Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    কড়ি দিয়ে কিনলাম ২ – বিমল মিত্র

    বিমল মিত্র এক পাতা গল্প950 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    কড়ি দিয়ে কিনলাম ২.৪৯

    ৪৯

    সেদিন গড়িয়াহট-লেভেল-ক্রসিং থেকে দীপঙ্কর একেবারে সোজা চলে গিয়েছিল কালিঘাটে। সতীর দিল্লি চলে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে দীপঙ্কর যেন বাইরে মুক্তি পেয়ে গেছে। যেন সতীর ভরণ-পোষণের দায়িত্বটাই তার কাছে বড়, আর কিছু নয়। দীপঙ্কর যেন সেদিনও জানতো না এ-বিচ্ছেদ তার বিচ্ছেদ নয়। জানতো না এই বিচ্ছেদের অসম্পূর্ণতাই তাকে আবার সতীর কাছে টেনে আনবে! অথচ ট্যাক্সিটাকে ঘুরিয়ে আবার যেতে যেতে মনে হলো ভালোই হয়েছে। সতীর দিল্লি চলে যাওয়া তো মঙ্গল হয়েছে তার পক্ষে! সতী সুখে থাকুক, সতী শান্তি পাক, এই কামনাই তো দীপঙ্কর দিনরাত করে এসেছে! সতী যদি চলে গিয়েই থাকে, তাতে তো দীপঙ্করের আনন্দ হবারই কথা। না চলে গিয়ে সে কী করতো এখানে! বরং সেখানে গেলে শান্ত হবে মনটা। সমস্ত কলকাতাটাই যেন বিষিয়ে দিয়েছিল সতীকে। একদিন তার শুভাশুভ ভেবেই বিয়ে দেওয়া হয়েছিল ধনী পরিবারে। যখন সেখানে সুখ পেলে না, এত চেষ্টা করেও যখন সুখী হলো না সে, তখন চলে গিয়েছে ভালোই করেছে। সতী সেখানেই থাক, সেখানে গিয়েই সুখী হকো, শান্তি পাক—

    —বাঁ দিকে চলো, বাঁ দিকে।

    ডান দিকে মোড় ঘুরছিল ট্যাক্সিটা। আবার বাঁ দিকে চলতে লাগলো। ঈশ্বর গাঙ্গুলী লেনের ভেতরে ঢুকে গাড়িটা ছেড়ে দিলে। ভেতরে গাড়ি যাবে না। নেপাল ভট্টাচার্যি লেনের ভেতরে যেতে গেলে হেঁটে যেতে হয়। বিকেল হবো-হবো। পাড়ার কলে তখনও জল আসেনি। কিন্তু কলের সামনে অনেক ঘড়া-কলসী-বালতি ঘেঁষাঘেঁষি সাজানো। ঠিক সেইরকমই আছে পাড়াটা। এতটুকু বদলায় নি। ভূগোলের এত কিছু বদলে গেল যুদ্ধের এই ক’টা বছরে, কিন্তু এই নেপাল ভট্টাচার্যি লেনটা তেমনি অক্ষয়-অটুট হয়ে আছে। কিরণদের বাড়ির সামনে সেই নর্দমাটায় পর্যন্ত সেই একই রকম দুর্গন্ধ। কেমন করে কিরণের মাকে খবরটা দেওয়া যায়, তাই ভাবতে লাগলো।

    —মাসীমা!

    বাড়ির সামনে এত মাস ধরে পুলিস-পাহারা ছিল, আজ আর তা নেই। তাদের প্রয়োজন ফুরিয়ে গিয়েছে এখন। ব্রিটিশ গভর্নমেন্টর সব ভাবনা চুকেছে। কিরণকে ধরে নিশ্চন্ত হয়েছে স্যার জন হার্বার্ট। নিষ্কন্টক হয়েছে ইন্ডিয়া। এবার জাপান আসুক, আর অ্যাক্সিস পাওয়ার্সই আসুক, কোনও দুর্ভাবনা নেই আর। যে যত চাও মিলিটারি কন্‌ট্র্যাক্ট দিচ্ছি। চালের, নুনের, কাপড়ের এজেন্সি দিচ্ছি। সে-সব ব্ল্যাক-মার্কেট করে লাল হয়ে যাও, কিন্তু ইন্ডিয়ার ফ্রিডম চেয়ো না। ইন্ডিয়ানদের অবস্থা ভালো করতে চেয়ো না। ইন্ডিয়ানদের পেট-ভরা খাবার চেয়ো না। তোমরা যে-ক’জন বড়লোক আছো, সেই ক’জনকে আমরা আরো বড়লোক করে দেব, তোমাদের রায় সাহেব, রায়-বাহাদুর টাইটেল দেব, এমনকি তোমাদের কাউকে-কাউকে নাইট করে দেব, কিন্তু খবরদার, তার বেশি কিছু চেও না। তা যদি চাও তো, তোমাদের কিরণ চ্যাটার্জির মত অবস্থা করবো। আমরা লর্ড সিংহ বানিয়েছি একজনকে, তার জন্যে তোমাদের কৃতজ্ঞ থাকা উচিত। আমরা কত লোককে নাইট করে দিয়েছি, কত রায়-সাহেব কত রায়-বাহাদুর বানিয়েছি, তবু তোমরা ফ্রিডম চাও ইন্ডিয়ার?

    অনেকক্ষণ দরজা ঠেলতে হলো। মাসীমা বোধহয় প্রথমে শুনতে পায়নি। হয়ত ভেবেছ আবার পুলিস এসেছে থানা থেকে। এমনি বছরের পর বছর জীবন অবিষ্ঠ করে তুলেছে কিরণের মা’র

    —ওমা, তুমি দীপু! আমি ভাবি কে না কে! কী খবর বাবা?

    মাসীমার মুখের ওপর কথাটা বলতে দীপঙ্করের কেমন সঙ্কোচ হলো।

    মাসীমা বললে—আজকে মাসের পয়লা নাকি বাবা?

    দীপঙ্কর বললে—না পয়লা তারিখ নয়, তবু এলাম একবার দেখতে—

    কথাটা শুনে মাসীমার চোখে জল এল। আঁচল দিয়ে চোখের জল মুছে বললে—তুমি আমার জন্যে যা করছো বাবা, আমার নিজের পেটের ছেলেও তা কখনও করেনি। তোমাকে আশীর্বাদ করি বাবা, তুমি বিরজীবী হও-—

    দীপঙ্কর বললে—আমি আপনাকে নিতে এসেছি মাসীমা—আপনি চলুন আমার সঙ্গে—

    মাসীমা বললে—আমাকে আর যেতে ব’লো না বাবা, তুমি আমার জন্যে যথেষ্ট করেছো, তোমাকে আর বেশি কষ্ট দিতে চাই না—

    —সেই জন্যেই তো বলছি আপনি চলুন। আমাকে আপনি কিরণের মতই মনে করবেন মাসীমা, মনে করবেন আমিই আপনার কিরণ!

    মাসীমার গলাটা যেন খানিকক্ষণের জন্যে বন্ধ হয়ে এল। বললে—তার নাম আর আমার সামনে কোর না বাবা, সে মরে যাক্, তার ফাঁসি হোক, আমার তাতে কিচ্ছু এসে যায় না—যে-কিরণকে আমি পেটে ধরেছি, সে মরে গেছে! মরে গেছে বালাই চুকে গেছে।—

    দীপঙ্কর বললে—তা হোক, আমি আপনাকে আমার কাছে আমার বাড়িতে নিয়ে যাবো—আপনি আপত্তি করতে পারবেন না—আর আপনার এখানে যদি কারো কাছে কিছু ধার থাকে, তাও বলুন, আমি সব মিটিয়ে দেব—

    —না বাবা, আমি যাবো না, আমি এখানেই মরে পড়ে থাকবো—

    দীপঙ্কর এবার নাছোড়বান্দা। বললে-আমি আপনার কথা কিছুতেই শুনবো না মাসীমা, আমি আপনাকে নিয়েই যাবো, আপনি তৈরি হয়ে থাকবেন—

    তখন আর বেশি সময় ছিল না। কিরণের ফাঁসির খবর শুনলে মাসীমা হয়ত আর বাঁচবে না। সুতরাং মাসীমাকে নিজের বাড়ি নিয়ে যাওয়াই ভালো। কিন্তু তার আগে দরকার কিরণকে বাঁচাবার ব্যবস্থা করা। যে-কোনও রকমে। শাস্তিই যদি দিতে হয় তো ট্র্যান্সপোর্টেশন-ফর-লাইফ হোক। কত লোকের তো তাই হয়েছে। কুড়ি বছর, চব্বিশ বছর পরে আবার ফিরে আসুক। সে-ও ভালো। কিন্তু ফাঁসি! দীপঙ্করের মনে হলো যেন তার নিজেরই মৃত্যুর অর্ডার বেরিয়েছে। তার নিজেরই যেন আর বাঁচবার অধিকার নেই পৃথিবীতে। সে নিজেই যেন দাগী হয়ে গেছে মানুষের কাছে। কিরণের চেয়ে সে নিজে কি কম অপরাধী! করিণ শুধু ব্রিটিশ গভর্নমেন্টের চোখে অপরাধী! কিন্তু দীপঙ্কর যে মানুষের কাছেই ক্রিমিন্যাল। তার নিজের ক্রাইম কি কিছু কম! সে তো সমাজের সামনে ভদ্রলোক সেজে বেড়াচ্ছে বুক ফুলিয়ে। যে-চাকরির জন্যে তার এই প্রতিষ্ঠা-প্রতিপত্তি তার পেছনেও তো সেই তেত্রিশ টাকার ঘুষ। তেত্রিশ টাকার ঘুষের কনক্রিটের ওপরেই তো তার এই সম্মান। চোখের সামনে অন্যায় দেখেও তো সে প্রতিবাদ করতে পারেনি কতবার। কতবার বিশ্বাসের অপব্যবহার করেও তো সে আপিসে সম্মানের শিখরে উঠে চলছে! কেউ তো তার ফাঁসি দেয় না, কেউ তো তার অসম্মান করে না! যত অপরাধ করেছে কিরণ!

    প্রাণমথবাবুর বাড়ির সামনে গিয়ে দরজায় কড়া নাড়তে লাগলো।

    এমন সময় তো প্রাণমথবাবুর সদর দরজা বন্ধ থাকে না।

    —কে?

    সেই পুরোন চাকরটা দরজা খুলে দিলে। দীপঙ্কর জিজ্ঞেস করলে—স্যার কোথায়? বাড়িতে নেই?

    চাকরটা অবাক হয়ে গেছে। সবাই জানে আর এই বাবুই জানে না! বললে—আপনি শোনেননি কিছু? বাবুকে তো পুলিসে ধরে নিয়ে গেছে—

    —কবে?

    —তিন-চার মাস হলো। বাবুকে তো আটকে রেখেছে জেলে। বাবু কোথায় কোন জেলে আছে, তাও জানি না।

    দীপঙ্কর বললে—কিন্তু আমি তো খবর পাইনি। তাহলে মামীমাকে ডেকে দাও— চাকরটা বললে—মা-ও নেই, মা’কেও বাবুর সঙ্গে ধরে নিয়ে গেছে—কংগ্রেস আপিসের সব লোককেই ধরেছে একসঙ্গে—ফটিকবাবুও জেলে—

    –কে? ফোঁটা?

    চাকরটা বললে—হ্যাঁ—

    সব যেন শূন্য হয়ে গিয়েছিল সেদিন দীপঙ্করের চোখে। সতী নেই, প্ৰাণমথবাবু নেই, কিরণ নেই, লক্ষ্মীদি নেই—সমস্ত যেন ফাঁকা হয়ে গেছে। সেই বিকেল বেলা কালিঘাটে দাঁড়িয়ে দীপঙ্করের মনে হয়েছিল সব যেন নিঃশেষ হয়ে গেছে তার প্রাণমথবাবুর বাড়ির দরজা থেকে সেদিন সোজা একটা কথাও না-বলে চলে এসেছিল দীপঙ্কর। এবার কার কাছে সে যাবে? কাকে নিয়ে সে পৃথিবীতে বাঁচবে? কেউ নেই, কেউ নেই। শুধু আপিসটা থাকলেও থাকতে পারে। আর আপিসটা চলে গেলেও যেন আর তার কোনও দুঃখ থাকবে না।

    —কী রে, দীপু না?

    একটা গাড়ির ভেতর থেকে আওয়াজ আসতেই দীপঙ্কর ফিরে দেখলে—ছিটে। গাড়িটা দাঁড়িয়ে গেছে তাকে দেখে।

    দীপঙ্কর বললে—এই এদিকে এসেছিলাম একটা কাজে—তুমি কোথায় যাচ্ছো?

    ছিটে বললে—বাড়ির দিকে যাচ্ছিলাম, তোদের আপিস থেকেই ফিরছি। শালারা ওয়াগন দিলে না, ক’দিন ধরে হাঁটাহাঁটি করছি। শুনলুম তোকেও নাকি মিস্টার ঘোষালের মত পুলিসে ধরেছিল? কী হয়েছিল রে? ঘুষ নিয়েছিলি?

    তারপর দরজা খুলে দিয়ে বললে—আয় ভেতরে উঠে আয়—

    দীপঙ্করকে জোর করে গাড়িতে তুলে নিয়ে বলতে লাগলো—বেশ করেছিস তুই ঘুষ নিয়েছিস, ঘুষ না নিলে কেউ বাঁচে আজকালকার বাজারে? ও পুলিসে কিচ্ছু করতে পারবে না। যতগুলো ঘুষের কেস্ হচ্ছে সবগুলো তো ছাড়া পেয়ে যাচ্ছে। স্পেশ্যাল ট্রাইবুন্যাল বসিয়েছে—তাতেও ফস্কা। আরে আজকাল যে জজ ম্যাজিস্ট্রেটরাও ঘুষ খাচ্ছে, ছাড়া পাবে না? নইলে তাদের চলবে কী করে বল্?

    গাড়ি চলছিল ঈশ্বর গাঙ্গুলী লেনের দিকে।

    ছিটে বলতে লাগলো—এই দ্যাখ না, গভর্নমেন্ট পেট্রল র‍্যাশনিং করেছে। পেট্রল কমিয়ে দিয়ে কী লাভটা হলো শুনি? আমি একটা ভাঙা মটর কিনেছি, সেটা চলেই না। সেই গাড়ির নাম করে পেট্রল পাচ্ছি। দুখানা গাড়ির পেট্রলে একটা গাড়ি চালাচ্ছি—এতে কার ফয়দা হচ্ছে শুনি? ওরাও যত প্যাঁচ দেবে, আমরাও তত প্যাঁচ দিতে জানি—

    দীপঙ্কর হঠাৎ বললে—আমাকে এখানে ছেড়ে দাও ভাই, আমি নেমে যাই—

    —কেন রে, চল্ না, আমাদের বাড়ি চল! ফোঁটা জেলে গেছে শুনেছিস তো? ফোঁটার এখন খুব নাম হয়েছে। জেল খাটতে তো আমাদের কষ্ট নেই, ছোটবেলা থেকে আমরা জেল খেটে আসছি। তখন ছিল থার্ডক্লাস বন্দী, এখন কংগ্রেসের ভাইস প্রেসিডেন্ট বলে ফাস্ট ক্লাস বন্দোবস্ত! প্রাণমথবাবুরও তাই। এখন তো আর জেল খাটতে লজ্জা নেই, গান্ধী, নেহরু, আবুল কালাম আজাদ, ফোঁটা, কেউই জেল খাটতে পেছপাও নয়—

    ততক্ষণে বাড়ি এসে গিয়েছিল। ‘অঘোর-সৌধ’। আগে ঈশ্বর গাঙ্গুলী লেনে গাড়ি, বাস কিছু ঢুকতো না। লক্ষ্মীদি সতী সবাই নেপাল ভট্টাচার্যি স্ট্রীটে গিয়ে কলেজের বাসে উঠতো। এখন ‘অঘোর-সৌধ’ পর্যন্ত গাড়ি চলে। ছিটের গাড়ি একেবারে বাড়ির উঠোনে গ্যারেজের সামনে গিয়ে উঠলো। বহুদিন পরে আবার এই উনিশের একের বি ঈশ্বর গাঙ্গুলী লেনের বাড়িতে ঢোকা। দীপঙ্কর দেখলে সমস্ত কিছু বদলে গেছে। বাইরে যেমন বদলেছে, ভেতরেও বদলেছে। যে-ঘরে দীপঙ্কর থাকতো সে-ঘরটার চিহ্ন নেই কোথাও। যে পাঁচিল টপ্‌কে বাড়ির মধ্যে ঢুকতো ছিটে-ফোঁটা, সে পাঁচিলটাও অদৃশ্য হয়ে গেছে। সেই কাঁঠাল গাছটাও নেই কোথাও। যে-ঘরে চনুনী থাকতো তাও যেন ভূমিসাৎ হয়ে গেছে। যুগ বদলাবার সঙ্গে সঙ্গে যেন স্মৃতিগুলোকেও কেউ মাটি থেকে উপড়ে ফেলে দিয়েছে। চারিদিকে চেয়ে অবাক হয়ে দেখছিল দীপঙ্কর।

    ছিটে টেনে নিয়ে গেল বাড়ির ভেতরে।

    বাবুকে দেখে চাকর-বাকর ছোটাছুটি শুরু করে দিলে। বেশ হাঁক ডাক পড়ে গেল চারিদিকে। যে-বাড়িতে একদিন অঘোরদাদুর অগোচরে নিঃশব্দে টিপিটিপি পায়ে ঢুকতে হতো, আজ সেখানে বুক ফুলিয়ে ঢুকছে। এও কি কম বিপ্লব। এর চেয়ে বড় বিপ্লব কি ভাবা যায়! পৃথিবীর ম্যাপেও তো এতবড় রঙের বদল হয়নি। হিটলার যা পারেনি, ছিটে- ফোঁটা যেন তাই-ই করে ফেলেছে রাতারাতি।

    —কী খাবি বল? শ্যাম্পেন ছাড়া আর সব কিছু দিতে পারি। শ্যাম্পেনটা ফুরিয়ে গেছে ক’দিন হলো।

    দীপঙ্কর বললে—না, তার চেয়ে আমি উঠে পড়ি—

    —কেন? উঠবি কেন? কীরকম বাড়ি করেছি বল? ভাই, বাড়ির নাম ‘অঘোর-সৌধ’ রাখলুম আমি। ফোঁটা আপত্তি করেছিল, বলেছিল একটা আধুনিক নাম রাখতে। তোদের রবি ঠাকুরের কায়দায়। শেষে আমার কথায় রাজী হলো। তা ছাড়া দাদুর ক্যাপিট্যাল ছিল বলেই তো হলো এ-সব! আরে, ক্যাপিট্যালটাই তো সব। ব্রেন, বুদ্ধি, স্কীম এডুকেশন যতই থাক, ক্যাপিট্যাল না হলে তো কিছুই হবে না। সেই অঘোরদাদুই তো ক্যাপিট্যাল সাপ্লাই করলে। তাই বুড়োর নামেই শেষ পর্যন্ত বাড়িটার নাম দিলুম। কী বল্, ভাল করিনি?

    অদ্ভূত সব কথা শোনাতে লাগলো ছিটে। যে-সব কথা ছিটের মুখ দিয়ে শোনার আশা করেনি দীপঙ্কর। কনট্র্যাক্ট পেতে গেলে কাকে ধরতে হয়, কাকে ঘুষ দিতে হয়, সে ছিটের জানা। দিল্লির খোদ কর্তার কাছে গিয়ে কী-রকম করে কনট্র্যাক্ট আদায় করে নিয়ে এসেছে, তাও বললে। বললে—তুই টাকা খরচ কর, আমি তোকে আকাশের চাঁদ এনে দেব—টাকা দিয়ে আমি সব বেটাকে হাতের মুঠোয় এনে দিতে পারি—

    তারপর বললে—এই দেখ না, এই বাড়ি দেখছিস তো, এই সবই আমি আর ফোঁটা দুজনে মিলে করেছি কিন্তু সোজা আঙুলে তো ঘি বেরোয় না—

    ছিটে আরো কী-কী সব নিজের গুণপনা বলতে যাচ্ছিল। কোথায় কেমন করে কাকে ধরে এইসব সম্পত্তি করেছে। অঘোরদাদু আর কত ক্যাপিট্যাল দিয়ে গেছে? মাত্র এক লাখ। সেই এক লাখকেই আজ তারা দুজনে মিলে দশগুণ করেছে—এ স্রেফ ব্রেন, বুদ্ধি, স্কীম আর ঘুষের কল্যাণে। এডুকেশন না থাকলেও ক্ষতি নেই। ঘুষ দিতে জানলেই হলো। ঘুষ সবাই নিতে চায়। কিন্তু নিতে চাইলেই তো হয় না। ঘুষ দিতেও জানা চাই। ঘুষ নেওয়ানোর মত শক্ত কাজ আর দুনিয়ায় নেই। ঘুষ নেওয়াতে হবে, অথচ সম্মানে এতটুকু দাগ লাগবে না, এই-ই হলো এ-যুগের এডুকেশন। স্কুল-কলেজে মিছিমিছি ইংরিজী আর অঙ্ক কষিয়ে সময় নষ্ট করা হয়, সেই সময়টাতে যদি ঘুষ দেওয়া আর ঘুষ নেওয়ার ফরমুলাটা শেখানো হয় তো তাতেও খানিকটা কাজ হয় দেশের। যুগ বদলেছে আর শিক্ষা বদলাবে না?

    অনেক কথা শেখাচ্ছিল ছিটে।

    হঠাৎ প্রসঙ্গ বদলিয়ে বললে—তোদের মিস্টার ঘোষাল, মিস্টার ঘোষাল যে আমার কাছে এসেছিল রে—

    দীপঙ্কর বললে—মিস্টার ঘোষাল? কেন?

    —আবার কেন? কিছু টাকা চাইতে। বলছিল বিপদে পড়েছে, আমি যদি কিছু টাকা দিই—

    —তুমি দিলে?

    ছিটে বললে—রামঃ, আমি কেন টাকা দিতে যাবো? তুমি যখন চেয়ারে বসেছিলে, তখন তোমাকে ঘুষ দিয়েছি আমার স্বার্থে, এখন তোমাকে টাকা দিতে যাবো কেন? তুমি কে হে আমার?

    বলে ছিটে হো হো করে হাসতে লাগলো।

    দীপঙ্কর বললে—এবার আমি উঠি ভাই, তোমার অনেক দেরি করিয়ে দিলুম- ছিটে বললে—তা তোকেও তো পুলিসে ধরেছে, এখন জামিনে খালাস আছিস বুঝি? আচ্ছা, একটা কথা আমাকে বুঝিয়ে বল তো ঘুষ নিয়েছিস বেশ করেছিস, কিন্তু ধরা পড়তে গেলি কেন?

    দীপঙ্কর বললে—আমি ঘুষ নিয়ে ধলা পড়েছি, কে বললে তোমায়?

    —কেন? তোদের আপিসেই শুনে এলুম! তোদের আপিসের সব লোক বললে। আমি মনে মনে বললুম দীপু বাপের বেটা তাই ঘুষ নিয়েছে, কিন্তু বোকার মত ধরা পড়তে গেল কেন? যেই দেখলি পুলিস ঘরে ঢুকছে ওমনি নোটগুলো মুখে পুরে গিলে ফেলতে পারলি না?

    দীপঙ্কর আর দাঁড়াল না। বললে—আসি আমি, অনেক দেরি হয়ে গেল—

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80 81 82 83 84 85 86 87 88 89 90 91 92 93 94 95 96 97 98 99 100 101 102 103 104
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleবাবলি – বুদ্ধদেব গুহ
    Next Article কড়ি দিয়ে কিনলাম ১ – বিমল মিত্র

    Related Articles

    বিমল মিত্র

    সাহেব বিবি গোলাম – বিমল মিত্র

    May 29, 2025
    বিমল মিত্র

    বেগম মেরী বিশ্বাস – বিমল মিত্র

    May 29, 2025
    বিমল মিত্র

    আসামী হাজির – বিমল মিত্র

    May 29, 2025
    বিমল মিত্র

    কড়ি দিয়ে কিনলাম ১ – বিমল মিত্র

    May 28, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }