Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    কন্যা – অন্নদাশঙ্কর রায়

    লেখক এক পাতা গল্প155 Mins Read0
    ⤶

    ১২. অন্বেষণের অপরাহ্ণ

    ১৯৪৯ সালের বড়োদিন। তন্ময় এসেছে সপরিবারে কলকাতায়। উঠেছে পৈত্রিক বাসভবনে। বালিগঞ্জ সারকুলার রোডে। কান্তি এসেছে সদলবলে। অতিথি হয়েছে এক মহারাজার প্রাসাদে। মধ্যপ্রদেশের মহারাজা। অনুত্তম এসেছে নোয়াখালি থেকে, সহকর্মী সংগ্রহ করতে। সুজন তাকে ধরে নিয়ে গেছে অশ্বিনী দত্ত রোডে, নিজের বাড়িতে। বাড়িখানা ছোটো দোতলা। কিন্তু তার চার দিকে দুর্ভেদ্য প্রাচীর। দাঙ্গা বাধলে আর যেখানেই বাধুক এ পাড়ায় না। নেহাত যদি বাধেই দেয়ালের হেঁয়ালি সমাধান করতে পারবে না।

    ‘আগে নিরাপত্তা। তার পরে অন্য কথা। যে টাকায় তেতলা হত সে টাকায় মাজিনো ওয়াল হয়েছে বলে সীতার সঙ্গে আমাদের ঝগড়া। বলে, এটা অবন ঠাকুরের অশোকবনের আইডিয়া।’ সুজন বলছিল অনুত্তমকে।

    ‘নোয়াখালিতে’ বলছিল অনুত্তম, ‘যে গাঁয়ে সবচেয়ে বিপদ সেই গাঁয়েই আমার কুঁড়ে ঘর। গুণ্ডারা আমাকে ঘিরে রয়েছে, তাই আমি সবচেয়ে নিরাপদ।’

    সুজনের গায়ে কাঁটা দিচ্ছিল। ‘অ্যাঁ! বলিস কী! তা হলে তো, ভাই, তোকে ফিরে যেতে দেওয়া চলে না। বিয়ে হয়নি বলে কি তোর প্রাণের মূল্য নেই? তোর স্ত্রী থাকলে কি তোকে আদৌ যেতে দিতেন?’

    ‘স্ত্রী থাকলে কী করতেন জানিনে, কিন্তু যার অন্বেষণে বাহির হয়েছি তিনি যে আমাকে বিপদের দিকেই টানছেন। যেন সেইখানেই মিলনের সংকেতস্থল।’

    সেদিন ওরা দুই বন্ধু অপর দুই বন্ধুর প্রতীক্ষা করছিল। আগে পৌঁছোল তন্ময়। তিনজনে কোলাকুলি করে নীরব রইল কিছুক্ষণ। তারপরে সুজন বলল, ‘সীতা বাড়ি নেই। আফশোস জানিয়েছে। ওর বোনের সন্তান হবে বলে রাত জাগতে হবে।’

    ‘আমার কিন্তু রাত করে ফিরতে মানা। রেবা একটুও রাত জাগতে পারে না।’ মুরগিতে ঠোকরানো স্ত্রৈণ স্বামীর মতো সভয়ে বলল তন্ময়। তার মাথার চুল চোদ্দো আনা সাদা। কিন্তু শরীর আগের চেয়ে চিকণ। একটি বড়ো মাপের খোকা পুতুলের মতো চেহারা। গৃহিণীর হাতযশ সর্বাঙ্গে। স্বচ্ছন্দে আশি বছর বাঁচবে।

    ওদিকে সুজনের মাথাজোড়া টাক। সেটা অবশ্য নতুন কিছু নয়, কিন্তু ঘরনির হেফাজতে তন্ময়ের যেমন চেকনাই হয়েছে সুজনের তেমন হয়নি। ওকে যেন তুলোয় মুড়ে বাঁচিয়ে রাখা হয়েছে। সাবধানে থাকলে সুজনও আশি বছর বেঁচে থাকতে পারে। দাঙ্গাবাজদের রুখতে যেমন দুর্ভেদ্য প্রাচীর তুলেছে অদৃশ্য ব্যাধিবীজদের রুখতে তেমনি তুমুল আয়োজন করেছে। তিন চার আলমারি ওষুধে বোঝাই।

    অনুত্তম চুল ছেঁটেছে কদম ফুলের মতো। ছোটো ছোটো খোঁচা খোঁচা চুল। দাড়ি কিন্তু রক্তবীজের ঝাড়। চাঁচলে বাপ মানে না বলে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। বোধ হয় নোয়াখালির মোল্লাই ফ্যাশন। চোখে সেই বিখ্যাত নীল চশমা। শরীরটা মাংসবহুল নয়, পেশিবহুল। শিরাগুলো ঠেলে বেরোচ্ছে। শক্ত গাঁথুনি। যৌগিক ব্যায়াম করে। গায়ে কোর্তার বদলে চাদর জড়ানো, ধুতিও সংক্ষেপিত। হ্যাঁ, খদ্দরের। দৃঢ়তার ব্যঞ্জনা প্রতি অঙ্গে। পরিচ্ছদে।

    মহারাজার মোটরে করে এল কান্তি। ও গাড়ি কখনো এত ছোটো বাড়ির সামনে দাঁড়ায়নি। কিন্তু এটা রাজপুরী না হোক দুর্গ তো বটে। ছোটোখাটো ফোর্ট উইলিয়াম। লাফ দিয়ে ফুর্তি করে ছাদে উঠল কান্তি। বলল, ‘শীত কোথায় কলকাতায়! এইখানে বসা যাক কফির পেয়ালা নিয়ে। আর, সুজন, তুই আয়। অনুত্তম, তন্ময়, তোরাও বদ্ধ ঘরে বসে থাকিস নে, বুড়ো হয়ে যাবি।’

    চির তরুণ। নানা রঙের রেশমি পোশাক। বাবরি চুল। ফুলের মালা। যেমনটি ছিল পঁচিশ বছর আগে তেমনটি আছে পোয়া শতাব্দী পরে। তবে মুখভাবে একপ্রকার কঠোরতা এসেছে। চরিত্রের কঠোরতা। তার তপোভঙ্গ করা মেনকার অসাধ্য।

    ‘পড়েছি এক মহারাজার পাল্লায়।’ রগড় করে রসিয়ে রসিয়ে বলল কান্তি। ‘খরচ বেঁচেছে। কিন্তু জান বাঁচে কি না সন্দেহ।’

    ‘তার মানে? কৌতূহলী হল তন্ময়।

    ‘দু-বেলা শুনতে হচ্ছে নতুন এক স্লোগান। এক স্বামী এক স্ত্রী। দেশটা দিন দিন হল কী! রাজাগুলোও ধুয়ো ধরেছে এক স্বামী এক স্ত্রী। সরদার বল্লভভাই এমন হাল করেছেন যে একটির বেশি পুষতে পারে না। পন্ডিত জহরলালই বা কম কীসে! ডিপ্লোম্যাটিক পাসপোর্ট একটি রানিকেই দেবেন, আর সব রানিদের সাধারণ পাসপোর্ট। বিপ্লব হবে না? প্যালেস রেভলিউশন শুরু হয়ে গেছে। মহারাজা এর মধ্যেই তাঁর রক্ষিতাদের বিদায় করে দিয়েছেন। রানিদের একটিকে রেখে বাকি তিনটিকে স্বাধীন জীবিকায় সুপ্রতিষ্ঠিত করতে চান। একটিকে হয়তো আমার দলে যোগ দিতে বলবেন। সেইরকম তো শুনছি।’

    ‘দেখিস, ভাই। পদচালনা করতে গিয়ে পদস্খলন না হয়।’ অনুত্তম বলল গম্ভীর স্বরে। ‘মহারানি শুনে মহাভয় লাগছে।’

    ‘হা হা!’ কান্তি অনুত্তমের পিঠে চাপড়ে দিয়ে বলল, ‘তেমনি কাঠখোট্টা আছিস। রসকষ একফোঁটাও নেই। ওরে, আমার কাছে ময়রানিও যা মহারানিও তাই। মাজুরকা নেচে এলুম পোল্যাণ্ডের চাষানিদের সঙ্গে, পোলকা নেচে এলুম চেকোস্লোভাকিয়ার মজুরনিদের সঙ্গে। আমেরিকার ক্রোড়পতিদের দুহিতাদের সঙ্গে নেচে এলুম ফক্সট্রট আর ট্যাঙ্গো। ইংল্যাণ্ডের কাউন্টেস ও ব্যারনেসদের সঙ্গে নেচে এলুম সার রজার ডি কভারলি। কোনোখানেই পা ফসকায়নি। শেষে কিনা চৌকাঠের উপর আছাড় খেয়ে পড়ব!’

    ‘তবু’, মন্তব্য করল সুজন, ‘সাবধানের মার নেই।’

    ‘তা হলে’, কান্তি সুর নামিয়ে বলল, ‘খুলে বলি। কারো সঙ্গে আমি রসের সম্পর্ক ভিন্ন আর কোনো সম্পর্ক পাতাইনে। কিন্তু রস বলতে আমি রতিরঙ্গ বুঝিনে। বুঝি লীলাকমলের নির্যাস। এর ফলে বার বার ফলস পজিশনে পড়তে হয়েছে। তেমন অবস্থায় পড়লে আমার নিয়ম হচ্ছে, দে দৌড়। দৌড়োতে দৌড়োতে আমি এত দূর এসেছি। আমার জীবনটাই একটা ম্যারাথন রেস।’

    হো-হো করে হেসে উঠল তন্ময়। টিপে টিপে হাসল সুজন। অনুত্তম গম্ভীরভাবে বলল, ‘ম্যারাথন রেসে পতনও ঘটে।’

    কান্তি বলল সকৌতুকে, ‘তা বলে চেহারাটাকে সজারুর মতো করে অর্ধেক সমাজের কাছে ঘোষণা করব না, ছুঁয়ো না আমাকে।’

    হাসতে হাসতে তন্ময় গড়িয়ে পড়ল সুজনের গায়ে, সুজন মুখ ফেরাল।

    তারপর কান্তি তাদের সবাইকে মাতিয়ে রাখল নিজের জীবনের কাহিনি বলে। ঘড়িগুলোকে সরিয়ে দেওয়া হল কেউ যাতে টের না পায় রাত কত হয়েছে। ওদিকে রেবা হয়তো ছটফট করছে। তা একটু করলই-বা। এদিকে সুজনও তো ছটফট করছে সীতার জন্যে।

    কান্তির কাহিনির অনেকখানি আমাদের জানা। সে অংশের পুনরাবৃত্তি করব না। যেটুকু অজানা সেটুকু এই।

    কান্তিরা যখন ইউরোপে যায় তখন মহাযুদ্ধ ঘনিয়ে আসছে। তার কালো ছায়া সকলের জীবনে। তা বলে নাচবে না, নাচ দেখবে না, তেমন বেরসিক ইউরোপের লোক নয়। কান্তিরা পরম সমাদর লাভ করে। কিন্তু হিটলারের চালচলন দেখে হিতৈষীরা পরামর্শ দেন, আসল শিবতান্ডব শুরু হলে নকল শিবতান্ডব দেখবে কে! মাঝখান থেকে আটকা পড়বে তোমরা। সময় থাকতে আমেরিকায় সরে পড়ো। আটলান্টিক পেরিয়ে দেখে সেখানেও থমথমে ভাব। তবে অঢেল টাকা। কান্তিরা ঝম ঝম করে নাচে আর ঝন ঝন করে টাকা ঝরে। টাকার গাছে নাড়া দিয়ে ফল কুড়োতে ব্যস্ত। খেয়াল নেই যে জাপানিরা পার্ল হারবারে হানা দিয়েছে। যখন টনক নড়ে তখন দেখে দেরি হয়ে গেছে! দেশে ফেরবার জলপথ আকাশপথ বন্ধ। স্থলপথের তো কথাই ওঠে না।

    সঞ্চয় ভেঙে ক-দিন চালাতে পারে! যে যেখানে পারে চাকরি নেয়। যেকোনো চাকরি। রত্না গেল মেয়েদের অক্সিলারি কোর-এ। কান্তি গেল অ্যাম্বুল্যান্সে। মুথুলক্ষ্মী ফিরোজা বাবনজি মিশিরজি এঁরা ছড়িয়ে পড়লেন যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন প্রান্তে। বিচিত্র কার্যে। যুদ্ধশেষে একে একে ফিরে এল অনেকে। যারা ফিরল না তাদের মধ্যে রত্না। সে বিয়ে করে সেখানকার এক সিন্ধিকে। আবার দল গড়তে হল। গড়তে হল নতুন লোক নিয়ে। পুরোনোরা ধনের স্বাদ পেয়েছে, মোটা তনখা না পেলে আসবে না। এসে করবেই-বা কী! নাচতে তো ভুলে গেছে। নতুন যারা এল তাদের তালিম দিতে দিতে বছরের পর বছর গেল গড়িয়ে। এই সম্প্রতি কান্তি সদলবলে আসরে নেমেছে। কিন্তু অনভ্যাসের দরুন অনায়াস নয় পদক্ষেপ। মনের মতো সাথি নেই বলে লীলায়িত নয় ভঙ্গি। রত্না তার চেয়ে বয়সে যথেষ্ট ছোটো ছিল। এরা তো তার মেয়ের বয়সি। এদের সঙ্গে নাচা যেন খোকাখুকুর নাচন। পশ্চিম থেকে কৌশল শিখে এসেছে প্রচুর। জীবনের অভিজ্ঞতাও প্রভূত। কিন্তু রূপ দিতে গিয়ে দেখছে এক হাতে হয় না। মহারানি কি সত্যি যোগ দেবেন?

    এরপর তন্ময়ের কাহিনি। তার প্রায় সবটাই আমরা জানি। বাকিটুকু এক নিঃশ্বাসে বলা যায়। তন্ময়কে রাজ একবার টেলিফোন করে তার ক্লাবে। কী একটা খবর ছিল, সাক্ষাতে জানাবে। তন্ময় তার সঙ্গে দেখা করেনি, তাকে দেখা করতেও দেয়নি। কিছুদিন বাদে শুনতে পায় রাজ আবার বিয়ে করেছে। বিয়ে করে চলে গেছে তিব্বতে। যার সঙ্গে গেছে সে একজন ফরাসি বৌদ্ধ লামা। রক্তাম্বর সম্প্রদায়ের লামাদের বিবাহ নিষিদ্ধ নয়। তিব্বতে বহুকাল কাটিয়ে ওরা এখন হিমালয়ের কোন এক উপত্যকায় অজ্ঞাতবাস করছে। এদিকে ঘোরতর বিষয়ী হয়ে উঠেছে তন্ময়। মেয়ের বিয়ে দিচ্ছে। ছেলেকে বিলেত পাঠাচ্ছে। স্ত্রীর জন্যে বাড়ি কিনছে লণ্ডনের উপকন্ঠে।

    তন্ময়ের পরে অনুত্তম। তার কাহিনির অধিকাংশ আমরা জানি। অবশিষ্ট লিখছি। অনুত্তম ও তারা একই দিনে ছাড়া পায়। কংগ্রেস আবার প্রাদেশিক সরকারের ভার নিয়েছে, কেন্দ্রীয় সরকার গঠন করা নিয়ে ক্যাবিনেট মিশনের সঙ্গে দরদস্তুর চলছে। তারা বলে, সংগ্রাম করতে আর ভালো লাগছে না। দরকারও দেখছিনে। এসো, চুপচাপ একসঙ্গে থাকি। মানুষের কি ব্যক্তিগত জীবন বলে কিছু নেই? দেশের ভার আর যেই নিক, অনু, ঘরের ভার তুমি আমি নিই। অনুত্তম বুঝতে পারে তারার মনে কী আছে। বিয়ে। ঘরসংসার। ছেলে-মেয়ে। বয়সও তো হল কম নয়। লবণ সত্যাগ্রহের সময় থেকে দেশের কাজে নেমেছে। বড়ো ঘরের মেয়ে। বাপ মা-র কথা শোনেনি। বিয়ে করেনি। অনুত্তমেরও কি সাধ যায় না সুখী হতে, শান্তি পেতে! তারার মতো সঙ্গিনী পাবে কোথায়! তার পরম সৌভাগ্য, তারা তাকে মনোনয়ন করেছে। সে স্বয়ংবর সভার বীর।

    কিন্তু অনুত্তমের যে ভীষ্মের প্রতিজ্ঞা। দেশ স্বাধীনতা না পেলে সেও স্বাধীনতা পাবে না। বিয়ে করবে না ততদিন। তার পরে যাকে করবে সে নিভন্ত সলতে নয়, জ্বলন্ত শিখা। বেচারি তারা যে এখন থেকেই নিবু নিবু। সে তেজ নেই। সে দাহ নেই। এ কি সেই তারা! সেই পদ্মাবতী! মনে তো হয় না। অনুত্তম বলে, আমি ধন্য। কিন্তু নিরুপায়। তারা, তুমি আমাকে ক্ষমা করো।

    তারাকে কানপুরে পৌঁছে দিয়ে অনুত্তম দিল্লিতে কয়েক মাস কাটায়। কলকাতার দাঙ্গা তাকে বিচলিত করে, কিন্তু বল্লভভাই তাকে অন্য কাজে লাগান। নোয়াখালির ডাক শুনে সে আর স্থির থাকতে পারে না। গান্ধীজির সঙ্গে যোগ দেয়। তখন থেকে নোয়াখালিতেই তার স্থান। গান্ধীজি নেই, তবু কাসাবিয়াঙ্কার মতো সে ঠায় দাঁড়িয়ে আছে আগুনলাগা জাহাজের ডেক-এ। কোথায় তার পদ্মাবতী! কবে ফুটে উঠবে পদ্ম ফুলের মতো কন্যা আগুনের পালঙ্কে!

    অনুত্তমের পর সুজন। সুজনের কাহিনির অল্পই আমাদের অজানা। সেটুকু বলি। বিদেশ থেকে ফিরে সুজন দেখে তার বাবা কোনোমতে নিঃশ্বাস ধারণ করে রয়েছেন বউমার কোলে মাথা রেখে নিঃশ্বাস ত্যাগ করবেন এই আশায়। তাঁর যন্ত্রণার অবসান হবে সে যদি তাঁর কথামতো বিয়ে করে। নইলে তাঁর যন্ত্রণা দীর্ঘতর হবে। ছেলের মুখে ‘না’ শুনলে হয়তো তিনি তৎক্ষণাৎ হার্ট ফেল করে মারা যাবেন। এমন বিপদেও কেউ পড়ে! সুজন চোখ বুজে বিয়ে করল। আর বাবা বউমার কোলে মাথা রেখে চোখ বুজলেন। সে এক স্বর্গীয় দৃশ্য।

    বিয়ে মোটের উপর সুখের হয়েছে। সীতা সেকালের সীতার মতো পতিব্রতা। নিজের জন্যে কিছু চায় না। ঝি-চাকর রাখতে দেয়নি। নিজেই রাঁধে। সেইজন্যেই সুজনের হাতে টাকা জমতে পেরেছে। অধ্যাপনা করে, সিনারিও লেখে, অভিনয়ের মহড়ায় উপস্থিত থেকে নির্দেশ দেয়। এইসব করে সুজন একরকম গুছিয়ে নিয়েছে। একটি সন্তান হয়েছিল। বাঁচল না।

    মধ্যে একদিন ব্রাহ্মসমাজের উৎসবে বকুলের সঙ্গে অকস্মাৎ দেখা। সুজন প্রথমটা চিনতে পারেনি। শুকিয়ে কাঠ হয়ে গেছে, কাঠ কয়লার মতো কালো হয়ে গেছে বকুল। কী একটা সাংঘাতিক অসুখ করেছিল তার। ছ-বছর ভুগতে হয়েছে। বহু দেশ বেড়িয়ে এখন একটু ভালো বোধ করছে। বকুল যদিও বলল না তবু সুজন বুঝতে পারল কী সে অসুখ। কে তার জন্যে দায়ী। বকুলের চাউনি এড়াবার জন্যে তাড়াতাড়ি পা চালিয়ে দিল। সে চাউনি বঞ্চিতা নারীর। বকুল বিশ্বাস করেনি যে সুজন সত্যি সত্যি বিয়ে করবে আরেকজনকে। মুখে অনুমতি দিয়েছিল বটে। মন থেকে তো দেয়নি। জ্বলেপুড়ে মরছে।

    চার জনের কাহিনি সাঙ্গ হলে চার দিক নিস্তব্ধ হল। রাত তখন অনেক। ঘড়ি আনিয়ে দেখা গেল বারোটা বাজতে কয়েক মিনিট বাকি। তন্ময় লাফ দিয়ে উঠল। সুজন তাকে ধরে বসিয়ে দিয়ে বলল, ‘এটা বছরের শেষ রাত্রি। একটু পরে আরম্ভ হবে নববর্ষ।’

    ‘সিলভেস্টার!’ কান্তি চমকে উঠে বলল, ‘নাচতে ইচ্ছা করছে যে।’

    তন্ময়েরও ইচ্ছা করছিল নাচতে। দুই বন্ধুতে হাত ধরাধরি করে নাচতে শুরু করে দিল। ওদের বেহায়াপনা দেখে অনুত্তম বিষম অপ্রসন্ন হল। সুজন গেল সাপার আনতে। খেতে খেতে বারোটা বাজিয়ে দেওয়াই রেওয়াজ।

    ‘যত সব বিদঘুটে কান্ড!’ অনুত্তম ফেটে পড়ল যখন লক্ষ করল সুজন দুই হাতে দুই গ্লাস তরল পদার্থ নিয়ে উঠে আসছে।

    ঢং ঢং করে বারোটা বাজল। ততক্ষণে ওরা স্যাণ্ডউইচ পনির ও বিস্কুট খেতে বসেছে। অনুত্তমের জন্যে গরম দুধ। আর সকলের জন্যে দ্রাক্ষারস। চার জনেই চার জনকে বলল, ‘নববর্ষ সুখের হোক।’

    কান্তি বলল, ‘আজ থেকে আবার আমাদের যাত্রারম্ভ। যে জীবন পিছনে পড়ে রইল তার দিকে ফিরে তাকাব না। যে জীবন সামনে তার দিকে দৃঢ় পদক্ষেপে এগিয়ে যাব!’

    ‘তোর সঙ্গে যতক্ষণ আছি’, তন্ময় বলল, ‘ততক্ষণ মনে হচ্ছে আমার বয়স বিশ-একুশ বছর। তা তো নয়। একটু পরে যেই বাড়ি ফিরব অমনি মালুম হবে ষাট বাষট্টি বছর। জীবনের আর ক-টা বছর বাকি আছে যে নতুন করে যাত্রারম্ভ করব! কার অভিমুখে পদক্ষেপ? তাকে যে, ভাই, চিরকালের মতো হারিয়েছি। আমার রূপমতীকে।’

    ‘আমিও আমার কলাবতীকে।’ বলল সুজন। ‘কেন বেঁচে থাকব, কীসের প্রত্যাশায় বেঁচে থাকব, সেইটেই বুঝতে পারছিনে। লিখতে বসলে লেখা আসে না। সাহিত্যের পাট চুকে গেছে। পয়সার জন্যে এ যা করছি এ তো ব্যবসাদারি। বয়সটা আমার আজ পঁচিশ বছর কমে গেছে, কিন্তু কাল বকুলের দিকে তাকালে হু-হু করে বেড়ে বাহাত্তর হবে। যাত্রারম্ভ আমার জন্যে নয়।’

    ‘এই ক-বছরে আমার বুকে শেল বিঁধেছে।’ বলল অনুত্তম। ‘শেল বিঁধে রয়েছে। দেশ ভগ্ন। লক্ষ লক্ষ মহাপ্রাণী নিহত, উন্মুলিত, ধর্ষিত, নষ্ট। মহাগুরু নিপাতের পাপে জাতীয় শরীর বিষাক্ত। বেঁচে আছি বলে আমি লজ্জায় মরে যাচ্ছি। তবু বাঁচতে হবে। এখনও তার সঙ্গে শুভদৃষ্টি বাকি। আমার পদ্মাবতীর সঙ্গে। তা বলে যাত্রারম্ভ! না, ভাই। সে উৎসাহ নেই। বয়স আমার কমেনি। আজকের দিনেও।’

    কান্তি ভেবে বলল, ‘আমাদের উপর ভার পড়েছে আমরা আদি কাল থেকে চলে আসতে থাকা একটি অন্বেষণের ধারাকে বহমান রাখব। অন্বেষণ সার্থক হলে তো ফুরিয়েই গেল। কিন্তু বিধাতার অভিপ্রায় নয় যে ফুরিয়ে যায়। তাঁর সৃষ্টি যেমন অসামান্য আমাদের অন্বেষণও তেমনি। অন্বেষণ চলতে থাকবে। আরও লক্ষ লক্ষ বৎসর। নিরবধি কাল।’

    ‘আমি কিন্তু এ ভার বইতে পারছিনে, ভাই।’ দীর্ঘনিঃশ্বাস ফেলল তন্ময়। ‘আমি সরে দাঁড়ালুম। অন্বেষণ চলতে থাক। আমি অচল। রাজ যেদিন চলে যায় সেই দিন থেকে অচল। সেদিন আমার উচিত ছিল তার অন্বেষণ করা, তার পশ্চাদ্ধাবন করা। সব সহ্য করে তার সঙ্গে লেগে থাকা। তা তো আমি পারলুম না। আমি এক হিসাবে অসমর্থ পুরুষ। নেহাত মিথ্যে বলেনি সে। দৈহিক অর্থই একমাত্র অর্থ নয়।’

    ‘আমারও ভুল হয়েছিল বকুলের মুখের কথাকে মনের কথা ভেবে তার অন্বেষণ ছেড়ে দেওয়া, তার পশ্চাদ্ধাবন ত্যাগ করা।’ সুজন বলল অনুশোচনার সঙ্গে। ‘বিবাহের বাসনা প্রবল হয়েছিল, বৃদ্ধ পিতার মৃত্যুযন্ত্রণা সইতে পারিনি। তখন তো বুঝতে পারিনি যে বকুলের জীবনের মূলে কুড়ুলের কোপ লেগেছে। বকুল এখন ছিন্নমূল। আমিও তাই। অন্বেষণের ধারা বহমান রাখা কি আমার কাজ! অনুত্তম, কান্তি, তোরা দু-জনে এগিয়ে যা। তোদের দু-জনের মধ্যেই সার্থক হব আমরা দু-জন। তন্ময় আর আমি।’

    ‘আমার দৌড় কতটুকু!’ অনুত্তম বলল ভাঙা গলায়। ‘মহাত্মা বলে রেখেছিলেন তিনি ভ্রাতৃহত্যার জীবন্ত সাক্ষী হবেন না। আমিও বলে রেখেছি যে আর একটা সাম্প্রদায়িক নরমেধ ঘটলে আমি প্রাণ দেব। অন্বেষণের ধারা বহমান রাখা আমার পক্ষে কী করে সম্ভব! আমাকেও বাদ দে। ওই কান্তিই আমাদের সকলের যৌবন। ওর সার্থকতাই আমাদের সার্থকতা।’

    তখন ওরা কান্তিকে ঘিরে বসল। বলল, ‘কান্তি, তুই আমাদের সকলের তারুণ্য। তোর সার্থকতায় আমাদের সার্থকতা। অন্বেষণের ধারা অব্যাহত থাকবে তোর মধ্যে, তোর অন্বেষণের মধ্যে। জীবনমোহনের যোগ্য উত্তরসাধক তুই, কান্তি। আমরা নই।’

    কান্তি অভিভূত হল। ধীরে ধীরে বলল, ‘আমার ঘর নেই। আমি অনিকেত। আমার সংসার নেই। আমি অসংসারী। আমার সঞ্চয় নেই। আমি অসঞ্চয়ী। সম্বল বলতে আমার একটা সুটকেস ও একখানা কম্বল। কোথাও বাঁধা পড়ব না বলে বিয়ে করিনি ও করব না। বিবাহই একমাত্র বন্ধন নয়। তার চেয়ে বড়ো বন্ধন সুরত। সে বন্ধনও আমি পরিহার করেছি ও করব। কিন্তু নারীকে আমি পরিহার করিনি। করব না। তার রস আস্বাদন করেই আমি ক্ষান্ত। নারীর মধ্যে চিরন্তন হচ্ছে তার রস। তার রসকলি।’

    ‘তাই কি!’ অনুযোগ করল অনুত্তম। ‘চিরন্তন হচ্ছে তার শক্তি। তার সিঁথির সিঁদুর।’

    ‘চিরন্তন তার অন্তর্দীপ্তি। তার তুলসীতলার প্রদীপ।’ নিবেদন করল সুজন।

    ‘তার অঙ্গসুষমা। তার নীবিবন্ধ।’ অভিমত দিল তন্ময়।

    কান্তি হেসে বলল, ‘এ সেই অন্ধের হাতি দেখার মতো হল। আমরা চার জনে চার জায়গায় হাত রেখেছি। চার জনের সত্য যদি এক জনের হয়, চার জন যদি হয় এক জন, তা হলে আমাদের সকলের কথা হবে এক কথা। পাই আর না পাই, হারাই আর না হারাই, আমরা কেউ ব্যর্থ হইনি। আমাদের চারটি কাহিনি মিলে একটি কাহিনি।’

    ‘সে কাহিনি একই রাজকন্যার, যে কন্যা সব নারীর কল্পরূপ।’ বলল সুজন।

    ‘যে নারী চিরন্তনী।’ বলল অনুত্তম।

    ‘যে চিরন্তনী ক্ষণিকা।’ বলল তন্ময়।

    কান্তি তার বন্ধুদের হাত নিজের হাতের ভিতর টেনে নিল। বলল, ‘পিছন ফিরে তাকাব না। কিন্তু যদি তাকাই তা হলে যেন একককেই দেখতে পাই, একাধিককে নয়। যখনি তাকাই তখনি যেন দেখতে পাই সেই এককের অফুরান সৌন্দর্য।’

    ‘অফুরন্ত প্রীতি।’ ইতি সুজন।

    ‘অসীম সাহস।’ অথ অনুত্তম।

    ‘অপার করুণা।’ অতঃপর তন্ময়।

    রাত গভীর হয়ে আসছিল। আর দেরি করা যায় না। সুজনের উনি যেকোনো সময় এসে পড়বেন। তন্ময়ের ইনি ক্ষমা করবেন না। অনুত্তমের চিটাগং মেল সকাল ছ-টায়। কান্তিকে মহারাজা প্রাতরাশের নিমন্ত্রণ করেছেন। মহারানির সঙ্গে আলাপ করিয়ে দেবেন।

    কান্তি বলল, ‘সামনের দিকে তাকালেও সেই একককেই দেখতে পাব। তন্ময়ের ঘরে তিনিই এসেছেন। সুজনের ঘরেও তিনি। কোনো খেদ রাখব না। ধন্যবাদ জানাব পদে পদে, কথায় কথায়।’

    ‘শত শত ধন্যবাদ।’ জানাল অনুত্তম।

    ‘শত সহস্র ধন্যবাদ।’ জ্ঞাপন করল তন্ময়।

    ‘সহস্র সহস্র ধন্যবাদ।’ শেষ করে দিল সুজন।

    একা কান্তি যাত্রা করল চার জনের হয়ে। অন্বেষণের ধারা বহমান রাখতে। যৌবনের প্রান্তে উপনীত হয়ে তন্ময় সুজন অনুত্তম আবিষ্কার করল যৌবন ফুরিয়ে যায়নি। যৌবনের স্বপ্ন মিলিয়ে যায়নি। যেখানে অস্ত সেখানেই উদয়। যেখানে অন্ত সেইখানে আদি। যেমন বর্ষশেষ ও বর্ষারম্ভ।

    (১৯৫২-৫৩)

    ⤶
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleবিনুর বই ও নির্বাচিত ছোটোগল্প – অন্নদাশঙ্কর রায়
    Next Article পুতুল নিয়ে খেলা – অন্নদাশঙ্কর রায়

    Related Articles

    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    বিপিনের সংসার – বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    January 8, 2026
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    ভয় সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    কিশোর অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    প্রকাশ্য দিবালোকে – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 18, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    তারপর কী হল – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 17, 2025
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    শর্ম্মিষ্ঠা নাটক – মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    November 11, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }