Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    কড়ি দিয়ে কিনলাম ২ – বিমল মিত্র

    বিমল মিত্র এক পাতা গল্প950 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    কড়ি দিয়ে কিনলাম ২.১৯

    ১৯

    রেলের আপিসের বাবুদের টেবিলে তখন অনেক কাজ। ওয়ার-ট্র্যাফিক মাথা খারাপ করে দিয়েছে সকলের। এজেন্টের আপিস থেকে সকালবেলা একটা অর্ডার আসে, দিল্লীর বোর্ড থেকে আসে উল্টো অর্ডার বিকেল বেলা। তারপর আছে লোক্যাল ট্র্যাফিক। কলকাতার সমস্ত লোক সার বেঁধে চেলেছে রেল-স্টেশনের দিকে। ডালহৌসী, স্ট্রান্ড রোড, হাওড়া-ব্রীজ ধরে একেবারে গ্র্যান্ড ট্রাঙ্ক রোড ধরে চলেছে মানুষের মিছিল। মানুষের কোলে ছেলে, মাথায় মোট! ঘোড়ার গাড়ির মাথায় মানুষের দল বসে বসে চলেছে। সমস্ত খাটাল উজাড় করে হিন্দুস্থানীরা চলেছে—সঙ্গে সঙ্গে চলেছে হাজার হাজার লক্ষ লক্ষ গরু-মোষ-ছাগল-ভেড়া। গরু-মোষের পাশাপাশি মানুষও চলেছে। কলকাতার মানুষ মরতে চায় না, তাই কলকাতা থেকে পালিয়ে বাঁচবে।

    সমস্ত আপিস যখন ছুটি হয়ে গেল, মধু এল ঘরে।

    দীপঙ্কর বললে—কিছু বলবি মধু?

    মধু বললে—সবাই চলে গেছে হুজুর!

    দীপঙ্কর বললে—তুইও যা, আমার যেতে দেরি আছে—

    তারপর ক্রমে সমস্ত আপিসই ঠান্ডা হয়ে এল। কোথাও কোনও শব্দ নেই। ওয়ার- ট্যাফিকের কাজ করতে করতে হঠাৎ মনে হলো কোথায় যেন একটা কী শব্দ হচ্ছে। হয়ত পাশের বাথরুমে করে জল পড়ছে টপ্ টপ্ করে। কিম্বা হয়ত ফাইলের গাদায় ইঁদুর ঢুকেছে। কিম্বা হয়ত সে-সব কিছুই নয়। অন্য শব্দ! বহুদিন আগে কলেজে পড়বার সময় হাইনের লেখা লাইনগুলো মনে পড়লো —

    In the silence one can hear a soft monotonous dripping. It is the dividends of the capitalists continously trickling in, continuously mounting up. One can literally hear them multiply, the profits of the rich. And one can hear too, in between, the low sobs of the destitute, and now and then a harsher sound, like a knife being sharpened.

    আজ এতদিন পরে দীপঙ্কর সেই পুরোন কথাগুলোর মানে যেন বুঝতে পারলে। কোথায় কিয়েভ, কোথায় ওডেসা, কোথায় খারকভ, কোথায় লেনিন-গ্র্যাড, কোথায় সেভাস্টোপল্–সেখানে যুদ্ধ করছে কারা, আর এখানে রেলের আপিসে চলেছে আর এক যুদ্ধ, আর এক লড়াই। টাকার লড়াই ডিভিডিন্ডের লড়াই, ব্রাইব আর ডিবচারির লড়াই।

    দীপঙ্কর উঠলো। তখনও সেই শব্দটা কানে আসছে। একটানা একঘেয়ে শব্দ। ডিভিডেন্ড, শেয়ার, ইন্টারেস্ট, প্রপার্টি। একটানা, একঘেয়ে। প্রমোশন, ট্র্যান্সফার, ইনক্রিমেন্ট।

    নির্মল পালিত সেই কথা বোঝাচ্ছিল প্রিয়নাথ মল্লিক রোডের বাড়িতে।

    —তোমরা যাবে না বাবা কলকাতা ছেড়ে?

    নির্মল পালিত বললে—আমি তো যেতে পারলে বাঁচতাম মা-মণি—কিন্তু যাই কী-করে বলুন?

    —কেন?

    নির্মল পালিত বললে—এই আপনার প্রপার্টির একটা ব্যবস্থা না করে যাই কী করে? আমি আপনার সব প্রপার্টি বেচে লিকুইড ক্যাশ করে দিয়ে তবে ছুটি পাবো, তার আগে নয়।

    মা-মণি বললে—তোমার বাবাই তো এর জন্যে দায়ী বাবা! আমি কি এ-সব চেয়েছিলুম? আমি বিধবা মানুষ, একটু ধর্ম-টর্ম করে শেষের ক’টা দিন কাটিয়ে দিতে পারলেই যথেষ্ট মনে করতুম। কিন্তু তোমার বাবাই সব কাল করে গেলেন—

    —কিন্তু রাতারাতি তো আর সংসার ছেড়ে যেতেও পারেন না আপনি।

    —হ্যাঁ, আমার আবার সংসার। সংসারের ওপর আমার ঘেন্না ধরে গেছে বাবা! টাকাগুলো ব্যাঙ্কে রেখে মাসে মাসে সুদ পেলেই আমি খুশী, সেই সুদ নিয়ে একটা জীবন আমার কাশীতেই কেটে যাবে—

    —কিন্তু সনাতনবাবু? তাঁকে দেখবার কে থাকবে এখানে?

    —যে-যার কপাল নিয়ে সংসারে এসেছে বাবা। আমি কী করবো। আমি তো তার ভাল করতেই চেয়েছিলুম আর তার ভালোর জন্যেই ছেলের বিয়ে দিয়েছিলুম। আজ যদি বউ ভাল হতো আমার তো ভাবনা ছিল না। এতদিনে ছেলে-পিলেতে ঘর ভরে যেত! কত বাড়িতে তো যাই, কত আনন্দ করে আছে সবাই দেখি। কিন্তু দেখ না, এ যেন ভূতের বাড়ি হয়েছে। যেন শ্মশানের মধ্যে বাস করছি বাবা! যেন শ্মশান, বাড়ি নয় তো! এবার একপাল শকুন এসে বাগানে বসে না কেন তাই ভাবি। এই দেখ না বাবা, আগে তবু মালী ছিল, গাড়িটা ছিল, ড্রাইভারও ছিল, রাগ করে সব বেচে দিলাম! সকলকে ছাড়িয়ে দিলাম—

    —কিন্তু কেন বেচলেন? টাকার জন্যে?

    মা-মণি আর কথা বাড়ালে না। বললে—থাকগে ও-সব কথা। ও-কথা ভাবতেও খারাপ লাগে বাবা। তুমি আসো তাই একটু যা কথা বলে সুখ পাই। তুমি তো সবই জানো, তোমাকে বলতে দোষ নেই—ছেলের সঙ্গেও আমার বাক্যালাপ পর্যন্ত বন্ধ!—আমি শ্মশানের বাস করছি বাবা, ক্যাওড়াতলার শ্মশানও এর চেয়ে ভাল আমার কাছে—

    হঠাৎ বাইরে কার জুতোর আওয়াজ পেতেই নির্মল পালিত মুখ ফেরালে। মা-মণিও ফিরে দেখলে।

    নির্মল পালিতই মুখ খুললে প্রথম। বললে—আরে তুই?

    দীপঙ্কর বললে—আমি সনাতনবাবুর সঙ্গে একবার দেখা করতে চাই—

    নির্মল পালিত মা-মণির মুখের দিকে একবার চাইলে।

    মা-মণি বললে—কী দরকার?

    দীপঙ্কর বললে—আমার বিশেষ জরুরী একটা দরকার আছে—

    অন্যদিনের চেয়ে দীপঙ্করের মুখটা যেন আরো গম্ভীর, আরো করুণ দেখালো!

    মা-মণি বললে—কী দরকার তোমার বলো?

    দীপঙ্কর যেন এতক্ষণে মা-মণিকে দেখতে পেয়েছে। সামনে গিয়ে পায়ের ধূলা নিয়ে মাথায় ঠেকালে। বললে—সনাতনবাবুর সঙ্গেই আমার দরকার ছিল—

    —তা তো ছিল, কিন্তু দরকারটা কীসের?

    —আমি একবার তাঁর সঙ্গে দেখা করবো!

    মা-মণি বললে—সে তো বুঝলুম, কিন্তু কীসের দরকার, সেইটে জিজ্ঞেস করছি—

    দীপঙ্কর বললে—আমি তো বলেছি, দরকার আমার তাঁর সঙ্গে!

    —আরে, এ তো দেখছি বড় আল্‌ল্টপকা মানুষ! আমি বলছি কীসের দরকার আর তুমি বলছো বিশেষ দরকার!

    তারপর নির্মল পালিতের দিকে ফিরে বললে—শুনলে তো বাবা, শুনলে তো?

    নির্মল পালিত সবই শুনেছিল। এতক্ষণে কাছে এল। বললে—কীরে, কী দরকার বল্ না? এই প্রপার্টি সম্বন্ধে কিছু বলবি? প্রপার্টি সম্বন্ধে কিছু যদি বলতে চাস তো আমাকে বলতে পারিস্। ঘোষ-ফ্যামিলির প্রপার্টি আমিই দেখাশোনা করি। বাড়ি কিনবি?

    দীপঙ্কর আরো গম্ভীর হয়ে উঠলো। বললে—সনাতনবাবু কি নেই বাড়িতে? আর থাকলে তাঁর সঙ্গে কি দেখা করতে দেওয়ার নিয়ম নেই?

    মা-মণি নির্মল পালিতের দিকে চেয়ে বললে—তুমি বাবা একটু বুঝিয়ে বলো তো একে যে, এ-বাড়ির মালিক আমি, আমাকে না-জিজ্ঞেস করে এ-বাড়ির ভেতরে কারো সঙ্গে কথা বলা যায় না—

    হঠাৎ শম্ভু কাছে এসে দাঁড়াল। বললে-দাদাবাবু আপনাকে ভেতরে ডাকছেন একবার—

    —কে ডাকছে রে শম্ভু?

    শম্ভু বললে—আজ্ঞে; দাদাবাবু! দাদাবাবু নিজের ঘর থেকে নতুন-দাদাবাবুর গলা শুনতে পেয়েছে —

    —শুনলে তো বাবা, শুনলে তো! শুনলে তো ছেলের কান্ড? আমি আর কী বলবো বলো, এরকম করলে মানুষের কি মাথার ঠিক থাকে! আর আমি একলা মানুষ, কত দিকে মাথা দেব! আমার এই সম্পত্তিই হয়েছে কাল! তোমার বাবা এই সর্বনাশটা আমার করে গিয়েছেন বাবা—যা ইচ্ছে করুক ওরা, আমার কী!

    নির্মল পালিত বললে—আপনি কোনও দিকে কান দেবেন না মা-মণি, আমি যতক্ষণ আছি, ততক্ষণ আপনি নিশ্চিন্ত থাকুন, এই দলিলটাতে সই করে দিন—এই তিনটে জায়গায়—

    ততক্ষণে দীপঙ্কর একেবারে সোজা সনাতনবাবুর শোবার ঘরে গিয়ে দাঁড়িয়েছে। বললে—কেমন আছেন সনাতনবাবু?

    —ভালো আছি দীপুবাবু। আপনি কেমন আছেন? দেখলেন তো আপনাকে আমি বলেছিলাম ওয়ার বাধবে। এ আর কেউ রোধ করতে পারবে না! রোধ করতে পারবে কী করে, বলুন?

    দীপঙ্কর চুপ করে রইল খানিকক্ষণ!

    সনাতনবাবু বলতে লাগলেন—কেবল হিটলারের দোষ দিচ্ছে চার্চিল সাহেব! কিন্তু হিটলারের কী দোষ বলুন। হিটলার না-থাকলেও লড়াই বাধতো। ছোট ছোট হিটলারে দেশ যে একবারে ভরে গেছে মশাই, কেউ কাউকে বিশ্বাস করছি না, কেউ কারোর উন্নতি সহ্য করতে পারছি না, কেউ কারোর দুঃখ বুঝছি না। আমাদের হাড়েই ঘুণ ধরেছে যে—

    দীপঙ্কর বললে—আমি একটা কাজের কথা বলতে এসেছি আপনার সঙ্গে—

    —তা এটাও তো কাজের কথাই দীপুবাবু, এটা ভাবছেন কাজের কথা নয়! এত বড় কাজের কথা আর আছে কী, বলুন তো! সমস্ত পৃথিবীসুদ্ধ লোকের মন-প্রাণ নিয়ে কাড়াকড়ি চলছে, আর আপনি বলছেন কাজের কথা নয় এটা!

    দীপঙ্কর বললে—কাজের কথা তো বটেই। কিন্তু আরো জরুরী কাজের কথা বলতে এসেছি আমি!

    —দেখুন দীপুবাবু, এ-যুদ্ধ আমাদের ঘর-সংসার সব বদলে দেবে, সব ভেঙে দেবে, এই আমি বলে রাখলুম। আমাদের ভালোটাও ভাঙবে, আমাদের খারাপটাও ভাঙবে! এ- যুদ্ধটাও আমাদের তাই দরকার ছিল—আমার তো তাই মনে হয়। আপনি কী বলেন!

    তারপর দীপঙ্করের গম্ভীর মুখটার দিকে নজর পড়তেই সনাতনবাবু বললেন— আপনি কি আপিস থেকে আসছেন? খুব কান্ত দেখাচ্ছে আপনাকে!

    দীপঙ্কর বললে—আমি সতীর কথা বলতে এসেছিলাম, মিসেস ঘোষের কথা—

    —সতীর কথা!—সনাতনবাবু যেন অবাক হয়ে গেলেন। বললেন—কিন্তু তিনি তো নেই দীপঙ্করবাবু, তিনি তো বাড়িতে নেই। জানেন দীপঙ্করবাবু আপনি শুনে অবাক হয়ে যাবেন, তিনি একদিন এ-বাড়ি ছেড়ে চলে গেছেন! এখানে আর তিনি থাকেন না!

    দীপঙ্কর বললে—সে আমি জানি। জানি বলেই তো এসেছি —

    সনাতনবাবু বললেন—আপনি জানেন? কিন্তু তিনি কেন চলে গেলেন বলুন তো! আমি তো অনেক করে থাকতে বললাম, কিন্তু তিনি আমাকে তাঁর সঙ্গে চলে যেতে বললেন! কিন্তু আমি কী করে যাই? আপনিই বলুন!

    তারপর একটু থেমে আবার বলতে লাগলেন—তিনি বড় ভালমানুষ ছিলেন, জানেন দীপঙ্করবাবু, এমন ভালো সচরাচর দেখা যায় না। আমি তো বিয়ের দিন থেকেই দেখে আসছি, বড় ভালো মানুষ ছিলেন। আমি তাঁকে বরাবর বলতাম, লেখাপড়ার মধ্যে মনকে ডুবিয়ে রাখতে, লেখাপড়ার মত বন্ধু তো আর নেই জগতে! কিন্তু তাঁকে আমি দোষ দেই না দীপঙ্করবাবু! তাঁর কোনও দোষ নেই, তিনি বড় ভালো মানুষ ছিলেন—

    তারপর আরো যেন কী বলতে যাচ্ছিলেন—দীপঙ্কর তার আগেই বললে—সব আমি জানি

    —আপনি সব জানেন?

    সনাতনবাবু যেন দীপঙ্করের কথার মধ্যে সতীর কাজের সমর্থন পেয়ে অকূলে কূল পেলেন। বললেন—আপনিও জানেন তিনি কি-রকম ভালো মানুষ ছিলেন? আপনি জানেন?

    দীপঙ্কর বললে—জানি বৈকি সনাতনবাবু, সতীর মত স্ত্রী পাওয়া যে-কোনও পুরুষের পক্ষে সৌভাগ্য!

    সনাতনবাবুর মুখে একটা হাসির রেখা ফুটে উঠল এতক্ষণে । বললেন—তাহলে তো আপনিও জানেন দেখছি! আর জানবেন নাই-বা কেন? আপনি তো ছোটবেলা থেকেই দেখে আসছেন! কিন্তু আরো অনেক জিনিস জানি, যা আপনিও জানেন না দীপঙ্করবাবু!

    —কী জিনিস?

    সনাতনবাবু বললেন—স্ত্রীলোকের সমস্ত ভূষণ তাঁর মধ্যে আছে দীপঙ্করবাবু। শাস্ত্রে যে-সব গুণ থাকলে স্ত্রীলোককে স্ত্রী-রত্ন বলা হয়, তার সমস্তগুলি তাঁর মধ্যে বর্তমান । আপনি ঠিকই বলেছেন, যে-কোনও পুরুষের পক্ষেই অমন স্ত্রী পাওয়া সৌভাগ্য!

    —কিন্তু তিনি এখন কোথায় আছেন, জানেন আপনি?

    সনাতনবাবু বললেন—না তো!

    দীপঙ্কর বললে—আপনি হয়তো শুনে অবাক হয়ে যাবেন, তিনি এখন আমাদের আপিসে চাকরি করছেন ।

    -তাই নাকি? সে তো বড় বিচিত্র অভিজ্ঞতা!

    দীপঙ্কর বললে—সেই কথাই আমি আপনাকে জানাতে এসেছি, এমন এক জায়গায় চাকরি করছেন যেখানে চাকরি করলে মানুষের মনুষ্যত্বে কলঙ্ক লাগে, এখন আপনি আপনার যা-বিবেচনা হয় করুন!

    সনাতনবাবু যেন মহা-সমস্যায় পড়লেন। বললেন—কিন্তু দীপঙ্করবাবু, আমার তো বিবেচনা হচ্ছে ভালোই করেছেন তিনি। সংসারের মধ্যেই কি কম আবিলতা মনে করেন! যত ছোট বা যত বড়ই সংসার হোক, তার মধ্যে থেকেও তো মনুষ্যত্বকে নিষ্কলঙ্ক রাখবার উপায় নেই আজ, আর চাকরি করলেই যত দোষ !

    –তা হলে আপনিও তার চাকরি করা সমর্থন করেন?

    সনাতনবাবু বললেন—না, তা করি না! আমি তো তাঁর বাড়ি ছেড়ে চলে যাওয়াই সমর্থন করি না। আপনাদের আপিসেই তো তিনি চাকরি করেন, তা আপনি একবার দেখা হলে তাঁকে একটা কথা জিজ্ঞেস করবেন?

    –বলুন, কী জিজ্ঞেস করবো?

    সনাতনবাবু বললেন—এই কেন তিনি চলে গেলেন? আমি নিজে তো কোনও দোষ করিনি!

    দীপঙ্কর বললে— আপনি তো নিজেই সেই কথাটা জিজ্ঞেস করতে পারেন!

    সনাতনবাবু বললেন—তা পারি বৈ কি! আমি নিজেও জিজ্ঞেস করতে পারি

    —আপনার অসুখটা সেরে গেলে একদিন আপিসে যাবেন। আমি একদিন তাঁর সঙ্গে আপনার দেখা করিয়ে দেব! আপনার শরীরটা তার আগে একটু ভালো হোক !

    সনাতনবাবু বললেন—আপনি তো ভালো প্রস্তাবই করেছেন। তা শরীর আমার এমন কিছু খারাপ নয়, আমি কালকেই যেতে পারি। ট্যাক্সি করে যেতে হবে। আমাদের গাড়িগুলো মা-মণি বিক্রি করে দিয়েছেন, আপনি জানেন তো! তিনি চলে যাবার পর এ- বাড়ির সব কিছু বদলে গিয়েছে, আপনি তাঁকে বলবেন—

    –সে তো আপনি গিয়েও বলতে পারেন!

    –তা আমিও গিয়ে বলতে পারি! আমার বলতে কীসের আপত্তি! আমার সঙ্গে তো  তাঁর কোনও মনোমালিন্য হয়নি দীপঙ্করবাবু যে আমি বলতে পারবো না। আপনি আপিসে যাবার সময় আমাকে নিয়ে যাবেন। আমি সব বলবো। আপনার সঙ্গে যা-যা কথা হলো সব বলবো! আমার বলতে আপত্তি কীসের!

    দীপঙ্কর বললে—আপনি তাকে চাকরি করতে বারণ করবেন সনাতনবাবু! আমি বারণ করেছি, কিন্তু আপনি বারণ করলে সে কিছুতেই এড়াতে পারবে না। আপনার কথা অমান্য করতে পারবে না সতী! আপনি তাকে চাকরি করতে বারণ করবেন, বাড়িতে ফিরে আসতে বলবেন। আমার কথা সে না শুনুক, আপনার কথা শুনবেই, আপনার কথা ফেলতে পারবে না কিছুতেই—

    সনাতনবাবু বললেন—তা বলবো, কিন্তু আপনি উঠলেন কেন, বসুন না—

    দীপঙ্কর চলে যাবার জন্যে উঠে দাঁড়িয়েছিল, আবার বসলো। দীপঙ্করের মনে হলো একদিন অনেক দিন আগে এই বাড়িতে আসতেই তার কেমন রোমাঞ্চ হয়েছিল, আর আজ সমস্ত বাড়িটা যেন শূন্য হয়ে গেছে। যেন খাঁ খাঁ করছে সমস্ত বাড়িটা। ঘরের জানলা দিয়ে বাগানটার দিকে চেয়ে দেখলে। বাগানে সেই ফুলের কেয়ারি নেই। অনেক ঘাস গজিয়ে জায়গাটাকে জঙ্গলে পরিণত করেছে।

    সনাতনবাবু বললেন—আপনার জলযোগের ব্যবস্থা করতে বলি শম্ভুকে, আপনি আপিস থেকে আসছেন—

    দীপঙ্কর আপত্তি করলে। বললে—ব্যস্ত হবেন না, আমি এখান থেকে বাড়ি চলে যাবো—

    সত্যি বাড়িতেই বা কে আছে দীপঙ্করের। সেই মা তো আর নেই। কে-ই বা তার জন্যে পথের দিকে চেয়ে বসে থাকবে মা’র মতো! দীপঙ্কর সনাতনবাবুর দিকে চেয়ে দেখতে লাগলো। একদিন এই ঘরেই সতী থাকতো। এই ঘরেই সতী শুতো, এই ঘরেই বাস করতো। এই ঘরেই খিল বন্ধ করেই সনাতনবাবুকে ঘরে ঢুকতে দেয়নি সতী। সতীর জীবনের কতদিনের ইতিহাস এই ঘরের সঙ্গে জড়িয়ে আছে। এই ঘরেই দিনের পর দিন, রাতের পর রাত একলা কেটেছে সতীর। এই ঘরের ভেতরেই যেন সতীর সান্নিধ্যের উত্তাপ লেগে আছে।

    অনেক দিন পরেও দীপঙ্করের এই ঘটনাটার কথা মনে পড়তো। এতদিন পরে এই দিনকার কথা ভাবতে গিয়ে আবার একটা দীর্ঘশ্বাস বেরিয়ে এল হৃৎপিন্ড ভেদ করে। এমনি করেই বোধহয় একদিন মানুষের সব স্বপ্ন-সৌধ ভেঙে চুরমার হয়ে যায়। এমনি করেই বোধহয় অলক্ষ্য কাল এসে সব কামনা-বাসনাকে গ্রাস করে। এমনি করেই একদিকে ভাঙে, আর একদিক গড়ে তোলবার জন্যে! কিন্তু প্রিয়নাথ মল্লিক রোডের এত বড় স্বপ্নটাকে ভেঙে মহাকালের কী লাভ হলো! কার উপকার হলো? সনাতনবাবুর, না দীপঙ্করের, না সতীর—কার?

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80 81 82 83 84 85 86 87 88 89 90 91 92 93 94 95 96 97 98 99 100 101 102 103 104
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleবাবলি – বুদ্ধদেব গুহ
    Next Article কড়ি দিয়ে কিনলাম ১ – বিমল মিত্র

    Related Articles

    বিমল মিত্র

    সাহেব বিবি গোলাম – বিমল মিত্র

    May 29, 2025
    বিমল মিত্র

    বেগম মেরী বিশ্বাস – বিমল মিত্র

    May 29, 2025
    বিমল মিত্র

    আসামী হাজির – বিমল মিত্র

    May 29, 2025
    বিমল মিত্র

    কড়ি দিয়ে কিনলাম ১ – বিমল মিত্র

    May 28, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }