Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    কন্যা – অন্নদাশঙ্কর রায়

    লেখক এক পাতা গল্প155 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ০৮. তন্ময় ও রূপমতী

    বিয়ের দিনটা নিছক আনন্দের দিন। তন্ময় কিন্তু সে-দিন অবিমিশ্র আনন্দ বোধ করেনি। বাসররাত্রি জেগে কাটিয়েছে অপলক দৃষ্টিতে। তার বধূর দিকে চেয়ে। তার ঘুমন্ত রাজকন্যার দিকে। যে রাজকন্যা তার ঘরে, তার শয্যায়, তার বাহু উপাধানে, তার নিঃশ্বাসের সঙ্গে নিঃশ্বাস মিশিয়ে প্রথম আত্মসমর্পণের পর পরম নির্ভরতার সঙ্গে প্রষুপ্ত।

    পরিপূর্ণ সৌন্দর্য। রমণীয় রূপ। বিকশিত যৌবন। সদ্য প্রস্ফুটিত সুগন্ধ। তনুসুরভি। এ কি কখনো স্থির থাকতে পারে একরজনীর বাহুবন্ধনে! এ চলবে। এর পিছন পিছন চলতে হবে তন্ময়কেও। অনুসরণই অন্বেষণ। অন্বেষণে ক্লান্তি এলে ক্ষান্তি দিলে রূপমতী চলে যাবে দৃষ্টির আড়ালে। দাঁড়াবে না, পায়চারি করবে না, ফিরে আসবে না। তা হলে আমার সুখ! —তন্ময় ভাবে।

    সুখের জন্যে বিয়ে করতে হলে করতে হয় তাকে যে থাকতে এসেছে। যে স্থির থাকবে। কিন্তু সে তো রূপমতী নয়। তার সঙ্গে ঘর করে সুখী হওয়া যায়, কিন্তু এর সঙ্গে নিঃশ্বাস নিয়ে স্বর্গ ছুঁয়ে আসা যায়। ধন্য হয়েছি আমি, ধন্য একে পেয়ে। —তন্ময় ভাবে। কিন্তু কতক্ষণের জন্যে! এখন থেকে মিনিট গুনতে, ঘণ্টা গুনতে, দিন গুনতে হবে। গুনতে হবে সপ্তাহ আর মাস। বছর পুরবে কি না কে বলতে পারে! হ্যাঁ, বছর পুরবে, বছরের পর বছর পুরবে, তন্ময় যদি ক্লান্ত না হয়; ক্ষান্ত না হয়। হ্যাঁ, আয়ুষ্কালও পুরবে তন্ময় যদি জীবনভর অনুসরণ করে, অন্বেষণ করে।

    কিন্তু সুখ! সুখ কই তাতে? সেই অন্তহীন অনুকরণে? মন চায় স্থিতি। পরমা নিশ্চিতি। দেহ চায় বিশ্রাম। সবিশ্রাম সম্ভোগ। অনুসরণের জন্যে প্রতিনিয়ত প্রস্তুত কে? আত্মা? আত্মারও কি শান্তির আকিঞ্চন নেই? সেও কি একদিন বিনতি করবে না, রূপমতী, দৃষ্টির আড়ালে চলে যেয়ো না, দাঁড়াও? রাজা সংবরণের মতো সূর্যকন্যাকে বলবে না, তপতি, আমি যে আর ছুটতে পারছিনে, থামো।

    রাজ, প্রিয় রাজ, তুমি যদি দয়া করে ধরা না দাও আমার সাধ্য কী যে আমি তোমায় ধরি! এই যে তুমি ধরা দিয়েছ এ কি আমার সাধনায়! এ তোমার করুণায়। আমার সুখ আমার হাতে নয়। তোমার হাতে। —তন্ময় ভাবে। এক চোখে আনন্দ এক চোখে বিষাদ নিয়ে দু-চোখ ভরে দেখে। আহা, এই রাতটি যদি অশেষ হত, যদি কোনো মায়াবীর মায়াদন্ডের ছোঁওয়া লেগে অ-পোহান হত, যদি হাজার বছর কোথা দিয়ে কেটে যেত কেউ হিসাব না রাখত, তা হলে রূপ আর সুখ একে অপরকে ঘরছাড়া করত না, এক সঙ্গে বাস করত অনন্তকাল। এক বৃন্তে ফুটে থাকত রূপমতী নারী আর সুখীতম পুরুষ। কোনোদিন ঝরে পড়ত না।

    রূপমতী নারী। চিরন্তনী নারী। এই নারীতে আছে সেই নারী। এ যদি একটি রাতও থাকে, তার পরে না থাকে, তা হলেও চিরন্তনের চিহ্ন রেখে যাবে তন্ময়ের জীবনে। পরশ-পাথরের পরশ লেগে সোনা হয়ে যাবে তার অঙ্গ। সোনা হয়ে যাবে তার মন। তন্ময়ের এক রাত্রের অভিজ্ঞতা সারাজীবনের রূপান্তর ঘটাবে। পরবর্তী জীবন অন্যরূপ হবে। তাতে সুখ থাকবে না ঠিক, রূপমতী কোলে না থাকলে সুখ কোথায়, নিত্য অনুসরণে সুখ থাকতে পারে না। তবু সে ধন্য, সে সার্থক, সে অসাধারণ ও অসামান্য। তন্ময় তার বিয়ের রাতটিকে তারিয়ে তারিয়ে ভোগ করে। এক জীবনে এমন রাত্রি দু-বার আসে না। কাল বেঁচে থাকবে কি না তাই-বা কেমন করে জানবে!

    বাসরের পরে মধুমাস। মধুমাস যেন ফুরোতে চায় না। দু-জনে দু-জনের মুখে মুখ রেখে ঘুমিয়ে পড়ে কখন একসময়। উঠে দেখে বেলা হয়ে গেছে। মুখোমুখি বসে কফি খায়। তারপর যে-যার সাজপোশাক পরতে যায়। দিনের বেলা তাদের ছাড়াছাড়ির পরে আবার মিলজুল হয়। প্রথম আবিষ্কারের পুলক নিয়ে তারা পরস্পরের দিকে তাকায়।

    ‘তন্ময়। তন্ময়। কোথায় তুমি? এসো আমার কাছে।’

    ‘রাজ। রাজ। এই যে তুমি। কত কাল পরে তোমায় দেখছি।’

    ‘কেন? কত কাল কেন? এখনও তো একঘণ্টা হয়নি।’

    ‘তোমার ঘড়িতে এক ঘণ্টা। আমার ঘড়িতে এক হাজার ঘণ্টা।’

    ‘ও ডারলিং!’

    ‘ও ডিয়ার!’

    মধুমাসটা ফ্রান্সে কাটিয়ে ওরা ইংল্যাণ্ড যায়। চাকরির চেষ্টায় একটু বেশি ছাড়াছাড়ি হয়, একটু কম মিলজুল। তাতে রাতগুলি আরও মধুর হয়। ঘুম পথ ছেড়ে দেয় চুম-কে। কাজ জুটল। ফিরল ওরা স্বদেশে। ঘর বাঁধল পুনায়। সংসার শুরু হল। মধু, মধু, সব মধু। ধোপার খাতা, গয়লার হিসাব, দরজির মাপ, তাসখেলার দেনা—মধু, মধু, সব মধু।

    প্রথম বছরটা ওরা এমনি করে কাটিয়ে দেয় নিজেদের নিয়ে। মাটিতে পা পড়ে না। তন্ময় এমনিতেই বেশ সুপুরুষ। রাজের সঙ্গে যখন সে বেরোয় তখন তাকে আরও সুদর্শন দেখায়। টেনিস খেলতে যখন সে নামে তখন ভিড় দাঁড়িয়ে যায় তাকে দেখতে। তার সঙ্গে আলাপ করবার জন্যে এগিয়ে আসেন রাজারাজড়া সাহেবসুবো, হাত বাড়িয়ে দেন তাঁদের মহিলারা। আর রাজ তো সমাজের আলো। পার্টির প্রাণ। সে না থাকলে উৎসবের উৎসাহ নিবে যায়। ক্লাবে, মেসে, লাটভবনে, রেসকোর্সে রাজ একটি অনুপম আকর্ষণ।

    তারপরে কবে কেমন করে মনোমালিন্য সঞ্চার হল। পূর্ণিমার আকাশে ছোটো এক টুকরো কালো মেঘ। রূপমতী তার রূপচর্যা নিয়ে থাকে, রূপচর্যার পরের অধ্যায় সামাজিকতা। সংসারের প্রতি নজর নেই। স্বামীর প্রতি নজর থাকলেও সেটা তেমন আন্তরিক নয়। সেটা যেন একটা কর্তব্য করে যাওয়া। তন্ময় বুঝতে পারে পার্থক্য। দীর্ঘনিঃশ্বাস ছাড়ে আর ভাবে, বিশ্বের হাত থেকে ওকে ছিনিয়ে রাখতে পারব সে ক্ষমতা কি আমার আছে! বল কষাকষি করতে গেলে দেখব আমি অবল।

    তন্ময়ের অধিকার একে একে খর্ব হল। যখন-তখন গায়ে হাত দিতে পারবে না। বুকে হাত দেওয়া একেবারে বারণ। দু-জনের দুটো আলাদা বিছানা। এক বিছানা থেকে আরেক বিছানায় যেতে অনুমতি লাগে। রূপমতী সকাল সকাল শুতে যায়, যদি না কোনো নিমন্ত্রণ আমন্ত্রণ থাকে। ঘুমের মাঝখানে তাকে বিরক্ত করা চলবে না। তার নিদ্রা নিয়মিত, তার আহার পরিমিত, তার ব্যায়াম দৈনন্দিন, তার স্নান ও প্রসাধন অন্তহীন। তার গড়ন, তার ডৌল, তার সুমিতি, তার সৌষ্ঠব তার কাছে জীবন-মরণের প্রশ্ন। তন্ময়ের যেমন চাকরি বজায় রাখা রূপমতীর তেমনি রূপলাবণ্য অটুট রাখা। সতীর সম্বল যেমন সতীত্ব, গায়িকার সম্বল যেমন গীতসিদ্ধি, রূপসির সম্বল তেমনি রূপ। লবণ যেমন লবণত্ব হারালে কোনো কাজে লাগে না, লাবণ্যবতী তেমনি লাবণ্য হারালে কারও কাছে আদর পায় না। সমাজের কাছে তো নয়ই, স্বামীর কাছেও না। তখন তার দর ভূষিমাল হিসেবে। গিন্নিবান্নি বলে। তখন ধারে কাটে না, ভারে কাটে।

    তারপর তন্ময় বুঝতে পারল রাজ কোনোদিন মা হবে না। মা হলে তার ফিগার খারাপ হয়ে যাবে। তা হলে সে আর রূপমতী থাকবে না। তন্ময় কি তখন তাকে পুঁছবে! পুরুষের ভালোবাসা রূপটুকুর জন্যে। রূপটুকু গেল তো ভ্রমর উড়ল। কথাটা স্পষ্ট করে খুলে না বললেও রাজ যা বলে তার ও ছাড়া আর কোনো অর্থ হয় না। তন্ময় অবশ্য অকালে বাপ হবার জন্যে লালায়িত নয়, কিন্তু কস্মিনকালে হবে না এ তো বড়ো বিষম কথা। অপত্যকামনা কোন পুরুষের নেই! কোন নারীর!

    এমনি করে তাদের দু-জনের মধ্যে মনোমালিন্যের সূচনা হল; কিন্তু তন্ময় এ নিয়ে একটি কথাও বলল না। সংসারে নজর নেই তো কী হয়েছে! এতগুলো চাকর রয়েছে কী করতে! তারাই চালিয়ে নেবে। স্বামীর প্রতি নজর আন্তরিক নয় তো কী হয়েছে! স্বামী কি নিজের দেখাশোনা নিজে করতে পারে না! আর সন্তান যদি না হয় তা হলেই-বা কী এমন দুর্ভাগ্য! এই তো অমুক অমুক নিঃসন্তান। রোজ ওদের সঙ্গে দেখা হয়। কই, দেখে তো মনে হয় না খুব অসুখী। সন্তান হলে মশাই অনেক ঝামেলা। বাঁচিয়ে রাখো রে, মানুষ করো রে, সম্পত্তি দিয়ে যাও রে। কোথায় এত তালুক বা মুলুক! রোজগারের টাকা তো মাসকাবারের আগে হাওয়া হয়ে যায়। ও ভালোই হয়েছে। ছেলে হয়নি বা হবে না। তবু যদি হত!

    হায় রে সুখের আশা! স্বামী স্ত্রী সন্তান নিয়ে একটি সম্পূর্ণ পরিবার। অল্পে সন্তুষ্ট একটি স্বাভাবিক জীবন। অথচ রূপমতী নারীর চিরনূতন সঙ্গ। চিরন্তনী নারীর রূপময় প্রকাশ। দু-দিক রক্ষা হয় কী করে? তন্ময় চায় সুখ এবং রূপ এক বৃন্তে দুই ফুল। শুধু রূপ নিয়ে সে সুখী হবে না। শুধু সুখ নিয়ে থাকতে চাইলে রূপ চলে যাবে। তার সদা শঙ্কা, গঙ্গা যেমন চলে গেল শান্তনুকে ফেলে রাজ তেমনি চলে যাবে তন্ময়কে ছেড়ে, যদি একটি কথা বলে তন্ময়। গঙ্গা তার সন্তানকে নদীর জলে বিসর্জন দিয়েছিল। রাজ তার সন্তানকে গর্ভে আসতে দিল না।

    রূপমতীর সৃষ্টি কারও সুখের জন্যে নয়। তন্ময় বলে একজন মানুষকে সুখ বলে একটা পদার্থ দেবার জন্যে সে পৃথিবীতে আসেনি। সে এসেছে অলোকসামান্য রূপ নিয়ে সর্বমানবের সৌন্দর্যতৃষা শীতল করতে। তন্ময়ের প্রতি তার অসীম অনুগ্রহ বলে সে তার ঘরনি হয়েছে। থাকুক যত দিন আছে। —ভাবে আর কাঁদে তন্ময়। কাঁদে। হ্যাঁ, পুরুষের মতো পুরুষ বলে যার প্রসিদ্ধি সেই বিখ্যাত খেলোয়াড় মনের দুঃখে চোখের জল ঝরায়। কেউ দেখতে পায় না। ওদিকে তার মাথার চুলে সাদা নিশান ওড়ে।

    জীবনদেবতার কাছে এমন কী বেশি প্রার্থনা করেছে তন্ময়? কেন তা হলে তার কপালে সুখ নেই?—সে নিজেই নিজের প্রশ্নের উত্তর দেয়, যাদের তিনি সুখ দিয়েছেন তাদের কেউ কি পেয়েছে উত্তমা নায়িকার সঙ্গ? কেউ কি পেয়েছে রূপমতী নারীর স্পর্শ? তারপর সুখ? সুখ কাকে বলে! এই যে ওরা দু-টিতে মিলে একসঙ্গে আছে, দু-জনেই নিঃসন্তান, দু-জনেই সংসারবিরাগী, এও কি সুখ নয়? স্বার্থপরের মতো জনক হতে চাও তুমি, আরেক জন যে বন্ধ্যা হল, তার বেলা? তোমার চিহ্ন থাকবে না, তারও কি থাকবে? আহা, যদি একটি মেয়ে হত! এমনি রূপবতী।

    মোট কথা, কেবলমাত্র রূপ নিয়ে তন্ময় তৃপ্ত নয়। সে চায় সুখ। জীবনমোহন তাকে সতর্ক করে দিয়েছিলেন, সে তা মনে রেখেছে, তবু তার মন মানে না। এটা সে লুকিয়ে রাখতে চেষ্টা করলেও ধরা পড়ে যায় স্ত্রীর কাছে। রাজ জানে সবই, বোঝে তন্ময় কী পেলে তৃপ্ত হয়। কিন্তু তারও তো স্বধর্ম আছে। সৌন্দর্যের কাছে সুন্দরী নারীর দায়িত্ব কি প্রতিভার কাছে প্রতিভাবানের দায়িত্বের মতো নয়? সেই সর্বগ্রাসী দায়িত্বের খর্পর থেকে যেটুকু ব্যক্তিগত সুখ উদ্ধার করা যায় সেটুকু কি সে তন্ময়ের সঙ্গে ভাগ করে ভোগ করছে না? সে কি নিজের জন্যে অতিরিক্ত সুখ দাবি করছে? জগতে রূপের চেয়ে চপল আর কী আছে? যা প্রতি মুহূর্তে পালিয়ে যাচ্ছে তাকে প্রতি মুহূর্তে ধরে রাখা কি সবচেয়ে কঠিন নয়? রূপের সাধনায় লেশমাত্র অবহেলা সয় না, পরে হাজার মাথা খুঁড়লেও হারানো রূপ ফিরে আসবে না। রাজ এই নিয়ে বিব্রত ও বিমনা। তন্ময় যেন তাকে ভুল বুঝে দুঃখ না পায়, দুঃখের ভাগী না করে। সন্তান! সন্তান কি সকলের হয়? আর কারো সঙ্গে বিয়ে হয়ে থাকলে কি সন্তান নিশ্চিত হত? অতটা নিশ্চিত যদি তো করো আর কাউকে বিয়ে, ছেড়ে দাও আমাকে। —রাজ বলে আভাসে ইঙ্গিতে। টুকরো কথায়।

    তবু তো তারা একসঙ্গে ছিল। কিন্তু ক্রমে দেখা গেল রাজের মন পুনরায় টিকছে না। সুযোগ পেলেই সে মুম্বই বেড়াতে যায়, রাত কাটিয়ে ফেরে বান্ধবীদের বাড়িতে। বলে, ‘তোমাকে একা ফেলে যেতে কি আমার মন চায়? কিন্তু আমি জানি তোমার যা কাজ তার থেকে তোমাকে টেনে বার করা যায় না। তা বলে কি আমি একটু তাজা হাওয়ায় নিঃশ্বাস নিতে পারব না? এই পচা হাওয়ায় দম বন্ধ হয়ে মারা যাব?’

    তন্ময় একটা বদলির দরখাস্ত করে দিল। তাতে কোনো ফল হল না। তার পরে করল লম্বা ছুটির দরখাস্ত। স্ত্রীকে নিয়ে ইউরোপে যাবার জন্যে। লম্বা ছুটি মঞ্জুর হল না। কদাচ এক-আধ দিন খুচরো ছুটি মেলে। তখন মুম্বই যায় দু-জনে। কিংবা তন্ময় থাকে পুনায়, রাজ যায় মুম্বই। গৃহিণী অনুপস্থিত থাকলে গৃহ বলে একটা কিছু থাকে যদিও, তবু তাকে গৃহ বলা চলে না। কারই বা ভালো লাগে তেমন গৃহে একা দিনপাত করতে! দিন যদি-বা কাটে রাত কাটতে চায় না। একা শোওয়ার অভ্যাস তার বহু দিন থেকে। সে-জন্যে নয়। কিন্তু কাছাকাছি আর একজন যে নেই—যে উত্তমা নায়িকা, যার অস্তিত্ব তাকে পরমা তৃপ্তি দেয়, যেমন দেয় তার খোঁপার ফুলের গন্ধ। নেই, নেই, সব শূন্য।

    যে থাকবে না তাকে ধরে রাখবে কোন মন্ত্রবলে? বিয়ের মন্ত্রে? বেঁধে রাখবে কোন বন্ধনে? সংসার বন্ধনে? অসহায় তন্ময়! এমন কাউকে জানে না যার কাছে বুদ্ধি ধার করতে পারে। জীবনমোহন যদি থাকতেন। কিন্তু বহু দিন তাঁর কোনো খোঁজখবর নেই। অনুত্তম, সুজন, কান্তি যে-যার নিজের ধান্দা নিয়ে কে কোথায় আছে। কারও সঙ্গে কারো যোগাযোগ নেই। একজনের সমস্যা আরেক জনের দুর্বোধ্য। তন্ময়ের সমস্যা তো এই যে সে তার রূপমতীর অনুসরণে মুম্বই যেতে পারছে না। যেতে হলে চাকরিতে ইস্তফা দিতে হয়। তার পরে সংসার চলবে কী উপায়ে?

    মুম্বই-এর বড়োলোকদের তন্ময় বলত বোম্বেটে। বোম্বেটেরা তার বউকে লুট করে নেবে, এ আশঙ্কা তার অবচেতনায় ছিল। লুট অবশ্য গায়ের জোরে নয়। দৌলতের জোরে, দহরম মহরমের জোরে। কোনোদিন কিন্তু কল্পনা করেনি যে রাজ অভিনয় করতে জানে। একটা শখের অভিনয়ে তাকে নামতে দেখে দর্শকরা মুগ্ধ হয়ে যায়। শহরময় ছড়িয়ে পড়ে তার নাম। সে নিজে অতটা প্রত্যাশা করেনি। তার বান্ধবীরাও করেনি। আর একটা শখের অভিনয়ের মহড়া চলেছে এমন সময় এক হিন্দি ফিলম কোম্পানি থেকে প্রস্তাব এল রাজ যদি নায়িকা সাজে তা হলে কোম্পানি তার সঙ্গে চুক্তি করতে রাজি। হোটেলের সুইট তারাই জোগাবে। বিল তারাই মেটাবে। তাদের মোটর থাকবে চব্বিশ ঘণ্টা মোতায়েন। এ ছাড়া মাসে দু-হাজার টাকা হাতখরচা।

    তন্ময়ের অনুমতি না নিয়ে রাজ চুক্তি করতে নারাজ। তন্ময় বলল, ‘তুমি যা ভালো মনে করবে তা করবে। আমি কি কোনোদিন কিছু বলেছি যে আজ বলব?’

    ‘না, না, তুমি বলবে বই কী। তুমি যদি বারণ কর আমি যাব না।’

    ‘আমি যদি বারণ না করি?’ তন্ময় বলল চোখে চোখ রেখে।

    রাজ চোখ নামিয়ে বলল, ‘থাক।’

    তন্ময় বুঝতে পেরেছিল রাজ ক্রমেই তার দৃষ্টির আড়ালে চলে যাচ্ছে। তাকে দাঁড়াতে বললে সে দাঁড়াবে না, থামতে বললে সে থামবে না, ফিরতে বললে সে ফিরবে না। একমাত্র পন্থা তার পিছু পিছু যাওয়া, তাকে সব প্রলোভন থেকে রক্ষা করা, সব সম্মোহন থেকে উদ্ধার করা। কিন্তু তা হলে চাকরি ছেড়ে দিতে হয়। তারপরে কী করে চালাবে? স্ত্রীর হোটেলের সুইটে স্ত্রীর পোষ্য হয়ে কাটাবে? না স্ত্রীর সুপারিশে কোম্পানির পোষ্য? কিছুদিন পরে যখন চুক্তির মেয়াদ ফুরোবে তখন কি রাস্তায় দাঁড়াবে?

    অনুসরণ করতে হলে যতটা ঝুঁকি নিতে হয় ততটা ঝুঁকি নিতে বিয়ের আগে সে তৈরি ছিল, বিয়ের পরে তৈরি নয় দেখা গেল। এখন সে একজন মান্যগণ্য ভদ্রলোক, দস্তুরমতো পদস্থ সরকারি কর্মচারী। টেনিসের কল্যাণে স্বয়ং লাটসাহেবের প্রিয়পাত্র। মাঝে মাঝে তার ডাক পড়ে লাটসাহেবের সঙ্গে খেলতে। যখন তিনি পুনায় থাকেন। পুরুষ তার পৌরুষ বিসর্জন দিয়ে স্ত্রীর অনুগত হয়ে জীবনপাত করবে? রূপমতী রাজকন্যার এই কি শর্ত? তাঁর কাঁদতে ইচ্ছা করে। সে লুকিয়ে লুকিয়ে কাঁদেও। দেখতে ইয়া জোয়ান আসলে একটি অসহায় শিশু।

    মাথার উপর সাদা নিশান উড়ল। তন্ময় তার স্ত্রীর সম্মানে মস্ত একটা পার্টি দিয়ে নিজের পরাভব উৎসবময় করল। অভিভূত দয়িতাকে বলল, ‘রাজ, রাজার মতো জয়যাত্রায় যাও।’

    রাজ বুঝতে পেরেছিল এটা তার বিদায় সংবর্ধনা। তন্ময়ের কষ্ট দেখে তার কষ্ট হচ্ছিল। কিন্তু যে শক্তি তাকে সামনের দিকে টেনে নিয়ে যাচ্ছিল সে-শক্তির তুলনায় পিছুটান কিছু নয়! বলল, ‘তোমার অনেক কাজ। নইলে তোমাকে আমি এখানে একা থাকতে দিতুম না, প্রিয়তম। আমার মন পড়ে থাকবে তোমার কাছে। আসব আমি যখনি ছাড়া পাব। লণ্ডন নয়, প্যারিস নয়, যাচ্ছি তো মুম্বই। তিন ঘণ্টার যাত্রা। এটা কি একটা যাওয়া যে তুমি মন খারাপ করবে!’

    রাজ সেদিন খোশ মেজাজে ছিল। তন্ময়ের কোলে আপনি এসে ধরা দিল। বলল, ‘এ ধন তো তোমার রইলই। এ কোনোদিন চুরি যাবে না। আমি তোমার হয়ে পাহারা দেব। ভেবো না।’ এই বলে তাকে সে-রাত্রে আশাতীত সুখ দিল।

    এটা কি যাওয়া যে এই নিয়ে তন্ময় মন খারাপ করবে? বলতে পারল না বেচারা যে পুনা থেকে মুম্বই হলে মন খারাপ করত না, কিন্তু এ যে ঘরসংসার থেকে রঙ্গমঞ্চে, সমাজ থেকে অসমাজে। ক্রমে ক্রমে দৃষ্টির পরপারে। এ একপ্রকার মৃত্যু। যদিও বলতে নেই।

    যাত্রাকালে একান্ত নম্র নত বিনীতভাবে সে তার পত্নীর করচুম্বন করল। বলল, ‘পাছে তুমি চলে যাও সেই ভয়ে কোনোদিন তোমাকে কোনো কথা বলিনি। এখন তো তুমি আপনা হতে চললে। এখন আমার অন্তরে শুধু একটি কথা ঘুরে ফিরে আসছে।’

    ‘সে কথাটি কী কথা?’

    ‘সে কথাটি—’ বলবে কী বলবে না করে অবশেষে বলেই ফেলল তন্ময়, ‘সে-কথাটি এই কথা যে আমি তোমার কাছে কোনো অপরাধ করিনি। কেন তবে তুমি আমাকে ছেড়ে চললে?’ বলতে বলতে তন্ময়ের চোখ দিয়ে জল ঝরে পড়ল।

    ‘ওঃ ননসেন্স!’ রাজ তার কপালে গায়ে চিবুকে ঠোঁটে চুম্বনের পর চুম্বন এঁকে দিল।

    ‘তোমাকেই যদি ছাড়ব তবে কার জন্যে বাপ-মা জাতধর্ম ছেড়ে এলুম? তুমি আমারই। আমি তোমারই। কেউ কোনো অপরাধ করেনি। করছে না। করবে না। স্থির হও।’

    হিন্দি ফিলমে নামবার সময় রাজ একটা ছদ্মনাম নিল। বসন্তমঞ্জরী। তার আবির্ভাব চিত্রজগতের একপ্রান্ত থেকে অপর প্রান্ত অবধি আনন্দের হিল্লোল তুলল। পুনায় যারা তাকে চিনত তারা এসে অভিনন্দন জানিয়ে গেল তন্ময়কে। নিজের স্ত্রীকে পরের নায়িকারূপে অভিনয় করতে দেখা কি সামান্য সৌভাগ্য! দেখতে গিয়ে তন্ময় ঠিক আর সকলের মতো তন্ময় হতে পারল না। মাঝখানে অন্যমনস্ক হল। নায়ক-নায়িকার প্রণয়দৃশ্য যথেষ্ট সংযমের সঙ্গে দেখানো হয়েছিল। তবু একঘর লোক এমনভাবে নিল যেন সব কিছু হতে যাচ্ছে। আর কী বিশ্রী নাগরালি ওই নায়কটার!

    তন্ময় আবার ছুটির দরখাস্ত করল। এবার তার ছুটির হুকুম এল। সে প্যারিসে যাবার আয়োজন করে রাজকে জানাল। রাজ বলল, ‘এখন কী করে সম্ভব? ওরা আমাকে ছাড়লে তো? আমি যে একটা চুক্তি সই করেছি।’

    চুক্তির খেলাপ করলে কিছু টাকা ঘর থেকে বেরিয় যেত। তন্ময় রাজি ছিল ও টাকা দিতে। কিন্তু রাজ বলল, ‘প্রশ্নটা টাকার নয়। দেশের লোক চায় আমাকে দেখতে। রূপ যদি ভগবান আমাকে দিয়ে থাকেন তবে আমার দেশবাসী তার থেকে বঞ্চিত হবে কেন? লোকে যখন তোমার টেনিস খেলা দেখতে চায় তখন তুমি কি পাহাড়ে চলে যাবার কথা ভাবতে পার?’

    বেচারার ছুটি নেওয়া হল না। যথাকালে নতুন ফিলম দেখতে হল। সেই নায়কটাই যেন মৌরসিপাট্টা নিয়েছে। যেখানেই বসন্তমঞ্জরী সেখানেই কিষণচন্দর। তন্ময় শুনতে পেল এটা যে কেবল স্টুডিয়োতে তাই নয়। হোটেলে রেসকোর্সে ক্লাবে। পার্টিতে। ওদের একসঙ্গে দেখতে দেখতে অপরিচিতরা ধরে নিয়েছে যে ওরা কেবল অভিনয় করে না। আর পরিচিতরা অবাক হয়ে ভাবছে তন্ময় কেন এতটা সহ্য করছে!

    একদিন তন্ময়ের অনুযোগের উত্তরে রাজ বলল, ‘ও আমার প্রোফেশনাল পার্টনার। তোমার যেমন টেনিস পার্টনার মিস উইলসন। এতে দোষের কী আছে? আমাকে তোমার যদি এতই সন্দেহ তুমিও একটি মিসট্রেস নিলে পার। আমি কিছু মনে করব না।’

    শক পেয়ে স্তম্ভিত হল তন্ময়। অনেকক্ষণ পরে বাকশক্তি ফিরে পেয়ে বলল, ‘যে উত্তমা নায়িকার স্বাদ পেয়েছে সে কি অপরা নায়িকা আস্বাদন করতে পারে!’

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleবিনুর বই ও নির্বাচিত ছোটোগল্প – অন্নদাশঙ্কর রায়
    Next Article পুতুল নিয়ে খেলা – অন্নদাশঙ্কর রায়

    Related Articles

    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    বিপিনের সংসার – বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    January 8, 2026
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    ভয় সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    কিশোর অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    প্রকাশ্য দিবালোকে – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 18, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    তারপর কী হল – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 17, 2025
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    শর্ম্মিষ্ঠা নাটক – মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    November 11, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }