Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    কড়ি দিয়ে কিনলাম ২ – বিমল মিত্র

    বিমল মিত্র এক পাতা গল্প950 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    কড়ি দিয়ে কিনলাম ২.১৬

    ১৬

    কিন্তু প্রিয়নাথ মল্লিক রোডের বাড়িতে গিয়ে নির্মল পালিত আবার আর এক মানুষ। আর এক চেহারা তার। মস্ত বাড়িটা যেন ছন্নছাড়া হয়ে গেছে। সেই আগেকার মতন আর শৃঙ্খলা নেই যেন কোথাও। দারোয়ানটা গেটের পাশেই একটা খাটিয়া নিয়ে শুয়ে থাকে। আগে তার এমন সাহস হতো না। মা-মণি কোথায় তেতলার ঘরে চুপ করে বসে থাকে কেউ টের পায় না। আগেকার সেই ধমকানিও আর নেই। ঝি-চাকররা আগে উঠতে বসতে বকুনি খেত, গালাগালি খেত, এখন যার যা খুশি তাই করে। পাখীটা ছোলা খেতে পায় কি না, ঘর ঠিকমত ঝাঁট দেওয়া হলো কি না, বাগানে মালিটা কাজ করে কি না—কেউ দেখবার নেই।

    সরকারবাবুরই জ্বালা। আস্তে আস্তে দরজার কাছে এসে বলে-মা-মণি—

    —আবার কী সরকার বাবু?

    —আজ্ঞে এসেছিলাম, ভাড়াটেদের কথা বলতে—

    —ভাড়াটেদের কথা আবার বলতে এসেছো আমাকে? বলেছি না, ছাদ আমি সারাতে পারবো না, মামলা করুক আমার নামে—

    —আজ্ঞে ছাদ নয়, ভাড়া দেয়নি দু’মাসের—

    —দু’মাসের ভাড়া দেয়নি, তা তুমি কি অ্যাদ্দিন ঘুমোচ্ছিলে? তবে তোমাকে রাখা কেন? ভাড়া না পেলে তোমার মাইনে থেকে আমি কেটে নেব তা বলে রাখছি—যাও, এখন বিরক্ত করো না আমাকে!

    সরকারবাবু খানিকক্ষণ দাঁড়িয়ে রইল। তারপর একটু থেমে বললে—আর একটা কথা—

    —আবার কী কথা? আর কোনও কথা শুনতে চাই না আমি! আগে ভাড়া আদায় করে নিয়ে এসো, তবে কথা শুনবো, যাও এখন সামনে থেকে—এখন আমার কথা শোনবার সময় নেই—

    সরকারবাবুর আর দাঁড়াবার সাহস হয় না। কোনও কাজকর্ম যদি হবার যো আছে। কী যে হয়েছে ঘোষ-বাড়িতে। আগে মা-মণি সব দেখতো, সব শুনতো, বকুনি দিত, গালাগালি দিত, সেও যেন ভাল ছিল এর চেয়ে। কাজ করে সুখ ছিল তখন!

    ভাঁড়ার ঘরে ভূতির মা যা খুশি তাই করে। কেউ কিছু বলবার নেই। ঠাকুর যত ইচ্ছে তেল-ঘি খরচ করে, বাতাসীর মা ঘুমোয় বেলা পর্যন্ত। শম্ভু সেই আড্ডা দিতে বেরোয়, তার আর ফেরবার নাম নেই। সমস্ত বাড়িটা যেন ভূতের বাড়ি হয়ে গেছে এই ক’দিনের মধ্যেই।

    সনাতনবাবু বিছানায় শুয়ে মাথার যন্ত্রণায় কাতর হয়ে ছটফট করেন। বলেন—মা, মাগো—

    মা-মণির কানে মাঝে-মাঝে যায় কথাগুলো। তারপর শম্ভুকে দেখলেই বলেন— দরজাটা বন্ধ করে দে আমার–বন্ধ করে দে—

    শম্ভু দরজা বন্ধ করে দেয়। দাদাবাবুর গলার শব্দটাও যেন বিষ লাগে মা-মণির কানে।

    সনাতনবাবুর ঘরে গিয়ে শম্ভু বলেন—ডাক্তারবাবুকে ডাকবো একবার দাদাবাবু? শম্ভুর গলার শব্দ পেয়ে সনাতনবাবু চুপ করে যান। বলেন—এক গ্লাস জল দিতে পারো শম্ভু—

    শম্ভু জল এনে দেয় তাড়াতাড়ি। বলে—জল তেষ্টা পেয়েছে, তা বলেননি কেন আমাকে দাদাবাবু, আমি তো এখানেই আছি।

    তারপর শম্ভু আবার জিজ্ঞেস করে—ডাক্তারবাবুকে একবার খবর দেব?

    সনাতনবাবু বুঝতে পারেন না তবু। বলেন—খবর দিবি?

    —আপনি যদি বলেন তো খবর দিচ্ছি—

    —না থাক—

    সনাতনবাবুর কাছে তাঁর অসুখ হওয়াটাই যেন একটা অপরাধের সামিল মনে হয়। শম্ভু দাঁড়িয়ে থাকে খানিকক্ষণ। তারপর বলে—একটু মাথাটা টিপে দেব আপনার?

    সনাতনবাবু বলেন-মাথা টিপলে কি সারবে?

    —হ্যাঁ দাদাবাবু, দেখবেন আরাম হবে খুব—

    মা-মণির ঘরের বন্ধ দরজার সামনে কৈলাস এসে ডাকে—মা-মণি—

    —আবার কী? আবার বিরক্ত করতে এলি?

    মা-মণির সব কথাতেই বিরক্তি। সব ব্যাপারেই রাগ। অথচ মা-মণি ছাড়া এ সংসারের কোন্ কাজটা কোনদিন হয়েছে তাও কেউ জানে না। তবু যতক্ষণ মা-মণি আছে, ততক্ষণ তাকে জিজ্ঞেস করতে হবে, হুকুমও তামিল করতে হবে।

    —উকীলবাবু এসেছেন নিচেয়, আপনাকে ডাকছেন!

    মা-মণি বলেন—তা সেই কথাটা বলবি তো আমাকে!

    বলে তাড়াতাড়ি নিচেয় আসেন। নির্মল পালিত বসে ছিল বৈঠকখানায়। মা-মণি ঢুকেই বললেন—কী হলো বাবা? সব তৈরি?

    নির্মল পালিত বলেন—হ্যাঁ মা-মণি, সব তৈরি করে এনেছি—এখন আপনি সই করলেই হয়—

    তারপর ব্যাগটা খুলে কাগজটা বার করতে করতে বললে—বুঝলেন মা-মণি, আপনি যা বলেছিলেন তাই ঠিক, —

    —কীসের ঠিক?

    —আপনার ডটার-ইন-ল’র কথা বলছি, আপনি যা করেছেন, ভালোই করেছেন, আমি ভেবেছিলুম আপনিই রং কিন্তু দেখলুম আপনার ডটার-ইন-লরই দোষ আসলে। আমায় টাকা দিতে এলো বুঝলেন! আমাকে বলে কি ছ’হাজার টাকা দেব, আপনি মামলা করবেন না—!

    মা-মণি অবাক হয়ে গেলেন। বললেন—তুমি হতভাগীর কাছে গেছলে নাকি?

    নির্মল পালিত বললে—গিয়েছিলুম বলেই তো বলছি। ভাবলুম আহা, তারই বা কী দোষ, যদি মিটিয়ে ফেরতে পারি ব্যাপারটা! কিন্তু দেখলুম এ মেটবার নয় মা-মণি! বললে কী জানেন?

    —তুমি আর তার কথা আমায় বোল না বাবা, তার নাম শুনতেও আমার ঘেন্না হয়!

    –আমারও ঘেন্না হলো মা-মণি তার কথা শুনে। দেখলুম-তোফা আরামে রয়েছেন তিনি, কোনও দুঃখ নেই। বললাম হাসব্যান্ডের অসুখ, তা ভ্রূক্ষেপই নেই। বড় হোপলেস হয়ে গেলাম সব দেখে শূনে। শেষে বললাম—মামলার কথা। শুনে কী করলে জানেন? আমার হাতে টাকা গুঁজে দিলে—ছ’ হাজার টাকা। বললে—মামলা করবেন না, তাতে তাঁর বদনাম হবে, স্ক্যান্ডাল হবে—

    —তুমি টাকা নিলে?

    —আজ্ঞে, কী যে বলেন আপনি! আমি কি সেই রকম লোক? আমি আপনারও ব্রীফ নেবো, তারও ব্রী নেবো? আসামী ফরিয়াদী দুপক্ষের টাকা খাবো? আমার বাবা আমাকে শিখিয়ে গেছেন—Make money your God, it will plague you like the devil. জানেন—

    মা-মণি বললেন—ছাড়ো ওসব কথা বাবা। ও-কথা শুনলেও আমার গা ঘিন-ঘিন করে—

    নির্মল পালিত বললে—তা তো করবেই—আমি বার-য়্যাট-ল, আমারই তাই গা ঘিন্-ঘিন্ করে তো আপনি —

    মা-মণি বাধা দিয়ে বললেন—আমার আসল কাজের কী করলে বলো?

    নির্মল কাগজগুলো সামনে এগিয়ে দিয়ে বললে—এই উইল তৈরি করেছি—আর এই হলো মামলার নথি—

    —ও মতো হচ্ছে, কিন্তু বাড়ি বিক্রির কী করলে?

    —সেও পার্টি ঠিক করে ফেলেছি। এই দেখুন ডীড—

    মা-মণি বললে—ও ডীড-ফিড আমি কীই বা বুঝব—ইংরিজীর আমি কী বুঝি? মুখে বলো না কী করলে? কত দর পেলে?

    নির্মল পালিত বললে—বেশ প্রফিটেবল দর পেয়েছি মা-মণি, দুটো বাড়ি কুড়ি হাজার—

    —কুড়ি হাজার? কিন্তু আমার কেনা দর যে ষাট হাজারে বাবা? ষাট হাজার দিয়ে তোমার বাবাই আমাকে যে কিনিয়েছিলেন—তিনতলা বাড়ি, দু’খানা মিলিয়ে খান্ তিরিশেক ঘর—

    নির্মল পালিত বললে—কিন্তু সময়টা কী-রকম সেটা ভাবুন, আপনি যখন কিনেছিলেন তখন বাড়ির দর ছিল, এখন কি কেউ কেনে? কেনবার টাইম কি এটা? এখন সব মাড়োয়ারীরা পর্যন্ত বাড়ি বিক্রি করে দিচ্ছে, আপনি এখন তো তবু কুড়ি হাজার পাচ্ছেন, এর পর যে খদ্দেরই পাবেন না কেনবার! আর যুদ্ধের মধ্যে যদি একদিন কলকাতায় জাপানীদের বোমা পড়ে তো তখন আপনার বাড়ি কি থাকবে ভাবছেন? তখন তো আমাকেই দোষ দেবেন!

    তারপর কাগজটা বাড়িয়ে দিয়ে বললে—নি, এই কাগজে তিনটে সই করে দিন— আমি আপনার সব কাজ হাসিল করে দিচ্ছি—দেখুন না—

    মা-মণি কলমটা নিয়ে সই করলেন—নয়নরঞ্জিনী দাসী। একটা, দু’টো, তিনটে সই

    আর হঠাৎ পাশের বারান্দার দিকে নজর পড়তেই ডাকলেন—কে? কে ওখানে? মা-মণির যেন মনে হলো বারান্দা দিয়ে কে যেন নিঃশব্দে ভেতরের দিকে চলে গেল।

    —কে? কে ওদিকে গেল রে? কে?

    নির্মল পালিত বললে—কই, কেউ তো যায়নি ওদিকে মা-মণি—

    মা-মণি বললেন—মনে হলো কে যেন গেল ওদিকে—

    তারপর ডাকলেন—শম্ভু, শম্ভু কোথায় গেলি? কৈলাস? কৈলাস কোথায়?

    কৈলাস আসতেই মা-মণি বললেন—এখুনি কে গেল রে ওদিকে?

    কৈলাস বললে–বৌদিমণি!

    —বৌদিমণি! মা-মণি লাফিয়ে উঠলেন। বললেন–কোথায় গেল বৌদিমণি? কোন্ দিকে? ওপরে?

    কৈলাস বললে—দাদাবাবুর ঘরে—

    —দাদাবাবুর ঘরে! আমাকে না বলে ভেতরে চলে গেল? তোরা সব মরে গিছলি না কী? চল্, দেখি কোথায় গেল! বলা নেই কওয়া নেই, একেবারে হন্ হন্ করে বাড়ির ভেতরে ঢুকে গেল?

    কিন্তু ততক্ষণে সতী একেবারে সনাতনবাবুর ঘরের ভেতরে ঢুকে পড়েছে। শম্ভু পাশে বসে সনাতনবাবুর মাথা টিপে দিচ্ছিল। সতী গিয়ে দাঁড়াতেই শম্ভু অবাক হয়ে চেয়ে রইল সতীর মুখের দিকে।

    —কেমন আছো তুমি?

    সনাতনবাবু এ-পাশ ফিরে চেয়ে দেখলেন। বললেন—ও, তুমি এসেছ?

    সতী এগিয়ে গিয়ে মাথার কাছে বসলো। বললে—খুব কষ্ট হচ্ছে তোমার? হঠাৎ অসুখ হলো যে!

    সনাতনবাবু বললেন—মাথাটার বড্ড ব্যথা লাগছে—তুমি বোস, ভালো করে এখানে সরে বোস—

    —তুমি এখান থেকে চলো, এখানে থাকলে তোমার অসুখ সারবে না—

    —কোথায় যাবো?

    সতী বললে—কেন, আমার কাছে, আমার কাছে যেতে তোমার আপত্তি আছে? হঠাৎ পেছনে পায়ের শব্দ হলো। শাশুড়ী এসে ঘরের দরজায় দাঁড়িয়ে চিৎকার করে উঠলেন—এ-বাড়িতে আবার ঢুকলে কেন শুনি? কাকে বলে ভেতরে ঢুকেছ? কে তোমায় ঢুকতে দিয়েছে?

    সতী পেছন ফিরে তাকালোও না, এ-কথার জবাবও দিলে না। তেমন ভাবেই সনাতনবাবুর মাথায় হাত বুলোতে লাগল। বললে—তুমি যদি যাও আমার সঙ্গে তো আমি তোমাকে সঙ্গে করে নিয়ে যেতে পারি—যাবে?

    —বলি, কথার উত্তর দিচ্ছ না যে?

    সতী এতক্ষণে মুখ ফেরালো। বললে—আমি আপনার কথার উত্তর দেব না, আপনি যা ইচ্ছে করুন গিয়ে—

    শাশুড়ী এবার ঘরের ভেতরে ঢুকে পড়লেন। বললেন—বলি, এ কি তোমার নিজের বাপের বাড়ি পেয়েছ? ভেবেছ কী তুমি?

    সতী বললে যা বলবার আপনি বাইরে গিয়ে বলুন, রুগীর ঘরে চেঁচাবেন না।

    শাশুড়ী আর থাকতে পারলেন না। বললেন—রুগীর ওপর যে তোমার বড় টান দেখছি—এতদিন এ-টান কোথায় ছিল শুনি? তখন তো ঘরে হুড়কো এঁটে ভাতারকে বের করে দিতে! তখন তো এত আটা দেখিনি? এখন যে দেখছি আদরে একেবারে টইটুম্বুর—

    সনাতনবাবুর মুখ দিয়ে একটা যন্ত্রণাকাতর শব্দ বেরোল–আঃ—মা গো—

    সতী বললে-আপনি এখন যান এখান থেকে, আমাকে যা বলবেন, পরে বাইরে গিয়ে বলবেন—

    শাশুড়ী হঠাৎ উত্তেজিত হয়ে উঠলেন। বললেন—তুমি কার সঙ্গে কথা বলছো জানো? জানো এখনি দারোয়ান ডেকে গলা ধাক্কা দিয়ে তোমাকে বের করে দিতে পারি?

    —যদি বার করতে পারেন তো তাই করুন, বাজে বক্ বক্ করবেন না- সনাতনবাবু হঠাৎ বাধা দিলেন। বললেন—তুমি কেন গোলমাল করছো সতী, তুমি কেন এলে? তুমি চলে যাও না এখান থেকে

    সতী হঠাৎ সনাতনবাবুর মুখ থেকে এই কথা শুনে থমকে গেল। বললে—তুমি বলছো কী?

    —হ্যাঁ, তুমি চলে যাও, কেন তুমি এলে? আমার বড্ড কষ্ট হচ্ছে—

    —তা শেষকালে তুমি আমাকে এই কথা বললে?

    শাশুড়ী বললেন—তা বলবে না, গুণধরীর গুণের কথা জানতে তো আর কারো বাকি নেই! নিজের মুখ পুড়িয়ে আবার এখন সোয়ামীর মুখ পোড়াতে এসেছে—লজ্জাও করে না—

    —তুমি চলে যাও সতী, আমি বলছি, তুমি আর এসো না, যাও এখান থেকে—

    সতী যেন এতক্ষণে নিজের অবস্থাটা বুঝতে পারলে। বললে—আচ্ছা, আমি চলেই যাচ্ছি —

    বলে দরজার দিকে এগিয়ে গেল। তারপর পেছন ফিরে দাঁড়িয়ে বললে—থাকতে আমি এখানে আসিনি, থাকতে চাইও না আমি তোমাদের বাড়িতে—তোমাদের এখানে থেকে আমার স্বর্গলাভও হবে না জানি। কিন্তু আজ একটা কথা বলে রাখছি, এতে কারোরই ভাল হবে না, তোমাদেরও না, আমারও না—তোমাদের আমি ভালোই চেয়েছিলাম, তোমাদের ভালোর জন্যেই আমি আমার ভালো চেয়েছিলুম—কিন্তু তোমাদের ভালো করা শিবেরও অসাধ্য—

    শাশুড়ী বাধা দিয়ে বললেন—যাও যাও, ঢের হয়েছে—

    সতী ততক্ষণে যেমন এসেছিল তেমনি চলে গেল। তারপর তর্ তর্ করে সিঁড়ি দিয়ে নেমে এল নিচেয়। খবর পেয়ে বাতাসীর মা, ভূতির মা কৈলাস, ঠাকুর, ড্রাইভার, সবাই সিঁড়ির নিচে খিড়কীর দরজার আড়ালে দাঁড়িলে ছিল। সবাই দেখলে বৌদিমণি কোনও দিকে না চেয়ে একেবারে সোজা সদর-গেটের দিকে বেরিয়ে গেল।

    নির্মল পালিত বৈঠকখানা ঘরে একলা চুপচাপ মা-মণির জন্যে অপেক্ষা করছিল। অপেক্ষা করবার কিছু অবশ্য ছিল না। দলিলগুলোতে সই-সাবুদ যা করবার তা করে নেওয়া হয়ে গিয়েছে। তবু যাবার আগে কথা বলে যেতে হবে। বউবাজারের দুটো বাড়ির ব্যবস্থা হয়ে গিয়েছে। শ্যামবাজারেরটাও ব্যবস্থা করতে হবে এবার। তারপর কিছু শেয়ার। শেয়ারেই বেশ কিছু মোটা রকমের আশা আছে।

    হঠাৎ মনে হলো মিসেস ঘোষ তর্ তর্ করে বারান্দা দিয়ে বাইরের দিকে চলে যাচ্ছে।

    ঘর থেকে বাইরে বেরিয়ে এসে ডাকলে—মিসেস ঘোষ —

    সতী একবার নিজের নাম শুনে পেছন ফিরলে। তারপর আবার সোজা সদর গেটের দিকে যেমন যাচ্ছিল তেমনি এগিয়ে গেল।

    বাইরে সদর গেটের সামনে একটা গাড়ি দাঁড়িয়ে ছিল। সতী দরজা খুলে তার ভেতরে গিয়ে উঠলো। উঠতেই শম্ভু দৌড়তে দৌড়তে এল কাছে। বললে-বৌদিমণি তুমি কোথায় যাচ্ছো?

    সতী কিছু উত্তর দিলে না।

    শম্ভু বললে—সেই দাদাবাবু এসেছিল একদিন তোমাকে খুঁজতে বৌদিমণি—

    — কে? দীপু?

    শম্ভু বললে—হ্যাঁ, আমায় জিজ্ঞেস করলে বৌদিমণি কোথায়? আমি বললুম—তা জানি না!

    সতী হঠাৎ একটা টাকা বার করে শম্ভুর হাতে দিলে। বললে—এইটে নে, আর তোর দাদাবাবুকে একটু দেখিস্, বুঝলি, দেখিস্ একটু—

    তারপর গাড়িটা চলতে আরম্ভ করতেই শম্ভু মাথাটা নিচু করে, একেবারে মাটির কাছাকাছি নামিয়ে প্রণাম করলে। কিন্তু যখন মাথা তুললো তখন বৌদিমণি অনেক দূর চলে গেছে—

    .

    নির্মল পালিত নিজের বাড়ির চেম্বারে কাগজ-পত্র গুছিয়ে উঠলো। বললে—ঠিক আছে, ওই কথাই রইল—

    দীপঙ্কর বললে—কিন্তু এ-রকম করে কতদিন চলবে?

    নির্মল বললে—তা আমি কী বলবো বল্, আমি তো মিট্-মাট্ করতেই গিয়েছিলুম, আমাকে সিক্স থাউজ্যান্ড রুপীজ্ ঘুষও দিতে এল, কিন্তু আমি গাছেরও পাড়বো তলার ও কুড়োব, তেমন লোক নই ভাই, তেমন করতে পারলে আমি আজ কলকাতা শহরে অনেক প্রপার্টি করে ফেলতে পারতাম—তাহলে আমার প্রপার্টি আজ খায় কে?

    দীপঙ্কর উঠলো।

    নির্মল পালিত বললে—কিছু ভাবিসনি, যা হবার তা হবেই, একবার যখন বিষ ঢুকেছে তখন আর কেউ রোধ করতে পারবে না—মিসেস ঘোষ বলেছে ঠিক, ও শিবের ও অসাধ্য—দেখা যাক্ আমি কতদূর কী করতে পারি—

    রাস্তায় এসেও দীপঙ্কর হাজরা রোডের মোড়ে খানিকক্ষণ উদ্দেশ্যহীনভাবে চুপ করে দঁড়িয়ে রইল। মনে হলো পৃথিবীটা যেন থেমে গেছে। এখন কোথায় যাবে সে? কার কাছে গেলে মনটা শান্ত হবে! এতখনি বোঝা দীপঙ্করের মাথার ওপর, কে তার বোঝা নামিয়ে নেবে!

    প্রাণমথবাবুর কথা মনে পড়লো। এমন করে সর্বস্ব দিয়ে কে দেশকে ভালবাসতে পেরেছে, কে মানুষকে ভালবাসতে পেরেছে প্রাণমথবাবুর মত। যেমন প্রাণমথবাবু, তেমনি প্রাণমথবাবুর স্ত্রী। যখন বৈঠকখানা ঘরে সবাই এসে জোটে, প্রাণমথবাবুর পাশে মাসীমাও চুপ করে বসে থাকেন। প্রাণমথবাবুর মত তিনিও জেলে গেছেন সারাজীবন। কিরণের মা’কে মাসকাবারি টাকা দেবার পর, আর একদিন প্রাণমথবাবুর বাড়ি গিয়েছিল দীপঙ্কর। সেদিন বৈঠকখানায় কেউই ছিল না। একলা বসে ছিলেন। দীপঙ্কর গিয়ে প্ৰণাম করেছিল, তবু অন্য দিনের মত হাসিমুখে অভ্যর্থনা করেন নি প্রাণমথবাবু। কেমন আছে দীপঙ্কর, মা’র কী হয়েছিল শেষকালে, কত কথা জিজ্ঞেস করেছিলেন। এক সময়ে বলেছিলেন—জানো বাবা, এ হলো বাঙলা দেশ, এ বেহার নয়, গুজরাট নয়, মাদ্রাজ ও নয়—এদেশে যে জন্মেছে তাকে লড়াই করে বাঁচতে হয়েছে—লোকে বলছে সুভাষ নাকি সাধু হয়ে গেছে—! কিন্তু তাকে তো আমি জানি, সে কি পালাবার ছেলে? সাধু হলে সে অনেক আগেই সাধু হয়ে যেত—

    তারপর কিছুক্ষণ চুপ করে থেকে আবার বলেছিলেন—দেখ বাবা দীপু, গাছপালা যত সহজে গাছপালা, মানুষ তত সহজে মানুষ নয়। এই মাদ্রাজ কি বেহারের কথাই ধরো না, রাজাগোপালাচারীরা মাদ্রাজে যত সহজে রাজা-গোপালাচারী হয়েছে, রাজেন্দ্র প্রসাদ বেহারে যত সহজে রাজেন্দ্র প্রসাদ হয়েছে, সুভাষ কি বাঙলা দেশে তত সহজে সুভাষ হতে পেরেছে? না দেশবন্ধু হতে পেরেছে?

    যেন অনেক দুঃখ পেয়ে কথাগুলো বলেছিলেন প্রাণমথবাবু! প্রাণমথবাবুর শরীর আরো খারাপ হয়ে গিয়েছিল ইদানীং।

    চলে আসবার সময় বলেছিলেন—তুমি মাঝে মাঝে চলে এসো বাবা, আমি বড় ব্যস্ত আছি ক’দিন—

    —খুব কাজ পড়েছে বুঝি স্কুলে?

    —ইস্কুলে নয় ইলেক্‌শন, আমাদের কংগ্রেসের ইলেক্‌শন নিয়ে খুব খাটছি। ক’দিন ধরে। দেশবন্ধুর নিজের হাতে গড়া কংগ্রেস, আমরা গোড়া থেকেই আছি, তাই যার তার ওপর ভার ছেড়ে দিতে ভয় করে বাবা—

    দীপঙ্কর সামনে একটা ট্যাক্সি ডেকে নিয়ে উঠলো।

    প্রাণমথবাবুকে এখন বিরক্ত করা উচিত নয়।

    ট্যাক্সিওয়ালা জিজ্ঞেস করলে—কোথায় যেতে হবে হুজুর?

    —ডালহৌসী স্কোয়ার।

    হালহৌসী স্কোয়ারে বার্মা ইভাকুয়ীজ অফিস হয়েছে। সেখানে গেলে ভুবনেশ্বরবাবুর খবরটা হয়ত পাওয়া যেতে পারে। বিকেল হয়ে এসেছে। আর একটু পরেই হয়ত অফিস বন্ধ হয়ে যাবে। অফিসের সাইনবোর্ড ছিল, চাপরাসী ছিল সামনে দাঁড়িয়ে। অফিসের সামনেও খুব ভিড়। প্রচুর লোক বর্মার আত্মীয় স্বজনের খবর নেবার জন্যে ভিড় করেছে সামনে। দীপঙ্করও আর সকলের মত একটা ফর্ম চেয়ে নিলে। তারপর নাম-ঠিকানা ভর্তি করে এগিয়ে দিলে।

    ভেতরের ক্লার্কটা ফর্ম নিয়ে একবার পড়ে দেখলে।

    দীপঙ্কর জিজ্ঞেস করলে—কতদিন পরে খবর পাওয়া যাবে?

    ক্লার্কটা বললে—আপনি এক সপ্তাহ পরে একবার আসবেন।

    —অত দেরি হবে?

    ক্লার্কটা বললে—এ কি আর একটা-দু’টো লোকের ব্যাপার স্যার, লক্ষ-লক্ষ লোক— সকলের ট্রেস করা কি অত সহজ—?

    পেছনে অনেক লোক তখন দাঁড়িয়ে আছে। সকলকে কাটিয়ে দীপঙ্কর বাইরে বেরিয়ে এল। সমস্ত পৃথিবীর মুখোমুখি হয়ে দাঁড়ালো যেন দীপঙ্কর। এত সকাল-সকাল বাড়ি গিয়ে কার সঙ্গে কথা বলবে? কে আছে? সেই সন্তোষ-কাকা আর সন্তোষ-কাকার মেয়ে।

    সন্তোষ-কাকার মেয়ে সেদিনকার সেই ঘটনার পর যেন আরো জড়োসড়ো হয়ে গেছে।

    সন্তোষ-কাকা মেয়েকে বলে—দরকার নেই তোর ক্ষিরি, তোর কিসের দায়, তোকে বিয়েও করবে না কিছু না, তুই কেন খাটতে যাবি গতর দিয়ে! গতর কি সস্তা?

    তারপর রোয়াকের ওপর বসে মুড়ি চিবোতে চিবোতে বলে—আহা, কী যে দুর্মতি হয়েছিল আমার। কেন যে রসুলপুর থেকে এসেছিলাম সুখের দেশ ছেড়ে, ভীমরতি হয়েছিল রে ক্ষিরি, ভীমরতি হয়েছিল আমার —

    তারপর আবার মুড়ি চিবোয় আপন মনে।

    বলে—আর একটু গুড আছে রে ক্ষিরি-আর একটু গুড দিবি মা?

    ক্ষিরি এক ডেলা গুড ফেলে দিয়ে যায় বাটিতে।

    সন্তোষ-কাকা হাঁ হাঁ করে ওঠে। বললে—এ কী করলি? গুড চাইলুম বলে এতখানি গুড দিলি তাবলে? তাহলে দে, আর দু’টি মুড়ি দে, দেখিস্ আবার যেন বেশি দিয়ে ফেলিস নে, তাহলে আবার গুড দিতে হবে —

    দীপঙ্কর যখন বাড়ি ফিরলো তখন বেশ অন্ধকার হয়ে গেছে। আস্তে আস্তে পা দু’টোকে টেনে নিয়ে বাড়ির দরজার কাছে আসতেই পেছনে একটা ট্যাক্সির শব্দ হলো। ট্যাক্সিওয়ালা গাড়ি থেকে নেমে দীপঙ্করকে দেখে জিজ্ঞেস করলে, দীপঙ্করবাবুর বাড়ি কোন্‌টা।

    দীপঙ্কর অবাক হয়ে গেল। ট্যাক্সি করে এত রাত্রে কে আসবে তার বাড়িতে! বললে—আমারই নাম দীপঙ্করবাবু—

    গাড়ি থেকে ততক্ষণে একজন ইংরেজ ভদ্রলোক নেমে এসেছে। কোট, প্যান্ট, টাই—লম্বা চওড়া দশাসই চেহারা। দীপঙ্কর ভদ্রলোককে দেখেই এগিয়ে গেল। জিজ্ঞেস করলে—হুম্ ডু ইউ ওয়ান্ট প্লিজ?

    —আই ওয়ান্ট মিস্টার ডীপঙ্কর সেন—

    —ইয়েস্, হিয়ার আই য়্যাম!

    —আর ইউ?

    দীপঙ্কর তখনও অবাক হয়ে চেয়ে আছে। এত লোক থাকতে দীপঙ্করকে খুঁজতে কলকাতার এই প্রান্তে এসেছে কেন! কীসের দরকার? কী চায় তার কাছে? ভদ্রলোকের মুখে চুরোট, হাতে একটা পোর্টফোলিও ব্যাগ। ফরসা ধপ্ ধপ্ করছে মুখের রং।

    সাহেবটা একেবারে দীপঙ্করের মুখের কাছে মুখ এনে চাপা গলায় বললে—আই য়্যাম্ কিরণ।

    —কিরণ!!

    একেবারে চিৎকার করে লাফিয়ে উঠতে যাচ্ছিল দীপঙ্কর।

    কিন্তু কিরণ তার আগেই মুখে আঙুল চাপা দিয়ে দিয়েছে। —চুপ!

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80 81 82 83 84 85 86 87 88 89 90 91 92 93 94 95 96 97 98 99 100 101 102 103 104
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleবাবলি – বুদ্ধদেব গুহ
    Next Article কড়ি দিয়ে কিনলাম ১ – বিমল মিত্র

    Related Articles

    বিমল মিত্র

    সাহেব বিবি গোলাম – বিমল মিত্র

    May 29, 2025
    বিমল মিত্র

    বেগম মেরী বিশ্বাস – বিমল মিত্র

    May 29, 2025
    বিমল মিত্র

    আসামী হাজির – বিমল মিত্র

    May 29, 2025
    বিমল মিত্র

    কড়ি দিয়ে কিনলাম ১ – বিমল মিত্র

    May 28, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }