

    ওডিসিয়াস তখন ইউমেয়াসের কুটির মধ্যে নগরে যাবার জন্য প্রস্তুত হচ্ছিলেন। ইউমেয়াস প্রথমে বলল, আমার ইচ্ছা ছিল আমি তোমাকে এখানে রেখে কৃষিকার্য দেখাশোনা করি। কিন্তু তাহলে আমার মনিব আমাকে তিরস্কার করবেন। তাই চল। তোমাকে শহরের পথ দেখিয়ে দিয়ে আসি। এখন দিন শেষ হয়ে আসছে এবং শীঘ্রই ঠাণ্ডা পড়বে।

    ওডিসিয়াস বললেন, আমাকে একটি লাঠি দাও। তোমরা বলছিলে পথটা নাকি খারাপ। আমাকে কিন্তু প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত গোটা পথটা দেখিয়ে নিয়ে যেতে হবে।

    কুকুর আর তার লোকজনদের হাতে তার খামারবাড়ির ভার দিয়ে ওডিসিয়াসকে পথ দেখিয়ে নিয়ে যেতে লাগল ইউমেয়াস। ছিন্ন মলিন পোশাকপরিহিত ওডিসিয়াসকে এক বৃদ্ধ ভিক্ষুক বলে মনে হচ্ছিল।

    পার্বত্য পথটা পার হয়ে ওরা ঝোঁপজঙ্গলে ঘেরা একটা ঝর্ণা দেখতে পেল। সেইখানে মেলানথিয়াস নামে একটা লোকের সঙ্গে দেখা হলো। মেলানথিয়াস পাণিপ্রার্থীদের জন্য গোটাকতক ছাগল নিয়ে যাচ্ছিল দুজন রাখালের সাহায্যে। ছদ্মবেশী ওডিসিয়াসকে দেখে মেলানথিয়ান বিদ্রূপ ও গালাগালি করতে লাগল। সে ইউমেয়াসকে লক্ষ্য করে বলল, এই নোংরা ভিখারিটাকে তুমি রাজপ্রাসাদের ভোজসভায় নিয়ে যাচ্ছ? সব আনন্দ মাটি করে দেবে লোকটা। লোকটা বড় কুঁড়ে, ভিক্ষে করে ওর মোটা পেটটা ভরাবে, তবু কাজ করবে না। আমার হাতে ছেড়ে দাও ওকে। আমি ওকে নিয়ে খামারের কাজ করাব। রাজপ্রাসাদে গেলে ওর মাথায় জুতোবৃষ্টি হবে আর ওর পাজরা ভেঙ্গে যাবে।

    এই বলে ওডিসিয়াসর পাছায় একটি লাথি মেরে চলে গেল মেলানথিয়াস। ওডিসিয়াসের ইচ্ছা হচ্ছিল উনি তাকে লাঠি দিয়ে তার মাথাটা গুঁড়িয়ে দেন। কিন্তু অতি কষ্টে নিজেকে সংযত করলেন। ইউমেয়াস জিয়াসকন্যা জলদেবীদের উদ্দেশ্যে প্রার্থনা করে বলল, ওডিসিয়াস যদি আপনাদের কখনো কিছু উৎসর্গ করে থাকেন তাহলে যেন এর শাস্তি মেলোনথিয়াস আমাদের হাতে একদিন পায়।

    মেলানথিয়াস যেতে যেতে বলল, ওডিসিয়াস আর আসবে না। টেলিমেকাসকে হয় অ্যাপোলোর তীরে অথবা পাণিপ্রার্থীদের হাতে মরতেই হবে। আমি তখন এই লোকটাকে জাহাজে করে নিয়ে গিয়ে বিক্রি করে দেব।

    এই বলে পা চালিয়ে প্রাসাদে চলে গেল মেলানথিয়াস। সেখানে পাণিপ্রার্থীদের সঙ্গে মিলিত হলো।

    এদিকে শূকরপালক ইউমেয়াসের সঙ্গে প্রাসাদদ্বারে উপনীত হয়ে কিছুক্ষণের জন্য থামলেন ওডিসিয়াস। তিনি বললেন, ইউমেয়াস, এটা নিশ্চয়ই ওডিসিয়াসের প্রাসাদ। কত সুন্দর সুন্দর অট্টালিকা, গবাক্ষপথসমন্বিত সুরক্ষিত দুর্গপ্রাকার। ভিতরে নিশ্চয় ভোজসভা চলছে। কে যেন মধুর স্বরে গান গাইছে।

    ইউমেয়াস বলল, তুমি ঠিকই বলেছ। এখন কি করবে বল। তুমি কি নিজেই ভিতরে যাবে ওদের কাছে না তুমি এখানে দাঁড়িয়ে থাকবে আর আমি গিয়ে খবর দেব? কি করবে ঠিক করো।

    ওডিসিয়াস বললেন, বুঝতে পেরেছি। প্রথমে তুমি ভিতরে যাও। জলপথে ও স্থলপথে দীর্ঘদিন পরিভ্রমণ করে দেহ আমার খুব শক্ত হয়ে উঠেছে, ফলে আমি ওদের সম্ভাব্য যেকোন অপমান ও অত্যাচার সহ্য করতে পারব। আসল কথা মানুষের সব দুঃখ ও অন্যায়ের কারণ এই অভিশপ্ত পেট। এই পেটের সমস্যার জন্য সবকিছু অপমান ও বিপদের ঝুঁকি নিতে হয় মানুষকে, এমন কি দূর অজানা সমুদ্রে জাহাজ ভাসিয়ে দিতে হয়।

    প্রবেশদ্বারের কাছে প্রাঙ্গণের একপাশে অনেক গোময়ের স্তূপ জমা ছিল। জমিতে সার হিসেবে সেগুলো তখনো ফেলে দেওয়া হয় নি, সেই গোবরের স্কুপের উপর একটি বৃদ্ধ শিকারী কুকুর শুয়ে ছিল। সে ওডিসিয়াসকে দেখে চিনতে পেরে লেজ নাড়তে লাগল। কুকুরটির নাম আর্গস। ওডিসিয়াস নিজের হাতে একদিন তাকে শিকারের কাজ শেখান। কিন্তু তিনি চলে যাওয়ার পর কেউ তার দিকে নজর দেয় নি। ওডিসিয়াস ইউমেয়াসকে বললেন, দেখ এই সুন্দর কুকুরটার কী অবস্থা হয়েছে।

    ইউমেয়াস বলল, যার মনিব বিদেশে প্রাণ ত্যাগ করে সে কুকুরের এমনি দুর্দশাই হয়। দাসদাসীরা তাদের মনিবের অবর্তমানে ঠিকমত কাজ করে না। আমার মনে হয় দেবরাজ জিয়াস কোন মানুষ অন্য কোন মানুষের দাসরূপে নিযুক্ত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই তিনি তার থেকে ভাল গুণগুলোর অর্ধেক কেড়ে নেন।

    এই বলে প্রাসাদের মধ্যে পাণিপ্রার্থীদের কাছে চলে গেল ইউমেয়াস। এদিকে উনিশ বছর পর তার প্রভুকে একবার চোখের দেখা দেখেই অপূর্ণ চোখে শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করলে প্রভুভক্ত আর্গস।

    সেই প্রশস্ত হলঘরে ইউমেয়াস ঢুকতেই একপাশে বসে থাকা টেলিমেকাস তাকে ডাকল। তার পিছু পিছু লাঠিহাতে খোঁড়াতে খোঁড়াতে ওডিসিয়াসও ঘরে ঢুকে একটা কাঠের তক্তায় বসলেন। ছিন্নভিন্ন পোশাকগুলো গায়ে ঝুলছিল তার। টেলিমেকাস তখন রুটির ঝুড়ি থেকে একটি গোটা রুটি আর কিছু মাংস নিয়ে ইউমেয়াসের হাতে দিয়ে বলল, এই নাও, আগন্তুককে এটা দাও। তারপর ওকে সকলের কাছে ভিক্ষে করতে বল। ভিক্ষুকের কখনো লজ্জা করলে চলবে না।

    ইউমেয়াস ওডিসিয়াসকে রুটি ও মাংস দিয়ে টেলিমেকাসের কথাটি জানাতে ওডিসিয়াস তা খেতে লাগলেন। যতক্ষণ চারণকবির গানটি গীত হচ্ছিল ততক্ষণ ধরে একমনে তা খেলেন ওডিসিয়াস। তারপর তিনি প্রত্যেকের কাছে হাত পেতে ভিক্ষা চাইতে লাগলেন। দেবী এথেন তাঁকে এই নির্দেশই দান করেছিলেন। এতে তিনি কে কেমন তা জানার সুযোগ পাবেন। ওডিসিয়াসের ভিক্ষুকবেশী অদ্ভুত চেহারার পানে তাকিয়ে সকলেই বলাবলি করতে লাগল, কে এই ভিক্ষুক। মেলানথিয়াস যখন বলল, আমি প্রাসাদে আসার সময় দেখেছি ইউমেয়াস এই লোকটিকে পথ দেখিয়ে আনছিল।

    অ্যান্টিনোয়াস তখন ইউমেয়াসকে বলল, যারা তোমার প্রভুর অন্ন ধ্বংস করছে রোজ, তুমি কি তাদের সংখ্যায় সন্তুষ্ট নও? তাই যত সব ভিখারিকে ধরে আনছ?

    ইউমেয়াস বলল, অ্যান্টিনোয়াস, তুমি অভিজাতবংশীয়, কিন্তু তোমার কথার মধ্যে উদারতা বলে কোন জিনিস নেই। কোন মানুষই কখনো অতিথিকে বাড়ি থেকে তাড়িয়ে দেয় না। আসল কথা, তোমাদের মত যতসব পাণিপ্রার্থীরা রাজা ওডিসিয়াসের ভৃত্যদের বিশেষ করে আমাকে দেখতে পারে না। তবে যতদিন আমার রাণীমা আর কুমার টেলিমেকাস জীবিত আছেন ততদিন আমিও তোমাদের গ্রাহ্য করি না।

    টেলিমেকাস বলল, ঠিক আছে চুপ করো। অ্যান্টিনোয়াস সবসময় মানুষের অনুভূতিতে আঘাত দিয়ে কথা বললো।

    এবার অ্যান্টিনোয়াসের দিকে মুখ ঘুরিয়ে টেলিমেকাস বলল, তুমি আমার স্বার্থরক্ষার জন্য যেকথা বলেছ তার জন্য তোমায় ধন্যবাদ। তবে ভিখারিকে কিছু দাও।

    অ্যান্টিনোয়াস ছাড়া আর সকলেই কিছু কিছু খাদ্য দান করল ওডিসিয়াসকে। রুটি ও মাংসে তার কম্বলের আঁচলটি ভরে গেল। কিন্তু যেখানে প্রথমে বসেছিলেন তিনি সেখানে ফিরে যাবার আগে অ্যান্টিনোয়াসের কাছে গিয়ে তিনি বললেন আপনার ভিক্ষা মহাশয়, আপনাকে দেখে তো রাজার মতই মনে হচ্ছে এবং সবার থেকে বেশি আপনারই দেওয়া উচিত। আমিও একদিন ধনীর ঘরেরই সন্তান ছিলাম। আমার ছিল অনেক দাসদাসী। আমার মত ভবঘুরেদের একদিন আমিও অনেক দান করেছি। কিন্তু জিয়াসের অভিশাপে আমি একবার মিশর দেশে গিয়ে সবকিছু হারাই। মিশরের রাজা আমার লোকজনদের সব হত্যা করে আমাকে সাইপ্রাসে পাঠিয়ে দেন। সেখান থেকেই এখানে এসেছি।

    অ্যান্টিনোয়াস বলল, হা ভগবান! আমাদের ভোজসভার আনন্দটাই মাটি হয়ে গেল। খবরদার বলছি, আর একটি কথাও বলবে না। তুমি আমার টেবিলের সামনে থেকে সরে দাঁড়াও। যারা তোমাকে ভিক্ষা দিয়েছে তারা সবাই পরের ধনে উদারতা দেখিয়েছে।

    ওডিসিয়াস কিছুটা সরে গিয়ে বললেন, আমি আপনার চেহারা দেখে আপনাকে ভাল ভেবে ভুল করেছিলাম। যেখানে আপনি পরের খাদ্য খাচ্ছেন সেখানে তার থেকে এককণা দান করতে পারছেন না।

    অ্যান্টিনোয়াস তখন গিয়ে তার পাদানি টুলটা রেগে টেবিলের তলা থেকে বের করে ছুঁড়ে দিল ওডিসিয়াসের বুকের উপর। কিন্তু সেটি তার ঘাড়ে লাগলেও তিনি স্থিরভাবে দাঁড়িয়ে রইলেন। তিনি তখন ধীর পদক্ষেপে সেই কাঠের তক্তাটার কাছে গিয়ে বললেন, আমাদের রাণীর নিকট প্রেমনিবেদনকারী মহাশয়গণ, শুনুন আমার কথা। মানুষ যখন তার সম্পত্তির অধিকার নিয়ে ঝগড়া করে তখন দু-একটা এমন আঘাত আশ্চর্যজনক কিছু না। কিন্তু আমি শুধু আমার উদরপূর্তির জন্য অ্যান্টিবোয়াসের কাছ থেকে এই আঘাত লাভ করেছি। যদি স্বর্গে দেবতা বলে কেউ থাকেন তাহলে অ্যান্টিবোয়াস যেন তার বিবাহের আগের দিন মারা যায়। অ্যান্টিনোয়াসের ব্যবহারে অন্যান্য পাণিপ্রার্থীরা রেগে গেল। বলল, অনেক সময় ভিক্ষুকের বেশ ধরে স্বর্গের দেবতারা ছলনা করে আসেন মানুষের কাছে। তা যদি হয় তাহলে অ্যান্টিনোয়াস এই ভবঘুরেকে আঘাত করে অন্যায় করেছে।

    অ্যান্টিনোয়াস কিন্তু কর্ণপাত করল না কারো কথায়। ওডিসিয়াসের উপর এই আঘাত আপন দেহে অনুভব করল টেলিমেকাস। কোনরকমে সে সংযত করল নিজেকে। অ্যান্টিনোয়াস একজন ভিক্ষুককে তাঁর প্রাসাদে বসে আঘাত করেছে একথা শুনে রাণী পেনিলোপও অতিশয় ক্রুদ্ধ হয়ে উঠলেন। তিনি বললেন, আমি ওদের সকলকেই ঘৃণা করি, কিন্তু অ্যান্টিনোয়াস হলো ওদের মধ্যে সবচেয়ে ঘৃণ্য শয়তান। একজন দরিদ্র নিরীহ ভিখারী ওদের কাছে কিছু ভিক্ষা চাইতে সকলেই কিছু কিছু দিল আর ও একটা কাঠের টুল ছুঁড়ে মারল।

    ওডিসিয়াস তখন তার ভিক্ষালব্ধ খাদ্যবস্তু নিয়ে নৈশভোজন করছিলেন। এমন সময় পেনিলোপ ইউমেয়াসকে ডেকে পাঠালেন। শূকরপালক ইউমেয়াসকে দেখে পেনিলোপ বললেন, এখনি গিয়ে তুমি সেই বিদেশী ভবঘুরেকে নিয়ে এস আমার কাছে। আমি তার সব কথা শুনব। আমার স্বামী সম্বন্ধে তিনি কোন কথা জানেন কি না তাও শুনব।

    ইউমেয়াস বলল, কি বলব রাণীমা, লোকটি আমার কাছেই প্রথমে এসে ওঠেন। ইউমেয়াস বলল, হে আমার রাণীমা, ওরা যদি আপত্তি না করে তাহলে লোকটির গল্প বলার ক্ষমতায় আপনি মুগ্ধ হয়ে যাবেন। আমার কাছেই যদি প্রথমে এসে ওঠেন এবং তিন রাত্রি আমার কুটিরে থেকে চারণকবির মধুর কণ্ঠের যে গান মানুষের হৃদয় গলিয়ে দেয়, ওঁর মুখ থেকে বলা কাহিনী সে গানের মতই মধুর। সেই কাহিনী যে শুনবে সেই বিস্মিত হবে, মুগ্ধ হবে। উনি বলেন ওডিসি ওঁর পরিবারের সঙ্গে পরিচিত এবং উনি ক্রীট দেশের অধিবাসী। তারপর উনি ক্রীট দেশ থেকে যাত্রা শুরু করে বহু দেশ ঘুরে বহু সকরুণ অভিজ্ঞতা লাভ করে আমার কুটিরে এসে ওঠেন। উনি আরও বলেন ওডিসিয়াস এখন থ্রেসপ্রোশিয়ায় আছেন এবং শীঘ্রই বহু ধনরত্ন নিয়ে এসে হাজির হবেন।

    রাণী পেনিলোপ বললেন, ওঁকে এখনি এখানে ডেকে আন। আমি ওঁর মুখ থেকে সব কথা শুনব। ওরা যা খুশি করুক। নিজেদের ঘরের খাদ্যবস্তু ওরা খরচ না করে দিনের পর দিন ওরা অপরের অন্ন ধ্বংস করে চলেছে। একমাত্র ওডিসিয়াসই ফিরে এসে তাঁর পুত্রের সাহায্যে ওদের এই বেয়াদবির অবসান ঘটাতে পারেন।

    পেনিলোপর কথা শেষ হতেই টেলিমেকাস খুব জোরে হেঁচে উঠল। পেনিলোপ হেসে ইউমেয়াসকে বললেন, যাও বিদেশী অতিথিকে ডেকে নিয়ে এস। আমার পুত্র আমার কথাকে হেঁচে সমর্থন জানাল। এর অর্থ হলো, একজন পাণিপ্রার্থীও প্রাণ নিয়ে পালাতে পারবে না, তাদের প্রত্যেকেকেই মরতে হবে। আর যদি আমি তার কাহিনী শুনে প্রীত হই তাহলে আমি তাকে নতুন পোশাকে সাজিয়ে দেব।

    ইউমেয়াস সোজা অতিথিবেশী ওডিসিয়াসর কাছে গিয়ে বলল, বন্ধু টেলিমেকাসের বুদ্ধিমতী মাতা পেনিলোপ তোমাকে ডাকছেন। যদি তার কাছে তোমার বলা কাহিনী সত্য বলে বোধ হয় তাহলে উনি তোমাকে ভাল পোশাক ও দেহবন্ধনীতে সাজিয়ে দেবেন। তাহলে তুমি সহজে শহরে গিয়ে ভিক্ষা করতে পারবে এবং দয়ালু লোকেরা তোমাকে ভিক্ষা দেবে।

    ওডিসিয়াস বললেন, ইউমেয়াস, আমি আইকারিয়াসকন্যা বুদ্ধিমতী পেনিলোপকে যা জানি তা সানন্দে বলব। আমি নিজে ওডিসিয়াসের সঙ্গে একযোগে বহু দুঃখ কষ্ট সহ্য করেছি, তাই তাঁর সম্বন্ধে অনেককিছু জানি। কিন্তু যে অসৎ ও অদ্র কুকুরগুলো প্রাসাদে রয়েছে তাদের হিংস্র ও দুর্বিনীত স্বভাব দেখে ভয় পাচ্ছি। প্রাসাদের মধ্যে যখন সেই লোকটা আমায় বিনা দোষে আঘাত করল তখন টেলিমেকাস বা অন্য কেউ আমাকে রক্ষা করার জন্য সামান্য অঙ্গুলি সঞ্চালনও করল না। সুতরাং পেনিলোপকে গিয়ে বল তিনি যেন সূর্যাস্ত পর্যন্ত অপেক্ষা করেন। তখন তিনি তাঁর ঘরে আমার সামনে বসে সব কথা শুনতে পারবেন।

    ইউমেয়াস রাণী পেনিলোপের কাছে ফিরে যেতেই পেনিলোপ আগ্রহ সহকারে বললেন, কই তাঁকে আনলে না?

    ইউমেয়াস তখন তাঁকে সব কথা বলা বলতে পেনিলোপ বললেন, এই বিদেশী তাহলে নির্বোধ নন। তাঁর দূরদর্শিতা আছে এবং কিভাবে একদল দুর্বত্তের দ্বারা আমি পরিবৃত হয়ে আছি তা উনি বুঝতে পেরেছেন।

    শূকরপালক ইউমেকাস টেলিমেকাসের কাছে গিয়ে কানে কানে বলল, আমি আমার শূকরদের দেখাশোনা করার জন্য চলে যাচ্ছি। ওরা তোক ভাল নয়, আপনি খুব সাবধানে থাকবেন। নিজের নিরাপত্তার প্রতিযত্ন নেবেন।

    টেলিমেকাস বলল, ঠিক আছে, নৈশভোজন এখানে সেরে তুমি চলে যাও কাকা। কাল সকালে মাংসের জন্য কিছু ভাল দেখে পশু নিয়ে আসবে। আমার ভাগ্যে যা আছে আর দেবতারা যা করবেন তাই হবে।

    নৈশভোজন শেষ করে নৃত্যগীতাদির আনন্দোল্লাসে ফেটে পড়া প্রাসাদস্থ ভোজসভাটিকে ত্যাগ করে গ্রামাঞ্চলে আপন কুটিরে চলে গেল ইউমেয়াস।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleসোভিয়েত সায়েন্স ফিকশন
    Next Article ইলিয়াড – হোমার

    Related Articles

    পার্থ সারথী দাস

    ইলিয়াড – হোমার

    October 13, 2025
    পার্থ সারথী দাস

    ওডিসি – হোমার

    October 13, 2025
    পার্থ সারথী দাস

    ইলিয়াড – হোমার

    September 12, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }