Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    কড়ি দিয়ে কিনলাম ২ – বিমল মিত্র

    বিমল মিত্র এক পাতা গল্প950 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    কড়ি দিয়ে কিনলাম ২.৮৭

    ৮৭

    গড়িয়াহাট লেভেল ক্রিসিং-এর বাড়িতে দীপঙ্কর বাইরের ঘরে চুপ করে তখনও বসে ছিল। সনাতনবাবুকে একটা ট্যাক্সি ডেকে দীপঙ্কর তুলে দিয়েছিল। সেদিন লক্ষ্মীদির সেই দুর্ঘটনা না-ঘটলে হয়ত সনাতনবাবু থেকেই যেতেন শেষ পর্যন্ত। আরো কিছু কথা হতো সতীর সঙ্গে।

    দীপঙ্কর বলেছিল—এদিকে আমি চলে যাচ্ছি কলকাতা ছেড়ে, আমাকে দিয়ে আপনাদের দু’জনের কোনও উপকারই হলো না সনাতনবাবু, আমি কিছুই করতে পারলুম না, অথচ আমি আপনাদের এই অশান্তির মধ্যে নিমিত্তের ভাগী হয়ে রইলুম কেবল—

    সনাতনবাবু কথাটা শুনে হেসেছিলেন। বলেছিলেন—সংসারে অশান্তি যদি আমরা সৃষ্টি করতে চাই তো তার জন্যে নিমিত্তের কখনও অভাব হয় না দীপঙ্করবাবু —

    দীপঙ্কর বলেছিল—তবু আমার নিজেকেই কেবল অপরাধী মনে হয়। মনে হয় সেই প্রথম দিন আমি বোধহয় আপনাদের বাড়িতে না-গেলেই পারতুম! আমি তখন কিছুই জানতুম না। ভাবতাম সতী খুব সুখেই আছে। তারপর কখন কেমন করে আপনাদের সঙ্গে জড়িয়ে পড়েছিলুম আজ আর তা মনে নেই। এদের দুই বোনের সঙ্গে আমার জীবন কেমন করে একাকার হয়ে গেল। কেমন করে সমস্ত কলকাতার সঙ্গেই আমি মিশে গিয়েছিলাম। ঈশ্বর গাঙ্গুলী লেনের সরু গলিটা থেকে শুরু করে প্রিয়নাথ মল্লিক রোড ধরে ফ্রী-স্কুল স্ট্রীট, স্টেশন রোড, আর এই গড়িয়াহাটের সঙ্গে-সঙ্গে আমিও নিজেকে হারিয়ে ফেলেছিলুম—সব যেন আজ আমার কাছে উপন্যাস বলে মনে হয়—

    তারপর একটু থেমে হঠাৎ দীপঙ্কর সনাতনবাবুর দিকে চেয়ে বললে—আমার একটা শেষ অনুরোধ রাখবেন আপনি?

    —শেষই তো! আমি চিরকালের মত এখান থেকে চলে যাবো, কলকাতা আর আসবো কিনা তারও কোনও ঠিক নেই। আপনি আমায় কথা দিন আমার একটা উপকার করবেন!

    —বলুন কী উপকার?

    দীপঙ্কর বললে—সতীকে আপনি সুখী করবেন, এর চেয়ে বড় কামনা আমার আর নেই। আমি জানি সতী আমার কেউ নয়, তবু মনে হয় অনেকের অনেক দুঃখ আমি দেখেছি, অনেকের অনেক অভাব আমি অনুভব করেছি, কিন্তু সকলের সব দুঃখ সব অভাবের মোচন আমি সতীর মধ্যে দিয়েই দেখতে চাই—

    সনাতনবাবু তখনও হাসছিলেন। বললেন—সুখ আপনি কাকে বলেন? সুখের ডেফিনেশন কী আপনার আগে বলুন?

    দীপঙ্কর বলেছিল—এ-সব কথা আমি আপনার মুখ থেকে অনেক শুনেছি এখন আর শুনবো না। ছোটবেলায় আমি সোক্রেটিসের একটা কথা পড়েছিলুম – To a good man no evil can happan. আমি চাই সোক্রেটিসের সেই কথাটা সত্যি হোক। আপনার কাছে আমার এইটেই শেষ অনুরোধ,–বলুন, আপনি আমার অনুরোধ রাখবেন?

    সনাতনবাবু শেষ পর্যন্ত কথা দিয়েছিলেন—আমি রাখবো—

    —সতীকে সুখী করবেন!

    —হ্যাঁ সুখী করবো!

    বলে ট্যাক্সিতে ওঠবার সময় এ রহস্যময় হাসি হেসেছিলেন সনাতনবাবু। সেদিন সনাতনবাবুর সে হাসির মানে বুঝতে পারেনি দীপঙ্কর। পরে বুঝেছিল। অনেক পরে। তখন সতী সুখীই হয়েছিল। দীপঙ্কর সে-সুখের মানে না বুঝলেও সতী হয়ত সুখীই হয়েছিল। সনাতনবাবু সুখীই হয়ত করেছিলেন সতীকে। সনাতনবাবু তার অনুরোধ রেখেছিলেন বৈ কি!

    সনাতনবাবু চলে যাবার পর দীপঙ্কর আবার লক্ষ্মীদির ঘরে গিয়ে দাঁড়াল। দাতারবাবু তখনও লক্ষ্মীদির পাশে রয়েছেন। লক্ষ্মীদি তখনও কাঁদছে। সেইদিকে চেয়ে চেয়ে সতী যেন পাথর হয়ে গেছে তখন। কেন এমন কাজ করতে গেল লক্ষ্মীদি! যখন সনাতনবাবু আর সতী কথা বলছে এক মনে, তখন কখন যে লক্ষ্মীদি নিঃশব্দে বিছানা থেকে উঠে খিড়কী দরজা দিয়ে এবোরে লেভেল ক্রসিং-এর গুটি-ঘরের নিচেয় গিয়ে দাঁড়িয়েছে, কেউই জানতে পারেনি। অন্ধকার ঝস্সা। রাস্তার লোকরাও কেউ সন্দেহ করেনি। গেট-কীপার ভূষণও সন্দেহ করেনি।

    রঘুই হঠাৎ আঁৎকে উঠেছিল প্রথম। সে-ই প্রথম খবর দিয়েছিল সতীকে। সতীও অবাক হয়ে গিয়েছিল। যে-মানুষ এতদিন বিছানায় শুয়ে শুয়ে কেঁদেছে আর ঘুমের ওষুধ খেয়ে ঘুমিয়েছে, সে হঠাৎ কোথায় উধাও হয়ে যাবে!

    সতী বলেছিল—নিশ্চয় ওপরে আছে লক্ষ্মীদি, ওপরের ঘরে দেখেছিস?

    রঘু বলেছিল—দেখেছি দিদিমণি, কোথাও নেই——

    তারপর যখন বাড়ির ভেতর কোথাও পাওয়া গেল না, তখন খোঁজ পড়লো বাইরে।

    একেবারে রাস্তায়। রাস্তায় খুঁজতে খুঁজতে একেবারে লেভেল ক্রসিং-এর গুটি ঘরের মাড়ালে। তখন সিগ্‌ন্যাল ডাউন হয়ে গিয়েছে। ট্রেন এসে যাবে একটু পরেই। সেই অন্ধকারেই সতী গিয়ে লক্ষ্মদিকে ধরে ফেলেছিল। তারপর টানাটানিতে আরো অনেক লোক জড়ো হয়ে গিয়েছিল। সনাতনবাবুও তখন আর কোনও সাড়া-শব্দ না-পেয়ে রাস্তায় বেরিয়ে এসেছিলেন ট্যাক্সির খোঁজে। হাঁটতে হাঁটতে লেভেল ক্রসিং-এর কাছে এসে দেখলেন সবাই সেখানেই। আর তারপরেই দীপঙ্কর এসে পড়েছিল, দাতারবাবু এসে পড়েছিল। তখন এক মহা শোরগোল বেধে গিয়েছিল সেইখানে।

    ভূষণ শুধু জিজ্ঞেস করেছিল একবার—এ কে হুজুর?

    দীপঙ্কর শুধু বলেছিল—এ আমার জানাশোনা, তোমাকে কিছু ভাবতে হবে না— তুমি ডিউটি করো—

    কোথা থেকে সমস্ত কী হয়ে গেল! কিছুই যেন দীপঙ্করের অভিপ্রেত নয়। কিন্তু মানুষের অভিপ্রায়ের ধার ধারবে, মানুষের ঈশ্বর হয়তো এত পরনির্ভরশীল নয়। ইচ্ছে হোক অনিচ্ছে হোক কোথায় কোন অদৃশ্য শক্তির কাছে বার বার হার মানতে হয়েছে তাকে। তবু হার মানবার বেদনাকে সে স্বীকার করেনি। আবার উঠে দাঁড়িয়েছে, উঠে দাঁড়িয়ে যুদ্ধ করেছে। প্রাণ-পণে অমোঘকে পরাজিত করার বাসনা নিয়ে বুক ফুলিয়ে সামনে এগিয়ে গেছে। দীপঙ্করের যেন তাই হলো।

    দাতারবাবুকে বললে—এখন ঘুমোচ্ছে লক্ষ্মীদি, এখন একটু বাইরে আসুন—

    সতীও সঙ্গে সঙ্গে বাইরে এল। বাইরে এসে সোজাসুজি দাতারবাবুর মুখের দিকে চেয়ে দেখলে। বোনের স্বামীকে এই প্রথম ভালো করে দেখবার সুযোগ পেলে। হঠাৎ বললে—আপনিই সেই?

    এতক্ষণে যেন দাতারবাবুও সতীর দিকে চেয়ে দেখবার ফুরসৎ পেলে। দুই হাত তুলে বললে—নমস্কার—আমি আপনাকে এতক্ষণ চিনতে পারিনি—আমায় ক্ষমা করবেন!

    সতী আরো গম্ভীর হয়ে গেল। বললে—এত কান্ডর পরেও আপনার লজ্জা হচ্ছে না? আপনি কি মানুষ?

    দাতারবাবু বোধহয় হঠাৎ এই আক্রমণের জন্যে প্রস্তুত ছিল না। বললে—সব দোষ আমি স্বীকার করছি আজ, আমার অন্যায় হয়েছে, আমি ক্ষমারও যোগ্য নই মিসেস ঘোষ—

    সতী বললে–আপনি যদি জানতেন আপনি আমাদের সংসারের কী ক্ষতি করেছেন, তাহলে আজ একথা বলতে আপনার মুখে বাধতো! আপনি যদি সেদিন ধূমকেতুর মত আমার লক্ষ্মীদির জীবনে হাজির না হতেন তাহলে হয়ত তার জীবনও এমন নষ্ট হতো না, আমার জীবনও আজ এমন নিষ্ফল হতো না—! আপনি জানেন যে আপনি আমার জীবনটাও নষ্ট করে দিয়েছেন!

    —তাই তো ক্ষমা চাইছি আপনার কাছে।

    সতী ঝাঁজিয়ে উঠলো—আবার ক্ষমা করার কথা বলছেন! রেঙ্গুনের সেই সব দিনের কথা ভাবুন তো! আপনাকে আমি সেদিন সাবধান করে দিইনি? বলিনি যে আমার দিদির সঙ্গে আপনি মিশবেন না, আমার দিদিকে আপনি চিঠি দেবেন না? বলিনি? সাবধান করে দিইনি আপনাকে?

    দাতারবাবু এ-কথার কোনও উত্তর দিতে পারলে না। মাথা নিচু করে দাঁড়িয়ে রইল শুধু। দীপঙ্করের মনে হলো দাতারবাবু বুঝি আবার আগেকার মত পাগল হয়ে যাবে। কিন্তু সতী ছাড়বার পাত্রী নয়। এতদিন পরে এত বছর পরে যখন সামনে পেয়েছে তখন সে যেন তার প্রতিশোধ নেবে বলেই প্রতিজ্ঞা করেছে। বললে—তবু আপনি বার বার দিদিকে চিঠি দিতেন, বার বার দিদির সঙ্গে দেখা করতেন—তার উদ্দেশ্যও কি ছিল এই এইজন্যেই আপনি আমাদের কারোর ভালো চাননি? এমনি করে আমাদের দু’জনকে পথে বসিয়ে আপনি কার্ কোন্ উদ্দেশ্য সিদ্ধ করলেন? নিজেরই বা কী ভালোটা হলো আপনার?

    দাতারবাবু এতক্ষণে ক্ষীণ সুরে কথা বললে—আপনি আমাকে আরো কিছু বলুন, আরো গালাগালি দিন,

    —আপনাকে গালাগালি দিলে যদি আমাদের সব কষ্টের লাঘব হতো তো গালাগালি দিতেও আমি পেছপাও হতাম না। কিন্তু জিজ্ঞেস করি, কী সুখটা পেলেন আপনি আমাদের এই সর্বনাশ করে! দিদিই বা আপনার কাছে কী অপরাধ করেছিল, আর আমিই বা আপনার কাছে কী দোষ করেছিলুম, বলতে পারেন?

    বলতে বলতে সতীর গলা ক্রমেই করুণ হয়ে উঠলো। অভিযোগ নয় এবার, যেন অনুযোগ। যেন নিজেকেই ধিক্কার দিতে লাগলো সতী। বললে—আপনাকে এড়াবার জন্যে দিদি কলকাতায় এল, যাতে আপনি না জানতে পারেন তাই কালিঘাটের গলির মধ্যে বাড়ি-ভাড়া নেওয়া হলো, তবু সেখানেও আপনি কেমন করে দিদিকে খুঁজে বার করলেন, তা ভগবান জানেন! আপনি কি জানেন যে আজ যে শ্বশুরবাড়ি থেকে আমাকে চলে আসতে হয়েছে তার জন্যেও আপনি দায়ী?

    দাতারবাবু বললে—সে শাস্তি আমি নিজেও পাচ্ছি মিসেস ঘোষ!

    —আপনি আমাদের তুলনায় কতটুকু শাস্তি পাচ্ছেন, শুনি?

    দাতারবাবু তেমনি মাথা নিচু করে বললে—আমার ছেলে আজ খুনের আসামী, তার বোধহয় ফাঁসীই হবে —

    সতী রুখে উঠলো—হোক, ফাঁসি হোক, আপনার সঙ্গে যারা মিশেছে, আপনার সংস্রবে যারা এসেছে তাদের সকলের ফাঁসি হোক, তাতেও আমার তৃপ্তি হবে না। আপনার ফাঁসি হলেও আমার চোখ দিয়ে এক ফোঁটা জল বেরুবে না। আমার দিদির ফাঁসি হোক, আমারও ফাঁসি হোক। আমাদের সকলকে ফাঁসি দেয় না কেন বলতে পারেন? আপনার নিজের জীবন নষ্ট হয়েছে, আমাদের জীবন আপনি নষ্ট করেছেন, আর এই দীপু, এই দীপু আমাদের দুর্ভাগ্যের সঙ্গে জড়িয়ে ফেলেছে নিজেকে—এরও জীবন আপনি নষ্ট করেছেন তা জানেন?

    দাতারবাবু দীপঙ্করের দিকে চেয়ে হাত জোড় করে বললে—আমাকে তুমি ক্ষম করো দীপুবাবু, —

    দীপঙ্কর তাড়াতাড়ি দাতারবাবুর হাত দুটো নিজের হাত দিয়ে চেপে ধরলে।

    সতী বললে—আজ আপনার ছেলের ফাঁসি হবে বলে আমাদের কাছে সহানুভুতি চাইছেন। কিন্তু ভেবে দেখুন তো, আপনার ছেলের ফাঁসি হবে না তো ফাঁসি কার হবে : তার আত্মসম্মানবোধ ছিল, তার আত্মমর্যাদা ছিল, তাই তার ফাঁসি হচ্ছে, আর আপনি দিনের পর দিন রাতের পর রাত ব্যাভিচারের সঙ্গে আপোষ করেছেন, তাই আপনি এখনও ভদ্দরলোক সেজে বেড়াচ্ছেন! ফাঁসি তো আপনাদের হবে না, ফাঁসি হয় তাদের যারা সত্যি কথা বলে, যারা অন্যায়ের প্রতিবাদ করে, যারা অত্যাচারের প্রতিকার করতে চায়!

    দীপঙ্কর এতক্ষণে একটু প্রতিবাদ করতে গেল। বললে—থাক সতী, তুমি ভেতরে যাও, লক্ষ্মীদির কাছে গিয়ে বোস একটু—

    —কেন থামবো? কেন ভেতরে যাবো? এতদিন পরে মুখোমুখি পেয়েছি, আমি ছেড়ে দেব বলতে চাও? আমার বাবা কি কম কষ্ট পেয়েছেন এই ভদ্রলোকের জন্যে? আমার বাবার মৃত্যুর জন্যেও তো এই ভদ্রলোক দায়ী! এতগুলো মৃত্যু ঘটিয়ে আপনার কী লাভটা হলো? কী সুখটা ভোগ করতে পারলেন? এতগুলো মৃত্যু ঘটিয়ে এখন আপনি আমাদের সহানুভূতি আদায় করতে এসেছেন?

    দাতারবাবু বললে—আমার ছেলের যা-হোক একটা কিছু হয়ে যাক, তারপর আমি এর জবাব দেব —

    সতী বললে—কিন্তু আপনার ছেলে একটা খুন করে চুপ করে গেল কেন? আপনাকেও খুন করতে পারলে না সে? তার রিভলবারে আর একটা গুলীও বাড়তি ছিল না? তার মাকেও মেরে শেষ করতে পারলো না সে?

    দাতারবাবু বললে—এর চেয়ে হয়ত তাই করলেই আরো ভালো হতো! তাতে আমিও হয়ত একটু শান্তি পেতাম!

    সতী বললে—কিন্তু শান্তি তো আপনি চাননি! আমি আপনাকে সাবধান করে দিয়েছি, আমার বাবাও আপনাকে সাবধান করে দিয়েছিলেন, তবু তো আপনার চৈতন্য হয়নি?

    দাতারবাবু যেন ক্রমেই মুষড়ে পড়ছিল। নিজের অসংখ্য ঝঞ্ঝাটের ওপর সতীর এ কথাগুলো তাকে যেন আরো পীড়িত করে তুললো। বললে—কিন্তু এখন আমি কী করতে পারি বলুন? আমি আপনার সামনে আমার মাথা পেতে দিচ্ছি, আপনি যা ইচ্ছে করুন আমাকে নিয়ে! ওদিকে আমার ছেলের মামলা, আর এদিকে আমার স্ত্রীর এই অবস্থা। আমি একদিনের জন্যে শুধু আমার স্ত্রীকে দেখতে এসেছিলুম, আমি আবার কালই ফিরে যাবো বলে এসেছি, এখন আমাকে কী করতে হবে, বলুন?

    সতী বললে—কাল নয়, আপনি আজই যান, লক্ষ্মীদিকে আমি একলাই দেখতে পারবো, এবাড়িতে আপনার আর এক মুহূর্তও থাকা চলবে না।

    দীপঙ্কর এবার এগিয়ে গেল। বললে—সতী, কী বলছো তুমি?

    —তুমি থামো দীপু, আমি ঠিক বলছি, আর এ মুহূর্তও এঁর এখানে থাকা চলবে না!

    —তুমি অবুঝ হয়ো না। মাথা গরম করে তুমি কী বলছো তার মানে জানো না।

    সতী বললে—আমার মাথা যদি গরম হতো দীপু, তাহলে এর আগেই আমি অনেক কান্ড করে বসতুম। এখনও আমার মাথা ঠান্ডা আছে, এখনও মাথা ঠান্ডা আছে বলেই আমি লক্ষ্মীদির মত রেলের চাকায় মাথা দিতে যাইনি। নইলে এতদিন আমাকে দেখতেই পেতে না এখানে। এই বাড়িতে দিনের পর দিন রাতের পর রাত একলা কাটিয়েছি, রাত্রে বিছানায় শুয়ে শুয়ে ট্রেনের চাকার শব্দ শুনেছি, আর নিজের জীবনের কথা ভেবেছি। পাগল যে হয়ে যাইনি, সেও মাথা ঠান্ডা রেখেছি বলে। মাথা গরম আর যারই হোক আমার হবে না।

    দাতারবাবু বললে—কিন্তু আজ একটা রাত আমাকে থাকতে দিন আমার স্ত্রীর কাছে—আমি কথা দিচ্ছি কালই চলে যাবো দিল্লিতে—

    সতী হেসে উঠলো—এতদিন পরের বিছানায় নিজের স্ত্রীকে শুতে দিতে তো আপত্তি হয়নি আপনার? তখন তো কোনও দুর্ভাবনাই হয়নি আপনার মনে? তখন তো নিজে নিশ্চিন্তে ঘুমিয়ে কাটিয়েছেন? আর আজ স্ত্রীর জন্যে এত দুশ্চিন্তা?

    দাতারবাবু যেন চমকে উঠলো। নিজের পরাজয়ের কলঙ্ক যেন এমন করে এর আগে কখনও পরের চোখে ধরা পড়েনি। একটা কথাও মুখ দিয়ে সরলো না। শুধু ফাঁকা দৃষ্টিতে হাবার মত চেয়ে রইল।

    দীপঙ্করের আর সহ্য হলো না। বললে—দাতারবাবু আপনি ভেতরে যান, লক্ষ্মীদি একলা রয়েছে, ভেতরে যান—

    তারপর দাতারবাবুকে হাত ধরে ভেতরে পাঠিয়ে দিলে। ফিরে এসে দীপঙ্কর আর একটাও কথা বলতে পারলে না। সন্ধ্যের ঘটনার পর থেকেই যেন এ-বাড়ির রুটিন-বাঁধা জীবনে একটা ছেদ পড়েছে। প্রতিদিন এখানে দীপঙ্কর আসে আর প্রতিদিন পাশাপাশি বসে থাকে দু’জনে। আজ আর যেন কোনও কথা বলবার নেই। আজ লক্ষ্মীদির দুর্ঘটনার পর সব যেন বিপর্যস্ত হয়ে গেছে। সনাতনবাবু এসে ফিরে গেছেন রিক্ত হাতে। আর দু’দিন পরে দীপঙ্করকেও কলকাতা ছেড়ে চলে যেতে হবে। জীবনে কোথাও যেন সামঞ্জস্য ছিল না। সতী তখনও স্থির হয়ে দাঁড়িয়েছিল সেখানে। দীপঙ্কর সেদিকে না তাকিয়ে সোজা সদর-দরজার দিকে এগিয়ে গেল। তারপর দরজা খুলে বাইরে পা দিতেই পেছন থেকে সতী বললে—কোথায় যাচ্ছো?

    দীপঙ্কর ফিরে দাঁড়াল। বললে—এবার যাই—

    —না শোন!

    দীপঙ্কর আবার ভেতরে এসে দাঁড়াল। সতী বললে—আজ উনি এসেছিলেন—

    দীপঙ্কর বললে—জানি!

    —আমাকে আবার নিয়ে যেতে এসেছিলেন!

    দীপঙ্কর বললে—তাও শুনেছি।

    সতী বললে—তুমি শুনেছ তা আমি জানি। আমি তোমাকে সে-জন্যে ডাকিনি! ডেকেছি অন্য কারণে! তুমি এত টাকা কোথা থেকে পেলে?

    দীপঙ্কর অবাক হয়ে গেল। সতীর মুখের দিকে সোজা মুখ তুলে চাইলে।

    সতী আবার বললে—বলো, তুমি এত টাকা কোথা থেকে পেলে? তুমি কি ভেবেছ তুমি আমার জন্যে শাশুড়ীকে টাকা দিয়ে আমায় ঋণী করে রাখবে? বলো, উত্তর দাও?

    দীপঙ্কর তবু উত্তর দিতে পারল না।

    সতী বললে—তোমার সামনেই তো আমি সেদিন বলেছিলুম যে, ঘুষ দিয়ে আমি শাশুড়ীর স্নেহ স্বামীর ভালবাসা পেতে চাই না, তবে জেনেশুনে কেন আমার এ- অপমানটা করলে? আমার মুখ এমনভাবে পোড়াতে হয়?

    দীপঙ্কর জিজ্ঞেস করলে—কে এ-সব বললে তোমাকে?

    সতী বললে—যে-ই বলুক, তিনি আর যাই করুন, মিথ্যে কথা বলেন নি! কিন্তু এই সস্তা মহত্ত্ব দেখাতে কে তোমাকে বলেছিল? এ-বাহাদুরি দেখিয়ে আমার কী ভালোটা হলো?

    দীপঙ্কর বললে—না দিলে সনাতনবাবুরা রাস্তায় এসে দাঁড়াতেন।

    —ওঁরা রাস্তায় দাঁড়ান বা না-দাঁড়ান তাতে তোমার কীসের মাথা-ব্যথা?

    দীপঙ্কর বললে—সে তুমি বুঝবে না!

    —তবু একবার বুঝিয়েই দেখ না, বুঝতে পারি কি না!

    দীপঙ্কর বললে—এত বছর ধরে আমার সঙ্গে এত মেলামেশার পরেও যদি বুঝতে না পেরে থাকো তো আর বুঝে দরকার নেই। আমি যাই—

    সতী সামনে পথ আটকে দাঁড়াল বললে-আমার কথার জবাব না দিয়ে তুমি পার পাবে না। বলো, তোমাকে বুঝিয়ে বলতেই হবে। অনেক দিন ধরে অনেক অবস্থার মধ্যে দিয়ে কাটিয়েছি, তবু তোমার এই হেঁয়ালি আমার কাছে আজো স্পষ্ট হয়নি। বলো, কেন তুমি এত টাকা ওঁদের দিতে গেলে? তোমার এতে কীসের স্বার্থ? তুমি কী চাও আমার কাছে?

    দীপঙ্কর চাইলে সতীর দিকে। ঘৃণায় যেন সমস্ত মুখটা কুঁচকে উঠলো! বললে — ছিঃ, পথ ছাড়ো—

    সতী পথও ছাড়লো না, মুখও নামালো না। বললে—তুমি তো কলকাতা ছেড়ে চলেই যাচ্ছো?

    দীপঙ্কর বললে— হ্যাঁ, সে তো পুরনো খবর!

    —কিন্তু কেন চলে যাচ্ছো? কীসের ভয়ে? ভেবেছ আমি তোমার কোনও ক্ষতি করবো?

    দীপঙ্কর বললে—ক্ষতি! ক্ষতি তো আমিই করেছি তোমার এতদিন!

    —তাই বুঝি এখন ছেড়ে চলে যাচ্ছ আমাকে জব্দ করবে বলে?

    দীপঙ্কর বললে-আমি এ-কথার উত্তর দেব না।

    —তা উত্তর যদি না দেবে তো কেন টাকা দিতে গেলে ওঁদের? কেন ওঁদের এমন করে বাঁচালে? ওঁদের বাঁচিয়ে তোমারই বা কী লাভ হলো আর আমারই বা কী ভালো হলো? বলো, উত্তর দাও।

    দীপঙ্কর চুপ করে রইল। কোনও উত্তর তার মুখ দিয়ে বেরোল না।

    সতী হঠাৎ দীপঙ্করের কোটের কলারটা চেপে ধরলো। বললে—বলো, চুপ করে থেকো না, উত্তর দাও—

    দীপঙ্করের সমস্ত শরীরে একটা ঝাঁকুনি লাগলো। এক মুহূর্তে তার সমস্ত জীবনটা পরিক্রমা করে এল সে। সেই ঈশ্বর গাঙ্গুলী লেন, সেই ফ্রী-স্কুল স্ট্রীট, সেই ধর্মদাস মডেল স্কুল, সেই প্রানমথবাবু, সেই মিস্ মাইকেল, সেই কিরণ, সেই লক্ষ্মীদি দাতারবাবু, সমস্ত কিছু যেন এক মুহূর্তে চোখের সামনে ভেসে উঠলো। সারা জীবন ধরে সে তো একটা জিনিসই জানতে চেয়েছে। কেন মানুষ দুঃখ পায়, কেন ভালোর এত যন্ত্রণা, কেন সত্যের এত লাঞ্ছনা! তাহলে এই-ই কি তার উত্তর? এই সতীই কি তার মূর্তিমতী জবাব?

    —বলো, জবাব দাও, কেন ওঁদের তুমি টাকা দিতে গেলে? চুপ করে থেকো না, বলো—

    দীপঙ্কর চাইলে সতীর দিকে। বললে—তোমাকে সুখী দেখতে চাই বলে!

    সতী হঠাৎ কোটের কলার থেকে হাতটা ছেড়ে দিলে। তার চোখ দুটো যেন হঠাৎ বড় কালো হয়ে উঠলো!

    তারপর জিজ্ঞেস করলে—কোত্থেকে টাকা পেলে তুমি?

    দীপঙ্কর কোনও জবাব দিলে না।

    সতী বললে—বলো, এত টাকা কোত্থেকে পেলে?

    দীপঙ্কর বললে—ধার করেছি!

    ধার! সতী যেন চমকে উঠলো। এত টাকা ধার করেছে দীপু তার জন্যে! এ যে অনেক টাকা!

    —এ ধার শোধ করবে কেমন করে? কত দিনে শোধ করবে?

    —সে যেমন করে হোক আমি শোধ করবো! তোমাকে ভাবতে হবে না! আমাকে যেতে দাও—

    সতী বললে—না, আমাকে ঋণী রেখে তুমি আমাকে জব্দ করবে, তা হবে না। তোমার এ-ধার আমি শোধ করে দেব, আমি সব টাকা দিয়ে দেব তোমাকে, তুমি আমার জন্যে মনে-মনে বাহাদুরি নিতে পারবে না।

    দীপঙ্কর বললে—তা হয় না। ইচ্ছে হলে তুমি তোমার শাশুড়ীকে দিও, তাঁর উপকার হবে তাতে—

    সতী বললে—তা দিলে আগেই দিতে পারতুম! তুমি আজই এ-টাকা নিয়ে যাও—

    দীপঙ্কর বললে—তা হয় না—

    সতী বললে—খুব হয়, তুমি আমাকে টাকা দিয়ে কিনে রাখবে, তাও আমি সহ্য করবো না। তোমাকে টাকা নিতেই হবে —

    দীপঙ্কর তখনও চুপ করে দাঁড়িয়ে আছে। সতী বললে—তোমার পায়ে পড়ি দীপু। এত বড় অপমান আমাকে কোর না, টাকা নিয়ে তুমি আমাকে আমার অপমান থেকে বাঁচাও, আমি এখনি চেক-বই নিয়ে আসছি, তুমি টাকা না নিলে রাত্রে আমার ঘুম হবে না—তোমার পায়ে পড়ি দীপু, তুমি একটু দাঁড়াও, আমি এখনি আসছি—

    বলে তাড়াতাড়ি সতী ভেতরের ঘরের দিকে চলে গেল। ঘরের আলমারি খুলে তাড়াতাড়ি দুটো ব্যাঙ্কের পাস বই নিয়ে আবার আলমারিটা বন্ধ করলে। পাশেই লক্ষ্মীদির ঘর। দরজার ফাঁক দিয়ে দেখা গেল লক্ষ্মীদি বিছানায় শুয়ে আছে আর দাতারবাবু তার পাশেই একটা চেয়ারে বসে মাথায় হাত বুরিয়ে দিচ্ছে। সতী তাড়াতাড়ি আবার বাইরের ঘরে এসে ঢুকলো। কিন্তু, দীপু কোথায়! সদর দরজাটা খোলা। সতী একবার এদিক ওদিক চাইলে। কোথাও নেই। তারপর সদর দরজা পেরিয়ে বাইরের সিঁড়ির ওপর গিয়ে দাঁড়াল। রাস্তার দিকে চেয়ে দেখলে। ব্ল্যাক-আউটের অন্ধকার চারদিকে। সতী ডাকলে—দীপু—দীপু—

    তারপর সেই অন্ধকার রাস্তা দিয়েই লেভেল ক্রসিং-এর দিকে এগিয়ে যেতে লাগলো। দীপু—দীপু—

    দীপঙ্কর তখন সতীর নাগালের বাইরে সুদূর গ্রহ-নক্ষত্র অতিক্রম করে উর্ধ্বশ্বাসে পা চালিয়ে চলেছে। অন্ধকারের আড়ালে সে তখন নিজেকে অদৃশ্য করে ফেলেছে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80 81 82 83 84 85 86 87 88 89 90 91 92 93 94 95 96 97 98 99 100 101 102 103 104
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleবাবলি – বুদ্ধদেব গুহ
    Next Article কড়ি দিয়ে কিনলাম ১ – বিমল মিত্র

    Related Articles

    বিমল মিত্র

    সাহেব বিবি গোলাম – বিমল মিত্র

    May 29, 2025
    বিমল মিত্র

    বেগম মেরী বিশ্বাস – বিমল মিত্র

    May 29, 2025
    বিমল মিত্র

    আসামী হাজির – বিমল মিত্র

    May 29, 2025
    বিমল মিত্র

    কড়ি দিয়ে কিনলাম ১ – বিমল মিত্র

    May 28, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }