Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    কড়ি দিয়ে কিনলাম ২ – বিমল মিত্র

    বিমল মিত্র এক পাতা গল্প950 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    কড়ি দিয়ে কিনলাম ২.৪৬

    ৪৬

    মানুষের জীবনের একপ্রান্তে আছে অস্তি, আর একপ্রান্তে নাস্তি। এই ‘হাঁ’ আর ‘না’র মধ্যে দিয়ে জীবনের গতি মহাজীবনের দিকে এগিয়ে চলেছে। ঠিক ঘড়ির দোলকের মত। একবার সে বাইরে আসে, আবার ভেতরে। একবার বলে আমি সংসারের মধ্যে বাঁচবো, আর একবার বলে সংসারের বাইরে।

    সেদিন মিস্টার ঘোষাল চলে যাবার পর অনেকক্ষণ সতী চুপ করে দাঁড়িয়ে ছিল দরজায় খিল লাগিয়ে দিয়ে। পেছনে রঘু এসে ডাকতেই যেন সংবিত ফিরে এসেছিল।

    —রান্না হয়ে গেছে দিদিমণি।

    এর মধ্যেই রান্না হয়ে গেছে। এখন ক’টা বাজলো! এতক্ষণ কাটিয়ে দিয়েছে মিস্টার ঘোষালের সঙ্গে। কিছুই খেয়াল ছিল না তো তার। আশ্চর্য! আবার নিজের ঘরে ঢুকে আয়নাটার সামনে গিয়ে দাঁড়াল সতী! আবার নিজের মুখখানার দিকেই দেখতে লাগলো তেমনি করে। দীপঙ্কর আসবে না। মিস্টার ঘোষালের কথায় এতক্ষণে যেন দীপুর না-আসার কারণটা বোঝা গেল। এত ভয়! এত সঙ্কোচ! এত ঘৃণা!

    সমস্ত মুখখানা আস্তে আস্তে কঠিন হয়ে উঠলো। মনে হলো দরকার নেই। দীপু, না আসুক, তাতে তার কিছুই ক্ষতি নেই। একলাই সে ‘এগিয়ে যাবে সামনে। যার কেউ নেই, তাকে কে সাহায্য করে সংসারে? কারো সাহায্যের প্রত্যাশায় তো সে জন্মায়নি এ- পৃথিবীতে। তার জন্মের পর যেমন মা’র মৃত্যু হয়েছে, তেমনি বাবারও মৃত্যু হতে পারতো। ধরে নেওয়া যাক, সংসারে সে নিরাশ্রয়, নিরবলম্ব। প্রিয়নাথ মল্লিক রোডের সঙ্গে একটা ক্ষীণ সম্পর্ক শুধু আছে। সে-সম্পর্কটা না-থাকারই মত। আজ থেকে তার কথাও ভাববে না। এখানেই তার পূর্ণচ্ছেদ হোক। এই মুহূর্তে।

    রঘু খাবার এনে দিলে। কী খেলে সতী কে জানে। নিজেও বুঝতে পারলে না কী সে খাচ্ছে।

    —আপনি তো কিছুই খেলেন না দিদিমণি!

    সত্যি, কিছুই খাওয়া গেল না। চাকরটা প্রাণপণে চেষ্টা করছে ভাল রাঁধতে। সতী বললে—রান্না তোমার খুব ভাল হয়েছে রঘু, আমি কিন্তু এত খাই না, তুমি কিছু মনে কোর না—

    তারপর খাওয়া ছেড়ে উঠে গিয়ে নিজের ঘরে বিছানায় বসে পড়লো। সেই সকালে ঘুম থেকে ওঠা, আর রাত্রে ঘুমোতে যাওয়া। এই-ই তো জীবন। আস্তে আস্তে শুয়ে পড়লো বিছানার ওপর। এমনি করে আজকের দিনটাও চলবে। সন্ধ্যেবেলা সূর্য ডুবে যাবে। আবার কাল সকালে সূর্য উঠবে আকাশে। আবার রান্না করবে রঘু। আবার খেতে হবে। তারপর সন্ধ্যেবেলা আবার সূর্য অস্ত যাবে। এমনি করেই অনাদিকাল ধরে পৃথিবী চলছে, চলবে। কিন্তু একদিন সতী আর কিছু দেখতে পাবে না। বাইরে রঘু কাজ করছে। হয়ত বাসন মাজছে। খুট্-খাট্ শব্দ হচ্ছে মাঝে মাঝে। গড়িয়াহাট লেভেল ক্রসিং-এর পাড়ায় তখন খানিকক্ষণের জন্যে ক্লান্তি নেমে এল। আর ক্লান্তি নেমে এল সতীর মনের পরিধিতে। কালও রঘু এসে বাজারের টাকা নেবে। তার পরদিনও নেবে তার পরদিনও কিন্তু তারপর আর টাকা থাকবে না। লক্ষ্মীদির দেওয়া টাকাগুলো একদিন-না-একদিন ফুরিয়েই যাবে। তখনও দীপু আসবে না।

    হঠাৎ কী যে হলো। বোধ হয় তন্দ্র এসেছিল। সতী উঠে বসলো বিছানায়। বেলা যেন পড়ে এসেছে। বাইরে এসে সতী ডাকলে—রঘু—

    রঘু ঘুমোচ্ছিল বারান্দার ফালিটার ওপর। অঘোর ঘুম।

    —রঘু, রঘু—

    রঘু ধড়ফড় করে উঠে বসলো। সতী বললে—তুমি চলো রঘু আমার সঙ্গে, একবার যেতে হবে তোমাকে—

    —কোথায়?

    —ভবানীপুরে। তুমি একটা গাড়ি ডেকে নিয়ে এসো, আমি তোমায় বাড়িটা দেখিয়ে দেব। তুমি শুধু খবরটা নিয়ে আসবে বাড়ির ভেতর থেকে—

    হঠাৎ বেশ ছিল। মনটা যেন কেমন টনটন করে উঠলো। মনে হলো, সব সূত্র যখন ছিড়ে-খুঁড়ে ছত্রখান হয়ে গেছে, তখনও যেন একটা মানুষের জন্যে কেমন আকর্ষণ অনুভব করছে। এও হয়ত সেই ঘড়ির পেন্ডলাম। দীপঙ্করই পেগুলামের কথাটা বলেছিল। একবার মন বলে—নেই। আর একবার বলে—আছে। এও যেন সেই নিঃশ্বাস-প্রশ্বাসের ছন্দ। নিমেষ-উন্মেষের দ্বন্দ্ব। তা না হলে এমন কেন হয়! যাকে প্রাণপণে অস্বীকার করি আজ, কাল তার জন্যেই আবার কেন হাহাকার করে ওঠে অন্তরটা! একবার ভেতরে এসে কেন ভাবি বেশ আছি, আবার কেন বাইরের জন্যে মনটা ছট্‌ফট্ করে। তবে কি এরই নাম এগিয়ে যাওয়া!

    কোথা থেকে একটা গাড়ি এনেছিল রঘু। সতী সেই গাড়িতেই উঠে বসলো। রঘু বসলো ড্রাইভারের পাশে।

    তারপর লেভেল ক্রসিংটা পেরিয়ে গাড়ি একেবারে কলকাতার হৃৎপিন্ডের ওপর গিয়ে পড়লো।

    —এবার কোন্ দিকে দিদিমণি?

    শেষ পর্যন্ত হাজরা রোডের মোড় পেরিয়ে বাঁ দিকে প্রিয়নাথ মল্লিক রোডের কাছে গিয়েই সতী বললে—এখানে থামাও—

    গাড়িটা রাস্তার ফুটপাথ ঘেঁষে গিয়ে দাঁড়িয়ে পড়লো। সতী বললে—ওই যে লাল তেতলা বাড়িটা দেখছো রঘু, ওর সামনে সদর-গেট দিয়ে ভেতরে ঢুকে যাবে তুমি, সোজা ভেতরে—

    রঘু বললে—যদি কেউ কিছু জিজ্ঞেস করে?

    সতী বললে—বলবে……

    বলতে গিয়েও সতী থেমে গেল। সত্যিই তো, কেনই বা সে এল এখানে? কীসের আশায়? ভেতরে কার খবর সে নিতে এসেছে? কেন এত এতগুলো টাকা খরচ করে? মিছিমিছি শুধু কষ্ট। যদি খবর নেবার আগ্রহই থাকে তার সে তো সাহস করে নিজেই যেতে পারে।

    সতী বললে—না, থাক, তোমার যাবার দরকার নেই, ফিরে চলো—গাড়িতে উঠে পড়ো তুমি—

    রঘু আবার গাড়িতে উঠলো। ড্রাইভার গাড়িতে স্টার্ট দিলে। তারপর গাড়িটা ঘুরিয়ে হাজরা রোডের দিকে মুখ করতেই সতী আবার বলে উঠলো—না না, গাড়ি আবার ঘোরাও—

    —কেন দিদিমণি?

    সতী বললে—এত দূর যখন এসেছি, তখন ফিরে গিয়ে লাভ কী? তুমি বাড়ির ভেতরে গিয়ে জিজ্ঞেস করবে বাড়ির চাকর-বাকর যাকে সামনে পাবে—

    —কী জিজ্ঞেস করবো?

    সতী বললে—জিজ্ঞেস করবে দাদাবাবু কেমন আছেন? শুধু এই, আর কিছু জিজ্ঞেস করতে হবে না—এ খবরটা নিয়েই চলে আসবে। আমি এইখানে গাড়িতে বসে রইলুম—

    গাড়িটা আবার রাস্তার ফুটপাত ঘেঁষে দাঁড়াল। রঘু দরজা খুলে বাইরে নামলে। তারপর সতী লক্ষ্য করলে রঘু ঠিক লাল রং-এর তেতলা বাড়িটার সদর গেটটার সামনে দিয়ে ভেতরে ঢুকলো। আর দেখা গেল না তাকে। গাড়ির ভেতরে একলা-একলা বসেও সতী যেন ঘামতে লাগলো গরমে।

    .

    কতক্ষণ অপেক্ষা করেছিল সতী, সে-খেয়াল ছিল না সেদিন। দুপুর বেলা হাজরা রোডের মোড়ে তখন ভিড় নেই। হঠাৎ রঘু এল গাড়ির কাছে। পেছনে—পেছনে শম্ভু। বৌদিমণিকে দেখেই গাড়ির পা-দানিতে মাথা ঠেকিয়ে প্রণাম করলে।

    —কী শম্ভু, কেমন আছো তুমি?

    শম্ভু বললে—আজ্ঞে, বৌদিমণি, আপনি বাড়ির বাইরে গাড়িতে বসে আছেন, একবার ভেতরে আসবেন না?

    সতী বললে—আমি আর ভেতরে যাবো না এখন, এমনি তোমাদের খবর নিতে এসেছিলুম। তোমার দাদাবাবু কেমন আছেন?

    শম্ভু বললে—কিন্তু আপনি ভেতরে না-এলে দাদাবাবু আমার ওপর রাগ করবেন— সতী বললে—তুমি তাঁকে বোল না যে আমি এসেছিলাম এখানে। তোমরা সব ভাল আছো তো?

    —না বৌদিমণি, ভালো নেই আমরা, আপনার পায়ে পড়ি, আপনি আসুন একবার ভেতরে, বাড়ির অবস্থাটা একবার দেখে যান—কী যে হাল হয়েছে আমাদের, আপনি নিজের চোখে দেখে যান, দাদাবাবু যেন কেমন হয়ে গেছেন আজকাল!

    —কেন? কী হলো তাঁর?

    —আজকাল আর কারোর সঙ্গে কথাও বলেন না। তাঁকে দেখবারও কেউ নেই, কেউ দেখেও না, তিনি খেলেন কি খেলেন না।

    সতী বলে—তা তোমরা দেখতে পারো না? তুমি তো এতদিন ধরে আছো এ- বাড়িতে, তুমি তো পুরোনো লোক—

    —দাদাবাবুর যত্ন করলে মা-মণি যে রাগ করেন বৌদিমণি।

    —কেন?

    শম্ভু বললে—মা-মণিকে তো আপনি চেনেন বৌদিমণি, বড় যে রাগী মানুষ! কারো ভালো দেখতে পারেন না যে।

    সতী বললে—আচ্ছা, তুমি এখন যাও শম্ভু, তোমার মা-মণি আবার জানতে পারলে বকবে—

    —না, মা-মণি তো বাড়িতে নেই।

    —নেই? কোথায় গেছেন?

    শম্ভু বললেন’মাসীমার সঙ্গে কোথায় বেরিয়েছেন দুপুরবেলা–আপনি আসুন, না, বাড়িতে দাদাবাবু ছাড়া আর কেউ নেই—

    হঠাৎ সতী যেন নিজের মনেই একবার ভাবলে। কেউ নেই বাড়িতে! একলা আছেন। এতদিন পরে, এই দুর্ঘটনার পরে, আবার ঢুকবে এ-বাড়িতে? এই বাড়িরই ইঁটগুলোর মধ্যে কত বিনিদ্র রাত কেটেছে তার, কত অশান্তির প্রহর অতিক্রান্ত হয়েছে। সমস্ত কলকাতাটা যেন আবার চোখের সামনে উজ্জ্বল হয়ে উঠলো। সেই দুপুরবেলা সতীর মনে হলো আবার যেন ভাল লাগছে তার। আবার যেন স্ত্রী হয়ে সংসার করতে ইচ্ছে হলো। ড্রাইভারটা এতক্ষণ চুপচাপ বসে ছিল। শিখ ড্রাইভার। কথাগুলোর কিছুই হয়ত বুঝছে না। এমন কত ঘটনার সঙ্গে তাকে মুখোমুখি হতে হয় প্রতিদিন। কলকাতা শহরে এসেছে সে কতদিন। এমন কত হাসি, কত কান্নার মধ্যেই তো, তাকে পেট চালাতে হয়েছে। সে জানে, এ-সব কিছুই নয়। এমন হয়েই থাকে হামেশা। এদিকে চোখ-কান দিতে নেই। মাথায় গোল ঝুঁটি নিয়ে সে সামনের দিকে চেয়ে ঝিমোচ্ছিল।

    সতী বললে—কিন্তু গাড়িটা কি ছেড়ে দেব?

    শম্ভু বললে—ছেড়ে দিন না, আমি আবার ট্যাক্সি ডেকে দেব আপনাকে—

    ভাড়াটা মিটিয়ে দিলে সতী। তারপর বাড়ির দিকে যেতে-যেতে বললে—কখন ফিরবে তোমার মা-মণি?

    —তা বলে যায়নি, ন’মাসীমার গাড়িতে যখন বেেিয়ছেন, তখন ফিরতে বেলা হবে—

    রঘুও সঙ্গে সঙ্গে যাচ্ছিল। সতী বললে—তুমি নিচেয় থেক রঘু, আমি একটু পরেই ভেতর থেকে আসছি—

    বাড়ির ভেতরেও সবাই বোধহয় খবরটা পেয়েছিল। বাতাসীর-মা দৌড়তে দৌড়তে এসেছে। গেটের গোড়ায় এসে হাঁ করে রাস্তার ধারে দাঁড়িয়েছিল। পেছনে ভূতির মা। কৈলাসও দৌড়তে দৌড়তে এসে দাঁড়িয়েছে। এতদিন পরে বৌদিমণি এসেছে। সবাই যে-যেমন অবস্থায় ছিল, তেমনি অবস্থায় এসে হাজির হয়েছে।

    সতী কাছে আসতেই বাতাসীর-মা সামনে এগিয়ে এল। বললে-এ কী চেহারা হয়েছে তোমার বৌদিমণি?

    সতী বললে—তোমরা সব ভালো আছো তো বাতাসীর-মা?

    —আর ভালো! ভালো থাকবার আর কি যো আছে বৌদিমণি যে ভালো থাকবো!

    কৈলাস হঠাৎ বলা-কওয়া নেই একেবারে সতীর পায়ে ধুলো নিয়ে মাথায় ঠেকালে। সতী এক-পা পেছিয়ে গেল। বললে—একি করছো কৈলাস! আমি কি হঠাৎ পর হয়ে গেলাম নাকি তোমাদের কাছে?

    বাতাসীর-মা বললে—তুমি ছিলে না, বাড়ি একেবারে অন্ধকার হয়ে গিয়েছিল বৌদিমণি, একেবারে অন্ধকার—!

    আজ নতুন করে সতীর চোখে যেন আবার জল এসে পড়লো। এরা সবাই এত ভাল! এত ভাল সবাই। আজ যেন সবাইকে আবার বড় আপনার মনে হলো। এই গেট্। এই গেটের ওপরেই দরোয়ান বসে থাকতো আগে।

    —এখানে দরোয়ান কোথায় গেল?

    —আহা, তার চাকরি গেছে বৌদিমণি! এবার আমাদেরও চাকরি চলে যাবে।

    ভূতির মা বললে—তা এবার তুমি এখানে থাকবে তো গা? দেখ দিকিনি, তুমি ছিলে না, সমস্ত বাড়িটা কীরকম হাঁ-হাঁ করছিল—

    সতী চারদিকে চেয়ে দেখছিল। বললে—ফুলের গাছগুলো বুঝি কেউ আর দেখে না? মালি নেই বুঝি?

    সেই বিয়ের প্রথম দিনে এসে এই বাগানের দিকে চেয়েই অবাক হয়ে গিয়েছিল সতী। ঈশ্বর গাঙ্গুলী লেন থেকে হঠাৎ একেবারে প্রিয়নাথ মল্লিক রোডের বাড়িতে— তখন এ যেন কল্পনার বাইরে ছিল। সেই সিঁড়ির দু’পাশে মোরাদাবাদী ভাসের ওপর ক্যাকটাস্। মেঝেগুলোও আর তেমন পরিষ্কার নয়।

    —পরিষ্কার কে করবে বৌদিমণি, আমরা আজ মাইনে পাইনি কতদিন।

    সতীও অবাক হয়ে গেল।

    —মাইনে পাওনি?

    —না, বৌদিমণি! সরকারবাবুও তো দেশে গেছে কাল। তার তো ছেলেমেয়ে আছে দেশে। তার কী করে চলে!

    কেন এমন হলো এ-বাড়ির? কার পাপে এমন হলো? সিঁড়ির কাছে এসেও সতী খানিকক্ষণ চুপ করে দাঁড়িয়ে রইল। মনে হলো যেন বাড়িটার অন্তরাত্মা সেই দুপুরবেলা বড় ক্ষীণ সুরে কাঁদছে। চমকে উঠলো সতী। সে কি! এই তো পাশেই শম্ভু রয়েছে, বাতাসীর-মা রয়েছে, ভূতির মা রয়েছে। এ তো পড়ো- বাড়ির নয়, তবে এ-কান্না কিসের। তবে কি ভুল করেছে সে! এদিক-ওদিক চাইতে লাগলো সতী

    —ও কিচ্ছু না বৌদিমণি, ও পায়রা!

    পায়রা! পায়রা তো ছিল না অ্যাতো! পায়রা কোথা থেকে এল। সতী কড়িকাঠের দিকে মুখ তুলে দেখলে।

    বাতাসীর-মা বললে—ক’দিন হলো দেখছি, মুখপোড়া পায়রা ক’টা ওইখেনে এসে জুটেছে। দিনরাত কেবল কোঁ-কোঁ করে—

    সতী লাইব্রেরী ঘরের দিকে যাচ্ছিল। শম্ভু বললে—ওদিকে নয় বৌদিমণি, দাদাবাবু ওপরে নিজের ঘরে—

    –কেন, নিজের ঘরে কেন? শরীর খারাপ নাকি!

    শম্ভু বললে—না, এই তো এতক্ষণ পড়ছিলেন, এই একটু আগে দেখলাম ওপরে গেলেন—

    সতী সিঁড়ি দিয়ে ওপরে উঠতে লাগলো। শম্ভুও চলতে লাগলো পেছন-পেছন। বাতাসীর-মা, ভূতির-মা, কৈলাস তারা আর এগোল না। সিঁড়ির গোড়ায় দাঁড়িয়ে রইল। ভূতির-মা বললে—বৌদিমণি কি এ-বাড়িতে থাকতে এল নাকি বাতাসীর-মা? হঠাৎ এল কেন বলো তো?

    —তুই থাম্ তো ভূতির-মা, নিজের সোয়ামীর কাছে না-এসে কোথায় যাবে শুনি?

    ভূতির-মা বললে—কে জানে মা, আমরাও তো মেয়েমানুষ, এমন কান্ড ভূ-ভারতে দেখিনি

    তেতলার সিঁড়ির মাথায় উঠে সতী একবার দাঁড়াল। বারান্দার শেষে শাশুড়ীর ঘরের দরজায় তালা ঝুলছে। তারই বাঁদিকে সতীর নিজের ঘর। নিজের ঘরের দিকে যেতেও সতীর পায়ে যেন বাধতে লাগলো।

    শম্ভু বললে—যান না বৌদিমণি, যান, দাদাবাবু ঘরের ভেতরে আছে—

    তবু যেন সতীর বাধো বাধো ঠেকতে লাগলো। এ যেন চুরি করে পরের ঘরে ঢোকা! শম্ভু আর এগোল না। সতী পায়ে-পায়ে নিজের ঘরের সামনে গিয়ে দাঁড়াল। দরজা ভেজানো ছিল। একবার কী রকম একটা সংকোচ হলো মনে। তারপর দরজটা ঠেলতেই ভেতর থেকে সনাতনবাবুর গলার আওয়াজ এলো—কে? মা-মণি?

    তারপর সামনে সতীকে দেখে কেমন যেন অবাক হয়ে গেলেন। বিছানা থেকে উঠে দাঁড়ালেন। বললেন- তুমি?

    সতী সোজা ভেতরে ঢুকে গেল। সনাতনবাবুও ততক্ষণে এগিয়ে এসেছেন। সতীর হাতটা ধরলেন। বললেন—তুমি? তুমি কোথা থেকে হঠাৎ?

    সতী যেন আর দাঁড়াতে পারলে না। পায়ের কাছে বসে টলে পড়লো।

    বললে—তুমি আমাকে ক্ষমা করো গো, ওগো, তুমি ক্ষমা করো আমাকে—

    বলতে বলতে কান্নায় ভেঙে পড়লো সতী। যেন চরম নির্ভরতার আশ্রয়ে এসে সতীর অন্তরাত্মার ভেতর থেকে আনন্দের একটা আর্তনাদ বেরিয়ে এল।

    সনাতনবাবু বড় বিব্রত হয়ে পড়লেন। কী করবেন যেন বুঝতে পারলেন না। তাড়াতাড়ি সতীর কাঁধ দুটো ধরে তুলতে চেষ্টা করলেন। বললেন—ছি-ছি, করো কী, করো কী! তুমি দেখছি…..

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80 81 82 83 84 85 86 87 88 89 90 91 92 93 94 95 96 97 98 99 100 101 102 103 104
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleবাবলি – বুদ্ধদেব গুহ
    Next Article কড়ি দিয়ে কিনলাম ১ – বিমল মিত্র

    Related Articles

    বিমল মিত্র

    সাহেব বিবি গোলাম – বিমল মিত্র

    May 29, 2025
    বিমল মিত্র

    বেগম মেরী বিশ্বাস – বিমল মিত্র

    May 29, 2025
    বিমল মিত্র

    আসামী হাজির – বিমল মিত্র

    May 29, 2025
    বিমল মিত্র

    কড়ি দিয়ে কিনলাম ১ – বিমল মিত্র

    May 28, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }