Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    কত অজানারে – শংকর

    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়) এক পাতা গল্প336 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    কত অজানারে – ১৫

    ১৫

    চলার পথে অনেক কিছুই তো পথিকের চোখে পড়ে। দীর্ঘ পথ পরিক্রমায় কত অসংখ্য বৃক্ষ, অগণিত গৃহ, মানুষ, পশু, পক্ষী সে দেখে। কিন্তু যাত্ৰাশেষে প্রতিজনকে মনে থাকে না। মনের পটে বহু প্রতিফলনে মাত্র একটি ছবির সৃষ্টি হয়। কবি বলেছেন, “মালিকা পরিলে গলে প্রতি ফুল কেবা মনে রাখে’। ওল্ড পোস্ট আপিস স্ট্রীটে অনেক শীত ও বসন্ত, অনেক বেদনা ও আনন্দ আমি প্রত্যক্ষ করেছি। আনন্দের উপর হয়তো কখনো বেদনার পলিমাটি পড়েছে, আবার কখনও বেদনার উপর আনন্দের প্রলেপে নতুন স্তর সৃষ্টি হয়েছে। কিন্তু আজকে যখন সে-সব কথা আবার ভাবতে বসি, তখন তাদের বিচ্ছিন্ন করে চিন্তা করতে পারি না। ভাঁজে- ভাঁজে যারা পৃথক ছিল, সময়ের পেষণে তারা এক হয়ে গিয়েছে।

    অনেক লোককে দেখেছিলাম, অনেক গল্প শুনেছিলাম, সব মনে নেই। কিন্তু ভাবতে-ভাবতে সেদিন রবীন্দ্র কলিতার কাহিনীটা মনে পড়ে গেল।

    টেম্পল চেম্বারে সায়েবের ঘরে একটি র‍্যাকে অসংখ্য কাগজ জমা হয়ে ছিল। অনেক পুরনো ব্রীফের বাণ্ডিল সেখানে সাজানো থাকতো। উপরের ধুলো থেকে সহজেই বলা যায়, বহুদিন সেখানে কারুর হাত পড়েনি। মামলা শেষ হয়ে গেলে কাগজপত্রগুলো লাল ফিতে দিয়ে বেঁধে আমিও সেখানে রেখে দিতাম। আইনপাড়ায় একটি কাগজও কেউ নষ্ট করে না। সব যত্ন করে রেখে দেওয়া হয়, কখন কাজে লেগে যাবে কেউ জানে না।

    এই কাগজের পাহাড় থেকে স্থানচ্যুত হয়ে একটা ছেঁড়া পাতা কেমন করে মেঝেতে এসে পড়েছিল লক্ষ্য করিনি। মোহনচাঁদ সেটি আমার টেবিলে তুলে দিয়ে বললে, “বাবু আপনার কাগজ পড়ে গিয়েছে।”

    ধুলো ঝেড়ে নিছক কৌতূহল-বশেই ময়লা কাগজটাতে চোখ বোলাতে লাগলাম। কোনো এক রবীন্দ্র কলিতার বাবা মহামান্য বড়লাট বাহাদুরের কাছে সন্তানের হয়ে ক্ষমা ভিক্ষা করেছেন। প্রথম পাতা থেকে আর কিছু বোঝা গেল না। রবীন্দ্র কলিতা সম্বন্ধে জানবার আগ্রহটা বোধহয় সেই কারণেই আরও বেড়ে গেল। সায়েবের ব্যাগের ভিতর কাগজটা রেখে দিলাম, সময় মতো তাঁকে জিজ্ঞাসা করা যাবে।

    সুযোগও এসে গেল। সেদিন রবিবার। সমস্ত দুপুর ও বিকেল কাজ করে আমরা চায়ের টেবিলে বসেছিলাম। সুযোগ বুঝে ব্যাগ থেকে ছেঁড়া কাগজটা বার করে সায়েবের দিকে এগিয়ে দিলাম।

    সায়েব হেসে জিজ্ঞাসা করলেন, “তুমি প্রাচীন পুঁথিপত্র নিয়ে গবেষণা করছো নাকি?”

    কাগজটা কিভাবে কুড়িয়ে পেয়েছি তাঁকে খুলে বললাম। কয়েক মিনিট ধরে ছেঁড়া পাতাটা তিনি মনোযোগ দিয়ে পড়লেন। তারপর চায়ের কাপটা নিজের দিকে একটু টেনে নিয়ে বললেন, “রবীন্দ্রকে কিন্তু বেশ মনে আছে।”

    আমি বললাম, “বলুন না শুনি।”

    ম্লান হেসে তিনি উত্তর দিলেন, “সে-গল্প অন্যদিন শুনলে ভালো হয়। শুধু শুধু আজকের চায়ের আসরটাকে নিরানন্দ করে তুলতে চাই না।”

    আমার কৌতূহল তখন জেঁকে বসেছে। বললাম, “পুরনো দিনের কথায় তো দুঃখ পাবার কিছু নেই। আমি এখনই শুনতে প্রস্তুত আছি।”

    চায়ের কাপে চুমুক দিয়ে সায়েব বাইরে খোলামাঠের দিকে তাকালেন। বিকেলের পড়ন্ত রোদে গাছের ছায়াগুলো ক্রমশ আরও শীর্ণ ও দীর্ঘ হচ্ছে। দু’জন মালী ঘাসকাটা কল দিয়ে একমনে ঘাস কাটছে। আর ঘাসের ভিতর আমরা দু’জন মুখোমুখি বসে রয়েছি। সায়েব বলতে লাগলেন—

    ক্রিমিন্যাল কেস করতে একবার চট্টগ্রামে গিয়েছিলাম। দিন সাতেক থাকার দরকার। দায়রা জজের আদালতে কেস। একদিন সন্ধ্যায় ওখানকার স্থানীয় এক উকিল আমার সঙ্গে দেখা করতে এলেন। সঙ্গে একটি বৃদ্ধ ভদ্রলোক। মাথার চুল প্রায় সমস্ত সাদা হয়ে এসেছে। মুখে খোঁচা-খোঁচা দাড়ি। চোখগুলো কোটরের মধ্যে ঢুকে রয়েছে।

    ভদ্রলোক নিজে ভালো ইংরেজি জানেন না। ছোকরা উকিলটি বললেন, “নিরুপায় হয়েই খগেনবাবু আপনার কাছে এসেছেন। ওঁর বড়োছেলেটিকে আপনিই একমাত্র বাঁচাতে পারেন।”

    বৃদ্ধ ভদ্রলোকটি ছলছল চোখে এগিয়ে এসে আমার হাতটা চেপে ধরলেন।

    “রাজনৈতিক অপরাধের মামলা”, উকিলবাবু বললেন।

    খগেনবাবুর বড়োছেলে রবীন্দ্র কলিতা। নামটা অসমীয়া মনে হলেও ওঁরা আসলে বাঙালী, চট্টগ্রামের অধিবাসী।

    সাব পোস্টমাস্টার খগেনবাবু এক বছর হলো অবসর নিয়েছেন। পেনশনের সামান্য টাকায় সংসার চলে না। যা কিছু সঞ্চয় ছিল তা মেয়ের বিয়েতে প্রায় শেষ হয়ে গিয়েছে। রবীন্দ্রের আশায় দিন কাটছে। ছেলে বড়ো হয়ে রোজগার করবে। ইস্কুল ছেড়ে সে কলেজে ঢুকেছে। পড়াশোনায় সে বেশ ভালো। বাপমায়ের দৃঢ় বিশ্বাস রবীন্দ্র সংসারের মুখোজ্জ্বল করবে।

    একদা গভীর রাতে ডাকাডাকিতে খগেনবাবুর ঘুম ভেঙে গেল। দরজা খুলে দেখলেন, লাল পাগড়িতে বাড়ি ঘিরে ফেলেছে। রাগতস্বরে তিনি জিজ্ঞাসা করলেন, “আমি সরকারের পেনশন হোল্ডার, আমার বাড়িতে রাত্রে হামলা কেন?”

    পুলিশ অফিসারটি বললেন, “আপনার ছেলে রবীন্দ্র কলিতাকে চাই।”

    খগেনবাবু অবাক। “আপনি নিশ্চয় ভুল করেছেন। আমার ছেলে নিতান্ত বালক। ইস্কুল ছেড়ে সবে কলেজে ঢুকেছে।”

    “আজ্ঞে ভুল আমাদের সহজে হয় না।” পুলিশ অফিসারটি বিছানা থেকে ঘুমন্ত রবীন্দ্রকে তুলে নিয়ে নিজের গাড়িতে উঠলেন।

    পরের দিন খগেনবাবু থানায় গেলেন। স্বদেশী কাজে সন্দেহজনক গতিবিধির জন্য পুলিশ বহু ছেলেকে হাজতে এনেছে, রবীন্দ্র তাদেরই একজন। অনুসন্ধান শেষ হতে সময় লাগবে। ইতিমধ্যে জামিনও চলবে না। সপ্তাহখানেক থানায় যাতায়াত করে ছেলের সঙ্গে তাঁর মাত্র একদিন দেখা হয়েছিল। কোর্টে কেস ওঠার অপেক্ষায় ছিলেন খগেনবাবু।

    কিন্তু একদিন ভোরে আবার কড়া নাড়ার শব্দে তিনি দরজা খুললেন। দুই লরী বোঝাই পুলিশ সমেত দারোগা এসেছেন। সঙ্গে তল্লাসী-পরোয়ানা। তারা সমস্ত বাড়ি তছনছ করে যেখানে যা পেলো খুলে দেখলো, কিছু বই ও কাগজ সঙ্গে নিয়ে গেল। পুলিশ অফিসারটি যাবার আগে বললেন, “গতকাল সন্ধ্যায় আপনার ছেলে হাজতের মধ্যে একজন দারোগাকে খুন করেছে।”

    উকিলটি বললেন, “আপনি এখন যে মামলা করছেন, ঠিক তারপরেই ওই কোর্টে রবীন্দ্রের কেস্ উঠবে।”

    ভদ্রলোকের অবস্থা দেখে আমি না বলতে পারলাম না। ঠিক করলাম ওই কেস্টা করেই কলকাতায় ফিরবো।

    পরের দিন রবীন্দ্রের সঙ্গে দেখা করার জন্য থানায় গেলাম। ডেপুটি সুপারিন্টেণ্ডেণ্ট অব পুলিশকে আগেই খবর দিয়ে দেখা করার অনুমতি নিয়ে রেখেছিলাম। বাইরে পুলিশ দাঁড়িয়ে রয়েছে, ঘরের ভিতর আমি রবীন্দ্র কলিতার জন্য অপেক্ষা করছি। একটু পরেই সে এল। নিতান্ত বালক, গোঁফের রেখা পর্যন্ত স্পষ্ট হয়নি। দীর্ঘ সুঠাম দেহ, বড়ো-বড়ো দুটি উজ্জ্বল চোখ। চুলগুলো ঢেউ- খেলানো।

    আমি বললাম, “রবীন্দ্র, তোমার কেস্টা আমি করবো ঠিক করেছি।”

    সে কিন্তু গম্ভীরভাবে বললে, “আপনার সাহায্যের প্রয়োজন নেই। আমি জানি, যা করেছি তা ঠিকই করেছি এবং ফলাফল জেনেই করেছি।”

    “তুমি নিজেই খুন করেছো রবীন্দ্র?” আমি জিজ্ঞাসা করলাম। “হ্যাঁ ম্যাজিস্ট্রেটকে তো বলেছি, আমিই খুন করেছি।”

    আঠারো বছরের ছেলের মুখে এমন নির্ভীক উত্তর শুনে আমার নরেন মণ্ডলের কথা মনে পড়ছিল।

    “রবীন্দ্র, অবুঝ হতে নেই। আমি আবার আসবো। ইতিমধ্যে মনস্থির করা চাই।” এই বলে আমি সেদিনের মতো বিদায় নিলাম।

    পরের দিন কোর্ট থেকে সোজা থানায় গেলাম। রবীন্দ্র আবার এসে দাঁড়ালো। প্রথমে আমরা সাহিত্য, খেলাধূলা ইত্যাদি নিয়ে আলোচনা করলাম। রবীন্দ্র বেশ কথা বলছিল। বিদায় নেবার কিছু আগে আসল প্রসঙ্গের অবতারণা করলাম। “রবীন্দ্র, তোমার মামলা দিন কয়েকের মধ্যেই কোর্টে উঠবে।”

    সে তৎক্ষণাৎ গম্ভীর হয়ে উঠলো। “আমি নিজেই খুন করেছি। রাগের মাথায় খুন করিনি, ঠাণ্ডা মাথায় চিন্তা করেই শয়তানটাকে শাস্তি দিয়েছি।”

    রবীন্দ্রকে বোঝালাম, “এখন ঠাণ্ডা মাথায় কাজ করতে হবে। আমাকে কেস্টা তৈরী করার সুযোগ দাও।” কিন্তু কোনও উত্তর না দিয়েই সে ভিতরে চলে গেল

    তার বাবা সে-কথা শুনে কাঁদতে লাগলেন। বললেন, “আপনাকে কিছু করতেই হবে। ওর মাথায় নিশ্চয় ভূত চেপেছে, নইলে প্রাণের মায়া করে না!”

    পরের দিন আবার গেলাম রবীন্দ্রকে দেখতে। সঙ্গে চকোলেট ও বিস্কুট নিয়ে গিয়েছিলাম। দু’জনে ভাগাভাগি করে সেগুলো খেতে লাগলাম। সে আমাকে জিজ্ঞাসা করলে, “টেগোরের কিছু পড়েছেন?”

    আমি বললাম, “তাঁর যে-সব বই ইংরেজিতে অনূদিত হয়েছে প্রায় সমস্ত পড়েছি। তাঁর সঙ্গে আমার পরিচয়ও আছে। জোড়াসাঁকোতে টেগোরের বাড়িতে অনেকবার গিয়েছি।”

    রবীন্দ্র খুব আগ্রহের সঙ্গে শুনে বললে, “আমাদের দু’জনের একই নাম, যদিও আমি কবি নই।”

    আমি হেসে উঠলাম। কিন্তু আজ সময় নষ্ট করলে চলবে না। তার হাত চেপে ধরে বললাম, “কেঁদে-কেঁদে তোমার বাবা ও মায়ের কী অবস্থা হয়েছে জানো না। তাদের মুখ চেয়েই আমি রোজ এখানে আসছি।”

    রবীন্দ্র আবার গম্ভীর হয়ে উঠলো। কোথায় মিলিয়ে গেল তার মুখের হাসি। আর একটা চকোলেট এগিয়ে দিলাম তার দিকে, সে নিলে না।

    আমি বললাম, “রবীন্দ্র, অন্তত আসল ঘটনাটা আমাকে বুঝিয়ে বলো।”

    এবার সে আপত্তি করলে না। “ওই শয়তান দারোগাটাকে আমরা অনেকদিন ধরে খুঁজছিলাম। লোকটা মানুষ নয়, পশু। ওর ধারণা ছিল রুলের গুঁতো ও আঙুলে পিন ফুটিয়ে যে কোনো স্বদেশীওয়ালাকে ঘায়েল করা যায়। অনেকদিন ধরে বিভিন্ন থানায় বুটের ধাক্কায় লোককে জ্বালিয়ে এসেছে। অন্য কোনো প্রমাণ না পেয়ে স্বীকারোক্তি আদায় করবার আশায় আমাদের উপর তার সবরকম ওষুধ ব্যবহার চলেছিল। ভাতে কাঁকর বোঝাই করে দিচ্ছিল পশুটা। বুট দিয়ে লোকটা আমাদের পা মাড়িয়ে দিতো। টান দিয়ে মাথার চুল ছিঁড়ে আনতো। আমার অন্য বন্ধুরা ইতস্তত করছিল, কিন্তু আমি নিজের কর্তব্য ঠিক করে নিলাম। লুকিয়ে একটা থান ইট যোগাড় করে রেখেছিলাম। শয়তানটার সাহস এমন বেড়েছিল যে, একাই রুলকাঠ নিয়ে আমার সেলে ঢুকে পড়লো একদিন। আমিও সুযোগের অপেক্ষায় ছিলাম। থান ইঁটের এক ঘায়ে মাথাটা থেঁতলে গেল।” রবীন্দ্র পায়চারি করতে করতে বললো, “কিন্তু আমি মোটেই দুঃখিত নই।”

    যে-কেসে চট্টগ্রামে এসেছিলাম, সেটা শেষ হওয়ার ঠিক পরেই জেলা-জজের কোর্টে রবীন্দ্রের মামলা আরম্ভ হলো। ক্ষণিকের উত্তেজনাবশে হত্যা বলে প্রমাণ করার ইচ্ছা ছিল আমার। আইনের চোখে কাল্পেল্ হোমিসাইড ও মার্ডারের পার্থক্য অনেক। পূর্বাহ্নে চিন্তা করে ঠাণ্ডা মাথায় হত্যা করার নাম মার্ডার। আর ক্ষণিকের উত্তেজনার প্ররোচনায় আঘাতজনিত হত্যার নাম কাল্পেল্ হোমিসাইড নট এমাউন্টিং টু মার্ডার। এর জন্য অপেক্ষাকৃত লঘু শাস্তি হয়ে থাকে। যদি প্রমাণ করতে পারি, মৃত দারোগাটির অমানুষিক দুর্ব্যবহারে রবীন্দ্রের বয়সী কোনো যুবকের পক্ষে শান্ত থাকা সম্ভব নয়; ধৈর্যের শেষ বাঁধও একদিন ভেঙে পড়লো এবং উত্তেজনায় উন্মত্ত হয়ে সে দারোগাকে আঘাত করে, তবে আট দশ বছরের বেশী জেল হবে না।

    কিন্তু কিছুই সম্ভব হলো না। কোর্টে সর্বসমক্ষে রবীন্দ্র বললে যে, তার কৃতকর্মের জন্য সে মোটেই দুঃখিত নয়। বরং, অন্যায়ের প্রত্যুত্তর দিতে পারার জন্য সে তৃপ্ত। সবাই চমকে উঠে তার দিকে তাকিয়ে রইলো। জজও বিশ্বাস করতে পারছিলেন না। আমি হতাশ হয়ে চুপচাপ এক কোণে বসে রইলাম, কিছু করার নেই। রবীন্দ্রের বাবা ফুঁপিয়ে ফুঁপিয়ে কাঁদতে লাগলেন। আমার জুনিয়র তাঁকে কোর্টের বাইরে নিয়ে গেলেন।

    কয়েক ঘণ্টার মধ্যে মামলা শেষ। বিচারাধীন থাকাকালে রাজকর্মচারীকে হত্যার অপরাধে রবীন্দ্র কলিতার মৃত্যু-দণ্ডের আদেশ দিয়ে জজ জানতে চাইলেন, সে কিছু বলতে চায় কিনা। রবীন্দ্র বললে, “হ্যাঁ, আমার কিছু বলার আছে।”

    কোটভর্তি লোক তার দিকে তাকিয়ে রইলো। আদেশপত্রে সইয়ের জন্য কলমটা দোয়াতে ডুবিয়ে জজ-সায়েবও আসামীর মুখের দিকে তাকালেন। আসামীর কাঠগড়া থেকে সে বললে, “দারোগা বিপদভঞ্জন দত্তকে খুন করে আমি মোটেই দুঃখিত নই। বরং আনন্দিত।” আঠারো বছরের রবীন্দ্র কলিতার মুখ ঘৃণায় বিকৃত হয়ে উঠলো।

    চট্টগ্রামের কাজ তো শেষ হলো। বিদায় নেবার আগে রবীন্দ্রকে শেষবারের মতো দেখতে গেলাম। বেলা তখন প্রায় পাঁচটা। একবার ভাবলাম, চলে যাই, দেখা করে লাভ নেই। যা হবার তো হয়ে গিয়েছে। কিন্তু রবীন্দ্রকে না দেখে উঠতে পারলাম না। ভিতরে তালা খোলার আওয়াজে বুঝলাম পুলিশ তাকে নিয়ে আসছে। ভাবতে লাগলাম, প্রথমে কী বলবো। কিন্তু তার একটুও পরিবর্তন হয়নি। তেমনি হাসিতে ভরা মুখ। তবুও আমার চোখ তুলতে সাহস হচ্ছিলো না। মাথা নিচু করে ঢোক গিলে বলতে গেলাম, “রবীন্দ্র আমি সত্যি—”

    আমাকে বাধা দিয়ে, চোখ দুটো বড়ো করে সে বললে, “চকোলেট এনেছেন তো?”

    কোটের পকেট থেকে চকোলেটের ঠোঙাটা এগিয়ে দিলাম। ছোট্ট ছেলের মতো একসঙ্গে দুটো চকোলেট সে মুখে পুরে দিলে।

    ফুটবল খেলা দিয়ে আমাদের আলোচনা আরম্ভ হলো। নিজের সম্বন্ধে একটি কথাও রবীন্দ্র তুলতে দিলে না—মন্ত্রবলে সে যেন ওই প্রসঙ্গ একেবারে ভুলে গিয়েছে।

    “ত্রিশবছরে ভারতবর্ষে কত লোক দেখলাম। কিন্তু রবীন্দ্রকে আজও ভুলতে পারলাম না। আঠারো বছরের ছেলে, অথচ জীবনের সব আকর্ষণকে যেন জয় করে ফেলেছে”––সায়েব আস্তে আস্তে বলে যাচ্ছেন। বাইরে অন্ধকার হয়ে এসেছে। জিজ্ঞাসা করলাম, “আলোটা জ্বালিয়ে দেবো?” তিনি বারণ করলেন, “সব সময় আলো ভালো লাগে না। এই তো বেশ আছি।”

    “তারপর?” আমি জিজ্ঞাসা করলাম।

    “তারপর আমরা অনেক আলোচনা করলাম।”

    রবীন্দ্র আরও বললে, বাবার অজান্তে বছরখানেক ধরেই সে সন্ত্রাসবাদী দলে কাজ করছিল। বহুদিন গোপনে ইস্কুল পালিয়ে সে ক্লাবে গিয়েছে। বাড়িতে বলেনি।

    আমি বললাম, “তোমার বৃদ্ধ বাবা-মা’র কথাও ভেবে দেখা উচিত ছিল।”

    সে ম্লান হাসলো। “আমার পরেও তো একটা ভাই রয়েছে, এবারে ম্যাট্রিক দেবে।” সে থামলো। “আপনারা কলকাতায় থাকেন, যদি দয়া করে ওর কিছু একটা করে দেন তাহলে অনেক উপকার হয়। অনর্থক আমার জন্যে এখানে কয়েকটা দিন নষ্ট করে গেলেন।”

    রবীন্দ্র ও আমি সামনাসামনি বসে কথা বলছিলাম। কিন্তু দু’জনের মধ্যে লোহার রেলিঙের দুস্তর ব্যবধান। দুটো রেলিঙের মধ্য দিয়ে আমি হাতটা বাড়িয়ে দিলাম। জনৈক পুলিশ অফিসার একটু আেেগ বলে গিয়েছে, নির্দিষ্ট সময়ের পর আরও পনেরো মিনিট কেটে গিয়েছে। রবীন্দ্র ঝাঁকুনি দিয়ে আমার সঙ্গে করমর্দন করলে।

    কলকাতায় ফেরার কয়েকদিন পরেই অর্ধ-উন্মাদ রবীন্দ্রের বাবা চেম্বারে হাজির হলেন। হাতে একটা চামড়ার সুটকেস। স্টেশন থেকে সোজা চেম্বারে চলে এসেছেন।

    জিজ্ঞাসা করলাম, “খবর না দিয়ে হঠাৎ কলকাতায় এলেন, কী ব্যাপার?”

    খগেনবাবু কপালে হাত দিয়ে বলেন, “বাড়িতে টিকতে পারলাম না, অসম্ভব!” মিনিটখানেক ফ্যালফ্যাল করে দেওয়াল ঘড়িটার দিকে তিনি তাকিয়ে রইলেন। নিজেকে আর সংযত রাখতে পারলেন না, কান্নায় ভেঙে পড়লেন। “রবির- মা প্রায়ই ফিট হচ্ছেন। ছেলেটাকে কোনোরকমে প্রাণে রক্ষা করা যায় না? না হয় সারাজীবন জেলেই রাখুক।” কাপড়ের খুঁটে চোখ মুছতে-মুছতে তিনি চামড়ার সুটকেসটা টেবিলের উপর তুললেন। পকেট থেকে চাবি বার করে ডালা খুলে এককোণ থেকে জামা-কাপড় সরিয়ে তিনি একটা কাপড়ের পুঁটলি বার করলেন। অতি যত্নে কম্পিত হাতে বাঁধন খুলতেই কয়েকগাছা সোনার চুড়ি বেরিয়ে পড়লো। আমার দিকে তাকিয়ে বললেন, “ওর মায়ের শেষ সম্বল। এইগুলো আমাকে দিয়ে জোর করে পাঠিয়ে দিলেন, আপনাকে কিছু করতেই হবে।”

    আমি নির্বাক হয়ে বসে রইলাম। কী করতে পারি?

    “আপনারা বড়ো ব্যারিস্টার, ইচ্ছে করলেই ছেলেটাকে বাঁচাতে পারেন।” রবীন্দ্রের বাবা আবার কাপড়ের খুঁটে চোখ মুছতে লাগলেন।

    .

    হাইকোর্টে আপীল ফাইল করা হলো। খগেনবাবু কিছুদিনের জন্য কলকাতায় রয়ে গেলেন।

    জেল থেকে রবীন্দ্রের চিঠিও পেয়েছি। সেন্সর করা চিঠি। রবীন্দ্র লিখেছে, সে ভালোই আছে। এখন আর চালে কাঁকর নেই, বিছানায় ছারপোকা নেই। একেবারে জামাই-আদর। সে আরও লিখেছে, ভগবান তাকে বিশ্বাস ও বল দিয়েছেন, কোনো কিছুতেই সে ভয় পায় না।

    বাংলায় ঠিকানা লেখা আর একটা চিঠি পেলাম। সুধাংশু কর, এডভোকেট, আমার সঙ্গে তখন বসতো। সে আমাকে ইংরেজী করে শোনালো।

    —সায়েব,

    বড়ো ব্যারিস্টার,

    কলকাতা হাইকোর্ট।

    আঁকাবাঁকা অক্ষরে রবীন্দ্রের মা লিখেছেন, জজদের যেন আমি তাঁর হয়ে বলি, ছোটোছেলে বুঝতে পারেনি। ভগবানের কাছে আমার মঙ্গলের জন্য দিনরাত প্রার্থনা করছেন।

    প্রার্থনা করেও কিছু হলো না। আপীলে আইনের যুক্তি বিশেষ কিছু দেখাতে পারলাম না। তবুও ঘণ্টাখানেক আর্গুমেন্ট করেছিলাম। দু’জন জজ মন দিয়ে আমার বক্তব্য শুনলেন। সরকার পক্ষের উকিলও তাঁর বক্তব্য উপস্থিত করলেন। জজরা রায় দিলেন, এই কেসে লঘুতর শাস্তি দেওয়ার কোনো যুক্তি নেই।

    “এখন উপায়?” রবীন্দ্রের বাবা জিজ্ঞাসা করলেন।

    .

    হঠাৎ অন্ধকারকে বিদায় করে ঘরের আলো জ্বলে উঠলো। সায়েব ঘাড় ফেরালেন। দেওয়ান সিং কোনো কাজে বাইরে গিয়েছিল, ফিরে এসেই আলো জ্বালিয়ে দিয়েছে।

    “দেওয়ান, আলোটা নিভিয়ে দাও, আজ আর কাজ করবো না। অন্ধকারে বেশ আছি।” সায়েবের কথায় দেওয়ান আলো নিভিয়ে দিলে। ক্ষণিকের আলোয় বিরক্ত হয়ে রাত্রি যেন আরও খানিকটা অন্ধকার মুখ থেকে ফুঁ দিয়ে ঘরের মধ্যে ছড়িয়ে দিলে।

    “সরি ফর দিস ইণ্টারপশন।” সায়েব আবার আরম্ভ করলেন।

    “শেষপর্যন্ত বড়লাটের কাছেই আবেদন করে দেখবো ভাবলাম। ডিসেম্বর মাস, বড়লাট ওই সময়ে প্রতি বছর কলকাতায় আসেন। খগেনবাবুর হয়ে দীর্ঘ আবেদন লিখলাম। তিনি তাতে সই করলেন। যে পাতাটা আজ আমাকে দেখালে ওটা তারই কপি।

    বেলভেডিয়রে বড়লাটের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে ঘটনাটা তাঁকে বুঝিয়ে বললাম। আসামীর অতি অল্প বয়স, প্রায় বালক। প্রাণদণ্ড মকুব করে অন্য যে কোনো শাস্তি দিন। মন দিয়ে আমার কথা শুনে তিনি বললেন, আচ্ছা ভেবে দেখি। রাইটার্স বিল্ডিং ও গভর্নরের উপদেশ না নিয়ে আমার পক্ষে তো কিছু করা সম্ভব নয়।”

    বললাম, “নিশ্চয়; তবে আসামীর বৃদ্ধ পিতার একমাত্র অনুরোধ ছেলেটির প্রাণরক্ষা করতেই হবে।”

    কয়েকদিন পরে আবার খোঁজ নিলাম। সরকার এখনও সিদ্ধান্তে আসতে পারেননি।

    খগেন্দ্র কলিতা রোজ এসে চেম্বারে বসে থাকেন, কখন উত্তর আসে ঠিক নেই। তাঁকে জিজ্ঞাসা করলাম, “বাড়িতে খবর পাঠাচ্ছেন তো?”

    তিনি ঘাড় নাড়লেন, “রোজ একটা করে চিঠি ছাড়ি।”

    টেম্পল চেম্বারে খগেন্দ্র কলিতার নামে শেষপর্যন্ত সেই বহুপ্রতীক্ষিত চিঠিটা এল। অন হিজ ম্যাজেস্টিস সার্ভিস মার্কা খামে আষ্টেপৃষ্ঠে লাল শীলমোহর। খগেনবাবু তখনও চেম্বার আসেননি। ওঁরই নামে চিঠি বলে নিজেও খুলতে পারলাম না। অস্থিরভাবে চেয়ার ছেড়ে পায়চারি করছি, কখন তিনি আসবেন। অন্যদিন দশটার মধ্যেই খোঁজ নিতে আসেন, অথচ সাড়ে দশটা হয়ে গেল আজ।

    ভাবতে-ভাবতেই তিনি এসে গেলেন। মোটা খামটা তাঁর দিকে এগিয়ে দিলাম। হাত পা কাঁপছে তাঁর। প্রথম চেষ্টায় খামটা ছিঁড়তেই পারলেন না, শরীরের সকল শক্তি যেন উবে গিয়েছে। দ্বিতীয় চেষ্টায় চিঠিটা খাম থেকে বার হলো। তাঁর কোটরে ঢোকা স্তিমিত চোখ দুটো উত্তেজনায় যেন বেরিয়ে আসছে! কী লিখেছে?

    ব্যর্থ। সব প্রচেষ্টা ব্যর্থ। বড়লাট এই কেসে হস্তক্ষেপ করতে অনিচ্ছুক। খগেনবাবু চিঠিটা পড়লেন। তাতেও সন্তুষ্ট না হয়ে বারবার পড়লেন। চিঠিটা ভাঁজ করে পকেটে রেখে ঝাপসা চোখে বোবার মতো ফ্যালফ্যাল করে তাকিয়ে রইলেন। আমি কথা বলতে পারলাম না। তিনি বেরিয়ে গেলেন। এগারোটার সময় কোর্টে কেস্ ছিল, আমাকেও বেরিয়ে যেতে হলো।

    এর কিছুদিন পরেই রবীন্দ্র কলিতার প্রাণদণ্ডাজ্ঞা কার্যকরী হয়, খবর পেয়েছিলাম।

    ফাঁসির আগে সে আমাকে একটা চিঠি পাঠিয়েছিল—মরতে সে একটুও ভয় পাবে না। সম্ভব হলে আমি যেন মাঝে-মাঝে তার বাবা-মা’র খবর নিই। আর ছোটোভাইটার জন্য যদি কিছু ব্যবস্থা করতে পারি তো খুব ভালো হয়।

    .

    সায়েব চুপ করলেন। ছেঁড়া কাগজটা টেবিলে পড়ে রয়েছে।

    সায়েবকে আমি জানি। রবীন্দ্রের শেষ অনুরোধ রক্ষার জন্য তিনি নিশ্চয় কিছু করেছিলেন। জিজ্ঞাসা করলাম, “রবীন্দ্রের ভাই-এর কী হলো?”

    অন্ধকারে তাঁর মুখটা দেখতে পাচ্ছিলাম না। ঘাড়টা বেঁকিয়ে নিরাসক্তভাবে তিনি বললেন, “ওদের সংসারই অভিশপ্ত, আমি কী করবো? কলকাতায় নিয়ে এসে তাকে বহু কষ্টে মানুষ করলাম। ভাবলাম বাবা ও মায়ের দুর্গতি বুঝি এবার ঘুচলো। কিন্তু হলো না। প্রথমবারে ছিল রাজরোষ, আর দ্বিতীয়বারে রাজরোগ। যক্ষ্মায় মারা গেল।”

    এবার আলো জ্বালিয়ে দিলাম। মনে হলো আধ-ছেঁড়া কাগজটা টেবিলে শুয়ে আমাদের দু’জনের দিকে যেন ড্যাব-ড্যাব করে তাকিয়ে আছে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleপাণ্ডব গোয়েন্দা সমগ্র ১ – ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    Next Article নিবেদিতা রিসার্চ ল্যাবরেটরি – শংকর

    Related Articles

    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)

    জন-অরণ্য – শংকর

    November 20, 2025
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)

    অচেনা অজানা বিবেকানন্দ – শংকর

    November 20, 2025
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)

    অবিশ্বাস্য বিবেকানন্দ – শংকর

    November 20, 2025
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)

    আশা-আকাঙ্ক্ষা – শংকর

    November 20, 2025
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)

    চৌরঙ্গী – শংকর

    November 20, 2025
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)

    নিবেদিতা রিসার্চ ল্যাবরেটরি – শংকর

    November 20, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }