Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    কয়েদি – তিলোত্তমা মজুমদার

    তিলোত্তমা মজুমদার এক পাতা গল্প149 Mins Read0
    ⤷

    কয়েদি – ১

    ১

    এই ঘর তার জন্য। অন্য কতজনের ছিল ইতঃপূর্বে। কোনও অন্ধকারে পোকায় কাটা জাবদা খাতায় তাদের ঠিকুজি কুলুজি লেখা আছে এমনটাই স্বাভাবিক। মা কে, বাপ কে, বউ কোথায়, নাম কী, পেশা কী, বাচ্চাকাচ্চা কয়টি ও কী কী। বউ যদি না থাকে, কেন নেই? নাকি ছিল, ছেড়ে চলে গেছে? চোদ্দোপুরুষের প্রসঙ্গ ওই খাতায়। পরিবারে কারো অপরাধের ইতিহাস আছে? ঠিক এভাবে জিজ্ঞেস করে না, বলে, ফ্যামিলিতে কারো ক্রাইম হিষ্ট্রি আছে?

    উন্মাদের চিকিৎসালয়েও এবংবিধ প্রশ্ন করা হয়। বস্তুত, উন্মাদ আর অপরাধীর যে অণুপরিমাণ তফাত, তা নির্ণয় করা মহাশক্ত। উন্মাদের ক্ষেত্রে অবশ্য বংশ আসে। পরিবার না, ফ্যামিলি না, সোজা বংশ। বংশে কেউ পাগল ছিল?

    এই তথ্যসমূহ নিশ্চয় সভ্যতা, সমাজ ও সংস্কৃতির পক্ষে অপরিহার্য,নইলে এতসব জানতে চাইবে কেন? কিন্তু তথ্যসংগ্রাহকের ভাবখানা এমন যেন একজন অপরাধ করে ফেলেছে, তার অর্থ, এর মৃত পূর্বজনেরা সব পাপী, জাত অথবা অজাত ভবিষ্যের প্রজন্ম পাপ, অন্যায়, অপরাধের কাণ্ডারি। আরে, ঠাকুরদাদার বাবার নাম কেউ মনে রাখে না, বংশে পাগল ও পাপী ছিল কি না, তা কে বলবে? তদুপরি, পাপ ও পাগলামি, দুইই লুক্কায়িতভাবে করা যায়। বিশেষত, অন্যায়, অবিচার, অপরাধ, পাপ মনুষ্যে সাক্ষীসাবুদ ডেকে, ইতিহাস লিখে সম্পন্ন করতে কখনো আগ্রহী নয়। আর পাগলামির চেয়ে গোপনীয় আর কী আছে? যে উন্মাদনা প্রকাশ্য, তা ব্যক্তিক হলে লজ্জা। অসম্মান। ব্যঙ্গ। হতাশা। সেইসঙ্গে দুর্বহ বোঝাও বটে। অতএব, পূর্ণাঙ্গ পাগল ঘুরে বেড়ায় পথে পথে। কিংবা শেকল-বাঁধা দশায় কোনও ঠিকানাহারা ঘরে।

    আর যে উন্মাদনা সামষ্টিক, তার ক্ষমতা সমুদ্রের উত্তাল ঢেউ। কে তাকে ধরে রাখবে? কে করবে নিরাময়ী শুশ্রূষা? কে রোধ করবে অবধারিত ভাঙন ও বিধ্বংস? কে তাকে বলবে শুদ্ধ মানবতাবিরোধী পাগলামি?

    ওঃ! বীভৎস তথ্যসমৃদ্ধ খাতা। আর ওই খাতা কখনো আলোয় থাকতে পারে না। অন্ধকার ভেদ করার শক্তি ধরে আলোকরশ্মি এবং কতিপয় অন্তর্ভেদী চোখ। এবং ভেদমাত্র বহু বিশুদ্ধ সত্য, মিথ্যের মিশ্রণে পুনর্গঠিত সত্য, আদৌ যা সত্য ছিল না, সেই সত্যাসত্য উন্মোচিত হয়। সে ভয়ানক ব্যাপার।

    বিশুদ্ধতা কী?

    বিশুদ্ধি কীভাবে নির্ণয় করা যায়?

    কে ঘটনার শুদ্ধতা-অশুদ্ধতা নির্ধারণ করে?

    কী তার প্রক্রিয়া?

    বিশুদ্ধতা কি আদৌ অস্তিমান? শুদ্ধ সত্য। বিশুদ্ধ বায়ু। নির্মল সত্য। বিশুদ্ধ হৃদয়। অমল সত্য। অস্ত্রোপচারের বিশুদ্ধ উপকরণ। বিশুদ্ধ সত্য। বিশুদ্ধ জল। সত্য। সত্য। সত্য। এহ, তিন সত্য?

    সত্য? সত্যই বা কী? সত্য ঘটনা। সত্য বর্ণনা।

    সত্য কীভাবে গণনা করা যায়?

    সত্য আর মহাশূন্যতা কি একাকার নয়? এই দুইয়ের পক্ষে বিশেষণ কি অর্থহীন নয়?

    অন্তরীক্ষের ওই অন্তহীন মহাশূন্যতায় যত তারা জ্বলে, সকলই বিশুদ্ধ সত্য নয়। বহু মৃত নক্ষত্র কালের পথবাহী মিথ্যার অস্তিত্ব।

    সে কেমন? সে কী?

    সে হল জীবনের মরীচিকা। মৃত অতীতীভূত জ্যোতিষ্কের ছবি মাত্র। যেমন দর্পণে প্রতিবিম্বিত মুখ। তুমি দেখো, এক অন্য তুমি। কিন্তু সে অনস্তিত্ব। আলোর কৌতুকক্রীড়া। এক বারান্দায় একটি আয়না রাখা ছিল। ছোটো। ওই, দাড়ি কাটার জন্য এক কৃপণ আয়না। একটি মোরগ দাঁড়াল তার সামনে। অমনি দেখে, এইয়ো, আরও এক মুশকো মোরগ। দিল ঠুকরে। তৎক্ষণাৎ প্রতিবিম্বও দিল পালটা ঠোকর। ঠোঁটে ঠোঁট। চোখে চোখ। বুকে বুক। মুখে মুখ। এ ডানা ফাঁপায়, নিমেষে সে-ও। লেগে গেল মাংসরক্তহাড়চামড়া পালক ইত্যাদির সঙ্গে আলোকপিণ্ডের লড়াই। এর হাতে চাক্কু বেঁধে দিলে ওর হাতেও চাক্কু। দক্ষিণপন্থা আর বামপন্থার গোলমাল ছাড়া আর সব হুবহু।

    আলোর পিণ্ড কি সত্য সম্ভব?

    ওহ ওহ রিঙ্গণে সক্ষম শিশু মেয়ে, চতুষ্পদী ছুটে ছুটে গতিময়তায় বিভোর, হাসছে খলখল কলকল। গাছপালার ফাঁক দিয়ে ঢুকেছে রোদ্দুর, খণ্ড খণ্ড রোদ্দুরের পিণ্ড। মেয়ে সেগুলি তুলে নিচ্ছে করতলে। যতবার তোলে ততবার গড়িয়ে যায় যেমন ছিল তেমন। এক লিঙ্গবান, থাকত পাশের বাড়ি, রোদ্দুর-কুড়ানি শিশুমাংস দেখে লোলুপ কামুকতায় ধরল চেপে, নরম আর ফুটো, নরম আর ফুটো, নরম আর ফুটো, মাত্র একটা ফুটোর মধ্যে অধীর অসংযত শিশ্ন বিদ্ধ করার তীব্র তাড়নায় সেই কলকলে খলখলে শিশু মেয়েকে নারীকল্পে পরুষ হাত করে দিল রক্তাক্ত, ঘাড় ভেঙে লটকানো, মৃত্যুনীল, নরম নরম মাংসের পিণ্ড। তারপর…

    সত্য। সত্য। এই সত্য। নির্মম সত্য। কে বলে, কে বলে সত্যের বিশেষণ নেই?

    নেই।

    কারণ?

    কারণ সত্য মাত্রই নির্মম। সত্য মাত্রই বিশুদ্ধ, অবিমিশ্র। তাই সত্য বলে কিছু নেই।

    মোরগের গল্পটা সত্যি না?

    একেবারে নির্ভেজাল সত্যি।

    নির্ভেজাল। নির্মম লাগছে না তেমন।

    নির্মম। নিষ্ঠুর। মিথ্যে মোরগের সঙ্গে সত্যি মোরগের যুদ্ধটা সত্যি। ফলে মিথ্যের সঙ্গে যুঝতে যুঝতে, যুঝতে যুঝতে, মোরগটা ধ্বস্ত, শ্রান্ত, বিভীষিকাগ্রস্ত।

    এর মধ্যে ভয় আসে কোত্থেকে?

    ভয় নয়, ত্রাস। কারণ যুদ্ধ শুরু হল কিন্তু সে জানলই না সে বিজয়ী, না পরাজিত। নিজের সঙ্গে নিজের লড়াইয়ে ভীষণ ভয়। যখন তুমি জানোই না, তুমি সর্বস্ব দিয়ে লড়ছ আসলে তোমারই বিরুদ্ধে।

    মোরগটা বোকা।

    তা হতে পারে। মোরগের ওইটুকু মাথায় আর কত বুদ্ধি ধরা সম্ভব।

    মোরগের গল্পটা একটা সিংহের গল্পের মতো। সেই যে এক হরিণবাচ্চা খেতে চাইল সিংহ, তখন, কুয়োর মধ্যে আরও পরাক্রমশালী এক কেশরীর বাস, এই বলে পশুরাজকে হরিণ নিয়ে গেল কুয়োপাড়ে, আর জলে নিজের প্রতিচ্ছবি দেখে লড়াই করার জন্য পশুরাজ দিল লাফ ইত্যাদি ইত্যাদি।

    ওটা কি হরিণ ছিল, না খরগোশ?

    শেয়াল হলেই বা কী।

    গল্পটা কাঁচা।

    কেন?

    হরিণ বা খরগোশ, বা শেয়ালের প্রতিবিম্ব সম্পর্কে ধারণা আছে, আর সিংহ শুধু অজ্ঞ?

    যুক্তি আছে। তবে শোনা যায়, দেহবল বেশি হলে বুদ্ধিবল হ্রাস পায়।

    শোনা তো অনেক কিছুই যায়। যেমন, যুধিষ্ঠির নামে একজন রাজা ছিল, সে সবসময় সত্য বলত। যত্তসব।

    সে আবার কী! যুধিষ্ঠির যত্তসব কী করে হয়?

    এইজন্য হয়, সদা সত্য কেহ বলিতে পারে না। সদা সত্য বলিবে শেখাতে হয় কেন? কারণ, কেহ সদা সত্য বলে না।

    মোরগের গল্পটা?

    সম্পূর্ণ সত্য। নিজের চোখে দেখা।

    তুমি যা দেখিবে তাহাই সত্য।

    তুমি যা রচিবে তাহাই সত্য।

    ঘটনাই কি সত্য? নাকি সত্যই ঘটনা?

    ঘটনা, ঘটনা। সত্য, সত্য।

    সত্য ঘটনার তবে কী গতি? কিংবা ঘটনার সত্যতা?

    সত্য ঘটনা মায়া। ঘটনার সত্যতা বিভিন্ন পর্যবেক্ষণের সমাহার।

    সত্য মায়া? এ কি সত্য?

    সত্য, সকলই সত্য। যাহা আমরা বিশ্বাস করিতে চাই তাহাই সত্য।

    মিথ্যাও কি আমরা বিশ্বাস করিতে চাই না?

    মিথ্যা আমরা বিশ্বাস করাতে চাই।

    তাহলে কি আমার মিথ্যা, তোমার সত্য?

    একটা বটবৃক্ষ বেশ বেড়ে উঠেছিল। চমৎকার সবুজ ডালপালা। কত পাখি আসে। বসে। গান গায়। কত পথিক, ফিরিওয়ালা, ফুচকাওয়ালা, রিকশাওয়ালা তার নীচে বিশ্রাম নেয়। সেই বটের ঠিক পিছনে একটা উঁচু বাড়ি। এক নারী সেখানে বন্দিনি। বাইরে বেরুবার অধিকার নেই কারণ স্বামীর সন্দেহবাতিক। সে স্বামী রাখে, না স্বাধীনতা? স্বামী খেতে-পরতে দেয়। আদর করে। বিবাহবার্ষিকী বা জন্মদিনে উপহার বরাদ্দ। মাঝে মাঝে নামকরা রেস্তরাঁ থেকে খাবার। শুধু, কোনও পুরুষের চোখে চোখ রাখলেই স্বামী হারামির মতো আচরণ করে। নারী একবার কাগজওয়ালার বিল মেটাতে গিয়ে অসাবধানে লোকটার চোখে চোখ রেখেছিল, কারণ বিলের পরিমাণ বিষয়ে তার মনে প্রশ্ন জাগে, সেই সঙ্গে, হিসেব বুঝে নেবার কালে, বুঝি-বা, কাগজওয়ালার সঙ্গে তার একটু হাত ছোঁয়াছুঁয়ি ঘটে। স্বামী সেই স্পর্শ কামমোহিত বলে বিশ্বস করল, তার কাছে সেই সত্য হল, ফলে, অপর এক সত্য, দামি চামড়ার জুতো দিয়ে পিটিয়ে নারীর চামড়া ফাটিয়ে রক্তাক্ত করে দিল স্বামী। তাহলে কি স্বামী যে তাকে আদর করে, তা মিথ্যা ভালোবাসা? ছদ্ম? ছদ্মের প্রতীকায়িত রূপ সত্য। আর ভালোবাসা ছদ্ম ছিল না। কারণ, প্রহৃত হতে হতে নারী ভাবছিল, এই সন্দেহ আসলে প্রেমের উন্মাদনা, প্রণয়ের অধিকার। তারপর যখন স্বামী নিজেই তার ক্ষতয় প্রলেপ, তখন ভালোবাসা সত্যি সত্যি সত্যি, তিন সত্যি।

    আসল কথায় আসা যাক।

    সব কথাই আসল কথা। তুমি কোন কথা আসল বলো?

    বটগাছ।

    না। আসল ছিল সত্য ও মিথ্যা।

    না। প্রকৃত বিষয়, নারী স্বামী রাখে, না স্বাধীনতা রাখে?

    ওঃ, নারী সত্য। বটগাছ সত্য। স্বামীর প্রেম সত্য। শুধু স্বাধীনতা বলে জগতে কিছু নেই, এই ভাবনাও সত্য হল। এই পৃথিবী আসলে এক বিপুল জেলখানা, বিশ্বাস করল সেই নারী। কিন্তু জেলখানা থেকে, খাঁচা থেকে, বন্ধন থেকে বেরুতে চাওয়া যে অপর এক সত্য। তাই, সেই নারী জানালার কাছে দাঁড়ায়। দেখে বটগাছ বাড়ছে। বেড়েই চলেছে। সে ভাবে, আর কয়েক বছর, তারপরেই গাছ জানালার কাছে এসে যাবে। তখন গাছ স্পর্শ করবে সে। আর কাউকে ছুঁতে খুব ইচ্ছে করে। আর কাউকে একেবারে কাছ থেকে দেখতেও খুব ইচ্ছে করে।

    তারপর?

    সে বটগাছের প্রতি তার কামনা নিবেদন করে। বলে এসো, আর-একটু কাছে এসো। আমার কাছে এসো। বিস্তার করো তোমার সবল শাখা। স্বাধীন পাখিরা এসে বসুক আমার জানালার কাছে, তোমার ডালে।

    বটগাছ কী বলত তাকে?

    বলত, আসছি। আমি আসছি। দু-দণ্ড দাঁড়াও। একদিন সক্কাল সক্কাল হল কী…

    কী হল? কী হল? স্বামী কিছু করল?

    বিদ্যুৎ দপ্তরের লোক এসে গাছের মগডাল থেকে শুরু করে ওপরের যত শাখা দিল কেটে।

    ওঃ।

    সেই নারী বৃক্ষচ্ছেদনের শব্দ পেয়ে জানালার কাছে এসে ওই ছিন্ন শাখা দেখে আর্তনাদ করে বলল, এ কী? এ কী? এই, এই, শুনছ? শুনতে পাচ্ছ? তোমরা গাছ কাটছ কেন? বিদ্যুতের তারে গাছ লাগছে বউদি। না কাটলে চলবে? অ্যাক্সিডেন্ট হয়ে যাবে তো।

    তারপর?

    স্বামী এল। বলল, ওরা ঠিক কাজই করছে। তুমি ফোপরদালালি করছ কেন? এক রিকশাচালক, বৃদ্ধ, জীবনের অনেকখানি দেখে নেওয়ার পর সে মদ্যপান করত হরদম এবং তখন সে হয়ে উঠত নির্ভীক, বলল, মাথার ওপর ছাতা হল বটবৃক্ষ, একটু বসতুম, গরমে ছায়া পেতুম, সইল না। এক পরিবেশপ্রেমী ছিল পাড়ায়। সে এসে বলল, বিদ্যুতের তার অন্যভাবেও আলাদা করে দেওয়া যায়। তার জন্য এভাবে গাছ কাটার কী দরকার? পুকুর বুজিয়ে ফেলা হচ্ছে, গাছ কেটে ফেলা হচ্ছে, প্লাস্টিকে অকেজো হয়ে যাচ্ছে নিকাশী ব্যবস্থা। এক চক্রান্তের বেষ্টনী সমাজকে খেয়ে ফেলছে। এর থেকে মুক্তির উপায় কী?

    সেই নারীর কী হল?

    কে জানে? কিন্তু একটা বটগাছের শাখাকর্তন কতগুলি সত্য ব্যাখ্যা করল? ওই নারীর কাছে বটগাছ মুক্তির আকর্ষণ ছিল, শাখার ছেদন তার পক্ষে মর্মঘাতী, বিদ্যুৎ দপ্তরের লোকের কাছে ওই কর্ম নীতিঋদ্ধ, দায়িত্বিক। রিকশাচালকের কাছে ওই কর্ম অন্যায়, অবিচার, বুঝি বা সর্বহারার ওপর ধনিকশ্রেণির হৃদয়হীন শোষণের মতো, যা কমিউনিস্ট সত্য। আবার ধনতান্ত্রিক সত্য এই যে, রিকশাওয়ালা হুকিং করে বিদ্যুৎ চুরি করছে, অন্যের প্রাণ বিপন্ন হতে পারে জেনেও নিজের ছায়া পাবার স্বার্থ তাকে তাড়িত করে, সে দিনে পরিশ্রম করার পরিবর্তে সুরাপান করে ঘুমোতে চায়, এরা সামাজিক সম্পদ বিকাশের অন্তরায়।

    আরও কিছু বলবে নাকি?

    ওই নারী, যে স্বামী বেছে নিয়ে স্বাধীনতা বিসর্জন শ্রেয় ভাবছে, যে মনে করে জগৎ এক অনন্ত অসীম কারাগার, এই গৃহ হতে বাইরে তার জীবিকা কী হবে? কে তাকে খাওয়াবে? যদি খাওয়ায়, তার বিনিময়ে সে কী চাইবে? যদি কোনও ব্যবস্থা করা না যায়, সে কি বিশ্বজোড়া ব্রথেল বা যৌনপল্লির বাসিন্দা হয়ে যাবে না? সেই ভয়ংকর শৃঙ্খল সে বইতে পারবে কি? সে অনুমান করেছে, স্বামী লোকটির শৃঙ্খল তুলনায় বহন করা সহজ। এর মধ্যে সমাজ ও আইনের জলছাপ আছে।

    আর?

    স্বামীর সন্দেহপ্রবণতা যে মানসিক অসুস্থতা, এই সত্য নারী গ্রহণ করে না। এই সত্য তার কাছে মিথ্যা হয়ে যায়। তাহলে বটবৃক্ষজনিত সত্য একেক দৃষ্টিকোণে একেক স্বরূপে সত্য, এক অসুস্থতা যুগপৎ সত্য ও মিথ্যা। তাহলে কি এই দাঁড়ায় না, তুমি যা রচিবে তাহাই সত্য। তুমি যা বিশ্বাস করিবে তাহাই সত্য।

    মাঝে মাঝে নিজেকে কেমন ধোঁয়া-ধোঁয়া মনে হয় না? সত্য কি তাহলে ধোঁয়া? শীতের বিকেলে মাটির কাছাকাছি জমাট হয়ে থাকে, সন্ধ্যার কুয়াশায় ভিজে ওঠে, রাত্রির শিশিরে ধুয়ে যায়। সব মিলে হয়ে ওঠে ঘটনা।

    সত্য নিরাকার। স্থানকালব্যক্তি নিরপেক্ষ। ঘটনা বিচ্ছিন্ন তথ্যের সমন্বয়। সত্য ঘটনা অর্থ অনেক নির্ভরযোগ্য তথ্যসমাহার।

    তা-ই হবে। বেশি ভাববার কী দরকার? ভাবনাচিন্তা হল অশেষ ও অসীম অন্ধকার গুহায় ঢুকে পড়ার মতো।

    ভাবনা আলোর মতো। যখন দেহ আছে, মন আছে, বুদ্ধিও বর্তমান, কিন্তু শুধু একটা কুঠুরিতে বসবাস, তখন চিন্তন আলো, চিন্তন উত্তাপ, চিন্তাই জীবন।

    অন্ধকার ঘরে সেই এক জাবদা হিসেবের খাতা কি এই জীবন ধারণ করে না? সেই জীবন কি সত্য নয়?

    সত্য ও মিথ্যা। শুদ্ধ ও ভ্রান্ত। রুপোলি পোকারা এবং বল্মীক কীট তা জানে।

    আর জানো তুমি।

    অনেক বছর আগে অগণিত সত্য, অর্থাৎ সত্য ঘটনা, যার আসল সংখ্যা কারো কারো জানা ছিল কিন্তু সেগুলি মিথ্যের সঙ্গে মিশিয়ে দেওয়া হয়, ফলে তথ্যের মর্ম অগুনতি কল্পসংখ্যায় রূপান্তরিত, সেই সমস্তই এক সুগভীর কুয়ো খনন করে, সেই কুয়োয় যখন তলানি ভূত্বকের কঙ্কাল দেখা যাবে বলে মনে করা হচ্ছে, সেই গণনাতীত সত্যগুলি নিক্ষেপ করে অত্যন্ত ভারযুক্ত ও নির্ভরযোগ্য ধামা চাপা দেওয়া হয়। এই ঝুঁকিপূর্ণ বিরক্তিকর কর্ম সমাধা করার উদ্দেশ্য অচিরেই সফল হয়। সত্য সকলই সত্য স্মরণাতীত হয়ে গেল।

    সত্যে ভেজাল?

    দিন যায় দিন যায়। কত দিন, কারো হিসেব রাখার দরকার পড়েনি, ওই গভীর ভূস্তরে নানাবিধ গলিত, অর্ধগলিত, কঠিন বাস্তবের সঙ্গে থাকতে থাকতে সত্যগুলি বস্তুত অতি ক্ষমতাশালী ও ক্ষুধার্ত হয়ে পড়ে। ক্ষমতা যত বাড়ে ক্ষুধাও বাড়ে তত, এই নিয়ে সত্যজগতে কিছুমাত্র সংশয় ছিল না। সুতরাং ভেজাল ও নির্ভেজাল সত্যগণ কী খাই কী খাই করে হন্যে হয়ে বুভুক্ষু সব ওই কুয়ো থেকে গলগল করে পিলপিল করে বেরিয়ে পড়তে লাগল। কারণ সত্যকুল বলসংগ্রহ করলে অপ্রতিরোধ্য হয়ে পড়ে, তাই ওই সেই ভারী ও নির্ভরযোগ্য ধামা টুকুস করে তুলে ফেলা কিছুই সমস্যা হল না। তারা বেরিয়ে পড়ল এবং নির্বিচারে চোখ খেতে লাগল। সে এক ঐতিহাসিকভাবে ঘটে-চলা জঘন্য ব্যাপার। জনগণ সব দৃষ্টিহীন হয়ে যাচ্ছে। সবাই পরস্পরকে সন্দেহ করছে। দায়ী করছে। যে মিথ্যাকে সত্য বলে চালাবে, তারও দৃষ্টি নেই। সে নিজেই মিথ্যা ও সত্যের হাতে লোফালুফি হয়ে যাচ্ছে। প্রতারকের এর চেয়ে বড়ো শাস্তি অথবা পরাজয় আর কী হতে পারে?

    যে প্রতারক, প্রাপ্ত শাস্তিকেও সে প্রতারিত করে নিজের অনুকূলে ব্যবহার করে।

    সুযোগ পেলেই ছোবল আর বিষদাঁত?

    নাহ। শুধু সাপের মতো কেন হবে? বেচারা নিরীহ প্রাণী।

    তাহলে মানুষই মানুষের উদাহরণ হয়ে থাক।

    আব্বার কী? দিব্য দেখা যায় কে কার চোখ খুবলে নিচ্ছে। গলগল করে সত্য অসত্য কুয়ো থেকে বেরিয়ে যাবার পরেই কলঙ্ক, কুৎসা, স্ক্যাম, কোজেনেজ, সোনার ইট, প্রতারণা, কেলেঙ্কারি, দুর্নীতি, যড়যন্ত্র, আসাধুতা, ভ্যানসিপ্পু। একেবারে মহাকাণ্ড। পিলপিলপিলপিলপিলপিল।

    সেই মহাকাণ্ড ঘটে যাবার পর সব জাবদা খাতা অন্ধকারে রাখা থাকে। মানবজাতির প্রগতি ও সভ্যতার এ এক আহরণ বটে। কেউ জানতে চাইলেই বলা হয়, সব আছে, একদিন সব অন্ধকার সরে গিয়ে পরদা ফাঁস হয়ে যাবে। অথচ পরদা ফাঁস হওয়ার আগেই কত লোকের বেমালুম ফাঁসি হয়েছে। কত নতুন সত্য ও নতুনতর মিথ্যা গভীর কূপান্ধকারে নিক্ষিপ্ত হয়েছে। নবাবিষ্কৃত দুর্ভেদ্য ধাতু দ্বারা নির্মিত ধামা চাপা দিয়ে প্রবাহিণী নদীর মুখ ঘুরিয়ে দিয়ে বলা হয়েছে এই অভিমুখ আদি ও অকৃত্রিম। জোর গলায় বলতে পারলে, যা বলা হল, কিছুদিনের জন্য হলেও তা-ই সত্য। একেই বলা হয় বিজ্ঞাপন। ঢাক ঢাক ঢাক ঢাক গুড় গুড় গুড় গুড়। আমি আমি আমাকে দেখো আমাকে কেন আমি সত্য আমি অবিমিশ্র আমি আসল সুতি আমি আসল রেশম আমি আসল জনদরদি আমি সেরা দেশপ্রেমিক। দেশ ছাড়া কিছুই বুঝি না।

    হুমম দেশপ্রেম একেবারে নির্ভেজাল জিনিস।

    নির্ভেজাল।

    খুব আকর্ষণীয়।

    খুব।

    বাজারদর দারুণ।

    সাংঘাতিক।

    তাই প্রতিযোগিতাও খুব।

    বাজার থাকলে হাড্ডাহাড্ডি তো হবেই।

    দেশপ্রেম খাঁটি। প্রেমিক কি খাঁটি?

    বলা কঠিন। খাঁটি মধু কি গাঁজিয়ে যায় না?

    কিন্তু, দেশপ্রেম খাঁটি হলে কি স্বাধীন দেশের পক্ষে চিন্তার বিষয় নয়?

    বুঝলাম না।

    পরাধীন দেশে দেশপ্রেম স্বাধীন ও ন্যায়িক, স্বাধীন দেশে তা শৃঙ্খলিত, সন্দেহের অন্তর্গত, ন্যায়ের পক্ষে অতি সূক্ষ্ম।

    সে কীরকম?

    পরাধীন দেশে ব্রিটিশ হত্যা করেছে বলে স্বাধীন দেশ মূর্তি গড়ে, মালা দেয়, ইতিহাসের পাতায় ছবি রাখে, ছোটোদের দেশপ্রেমে উদবুদ্ধ করতে জীবনী পড়ায়। স্বাধীন দেশে নেতা-মন্ত্রী হত্যা করো, ফাঁসি হবে, দেশদ্রোহী বলে দেগে দেবে, জাবদা খাতায় তোমার চোদ্দোপুরুষ অপরাধী ছিল লিখে রাখবে। তোমার সন্তানের হাতে উলকি করে দেবে—মেরা বাপ চোর হ্যায়। মেরা মা রেন্ডি।

    কারণ?

    পরাধীন দেশে দেশপ্রেম মানবিকতার সর্বোত্তম উৎকর্ষ। স্বাধীনতা অর্জিত হওয়ামাত্র রাষ্ট্রপ্রেম পুরস্করণীয়। দলপ্রেম কাম্য ও ক্ষমতাপ্রণেয়। দেশপ্রেম ব্যাধি। অথবা নির্বোধি। অথবা দেশদ্রোহিতা। অথবা সবই।

    দেশ স্বাধীন হলে দেশপ্রেমের মৃত্যু ঘটে?

    না। সংজ্ঞা বদলে যায়। তবে আদিরূপের যে ক্ষীণ ধারা অমর অশ্বত্থামার মতো বেঁচে থাকে কোনও কোনও হৃদে, তা এক ব্যাধি যে, তাতে কোনও দ্বিমত থাকতে পারে না।

    অনেকেই এর বিরুদ্ধে আপত্তি ও অনাস্থা জ্ঞাপন করবে।

    কেউ আপত্তি করতে পারে। কিন্তু আপত্তি করা মানেই সে বক্তব্যের সঙ্গে একমত নয়, তা প্রমাণ হয় না। আপত্তি বা সমর্থন, দুইই, না অবিমিশ্র, না নির্ভেজাল। এরা অবশ্যই শর্তাধীন ও স্বার্থযন্ত্রের প্ররোচনাসাপেক্ষ। বিশেষ দেশপ্রেম অত্যন্ত মূল্যবান ও গুরুত্বপূর্ণ অসুখ। তার পক্ষে-বিপক্ষে মিথ্যাচারের অলঙ্ঘ্য স্তূপ। সুতরাং প্রশ্ন উঠতেই পারে, গুচ্ছ মিথ্যাভাষণে দেশপ্রেমের কোন পরিচয়?

    যদি মিথ্যাচার করি, সে-ও দেশের ভালোর জন্য। বিশ্বাস রাখতে হবে।

    শুধুই মিথ্যাচার?

    যদি কাউকে নির্যাতন করি, বিশ্বাস রাখতে হবে, দেশের ভালোর জন্য।

    শুধু নির্যাতন?

    যদি হত্যা করি, বিশ্বাস, বিশ্বাস, দেশের ভালোর জন্য।

    ব্যক্তিহত্যা, না গণহত্যা?

    যেকোনও।

    কোনটি অধিক ন্যায়ধর্মী?

    যেকোনও।

    কী উপায়ে হত্যা নীতিসম্মত? একটা বুলেট? নাকি একটু একটু করে মারা? পীড়ন করে। সন্ত্রাসে। বহু পুরস্কারের সম্ভাবনা ঝুলিয়ে।

    হত্যার উদ্দেশ্য দ্বারা পদ্ধতির নির্বাচন করতে হয়।

    রাষ্ট্ররক্ষাকল্পে সমস্ত হত্যাই তবে ন্যায়িক?

    নিশ্চয়। কারণ রাষ্ট্র দেশপ্রেমিক, দেশহিতৈষী, দেশপরিচালক, আইন ও নীতিসম্মত সত্তা।

    ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleগল্পসমগ্র – তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    Next Article রাজপাট – তিলোত্তমা মজুমদার

    Related Articles

    তিলোত্তমা মজুমদার

    শামুকখোল – তিলোত্তমা মজুমদার

    August 25, 2025
    তিলোত্তমা মজুমদার

    অর্জুন ও চারকন্যা – তিলোত্তমা মজুমদার

    August 25, 2025
    তিলোত্তমা মজুমদার

    ঝুমরা – তিলোত্তমা মজুমদার

    August 25, 2025
    তিলোত্তমা মজুমদার

    নির্জন সরস্বতী – তিলোত্তমা মজুমদার

    August 25, 2025
    তিলোত্তমা মজুমদার

    বসুধারা – তিলোত্তমা মজুমদার

    August 25, 2025
    তিলোত্তমা মজুমদার

    রাজপাট – তিলোত্তমা মজুমদার

    August 23, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }