Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    কড়ি দিয়ে কিনলাম ২ – বিমল মিত্র

    বিমল মিত্র এক পাতা গল্প950 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    কড়ি দিয়ে কিনলাম ২.৯৩

    ৯৩

    রেলওয়ে আপিসেও তোড়জোড় শুরু হয়ে গিয়েছে। সাজ সাজ রব চারদিকে। জেনারেল ম্যানেজার থেকে শুরু করে ট্র্যান্সপোর্টেশন ম্যানেজার, সি-ও-পি-এস, সি-সি-এস, ডি-টি-এস সবাই ব্যস্ত। বছরে একবার জেনারেল ম্যানেজারের ইনস্পেকশ্যান স্পেশ্যাল যায়। সমস্ত জোনে ঘুরবে স্পেশ্যাল। জেনারেল ম্যানেজার নিজে সব জমিদারী দেখবে। প্রজাদের সঙ্গে সুখ-দুঃখের কথা হবে। এই দিনই প্রথম লোকে তাকে চাক্ষুষ দেখবে। ক্রফোর্ড সাহেব ঘন-ঘন তলব দিচ্ছে মিস্টার ভার্মাকে। ঘন-ঘন তলব দিচ্ছে অভয়ঙ্করকে। সমস্ত ডিপার্টমেন্টেই এক অবস্থা। ক্রফোর্ড সাহেব অস্থির হয়ে উঠেছে। কে-জি-দাশবাবু, রামলিঙ্গমবাবু ফাইল নিয়ে দৌড়তে দৌড়তে পা ব্যথা করে ফেললে। একবার রেকর্ড-সেকশন আর একবার ডি-টি-এস এর ঘর। জেনারেল-ম্যানেজার সকলকে হয়রান করে মারবে! তারপর যখন স্পেশ্যাল শেষ হয়ে যাবে তখন আবার কিছু দিনের জন্যে সব ঠান্ডা! আর তারপর তো রাম-রাজত্ব! পাসবাবু একবার এ-সেকশানে যায়, আর একবার ও-সেকশানে! বলে—কিছু শুনলেন নাকি কে-জি-দাশবাবু?

    —কীসের কী?

    হরিশবাবু বললে—শুনলাম নাকি আমাদের আপিস ট্রানসফার হয়ে যাচ্ছে?

    —আর রাখুন মশাই আপনি, দেখছেন আমরা এখন জেনারেল-ম্যানেজারের স্পেশ্যাল নিয়ে হিম-শিম খেয়ে যাচ্ছি—এখন চাকরি রাখাই আমাদের দায় হয়ে উঠেছে—

    ক্রফোর্ড সাহেব কিছুতেই খুশী নয়। ভার্মা গিয়ে ফাইল এগিয়ে দেয় সামনে। অভয়ঙ্কর গিয়ে ফাইল এগিয়ে দেয়। তবু কিছুতেই খুশী হয় না মিস্টার ক্রফোর্ড। বলে-নো নো, দিস ইজ নট দি থিং—

    শেষকালে কোনও উপায় না দেখে এসট্যাবলিশমেন্ট সেকশানের সুধীরবাবুকে ডেকে পাঠায়। বলে—সেনকে টেলিগ্রাফ করে দাও হেড ক্লার্ক, তাকে এখনি চলে আসতে টেলিগ্রাফ করে দাও, সেন যাবে স্পেশ্যাল ট্রেনে–এক্সপ্রেস টেলিগ্রাফ—

    সুধীরবাবু সেকশানে গিয়ে বলে—কী জ্বালা! সেন-সাহেব না ‘হলে কি আর রেল চলবে না মশাই? ক্রফোর্ড সাহেবের যে কী এক ফ্যান্সি হয়েছে।

    সত্যিই অনেক সাহেব দেখেছে সুধীরবাবু। বহুদিন চাকরি হয়ে গেল তার। অন সাহেব থেকে শুরু করে রবিনসন সাহেব পর্যন্ত অনেক সাহেব দেখেছে সুধীরবাবু। প্রত্যেক বছরেই এরকম স্পেশ্যাল ট্রেন ছেড়েছে। জেনারেল-ম্যানেজারের টুর-প্রোগ্রাম এই প্রথম নয়। কিন্তু এবার যেন সবই উল্টো-পাল্টা। এবার যেন ক্রফোর্ড সাহেবের মত মানুষও একটু বিচলিত হয়েছে। তা বিচলিত হবার মত দিন-কালও পড়েছে। সেই সব যুগ আর নেই রেলওয়েতে। এখন ক্লার্করা আর আগেকার মত কাজ করে না মন দিয়ে। এখন ইউনিয়ন হয়েছে। এখন কমিউনিস্টরা ঢুকেছে চাকরিতে। নতুন-নতুন ছোকরা সব। সব কথাতেই কোড় দেখায়। ম্যানুয়্যাল দেখায়। এখন দেয়ালে-দেয়ালে হাতে লেখা পোস্টার এঁটে দেয়। রেলওয়ে-বোর্ড থেকে এখন কড়া-কড়া চিঠি আসে। আগেকার চেয়েও কড়া। পার্লামেন্টে কোশ্চেন ওঠে। যত স্বদেশী হবার কথা উঠছে ততই যেন চাপ পড়ছে। সব কথাতেই এখন দিল্লি থেকে কৈফিয়ৎ চাওয়া হয়। আরে এতই যদি কৈফিয়ৎ চাওয়া তো এখানে হেড-আপিস রাখা কেন? হেড-আপিস দিল্লিতে উঠিয়ে নিয়ে গেলেই হয়!

    সেদিন ক্রফোর্ড সাহেব আবার ডেকে পাঠালে। সুধীরবাবু ঘরে যেতেই সাহেব বললে—লুক হিয়ার হেড ক্লার্ক, সেনকে আর একটা আর্জেন্ট টেলিগ্রাম পাঠাও—বলে দাও, ট্রেন থেকে নেমেই যেন ডাইরেক্ট আমার সঙ্গে দেখা করে, সমস্ত মেস-আপ করে রেখে দিয়েছে এরা—

    তা তাই-ই সই। সেইভাবেই সুধীরবাবু টেলিগ্রাফ করে দিয়েছিল। সেদিন সকাল বেলাই ক্রফোর্ড সাহেব আপিসে এসে হাজির। ব্রেকফাস্ট করা হয়নি। আর কটা দিন। তারপরেই ক্রফোর্ড সাহেব চলে যাবে চাকরি ছেড়ে। চাকরি ছেড়ে দিয়ে কানাডায় গিয়ে সেটেল করবে। আর ইন্ডিয়া নয়। ইন্ডিয়ায় আর থাকা চলবে না ইউরোপীয়ানদের। ক্লাবের সব মেম্বারদেরও সেই মত। এইবার তার সার্ভিস-লাইফের শেষ ইনস্পেকশন স্পেশ্যাল।

    —গুড মর্ণিং মিস্টার ক্রফোর্ড!

    সাহেব মুখ তুলতেই সামনে দেখলে সেন দাঁড়িয়ে আছে। বললে—টেক ইওর সীট সেন, হাউ ডু ইউ ডু—

    তারপর পাশের ফাইলগুলো টেনে নিলে সাহেব। বুঝিয়ে বললে—কেন সেনকে সোজা আপিসে আসতে বলেছে। জেনারেল-ম্যানেজার বড় রাগ করেছে। সব মেস-আপ হয়ে গেছে। স্টেটমেন্টগুলোও তৈরি হয়নি। কাল রাত দশটা পর্যন্ত টাইপিস্টদের খাটানো হয়েছে। এখনও কমপ্লিট হয়নি। ওদিকে দিল্লির বোর্ড থেকে ন্যাস্টি লেটার এসেছে,–এই দেখ!

    দীপঙ্কর দেখলে। ফাইলগুলো পড়লে। টুর-প্রোগ্রাম ঠিক হয়ে গেছে, কিন্তু স্টেটমেন্ট কমপ্লিট হয়নি। দীপঙ্কর বললে—আপনি কিছু ভাববেন না স্যার, আমি সব ঠিক করে দিচ্ছি—

    বাইরে বেরোতেই অভয়ঙ্কর এগিয়ে এল। বললে—এ রকম চেহারা হলো কেন সেন? ক্লাইমেট কেমন শিলিগুড়ির?

    দীপঙ্করের সে-সব কথার উত্তর দেবার সময় ছিল না। ক্রফোর্ড সাহেবের কাজ নিয়ে শেষ করে দিতে হবে। আর বেশী দেরি নেই। চারদিকে খবর চলে গেছে। ওদিকে লক্ষ্মীকান্তপুর, আরো ওদিকে ডায়মন্ডহারবার। তারপর বজবজ লাইন। স্পেশ্যাল ছাড়বে। টুর প্রোগ্রামটা আবার দেখে নিলে দীপঙ্কর। অনেক দূর যেতে হবে তাকে। যেদিন থেকে দীপঙ্কর এই পৃথিবীতে যাত্রা শুরু করেছে, আবার সেইদিন থেকেই স্পেশ্যাল স্টার্ট করবে। নিজের নিরিবিলি ঘরটার মধ্যে দীপঙ্কর ফাইলটা তৈরি করতে করতে যেন অনেক শতাব্দী অতিক্রম করে এল। শতাব্দীই বটে। সেই ছোট বেলার ঈশ্বর গাঙ্গুলী লেন থেকে শুরু করে আজকের এই শিলিগুড়ি পর্যন্ত আসতে যেন তার অনেক শতাব্দী কেটে গেছে। কত যুগ, কত শতাব্দী অতিক্রম করতে হয়েছে তাকে। কত উত্থান-পতন। দীপঙ্করের মনে হতে লাগলো—তার এই পরিক্রমায় যেন কেউ তার সঙ্গী নেই। তার নিঃসঙ্গ যাত্রার একমাত্র সান্ত্বনা যেন সে নিজেই। সে নিজেই সংগ্ৰাম করে এসেছে নিজের সঙ্গে। সংগ্রাম বৈ কি! নিজের সঙ্গেই সংগ্রাম। সেই কিরণের সঙ্গেই তার প্রথম সাক্ষাৎ সেই যাত্রায়। সেই কিরণকেই একদিন হারাতে হলো। তারপর এল লক্ষ্মীদি। লক্ষ্মীদিও হারিয়ে গেল। লক্ষ্মীদির পরে এল সতী। সতী, সনাতনবাবু, নয়নরঞ্জিনী, নির্মল পালিত, সন্তোষকাকা, ক্ষীরোদা, গাঙ্গুলীবাবু সবাই একে একে হারিয়ে গেছে আজ। আর কারোর সঙ্গে কোনও সম্পর্কও নেই তার, আর সম্পর্ক থাকবেও না। শিলিগুড়ি গিয়ে কাউকে কোনও খবর দেয়নি, কারোর খবর রাখেওনি সে।

    হঠাৎ দরজাটায় একটা শব্দ হতেই দীপঙ্কর মাথা তুললে। বললে—ইয়েস, কাম ইন—

    না, ভার্মা নয়, অভয়ঙ্করও নয়। কেউ না। লক্ষ্মণ সরকার।

    দীপঙ্কর মুখ তুলে চাইল। সেই লক্ষ্মণ সরকারের চেহারা এই এক বছরেই বদলে গিয়েছে। বললে—বোস, কেমন আছো?

    লক্ষ্মণ সরকার যেন অনেক সঙ্কোচের পর বসলো। বললে—তুমি কেমন আছো? দীপঙ্কর বললে—ভালো—

    তারপর একটু থেমে দীপঙ্কর আবার হঠাৎ জিজ্ঞেস করলে—ক্ষীরোদা কেমন আছো?

    লক্ষ্মণ সরকার বললে—ভালো।

    —আর মাসীমা?

    —মাসীমাও ভাল আছে।

    আর কোনও কথা খানিকক্ষণ কারোর মুখ দিয়েই যেন বেরোচ্চে না। একটু পরে লক্ষ্মণ সরকার বললে-আমার চিঠি পেয়েছিলে তুমি?

    দীপঙ্কর বললে—হ্যাঁ পেয়েছিলাম—এই যে পকেটে রয়েছে—

    লক্ষ্মণ সরকার বললে—প্রথমে ভেবেছিলুম তোমাকে চিঠি লিখবো না। ভেবেছিলাম—তুমি বিরক্ত হবে। ক্ষীরোদাও বারণ করেছির লিখতে—

    —বারণ করেছিল? কেন?

    —ক্ষীরোদা বলেছিল—তুমি নাকি আমাদের ভুলে গেছ।

    দীপঙ্কর কিছু বললে না। তারপর নিজের মনেই যেন বললে—ভুলতে যদি পারতুম তাহলে তো ভালোই হতো!

    —কিন্তু যখন শুনলুম তুমি আজ আসছো এখানে, ক্রফোর্ড সাহেব তোমাকে ডেকেছে, তখন লিখলুম। আজকে রাত্তিরে তুমি আসছো তো?

    —কেন?

    —আজ ক্ষীরোদা তোমাকে আমাদের বাড়ি খেতে বলেছিল! তোমার কি সময় হবে?

    -–কেন? হঠাৎ আবার খাওয়ার ব্যাপার কেন?

    লক্ষ্মণ বললে—তা জানি না। তোমার কি আপত্তি আছে?

    দীপঙ্কর বললে—না আপত্তি কেন থাকবে? কিন্তু কেন মিছিমিছি কষ্ট করতে যাবে আবার?

    —না আমার আর কষ্ট কীসের। তোমার জন্যে আজ সে সারাদিন বসে বসে রান্না করেছে। তুমি এলে সে খুব খুশী হতো! আমিও…….

    —আচ্ছা, যাবো, তুমি এখন যাও!

    বলে দীপঙ্কর আবার নিজের কাজে মন দিলে। অনেকদিন পরে কলকাতায় এসে যেন সব আবার মনে পড়তে লাগলো। শুধু ক্ষীরোদাই বা কেন? অনেক জায়গাতেই তো যেতে ইচ্ছে করে। প্রাণমথবাবুর সঙ্গেও দেখা করা উচিত। গড়িয়াহাট লেভেল ক্রসিং- এর বাড়িতেও একবার গেলে ভালো হয়। প্রিয়নাথ মল্লিক রোডেও একবার সনাতনবাবুর সঙ্গে দেখা করা উচিত! সতী কি সনাতনবাবুর কাছে ফিরে গেছে? কে জানে?

    দুপুর বারোটা বাজলো। দীপঙ্কর ঘড়ির দিকে চাইলে। তারপর আবার সে নিজের ভাবনার তলায় তলিয়ে গেল। যখন মাথা তুললে তখন একটু-একটু মেঘ করেছে। জানালার বাইরের আকাশটা তার নিজের মনের মতই ভারাক্রান্ত।

    ঠিক দেড়টার সময়ই স্পেশ্যাল ছাড়বার কথা। বেলেঘাটা স্টেশনের নর্থ কেবিন থেকে টেলিফোন হলো সাউথ কেবিনে। কে? লাহিড়ী? স্পেশ্যাল ট্রেন ছাড়বে। লাইন ক্লিয়ার দাও—

    —এত দেরি কেন হে? দেড়টা তো কখন বেজে গেছে!

    নর্থ কেবিন বললে—আর বলো কেন ভাই। জেনারেল ম্যানেজার নিজেই আসতে দেরি করে দিয়েছে—

    যখন শেষ পর্যন্ত ট্রেন ছাড়লো, তখন টিপ টিপ করে বৃষ্টি পড়তে শুরু করেছে। ট্রাফিক ম্যানেজার, ট্র্যান্সপোর্টেশন ম্যানেজার, চীফ ইঞ্জিনীয়ার, সি-এম-ও, ডি-টি-এস সবাই উঠে পড়লো। চার বোগীর স্পেশ্যাল। শেষে একটা অবজার্বেশান কার। প্রথমে বালিগঞ্জ। তারপর সোনারপুর। সকলের শেষে ডায়মন্ডহারবার। বেলেরঘাটা থেকে

    স্পশ্যাল ঝড়ের গতিতে ছেড়ে দিলে। পাকা ড্রাইভার। নর্থ বেঙ্গল এক্সপ্রেস চালায়। এই কিছুদিন আগে ভাইসরয়ের স্পেশ্যাল চালিয়ে এসেছে। একটা গাড়িতে বয় বাবুর্চি খানসামা চলেছে। বালিগঞ্জ স্টেশনে আফটারনুন-টি দেবে তারা। দীপঙ্কর ফাইল ক’টা নিয়ে আবার দেখতে লাগলো। ক্রফোর্ড সাহেব বললে—বালিগঞ্জে এই পেপারগুলো জেনারেল ম্যানেজার চাইতে পারে—কীপ দেম হ্যান্ডি—

    স্টেশন মাস্টার মজুমদারবাবুর তখন শশব্যস্ত অবস্থা। একবার ইয়ার্ড ঘুরে আসে, আবার একবার গুডস্ শেডে যায়। সব যেন ঠিক-ঠাক থাকে। কোথাও যেন না ময়লা পড়ে থাকে। একটা প্রমোশনের সময় এসেছে। এই সময়ে পার্সোন্যাল ফাইলে একটা দাগ পড়লেই ফিউচার-কেরীয়ার নষ্ট। এমন সময় টিকিট-কালেক্টর দত্তবাবু স্টেশন- মাস্টারকে দেখতে পেয়েই দৌড়ে এসেছে।

    —এই দেখুন মাস্টার মশাই, আবার এই লোকটাকে ধরেছি, রোজ-রোজ উইদাউট টিকিটে ট্রাভেল করে।

    মজুমদারবাবু দেখলে। এক মুখ খোঁচা-খোঁচা দাড়িগোঁফ। ময়লা কোট-প্যান্ট। হাতে একটা নোটবুক। বেশ স্মার্ট চোখ-মুখ। মজুমদারবাবুকে দেখেই পেন্সিল নিয়ে নোটবুকে কী যেন লিখতে লাগলো—কী নাম তোমার! কী নাম?

    মজুমদারবাবু বললে—আরে একে ধরেছ কেন? এই সময়ে ঝামেলার দরকার নেই, এখুনি জেনারেল ম্যানেজারের স্পেশ্যাল এসে যাচ্ছে—

    দত্তবাবু বললে—আজ্ঞে, রোজ রোজ এই রকম করে, আবার বললে রুখে আসে—

    লোকটা তখন মজুমদারবাবুর দিকে কটমট করে তাকিয়ে আছে। বললে—কী নাম তোমার বলো? তোমার নামেও ভাইসরয়ের কাছে রিপোর্ট করে দেব, সুরেন বাঁড়ুজ্যেকে ধরিয়ে দিয়েছি, বিপিন পালকে ধরিয়ে দিয়েছি—আমি কাউকে ছাড়বো না—ও গান্ধী বেটাকেও রেহাই দেব না আমি, কী নাম তোমার বলো?

    মজুমদারবাবু বললে—আরে এই সময়ে পাগলকে নিয়ে তুমি ঝামেলা বাধাচ্ছো, দাও, ছেড়ে দাও ওকে। একে এখন কোত্থেকে ধরলে? কে ও?

    —আজ্ঞে, মস্ত বড়লোকের ছেলে, নিজেও ব্যারিস্টার ছির শুনেছি—রোজ এই রকম করে আসে টিকিট না কেটে—

    কিন্তু তখন আর ওসব কথা শোনার সময় নেই। ওদিকে লাইন কিয়ার হয়ে গেছে স্পেশ্যালের। আর খানিক পরেই দেখতে-দেখতে হুড়মুড় করে এসে পড়লো জেনারেল ম্যানেজার। মজুমদারবাবু সামনের প্লাটফরমে রেড সিগন্যাল নিয়ে দাঁড়িয়ে ছিল। তারপর বুকটা দুর-দুর করে উঠলো। এখনি জেনারেল ম্যানেজার নামবে। চীফ- ইঞ্জিনীয়ার নামবে, ট্র্যাফিক ম্যানেজার নামবে, ট্র্যান্সপোর্টেশন ম্যানেজার নামবে। সবাই নেমে স্টেশন ইনস্পেক্ট করবে।

    কিন্তু কেউ নামে না। বৃষ্টি তখন বেশ জোরে পড়ছে। হু হু করে হাওয়া দিচ্ছে। জোলো হাওয়া। মজুমদারবাবু কি রকম হতভম্ব হয়ে গেল। কেউ নামে না কেন? জেনারেল ম্যানেজারের কম্পার্টমেন্টের সামনে সবাই গিয়ে দাঁড়াল। তারপর ভেতরে গিয়ে কী সব কথাবার্তা হলো। সেন সাহেবকে দেখে মজুমদারবাবু এগিয়ে গেল। বললে—কী হলো স্যার? কেন, নামছেন না কেন?

    সেন-সাহেব বললে—জেনারেল ম্যানেজারের জ্বর হয়েছে—বোধ হয় স্পেশ্যাল ক্যানসেল্ড হয়ে যাবে!

    সে কি! এমন তো কখনও হয়নি আগে! সত্যিই তাই হলো শেষ পর্যন্ত! আবার ডাউন লাইন ক্লিয়ার দিতে হলো। আবার স্পেশ্যাল ফিরে গেল। সবাই একটা স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেললে। এত তোড়জোড় এত উদ্বেগ-দুশ্চিন্তা সব চুপ হয়ে গেল এক নিমেষে। ট্রেন ছাড়ার আগে সেন নেমে গেল। অভয়ঙ্কর জিজ্ঞেস করলে—কী হলো সেন? তুমি ফিরে যাবে না?

    দীপঙ্কর বললে—না, আমার একটা কাজ আছে এদিকে, আমায় একবার কালিঘাটে যেতে হবে, ঈশ্বর গাঙ্গুলী লেনএ—

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80 81 82 83 84 85 86 87 88 89 90 91 92 93 94 95 96 97 98 99 100 101 102 103 104
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleবাবলি – বুদ্ধদেব গুহ
    Next Article কড়ি দিয়ে কিনলাম ১ – বিমল মিত্র

    Related Articles

    বিমল মিত্র

    সাহেব বিবি গোলাম – বিমল মিত্র

    May 29, 2025
    বিমল মিত্র

    বেগম মেরী বিশ্বাস – বিমল মিত্র

    May 29, 2025
    বিমল মিত্র

    আসামী হাজির – বিমল মিত্র

    May 29, 2025
    বিমল মিত্র

    কড়ি দিয়ে কিনলাম ১ – বিমল মিত্র

    May 28, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }