Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    কন্যা – অন্নদাশঙ্কর রায়

    লেখক এক পাতা গল্প155 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ০৩. কলাবতীর অন্বেষণ

    বন্ধুরা চলে গেল যে যার রাজকন্যার অন্বেষণে। কেউ দক্ষিণ ভারত, কেউ সবরমতী, কেউ বিলেত। সুজন ফিরে গেল কলকাতা। তার রাজকন্যার অন্বেষণে সাত সমুদ্র তেরো নদী পার হতে হবে না। ট্যামার লেনের মাইল খানেক উত্তরে তার রাজকন্যার মায়াপুরী। মানে ছোটো একখানা চাঁপা রঙের বাড়ি।

    চাঁপা রঙের বাড়িতে থাকে বকুল নামে মেয়ে। বেথুন কলেজে পড়ে। ব্রাহ্মসমাজের উপাসনায় ব্রহ্মসংগীত গায়। সুজনের সঙ্গে ছেলেবেলা থেকে আলাপ। সুজনকে ডাকে সুজনদা। সুজিদা। সুজি। ময়দা। ছোটোবোনের মতো।

    বকুল কিন্তু জানে না যে সুজন তাকে পূজা করে। বকুল জানে না, তন্ময় জানে না, অনুত্তম কান্তি এরাও জানে না। জানে কেবল পূজারি নিজে। জানলে কী হবে, তার নিজের মন নিজের কাছেও স্বচ্ছ নয়। কেমন স্বপ্নের মতো মনে হয় বকুলের সঙ্গ, বকুলের কথা, বকুলের গান। সে কি কাছে না দূরে? যোজন যোজন দূরে। মাটিতে না আকাশে? সাঁঝের আকাশে। সে কি মানুষ না তারা? সন্ধ্যাতারা।

    সুজন তার মনের কথা মনে চেপে রাখে। মুখফুটে জানায় না। কিন্তু চোখেরও তো ভাষা আছে। পড়তে জানলে চাউনি থেকেও বোঝা যায়। বকুল কি বোঝে না? কী জানি! হয়তো বোঝে, কিন্তু ভাবে না, ভাবতে চায় না। সে তার নিজের জগতে বাস করে। তার নিজের ভাবলোকে। সেখানে আছে গান আর গুঞ্জরণ আর স্বরসাধনা। আছে বই পড়া আর পরীক্ষা পাস করা। আছে সামাজিকতা আর পারিবারিক কর্তব্য।

    আর পূজা কি তাকে ওই একজন করে!

    সুজন জানে ওর আশা নেই। সেইজন্যে আরও জোরে রাশ টানে। চিত্তবৃত্তিকে অসম্ভবের অভিমুখে ছুটতে দেয় না। সে পূজা করেই ক্ষান্ত। প্রেম তার কাছে নিষিদ্ধ রাজ্য। ভালোবাসতে তার সাহস হয় না। দেবীকে ভালোবাসার স্পর্ধা কোন পূজারির আছে! সুজন একটু দূরে দূরেই থাকে। রবিবারে রবিবারে ব্রাহ্মসমাজে যায়। কোনো বার বকুলের নজরে পড়ে, কোনোবার পড়ে না। কিন্তু মাঘোৎসবে মিলেমিশে মন্দির সাজায়। সেই ছেলেবেলার মতো। তখন তো সুজনও গান করত।

    পুরীতে চার বন্ধুর মিলিত হবার আগে এই ছিল সুজনের অন্তরের অবস্থা।

    তারপর বন্ধুদের সঙ্গে ভাববিনিময়ের ফলে স্থির হয়ে গেল জীবনভোর সে একজনের অন্বেষণ করবে। তার নাম কলাবতী। জীবনে আর কারও অন্বেষণ নয়। কলাবতী কে? বকুল। বকুলের মধ্যেই কলাবতী আছে। খুঁজতে হবে সেই কলাবতীকে। সুজনের অন্বেষণ দেশ থেকে দেশান্তরে নয়। প্রতিমা থেকে প্রতিমার অভ্যন্তরে। পূজারি হবে ধ্যানী। হবে সাধক। দেবী হবে শাশ্বতী নারী। চিরসৌন্দর্যের প্রতীক।

    পুরী থেকে যে ফিরে এল সে আরেক সুজন। বাইরে থেকে বোঝা যায় না তফাত। বড়ো জোর এইটুকু বোঝা যায় যে তার ছাতাখানা হারিয়ে গেছে। এখন তাকে ছাতা মাথায় পথ চলতে দেখা যায় না। আগে তো ছাতা মাথায় ছবিও তোলাতো। সারা কলেজে সে ছিল একচ্ছত্র। সেসব দিন গেছে। তন্ময়ও নেই, কান্তিও নেই, অনুত্তমও নেই। সুজন এখন একা। নতুন কোনো বন্ধুও জুটছে না তার। অবশ্য আলাপীর লেখাজোখা নেই।

    মাঝে মাঝে জীবনমোহনের সঙ্গে দেখা করতে যায়। মুখফুটে বলতে পারে না কী ভাবছে, কী অনুভব করছে। বলতে হয় না। তিনি বুঝতে পারেন। তাঁর অন্তর্দৃষ্টি দিয়ে তিনি দেখতে পান। উৎসাহ দেন।

    ‘তুমি যাকে খুঁজছ’, জীবনমোহন বলেন, ‘সে তোমার হাতের কাছে। কেন তুমি তীর্থ করতে যাবে, কেন যাবে হিমালয়ে! তোমার বন্ধুরা গেছে, যাক। তাদের জন্যে ভেবো না। তাদের তুলনায় নিজেকে ভাগ্যহীন মনে কোরো না। কার্তিক তো ব্রহ্মান্ড ঘুরে এল। এসে দেখল গণেশ তার আগে পৌঁছে গেছে। অথচ গণেশকে কোথাও যেতে হয়নি। কেবল মা-র চার দিকে একবার পাক দিয়ে আসতে হয়েছে।’

    সুজন বল পায়। মনে মনে জপ করে, এই মানুষেই আছে সেই মানুষ। এই নারীতেই আছে সেই নারী। তার সন্ধান জানতে হবে।

    সন্ধানের জন্যে সে রাজ্যের বই পড়ল। দেশি-বিদেশি কোনো সাহিত্য বাদ গেল না। শুধু সাহিত্য নয়, দর্শন। শুধু দর্শন নয়, ইতিহাস, প্রত্নতত্ত্ব, সেকালের ও একালের ভ্রমণবৃত্তান্ত। তারপর রাজ্যের ছবি দেখল। মূর্তি দেখল। স্টুডিয়োতে স্টুডিয়োতে ঘুরল। অবনী ঠাকুর, নন্দলাল বসু, যামিনী রায়ের ওখানে হানা দিল। তারপর গান বাজনার আসরে ও জলসায়, ইউরোপীয় সংগীতের রিসাইটাল-এ হাজির হল। রাজ্যের গ্রামোফোন রেকর্ড কিনে শেষ কপর্দকটি খরচ করল।

    আর বকুল? বকুল জানত না যে সুজন তার জন্যে দুশ্চর তপস্যা করছে। সে তপস্যা ইন্দ্রিয়ের দ্বার রুদ্ধ করে যোগাসনে বসে নয়, চোখ-কান-প্রাণ খোলা রেখে যোগাযোগ স্থাপন করে। বকুলের সঙ্গে দেখাশোনা সাত দিন অন্তর হত, যেমন হচ্ছিল। কিন্তু উপাসনার পর আলাপ বড়ো একটা হত না। দু-জনেই অন্যমনস্ক।

    দু-জনেই? হ্যাঁ। ওদিকে বকুলেরও অন্য ভাবনা ছিল। বি এ পাস করার পর তার আর পড়াশোনায় আগ্রহ ছিল না। সে চায় সংগীত নিয়ে থাকতে। কিন্তু তার গুরুজনের সায় নেই। তাকে হয় মাস্টারি করতে হবে, নয় বিয়ে করতে হবে। দুটোর মধ্যে একটা বেছে নিতে সময় লাগে। সে সময় নিচ্ছিল। তার হাতে সময় ছিল। তার সময়ের সুযোগ নিচ্ছিল সুজনের সমবয়সি উদ্যোগী যুবকরা। কেউ সন্ধ্যা বেলা গিয়ে গান শুনতে বসত। কেউ দুপুর বেলা গিয়ে স্বরলিপি লিখে দিত। সুজন এদের এড়িয়ে একা বকুলের সঙ্গে দেখা করতে চাইলে কি দেখা পেত? দু-একবার চেষ্টা করে দেখেছে, এদের দৃষ্টিবাণে বিদ্ধ হয়ে ফিরে এসেছে। বাক্যবাণেও। নির্দোষ পরিহাসকেও সে ব্যক্তিগত আক্রমণ মনে করে সংকুচিত হত।

    সুজন একদিন শুনতে চেয়েছিল অতুলপ্রসাদের ‘আ মরি বাংলা ভাষা।’ বকুল মুখ খোলবার আগেই একজন শুরু করে দিল, ‘মোদের খোরাক মোদের পুঁজি আ মরি ময়দা সুজি!’ বেচারা সুজন তা শুনে অপমানে রাঙা হয়ে দু-হাতে মুখ ঢাকল।

    সুজন যদি একটু কম লাজুক হত, যদি একখানা চিঠি লিখে একটুখানি আভাস দিত তা হলে কী হত বলা যায় না। কিন্তু বকুলের জীবনের সন্ধিক্ষণে সুজনের এই আত্মগোপন দু-জনের একজনের পক্ষেও কল্যাণকর হল না। বকুল শেষপর্যন্ত বিয়ের দিকেই ঝুঁকল। তবে এখন নয়, এখন বাগদান। ছেলেটি বিলেত যাচ্ছিল, বকুলের আঙুলে আংটি পরিয়ে দিয়ে গেল। একদিন সুজনের চোখে পড়ল সে আংটি। বুক ফেটে কান্না বেরিয়ে এল, কিন্তু তাড়াতাড়ি সুজন সেখান থেকে সরে গেল।

    কিন্তু তার তপস্যায় ছেদ পড়ল না। বিয়ে? বিয়ে এমনকী বাধা যে তার দরুন অন্বেষণ ব্যর্থ হবে? বিয়ের পরেও বকুল বকুলই থাকবে, কলাবতী কলাবতীই থাকবে। বিয়ে না করলেও যা বিয়ে করলেও তাই। সুজন গভীর আঘাত পেল, কিন্তু আঘাতকে উপেক্ষা করল। মনে মনে জপ করল, ‘আরও আঘাত সইবে আমার, সইবে আমারও।’

    বাগদানের পর বকুল চলে গেল শান্তিনিকেতন। সেখানে সংগীতচর্চা করতে। এটা তার ভাবী পরিণেতার ইচ্ছায়। সুজনের সঙ্গে দেখা হল না। সপ্তাহের পর সপ্তাহ কেটে গেল। তবু সুজনের তপস্যায় ছেদ পড়ল না। অদর্শন? অদর্শন এমন কী বাধা যে তার জন্যে অন্বেষণ বন্ধ হবে? দৃষ্টির অন্তরালেই বকুল বকুলই থাকবে, কলাবতী কলাবতীই থাকবে। সুজন কি দিনের বেলা সন্ধ্যাতারা দেখতে পায়? তা বলে কি সন্ধ্যাতারা সন্ধ্যাতারা নয়? সুজন গভীর আঘাত পেল, কিন্তু কাতর হল না। মনে মনে জপ করল, ‘এ আঁধার যে পূর্ণ তোমায় সেই কথা বলিয়ো।’

    পূজার বন্ধে বকুল বাড়ি এল। ব্রাহ্মসমাজেও তাকে আবার দেখা গেল। সুজন তাকে দেখে স্বর্গ হাতে পেল। চোখের দেখাও যে মস্ত বড়ো পাওয়া। এ কি উড়িয়ে দেওয়া যায়! কলাবতী কি কেবল ধ্যানগোচর? চক্ষুগোচর নয়? দেবতা কি কেবল নিরাকার? সাকার নন? আত্মপরীক্ষা করে সুজন হৃদয়ংগম করল যে নিরাকার উপাসনার মতো সাকার উপাসনাও চাই। নইলে এত লোক দর্শন করতে যেত না।

    বকুল আবার অদর্শন হল। এমনি চলতে থাকল কয়েক বছর। এম এ পাস করে সুজন হল একখানা বিখ্যাত মাসিকপত্রের সহকারী সম্পাদক। তার তপস্যা তাতে আরও জোর পেল। এত দিন যাকে পড়তে পড়তে দেখতে দেখতে শুনতে শুনতে খুঁজছিল এখন থেকে তাঁকে খুঁজতে লাগল লিখতে লিখতে। ঠিক যে এখন থেকে তা নয়। আগেও তো সে লিখত। তবু এখন থেকেই। কেননা এই পরিমাণ দায়িত্ব নিয়ে লেখেনি এর আগে।

    বকুল কেমন করে টের পেল তার জন্যে একজন সাধনা করছে। বোধহয় দেবতারা যেমন করে টের পান যে মর্ত্যে তাঁদের ভক্তরা তাঁদের একমনে ডাকছে। একদিন খুব একটা আশ্চর্য ঘটনা ঘটল। বকুলের দিদি পারুল ডেকে পাঠালেন সুজনকে। পারুলদির ওখানে সে বকুলকে দেখবে আশা করেনি। গল্প করতে করতে রাত হয়ে গেল। পারুলদি কখন এক সময় উঠে গেলেন তাদের দু-জনকে একা রেখে। বেশ কিছুক্ষণ একা ছিল তারা।

    এই সুযোগই তো এক দিন অভীষ্ট ছিল সুজনের। অবশেষে জুটল। কিন্তু জুটল যদি, মুখ ফুটল না। বোবার মতো, বোকার মতো বসে রইল সুজন। একটি বার বলতে পারল না, ‘ভালোবাসি।’ শুধোতে পারল না, ‘তুমি আমার হবে?’ বকুল যেন নিঃশ্বাস রোধ করে মিনিট গুনছিল, সেকেণ্ড গুনছিল। আজ তার জীবনের একটা দিন। বাগদান ভঙ্গ করা অন্যায়। কিন্তু বকুলকে যারা চেনে যারা জানে তারা তাকে ক্ষমা না করে পারত না। এমনকী স্বয়ং মোহিত ক্ষমা করত তাকে। বকুল এমন মেয়ে যে তার উপর রাগ করে থাকা যায় না।

    সুন্দরী? হাঁ, সুন্দরী বটে। কিন্তু রূপ তার দেহের নয় ততটা, অন্তরের যতটা। মুখে চোখে আলো ঝলমল করছে। সে আলো কোন অদৃশ্য উৎস থেকে আসছে কত লক্ষ-কোটি যোজন দূর থেকে। মাঝে মাঝে তার উপর ছায়া পড়ছে। সামাজিকতার ছায়া। তখন মনে হচ্ছে এই বকুল কি সেই বকুল! ছায়া সরে যাচ্ছে। গান আসছে তার কন্ঠে। তখন মনে হচ্ছে, এই তো আমাদের চিরদিনের বকুল। এই অচেনাকে চেনার শিকলে কে বাঁধবে! বকুল, তুমি স্বর্গের ছাতি! তুমি দিব্য।

    সুজন তাকে বিনা বাক্যে বন্দনা করল। কিন্তু কোনো মতেই বলতে পারল না যে সে যেন সুজনের হয়। অন্যের বাগদত্তা না হলে কথা ছিল। কিন্তু আজ বাদে কাল যার বিয়ে সে কি বর পরিবর্তন করতে রাজি হবে! তা ছাড়া আছেই বা কী সুজনের! অবস্থা ভালো নয়। হবেও না কোনোদিন। সে সাহিত্য সৃষ্টি করেই জীবন কাটিয়ে দেবে শত অভাবের মধ্যে। বিয়ে তার জন্যে নয়। তাকে বিয়ে করা মানে দারিদ্র্যকে বিয়ে করা। বকুলের কেন তাতে রুচি হবে! বকুল, তোমাকে যেন মাঝে মাঝে দেখতে পাই। এর বেশি আশা করিনে। করতে নেই।

    ওরা দু-জনে এত কাছাকাছি বসেছিল যে একজনের নিঃশ্বাস পড়লে আরেকজন শুনতে পায়। নিঃশ্বাস পড়ছিল অনেকক্ষণ বিরতির পর। সে বিরতি উৎকন্ঠায় ভরা। আগে কথা বলার পালা সুজনের, কিন্তু সুজন যখন কিছুতেই মুখ খুলবে না তখন বকুলকেই অগ্রণী হতে হবে।

    ‘তারপর, সুজিদা,’ বকুল বলল সকৌতুকে, ‘তুমি নাকি কার জন্যে তপস্যা করছ।’

    ‘কে, আমি?’ সুজন বলল চমকে উঠি। ‘তপস্যা করছি! কই, না!’

    ‘হ্যাঁ, সেইরকমই তো মালুম হচ্ছে।’ হেসে বলল বকুল, ‘কিন্তু কোন দেবতার জন্যে? কোথায় তিনি থাকেন? স্বর্গে না মর্ত্যে? মর্ত্যেই যদি থাকেন তবে তো একখানা চিঠিপত্তর দিতে পারতে। বিল্বপত্তর, তুলসীপত্তর দিয়ে কী হবে?’

    সুজন এর উত্তরে কী বলবে ভেবে পেল না। বকুলের সঙ্গে তার যা সুবাদ তাতে একখানা কেন দশখানা চিঠি দেওয়া চলে। কিন্তু কী লিখবে চিঠিতে? লিখতে হাত কাঁপে। অথচ এই সুজনেরই লেখায় মাসিকপত্রের পৃষ্ঠা পূর্ণ।

    ‘দিয়ো। বুঝলে?’ বকুল একটু পরে বলল।

    এই ঘটনার কয়েক মাস বাদে আর একটা ঘটনা ঘটে। তবে সেটা খুব একটা আশ্চর্য ঘটনা নয়। বকুলের বিয়ে। মোহিত বিলেত থেকে ফিরে কলম্বোতে চাকরি পেয়ে কলকাতা এসে বকুলকে বিয়ে করে। কন্যাযাত্রীদের দলে সুজনকে দেখা যায়। তার বুক ফেটে যাচ্ছিল ঠিকই। যদিও মুখ দেখে বোঝবার জো ছিল না।

    এমন একজনও বন্ধু ছিল না যে তার মনের ভিতরটা দেখতে পায় বা যাকে সে তার মনের মণিকোঠার দ্বার খুলে দেখাতে পারে। কান্না ঠেলে উঠছে বুক থেকে চোখে, তবু তার চোখের কোণে জল নেই। আর পাঁচ জনের মতো সেও সুখী যে বকুলের বেশ ভালো বিয়ে হয়েছে। বকুল সুখী হবেই। না হয়ে পারে না। সুজনের সঙ্গে বিয়ে হলে কি পাঁচজনে সুখী হত? বরং এই ভেবেই অসুখী হত যে মেয়েটা কী ভুলই না করেছে।

    বকুলের মা বাবা ভাই বোন সকলেই সুখী। কেবল পারুলদির ব্যবহার একটু কেমনতরো। শান্তশিষ্ট সরল মানুষটি কেমন যেন থ’ হয়ে গেছেন। বোধহয় ভাবছেন এটা কি ঠিক হচ্ছে না ভুল হচ্ছে বকুলের? সে কি সত্যি পারবে সারাজীবন মোহিতের ঘর করতে? মোহিতের ছেলে-মেয়ের মা হতে? পারবে না কেন? তবে খুশি না দায়ে পড়ে? পারুলদি বার বার সুজনের দিকে তাকান আর দীর্ঘশ্বাস ফেলেন।

    আর বকুল? সে চিরদিন যেমন আজও তেমনি সপ্রতিভ। এটা যে একটা বিশেষ দিন, যাকে বলে জীবনে একটা দিন, এর জন্যে সে বিশেষ সুখী বা বিশেষ অসুখী বলে মনে হয় না। তার ভাবখানা যেন—বিয়ে হচ্ছে নাকি? আচ্ছা, হোক।

    সে যেন সাক্ষী। নিষ্ক্রিয় সাক্ষী।

    বকুলরা কলম্বো চলে যাবার পর সুজনের জীবনযাত্রায় তেমন কোনো পরিবর্তন দেখা দিল না। কলাবতীর অন্বেষণ সমানে চলল। কলাবিদ্যায় বিদ্বান হয়ে উঠল সুজন। তার রচনায় মাধুর্য এল, এল প্রসাদগুণ, এল ফোটা ফুলের সুষমা। আর অতি সূক্ষ্ম সুগন্ধ। পালিয়ে যাওয়া, মিলিয়ে যাওয়া, অ-ধরাছোঁয়া সুগন্ধ। যারা পড়ে তারা হাতড়ে বেড়ায়, হাতে পায় না। বার বার পড়ে। মুগ্ধ হয়। চিঠি লিখে সুজনকে জানায় ধন্যতা।

    চিঠি লেখে মেয়েরাও। সমবয়সি, অসমবয়সি, বিবাহিতা, অবিবাহিতা, দূরস্থিতা, অদূরস্থিতা। কেউ কেউ দেখা করতে চায়। দেখা করেও। অটোগ্রাফের ছলে। তর্ক-বিতর্কের ছলে। সুজন উত্তর দেয় বই কী। উত্তর দেয় দু-চার কথায়। কিন্তু হৃদয় ভেঙে দেখায় না। দেখাতে পারেও না।

    বকুলকে, কলাবতীকে কেউ আচ্ছন্ন করবে না। সন্ধ্যাতারা ঢাকা পড়বে না কোনো নীলনয়নার কালো কেশপাশে। শাশ্বত সৌন্দর্য হতে ভ্রষ্ট হবে না ভ্রমর। বিয়ে করবে না সুজন। আজীবন? হ্যাঁ, যত দূর দৃষ্টি যায়, আজীবন।

    জীবন এমন কিছু দীর্ঘ নয়। তার মা বেঁচেছিলেন মাত্র পঁয়ত্রিশ বছর। সেও হয়তো তেমনি বছর পঁয়ত্রিশ বাঁচবে। তার বাবা জীবিত। মেদিনীপুরে কাজ করেন। সামনেই তাঁর অবসরগ্রহণ। কলকাতার বাসায় সুজন থাকে ছোটো ভাইবোনদের নিয়ে। তারা পড়াশোনা করে। অভাবের সংসার। বিয়ের জন্যে চাপ দিচ্ছে না কেউ।

    কলম্বোতে বকুল কেমন আছে কে জানে! খবর নেয়নি সুজন। চিঠি লিখতে পারত, কিন্তু কী লিখবে? বকুলও চিঠি লেখে না। কেনই বা লিখবে? ইচ্ছা করে পারুলদিকে জিজ্ঞাসা করতে, কিন্তু ব্রাহ্মসমাজে গেলে তো। পূর্বের মতো ধর্মভাব নেই, কোথায় অন্তর্হিত হয়েছে।

    জীবনমোহনের কাছে যায়। তিনিই তার ধর্মযাজক। রবিবারেই সুবিধা। সন্ধ্যার দিকে বাড়ি থাকেন। সুজনকে সঙ্গ দেন। ধর্মের ধার দিয়ে যান না। অবশ্য লৌকিক অর্থে। কিন্তু যা নিয়ে আলোচনা করেন তা ধর্ম নয় তো কী!

    ‘সুজন, তোমার কবিতায় রং লেগেছে।’ বলেন জীবনমোহন। ‘লিখে যাও, দোস্ত। তুমি হবে বাংলার হাফিজ।’

    সুজন তা শুনে সংকোচ বোধ করে। কতটুকু তার অনুভূতির ঐশ্বর্য। সামান্য পুঁজি নিয়ে কারবারে নামা। তাও যদি ভাষায় ব্যক্ত করতে জানত। পনেরো আনাই অব্যক্ত থেকে যায়। নিজের অক্ষমতায় সে নিজেই লজ্জিত। সমালোচকরা বেশি কী লজ্জা দেবে। কিন্তু কেউ সুখ্যাতি করলে সে সংকোচে মাটিতে মিশে যায়। বিশেষত জীবনমোহনের মতো জীবনরসিক।

    ‘এ তোমার বুকের রক্ত। পাকা রং।’ বলেন জীবনমোহন।

    পারিবারিক পেষণে বাধ্য হয়ে সুজনকে মাসিকপত্রের কাজ ছেড়ে কলেজের চাকরি নিতে হল। এ-রকম তো কথা ছিল না। এটা তার পরিকল্পনার বাইরে। ভীষণ মন খারাপ হয়ে গেল। যা ভয় করেছিল তাই। পড়া আর পড়ানো, খাতা দেখা আর প্রিন্সিপ্যালের ফাইফরমাশ খাটা, এই করে দিন কেটে যায়। রাতও। সৃষ্টি করবে কখন? ছুটির সময়ও ছুটি মেলে না। এগজামিন বা অন্য কিছু। সুজনের লেখা কমে এল, কমতে কমতে প্রায় বন্ধ হতে বসল। হাতও খারাপ হয়ে গেল পাঠ্যপুস্তক লিখে।

    বিপদ কখনো একা আসে না। ঝাঁকে ঝাঁকে আসে। চাকরি হতে-না-হতেই আসতে লাগল বিয়ের সম্বন্ধ। একটার পর একটা সম্বন্ধ উলটিয়ে দেবার ফলে বাপের সঙ্গে বাধল খিটিমিটি। তিনি পেনশন নিয়ে বেকার বসে আছেন। হাতে কাজ নেই। নিষ্কর্মা হলে যা হয়। প্রত্যেকটি ব্যাপারে হস্তক্ষেপ করা চাই। ‘কেন তুমি বিয়ে করবে না? লেখাপড়ায় ভালো, গৃহকর্মে নিপুণ, সুশ্রী, সচ্চরিত্র, ভদ্রলোকের মেয়ে। তার উপর কিছু পণযৌতুকও আছে। কেন তা হলে তোমার অমত? তোমরা ক-ভাই যদি বিয়ে না কর, যদি পারিবারিক তহবিলে কিছু আমদানি না হয় তা হলে ছোটো বোনগুলির বিয়ে দেবে কী করে? ইতিমধ্যে যে রপ্তানিটা হয়েছে তার ক্ষতিপূরণ হবে কী উপায়ে?’

    এ যুক্তি খন্ডন করা শক্ত। সুজন পারতপক্ষে বাপের ছায়া মাড়ায় না। বাবা আসছেন শুনলে চোঁচা দৌড় দেয়। যঃ পলায়তি স জীবতি।

    শেষকালে তিনি তাকে ফাঁপরে ফেললেন। কোথায় একটি মেয়ে দেখতে গিয়ে কথা দিয়ে এলেন। সুজনকে জানতেও দিলেন না যে তার বিয়ের সব ঠিক হয়ে গেছে। ছাপাখানায় গিয়ে শুনতে পেল তার বিয়ের চিঠি ছাপা হচ্ছে। দেখে তার চক্ষুস্থির। বাপের সঙ্গে ঝগড়া করবে তেমন বীরপুরুষ নয় সে। বাপের সামনে মুখ তুলে কথা কইতে জানে না। তা হলে কি বিয়েই করতে হবে তাকে? কলাবতীকে ভুলতে হবে?

    কদাচ নয়। সেই দিনই সুজন তার প্রকাশকের সঙ্গে দেখা করে পাঠ্যপুস্তকগুলোর কপিরাইট বেচে দিল। তারপর রাতারাতি পাসপোর্ট জোগাড় করে চাঁদপালঘাটে জাহাজ ধরল লণ্ডনের। জাহাজ যাবে কলম্বো হয়ে। চিঠি লিখল বকুলকে।

    কলম্বোর জাহাজঘাটে অপেক্ষা করছিল বকুল ও তার স্বামী। সুজনকে বলল, ‘চলো আমাদের সঙ্গে। জাহাজ ছাড়তে দেরি আছে।’

    আবার যখন জাহাজে উঠল ততক্ষণে মোহিতের সঙ্গে সুজনের খুব জমে গেছে। বিলেতে কোথায় উঠবে, কী খাবে, এইরকম এক-শো রকমের টুকিটাকি নিয়ে আলাপ। বকুল আশা করেছিল সুজন তার দিকে একটু মনোযোগ দেবে। কিন্তু যে জেগে ঘুমোয় তাকে জাগাবে কে? সুজন অমনোযোগের ভান করল। কিন্তু লক্ষ করল যে বকুলকে আরও সুন্দর দেখাচ্ছে।

    এ সৌন্দর্য সাজপোশাকের নয়, প্রসাধনের নয়, দেহচর্যার তো নয়ই, রূপচর্যার নয়। এ কি তবে গন্ধর্ববিদ্যা অনুশীলনের ফল? কোনখানে এর উৎপত্তি? সংগীতলোকে? যে সংগীত আকাশে আকাশে, গ্রহতারায়, আলোকে আগুনে, বিশ্বসৃষ্টিতে? প্রাচীনরা যাকে বলতেন দ্যুলোকের সংগীত?

    অথবা এর মূল বিশুদ্ধ নির্মল মানবাত্মার? যার আভা সব আবরণ ভেদ করে ফুটে বেরোয়? অক্ষয় অব্যয় অব্রণ। এ কি তবে অনির্বচনীয় আত্মিক সৌন্দর্য।

    সুজন ভাবে, শেলি যাকে বলেছেন ইন্টেলেকচুয়াল বিউটি সে কি এই নয়?

    জাহাজ যখন ছাড়ি ছাড়ি করছে, জাহাজ থেকে দর্শকদের নামবার সময় হয়েছে, তখন বকুল বলল, ‘সুজিদা, মনে রেখো।’ ইংরেজি করে বলল, ‘ফরগেট মি নট।’

    কী যে ব্যাকুল বোধ করল সুজন! মনে হল আর দেখা হবে না হয়তো। একদৃষ্টে তাকিয়ে রইল জাহাজ থেকে, জাহাজঘাটের দিকে। ধীরে ধীরে আড়াল হয়ে গেল সব। ফুটে উঠল শুধু একখানি মুখ। সাঁঝের তারার মতো।

    এই সেই কলাবতী, যার ধ্যান করে এসেছে সুজন। চিরন্তনী নারী। এর সৌন্দর্য যে উৎস থেকে আসছে তার নাম চিরন্তন নারীত্ব। পৃথিবীতে যখন একটিও নারী ছিল না, যখন পৃথিবীই ছিল না, তখনও তা ছিল। বিশ্ব যখন থাকবে না তখনও তা থাকবে।

    সুজনের জাহাজ লণ্ডনে পৌঁছোল। সেখানে সে একটা কাজ জুটিয়ে নিল। স্কুল ফর ওরিয়েন্টাল স্টাডিস নামক প্রতিষ্ঠানে। সঙ্গে সঙ্গে পি এইচ ডি-র জন্যে থিসিস লিখতে উদ্যোগী হল। দেশে ফিরতে তাড়া ছিল না। ইচ্ছাও ছিল না। ফিরে এলে আবার তো সেই বিয়ের জন্যে ঝোলাঝুলি শুরু হবে। বাপের সঙ্গে ঝগড়া।

    সেই সুদূর প্রবাসের শূন্য মন্দিরে মনে পড়ে একখানি মুখ। চিরন্তনী নারী। শাশ্বত সৌন্দর্য। অমনি আর সকল মুখ মায়া হয়ে যায়। ইংরেজ মেয়ের মুখ, ফরাসি মেয়ের মুখ, প্রবাসিনী বাঙালি মেয়ের মুখ, কাশ্মীরি মেয়ের মুখ ছায়া হয়ে যায়, মায়া হয়ে যায়। সুজন মেশে তাদের সঙ্গে, মিশবে না এমন কোনো ভীষ্মের প্রতিজ্ঞা নেই তার। কিন্তু মুহূর্তের জন্যে আড়াল হতে দেয় না তার সন্ধ্যাতারাকে, তার বকুলকে। সে যে কলাবতীর অন্বেষণে বেরিয়েছে। আর কারও সন্ধানে নয়।

    সুজন যখন ইংল্যাণ্ডে যায় তার আগে তন্ময় সেখান থেকে চলে এসেছে। দুই বন্ধুর দেখা হল না। শুনতে পেল তন্ময় নাকি বিয়ে করেছে। কিন্তু কাকে, কবে, কোথায়, কী বৃত্তান্ত কেউ সঠিক বলতে পারে না। তন্ময়ের ঠিকানায় চিঠি লিখবে ভাবল। কিন্তু আর দশটা ভাবনার তলায় সে ভাবনা চাপা পড়ে থাকল।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleবিনুর বই ও নির্বাচিত ছোটোগল্প – অন্নদাশঙ্কর রায়
    Next Article পুতুল নিয়ে খেলা – অন্নদাশঙ্কর রায়

    Related Articles

    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    বিপিনের সংসার – বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    January 8, 2026
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    ভয় সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    কিশোর অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    প্রকাশ্য দিবালোকে – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 18, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    তারপর কী হল – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 17, 2025
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    শর্ম্মিষ্ঠা নাটক – মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    November 11, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }