Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    কড়ি দিয়ে কিনলাম ২ – বিমল মিত্র

    বিমল মিত্র এক পাতা গল্প950 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    কড়ি দিয়ে কিনলাম ২.৭৮

    ৭৮

    পরের দিন সকাল-সকালই এল দীপঙ্কর। শম্ভু ছিল সামনে। দীপঙ্করের চেহারা দেখে শম্ভুও একটু ভয় পেয়ে গিয়েছিল। বললে—কী হয়েছে দাদাবাবু আপনার?

    দীপঙ্কর বললে—কেন?

    শম্ভু বললে–আপনার চেহারা এমন হয়েছে কেন?

    সে-কথার উত্তর না-দিয়ে দীপঙ্কর জিজ্ঞেস করলে—মা-মণি আছেন বাড়িতে?

    ক’দিন থেকেই দীপঙ্কর যেন উদ্‌ভ্রান্ত হয়ে গিয়েছিল। আসতে পারেনি প্রিয়নাথ মল্লিক রোডের বাড়িতে। লক্ষ্মীদি আসার পর থেকেই জিনিসটা হয়েছিল। সব সুর সব তাল কেটে গিয়েছিল জীবনের। এতদিন ছিল এক-রকম। আপিসে গিয়েছে। আপিসের কাজও বেড়ে গিয়েছিল। আপিস সুদ্ধ লোক মিলিটারিতে নাম লিখেয়েছিল। আগে ভয় হতো তাদের কোথায় নিয়ে যাবে ওয়ার-ফ্রন্টে। খাকি পোশাক দিয়েছে, কম্বল দিয়েছে, জলের ব্যাগ দিয়েছে। কিট্-ব্যাগ দিয়েছে। তারপর একদিন হয়ত বললে—চলো সিঙ্গাপুর, কিংবা চলো বার্মা। কিন্তু তারপর আস্তে আস্তে ভয়টা কেটে গেল। মাস গেলে অনেকগুলো ফাল্গু টাকা আসছে হাতে। অথচ কোনও ঝক্কি নেই। আগে যারা ডিফেন্স- অব্-ইন্ডিয়ার বন্ডে সই করেনি, তারা দেখলে তারা ঠকে গেছে। কিন্তু তখন নতুন করে নাম সই করতে চাইলেও আর উপায় নেই। আর রিক্রুট করা হবে না। যুদ্ধের মোড় ঘুরে গেছে। স্ট্যালিনগ্র্যাভ্ থেকে সেই যে শীতের সময় জার্মান-আর্মি সরে এলো, তখন থেকেই মোড় ঘুরে গেছে যুদ্ধের। ইজিপ্টের ফ্রন্টেও জার্মান জেনারেল কম্যান্ডার রোমেল হটে এসেছে। কলকাতার সাহেবদের হাসি-হাসি মুখ আবার। কলকাতার মার্কেন্টাইল ফার্মে আবার সাহেবদের কালো মুখ লাল হয়ে উঠেছে। আবার হুইস্কি উড়ছে চৌরঙ্গীর হোটেলে-হোটেলে। আবার জ্যাজ্, আবার ফক্স-ট্রট্, আবার ওয়ালজ্ চলছে জোরদার হয়ে। আমেরিকান সোলজারদের সঙ্গে কালো-কালো নিগ্রো-হাসী সোলজারে ভর্তি হয়ে গেছে কলকাতা। চৌরঙ্গীর রাস্তায় বেরোতে ভয় করে মেয়েদের। বিশেষ করে সন্ধ্যেবেলা। বাসে ধারের সীটে বসলে বাইরে থেকে গায়ে হাত দেয় তারা। মেয়েমানুষ দেখলে আর জ্ঞান থাকে না। হৈ হৈ শব্দ করে ওঠে। ভিখিরির মেয়ে, ছেঁড়া ময়লা কাপড় পরে রাস্তায় ভিক্ষে করছে। তাই-ই সই। তাকেই জিপ্ গাড়িতে তুলে নিয়ে সোঁ সোঁ করে উধাও হয়ে যায়। তারপর লেকের মাঠের তাঁবুর সামনে নিয়ে গিয়ে তাকে উলঙ্গ করে ছেড়ে দেয়। ছেড়ে দিয়ে মজা দেখে। ক্যামেরা নিয়ে ফোটো তোলে। কাঁটা তারের বাইরে দাঁড়িয়ে বাঙালীরাও মজা দেখে। বিনা পয়সার মজা। মেয়েটাকে প্রচুর হুইস্কি খাইয়ে দিয়েছে। সে ন্যাংটো হয়ে খোলা আকাশের নিচেয় দাঁড়িয়ে হাসে, গান গায়, নাচে। আর ফোটো তুলে নেয় ইয়াঙ্কিরা সব আঙ্গেল থেকে। সে-ফোটো হয়ত নিজেদের দেশেও পাঠায়। দ্যাখো, ইন্ডিয়া মেয়েদের কান্ড দ্যাখো। দিস্ ইজ্ ইন্ডিয়া। দিস্ ইজ্ ক্যালকাটা। দিস্ ইজ্ বেঙ্গলী-গার্ল।

    এমনি কত মেয়ে, কত পুরুষ কত দালাল সেদিন ঘুষ নিয়েছে ইয়াঙ্কিদের কাছ থেকে। টাকা নিয়েছে। টাকা নিয়ে ইন্ডিয়ার সুনাম, সম্ভ্রম, ইজ্জত সব বেচে দিয়েছে। তারা সশরীরে এখনও বেঁচে আছে কলকাতা শহরে। তারা এখন ইয়াঙ্কিদের টাকায় বাড়ি করেছে, গাড়ি করেছে। সেই টাকা খরচ করে ইলেকশানে দাঁড়াচ্ছে। খদ্দরের ধুতি- পাঞ্জাবি পরে বক্তৃতা দিচ্ছে মাঠে মাঠে। আর তাদের চেনার উপায় নেই।

    কিন্তু ভিক্টরির সঙ্গে সঙ্গে এল ভাইস্। এল খাবার নিয়ে ফাটকা-বাজি। চলের দাম চড়ে গেল পঞ্চাশ ষাট টাকায়। চাল, ডাল, কয়লা, তরি-তরকারি সব আগুন হয়ে উঠলো। আর ছোঁয়া যায় না হাত দিয়ে।

    ক্রফোর্ড সাহেব বেশি কথা বলবার লোক নয়। অফিসে দিল্লির রেলওয়ে বোর্ড থেকে যখন ডি-ও লেটার আসে তখন অফিসসুদ্ধ তোলপাড় পড়ে যায়। হৈ-চৈ পড়ে যায় একটা লেটার খুঁজে না পাওয়া গেলে। কিন্তু ক্রফোর্ড সাহেব ধীর-স্থির হয়ে বসে থাকে নিজের ঘরে। তাকে দেখতেই পায় না কেউ সচরাচর। রবিনসন সাহেবের ফেয়ারওয়েলের দিনেও সবাই বক্তৃতা দিয়েছিল, মিস্টার ক্রফোর্ড চুপ করে সমস্ত শুনে গিয়েছিল শুধু। যেদিন কলকাতায় বোমা পড়েছিল সেদিন তো অফিসে কাজই করেনি সাহেব।

    কিন্তু সেদিন হঠাৎ ডেকে পাঠালে দীপঙ্করকে।

    —ডু ইউ নো সেন? তুমি শুনেছ?

    দীপঙ্কর বুঝতে পারেনি কীসের কথা বলছে মিস্টার ক্রফোর্ড। অন্য দিনের চেয়ে যেন বেশি হাসি-হাসি মুখ। হাসির কারণটা বুঝতে পারলে না দীপঙ্কর।

    —আমাদের ভিক্টরি হয়েছে, শুনেছ? রোমেল্ পালিয়ে গেছে ডেসার্ট ছেড়ে। ইজিপ্ট এখন ব্রিটিশের কন্ট্রোল? গ্রীস্ আমরা আবার নিয়ে নিয়েছি—

    দীপঙ্কর বললে—হ্যাঁ পেপারে দেখেছি—

    —তুমি দাঁড়িয়ে কেন? বোস না, বোস। টেক্ ইওর সীট্!

    কিন্তু সাহেব কী বলছে? দীপঙ্কর অবাক হয়ে গেল! কোথায় ভিক্টরি? সমস্ত কলকাতার লোক খেতে পাচ্ছে না। রেশন-শপ্ হয়েছে সমস্ত কলকাতায়। রেলওয়ে থেকেও স্টাফদের রেশন দেওয়া হচ্ছে। পঞ্চাশ-ষাট টাকা মণ চাল, দশ-আনা বারো- আনা সের ডাল, আলু দেড়-টাকায় আড়াই পো, এর নাম ভিক্টরি? সেই কলকাতায় বোমা পড়বার পর থেকেই জিনিস-পত্রের দাম হু-হু করে বাড়তে লাগলো। ওদিকে মিলিটারি ক্যাম্পের সামনে পাঁউরুটি আর পচা আলু পাহাড় হয়ে রাস্তায় পড়ে থাকে। কলকাতার মানুষ সেইখানে গিয়ে কুড়িয়ে নিয়ে আসে। তারপর রাস্তার ধারে মাটির হাঁড়িতে রান্না করে খেয়ে নেয়। হোক তারা ভিখিরি। কিন্তু ভিখিরি হলেও এতদিন মানুষের ইজ্জত নিয়ে তারা বেঁচে ছিল। মানুষের মতই এতদিন তাদের চাল-চলন ছিল। এবার সেই মানুষ গরু শেয়াল সব-কিছু একাকার হয়ে গেল একেবারে।

    মানুষের ভিক্টরি যদি হয় তো কেন কলকাতার মানুষ খেতে পায় না? কেন রেশনের চালের জন্যে রাত থাকতে দোকানের সামনে লাইন দেয়? আপিসের মানুষরা আর তেমন কাজ করে না। এখন আপিসের কাজ ফেলে রেখে আপিসের দোকানে রেশন নিতে যায়। সেখানেও লাইন। আপিসের ফাইল পড়ে রইল। কাজ-কর্ম সব সিকেয় উঠলো। ছুটলো রেশনের দোকানে। রেলওয়ে আপিসও চাল-ডাল-তোল-নুনের দোকান খুলেছে। সারাদিনই সেখানে কাটে তাদের। আপিসে আসবার সময় ঝোল-ঝুলি নিয়ে আসে। তারপর আপিসে এসেই দোকানে ছোটে। সেখানে একবার গেলে আর দু’ঘন্টার আগে ফিরে আসবার উপায় নেই। সস্তার সব জিনিস। সেই জিনিস সঙ্গে নিয়ে আবার বাড়ি যাবার হুজ্জতও আছে।

    দীপঙ্কর সব লক্ষ্য করে। আপিসের ফাইল-এ একটা আঁচড়ও পড়ে না কারো। আপিসের কাজ পড়ে থাকে। ওদিকে দিল্লির বোর্ড থেকে জরুরী চিঠি আসে। সে-চিঠি নিয়েও আগেকার মতন কেউ আর মাথা ঘামায় না। সবাই যেন অসাড় হয়ে গেছে। চোখের সামনে টাটকা মৃত্যু দেখে দেখে মৃত্যুর ওপরও যেন লোকে মমতা হারিয়ে ফেলেছে। লোকে বলে—মরতে তো একদিন হবেই মশাই!

    আগে মরা এত সহজ ছিল না। আগে মরা দেখলে লোকে ভয় পেত, সাবধান হতো, চমকে উঠতো। কিন্তু তখন মৃত্যু সারা পৃথিবীকে গ্রাস করেছে। রাস্তা দিয়ে চলতে-চলতে মৃত্যু দেখলে লোকে মড়া ডিঙিয়ে যায়। শেষকালে মৃত্যুর বিভীষিকার সঙ্গে সঙ্গে মৃত্যুর দুর্গন্ধটাও সহ্য হয়ে গেল। মড়ার দুর্গন্ধ পেলে নাকে রুমাল দেওয়াও উঠে গেল।

    ক্রফোর্ড সাহেব বলে—ওদের এখন কিছু বোল না সেন! আমাদের তো ভিক্টরি হচ্ছে—

    আপিসের ক্লার্কদের কাছে কৈফিয়ৎ চাইলে বলে—এখনও হয়নি স্যার-

    -–কেন হয়নি?

    সঙ্গে সঙ্গে বলে—রেশনের দোকানে গিয়েছিলুম স্যার—

    রেশনের দোকানে যাক্ আর না-যাক্, রেশনটা একটা ওজর হয়ে দাঁড়ালো। রেশনের নাম করে ক্যাটিনে গিয়ে গল্প করতে লাগলো। সিগারেটের ধোঁয়ায় উড়িয়ে দিতে লাগলো সময়, উড়িয়ে দিতে লাগলো সংসার, উড়িয়ে দিতে লাগলো জীবন। জীবন, মৃত্যু, জন্ম, সেক্স সম্বন্ধে মানুষ নির্বিকার হয়ে উঠলো। আর একদিকে লোভ, পাপ, হিংসেকে ক্যাপিটাল করে আর একদল মুষ্টিমেয় মানুষ ফেঁপে উঠতে লাগলো ফানুসের মত। এই হলো ১৯৪৩ সালের কলকাতার মানুষের কাহিনী। ঠিক এই সময়েই নয়নরঞ্জিনী দাসী নীলেমের নোটিশ পেলেন। ঠিক এই সময়েই নির্মল পালিত পাগল হয়ে গেল। ঠিক এই সময়েই দিল্লি থেকে লক্ষ্মীদি কলকাতায় এসে পৌছাল। আর ঠিক এই সময়েই দীপঙ্কর ছট্‌ফট্ করে বেড়াতে লাগলো টাকার জন্যে

    এতদিন টাকার কোনও প্রয়োজন হয়নি দীপঙ্করের। এতদিন মাইনে পেয়েছে। মাইনে পেয়ে সংসার চলেছে। শুধু সংসার নয়। যে এসেছে হাত পেতেছে। আপিসের পিওন মধু থেকে শুরু করে বাড়ির চাকর কাশী পর্যন্ত কারোর অভাব রাখেনি দীপঙ্কর। কত টাকা হাতে এসেছে আর কত টাকা হাত থেকে গেছে সে আয়-ব্যয়ের হিসেব কখনও রাখেনি। কিন্তু এবার হিসেব করবার প্রয়োজন হলো। প্রভিডেন্ড ফান্ডে কিছু টাকা নিশ্চয় হয়েছে।

    একদিন প্রভিডেন্ট ফান্ড সেকশনের বড়বাবুকে দীপঙ্কর ডাকলে। জিজ্ঞেস করলে— আমার কত টাকা জমেছে একবার আমাকে জেনে বলবেন?

    বড়বাবু বললে—আমি আপনাকে লেটেস্ট ফিগার জানিয়ে দেব আজই—

    ক্রফোর্ড সাহেবও অবাক হয়ে গিয়েছিল। বলেছিল—তুমি প্রভিডেন্ট ফান্ড থেকে লোন্ নেবে? কেন? হোয়াই?

    দীপঙ্কর ব্যাচেলর লোক। সংসারে তার কেউ নেই, অথচ এই পোস্টে থেকে কত লোক কত টাকা ঘুষ নিয়ে বড়লোক হয়েছে। নৃপেনবাবু সামান্য অফিস-সুপারভাইজারের কাজ করে তিনখানা বাড়ি করেছে কালিঘাটে। এখন বেশ নিশ্চিন্তে গঙ্গাস্নান করে আর ভগবানের নাম করে। অথচ দীপঙ্করের এত টাকার প্রয়োজন কেন? তবে কি ভেতরে- ভেতরে মদ খায়? ভেতরে-ভেতরে মেয়েমানুষ রেখেছে?

    আপিসেও সেকশনে-সেকশনে আলোচনা হয়।

    কে-জি-দাশবাবু বলে—আরে মশাই, সকলকেই চেনা হয়ে গেল—

    —কী বড়বাবু? কার কথা বলছেন?

    কে-জি-দাশবাবু বলে—আরে ভাই, এ-সব বলবার জিনিস নয়, এ-সব খবর চেপে যাওয়াই ভালো—যত দোষ করেছে ঘোষাল—সাহেব!

    তবু ক্লার্করা বুঝতে পারে না। বলে—কেন বড়বাবু, কী হয়েছে?

    —আরে এই যে আমাদের সেন-সাহেব, সেন-সাহেবের কথা ভাবছিলুম, ভেবেছে ডুবে-ডুবে জল খেলে শিবের বাবারও জানার সাধ্যি নেই। এক্ষুণি হোসেনভাই এসেছিল, বলে গেল—

    —কী বললে?

    —বললে আর কী? বললে—কে-জি-দাশবাবু, তোমাদের সেন-সাহেবও কি আজকাল ব্রাইব্‌ নিচ্ছে নাকি?

    কে-জি-দাশবাবু ব্যাপারটা বুঝিয়ে বললে। বললে—আমি প্রথমে কথাটা শুনে অবাক হয়ে গিয়েছিলুম ভাই, জিজ্ঞেস করলুম—কেন? ও-কথা জিজ্ঞেস করছেন কেন হোসেনভাই সাহেব?

    হোসেনভাই বললে–সেন-সাহেব হঠাৎ আমাকে জিজ্ঞেস করলে—বড়লোকরা এত টাকা দিয়ে কী করে? বড়লোকরা কিছু টাকা দিয়ে দিলেই তো পারে গরীবদের। বড়লোকরা গরীবদের দুঃখ বুঝতে পারে কি না—এই সব!

    —তা আপনি কী বললেন!

    হোসেনভাই বললে—আমি প্রথমটায় তাজ্জব হয়ে গেলুম কে-জি-দাশবাবু, ভাবলুম এতদিন ওয়াগন চাইতে আসছি, সেন-সাহেব তো কখনও টাকার কথা তোলে নি! সেন- সাহেবও কি ব্রাইব্‌ চায় নাকি?

    কে-জি-দাশবাবু উদ্‌দ্গ্রীব হয়ে শুনছিল। বললে—তারপর?

    হোসেনভাই বললে—তারপর আর কী! ব্রাইব তো কেউ খোলাখুলি চায় না, ব্ৰাইব্‌ তো সবাই ইন্ডাইরেক্ট-ওয়েতে চায়, আমি আর কিছু কথা বাড়ালাম না, চলে এলুম—

    —ওয়াগন পেলেন?

    —হ্যাঁ, ওয়াগন পেলুম। এর পরের দিন বোধহয় চাইবে। সেদিন দিতেই হবে। ব্রাইব্ তো আমরা দিয়েই থাকি কে-জি-দাশবাবু। ব্রাইব্‌ না-দিলে আমাদের কারবার চলে না। পরের দিন টাকা সঙ্গে করে নিয়ে আসবো—জেন্টেলম্যানরা তো আর সোজাসুজি ঘুষ চাইতে পারে না। এইরকম এঁকিয়ে বেঁকিয়ে চায়। তা দেব!

    কে-জি-দাশবাবু হাঁ হাঁ করে উঠলো। বললে—না, না হোসেনভাই সাহেব, ঘুষ দেবেন না আপনি, কিছুতেই ঘুষ দেবেন না। কেন মিছিমিছি দিতে যাবেন?

    হোসেনভাই বললে—না কে-জি-দাশবাবু, আমি ব্রাইব্ দেবই। রেলের অফিসার ব্রাইব্ নিলে তো আমাদের সুবিধে। ব্রাইব্ দিলেই তো আমাদের কারবার ভালো চলে। ব্রাইব্ দিলে চাঁদির জুতো মেরে কাম্ আদায় করতে পারি—ঘুষ আমি দেবই—

    —না না হোসেনভাই সাহেব, আপনি ঘুষ দেবেন না। আপনি এক কাজ করুন-

    —কী কাজ?

    কে-জি-দাশবাবু বললেন—আপনি য়্যান্টি-করাপশন অফিসের পুলিসকে খবরটা দিয়ে দিন, তাতে রেলেরও ভাল, আপনারও ভাল—

    হোসেনভাই বললে—কিন্তু আমার কারবার চলবে কী করে? আমাকে কি আর কেউ কখন বিশোআস করবে?

    —করবে হোসেনভাই সাহেব, করবে! আমি সেন-সাহেবকে নিজে জানি যে ভাল করে, আমার আন্ডারে এতদিন কাজ করেছে ক্লার্ক হয়ে। আমিই যে হাতে ধরে ইংরিজী ড্রাফট করতে শিখিয়েছি। এখন আমাকেই মানতে চায় না সেন-সাহেব।

    —তা এত টাকার কীসের দরকার পড়লো? সেন-সাহেব মদ খায়?

    —আরে মদ খায়, মেয়েমানুষ রেখেছে। কী না-করে। ডুবে ডুবে সবই করে। কেউ জানতে পারে না তাই। ঝি-এর ছেলে। ওর মা পরের বাড়িতে ঝি-এর কাজ করতো, জানো সাহেব? তারপর রবিনসন সাহেবের কুকুরকে বিস্কুট খাইয়ে খাইয়ে এই অফিসার হয়েছে। তেত্রিশ টাকায় কেরানীর চাকরিতে ঢুকেছিল, এখন ন’শো টাকার গ্রেড— আঙুল ফুলে একেবারে কলাগাছ—বুঝেছ সাহেব? তুমি পুলিসে ধরিয়ে দাও—জব্দ হোক! জার্নাল সেকশনে এইসব গল্প সবিস্তারে বলছিল কে-জি-দাশবাবু। লক্ষ্মণ সরকার চুপ করে শুনছিল সব

    কে-জি-দাশবাবু লক্ষ্মণ সরকারের দিকে চেয়ে হঠাৎ বললে—আপনি আবার যেন বলে দেবেন না লক্ষ্মণবাবু, আপনি তো সেন-সাহেবেরই লোক আবার-বাঙালীদের তো এই-ই স্বভাব, কেবল পরের নামে লাগানি-ভাঙানি—

    লক্ষ্মণ সরকারের বলবার দরকার নেই। দীপঙ্কর সবই জানতো। জানতো তাকে নিয়ে সেকশনে কী আলোচনা হয়। জানতো তার সম্বন্ধে কে-কী বলে। আপিসের কাজ করতে করতে এক-একবার মনে হতো—চাকরি ছেড়ে দেয়। এই চাকরি না করলে তো তাকে নিয়ে এত মাথা ঘামায় না কেউ। এই চাকরি না করলে তো তার সম্বন্ধে এত আলোচনা ওঠে না। মনে হয় চাকরি ছেড়ে দিয়ে কোথাও কোনও গ্রামের মধ্যে গিয়ে জীবনটা কাটিয়ে দেয়। যায় আবার সেই ব্যাঁটায়। যেখানে দীপঙ্কর জন্মেছিল। যেখান থেকে মা তাকে নিয়ে পালিয়ে এসেছিল। প্রভিডেন্ট ফন্ডের যে-টাকা ক’টা আছে তাই নিয়ে এক-রকম করে শেষ-জীবনটা কাটিয়ে দেবে। চোদ্দ-পনেরো হাজার টাকায় একটা খামার কিনে চাষ-বাস করবে। তাতে বোধহয় অনেক শান্তি। অনেক আরাম। কারো সঙ্গে কোনও সম্পর্ক রাখবে না। কোনও সম্বন্ধ রাখবে না। সতী, লক্ষ্মীদি, সনাতনবাবু, মিস্টার ঘোষাল, ছিটে-ফোঁটা সকলের কাছ থেকে দূরে চলে যাবে। পাপ থেকে দূরে চলে যাবে। পুণ্য থেকেও দূরে চলে যাবে। আসলে হয়ত জীবন থেকেও দূরে চলে যেতে ইচ্ছে করতো দীপঙ্করের।

    প্রিয়নাথ মল্লিক রোডের বাড়িতে এসে শম্ভুকে দেখে আবার সে-ভাবনাটা খানিকক্ষণের জন্যে দূরে চলে গেল।

    মা-মণি নিজের ঘরেই বসেছিলেন। সেই তখুনি নির্মল পালিতকে দেখে এসেছেন। মনটা খিঁচড়ে ছিল। দীপঙ্করকে দেখে যেন একটু উৎফুল্ল হয়ে উঠলেন। বললেন—কী বাবা? কী হলো?

    দীপঙ্কর সামনের চেয়ারটায় বসলো। সিঁড়ি ভেঙে ওপরে উঠে যেন হাঁফাচ্ছিল। বললে—আপনি সনাতনবাবুর কাছে কিছু শোনেন নি?

    মা-মণি বললেন—ওর কথা ছেড়ে দাও বাবা, ও কি একটা মানুষ? বলছিল, কী যেন বৌমার বোন এসেছে নাকি দিল্লি থেকে

    দীপঙ্কর বললে—সে এক ভীষণ কান্ড হয়েছে সেখানে, সেই জন্যেই তো আপনার কাছে আসতে পারিনি এ ক’দিন!

    —কিন্তু বৌমার বোনেরও তো টাকা আছে? সে-ও তো বাপের আদ্দেক টাকা পেয়েছে?

    —তাতো পেয়েছে। কিন্তু এখন লক্ষ্মীদির যা অবস্থা, তাতে টাকার কথা বলাই যাচ্ছে না। টাকা তো টাকা, তার জীবন নিয়েই এখন টানাটানি—

    নয়নরঞ্জিনী জিজ্ঞেস করলেন—কী রকম?

    দীপঙ্কর বললে—সনাতনবাবু আপনাকে কিছু বলেন নি? লক্ষ্মীদি যেদিন এল দিল্লি থেকে সেদিন তো সনাতনবাবু বসে আছেন? সেদিন সনাতনবাবুকে নিয়ে গিয়ে খুব মুশকিলে পড়েছিলুম আমি। এদিকে কোনও কাজই হলো না, ওদিকে সতীও তখন বাড়ি ছিল না—

    —বৌমা আবার কোথায় গিয়েছিল বাড়ি ছেড়ে?

    দীপঙ্কর বললে—সেই আমাদের ঘোষাল সাহেবের মামলাতে সাক্ষী দিতে। মা-মণি কিছু জানতেন না। বললেন—আহা, ছেলেটি খুব ভালো, তার আবার কীসের মামলা!

    দীপঙ্কর বললে—সে অনেক কান্ড! সতী তো তার আন্ডারেই চাকরি করেছে এককালে, সে তো জানেন? সেই মামলায় আটকে পড়েছিল ঘোষাল-সাহেব, সেদিন ছিল শুনানীর দিন। সতীর সাক্ষীতেই শেষ পর্যন্ত জেল হয়ে গেছে ঘোষাল-সাহেবের, শুনেছেন বোধহয়?

    মা-মণি অবাক হয়ে গেলেন। বললেন—জেল?

    দীপঙ্কর বললে— হ্যাঁ, আট মাসের।

    —আট মাস! আহা গো, আপীল করতে বলো বাবা! এই মামলা মকদ্দমা নিয়ে’ হয়েছে ভালমানুষদের জ্বালা। এই দেখ না, কোথাও কিছু নেই, আমি কিছু জানলুম না শুনলুম না, আমার নামে ডিক্রি হয়ে গেল, আমার বাড়ি নীলেমের নোটিশ এসে গেল। এ-সব গা-জুয়ারি নয়? আপীল করতে বলো বাবা। আপীলে ও ঠিক খালাস হয়ে যাবে— আহা গো—

    কিন্তু তা বোধহয় হবার নয়। নয়নরঞ্জিনী দাসী তা জানতেন না। তিনি তখন নিজের ভাবনাতেই অস্থির। তাঁর ভাবনা কে ভাবে, তারই ঠিক নেই। সে-সব দিনগুলোর কথা ভাবলে দীপঙ্করেরও কেমন সমস্ত গোলমাল হয়ে যেত। সমস্ত জীবন, সমস্ত পৃথিবী, সমস্ত কলকাতা যেন জটিল হয়ে উঠেছিল সে-সময়ে। মিস্টার ঘোষালের সঙ্গে দীপঙ্করও যেন জড়িয়ে গিয়েছিল এক জালে। সমস্ত কলকাতা সেদিন সে মামলার রায় মনোযোগ দিয়ে পড়েছিল। সকালবেলা ঘুম থেকে উঠে কলকাতার লোক আনন্দে হতবাক হয়ে গিয়েছিল সেই খবর পড়ে। খবরের কাগজে বড় বড় হেডিং দিয়ে লেখা হয়েছিল—ঘুষ লওয়ার অপরাধে রেলওয়ে অফিসারের আট মাস কারাদন্ড।’

    স্পেশ্যাল ট্রাইব্যুন্যালের রায়-এর কিছুটা অংশ তুলে দিয়েছিল খবরের কাগজে। তাতে লেখা ছিল—’এই মামলার আসামী। একজন গবর্নমেন্টের উচ্চপদস্থ গেজেটেড অফিসার। একজন গেজেটেড অফিসার হইয়া আসামী যে-অভিযোগে অভিযুক্ত হইয়াছিলেন, তাহা নিখুঁতভাবেই প্রমাণিত হইয়াছে। আসামী শুধু যে যুদ্ধের কাজে ব্যাঘাত সৃষ্টি করেন তাহাই নহে, তাহার নিম্নপদস্থ কর্মচারীদের চোখে দৃষ্টান্তরূপে প্রতিভাত হইয়াছেন। সেই হিসাবে আসামী শুধু দেশের শত্রু নহেন, শুধু সমাজের শত্রু নহেন, সমগ্র মানব-সমাজের শত্রু। আসামীর ন্যায় সরকারী উচ্চপদস্থ কর্মচারীরাই এখন জাতির মাথা। তাঁহারা নিজেরা অসচ্চরিত্র হইলে নিম্নপদস্থ অধস্তন কর্মচারীদের দোষ দিয়া লাভ নাই। আসামী শিক্ষিত ও সংস্কৃতিবান বলিয়া এজাহার দিয়াছেন। কিন্তু কার্যত তিনি অশিক্ষিত ব্যক্তির ন্যায় আচরণ করিয়াছেন। অজ্ঞ অশিক্ষিত ব্যক্তি হইলে আসামীকে লঘু দন্ড দেওয়া যাইত। কিন্তু এ-ক্ষেত্রে সে-যুক্তি সম্পূর্ণ অসমীচীন। শিক্ষিত ব্যক্তির অপরাধ অশিক্ষিত ব্যক্তির অপরাধের অপেক্ষা অনেক দোষণীয়। সম্পূর্ণ সুস্থ চিত্তে বহাল তবিয়তে আসামী যে অপরাধ করিয়াছেন তাহার ক্ষমা নাই। এই সমস্ত দিক ধীরভাবে বিচার করিয়া আমরা আসামীকে দীর্ঘ আট মাস কারাদন্ডে দন্ডিত করিলাম।

    মনে আছে দীপঙ্কর যেদিন খবরটা প্রথম শুনেছিল সেদিন যেন ঠিক বিশ্বাস করতে পারেনি। খুশী হওয়ার প্রশ্ন নয়। অখুশী হওয়ারও প্রশ্ন নয়। বিশ্বাস করতে পারেনি অন্য কারণে। তবে কি সত্যিই দোষীর শাস্তি হয় সংসারে? পাপের পরাজয় কথাটা তো বই- এ লেখা থাকে। ও-কথা বইতেই শোভা পায়। ন্যায়-বিচার কথাটা কি ঘটে সত্যি সত্যি? ছোটবেলা থেকে এতদিন ধরে এত দেখে এত শিখেও যেন হঠাৎ কেমন অবাক লেগেছিল খবরটা। তাই প্রথমে নিজেকে নিয়ে সামলাতে পারেনি আর। তবে কি সতীও তার জীবনে সুখ পাবে? লক্ষ্মীদিকেও তার কৃতকর্মের প্রায়শ্চিত্ত করতে হবে? তাহলে কি সক্রেটিসের সেই কথাটাই সত্যি? তাহলে সেই আশুতোষ কলেজের অমলবাবু যা বলেছিলেন—সেসব সত্যি? এমনি করে এতদিন ধরে এত অভিজ্ঞতা অতিক্রম করে এসে দীপঙ্কর সত্যের সন্ধান পেলে? এরই নাম কি জীবন দিয়ে সন্ধান করা?

    আরো মনে আছে দীপঙ্কর সে-কদিন ছটফট করে বেড়িয়েছিল কেবল! আপিসে তার দুর্নাম, সতীর সেই অবস্থা, লক্ষ্মীদির সেই সর্বনাশ—সব কিছু নিয়ে দীপঙ্কর যেন দিশেহারা হয়ে গিয়েছিল। কোথায় সে যাবে? কার কাছে যাবে? কার কাছে গিয়ে সে মনের সব ভার নামাবে? কোথায় তার মা? কোথায় রইলেন প্রাণমথবাবু? কোথায় রইল সেই কিরণ?

    এমনি অবস্থাতেই দীপঙ্কর আর কোনও জায়গায় আশ্রয় না-পেয়ে প্রিয়নাথ মল্লিক রোডে এসে হাজির হয়েছিল। তাই শম্ভু তার চেহারা দেখে স্তম্ভিত হয়ে গিয়েছিল।

    আসলে এসেছির সনাতনবাবুর কাছে। কিন্তু শম্ভু একেবারে নিয়ে গিয়ে তুলেছিল নয়নরঞ্জিনীর কাছে।

    —তোমার কি কোনও অসুখ করেছে নাকি বাবা? শরীর খারাপ?

    দীপঙ্কর হঠাৎ বললে-আমি উঠি মা-মণি!

    —কিন্তু আমার টাকার কোনও ব্যবস্থা করতে পারলে? উকীল তো আমায় খেয়ে ফেললে বাবা। আমার গয়নাগাঁটি যা আছে তা বেচে চল্লিশ-পঁয়তাল্লিশ হাজার টাকা হবে কুড়িয়ে-বাড়িয়ে—কিন্তু বাকীটা?

    দীপঙ্কর বললে—আমার প্রভিডেন্ট ফন্ডে চোদ্দ-পনেরো হাজার টাকা জমেছে, তার থেকে আমি সবই তুলে দিতে পারি। তাতে হবে আপনার?

    —সে তো পঞ্চান্ন হাজার হলো। কিন্তু বাকীটা? বাকীটা কোত্থেকে পাই?

    —আমার কাছে তো আর কিছু নেই। আমার হাতে কিছুই থাকে না। আপনার কোনও আত্মীয়স্বজনের কাছ থেকে নিতে পারবেন না?

    —আত্মীয়-স্বজনের নাম কোর না। তারা তো এই খবর শোনার পর থেকে ধেই ধেই করে নাচছে—আমি রাস্তায় গিয়ে দাঁড়ালে তারা কালিঘাটের মন্দিরে গিয়ে মা-কালীর কাছে পুজো দেবে, জানো? এই হচ্ছে আত্মীয়-স্বজন।

    দীপঙ্কর হঠাৎ বললে—আপনি ভাববেন না, আমি দেখি কী করতে পারি!

    —করতে পারি না বাবা! তোমাকে করতেই হবে! তুমি বললেই বৌমা শুনবে! তোমার কথা বৌমা ফেলবে না—। তুমি একবার ভালো করে বউমাকে বুঝিয়ে বলো না!

    দীপঙ্কর কী ভেবে বললে—তাহলে সনাতনবাবুকে আর একবার নিয়ে যাই—

    —না বাবা, সোনাকে নিয়ে গিয়ে কোনও কাজ হবে না। সেদিন তো সোনাকে নিয়ে গিয়েছিলে, কাজ হলো? তবে আবার কেন মিছিমিছি নিয়ে যাবে? তুমিই কায়দা করে একবার বলো গিয়ে, নিশ্চয়ই কাজ হবে—

    —আচ্ছা দেখি—বলে দীপঙ্কর সেদিন উঠে পড়ছিল।

    মা-মণি আবার ডাকলেন। বললেন—তা হ্যাঁ বাবা, বউমার বোনের কাছে চাইলে হয় না? তার কাছেই না-হয় একবার চেয়ে দেখ না?

    দীপঙ্কর মুখ ফেরাল। বললে—কিন্তু তার অবস্থা তো বললুম আপনাকে—

    —কেন, কী-রকম অবস্থা?

    —লক্ষ্মীদি বোধহয় পাগল হয়ে যাবে।

    —পাগল হয়ে যাবে? কেন কী হয়েছে তার আবার? সেই কাকে যেন বিয়ে করেছিল

    বাপের অমতে? আবার কী হলো তার? সে তো ব্যবসা-ট্যাবসা করে অনেক টাকা-কড়ি করেছে শুনিছি। আর আমি তো তার টাকা নিয়ে পালিয়ে যাচ্ছি না!

    দীপঙ্কর বললে—পালিয়ে যাবার কথা হচ্ছে না, তার এখন মানসিক অবস্থা খুব খারাপ, তার ছেলেকে নিয়ে বড় মুশকিলে পড়েছে—

    —কী মুকিলে পড়েছে ছেলেকে নিয়ে?

    দীপঙ্কর বললে—তার ছেলে একজনকে খুন করেছে—

    নয়নরঞ্জিনী আঁতকে উঠলেন, বললেন—ওমা কী সর্বনাশ! কাকে খুন করেছে গো?

    দীপঙ্কর বললে—সে আপনি চিনবেন না—পরে সব জানতে পারবেন—

    বলে দীপঙ্কর আর দাঁড়াল না সেখানে। তাড়াতাড়ি সিঁড়ি দিয়ে নিচেয় নেমে রাস্তায় বেরিয়ে পড়লো।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80 81 82 83 84 85 86 87 88 89 90 91 92 93 94 95 96 97 98 99 100 101 102 103 104
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleবাবলি – বুদ্ধদেব গুহ
    Next Article কড়ি দিয়ে কিনলাম ১ – বিমল মিত্র

    Related Articles

    বিমল মিত্র

    সাহেব বিবি গোলাম – বিমল মিত্র

    May 29, 2025
    বিমল মিত্র

    বেগম মেরী বিশ্বাস – বিমল মিত্র

    May 29, 2025
    বিমল মিত্র

    আসামী হাজির – বিমল মিত্র

    May 29, 2025
    বিমল মিত্র

    কড়ি দিয়ে কিনলাম ১ – বিমল মিত্র

    May 28, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }