Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ঠাকুরমার ঝুলি – দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার

    March 20, 2026

    মায়া, আজটেক ও ইনকা সভ্যতা – আবদুল হালিম

    March 20, 2026

    কালীগুণীন ত্রাহিমাম – সৌমিক দে

    March 20, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    ওল্ড র‍্যামন – জ্যাক শেফার

    জ্যাক শেফার এক পাতা গল্প75 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ওল্ড র‍্যামন – ৮

    আট

    পাহাড়গুলোকে রাতের আঁধারে ঘনকালো, গোলাকার স্ফীতির মত লাগছে। ওগুলোর প্রান্তে বিক্ষিপ্তভাবে গজিয়ে উঠেছে ঘাস, আর ছোট্ট একটা ঝর্না খিলখিল হাসিতে ভেঙে পড়ছে খুদে একটা ডোবায়। ভেড়ার পালটার জন্যে রাতের আস্তানা গাড়া হয়েছে এখানে। প্রান্তরটির বিপুল বিশালতার মাঝে নিভন্ত আগুনটা যেন প্রাণের একমাত্র সাক্ষী। . ব্ল্যাঙ্কেট মুড়ি দিয়ে ওটার কাছে বসে, ফিকে হয়ে আসতে দেখছে বুড়ো র‍্যামন আগুনের উজ্জ্বলতা। ক’ফিট তফাতে নিজের ব্ল্যাঙ্কেটে, একটা আকৃতিবিহীন স্তূপের মত পড়ে আছে ছেলেটি।

    নড়েচড়ে উঠে বসল এবার ও, ব্ল্যাঙ্কেটটা আচ্ছামত গায়ে জড়িয়ে।

    ‘এত রাত হলো,’ বলল, ‘তবু ঘুম আসছে না। কেন হচ্ছে এমন?’

    ‘সারাদিন ধকল গেলে প্রায়ই এইরকম হয়,’ বলল বুড়ো র‍্যামন। ‘লোকে তখন এত বেশি ক্লান্ত থাকে যে চোখ বুজলেই ঘুম আসে না। মাথা ভর্তি থাকে সারাদিনের নানা ঘটনায় আর পেশী থাকে শক্ত হয়ে। তার তখন চুপচাপ বসে থেকে আড়ষ্টতা কাটানো দরকার, তারপর কখন চোখের পাতা লেগে এসেছে নিজেও টের পাবে না।

    নিস্তরঙ্গ মুহূর্তগুলো গড়িয়ে চলেছে, এমনিসময় ভেড়ার পালটার পেছন দিক থেকে একটা দীর্ঘ, নিচু গর্জন চিরে দিল রাতের নিস্তব্ধতা। চিৎকারটা চড়া মাত্রায় পৌঁছে ছোট ছোট তীক্ষ্ণ আর্তনাদে শেষ হলো। ছেলেটি তড়াক করে আরও সিধে হয়ে বসে, প্যাকে ঠেস দিয়ে রাখা রাইফেলটার দিকে চকিতে চাইল।

    ‘রাইফেলের দরকার হবে না,’ বলল বুড়ো র‍্যামন। ‘ওইটা একটা কয়োট। আমার মনে হয় আমাদের সম্পর্কে কথা বলছে ও, ওর ওয়াটার হোল ব্যবহার করেছি কিনা, তাই। মনে হয় না সুনাম গাইছে আমাদের। তবে দলের ক্ষতি করতে পারবে না। পেদ্রো আছে।’

    আর্তচিৎকারটা ভেসে এল আবার, শোকাকুল এবং প্রলম্বিত। ওটা মিলিয়ে গেলে পালের কাছ থেকে একটা কুকুরের ডাক উঠল- ক্রুদ্ধ কণ্ঠস্বরটিতে চ্যালেঞ্জের সুর।

    ‘স্যাঞ্চো, বলল বুড়ো র‍্যামন। ‘বয়স কম, রক্ত গরম। পাল্টি দিচ্ছে। কিন্তু এর কোন দরকার পড়ে না। কয়োট এইটাই চায়, কুকুরদের খুঁচিয়ে খুঁচিয়ে খেপিয়ে তুলতে। এইটাই ওর খেলা এখন। একটা ভেড়াকেও বাগে পাওয়ার আশা থাকলে টু শব্দটাও করত না, নীরবে কাজ সারত। চেষ্টা করে পারে নাই, জানে পারবেও না, পেদ্রো পাহারায় আছে।’

    এসময় গর্জনটা আবার উঠে, ছোট ছোট অনেকগুলো তীক্ষ্ণ অংশে ভাগ হয়ে হারিয়ে গেল। মনে হলো বিভিন্ন জায়গা থেকে যেন ভেসে এল অনেক ক’টা কণ্ঠের সম্মিলিত হুঙ্কার।

    আবার সিধে হয়ে বসল ছেলেটি।

    ‘অনেকগুলো এসে জুটেছে!’

    খলখল করে ব্যঙ্গের হাসি হাসল বুড়ো ব্যামন, নিস্তব্ধ রাতে শব্দটা আশ্বাসের বাণী শোনাল যেন।

    ‘একটাই ওইখানে। আহ্, বুদ্ধি আছে ব্যাটা ডন কয়োটের। একটা পাঁয়তারা খাটাল আরকি। এমনভাবে ডাকছে যাতে মনে হয় একটা না অনেকগুলা। আমার মনে হয় ওর লেজে যত লোম তত কিচ্ছা আছে ওকে নিয়ে। পাহাড়ে আস্তানা গাড়ার পর কয়েকটা শোনাব তোমাকে…আই, ওইটা যেমন দিকদার তেমন বড় চোট্টা আর ভাল কুকুরদের সেইরকম অপমানও করতে জানে। তবে ও একটা ডন কয়োট। এরা সবাই মারা পড়লে খুব দুঃখ পাবে র‍্যামন। রাতের বেলায় বিরান এলাকায় ওর গলা শুনতে পেলে ভাল লাগে : আই, আই, খুব চালু মাল। দেখতে বড়সড় কিছু না কিন্তু পেটে পেটে শয়তানি। দিনের আলোয় চুরি করে ভেড়াদের মধ্যে ঢুকে পড়ে। কোন বুদ্ধ ভেড়া ওকে কুকুর বলে ভুল করলে পোয়াবারো, ক্যাক করে পশম কামড়ে ধরে টেনে হিঁচড়ে বহুদূর নিয়ে যায় যাতে শিকারের আওয়াজ কেউ শুনতে না পায়। কুঁড়ে একটা কুকুর হয়তো কাছেই পড়ে পড়ে ঘুমাচ্ছে তখন…শয়তানটা রাইফেল-বন্দুকও চেনে, এমনকি বেল্টে রাখা পিস্তলও। অস্ত্র নিয়ে লোকে যখন চলাফেরা করে, কয়োট তাকে ঠিকই লক্ষ করে কিন্তু সে কখনোই কয়োটকে দেখতে পায় না। আর অস্ত্র না থাকলে ডন কয়োট বড় জোর রাস্তা থেকে সরে থাকে, তাও যদি কুকুর থাকে তাড়া দেয়ার জন্যে তাহলেই। আই.. পাকা বদমাশ ওইটা। কিন্তু আমার পেদ্রো ওদের সবাইকে হাড়ে হাড়ে চেনে…’

    গর্জনটা শোনা গেল আবার, দূরে সরে সরে মিলিয়ে যাচ্ছে, এবং তারপর রাতের মোলায়েম শীতল নীরবতা ছাড়া আর কিছুর অস্তিত্ব রইল না। ব্ল্যাঙ্কেটে একটু নড়ে চড়ে বসল ছেলেটি।

    ‘র‍্যামন, ভেড়া চরাতে মাঝেমধ্যে খুব একাকী লাগে, তাই না?’

    ‘কিছু লোকের লাগে বোধহয়,’ ধীরে বলল বুড়ো র‍্যামন। ‘যারা শহরের হৈ-হট্টগোলে অভ্যস্ত। র‍্যামনের কখনও এমন মনে হয় নাই। রাখালি যার রক্তে, জাত রাখাল যেই লোক তার কখনও এইটা মনে হতে পারে না…আমি এই ব্যাপারে অনেক ভেবেছি। বিষয়টা নির্ভর করে মানুষটার অন্তরের ওপর, অন্তরে মানুষটা কেমন তার ওপর। আমি মনে করি একা থাকা আর নিঃসঙ্গ থাকা সম্পূর্ণটাই আলাদা ব্যাপার। শহরে চারপাশে বহুত লোক তারপরেও নিজেকে একাকী লেগেছে আমার। তার কারণ মনে হয় অচেনা শহর, অপরিচিত মানুষ- জন। কিন্তু ভেড়ার পাল নিয়ে যখন বহুদূরের কোন পাহাড়ী উপত্যকায় আছি আশপাশে অনেক মাইলের মধ্যে জনমনিষ্যি নাই তখনও কিন্তু নিজেকে নিঃসঙ্গ বা একা বোধ হয় নাই আমার। মনে হয় এর কারণ আমি চিনি এই সব অঞ্চল, চিনি এইখানকার বুনো বাসিন্দাদের এবং এইখানকার কোন কিছুই অচেনা লাগে না আমার কাছে…মহান খোদার দুনিয়া চারধারে যখন খোলা তখন মানুষের একা লাগে কি করে বুঝি না বাপু, দিনের বেলায় আলো বিলিয়ে যায় সূর্য, রাতে দেখা দেয় চান- তারা, বাতাস বয়, পাহাড়গুলি সব কিছু নিশ্চুপে চেয়ে চেয়ে দেখে, ঘাস জন্মায়, ভেড়াদের দেখাশোনার জন্যে তাকে যখন দরকার আর দুই দুইটা কুকুর আছে তাকে সাহায্য করার জন্যে, ডন কয়োট আছে যখন তাকে গালি গালাজ করতে, আড়ালে বসে পেঁচারা যখন নানা প্রশ্ন করে…’

    ‘মনে হয়,’ বলল ছেলেটি বাধা দিয়ে, ‘বাবা ঠিকই বলেছে। বহু কিছু আছে যেগুলো বইতে পাওয়া যায় না।’ পেছনে কনুইয়ে ভর দিয়ে শুয়ে জোড়া হাতে মাথা রাখল ও। আচ্ছা, র‍্যামন, তুমি কি চিরটাকালই ভেড়া পেলেছ?’

    ‘না, বলল বুড়ো র‍্যামন। ‘একটা সময় পালি নাই। আর সেটা ছিল আমার জীবনের সবচাইতে খারাপ সময়।’

    ‘বলো না শুনি।’

    ‘তোমার বাবার সব কথা ঠিক না,’ বলল বুড়ো র‍্যামন। ‘আমিও ভেড়া হারিয়েছি…’ নিভে যাওয়া ছাইয়ের ছোট্ট গাদাটার দিকে একদৃষ্টে চেয়ে রইল ও, মুখে কথা নেই।

    ‘তুমি আমার বই,’ বলল ছেলেটি, ‘আমাকে বলবে না?’

    ‘এরজন্যে দায়ী হচ্ছে মদ,’ বলল বুড়ো র‍্যামন। ‘আই, ওয়াইন…সব টাকা উড়িয়ে যখন ফিরে আসলাম ক্যালিফোর্নিয়া থেকে, *তোমার দাদার তখন অনেক ভেড়া। তার চাকরি শুরু করলাম আমি। ভাল কাজ করতাম আমি, হ্যাঁ, ভাল কাজ। ভেড়াদের নাড়ি-নক্ষত্র সবসময় জানা ছিল আমার। দুইজনেরই তখন জোয়ান্তিকাল, মোজেভের ঝড়, রোদের অত্যাচার, পানির অভাব কোন কিছুকেই পরোয়া করি নাই আমরা। কিন্তু এখন সে আমার মালিক আর আমি তার অনেক কর্মচারীদের একজন। বিরাট মনের মানুষ ছিল সে। আর আমি জান দিয়ে কাজও করতাম। তোমার মনে রাখতে হবে কথাটা। ‘কিন্তু মজুরি একবার পকেটে ঢুকতে পারলে আর কাজ হয় না আমাকে দিয়ে। তখন টাকা খালি চুলকায়। আর টাকা ফুরিয়ে গেলে তার কাছে আবারও গিয়ে ধর্না দিতাম। সবসময় একটাই কথা বলত সে। ‘র‍্যামন, আমার যদ্দিন ভেড়া আছে তোমারও ভেড়ার পাল আছে।’ এভাবে চলল কয়েক বছর। একবার প্রসবের মরসুমে, ভেড়ার দল নিয়ে আমরা বের হব তার আগে, বড় করালে রাতের পাহারা দিতে হবে আমাকে, আর আমার চাচাতো ভাই পাবলো বাড়ি যাওয়ার পথে দুই বোতল ওয়াইন নিয়ে এসে হাজির। ওকে পটিয়ে পাটিয়ে একটা রেখে দিলাম নিজের জন্যে। আই. তারপর কি হলো আর বলার দরকার পড়ে না। ভেড়ি আর তাদের বাচ্চাদের সম্বন্ধে জানা থাকতে হবে তোমার। অনেক ভেড়ি আছে জন্ম দেওয়ার পর নিজের বাচ্চাদের চিনতে পারে না, তখন তাকে দিয়ে বাচ্চাদের যত্ন নেওয়াতে হয় যাতে মা তার সন্তানদের চিনে নিতে পারে। কোন কোনটার যমজ বাচ্চা হয়, মানে একসঙ্গে দুইটা, এবং তারা হয়তো খালি একটাকেই নিজের সন্তান মানল তখন পাহারাদারের কাজ হচ্ছে দুই নম্বরটাকেও মায়ের আপন করিয়ে দেওয়া। আর দুধের বাচ্চাগুলিকে অন্যদের কাছ থেকে আলাদা রাখতে হয় যাতে ভেড়ারা কোন কারণে ভয় পেয়ে ছোটাছুটি করলে ছানাগুলি পায়ের চাপে মারা না পড়ে…

    ‘আই, গলা পর্যন্ত মদ গিলে মরা কাঠের মতন পড়ে থাকলাম আমি, আর ভোরে উঠে দেখি মাথা নাড়তে পারি না ব্যথায়, আর সাত সাতটা ভেড়ার বাচ্চা এইদিকে ওইদিকে মরে পড়ে আছে। শরমে মরে গেলাম। মুখ তুলে তাকাতে পারলাম না তোমার বাপের বাপের দিকে। নিজেকে বললাম এতগুলি বছর ভেড়াদের সঙ্গে থেকে থেকে আমি নিজেও ওদের মতন বোকা জানোয়ার হয়ে গেছি। দেরি না করে বহু দূরে চলে গেলাম আর ফিরলাম না। এইদিকে যাই ওইদিকে যাই এর কাজ করি তার কাজ করি এভাবে কত কিছুই না করলাম। আহ্, হ্যাঁ, র‍্যামন তখন অনেক কাজ করতে পারত। ঘোড়া চালাতে পারত, ক্যাটল চরাতে পারত। বড় ফ্রেইট ওয়াগনে খচ্চর জুড়ে চালাতে পারত। সারাদিন রোদে পুড়ে বাড়ির দেওয়াল তুলতে পারত। মদ খেয়ে অন্য লোকেদের সঙ্গে লড়াই করতে পারত আর পাহাড়ী সিংহের থাবার মতন ধারাল ছোরা চালাতে পারত। কিন্তু ওই শরমের ভূতটা কিছুতেই তাড়াতে পারত না মাথা থেকে। সবসময় তার মনে পড়ত বাচ্চা ভেড়া সাতটার কথা।…আর বন্ধুর চোখের সামনে থেকে দৌড়ে পালানোর ছবি…’

    ছাইয়ের ছোট্ট স্তূপটার দিকে নীরবে চেয়ে বুড়ো র‍্যামন। ‘তারপর কি হলো?’ মৃদু কণ্ঠে শুধাল ছেলেটি।

    ‘তারপর একদিন অন্যদের সঙ্গে স্টেজকোচের রাস্তা তৈরি করছি তখন শুনলাম ওইটা। এক পাল ভেড়া পাশ দিয়ে যাচ্ছিল তাদের ফুঁয়ের শব্দ কানে গেল। দলটাকে চলতে দেখলাম, রাখাল আর তার কুকুরটাকে দেখলাম, ভেড়াদের গায়ের সুবাস আর তাদের খুরের চাপে বাতাসে ভেসে ওঠা ধুলার গন্ধ টের পেলাম। হাতে একটা বেলচা ছিল আমার। ওইটা মাটিতে নামিয়ে রেখে সিধা হাঁটা ধরলাম। চারদিন পর এসে পৌঁছালাম তোমার দাদার বসতবাড়িতে। বিল্ডিং আর করালগুলায় তখন সাজ সাজ রব। পাহাড়ে চরাতে নিয়ে যাওয়া হবে ভেড়ার পাল। আর একটা লোক সবাইকে হুকুম করছিল যাকে আগে কখনও দেখি নাই। সে আমাকে বলল আমার মনিব, তোমার বাপের বাপ, দুই মাস আগে ঘোড়া থেকে পড়ে গেছিল আর ঘোড়াটা চাপা দেয় তাকে আর তার তিন দিন পর সে মারা যায়…আই…আই…আমি মনের দুঃখে দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে নিজের ব্যর্থতার কথা ভাবছিলাম, আর ওই লোকটা খেপে উঠল আমার ওপর। আমাকে দূর হয়ে যেতে বলল ওইখান থেকে। আর আমি দেখতে পেলাম বাসা থেকে একজন জোয়ান ছেলে বের হচ্ছে, বয়স খুবই অল্প, ছেলেমানুষই বলা যায়, কিন্তু তোমার দাদার মতনই পাতলা-সাতলা, শক্তপোক্ত। চার বছর কেটে গেছে যদিও তাকে ঠিকই চিনতে পারলাম। আমাকেও চিনতে পারল সে। আমাকে এক হাতে জড়িয়ে ধরে সে ওই লোকটাকে বলল:

    ‘এ হচ্ছে র‍্যামন যে আমার বাবাকে মোজেভের ওপারে নিয়ে গেছিল যখন ওইখানে কোন ট্রেইল ছিল না আর যেই বছর খুব খরা চলছিল।’ তখন ওই লোকটা বলল: ‘তাতে কি? আমি শুনেছি এর কথা। পাঁড় মাতাল লোক। কথায় কথায় ছোরা চালায় আর ভেড়ার বাচ্চা মারে।’ আর সেই ছেলেটা যে এখন তোমার বাবা সে সত্যিকারের মনিবের মতন গর্বভরে বলল, ‘বাখোয়াজ বন্ধ করো। ভেড়ার বাচ্চার কি দাম আছে? কিচ্ছুই না। আমার বাবা বাসায় একটা চিরকুট লিখে রেখে গেছে। ওইটায় লিখেছে যতদিন আমার পরিবারে ভেড়া থাকবে ততদিন র‍্যামনেরও ভেড়ার পাল থাকবে।’

    ‘আই,’ বলল বুড়ো র‍্যামন। ‘তোমার বাবার এখন মস্ত কারবার। শহরে বেশিরভাগ সময় কাটায় সে। কিন্তু সে-ও একটা সাচ্চা মরদ। আর র‍্যামন কি করতে পারে তার মতন মনিবের জন্যে? সে আর কোন ভেড়ার বাচ্চা খোয়াতে পারে না আর তার পালটাকে গায়ে গতরে মোটা তাজা করে ভাল করে পশম জন্মিয়ে চরিয়ে আনতে পারে। আর সে মনে রাখতে পারে…’

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleমৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী
    Next Article আমাদের মহাভারত – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ঠাকুরমার ঝুলি – দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার

    March 20, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ঠাকুরমার ঝুলি – দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার

    March 20, 2026
    Our Picks

    ঠাকুরমার ঝুলি – দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার

    March 20, 2026

    মায়া, আজটেক ও ইনকা সভ্যতা – আবদুল হালিম

    March 20, 2026

    কালীগুণীন ত্রাহিমাম – সৌমিক দে

    March 20, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }