Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    কন্যা – অন্নদাশঙ্কর রায়

    লেখক এক পাতা গল্প155 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ০২. যাত্রারম্ভ

    তারা স্থির করেছিল বেরিয়ে পড়বে, কিন্তু কীসের অভিমুখে তা স্থির ছিল না। তাদের লক্ষ্য স্থির করে দিলেন জীবনমোহন। অতি দূর সে লক্ষ্য। কোনোদিন সেখানে পৌঁছোনো যাবে কি না সন্দেহ। স্বয়ং জীবনমোহন কি পৌঁছেছেন!

    সে-কথা কেউ তাঁকে জিজ্ঞাসা করেনি। শুধু তন্ময় তাঁকে আপন মনে গুন গুন করতে শুনেছে, ‘হায় কন্যা শামারোখ।’

    শোনা অবধি কী যে হয়েছে তন্ময়ের, থেকে থেকে দীর্ঘনিঃশ্বাস ছাড়ে, আর বলে, ‘হায় কন্যা রূপমতী!’

    এ নিয়ে পরিহাস করে কান্তি। বুক চাপড়ে বলে, ‘হায় কন্যা কান্তিমতী!’

    অনুত্তম তা শুনে বলে, ‘এ আবার কী নতুন খেলা শুরু হল! আমাকেও হা-হুতাশ করে বলতে হবে নাকি, হায় কন্যা পদ্মাবতী, হায় কন্যা পদ্মিনী!’

    মুখচোরা সুজন মুখফুটে কিছু বলবে না। নইলে তাকেও বলতে শোনা যেত, ‘হায় কন্যা কলাবতী!’

    কান্তি গম্ভীর হয়ে যায়। বলে, ‘তন্ময়কে তা বলে প্রশ্রয় দিতে পারিনে। একদিন তার মোহভঙ্গ হবে। কষ্ট পাবে।’

    ‘কেন বল দেখি?’ তন্ময় প্রশ্ন করে।

    ‘কেন?’ কান্তি বলে যায়, ‘চিরন্তনীকে কেউ কোনোদিন রূপের আধারে পায়নি।

    পাবি কী করে? সে তো রূপে নেই, আছে রূপের ইঙ্গিতে। কোনো মেয়ের চাউনিতে, কারও হাসিতে, কারও কেশপাশে, কারও কন্ঠস্বরে। রূপের বার্তা বয়ে নিয়ে আসে, আভাস দিয়ে যায়, কারও ক্ষণিক পরশ, কারও ক্বচিৎ সঙ্গ। তুই আশা করছিস একজন কেউ আছে যে তিলোত্তমার মতো সুন্দরী। একজন কেউ আছে যাকে ধরা যায়, ধরে রাখা যায়, দিনের পর দিন, সারাবছর, জীবনভর!’

    ‘নিশ্চয়’। তন্ময়ের বচনে অবিচলিত প্রত্যয়। ‘কেন আশা করব না? কতটুকু দেখেছি এই পৃথিবীর! সেইজন্যেই তো আমি দেখতে বেরিয়েছি দেশ-বিদেশ। দেখতে বেরিয়েছি তাকে যার নাম দিয়েছি রূপমতী। সে আছে। এবং আমি তাকে ধরবই, ধরে রাখবই, ঘরে ভরবই। তবে হ্যাঁ, দশ-বিশ বছর সময় লাগতে পারে। খুঁজতে খুঁজতে, খুঁজতে খুঁজতে আয়ু ফুরিয়ে আসবে হয়তো। সেইজন্যেই তো বলছি, হায় কন্যা রূপমতী! একবার দয়া করে ঠিকানাটা তোমার জানাও।’

    হাসির কথা। কিন্তু হাসতে গিয়ে হাসি পায় না একজনেরও। তন্ময়ের ব্যাকুলতা তাদের অভিভূত করেছিল।

    সুজন বলে, ‘সে আছে বই কী। তবে তার রূপ তার দেহের নয়, তার আত্মার, তার অন্তরের। কাচের আড়ালে যেমন আলো থাকে, সে আলো কাচের নয়, সে আলো শিখার, এও তেমনি। আমি যার ধ্যান করি সে শুকতারার মতো প্রভাময়ী, তার প্রভা কোনো অদৃশ্য আলোকবর্তিকার। কিন্তু তাকে আমি কোনোদিন পাব এ আশা আমার নেই। এযেন তারকার জন্যে পতঙ্গের তৃষা।’

    এবার অনুত্তমের পালা। ‘আমার পদ্মাবতী’, বলে অনুত্তম, ‘ভরা পদ্মার মতো রূপসি। রূপ তার দেহে নয়, আত্মায় নয়, শতধার ইঙ্গিতে নয়, রূপ তার গতিবেগে, রূপ তার ক্রিয়ায়। আমি যার ধ্যান করি সে সুন্দরী নয়, কিন্তু কাজ তার সুন্দর। দেশের জন্যে মাথার চুল কেটে দিতে পারে কে? পদ্মাবতী। আগুনে ঝাঁপ দিতে পারে কে? পদ্মিনী। তাকে কি পাওয়া যায় যে আমি পাব! তবে সে আছে নিশ্চয়।’

    চার জনের লক্ষ্য এক, কিন্তু ধ্যানরূপ বা রূপধ্যান চতুর্বিধ। এটা আরও স্পষ্ট হয় যখন তন্ময় বলে, ‘চিরন্তনী নারী বলতে বোঝায় আগে নারী তার পরে চিরন্তনী। যে নারীই নয় সে চিরন্তনী হবে কী করে। আমি যাকে চাই সে আমার সঙ্গিনী, আমার জায়া, আমার সন্তানের জননী। সে আমাকে আনন্দ দেবে, তাকে নিয়ে আমি সুখী হব। এই-সব কারণে তাকে আমার পাওয়া দরকার। ধরে রাখা দরকার। আমি চাই সহজ স্বাভাবিক জীবন, যাকে বলে গার্হস্থ্য আশ্রম। কিন্তু এই সব নয়। এর উপরে চাই রূপলাবণ্য, যার বিকাশ দেহবৃন্তে। অনুপম রূপলাবণ্য, অসাধারণ সৌন্দর্য। যা কোনোদিন শুকিয়ে যাবে না, আশি বছরেও তাজা থাকবে।’

    ‘অ্যাঁ! বলিস কী রে!’ কান্তি তামাশা করে। ‘কেবল রূপ নয়, যৌবন! তাও পাঁচ-দশ বছর নয়, আশি বছর! ষোড়শী কোনো দিন জরতী হবে না! এই মাটির শরীরে এও তুই আশা করিস।’

    ‘তন্ময় কিনা তন্ময়।’ টিপ্পনী কাটে অনুত্তম।

    সুজন অন্যমনস্কভাবে বলে, ‘না, না। চিরন্তনী নারী বলতে বোঝায় আগে চিরন্তনী, তার পরে নারী। আগে অন্তর, তার পরে বাহির। আগে আত্মা, তার পরে দেহ। আমি যার ধ্যান করি সে যদি আমার সঙ্গিনী না-হয় তা হলেই বা কী আসে যায়! সে যেখানেই থাকুক, যত দূরেই থাকুক, তার কিরণ এসে আমার গায়ে পড়ছে। পড়তে থাকবে। তাকে বিয়ে করতে পারলে ধন্য হতুম। কিন্তু তা কি সম্ভব! আর কাউকে বিয়ে করে তার ধ্যান করাও সম্ভব নয়। কাজেই আর কাউকে বিয়ে করাও অসম্ভব।’

    কান্তি আবার রঙ্গ করতে যায়, কিন্তু অনুত্তম তাকে থামিয়ে দিয়ে বলে, ‘আমার মনে হয় সুজন জোর দিতে চায় চিরসৌন্দর্যের উপরে, শাশ্বত সুষমার উপরে, যা মূর্ত হয়েছে নারীতে, নারীর নারীত্বে। আর তন্ময় জোর দিতে চায় নারীত্বের উপরে, নারীর রূপযৌবনের উপরে, যা পার্থিব হয়েও চিরন্তন। আমি বলি, চিরন্তনী নারী হচ্ছে সেই নারী যে প্রাত্যহিক জীবনে নিতান্ত সাধারণ অথচ সংকট মুহূর্তে একান্ত অসাধারণ। যার ঘোমটা খসে যায়, মুখ দেখতে পাওয়া যায় ঝড়ের রাতে বিজলির ঝিলিকের মতো। সে আর কতটুকু সময়ের জন্যে! সেইটুকু সময় যদি দীর্ঘতর সময়ে পরিণত করার মন্ত্র জানা থাকত তা হলে ওই মন্ত্র পড়ে আমি তাকে বিয়ে করতুম। তা কি আমি জানি যে বিয়ের স্বপ্ন দেখব।’

    ‘বিয়ে! বিয়ে!’ কান্তি এবার বিরক্তির স্বরে বলে, ‘ছেলেভোলানো ছড়া থেকে বুড়োভোলানো কবিতা পর্যন্ত সব জায়গায় দেখি বিয়ে! আচ্ছা বিয়ে পাগলা দেশ যাহোক। আমি কিন্তু বিয়ের মহিমা বুঝিনে। বিয়ে আমি করব না। আশি বছরের আয়েষাকেও না, আশমানের শুকতারাকেও না, অচপল চপলাকেও না। কোনো মেয়েকেই না। আমার চিরন্তনী নারী এক আধারে নেই, সকলের মধ্যে আছে। তিলোত্তমা নয়, তিলে তিলে ছড়ানো।’

    তারপর নিজেই নিজের রসিকতায় হেসে ওঠে। ‘একজনকে বিয়ে করলে আর পনেরো হাজার ন-শো নিরানব্বই জনের উপর অবিচার করা হয়। আমি তো দ্বারকার শ্রীকৃষ্ণ নই যে ষোলো হাজার জনের উপর সুবিচার করব। আমি বৃন্দাবনের কানু, সুবিচারের ভয়ে সবাইকে ছেড়ে যাই, এমনকী রাধাকেও।’

    তন্ময় ব্রাহ্ম পরিবারে মানুষ হয়েছে। এসব কথা তার সংস্কারে বাধে। প্রাণে বাজে। সে কানে আঙুল দিয়ে বলে, ‘আমার জীবনের সূত্র একমেবাদ্বিতীয়ম।’

    সুজন ব্রাহ্ম না হলেও ব্রাহ্ম সমাজের ছেলে-মেয়েদের সঙ্গে পড়াশোনা করেছে, খেলাধুলা করেছে। ওদের উৎসবে যোগ দিয়েছে, উপাসনায় চোখ বুজেছে। সেও আঘাত পেয়ে বলে, ‘আমি নিরাকারবাদী।’

    অনুত্তম গান্ধীশিষ্য। পিউরিটান। সেও মর্মাহত হয়। বলে, ‘কান্তি, তুই নাচতে যাচ্ছিস, এই যথেষ্ট স্বৈরাচার। আর বেশি দূর যাসনে। গেলে পতন অবধারিত।’

    ‘তোরা বড়ো বেশি সিরিয়াস। লীলা কাকে বলে জানিস নে। ভয়ের দিকটাই দেখিস। কিন্তু যারা নাচতে জানে তারা সাপের মাথায় ভেকেরে নাচায়। আমি সহজিয়া।’ এই বলে কান্তি যবনিকা টেনে দেয়।

    জীবনমোহন তখনও ছিলেন পুরীতে। তাদের চার বন্ধুর বিতর্ক তাঁর কানে পৌঁছোল। তিনি মিষ্টি হেসে বললেন, ‘নুনের পুতুল যখন সমুদ্র অন্বেষণে যায় তখন কী হয়? কী বলেছেন রামকৃষ্ণদেব? তোমরাও যাচ্ছ সাগরের মতো আকাশের মতো চিরন্তনের সন্ধানে। যদি কোনোদিন তাকে দেখতে পাও যা দেখবে তা তোমাদের কল্পনার অতীত। ধ্যানের অতীত। তাকে নিজের প্রতিমার ছাঁচে ঢালাই করতে চেয়ো না। চাইলে দেখবে সে রূপমতী বা কলাবতী নয়, পদ্মাবতী বা কান্তিমতী নয়। সে কে বলব? সে তন্ময়িনী বা সুজনিকা, কান্তিরুচি বা অনুত্তমা।’

    তারপর হাসি ছেড়ে বললেন, ‘তাকে পাওয়া না পাওয়ার চিন্তা মন থেকে মুছে ফেলতে হবে। আকাশকে কেউ কোনোদিন ধরতে পেরেছে? ঘরে ভরতে পেরেছে? অথচ ঘর জুড়ে রয়েছে আকাশ নয় তো আর কে? পাব, একথা জোর করে বলতে নেই। পাব না, একথাও মনে করতে নেই।’

    ওরা তাঁকে ঘিরে বসে শুনতে লাগল। তিনি বলতে লাগলেন, ‘অনুত্তম, কান্তি, তন্ময়, সুজন। এ অন্বেষণ সুখের অন্বেষণ নয়। একে যেন সুখের অন্বেষণ করে না তোল। সুখ যে কোনোদিন আসবে না তা নয়। আপনা হতে আসবে, আপনা হতে যাবে। তার আসা-যাওয়ার দ্বার খোলা রেখো। অনুত্তম, তোমাকে এসব না বললেও চলত। বরং এর বিপরীতটাই বলা উচিত তোমাকে। না, এটা দুঃখের অন্বেষণও নয়। আর সুজন, তোমাকেও বলার দরকার ছিল না। তুমিও তো সুখের চেয়ে দুঃখের প্রতি প্রবণ। আর কান্তি, তোমাকে যা বলেছি তাই যথেষ্ট। শুধু তন্ময়, তোমার জন্যেই আমার ভাবনা। মনে রেখো, সুখের অন্বেষণ তোমার জন্যে নয়। তোমার জন্যে রূপের অন্বেষণ। তুমি তার জন্যে।’

    ওরা চার জনে নত হয়ে তাঁর পায়ের ধুলো নিতে গেল। তিনি বললেন, ‘থাক, থাক, হয়েছে, হয়েছে। আমি এর পক্ষপাতী নই।’ তারপর ওদের মাথায় হাত রেখে বললেন, ‘তোমাদের যাত্রা শুভ হোক।’

    যাত্রা? যাত্রার জন্যে ওরা ধীরে ধীরে প্রস্তুত হচ্ছিল। কিন্তু ওদের ভাবতে কষ্ট হচ্ছিল যে কেউ কারও সহযাত্রী হবে না। সেইজন্যে যাত্রার দিন বিনা বাক্যে পেছিয়ে দিচ্ছিল। ওদিকে ওদের পরীক্ষার ফল বেরিয়ে গেছিল। কাজেই কালহরণের তেমন কোনো অজুহাত ছিল না। সুজন ও তন্ময় পাস করেছে, অনুত্তম ও কান্তি করেনি। এইরকমই হবে ওরা জানত। কান্তি তো ইচ্ছা করেই শূন্য খাতা দাখিল করেছিল কয়েকটা পেপারে। পাস করলে পাছে তার গুরুজন তাকে যেতে না দেন গন্ধর্ব-বিদ্যা শিখতে গন্ধর্ব হতে। আর অনুত্তম সময় পেল কখন যে পরীক্ষার পড়া করবে!

    যাত্রার প্রসঙ্গে পরিকল্পনার প্রশ্ন উঠল আবার। কান্তি বলল, ‘আমাদের পরিকল্পনায় সেই যে ফাঁক ছিল সেটা কি তেমনি আছে না ভরেছে? কীসের যেন অভাববোধ করছিল কেউ কেউ? এখনও কি করে?’

    অনুত্তম তাকাল তন্ময়ের দিকে, তন্ময় সুজনের দিকে। সুজন বললে, ‘না, আমার তো আর অভাববোধ নেই। পেলেই যে অন্তর ভরে তা নয়। না পেলেও ভরে যদি জ্ঞাননেত্র খুলে যায়। জীবনমোহন আমাদের নেত্র উন্মীলন করেছেন। তিনি আমাদের গুরু।’

    ‘আমারও অভাববোধ নেই,’ স্বীকার করল তন্ময়। ‘পেতে চাই। পাইনি। তবু আমার অন্তর পূর্ণ। যার অন্বেষণে যাচ্ছি সেই জুড়ে আছে অন্তর। জুড়ে থাকবেও।’

    ‘আমি যে কাকে চাই তা আমার কাছে পরিষ্কার হয়ে গেছে। হয়তো এ জীবনে কোনোদিন তার দেখা পাব না, তবু আমার অভাববোধ থাকবে না।’ বলল অনুত্তম।

    কান্তি বলল, ‘অভাবের কথা আর যেই তুলুক আমি তুলিনি। অভাববোধ করা আমার স্বভাব নয়। কেমন করে যে আমার সব অভাব মিটে যায় আমিই কি তা বুঝি! জীবন দেবতা সদয়।’

    তারপর তাদের কথাবার্তা আর একটু অন্তরঙ্গ পর্যায়ে উঠল। তন্ময় বলল, ‘আমার পরিকল্পনা মোটের উপর তেমনি আছে। বিলেত যাব, বিলেত থেকে ফিরে একটা কাজকর্ম জুটিয়ে নেব। বিয়ে করব, ঘর সংসার পাতব। তবে কাকে বিয়ে করব এখন তা ঠিক হয়ে গেছে। রূপমতীকে।’

    ‘এটা জীবনমোহনের ঘটকালিতে।’ এই বলে কান্তি হেসে আকুল হল।

    ‘এখন কেবল একটা নিমন্ত্রণপত্র বাকি।’ টিপ্পনী কাটল অনুত্তম।

    ‘তোদের কেবল হাসি, কেবল ঠাট্টা!’ তন্ময় কপট রোষ প্রকট করল।

    ‘তারপর, সুজন, তুই চুপ করে রইলি যে! বোধ হয় ভাবছিস কাকে বিয়ে করা উচিত তা তো ঠিক হয়ে গেছে, কিন্তু তার বাপের মত নেই আর সে নিজে পর্দার আড়ালে।’ কান্তি পরিহাস করল।

    ‘না, পর্দার আড়ালে সে নয়। ছাতার আড়ালে সুজন।’ রহস্য করল অনুত্তম।

    ‘তা হলে,’ তন্ময় ফুর্তি করে বলল, ‘আমাকেও হাটে হাঁড়ি ভাঙতে হচ্ছে। এই নীল চশমাটি কীসের জন্যে? বেড়াল চোখ বুজে দুধ খায় আর ভাবে কেউ টের পাচ্ছে না।’

    সুজন শেষে মুখ ফুটে বলল, ‘না, আমার পরিকল্পনায় বিয়ের জন্যে স্থান সংরক্ষিত নেই। বিয়ে যদি হয়ে যায় তো হয়ে যাবে একটা আকস্মিক ঘটনার মতো। আমিও আশ্চর্য হব। তোরাও হবি। আকস্মিকের জন্যে তখন জায়গা ছেড়ে দিতে হবে।’

    কান্তি রসিয়ে রসিয়ে বলল, ‘তার মানে ন্যাড়া, খাবি? না হাত ধোব কোথায়?’

    অনুত্তম গম্ভীরভাবে বলল, ‘ছদনাতলায়।’

    হেসে উঠল চার জনেই। সুজন স্বয়ং।

    এরপরে এল অনুত্তমের পালা। তন্ময় বলল, ‘অনুত্তম যাই বলুক না কেন আমি বিশ্বাস করব না যে ও চিরকাল দেশের কাজ নিয়ে থাকবে।’

    ‘কে বলল চিরকাল দেশের কাজ নিয়ে থাকব?’ অনুত্তম প্রতিবাদের সুরে বলল, ‘দেশ যতদিন পরাধীন ততদিন দেশের কাজ আমার পরিকল্পনায় প্রধান অংশ নেবে। তার পরে যেমন সর্বত্র হয়ে থাকে তেমনি এখানেও হবে। সৈনিক ফিরে যাবে নিজের কাজে। আমি কেন ধরে নেব যে দেশ চিরদিন পরাধীন থাকবে? স্বাধীন ভারত আমাদেরই হাত দিয়ে হবে।’

    ‘তার পরে তুই কী করবি? ঘরসংসার? বিয়ে?’ প্রশ্ন করল তন্ময়।

    ‘করতেও পারি’, উত্তর দেয় অনুত্তম। ‘করতে আমার অনিচ্ছা নেই যদি ঝড়ের রাতের চলবিদ্যুৎকে বাতিদানের স্থিরবিদ্যুতে পরিণত করার কৌশল জানি। কিন্তু বিদ্যুৎ যদি তার বিদ্যুৎপনা হারায় তা হলে তাকে নিয়ে আমি কী করব। বিয়ে যারা করে তারা বিদ্যুৎকে করে না, খদ্যোতকে করে। বিদ্যুৎ আপনি খদ্যোত হয়ে যায়। সেইজন্যে আমি ওকথা ভাবতে চাইনে, তন্ময়।’

    এর পরে কান্তি। ‘কান্তি তো বিয়ে করবে না বলে ঘোষণা করেছে। ওকে মেয়েদের সঙ্গে মিশতে দেওয়া উচিত নয়।’ তন্ময় বলল বিজ্ঞ সমাজপতির মতো।

    ‘বটে!’ কান্তি খোশমেজাজে বলল, ‘মেয়েরা তা হলে মিশবে কার সঙ্গে? বিয়ে তো মাত্র একজনের সঙ্গে হয়। সেই একজন ছাড়া আর কারও সঙ্গে মিশতে পারবে না?’

    তন্ময় সহসা উত্তর খুঁজে পেল না। সুজনের দিকে তাকাল। সুজন বলল, ‘কান্তির পরিকল্পনায় বিয়ের জন্যে স্থান নেই; আকস্মিকের জন্যেও সে জায়গা রাখেনি। কিন্তু নারীর জন্যে আসন আছে। তন্ময়ের এটা ভালো লাগছে না। অনুত্তম তো একে স্বৈরাচার বলেছে। আমি নীতিনিপুণ নই, তবু আমারও কী জানি কেন কোথায় যেন বাধছে। কান্তি, আমি তোকে বিচার করতে চাইনে। কিন্তু কথাটা একটু ভেবে দেখিস।’

    কান্তি ভাবুকের মতো মুখ করে বলল, ‘তোদের তিন জনেরই মনের কথা এই যে নারী তোদের জন্যে নীড় বাঁধে। যে পাখি আকাশের সে হয় নীড়ের। উড়ে যার সুখ, সে উড়তে ভুলে যায়। নারীর নিজের মনের কথা কিন্তু তা নয়।’

    অনুত্তম মশকরা করে বলল, ‘শোনো, শোনো।’

    তন্ময় বলল, ‘আচ্ছা, শুনি।’

    কান্তি বলল, ‘আমাদের চার জনের পরিকল্পনায় সংগতি থাকলে খুশি হতুম আমিই সব চেয়ে বেশি! কিন্তু তা হবার নয়। তবে আমাদের চার জনেরই জীবনের মূলসূত্র এক। কী বলিস, সুজন?’

    সুজন কান্তিকে দুঃখ দিতে চাইল না। বলতে পারত, স্বৈরাচার তো মূলসূত্রবিরোধী। বলল, ‘মোটামুটি এক।’

    ‘তবে আর কী!’ কান্তি স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলে বলল, ‘বিদায়ের দিন এই কথাটাই মনে থাকবে আমাদের যে আমরা সব রকমে স্বাধীন, তবু একসূত্রে গাঁথা। সেই অদৃশ্য সূত্রই আবার আমাদের টেনে নিয়ে আসবে যেমন করে টেনে আনে আকাশ থেকে ঘুড়িকে।’

    ‘হ্যাঁ, আবার আমরা মিলব।’ বলল অনুত্তম।

    ‘মিলব একদিন-না-একদিন। হয়তো দশ বছর পরে।’ বলল সুজন।

    ‘হয়তো কেন?’ তন্ময় বলল তার স্বভাবসিদ্ধ ঐকান্তিকতার সঙ্গে। এখন থেকে একটা দিন ফেলা যাক। এটা ১৯২৪ সাল। ঠিক এক দশক পরে ১৯৩৪ সালে আমরা যে যেখানে থাকি এইখানে এসে মিলিত হব। এই সাগরতীরে। এই আষাঢ় পূর্ণিমায়।

    ‘সে কি সম্ভব?’ অনুত্তম আপত্তি জানাল। ‘যদি জেলে থাকি সে সময়?’

    ‘তার আগেই’ সুজন বলল প্রত্যয়ভরে, ‘দেশ স্বাধীন হয়ে থাকবে।’

    ‘বলা যায় না। যে শক্তির সঙ্গে আমাদের বিরোধ তার হাতে কেবল অস্ত্রবল আছে তা নয়, তার পাতে বিস্তর রুটির টুকরো, মাছের কাঁটা। গোটাকয়েক ছুড়ে ছড়িয়ে দিলে আমাদেরই মধ্যে কামড়াকামড়ি বেধে যাবে। অনায়াসে আরও দশ-বিশ বছর।’

    ‘বেচারা অনুত্তম!’ কান্তি দরদের সঙ্গে বলল, ‘তোর জন্যে সত্যি খুব দুঃখ হয়। কেন যে তুই নামতে গেলি পলিটিকসে।’

    ‘তা হলে এখন থেকে দিনক্ষণ স্থির করে ফল নেই,’ তন্ময় বলল নিরাশার সুরে। ‘তবে চেষ্টা করতে হবে দশ বছর পরে মিলতে। কেমন, রাজি?’

    ‘আচ্ছা।’ বলল অনুত্তম, সুজন, কান্তি।

    ‘তবে’, কান্তি এটুকু জুড়ে দিল, ‘তন্ময়ের তন্ময়িনী আর সুজনের সুজনিকা এঁদের ‘আচ্ছা’র উপর নির্ভর করছে আমাদের ‘আচ্ছা’। কী বলিস, অনুত্তম?’

    ‘তুইও যেমন। ভেবেছিস এ জন্মে ওদের বউ জুটবে?’ অনুত্তম বলল সংশয়ের সুরে। ‘জীবনমোহন যা খেপিয়ে দিয়েছেন তার জের চলবে জীবনভোর। আমার আশঙ্কা হয় এ অন্বেষণ ভারতের স্বাধীনতার চেয়ে আরও কঠিন, আরও সময়সাপেক্ষ।’

    বেচারা তন্ময়! সে কী যেন বলতে চেয়েছিল, বলতে পারল না। গলায় পাথর চাপা।

    তখন সুজন বলল,

    ‘মরব না কেউ তন্ময়িনী সুজনিকার শোকে।

    রূপমতী কলাবতী আছেন মর্ত্যলোকে।’

    তা শুনে সকলে হেসে উঠল। এবার তন্ময় তার বাকশক্তি ফিরে পেল। বলল, ‘এখন থেকে যে যার নিজের ইষ্টদেবীর ধ্যান করবে। কার কপালে কী আছে তা নিয়ে মাথা ঘামাবে না। পুরুষস্য ভাগ্যম। কে জানে হয়তো আমার রূপমতী পৃথিবীর ওপিঠে আছে। ওপিঠে গেলেই দেখতে পাব।’

    ‘ওপারেতে সব সুখ!’ অনুত্তম ব্যঙ্গ করল।

    ‘থাক, থাক। ও প্রসঙ্গ আর নয়।’ কান্তি ওদের থামিয়ে দিল। ‘এখন থেকে আমরা স্বতন্ত্র। সত্যি কেউ কি জোর করে বলতে পারে কার বরাতে কী জুটবে—পূর্ণতা কী শূন্যতা কী মামুলি এক উকিল-দুহিতা, সঙ্গে বারো হাজার টাকা পণযৌতুক!’

    আর এক দফা হাসির ঢেউ উঠল। ‘তোর ভ্যালুয়েশন বড়ো কম হয়েছে। তন্ময় কখনো ব্যারিস্টারের নীচে নামবে না, যদি নামে তবে বত্রিশের কমে নয়। মানে বত্রিশ হাজারের।’ বলল অনুত্তম।

    ‘অনুত্তম’, তন্ময় হাসতে হাসতে বলে, ‘তুই তোর নিজের চরকায় তেল দে। ওই চরকার দৌলতে যদি স্বরাজ হয় তা হলে স্বরাজের দৌলতে তোরও একটা হিল্লে হয়ে যাবে। বিনা পণে বিয়ে করবি সে আমি লিখে দিতে পারি। কিন্তু শ্বশুর নির্বাচনে কৃতিত্বের পরিচয় দিবি। কোনো এক সর্বত্যাগী দলপতি যাঁর দুয়ারে বাঁধা হাতি।’

    ‘এখন থেকে আমরা স্বতন্ত্র।’ কান্তির এই উক্তির পুনরুক্তি করল সুজন। ‘কাজেই ও প্রসঙ্গ থাক। তা ছাড়া জীবনমোহনের কাছে আমরা যে অঙ্গীকার করেছি তার সঙ্গে ও প্রসঙ্গ মানায় না। লক্ষ্য আমাদের উচ্চ। আমাদের উঠতে হবে সেই উচ্চতায়। আমি তো দেখছি আমাদের প্রত্যেকের ভাগ্যে দুঃখ আছে। এসব হালকা কথার দ্বারা কি দুঃখকে উড়িয়ে দেওয়া যায়! তার চেয়ে বল, আমরা দুঃখের জন্যে প্রস্তুত, কিন্তু আমরা রাজপুত্র। রাজকন্যা ভিন্ন আর কাউকে বিয়ে করব না, করতে পারিনে। তার অন্বেষণেই আমাদের যাত্রা। আর কারও অন্বেষণে নয়।’

    তন্ময়ের চোখ দিয়ে জল গড়িয়ে পড়ল। কোনোমতে বলল, ‘সুজন, তোর মুখে ফুলচন্দন পড়ুক। তোকে আমি মিস করব।’

    ‘হে সুজন, শ্রীকান্তির লহ নমস্কার। আমাদের বাণীমূর্তি তুমি।’ কান্তি তাকে হাত তুলে নমস্কার করল।

    আর অনুত্তম? সে তার পিঠ চাপড়ে দিয়ে বলল, ‘জীতা রহো।’

    অবশেষে সেই রাতটি এল যার পরের দিন তাদের যাত্রা। চার কুমার চারদিকে ঘোড়া ছুটিয়ে দেবে। কেউ কারও দিকে ফিরে তাকাবে না। পিছনে পড়ে থাকবে এই বৃক্ষ—এই পুরীর সিন্ধুতীর।

    বার বার চোখে জল এসে পড়ে, গলা ভারী হয়ে যায়, দীর্ঘনিঃশ্বাস ওঠে। একজন আরেক জনের হাত চেপে ধরে, ছেড়ে দেয় না। উদাস কন্ঠে বলে, ‘আবার কবে আমাদের দেখা হবে? কবে? কোন অবস্থায়?’

    ‘মনে রাখিস। ভুলে যাসনে।’ তন্ময় বলল কান্তিকে। ‘তোর যা ভোলা মন।’

    ‘চিঠি লিখিস, যেখানেই থাকিস।’ অনুত্তম বলল তন্ময়কে। ‘তোর যা কুঁড়ে হাত।’

    ‘লেখাটেখা কাগজে ছাপা হলে মাঝে মাঝে পাঠিয়ে দিস।’ কান্তি বলল সুজনকে। ‘তোর যা লাজুক স্বভাব।’

    ‘এবার তো গান্ধী ফিরেছেন। গ্রামে গিয়ে কাজ করতে বলবেন। কলকাতায় এলে খবর দিস।’ সুজন বলল অনুত্তমকে। ‘তোর যা অফুরান ব্যস্ততা।’

    চার জনে চার জনকে কথা দিল, ‘নিশ্চয়। নিশ্চয়। সে আর বলতে!’

    কিন্তু কথা দিলে কী হবে! প্রত্যেকেই মনে মনে বুঝল যে, কথা দেওয়া সহজ, কথা রাখা কঠিন। তারা যে ঘাটের নৌকা। ঘাট ছেড়ে ভাসতে শুরু করলে কে যে কোথায় ভেসে যাবে নিজেই জানে না। যোগাযোগ রাখবে কী! তবু বলতে হয়, ‘নিশ্চয়। নিশ্চয়।’

    পরিকল্পনাও কি ঠিক থাকবে? মূলসূত্র। তার কি কোনো এদিক-ওদিক হবে না? হরি! হরি! মানুষ করবে জীবনের উপর খোদকারি! তবু ওরা পরস্পরকে আশ্বাস দিল যে ওদের এত কালের জল্পনাকল্পনা আলাপ-আলোচনা ব্যর্থ হবে না। এত পরিশ্রম করে যে ভিত গড়া হয়েছে তার গাঁথুনি পাকা।

    ‘কে কী পাবে না পাবে, করবে না করবে, হবে না হবে, কেউ জোর করে বলতে পারে না। কিন্তু আমরা বোধ হয় গর্ব করে বলতে পারি যে আমাদের জীবনের বনেদ কাঁচা নয়। কী বলিস রে, সুজন?’

    ‘যা বলেছিস, অনুত্তম।’

    ‘কান্তির কী মনে হয়?’

    ‘আমারও তাই মনে হয়।’

    ‘তন্ময়?’

    ‘আমিও সেই কথা বলি।’

    চার জনে চার জনের হাতে রাখি বাঁধে। যদিও রাখিপূর্ণিমার দেরি আছে।

    তার পরে উঠল যে-কথা তাদের সকলের মন জুড়ে রয়েছে, অথচ একান্ত নিভৃতে। রাজকন্যার কথা।

    ‘অতীত ব্যর্থ হয়নি, কিন্তু ভবিষ্যৎ ব্যর্থ হবে,’ বলল সুজন, ‘যদি রাজকন্যার অন্বেষণ ছেড়ে অন্যের অন্বেষণ ধরি।’

    ‘যেমন অন্নের অন্বেষণ।’ কান্তি ইঙ্গিত করল।

    ‘কিংবা ক্ষমতার।’ তন্ময় মন্তব্য করল।

    ‘কিংবা সুখের।’ অনুত্তম সতর্ক করে দিল।

    কথা যখন নিভে আসছে কথার সলতে উসকে দেয় দু-জন। ‘যাকে আমরা খুঁজতে যাচ্ছি সে হয়তো হাতের কাছে। হয়তো পৃথিবীর ওপিঠে। আমি তাকে হাতের কাছেই খুঁজব। তন্ময় খুঁজবে দেশ-দেশান্তরে।’

    ‘আর আমি খুঁজব’, কান্তি বলে, ‘রামধনুর রঙে। সব ক-টা রং এক ঠাঁই থাকে না। সব ঠাঁই মিলে এক ঠাঁই।’

    ‘আর আমি খুঁজব সংকটের সংঘাতের মধ্যে। দৈনন্দিনের মধ্যে নয়।’ অনুত্তম বিপ্লবের আভাস দেয়।

    আবার সুজন অগ্রণী হয়। ‘লক্ষ্যের’ ’পর দৃষ্টি নিবদ্ধ থাকবে। যেমন ছিল অর্জুনের দৃষ্টি। দ্রোণ যখন পরীক্ষা করলেন যুধিষ্ঠির বললেন, পাখি দেখছি। অর্জুন বললেন, পাখির চোখ দেখছি। পাখি দেখতে পাচ্ছিনে। তেমনি আমরাও অনেক কিছু দেখতে পাব না। অনেক কিছু দেখলে আসল লক্ষ্যটাই ধোঁয়া হয়ে যাবে।’

    ‘সেইটেই হল ভয়ের কথা।’ তন্ময় বলে কান্তির দিকে ফিরে।

    ‘সত্যি তাই।’ কান্তি কবুল করে।

    ‘আমার সে ভয় নেই। কেননা আমি যে পরিস্থিতিতে তাকে দেখতে পাব সে পরিস্থিতির জন্যে দেশকে তৈরি করছি।’ ইতি অনুত্তম।

    রাত অনেক হয়েছিল। সমস্ত রাত জাগলেও কথা কি ফুরোবার! তন্ময় থাকে হোটেলে। তাকে গা তুলতে হল। অগত্যা আর তিন জনকেও। এই তাদের শেষ রাত্রি, অনির্দিষ্ট কালের জন্যে। বিজয়ার দিন যেমন করে তেমনি কোলাকুলি করে তারা বিদায় নিল ও দিল।

    ‘আবার দেখা হবে।’ সকলের মুখে এক কথা। ‘যেন সঙ্গে দেখি রূপমতী কলাবতী পদ্মাবতী কান্তিমতীকে।’

    চার জনে চারখানা রুমাল ভাসিয়ে দিল সমুদ্রের জলে। ‘এই রইল নিশান।’ তারপরে চার ঘোড়া ছুটিয়ে দিল।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleবিনুর বই ও নির্বাচিত ছোটোগল্প – অন্নদাশঙ্কর রায়
    Next Article পুতুল নিয়ে খেলা – অন্নদাশঙ্কর রায়

    Related Articles

    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    বিপিনের সংসার – বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    January 8, 2026
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    ভয় সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    কিশোর অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    প্রকাশ্য দিবালোকে – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 18, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    তারপর কী হল – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 17, 2025
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    শর্ম্মিষ্ঠা নাটক – মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    November 11, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }