Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    ওডিসি – হোমার

    পার্থ সারথী দাস এক পাতা গল্প358 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ২১. বিশাল ধনুক

    একবিংশ পর্ব
    বিশাল ধনুক

    এবার পাণিপ্রার্থীদের মধ্যে সেই প্রতিযোগিতার অনুষ্ঠান করার জন্য পেনিলোপকে সচেষ্ট করে তুললেন দেবী এথেন। যে ধনুর্বিদ্যা প্রতিযোগিতায় আপন আপন কৌশল প্রদর্শন করতে গিয়ে তারা ধ্বংসের দিকে এগিয়ে যাবে ক্রমশ, সে প্রতিযোগিতা ত্বরান্বিত করার জন্য সেই বিশাল ধনুকটি আনতে গেলেন পেনিলোপ। নিজের ঘর থেকে বেরিয়ে প্রাসাদের একপ্রান্তে একটি রুদ্ধ গৃহের দিকে একটি তামার চাবিকাঠি হাতে এগিয়ে যেতে লাগলেন রাণী পেনিলোপ।

    একবার ওডিসিয়াসের সঙ্গে ইফিটাসের দেখা হয় ওর্সিলোকাসের বাড়িতে। ওডিসিয়াস তখন সবেমাত্র যৌবনে পদার্পণ করেছেন। তিনি সেখানে গিয়েছিলেন লোকদের কাছ থেকে অপহৃত তিনশত পশুর ক্ষতিপূরণস্বরূপ কিছু অর্থ আদায় করতে আর ইফিটাস সেখানে গিয়েছিলেন তাঁর অপহৃত বারোটি ঘোটকীর অনুসন্ধান করতে। সেইসূত্রে ইফিটাসের সঙ্গে এক নিবিড় বন্ধুত্ব গড়ে ওঠে ওডিসিয়াসের আর সেই বন্ধুত্বের স্মৃতিচিহ্নস্বরূপ ইফিটাস তাঁকে একটি বিশাল ধনুক দান করেন। ধনুকটি

    ওডিসিয়াস ট্রয়যুদ্ধ যাবার সময় না নিয়ে গিয়ে একটি রুদ্ধ গৃহে সযত্নে রেখে যান।

    রাণী পেনিলোপ সেই রুদ্ধ গৃহ হতে একটি বিরাট ধনুক, বিষাক্ত তীরে ভরা একটি তৃণ আর বারোটি লোহার আংটা নিয়ে এলেন পাণিপ্রার্থীদের সামনে। তাঁর সঙ্গে দাসীরা একটি বাক্স বয়ে নিয়ে এল। তার মধ্যে বিভিন্ন ধাতুর কতকগুলো অস্ত্র ছিল যেগুলো সাধারণত অস্ত্র প্রতিযোগিতায় ব্যবহৃত হয়। ধনুক তুলতে গিয়ে স্বামীর জন্য চোখে জল এল পেনিলোপের। তিনি পাণিপ্রার্থীদের বললেন, শুনুন মহাশয়গণ, আপনারা এ বাড়ির গৃহস্বামীর অবর্তমানে অনেককিছু ধ্বংস করেছেন। আজ তার অবসান ঘটানোর জন্য এ প্রতিযোগিতার অনুষ্ঠান করছি আমি। আপনাদের মধ্যে যিনি এ ধনুকের ছিলায় শর সংযোজন করে এই বারোটি আংটার প্রত্যেকটির ভিতর দিয়ে সেই নিক্ষিপ্ত শরটিকে পার করতে পারবেন আমি তাকেই বরমালা দান করে এ প্রাসাদ ত্যাগ করে চলে যাব, যদিও যে বাড়ি একদিন আমায়, বধুরূপে বরণ করে নিয়েছিল সে বাড়ির কথা স্বপ্নেও ভুলতে পারব না আমি কখনো।

    এই বলে পেনিলোপ ইউমেয়াসকে ধনুকটি ও তীরগুলো পাণিপ্রার্থী মহাশয়দের কাছে নিয়ে যাবার আদেশ করলেন। ইউমেয়াস ধনুকটি হাতে ধরে কেঁদে ফেলল তার প্রিয় মনিবের শোকে। তা দেখে অ্যান্টিনোয়াস রেগে গিয়ে বলল, মাথামোটা বোকা হতভাগ্য কোথাকার! তোমাকে আর নাক গলাতে হবে না একাজে। তুমি আবার চোখের জল ফেলে তোমাদের রাণীর স্বামীর প্রতি শোককে বাড়িয়ে দিচ্ছ। কিন্তু এ ধরনের শরযোজনা করা সহজসাধ্য হবে না, কারণ ওডিসিয়াসের মত বলশালী লোক এখানে একজনও নেই। আমি যখন খুব ছোট ছিলাম তখন তাঁকে একবার দেখেছিলাম স্বচক্ষে।

    মুখে একথা বলতেও এক গোপন আশা ছিল অ্যান্টিনোয়াসের মনে। তার ধারণা ছিল একমাত্র সেই একাজ করে জয়ের গৌরব লাভ করবে। এমন সময় টেলিমেকাস সকলকে উদ্দেশ্য করে বলল, আচ্ছা আমি যদি নিজে এই ধনুকে শরযোজনা করে লক্ষ্য বিদ্ধ করতে পারি তাহলেও তো আমার মাতা অন্য কাউকে বিয়ে করে চলে যাবেন এবাড়ি থেকে। তাহলেও আমি আবার এই পিতার ক্রীড়া বস্তুকে নাড়াচাড়া করতে পারায় তুপ্তি অনুভব করব।

    তিন তিনবার সর্বশক্তি নিয়োগ করেও ধনুকটি ভালভাবে তুলে তার লোহার ছিলায় শরযোজনা করতে পারল না টেলিমেকাস। চতুর্থবার চেষ্টা করতে গেলে ওডিসিয়াস ইশারায় ঘাড় নেড়ে তাকে নিষেধ করলেন। তখন টেলিমেকাস বলল, আমি দেখছি এখনো ছেলেমানুষ রয়ে গেছি, নিজের শক্তি সম্বন্ধে আমার কোন ধারণা নেই। আপনারা আমার থেকে শক্তিমান। আপনারা নিশ্চয় পারবেন।

    এই বলে ধনুকটি মাটিতে নামিয়ে রাখল টেলিমেকাস। তারপর বসে পড়ল আপন আসনে। তখন অ্যান্টিনোয়াস প্রস্তাব করল, বাঁদিক থেকে শুরু করে উপবিষ্ট প্রতিটি পাণিপ্রার্থী একের পর এক করে চেষ্টা করে যাবে। একথা সকলেই মেনে নিল।

    বাদিকের প্রথমে ছিল ঈলোপপুত্র লিওডেস। কিন্তু সে উঠে ধনুকটি তুলে তাতে শরযোজনা করার আগেই ক্লান্ত হয়ে পড়ল তার অশক্ত ও অপটু হাত দুটি। সে তখন অন্যান্য পাণিপ্রার্থীদের বলল, আমি পারব না, এবার তোমরা চেষ্টা করো। তবে মনে হয় এ ধনুক অনেকেরই বুক ভেঙ্গে দেবে। এইভাবে পুরস্কারের লোভে দিনের পর দিন। আশার ছলনায় অতিবাহিত করার থেকে মৃত্যু ঢের ভাল। আমার মনে হয় ব্যর্থ পাণিপ্রার্থীরা অন্য কোন সুন্দরীকে বিবাহ করার চেষ্টা করবে এবং পেনিলোপও তাঁর মনোমত পূর্ব নির্দিষ্ট কোন লোককে বিবাহ করবে।

    লিওডেন ধনুকটি ছেড়ে দিলে অ্যান্টিনোয়াস রেগে গেল তার কথায়। বলল, তুমি নিজে না পারতে পার কিন্তু আর কেউ পারবে না একথা বললে কেন? এখানে এমন অনেকে আছে যারা একাজ করতে পারবে। মেলানথিয়াস, তুমি আগুন জ্বালিয়ে একটি পশমবস্ত্র গরম করো। সেই গরম কাপড় দিয়ে ধনুকটি ধরলে তা বাঁকিয়ে শরযোজনা করা সহজ হবে।

    মেলানথিয়াস তা করল একের পর এক করে পাণিপ্রার্থীরা চেষ্টা করতে লাগল। অ্যান্টিনোয়াস ও ইউরিমেকাস সব শেষে দেখবে। ইতিমধ্যে ফিলোতিয়াস এবং ইউমেয়াস প্রাসাদ থেকে চলে যেতেই ওডিসিয়াত তাদের পিছু পিছু গিয়ে তাদের দুজনকে ডেকে বললেন, আমার মনে হচ্ছে আমি তোমাদের আমার মনের কথা খুলে বলি। আচ্ছা, ওডিসিয়াসের সঙ্গে যদি এদের যুদ্ধ হয় তাহলে তোমরা কি ওডিসিয়াসের পক্ষ অবলম্বন করবে না পাণিপ্রার্থীদের পক্ষে যোগদান করবে?

    ফিলোতিয়াস ও ইউমেয়াস দুজনেই শপথ করে বলল, ভগবান যদি তাকে নিয়ে আসেন তাহলে দেখবেন আমরা কি করি। দেবতাদের কাছে আমাদের প্রার্থনা, আমাদের মনিব যেন ফিরে আসেন।

    তাদের কাছ থেকে আশ্বাস পেয়ে ওডিসিয়াস বললেন, তবে জেনে রাখ, আমিই হচ্ছি ওডিসিয়াস, উনিশ বছর পরে ফিরে এসেছি। আমি দেখলাম, একমাত্র তোমরাই আমার প্রত্যাবর্তনে আনন্দিত। দেবতাদের কৃপায় আমি যদি এই দুবৃত্তদের দমন করতে পারি তাহলে তোমাদের দুজনকেই বিয়ে দিয়ে তোমাদের জন্য একটি করে ঘর করে দেব আর তোমাদের আমি টেলিমেকাসের ভাই বলে মনে করব।

    আমি যে ওডিসিয়াস তার এই দেখ প্রমাণ। আমি একবার একটি শূকরের দাঁতে আহত হই পার্ণের্সসের অরণ্য অঞ্চলে। এই বলে ওডিসিয়াস তাঁর জানুটি খুলে তাদের দেখাতেই তারা সেই ক্ষতস্থানটি দেখে চিনতে পারল। সঙ্গে সঙ্গে তারা ওডিসিয়াসের গলা জড়িয়ে ধরে তার কপালে চুম্বন করলো। সহসা নিজেকে সামলে নিয়ে ওডিসিয়াস বললেন, কেউ দেখে ফেলতে পারে আমাদের। এখন একে একে তোমরা প্রাসাদে যাবে, একসঙ্গে নয়। আমি আগে যাব। মনে হয় পাণিপ্রার্থীরা আমাকে ধনুক আর তীর ধরতে দেবে না। তা না দিলে ইউমেয়াস তুমি নিজে ধনুকটি আমাকে এনে দেবে আর বাড়ির দাসীদের বলে দেবে তারা কোন গোলমাল শুনে যেন বেরিয়ে না আসে। যে যেখানে আছে সেইখানেই যেন আপন আপন কাজে নিযুক্ত থাকে। শোন ফিলোতিয়াস, তুমি প্রাসাদের দরজাগুলো ভাল করে খিল দিয়ে এঁটে দেবে।

    এই কথা বলে প্রাসাদের মধ্যে চলে গেলেন ওডিসিয়াস। ইউমেয়াস ও ফিলোতিয়াস তারপর একে একে গেল। এদিকে তখন ইউরিমেকাসের পালা চলেছিল। ইউরিমেকাস কোনরকমে ধনুকটি আগুনের কাছে নিয়ে গিয়ে গরম করে তার লোহার ছিলায় শরযোজনা করার চেষ্টা করল। কিন্তু সেও অন্যদের মত না পেরে হাত থেকে

    সেটি ফেলে দিয়ে বলল, চুলোয় যাক। ব্যর্থ হলো আমাদের বিয়ের পরিকল্পনা। আমি শুধু নিজের জন্য ভাবছি। সুন্দরী নারীর অভাব নেই দেশে। কিন্তু ওডিসিয়াসের দেবোপম শক্তির তুলনায় আমাদের অযোগ্যতার কথা ভেবে চিরকাল ধরে লোকে ধিক্কার দেবে আমাদের।

    অ্যান্টিনোয়াস বলল, এটা তোমার ভুল ধারণা ইউরিমেকাস। আজ হচ্ছে তীরন্দাজ দেবতাদের সম্মানার্থে ছুটির দিন। আজ তার খাতিরে ধনুক স্পর্শ করতে নেই। আগামীকাল মেলানথিয়াসের অথবা বাছাই করা ছাগ বলি দিয়ে আমরা আবার চেষ্টা করব।

    একথা সকলেই মেনে নিল। ভৃত্যরা এসে পাণিপ্রার্থীদর হাতে জল দিয়ে অঞ্জলি দেবার জন্য মদের পাত্র দিয়ে গেল সকলের হাতে। দেবতাদের উদ্দেশ্যে তাদের অঞ্জলি প্রদান হয়ে গেলে ওডিসিয়াস বললেন, আমার একটা কথা শুনুন ও ভদ্রমহোদয়গণ, আমি আপনাদের কাছে বিশেষ করে অ্যান্টিবোয়াস ও ইউরিমেকাসের কাছে একটা অনুগ্ৰহ ভিক্ষা করছি। কারণ ওরাই অ্যাপোলোর সম্মানার্থে আজকের মত প্রতিযোগিতার কাজ বন্ধ করতে চান। আমি বলছিলাম কি আমাকে একবার ধনুকটির মাধ্যমে আমার শক্তি পরীক্ষার সুযোগ দিন।

    ওডিসিয়াসের অনুরোধ শুনে সবচেয়ে রেগে গেল অ্যান্টিনোয়াস। সে বলল, তুমি মহামারীতে মর। তোমার কি জ্ঞানবুদ্ধি কখনো হবে না? তুমি বড় বড় সম্ভ্রান্ত ব্যক্তিদের পাশে বসে ভোজসভায় খাচ্ছ, তাতেও তোমার সাধ মিটছে না? বুঝেছি, মাত্রা রেখে মদ খেতে পার না বলে মদের নেশায় মাথার ঠিক থাকে না তোমার। কিন্তু ইউরিতিয়নের কথা মনে আছে তো? রাজা পিয়েরিথোয়াসের বাড়িতে গিয়ে একবার ইউরিতয়ন মাতলামি করার জন্য রাজা তার নাক কেটে তাকে তাড়িয়ে দেন। তোমাকেও আমরা তাই করব। তোমাকে আমরা এদেশে কোথাও জায়গা দেব না। একেবারে কালো জাহাজে করে নরখাদকদের রাজা একেটাসের কাছে পাঠিয়ে দেব যার কবল থেকে কেউ কোনদিন রক্ষা করতে পারবে না তোমায়।

    কিন্তু বুদ্ধিমতী পেনিলোপ তখন বললেন, অ্যান্টিনোয়াস, টেলিমেকাসের কোন অতিথিকে এ ধরনের কথা বলে শালীনতার পরিচয় দাও নি। তুমি কি ভাব, এই ভদ্রলোকটি ওডিসিয়াসের ধনুকটি বাঁকিয়ে ছিলায় শরযোজনা করতে পারলেই সে আমাকে বিয়ে করে নিয়ে যাবে? তিনি নিজে একথা মনে করেন আমি তা বিশ্বাস করি না।

    ইউরিমেকাস বিতর্কে যোগদান করে বলল, এই লোকটি বুদ্ধিমতী পেনিলোপের পাণিগ্রহণ করবে সে ভয় আমরা করি না। সেকথা অবান্তর। আমরা শুধু ভাবছি সম্ভাব্য দুর্নামের কথা। লোকে বলবে যার স্ত্রীর পাণিগ্রহণ করতে গিয়েছিলে তার সমকক্ষ নয় তারা। অথচ একটা অচেনা ভবঘুরে অনায়াসে লক্ষ্যবিদ্ধ করল।

    পেনিলোপ উত্তর দিলেন, ইউরিমেকাস, যারা কোন এক রাজপুত্রের অন্ন ধ্বংস করে বেঁচে থাকে তারা পরের নিন্দাও সহ্য করতে পারবে। ভদ্রলোকের চেহারা দেখে মনে হয় উনি উচ্চবংশোদ্ভূত। অ্যাপোলোর কৃপায় উনি যদি একাজ করতে পারেন তাহলে ওঁকে আমি উত্তম পোশাক, চটি ও দেহবন্ধনী উপহার দেব। ওঁকে একটি তরবারি ও বর্শা দান কর। তারপর উনি যেখানে যেতে চান পাঠিয়ে দেব।

    টেলিমেকাস বলল, ধনুকের কথা যদি বল তাহলে তাতে আমার সম্পূর্ণ অধিকার। সে ধনুক আমি কাকে দেব না দেব সে সিদ্ধান্ত নেব আমি এবং তা সকলকে মেনে চলতে হবে। সুতরাং তোমরা আপন আপন ঘরে গিয়ে কাজ করগে।

    পুত্রের তিরস্কারবাক্য শুনে পরিচারিকাদের সঙ্গে উপরতলায় নিজের ঘরে চলে গেলেন রাণী পেনিলোপ। এদিকে টেলিমেকাসের নির্দেশে সেই ধনুকটি ইউমেয়াস ওডিসিয়াসের কাছে বয়ে নিয়ে যেতে লাগল। তা দেখে পাণিপ্রার্থীদের একজন বলল, শূয়োর চরাও গে যাও। ধনুকটি কোথায় মরতে নিয়ে যাচ্ছ? যদি সুযোগ পাই তোমাকে তোমারই কুকুর দিয়ে ছিঁড়ে খাওয়াব।

    তাদের গালাগালিতে হতবুদ্ধি হয়ে দাঁড়িয়ে পড়ল ইউমেয়াস আর তার হাত থেকে ধনুকটি পড়ে গেল। তখন ঘরের একপ্রান্ত হতে টেলিমেকাস তীক্ষ্ণ কণ্ঠে চিৎকার করে উঠল, দাঁড়িয়ে কেন, যাও বলছি। না গেলে জানব তুমি আমাদের আদেশ পালন করছ না। তাহলে পাথর ছুঁড়ে মেরে ফেলব তোমাকে। আমার পেশীগুলো যদি লোহার মত শক্ত হয় তাহলে যারা ঘরে বসে আমারই বিরুদ্ধে চক্রান্ত করছে তার সব তাড়িয়ে দিতাম।

    টেলিমেকাসের এই আবেগপ্রবণ কথাগুলো হেসে উড়িয়ে দিল পাণিপ্রার্থীর দল। সে হাসিতে তাদের সব রাগ উবে গেল। ইউমেয়াস তখন ধনুকটি ওডিসিয়াসের কাছে বয়ে নিয়ে গেল। তারপর সে ইউরিক্লীয়ার কাছে গিয়ে গোপনে বলল, টেলিমেকাসের আদেশে মেয়েদের ঘরের দরজাগুলো সব তালা বদ্ধ করে দাও। তারা যেন কোনো গোলমাল শুনে বেরিয়ে না আসে, যে যেখানে আছে সে যেন সেখানেই থাকে।

    ভীত হয়ে পড়লেও সে আদেশ পালন করল প্রধানা দাসী ইউরিক্লীয়া। এদিকে ফিলোতিয়াস সকলের অলক্ষ্যে ঘর থেকে বেরিয়ে গিয়ে প্রাসাদের বাইরে যাবার দরজাগুলো ভাল করে বন্ধ করে দিল জাহাজ বাধার শিকল দিয়ে যাতে কেউ চেষ্টা করলেও যেতে না পারে।

    ওডিসিয়াস এবার ধনুকটি হাতে নিয়ে পরীক্ষা করে দেখতে লাগলেন সেটি আগের মত আছে কি না। তা দেখে পাণিপ্রার্থীরা উপহাস করতে লাগল, ও ধনুর্বিদা শিখেছে পথে ঘুরতে ঘুরতে। ধনুকটি বোধ হয় বাড়ি নিয়ে যাবে। বীণাবাদনের আগে কোন বীণাবাদক যেমন বীণার তারগুলো পরীক্ষা করে নেয় তেমনি কারো কোন উপহাসে কান না দিয়ে ঠাণ্ডা মাথায় ধনুকটি পরীক্ষা করে সেটিকে অনায়াসে বাঁকিয়ে তাতে ছিলাটি পরিয়ে দিলেন। সে দৃশ্য দেখে বিবর্ণ হয়ে গেল পাণিপ্রার্থীদের মুখগুলো। সহসা সুলক্ষণসূচক জিয়াস সৃষ্ট এক বজ্রগর্জন শুনে ওডিসিয়াসের অন্তরটি আনন্দে উল্লসিত হয়ে উঠল।

    সামনের টেবিলে একটি তীর নামানো ছিল। বাকি তীর ছিল তূণে। সেই তীরটি টেবিল থেকে তুলে নিয়ে তা ধনুকে সংযোজিত করে নিক্ষেপ করতে তা বারোটা আংটা পার হয়ে গেল, একটিতেও ভ্রষ্ট হলো না। তখন ওডিসিয়াস টেলিমেকাসকে বললেন, তোমার অতিথি তাহলে তোমায় অপমান করে নি টেলিমেকাস। এখন দেখছি আর শক্তি অবিকৃতই আছে। পাণিপ্রার্থীরা বৃথাই আমাকে হীন ভেবেছিল। কিন্তু এবার বোধ হয় নৈশভোজনের সময় হয়েছে। এরপর নৃত্যগীতাদি শুরু হবে যা না হলে কোন ভোজসভাই সার্থকতা লাভ করতে পারে না।

    এমন সময় ওডিসিয়াস ঘাড় নেড়ে টেলিমেকাসকে ইশারা করতেই সে কাঁধে তরবারি ঝুলিয়ে, হাতে বর্শা নিয়ে তার পিতার আসনের পাশে গিয়ে দাঁড়াল। ব্রোঞ্জের বর্মটি চকচক করছিল তার গায়ে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleসোভিয়েত সায়েন্স ফিকশন
    Next Article ইলিয়াড – হোমার

    Related Articles

    পার্থ সারথী দাস

    ইলিয়াড – হোমার

    October 13, 2025
    পার্থ সারথী দাস

    ওডিসি – হোমার

    October 13, 2025
    পার্থ সারথী দাস

    ইলিয়াড – হোমার

    September 12, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }