Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    কন্যা – অন্নদাশঙ্কর রায়

    লেখক এক পাতা গল্প155 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ০৯. সুজন ও কলাবতী

    সুজনের মনে একটা অস্পষ্ট ধারণা ছিল যে তার পরমায়ু বেশি দিন নয়। যে ক-দিন বাঁচবে সে ক-দিন কলাবতীর অন্বেষণে কাটাবে। অন্বেষণ কিন্তু মিলনের অন্বেষণ নয়। বকুলের সঙ্গে মিলন কোনোদিন হবে না। কলাবতীর অন্বেষণ হচ্ছে কলাবিদ্যার অন্বেষণ, যে বিদ্যা অতি সাধারণ লেখককে অসাধারণ করে। সঙ্গে সঙ্গে চিরন্তনীর অন্বেষণও বটে, যে নারী তারার মতো সুদূর, অথচ তারার মতো তার প্রভাব পড়ে জীবনের উপরে।

    এর কিন্তু একটি প্রচ্ছন্ন শর্ত আছে। নিষ্ঠা রাখতে হবে কেবল কলাবিদ্যার প্রতি নয়, কলাবতীর প্রতিও। আর কাউকে বিয়ে করা চলবে না, আর কাউকে ভালোবাসা চলবে না। দ্বিচারিতা করলে অন্বেষণে ছেদ পড়বে। তারপর আর ক-টা দিনই বা সুজন বাঁচবে! কীই-বা দিয়ে যাবে সাহিত্যে! স্বল্প যার পরমায়ু সে কি অমন করে আয়ুক্ষয় করতে পারে! বাবা যদি বুঝতেন তা হলে কি তার মতো দেশকাতুরে লোক দেশান্তরী হত! তিনি অবুঝ বলেই না তাকে তার জীবনের পরিকল্পনা বদলাতে হল। শান্তশিষ্ট সুস্থির প্রকৃতির মানুষটি ধীরেসুস্থে কোঁচা দুলিয়ে কাছা ঝুলিয়ে ঢিলেঢালা জামা পরে থপ থপ করে কলকাতার রাস্তায় হাঁটত। আঁটসাঁট লাউঞ্জ সুট পরা ত্বরিতগতি করিৎকর্মা এ কোন পুরুষ তালে তালে পা তুলে পা ফেলে লণ্ডনের পথে-ঘাটে চলেছে!

    স্বপ্নবিলাসী বলে ভাবালু বলে তার বন্ধুরা তাকে খোঁচা দিত। ‘ওঃ সুজন! ওকে দিয়ে কোনো কাজ হবে না। একটা টেলিগ্রাম কেমন করে পাঠাতে হয় তা ও জানে না।’ এখন তাকে যেই দেখে সেই তারিফ করে জোগাড়ে বলে চটপটে বলে। দেশে থাকতে মিশনারিদের বাংলা রচনা ঘষামাজা করতে হয়েছিল কয়েকবার। তাঁদের একজন লণ্ডনে তাকে তাঁর ধর্মশাস্ত্রের বঙ্গানুবাদ পরিমার্জনের জন্যে দেন। সে তো কোনোরকম পারিশ্রমিক নেবে না। পাদরিসাহেব তাই তাকে চাকরি জুটিয়ে দিলেন সুপারিশ করে। বেতন এমন কিছু নয়, কিন্তু সুবাদ যথেষ্ট। সে বাংলার অধ্যাপক এই সুবাদে ব্যবসায়ী মহল থেকে অর্ডার পায় ইংরেজি বিজ্ঞাপন বাংলায় তর্জমার জন্যে। ওষুধের কৌটোয় পথ্যের শিশিতে সুজনের কীর্তি তার দেশবাসীর গোচর হয়।

    দু-চার জায়গায় ঘোরাঘুরির পর সুজন রাসেল স্কোয়্যার অঞ্চলে গ্যারেট নেয়। রাত্রে শুতে আসে সেখানে। বাকি সময়টা বাইরে বাইরে কাটায়। বাইরেই খায়। খানাপিনায় তার বাছবিচার নেই। গোপালের মতো যা পায় তাই খায়। অথচ কী খুঁতখুঁতে ছিল দেশে থাকতে! সারাদিন খেটেখুটে রোজ সন্ধ্যা বেলা থিয়েটারে হাজির হওয়া তার চাই। যেদিন থিয়েটারে যায় না সে-দিন কনসার্টে যায়। যেদিন কনসার্টে যায় না সে-দিন যায় কোনো বিশিষ্ট ব্যক্তির বক্তৃতায়। লণ্ডনে বারো মাস ত্রিশ দিন এতরকম আকর্ষণ যে দেখে ক্লান্তি আসে না। শুনে শ্রান্তি আসে না। নিত্যনূতনের নেশায় মশগুল থাকে সুজন।

    কেবল রবিবারটা বাদে। সেদিন সে রাতকাপড়ের উপর ড্রেসিং গাউন চড়িয়ে আগুন পোহাতে পোহাতে দেশের চিঠি কাগজ পড়ে আর দেশের লোকের জন্যে প্রবন্ধ লেখে। তার ঘরে খাবার পৌঁছে দিয়ে যায় বুড়ি ল্যাণ্ডলেডি মিসেস কলোনি। বিকেলের দিকে সুজন তার সেরা পোশাক গায়ে দিয়ে বেরিয়ে পড়ে সামাজিকতা করতে। যার জন্যে সময় পায়নি সপ্তাহের অন্য কোনোদিন। কয়েকটি বিশিষ্ট বাঙালি পরিবারে তার বাঁধা নিমন্ত্রণ। তাঁদের ওখানে গেলে একঝাঁক বাঙালি যুবক-যুবতীর সঙ্গে দেখা হয়ে যায়। মনে হয় বাংলায় ফিরে গেছি বিদেশি বেশবাসে। কথাবার্তা গল্পগুজব সব কিছু বাংলায়। বাংলা গান বাংলা সুর। বাংলা খাবার। বাঙালির রান্না।

    মুখচোরা মানুষ। আলাপ করতে তার লজ্জাবতী লতার মতো সংকোচ। এমন যে সুজন বিদেশে তার হঠাৎ মুখ খুলে যায়। অপরিচিতকে—অপরিচিতাকেও—হাত বাড়িয়ে দিয়ে শুধায়, ‘এই যে। কেমন আছেন?’ সাহিত্যিক বলে তার নাম অনেকে জানত। যারা জানত না তারাও অনুমান করত তার চেহারা ও কথাবার্তা থেকে। থিয়েটার সম্বন্ধে খুঁটিনাটি খবর রাখত বলে সহজেই তার চার দিকে ভিড় জমত। যেসব থিয়েটার পাবলিকের জন্যে নয়, যেখানে যেতে হলে মেথর হতে হয় বা মেম্বরের অতিথি হতে হয় সেখানেও তার গতিবিধি। কেবল অভিনয়ে নয়, মহড়ায়। সেসব গল্প শুনতে কার না আগ্রহ! কাজেই সুজনের আসাটা আরও অনেকের আসার কারণ ছিল। গৃহকর্ত্রীরা এটা জানতেন। কিন্তু রবিবার ভিন্ন আর কোনোদিন তার সময় হত না। সেদিন পালা করে সে বিভিন্ন পরিবারে নিমন্ত্রণরক্ষা করত।

    যা হয়ে থাকে। তরুণীরা তাকে একটু বেশিরকম পছন্দ করতেন। কিন্তু তার সঙ্গে আলাপ যেমন সুলভ ছিল অন্তরঙ্গতা ছিল তেমনি দুর্লভ। দুর্লভ না বলে অসম্ভব বললেও চলে। তার জীবনের গল্প সে কাউকে বলত না। প্রশ্ন করলে পাশ কাটাত। নারীসংক্রান্ত কোনোরকম দুর্বলতা কেউ তার আচরণে লক্ষ করেনি। সে সকলের সঙ্গে সমানে মেশে, কিন্তু কোনো মেয়ের সঙ্গে বিশেষ করে মেশে না। যদি কেউ তার কাছে বিশেষ পক্ষপাত আশা করে তবে নিরাশ হতে বেশি দিন লাগে না। তার দিক থেকে সৌজন্যের অভাব নেই। সে যে সুজন। তার সৌজন্য ওষ্ঠগত নয়। সহৃদয়। কিন্তু যতই সহৃদয় হোক, ওটা সৌজন্যই। সৌজন্যের অধিক নয়। ভালোবাসা অন্য জিনিস। তার প্রথম কথা পক্ষপাত। একজনের প্রতি পক্ষপাত।

    লণ্ডনের অফুরন্ত কর্মপ্রবাহে দিন কেমন করে সপ্তাহ হয়ে যায়, সপ্তাহ কেমন করে মাস, মাস কেমন করে বছর। সুজন ধ্যানের অবকাশ পায় না। তবু যখনই একটু অবসর পায় বকুলের ধ্যান করে। তার কলাবতীর। তার একমাত্র নারীর। যে নারী বিশ্বসৃষ্টির পূর্বেও ছিল, বিশ্বপ্রলয়ের পরেও থাকবে। যে নারীর স্থিতি দেহনিরপেক্ষ। যে নারী গৃহিণী হয়েও গৃহিণী নয়, জননী হয়েও জননী নয়। যে বিশুদ্ধ সৌন্দর্য, বিশুদ্ধ জ্যোতি, তারায় তারায় দীপ্যমান। অন্ধকার যাকে আরও উজ্জ্বল করে ফোটায়। বিরহ যাকে আরও নিকট করে। বিরহের সাধনায় করতে হয় যার অন্বেষণ, মিলনের স্বপ্নে নয়।

    সুজন মিলনের স্বপ্ন দেখে না। এ জন্মের মতো যা হবার হয়ে গেছে। ক-টা দিনেরই বা জীবন! দেখতে দেখতে সাঙ্গ হবে। বিরহেই কেটে যাবে দিন। বিরহেই ভরে উঠবে হৃদয়। উপচে পড়বে কবিতা। রচা হবে নব মেঘদূত। নতুন ডিভাইন কমেডি। মানবের মধুরতর গানগুলি মিলন থেকে আসেনি, এসেছে বিরহ থেকে। এই যে সুজন প্রেরণা পাচ্ছে লিখতে, সাত দিনে একদিন যদিও, এ কি মিলন থেকে না বিরহ থেকে? মিলন তাকে মূক করত মাধুর্যে, মূঢ় করত বিস্ময়ে। যার চার দিকে অন্ধকার নেই সেই সূর্যের দিকে তাকালে সে অন্ধ হয়ে যেত আনন্দে। এই সন্ধ্যাতারা তার দৃষ্টিকে আচ্ছন্ন করছে না, সে অপরের দিকে তাকাতে পারছে, আর দশ জন মেয়ের সঙ্গে মিশতে পারছে, সৌজন্যের পাত্রী পেয়ে সুজন হতে পারছে। এই ভালো, এই ভালো।

    দেশে তার লেখার আদর বাড়ছিল। বিদেশে যদিও লেখক বলে কেউ চিনত না তবু গোটা দুই লিটল থিয়েটারের অভিনয়ে মহড়ার আড্ডায় হাজিরা দিতে দিতে কতকটা নিজের অজ্ঞাতসারে সে একজন নাট্যসমালোচক হয়ে উঠেছিল। অভিনেতা-অভিনেত্রীরাও তার অভিমত জানতে চাইতেন। তার অভিমতকে যথেষ্ট ওজন দিতেন। জলহাওয়ার গুণে ওদিকে তার ওজনও বাড়ছিল বেশ। দেখে মনে হত লোকটা কেবল সমঝদার নয়, ওজনদারও বটে।

    মনের অতলেও তার পরিবর্তন হচ্ছিল। এত গভীরে যে সে নিজে টের পাচ্ছিল কি না সন্দেহ। কলাবতীর প্রতি একনিষ্ঠতা, বকুলের প্রতি একনিষ্ঠতা তার মূলমন্ত্র কিন্তু একনিষ্ঠতা বলতে কাল যা বোঝাত আজও কি তাই বোঝায়? আজ যা বোঝায় কালও কি তাই বোঝাবে? সুজনের একনিষ্ঠতার ব্যাখ্যা বদলে যাচ্ছিল। এই যে এতগুলি মেয়ে এসেছে তার জীবনে এরা দু-দিন পরে এসেছে বলে কি এদের কারও সঙ্গে কোনোরকম সম্বন্ধ পাতানো যায় না? কেবল মেলামেশা পর্যন্ত দৌড়? সে গন্ডী অতিক্রম করলে একনিষ্ঠতার মর্যাদা থাকে না?

    সুজনের সঙ্গে যাদের পরিচয় তাদের মধ্যে তিন জনের সঙ্গে তার মেলামেশা ক্রমে মন জানাজানির পর্যায়ে পৌঁছোল। মন দেওয়া-নেওয়া নয় কিন্তু। তার বেলা সুজন অতি সজাগ। ঊর্মিলা তাকে সোজাসুজি সুজন বলে ডাকত। বরাবর ইংল্যাণ্ডে মানুষ হয়েছে। বাঙালির মেয়েদের মতো দূরত্ব বজায় রেখে চলতে জানে না। সিলভিয়া তাকে আরও ছোটো করে জন বলে ডাকে। সেও বলে সিলভি। ইংরেজের মেয়ে, কিন্তু বাংলায় জন্ম। বেশ বাংলা বলে। অনেকটা বাঙালি মেয়ের মতো হাবভাব। এরা দু-জনে কুমারী। আর ম্যাদলিন বিবাহিতা। প্রায়ই তাঁর সঙ্গে থিয়েটারে দেখা হত। ফরাসি মহিলা, বয়সে বড়ো। ভদ্রতা করে সুজন তাঁকে তাঁর ফ্ল্যাটে পৌঁছে দিত ফেরবার পথে। তাঁর স্বামী দরজা খুলে দিতেন। তাঁর সঙ্গে এক পেয়ালা কালো কফি না খেলে তিনি ছাড়তেন না। তাঁর ধনুর্ভঙ্গ পণ তিনি ইংরেজি বুলি বলবেন না, আর কেউ বললে বুঝবেন না। অগত্যা সুজনকে ফরাসি শিখতে হয়।

    ঊর্মিলা, সিলভি, ম্যাদলিন এদের কাছে তার জীবনকাহিনি অজানা ছিল না। তার কাছে এদের যে অন্তরঙ্গতা সুজন অন্যের বেলা এড়াতে পেরেছে তা এদের বেলা পারেনি। এইটুকু বিশেষত্ব। এরা তার বন্ধু। যেমন বন্ধু কান্তি, তন্ময়, অনুত্তম। ছেলেদের সঙ্গে ছেলেদের বন্ধুসম্বন্ধ যেমন, ছেলেদের সঙ্গে মেয়েদের বন্ধুসম্বন্ধ তেমনি। এটা নর-নারীর সম্বন্ধ নয়। সুতরাং একনিষ্ঠতার আদর্শে বাধে না। বকুল জানলে কিছু মনে করত না। করলে ভুল করত। সুজন বকুলকে চিঠিপত্র লেখে না, নয়তো নিজেই তাকে জানত। বকুল ভিন্ন আর কোনো মেয়ের সঙ্গে তার আর কোনোরকম সম্বন্ধ থাকবে না, থাকলে একনিষ্ঠতায় চিড় ধরবে, এটা স্বীকার করে নিতে তার আপত্তি ছিল। বরং তলিয়ে দেখলেই এইটেই তার কুমার জীবনকে সহনীয় করেছে। এক দিকে যেমন বকুলের প্রতি আনুগত্য তাকে অক্ষত রেখেছে আর এক দিকে তেমনি ঊর্মিলা, সিলভি, ম্যাদলিনের সঙ্গে সৌহার্দ্য তাকে অক্ষত থাকতে সাহায্য করেছে। নইলে তার নিঃসঙ্গ জীবন দুর্বহ হত। তার অন্বেষণে অবসাদ আসত। ভালোবাসা এ নয়। কারণ এতে মন দেওয়া-নেওয়া নেই। সুজন একনিষ্ঠই রয়েছে।

    তিন বছর পরে সে ডক্টরেট পেল। প্রাচ্য ও পাশ্চাত্য নাট্যরীতির তুলনা করে সে একটি থিসিস লিখেছিল। সেটি প্রকাশ করতে আরও বছর খানেক লেগে গেল। এর পরে তার দেশে ফেরার কথা। দেশের জন্যে তার মন কেমন করছিল সেই প্রথম বছর থেকে। তার মতো দেশকাতুরে লোক যে এতদিন ধৈর্য ধরতে পেরেছে এই যথেষ্ট। ফিরে যাবার জন্যে প্যাসেজ কিনবে এমন সময় একখানা চিঠি এল। লিখেছেন একজন হবু শ্বশুর। চিঠির সঙ্গে একখানি ফোটো ছিল। হবুমতীর। তার সঙ্গে ছিল কয়েক ছত্র উপদেশামৃত। ওটুকু সুজনের পিতার। ব্রহ্মচর্যের পরের ধাপ গার্হস্থ্য। বিবাহ না করে গৃহস্থ হওয়া যায় না। বিবাহকাল সমুপস্থিত। এখন কেবল দেখতে হবে উপযুক্ত সহধর্মিণী কে? আমাকে যদি জিজ্ঞাসা করো আমি উত্তর দেব—হবুমতী। এমন কনে কোথাও খুঁজে পাবে নাকো তুমি।

    কাজেই সুজনের দেশে ফেরা হল না। লণ্ডন ছাড়ল সে ঠিকই। কিন্তু কলকাতার জন্যে নয়। নাটকের নেশা তখন তাকে পেয়ে বসেছে। চলল প্যারিসে। ইতিমধ্যে ফরাসি ভাষাটা তার উত্তমরূপে আয়ত্ত হয়েছিল। চাকরি জুটে গেল এক আমদানি-রপ্তানির কারবারে। ইংরেজি থেকে ফরাসিতে, ফরাসি থেকে ইংরেজিতে দলিলপত্র ভাষান্তর করতে হয়। সাধারণ অনুবাদকের চেয়ে আর একটু বেশি দায়িত্বজ্ঞান দরকার। দেশে থাকতে সুজন আইন পড়েছিল। সেটা কাজে লাগল। মাইনে মন্দ দেয় না। Place de la Republique অঞ্চলে হোটেলে থাকা পোষায়। ফরাসি প্রযোজকদের মধ্যে যাঁরা ইংরেজি জানতেন তাঁরা তার মুদ্রিত থিসিস উপহার পেয়ে তাকে ঢালাও অনুমতি দিলেন। মঞ্চের আড়ালে তার অবাধ প্রবেশ। তার মন্তব্য শুনতে তাঁদের প্রচুর আগ্রহ।

    লঙ্কায় গেলে নাকি রাবণ হয়। তা হলে লণ্ডনে গেলে হয় চটপটে জোগাড়ে ফিটফাট ছিমছাম। আর প্যারিসে গেলে? প্যারিসে গেলে হয় রুচিমান চতুর বাকপটু দিলখোলা। যাই বল ইংরেজরা এখনও পিউরিটান প্রভাব কাটিয়ে উঠতে পারেনি। রঙ্গালয়েও না। ফরাসিদেরও বালাই নেই। খোলাখুলি আবহাওয়ায় সুজন হাঁফ ছেড়ে বাঁচল। ভন্ডামির মুখোশ আঁটতে হল না। বছরের পর বছর কাটে। দেশে ফেরার নাম করে না। দেশ থেকে অনুরোধ এলে লিখত, যেখানে দানাপানি সেখানে বীণাপাণি। এখানে যতদিন চাকরি আছে ততদিন শিল্পসৃষ্টিও আছে। দেশে গেলে তো বেকার হতে হবে। কিংবা দরবার করতে হবে যত সব হঠাৎ নবাবের হঠাৎ মোড়লের কাছে। শিল্পসৃষ্টি শিকেয় তোলা থাকবে। আসল কথা বিয়ে করতে তার একটুও স্পৃহা ছিল না। বুড়ো বাপ বেঁচে আছেন শুধু ওইটুকুর জন্যে। কিন্তু কী করে তাঁকে বাধিত করা যায়? একজনকে বিয়ে করে, আর একজনের প্রতি অনুগত থাকবে, সার্কাসে দড়ির উপর দিয়ে হাঁটার চেয়েও এটা শক্ত। সুজনের বিচারে এটা দ্বিচারিতা, রাধার বিচারে যাই হোক।

    এখনও কি সে বকুলের ধ্যান করে? বকুলের মুখখানি মনে পড়ে তার? তেমনি ভালোবাসে? হাঁ, এখনও। বকুলকে আড়াল করেনি আর কারও মুখ। তবু তলে তলে পরিবর্তন চলছিল। একনিষ্ঠতার ব্যাখ্যা লণ্ডনে যেমন ছিল প্যারিসে তেমন ছিল না। মন জানাজানি থেকে মন দেওয়া-নেওয়ায় পৌঁছেছিল। দেহ ও মনের মাঝখানে স্পষ্ট একটা বেড়া আছে, সকলের চোখে পড়ে। যেখানে দেহের ব্যাপার সেখানে সুজন সব সময় সতর্ক। কিন্তু বন্ধুর ভালোবাসা ও প্রেমিকের ভালোবাসার মাঝখানে পরিষ্কার কোনো ভেদরেখা নেই। যতই সজাগ থাকো না কেন সীমানার ওপারে গিয়ে পড়া একান্ত স্বাভাবিক ও সহজ। প্যারিসে এসে এই অভিজ্ঞতা হল। শুরু হয় বন্ধুতারূপে। বকুলের প্রতি একনিষ্ঠতা অক্ষুণ্ণ রেখে। কিন্তু এমন এক সময় এল যখন সুজন বিস্মিত হয়ে আবিষ্কার করল যে বন্ধুতার রাজ্য পিছনে পড়ে আছে, পায়ের তলায় প্রেমের রাজ্যের মাটি। মেয়েটির নাম সোনিয়া। হোয়াইট রাশিয়ান। অনেক দুঃখ পাওয়া অনেক পোড় খাওয়া বিদগ্ধ কলাবিদ। বেহালা বাজিয়ে বেড়ায়। লণ্ডনে সুজন তার রিসাইটালে যেত। তখন আলাপ হয়নি। পরে আলাপ হল প্যারিসে।

    সোনিয়ার বিয়ে ভেঙে গেছে। সে আর বিয়ে করবে না। বিয়েকে তার ভয়। সুজনও বিয়ে করতে চায় না। বকুলের প্রতি দ্বিচারিতাকে তার ভয়। একনিষ্ঠতার আদর্শ এই এক জায়গায় অটল ছিল। কিন্তু সুজন যখন ধ্যান করতে বসে বকুলের রূপ ক্রমে সোনিয়ার রূপ হয়ে দাঁড়ায়। বিষণ্ণ বিদগ্ধ অনিকেত অনাথ সোনিয়া। দুনিয়ায় আপন বলতে কেউ তার নেই। ঘর নেই, দেশ নেই, ধন নেই, সঞ্চয় নেই। আছে ওই বেহালাটি। আর আছে প্রতিভা। যেখানে যখন ডাক পড়ে সেখানে তখন যায়। সুজনকে বলে যায়, আবার দেখা হবে। সুজন বসে থাকে পথ চেয়ে। বিরহ বোধ করে। এ বিরহ বকুলের জন্যে নয়। এ বিরহে মিলনবাসনা মেশানো। মিলন অবশ্য চোখে দেখা, কাছে থাকা, হাতে হাত ধরা, দৈবাৎ ঠোঁটে ঠোঁট ছোঁয়ানো। এও কি দ্বিচারিতা? সুজনের মন বলে, না। দ্বিচারিতা নয়। বরং তলিয়ে দেখলে এরই দ্বারা দ্বিচারিতা নিবারিত হচ্ছে। নয়তো তার কুমারজীবন অসহন হত। বকুল এর কী বুঝবে! তার তো এ সমস্যা নেই। তবু তাকে বুঝিয়ে বললে সে বুঝত। কিন্তু বোঝাবে কী করে? চিঠি লেখালেখি নেই। শুধু বড়োদিনের সময় কার্ড পাঠায়, কার্ড পায়। তাতে দু-এক ছত্র হাতের লেখা জুড়ে দেয় দু-জনেই।

    দেহের সঙ্গে মনের সেই যে সুস্পষ্ট ব্যবধান সেটাও ক্রমে অস্পষ্ট হয়ে এল। কোথায় দাঁড়ি টানবে? কী করে থামবে! সুজন বুঝতে পারল এবার যা আসছে তা বিয়ে নয়, তবু বিয়ের থেকে অভিন্ন। তার থেকে পরিত্রাণের একমাত্র পন্থা পালানো। তাকে প্যারিস ত্যাগ করতে হবে। তার মানে সোনিয়াকে ত্যাগ। বেচারি সোনিয়া! তার জীবনটা ত্যাগে ত্যাগে জর্জর। যেই তাকে ভালোবেসেছে সেই তাকে ত্যাগ করেছে। সুজনও এর ব্যতিক্রম নয়। ভাবতে সুজনের ব্যথা লাগে।

    হ্যাঁ, আছে বটে আর একটা উপায়। বাসনা কামনাকে বশ করা। ইন্দ্রিয়ের রাশ টেনে ধরা, দেহের প্রতি নির্মম হওয়া। সোনিয়া যখন ঠোঁট বাড়িয়ে দেবে সুজন তখন ঠোঁট বাড়িয়ে দেবে না, সুজন ঠোঁট সরিয়ে নেবে। খেলার ছলে নয়, সত্যি সত্যি। ত্যাগ না করার একমাত্র শর্ত ভোগ না করা। ভোগ করতে গেলেই ত্যাগ করতে হবে। এ বড়ো নিষ্ঠুর ন্যায়শাস্ত্র। সোনিয়া সব কথা শুনে বলল, ‘বেশ, তাই হোক। তোমার শর্তে আমি রাজি। তুমি যেয়ো না।’ সুজন বেঁচে গেল। তাকে প্যারিস থেকে পালাতে হল না। সোনিয়াকে ত্যাগ করার গ্লানি বহন করতে হল না। কিন্তু নিত্য নিত্য সংগ্রাম করতে হল নিজের বাসনা-কামনার সঙ্গে। তার চেহারা বিশ্রী হয়ে গেল। মাথায় টাক পড়ল। ভুঁড়ি ফাঁপতে লাগল। আয়নায় নিজের মূর্তি দেখে সে আঁতকে উঠল। ওদিকে সোনিয়ার তেমন কোনো রূপান্তর ঘটল না কিন্তু।

    দীর্ঘকাল ইউরোপে বাস করে সুজনের জীবনের প্রত্যাশা দীর্ঘতর হয়েছিল। বিয়ে যদি তাকে কোনোদিন করতে হয় তবে তত দিনে তার আকার ও আকৃতি হোঁদলকুতকুতের মতো হয়ে থাকবে বলে তার ভয়। কলাবতীর অন্বেষণ তাকে সুন্দর না করে অসুন্দর করবে এই-বা কেমন কথা! চিরসৌন্দর্যের ধ্যান থেকে আসবে চরম কুরূপ! কোথায় তা হলে সে ভুল করেছে? সাধনার কোন পদক্ষেপে? প্রকৃতি এভাবে প্রতিশোধ নিচ্ছে কেন? সুজন ভাবে আর ভাবে। হঠাৎ তার মনে হয় একনিষ্ঠতাকে সে একটা ফেটিশ করে তুলেছে বলে তার এই দশা। যেখানে প্রেম সর্বদা সক্রিয় সেখানে একনিষ্ঠতা আপনাআপনি আসে। বকুলের প্রতি তার প্রেম অন্তঃসলিলা ফল্গুধারার মতো এখনও বিদ্যমান, কিন্তু বহতা নদীর সঙ্গে তার তুলনা হয় না। একনিষ্ঠতা এক্ষেত্রে নিজেকে বঞ্চিত করা। প্রকৃতি কেন ক্ষমা করবে?

    এমন সময় দেশ থেকে চিঠি এল সুজনের বাবার শক্ত অসুখ। বোধ হয় বেশি দিন বাঁচবেন না। ছেলেকে তিনি দেখতে চান। সোজা বাংলায়—যাবার আগে ছেলের বউ দেখে যেতে চান। এবার সুজন বেঁকে বসল না। বরং একপ্রকার স্বস্তি বোধ করল। বিয়ে যদি হয় তবে মরণাপন্ন পিতার অন্তিম ইচ্ছায় হোক। তার নিজের ইচ্ছায় নয়। তার নিজের ইচ্ছা যে কী তাই সে জানে না ও বোঝে না। পরমায়ু যদি প্রকৃতই দীর্ঘ হয়ে থাকে তবে বকুলের প্রতি একনিষ্ঠতার খাতিরে সোনিয়ার প্রেম পাওয়া সত্ত্বেও অনবরত তাকে অন্তর্দ্বন্দ্ব চালিয়ে যেতে হবে অবশিষ্ট জীবন। হ্রস্ব পরমায়ু ছিল ভালো। তার যখন কোনো লক্ষণ নেই তখন পরাজয় বরণ না করে উপায় কী! কিন্তু তার আগে একবার বকুলের সঙ্গে দেখা হলে ভালো হয়। কলম্বো হয়ে দেশে ফিরবে সুজন। যদি দেখে বকুল সুখে আছে তা হলে সে তার বুড়ো বাপকে শেষ ক-টা দিন সুখী করবে। আর যদি লক্ষ করে বকুলের মনে সুখ নেই তবে কোন প্রাণে সে নিজের সুখ বা তার পিতার সুখ খুঁজবে! না, তেমন হৃদয়হীন সে নয়। কোনোদিন হবেও না। বকুল যদি অসুখী হয়ে থাকে তবে তার জন্যেই হয়েছে, তারই কথা ভেবে। অসুখীকে আরও অসুখী করবে কে? সুজন? প্রাণ গেলেও না। প্রাণ থাকতে তো নয়ই!

    সোনিয়ার কাছ থেকে চোখের জলে বিদায় নিয়ে কলম্বোগামী জাহাজে চড়ে বসল সুজন। সে কাউকে বঞ্চনা করেনি। নিজেকেই বঞ্চিত করেছে। কেউ যেন তার উপর অভিমান পুষে না রাখে। সোনিয়া যেন না ভাবে সুজন তাকে ত্যাগ করেছে। সুখী হোক, সার্থক হোক সোনিয়া। এমন কেউ আসুক তার জীবনে যে তার সাথি হবে অনন্তকাল। বিদায়, প্রিয়ে! বিদায়, সোনিয়া!

    কলম্বোয় মোহিত তাকে নিতে এসেছিল জাহাজ থেকে বাড়িতে। বকুল আসতে পারেনি কোলের ছেলে ফেলে। মোহিত তাকে পুরোনো বন্ধুর মতো জড়িয়ে ধরল। বিজয়ী প্রতিযোগীর মতো নয়। বকুল তার জন্যে প্রতীক্ষা করছিল। শুকতারার মতো উজ্জ্বল তার চোখ। প্রজ্ঞাপারমিতার মতো ভাস্বর তার মুখ। মা হয়ে বকুল আরও সুন্দর হয়েছে। যেটুকু বাকি ছিল তার সৌন্দর্যের সেটুকু ভরে গেছে। ভরন্ত গড়ন। রাজরানির মতো চলন। এই আট-নয় বছরে বকুল বিকশিত হয়েছে শতদলের মতো। আর সুজন? সুজন হয়েছে ক্ষতবিক্ষত বঞ্চিত বিদগ্ধ।

    মোহিত আর বকুল দু-জনের অনুরোধে সুজনকে থেকে যেতে হল সিংহলে দিনের পর দিন, পিতার জন্যে উদ্বেগ নিয়ে। তার ভালো লাগছিল থাকতে। বকুলকে তার জীবনের গল্প শোনাতে। তার ভবিষ্যতের কল্পনা জানাতে। কোনো কথা সে গোপন করল না, হাতে রাখল না। বকুলের জন্যে সে নিজের সুখ বিসর্জন দেবে যদি নিশ্চিত বুঝতে পারে যে বকুল এ বিবাহে সুখী হয়নি। নয়তো একজন সুখী হবে, আরেক জন অসুখী হবে, একেই কি বলে একনিষ্ঠতা? সুজন আশা করেছিল বকুল তার কাছে মন খুলবে। কোনো কথা গোপন করবে না, লুকিয়ে রাখবে না। তা কি হয়! বকুলের স্বামী আছে, স্বামীর ঘরে বসে কেমন করে স্বামীর সঙ্গে সম্বন্ধের কথা খুলে বলবে সে পরপুরুষকে!

    বকুল বলল, ‘আমি সুখী হয়েছি। এবার তুমি সুখী হলেই আমার আফশোস যায়। বিয়ে কোরো, সুজিদা। ভুলে যেয়ো আমাকে। ফরগেট মি, প্লিজ।’

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleবিনুর বই ও নির্বাচিত ছোটোগল্প – অন্নদাশঙ্কর রায়
    Next Article পুতুল নিয়ে খেলা – অন্নদাশঙ্কর রায়

    Related Articles

    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    বিপিনের সংসার – বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    January 8, 2026
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    ভয় সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    কিশোর অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    প্রকাশ্য দিবালোকে – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 18, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    তারপর কী হল – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 17, 2025
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    শর্ম্মিষ্ঠা নাটক – মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    November 11, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }