Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    কড়ি দিয়ে কিনলাম ২ – বিমল মিত্র

    বিমল মিত্র এক পাতা গল্প950 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    কড়ি দিয়ে কিনলাম ২.৩৩

    ৩৩

    প্রিয়নাথ মল্লিক রোডের বাড়িতে মা-মণি নিজের বিছানায় শুয়েও শান্তি পাচ্ছিলেন না। একবার উঠে দাঁড়িয়ে বাইরের বারান্দায় এলেন। চারিদিকে চেয়ে দেখলেন। দুপুর গড়িয়ে গেল। নিচের রান্নাবাড়ির উঠোনে তখন বাসন-মাজার ঘ-ঘ শব্দ হচ্ছে। এখনও ফিরে এল না। এখনও শব্দ হল না গাড়ির। তারপর আবার বিছানায় গিয়ে বসলেন। কিন্তু শুতে গিয়েও শুতে পারলেন না।

    রান্নাবাড়িতে বাতাসীর মা বললে—মাগীর এখন হয়েছে কী, সবে তো কলির সন্ধ্যে, যখন বউ এসে শাশুড়ীর মুখে ঝামা ঘষবে, তখন শিক্ষা হবে! ওলো সেই কথায় আছে না—ভালো দেখে বউ আনলাম ঘরে, বাঁশ দেখে বউ বাজি করে—

    কৈলাস বললে—দাদাবাবু বৌদিমণিকে আনতেই তো গেচে বাতাসীর মা! তা বুঝি জানো না—

    বাতাসীর মা বললে—জানি রে জানি, জানতে কিছু বাকি থাকে না বাতাসীর মা’র— মাগীর হেনস্থা দেখবো বলেই তো বসে আছি এখনও এ-বাড়িতে, নইলে কবে চলে যেতুম—

    ওপর থেকে চিৎকার এল—হ্যাঁরে, রান্নাঘরে অমন চেঁচায় কে রে? তোরা একটু জিরোতে দিবিনে আমাকে।

    কথাটা কানে যেতেই সবাই চুপ করে গেল। বাতাসীর মা দাঁতে দাঁত চেপে বললে—তোর বুড়ীর হয়েছে কী এখন? হামানদিস্তে দিয়ে ওই বউ এসে তোর দাঁতের গোড়া ভাঙবে, তবে জিরোতে দেব। একেবারে ক্যাওড়াতলার শ্মশানে গিয়ে তবে জিরোবি তুই—

    সমস্ত বাড়িতেই এই রকম চলছিল কয়েকদিন ধরে। দিনের পর দিন এমনি আলোচনাই চলে রান্নাবাড়িতে। একদিন এই বাড়িরই জলুস ছিল কত। সব তারা দেখেছে। একদিন এই বাড়ির জাঁক-জমক দেখে তারা অবাক হয়ে গেছে। প্রিয়নাথ মল্লিক রোডের অন্য দশটা বাড়ির ঝি-চাকরদের সঙ্গে কথা হয়েছে এই নিয়ে।

    তারা বলেছে—তোদের কী বাছা, তোরা মনিব পেয়েছিস্ ভালো, তোদের চাকরি করেও সুখ—

    আর পাঁচটা বাড়ির চেয়ে ঘোষ-বাড়িতে মাইনে বেশি। ইজ্জত বেশি। বছরে দু’খানা কাপড়, একখানা গামছা। তারপর তেল দোক্তা পান তামাক, সবই আছে। সকালবেলা জলখাবারে রুটি, আখের গুড। সন্ধ্যেয় মুড়ি। আর দু’ গেলাস চা দু’বেলা।

    পাড়ার লোকে বলতো—ঘোষ-বাড়ির ঝি-চাকর আমাদের বাড়ি চলবে না বাছা, ওরা হলো গিয়ে জমিদার, আর আমরা গেরস্ত-পোষা মানুষ, তুমি অন্য বাড়িতে চেষ্টা দেখ বাছা—

    সেই বাড়িরই আজ এই হেনস্থা। ভূতির-মা কাজের চেষ্টায় এদিক-ওদিক ঘোরে। একবার কাজের ফাঁকে কালিঘাটটা ঘুরে আসে। চড়কডাঙার বাবুদের বাড়িটাতেও খোঁজ নিয়ে আসে।

    তারা বলে—তা ওরা ছাড়িয়ে দিচ্ছে কেন গা?—

    ভূতির-মা বলে—ওদের লোকের আর দরকার নেই মা—

    —তা হঠাৎ দরকার নেই-ই বা কেন শুনি?

    —কী জানি মা, মনিবদের ভেতরের কথায় তো আমরা থাকিনে। তবে শুনছি নাকি, ব্যাঙ্কের টাকা চুরি হয়ে গেছে বাবুদের।

    ব্যাঙ্কের টাকা-চুরির কথাটা কেউ বিশ্বাস করে না। তাই নাকি আবার হয়। তারপর আসল কথাটা বেরিয়ে পড়বে। বলে—হ্যাঁগা বাছা, তোমাদের বউ ফিরেছে?

    ভূতির মা বলে—না মা, ফেরেনি—

    —তা কোন্ পাড়ায় ঘর ভাড়া নিয়েছে তোমাদের বউ, সোনাগাছি না রামবাগান? শুনেছ কিছু?

    তারপর হতাশ হয়ে বলে—আর ফিরেছে! অমন শাশুড়ীর কাছেও যখন ঘর করতে পারলে না, তখন আর ফিরেছে সে বউ!

    শুধু চড়কডাঙা নয়। ওই চাউলপটি, লখার মাঠ, সব পাড়ার লোকই জানে ঘোষ- বাড়ির বউ-এর কীর্তি। এসব পাড়ার বনেদী বাড়ির মধ্যে আসা-যাওয়া না থাকলেও পরস্পরের হাঁড়ির খবর পরস্পরে রাখে। আর সেসব খবর এই ভূতির মা বাতাসীর- মারাই বয়ে নিয়ে যায়। এই বৌদিমণির বিয়ের সময়ই সমস্ত ভবানীপুর ঝেঁটিয়ে লোক এসেছিল নেমন্তন্ন খেতে। এ-বাড়ির ঐশ্বর্য তারা দেখেছে নিজের চোখে। দেখে হিংসে হয়েছে, বুকে জ্বালা হয়েছে। আজ এ-বাড়ির পতনের খবর পেয়েও তাই তারা উল্লসিত হয়, আনন্দ পায়।

    বাতাসীর-মা রেগে ওঠে। বললে—তা তুই কেন বললিনে, আমরা খাই ভাতারের ভাত, তোদের কেন গালে হাত?

    কৈলাস বলে—পড়শীরা অমন বলবেই বাতাসীর-মা, পড়শীর কথায় কান দিলে চলে?

    ভূতির মা বলে—আমারও যেমন হয়েছে পেটের জ্বালা, কবে সরকারবাবু ছাড়িয়ে দেবে, তখন হা-ভাত হা-ভাত করে ঘুরে বেড়াবো—

    তা হা-ভাত হা-ভাত করে ঘুরে বেড়ানোর দশাই বটে। বছর খানেকও কাটেনি, কলকাতার লোক পিল পিল্‌ করে সব পালিয়ে গিয়েছিল কলকাতা ছেড়ে, আবার সবাই ফিরে এসেছে। আবার রাস্তা ঘাটে মানুষের ভিড়। আবার দোকান-পাটে খদ্দের আনা- গোনা করছে।

    সবে তখন খাওয়া-দাওয়া চুকেছে। বাসাতীর-মা কলতলায় দাঁড়িয়ে কুলকুচো করছে, এমন সময় বাইরের গেটে গাড়ি এসে দাঁড়ালো।

    —কে এল রে কৈলাস?

    কৈলাস ছিল নিচেয়। ডাক শুনেই দৌড়ে গেল। বললে—আমায় ডাকছেন মা-মণি। –তোর মুখ দেখতে ডেকেছি নাকি হতচ্ছাড়া? বাইরে কার গাড়ি এল দেখবি তো? তোকে বলে রেখেছিলুম না—

    —এই যাচ্ছি মা-মণি—

    কৈলাস চলেই যাচ্ছিল নিচেয়। মা-মণি আবার ডাকলেন। অস্থির হয়ে এতক্ষণ পায়চারি করছিলেন তিনি। একবার ঘর, আর একবার বার। কখন যে এসে পড়ে তার ঠিক নেই। হাসপাতাল থেকে সোজা হয়ত এখানেই নিয়ে আসবে খোকা। দরকার নেই, কাউকে দরকার নেই। সমস্ত পুড়ে-ঝুড়ে থাক। শ্বশুরের এই সম্পত্তি সব নষ্ট হয়ে যাক। কার জন্যে আর সংসার করা। আমি মরি-বাঁচি করে না-খেয়ে না-পরে এতদিন ধরে কার জন্যে এই সংসার আগলে আছি? রাত্রে আমার ঘুম নেই, দিনে আমার সোয়াস্তি নেই, সব সেই পোড়ারমুখীর জন্যে!

    —আয়, শুনে যা, যদি কেউ ঢোকে এ-বাড়িতে তো তোরই একদিন কি আমারই একদিন।

    কৈলাস কেমন থতমত খেয়ে গেল। বললে— আজ্ঞে, দাদাবাবু যে আজকে খায়নি এখনও—

    —দাদাবাবু হোক, আর যেই হোক, কাউকে ঢুকতে দিবিনে, এ আমার বাড়ি। আমি যদি কাউকে ঢুকতে না দিই তো কা’র কী? যা—

    —আজ্ঞে, শম্ভুও গেছে দাদাবাবুর সঙ্গে, দাদাবাবু বৌদিমণিকে নিয়ে আসবে বলেছে—

    —চোপরাও হারামজাদা! আমার কথার ওপর আবার কথা!

    এবার আর দাঁড়াবার ভরসা হলো না কৈলাসের। তরতর করে নেমে এল নিচেয়। তারপর একেবারে সদর গেটের কাছে যাবার আগেই গাড়িটা ঢুকে পড়েছে ভেতরে। ইঁট বাঁধানো রাস্তাটার ওপর গাড়িটা দাঁড়িয়ে ছিল। ভেতরে কে একজন সাহেব-পানা লোক। অনেকটা ব্যারিস্টারবাবুর মত দেখতে।

    কৈলাস কাছে যেতেই সাহেব বললে—বাড়িতে কে আছে?

    কৈলাস বললে—হুজুর, আপনি ভেতরে গাড়ি ঢুকিয়েছেন কেন? গাড়ি বাইরে নিয়ে যান, বাইরে নিয়ে যান—

    মিস্টার ঘোষাল এত সহজে পেছপাও হবার লোক নয়। আবার জিজ্ঞেস করলে— বাড়িতে কে আছে তোমাদের?

    কৈলাসও কম নয়। বললে-আজ্ঞে যেই থাকুক, দেখা হবে না—গাড়ি আপনার বাইরে নিয়ে যান—

    মিস্টার ঘোষাল বলে—মিসেস্ ঘোষ ভেতরে আছেন? আমি তাঁর সঙ্গে একবার দেখা করবো—

    কৈলাস বললে—দেখা করবার হুকুম নেই সাহেব, বাড়ির ভেতরে গাড়ি ঢোকবার হুকুম নেই মা-মণির

    —তোমার মা-মণির সঙ্গে একবার দেখা হবে না? তোমার মা-মণিকে গিয়ে বলো না মিস্টার ঘোষাল এসেছেন, একবার দেখা করতে চান—

    —আপনি তো ভারি বে-আক্কেলে লোক দেখছি, আমি তো হুকুমের চাকর, আমার ওপর তম্মি করেন কেন? বলছি হুকুম নেই! এ-বাড়িতে কাউকে ঢুকতে দেবার হুকুম নেই—

    মিস্টার ঘোষাল এবার কী করবে বুঝতে পারলে না। বললে—বাড়িতে আর কেউ নেই?

    —আর কে থাকবে? দাদাবাবু ছিল, তা সেই দাদাবাবুও তো বেরিয়েছেন। বৌদিমণিকে হাসপাতাল থেকে আনতে গেছেন—

    —আর কেউ? কোনও পুরুষ মানুষ! যে কেউ হলেই চলবে। আমার জরুরী কাজ ছিল একটা।

    —আপনি অন্য সময় আসবেন। এখন বাইরে যান দিকি, আমি গেট বন্ধ করে দিই—

    মিস্টার ঘোষাল কী করবে বুঝতে পারলে না। তারপর বললে—ঠিক আছে, পরে আমি আসবো—

    —আজ্ঞে হ্যাঁ, তাই ভালো, পরে আসবেন।

    গাড়িটা ঘুরলো এবার। ঘুরে রাস্তায় গিয়ে পড়লো। সামনেই সেই বাড়িটা। ভাড়া নিয়েছিল ঘোষাল। বাড়ির সামনে গিয়ে দরজার কড়া নাড়তে লাগলো জোরে জোরে।

    —মিস্টার মিত্র আছেন?

    একটা চাকর বেরিয়ে এল। বললে-বাবু তো মধুপুরে গিয়েছেন, এখনও আসেননি—

    মিস্টার ঘোষাল বললে—কবে আসবেন?

    —আজ্ঞে তা আমি জানি না।

    মিস্টার ঘোষাল বললে-এ-বাড়ি আমার নামে ভাড়া নেওয়া আছে, দু’ মাসের অ্যাডভান্স দিয়ে গেছি আমি তোমার বাবুকে।

    —আজ্ঞে, সে বাবু সব জানেন। আমি জানি না। মা-বাবু-দাদাবাবু-দিদিমণি সবাই মধুপুরে, আমি কিছুই জানি না।

    —তা বাড়ি যেন আর কাউকে ভাড়া না দেওয়া হয়, তুমি তোমার বাবুকে জানিয়ে দেবে।

    —আপনি কবে থেকে আসবেন বাবু?

    মিস্টার ঘোষাল বললে—সে আমার সুবিধে হলেই আসবো। আর আমি আসি আর না-আসি তাতে তোমার বাবুর কী? আমি ভাড়া দিলেই তো হলো?

    চাকরটা মিস্টার ঘোষালের কাছে ধমক খেয়ে থেমে গেল। আর কিছু বললে না। মিস্টার ঘোষালও আবার গাড়িতে এসে উঠলো। মিস্টার ঘোষালের কাছে সারা পৃথিবীটাই যেন রেলের আপিস। এ যেন তারই জমিদারী। তার নিজের ট্র্যাফিক ডিপার্টমেন্ট। ট্র্যাফিক ডিপার্টমেন্টের সবাই তার আন্ডারে। এই প্রিয়নাথ মল্লিক রোডের সমস্ত বাসিন্দারাই যেন তার ক্লার্ক। মিস্টার ঘোষালের একটা কলমের খোঁচায় ক্লার্কদের যেন এক মুহূর্তে প্রমোশন হয়ে যেতে পারে! পুওর ক্লার্কস। দে আর বর্ন টু বি ক্লার্কস! পুওর সোলস্!

    সকাল থেকেই মিস্টার ঘোষালকে যেন কেউ তার জমিদারী থেকে উৎখাত করেছে। তাড়িয়ে দিয়েছে। ক্লাস ওয়ান গভর্নমেন্ট অফিসার মিস্টার ঘোষাল! হাজরা রোডের মোড়ে গাড়িটা দাঁড়াতেই একটা ভিখিরি জানালায় হাত বাড়াল।

    —সায়েব, একটা পয়সা সাহেব, একটা পয়সা—

    মিস্টার ঘোষালের ডি-টি-এস মনটা চিৎকার করে উঠলো—গেট আউট—গেট আউট—

    তবু ভিখিরিটা নড়ে না। একটা পয়সা সাহেব, গরীব আদমী, একটা পয়সা—

    —ইউ সিলি বীচ, গেট আউট ফ্রম হিয়ার, গেট আউট—

    পুলিসের হাত নামতেই গাড়িটা ছেড়ে দিলে। তারপর ট্রাম-লাইন ধরে সোজা রাস্তা। তারই ডান দিকে হরিশ মুখার্জি রোড। নাম্বারটা মনে আছে মিস্টার পালিতের। দ্যাট শ্রুড ল-ইয়ার। মিসেস্ ঘোষের বার-য়্যাট-ল।

    তখন নতুন এক সমাজ গড়ে উঠছে পৃথিবীতে। ইস্ট-ইন্ডিয়া কোম্পানীর আমলে যে নতুন দল উঠেছিল, এরা তারা নয়। এরা আর এক নতুন দল। আর এক নতুন সমাজ। এরা একদিন রাস্তার লোক ছিল। এরা কেউ স্কুল-মাস্টার, কেউ দোকানদার, কেউ সেলসম্যান। কেউ গেজেটেড অফিসার। এরা ধূলো-মুঠো ধরছে আর সোনা-মুঠো করছে। এরা কুইনাইন কিনছে তিন টাকায়, বেচছে তিন শো টাকায়। ধান, চাল, ওষুধ,—যা কিছু ইচ্ছে ধরতে পারো, হোর্ড করতে পারো, তারপর একমাস পরে বেচলেও লাভ। রাতারাতি নতুন সমাজ গড়ে উঠলো তাদের নিয়েই এই কলকাতা শহরের বুকে। তাদের দলে নতুন নাম লিখিয়েছে মিস্টার ঘোষাল। উনিশশো বিয়াল্লিশের নতুন প্রোডাক্ট। বংশগৌরব থাকার আর দরকার নেই এখন। কানেকশন থাকারও দরকার নেই। ঢাকা থাকলেই প্রেস্টিজ। তোমার টাকা আছে তাহলেই তুমি আমাদের দলে। তোমাকে তাহলেই আমরা দলে টেনে নেব। সেই ফিউডালিজম-এর নবাবিআনার দিন চলে গেছে। এখন নিও-অ্যারিস্ট্রোক্রাসির ঢেউ এসেছে। আমরা নিও- অ্যারিস্ট্রোক্রাট। লেটেস্ট মডেলের গাড়ি আছে তোমার? ফরেন-এডুকেশন আছে? তা- থাক আর না-থাক, তোমার টাকা আছে জানলেই আমরা আমাদের সমাজে তোমাকে ঠাঁই দেব। চুরি করেই হোক আর ডাকাতি করেই হোক, কিম্বা ঘুষ নিয়েই হোক আর ব্ল্যাক-মার্কেট করেই হোক—অনেক টাকা তোমার থাকা চাই-ই।

    অঘোরদাদুরও টাকা ছিল। কিন্তু সে টাকা দিয়ে চলবে না। সে টাকা সিন্দুক বন্দী করা টাকা। তার ইউটিলিটি নেই। সে স্থাণুর মত সমাজে অকেজো হয়ে পড়ে আছে। তাকে আমরা দলে নেব না। নয়নরঞ্জিনী দাসীরও টাকা ছিল। কিন্তু সে তো বংশানুক্রমিক টাকা। উত্তরাধিকারীসূত্রে পাওয়া। সঞ্চয়ী-বৃত্তি থেকে তার উৎপত্তি। সে টাকা পরের ঘাড় ভেঙে উপায় করা। সে টাকাও বাতিল। কিন্তু আমাদের টাকা অন্যরকম। আমরা মিস্টার ঘোষাল, আমরা সুধাংশু, আমরা লক্ষ্মীদির দল। এতদিন আমাদের অস্তিত্ব ছিল না। চোর ছিল, ডাকাত ছিল, খুনী ছিল দেশে। কিন্তু বড়লোক- চোর বড়লোক-ডাকাত বড়লোক-খুনী ছিল না। এরা কথায়-কথায় মিনিস্টার, গভর্নর দেখাতে লাগলো। এরা আপিসের পর লক্ষ্মীদির বাড়িতে গিয়ে ফ্ল্যাশ খেলার জুয়ায় রিক্রিয়েশন খোঁজে। এরা প্যালেস-কোর্ট থেকে বেরিয়ে মিস্ মাইকেলের ফ্ল্যাটে যায়। এরা নেশা করে, কিন্তু হুঁশিয়ার হয়ে করে। এরা ফ্ল্যাশ খেলে, কিন্তু সজ্ঞানে খেলে। কলকাতার বুকে তখন এই এদেরই রাজত্ব। এদেরই প্রতিপত্তি। এদেরই প্রবল প্রতাপ মিস্টার ঘোষালের ভিড়ে তখন কলকাতা ভরে গেছে। সুধাংশুদের প্রভাবে তখন কলকাতা ডুবে গেছে। যুদ্ধের শুরু থেকেই তারা প্রভাবে, প্রতিষ্ঠায়, প্রতিপত্তিতে, সংখ্যায় কেবল বেড়ে চলেছে।

    —ইজ মিস্টার পালিত ইন্‌?

    কয়েকটা পুলিস তখন পাহারা দিচ্ছে নির্মল পালিতের বাড়ির সামনের পৈঠের ওপর বসে। টবের ওপর গাছগুলো শুকিয়ে গেছে। খাঁচাটা ঝুলছে শুধু পাখী নেই। কিন্তু কুকুরটা তখনও জিভ বার করে নিঃশ্বাস টানছে।

    —ইজ মিস্টার পালিত ইন্‌?

    কে আর উত্তর দেবে এ কথার? মিস্টার ঘোষাল নাম্বারটা মিলিয়ে দেখেছিল। কোনও ভুল নেই। গেটের বাইরে এন-কে-পালিত, বার-য়্যাট-ল লেখা ট্যাবলেটটা তখনও আঁটা।

    —কোঠিমে কোই নেই হুজুর।

    মিস্টার ঘোষাল অবাক হয়ে গিয়েছিল আগেই। এবার আরো অবাক হয়ে গেল। কেন? বাড়িতে নেই কেন? সামথিং রং ইন দি স্টেট অব ডেনমার্ক?

    পুলিস দুটো মিস্টার ঘোষালের চেহারা দেখে একটু সমীহ করে কথা বললে। মিস্টার ঘোষাল সবটা শুনে কেমন হয়ে গেল যেন! হলো কী তাহলে? ভদ্রলোকের পক্ষে ক্যালকাটা সিটিতে কি আর থাকা চলবে না! ও হেল! পুলিস কমিশনার তাহলে আছে কী করতে? সার জন হারবার্টকে আজকেই বলতে হবে। ফজলুল হককেও রিং করতে হবে! কোনও জেন্টেলম্যানের পক্ষে দেখছি আর এখানে থাকা সম্ভব নয়—এই ক্যালকাটা সিটিতে!!

    —ও হেল্!

    আর একবার ‘ও হেল্’ বলে মিস্টার ঘোষাল গাড়িতে উঠলো। সমস্ত দিনটাই আজ তার বাজে নষ্ট হলো। গাড়িতে ওঠবার মুখেই হঠাৎ একটা চিৎকার কানে গেল। হকাররা চিৎকার করতে করতে দৌড়ে আসছে—টেলিগ্রাফ—টেলিগ্রাফ

    হকারটা কাছে আসতেই মিস্টার ঘোষাল একটা কাগজ কিনলে। দু’পয়সা দামের একস্ট্রা-অর্ডিনারি ইসু।

    —গান্ধীজী গ্রেপ্তার—গান্ধীজী গ্রেপ্তার—

    গাড়ির ভেতরে বসেই মিস্টার ঘোষাল পড়তে লাগলো—মহাত্মা গান্ধী, আবুল কালাম আজাদ, সর্দার বল্লভভাই প্যাটেল, পন্ডিত জওহরলাল নেহরু, মিসেস্ সরোজিনী নাইডু সবাই অ্যারেস্টেড। বোম্বাই থেকে স্পেশ্যাল ট্রেনে করে তাদের পূণায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

    রাইলি সার্ভড়। রাইলি সার্ভড্‌।

    মিস্টার জিন্না স্টেটমেন্ট দিয়েছে—

    deeply regret that the Congress has finally declared war and has launched a most dangerous mass movement in spite of numerous warnings and advice from various individuals, parties and organisations in this country.

    .

    পড়তে পড়তে মিস্টার ঘোষাল যেন এতক্ষণে একটু শান্ত হলো। সারাদিনের ব্যর্থতা আর অপমানের যেন প্রতিশোধ নিতে পেরেছে এতক্ষণে।

    রাইলি সার্ভড্। রাইলি সার্ভড্—

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80 81 82 83 84 85 86 87 88 89 90 91 92 93 94 95 96 97 98 99 100 101 102 103 104
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleবাবলি – বুদ্ধদেব গুহ
    Next Article কড়ি দিয়ে কিনলাম ১ – বিমল মিত্র

    Related Articles

    বিমল মিত্র

    সাহেব বিবি গোলাম – বিমল মিত্র

    May 29, 2025
    বিমল মিত্র

    বেগম মেরী বিশ্বাস – বিমল মিত্র

    May 29, 2025
    বিমল মিত্র

    আসামী হাজির – বিমল মিত্র

    May 29, 2025
    বিমল মিত্র

    কড়ি দিয়ে কিনলাম ১ – বিমল মিত্র

    May 28, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }