Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    কয়েদি – তিলোত্তমা মজুমদার

    তিলোত্তমা মজুমদার এক পাতা গল্প149 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    কয়েদি – ২

    ২

    সে এমত বিশ্বাস করে। সে নিজেকেও মনে করে দেশপ্রেমিক একজন। যথার্থই দেশপ্রেমী ও দেশমাতৃকার সেবক সে, বিশ্বাস করে।

    প্রথমাবধি সে বুঝেছিল দেশপ্রেম বরণীয় পেশা হতে পারে। একটি অজানা পথে চলতে চলতে যদি কেউ এমন কোনও বিভাজিকায় উপনীত হয়, যেখানে কোনও পথনির্দেশিকা নেই, তখন অচল সিকি বা আট আনি সহায়। টস। মাথা পড়লে দক্ষিণে, লেজ পড়লে বামে। সে দক্ষিণে যাওয়া সাব্যস্ত করে এবং যাবতীয় নীতি দেশহিতকর বিবেচনা করে কারণ শেষ পর্যন্ত বিবেচনা বিশ্বাসে উপনীত হয়, বিশ্বাস পেশায় পরিণত হয়, পেশার দায়িত্ব স্থির করে কর্ম, সেই কর্মসাধন হয়ে দাঁড়ায় জীবন, সেই জীবন ভুল করে কোনও মানব বা মানবীর প্রেমে আচ্ছন্ন হলে কোনও না কোনও কুঠুরিতে আবদ্ধ হওয়া তার নিয়তি।

    অনেকেই মনে করে, দক্ষিণ শান্ত, দখিনা বাতাসের মতো মলয়ানিল, দক্ষিণপন্থী দেশভক্তির অর্থ কেবল সহন, কেবল ধৈর্য, শুধুই অনুরোধ, অথবা অনশন মাধ্যমে আত্মপীড়ন দ্বারা অপরের করুণাভিক্ষা, আর বামপন্থা মানেই রে রে রে রে রণপা, অস্ত্রের ঝলক, বন্দুকের নল থেকে বেরুনো ধোঁয়া ও আগুন, হয়তো যথার্থ, কিংবা যথার্থই, তবে রাজনৈতিক ও দেশপ্রেমিক দক্ষিণপন্থার আপাতশান্ত নকাব উড়ে গেলে পড়ে থাকে অস্ত্রের ঝলক, বন্দুকের নল থেকে বেরুনো আগুন ও ধোঁয়া, মাটিতে পেতে রাখা মাইন, জলে চুবিয়ে রাখা সলিলনিবাসী যুদ্ধজাহাজ ইত্যাদি। অতএব, মোদ্দা ব্যাপার, দেশপ্রেমের সঙ্গে বারুদের নিবিড় যোগ। রক্তেরও। বোতলের রক্ত নয়। যে রক্ত প্রাণহরণী। যে রক্ত প্রবাহিত হতে থাকলে ভূমিজিহ্বা শোষণ করে নেয়।

    বামপন্থা নির্দয় মারকুটে মশাল আগুন বোমা গুলি হত্যা প্রতিহত্যা হিংসা প্রতিহিংসা। দক্ষিণ দয়া করুণা ক্ষমা ছিছি হিংসা ছিছি আগুন ছিছি বোমা ছি ছি ছি কিন্তু আত্মরক্ষার্থে গুলি। জনগণের নিরাপত্তায় গণহত্যা। দেশরক্ষার্থে মাটি খুঁড়ে দেওয়াল ভেঙে কঙ্কালের অতীত নিয়ে লাগিয়ে দেওয়া করুণাময় ধর্মযুদ্ধ। এই দাঁড়াচ্ছে তাহলে?

    দক্ষিণপন্থার হিংস্রতায় দয়ার আবরণ নিয়ে তার কখনো আপত্তি ছিল না। গোড়া থেকে যদি দেখা যায়, এক ভূমিখণ্ডের নাম দেশ, দেশের অধিকার অর্জনের মাধ্যম অস্ত্র, রক্ত ও প্রাণ, তার নাম স্বাধীনতা। কিন্তু এখানেই বিষয় থেমে থাকে না। এরপর সেই স্বাধীনতার রক্ষণাবেক্ষণের প্রশ্ন আসে। তার জন্যও দরকার অস্ত্র। রক্ত অনুসরণ করে অস্ত্রকে। রক্তের পশ্চাদ্ধাবন করে প্রাণ। রক্তের অনুসরণ করে মৃত্যু, এমনও বলা যায়।

    তবে স্বাধীনতার রক্ষণাবেক্ষণ কেজো কথা। নিষ্প্রাণ। নিরাপত্তা, রক্ষা বা প্রতিরক্ষা উঁচু উদ্ধত দুর্গপ্রাকার। ভিতরকার প্রাণরব ও হৃদিপদ্মসুগন্ধ মোক্ষণ সেখানে নেই। বরং কোনও প্রেমের জন্য প্রাণ ও রক্ত শব্দগুলি অনেক বেশি লাগসই। সে নিজে অন্তত তা-ই মনে করে।

    প্রাণ দাও, প্রাণ নাও, প্রাণ সমর্পণ করো, সমর্পিত প্রাণ ধারণ করো।

    তাহলে কূপস্থিত সত্যের মধ্যে এই সত্যও কি নিক্ষিপ্ত, যে, প্রেম প্রকৃতপক্ষে দুইখানি প্রাণ জড়িয়ে দেয়? তোমার ও আমার। আমার ও তার। তার ও দেশের। আমার ও দেশের।

    সে তার জন্য বরাদ্দ ঘরে বসে সেই সত্যকুলের কথা ভাবে, যারা আপনা-আপনি গভীর কুয়ো থেকে বেরিয়ে এসেছিল। সেই সত্যদের প্রত্যেকের নিশ্চয় নিজস্ব যুক্তি ছিল। সত্য যে যুক্তি ছাড়া কিছু নয়, সে খুব ভালো জানে। কতবার এই কথা বোঝাবার চেষ্টা করেছে।

    লোকে সাধারণত একটা ঘটনাকে বলে সত্য। ঘটনা তো ঘটনাই। প্রকৃত সত্য ঘটনার ব্যাখ্যা। একটি ঘটনায় তিনজন যুক্ত থাকলে সত্য তিনরূপে উপস্থাপিত হবে। দেশপ্রেমও তদ্রূপ সত্য।

    কিন্তু সত্য কী, সত্য কেমন, এই ভাবনা তাকে আচ্ছন্ন করেছে, করে চলে নিরন্তর, কিন্তু একদিন সে হঠাৎ জেনে ফেলল প্রেম। আরও এক ব্যাখ্যাতীত। আরও এক সত্তাহীন অস্তিত্ব।

    প্রেম দেখতে কেমন?

    কে জানে।

    প্রেম কী।

    কে জানে।

    প্রেম কোথায় থাকে?

    বিশ্বাস করতে ভালো লাগে, থাকে হৃদয়ে। রক্তস্রোতে মিশে সে ক্রমাগত শুদ্ধ হয়, শুদ্ধতর হয়।

    সত্য বলো, তুমি কি জানো না, প্রেম নেমে আসে নাভিতলে?

    জানি।

    আশ্রয় করে যৌনাঙ্গ?

    জানি। তাতে কী? প্রেম কামমোহিত হলে তাৎক্ষণিক যৌনতায় অবস্থান করে। কিন্তু তার আবাস হৃদিপদ্ম।

    মানুষে মানুষে ভালোবাসা হলে ধ্রুবতারা রচিত হয়, এইটে বিশ্বাস করে সে ভারী আনন্দে আছে।

    তার এই বিবিধ জ্ঞান এই ঘরে মাঝে মাঝে পায়চারি করতে চায়। খুব একটা সুবিধা হয় না। ঘরখানি অনেকটা ওই সত্য ফেলার কুয়ো ধরনের। কুয়োটা ছিল অপ্রশস্ত ও অতলস্পর্শী। এই ঘর অপরিসর, কিন্তু সুউচ্চ। কত? চোদ্দো ফুট, আঠেরো, কুড়ি, একশো, অভ্রংলিহ। অনেকদিন সে ঠাহর করার চেষ্টা করেছে, তারপর ভুলে গেছে।

    এই প্রকোষ্ঠে থাকতে শুরু করার পর, সবার আগে সংখ্যা ভুলে যাওয়া তার প্রধান সাফল্য। কেননা তার জীবন থেকে গণনার প্রয়োজনীয়তা ফুরিয়েছে। সে বরং দিক বিষয়ে সচেতন। কারণ, এই কারাকক্ষে একমাত্র পশ্চিমে একটি জানালা। খুব উঁচুতে। যা, সঠিকভাবে, জানালা না বলে বড়ো ঘুলঘুলি বলা চলতে পারে। তাতে গরাদ দরকার ছিল না। ওই উঁচু দেওয়াল বেয়ে কে উঠবে? যদি ওঠে, লোহার গরাদ বাঁকিয়ে চুরিয়ে ভেঙে, নিজের শরীর সরীসৃপ করে বেরুতে হবে। আপাতভাবে অসম্ভব হলেও কেউ তাতে সক্ষম হতেও পারে, কারানির্মাণকারীগণ এমত ভেবেছে নিশ্চয়।

    ধরা যাক, এই ঘরে থাকতে থাকতে একটা মানুষ ক্রমে টিকটিকি হয়ে গেল। অসম্ভব নয়। যেকোনও মানুষ যখন-তখন টিকটিকি হতে পারে। তাহলে সে অনায়াসে দেওয়াল বেয়ে ওই ঘুলঘুলি পর্যন্ত চলে যেতে পারে। যদি তখন এই দেশে নেমে আসে সায়ংকাল, সে একঝলক রক্তালক্তক সূর্যাস্ত সৌন্দর্য দর্শন করতে পারে।

    অথবা, যদি টিকটিকি না হয়ে সে তক্ষক হয়?

    মানুষের পক্ষে তক্ষক হওয়া বেশ মুশকিলের বলেই তার মনে হয়। একবার গভীর জঙ্গলে দেশদ্রোহী ধরতে গিয়ে সে তক্ষক দেখেছিল। তার মনে হয়, প্রাণীটা বোকা ধরনের। টিকটিকি তক্ষকের চেয়ে ছোটো হলেও অনেক বেশি চতুর। তবে মানুষ মাকড়সা হতে পারে। বাচ্চারা মাকড়সা মানুষের গপ্প খুব পছন্দ করে। করাই উচিত। অতগুলি হাত-পা, নানা রং, বহুতর বিষবান অথবা গরলবতী, চমৎকার বাইতে জানে, সবচেয়ে বড়ো কথা, মানুষের সঙ্গে মাকড়সার এক জায়গায় হুবহু মিল। মাকড়সা অত্যাশ্চর্য জাল বুনে শিকার ধরতে পারে। সত্য মিথ্যের নকশায় বোনা অমোঘ সেই জাল।

    মাকড়সা ছাড়াও, বাদুড় মানুষরাও বেশ জনপ্রিয়। কিন্তু বাদুড়ে তার আগ্রহ নেই। পথ ভুলে একবার একটা চামচিকে ঢুকে পড়েছিল। উড়ন্ত ঘুরন্ত সেই প্রাণী প্রজাপতি ভেবে সে প্রীত হয়ে উঠল। কিন্তু চক্রাকারে নামতে নামতে তার গায়ে ঠোকর খেয়ে সেটি মুখ থুবড়ে পড়তে সে হতাশ বোধ করেছিল।

    ‘তবু তো একটা প্রাণী।’ তার এক বন্ধু তাকে সান্ত্বনা দেওয়ার চেষ্টা করল।

    ‘হুমম মশাও তো প্রাণী। মাছি, পিঁপড়ে, আরশোলা বাদ যায় কেন?’

    বন্ধু নীরব।

    সে আপনমনেই বলে উঠল, ‘চামচিকে হল বাদুড়ের ভাইপো। খুদে। ব্যাঙা ব্যাঙা হাত-পা। একটুখানি ডানা। দেখলে মায়া হয়, আবার গা ঘিনঘিন করে।’

    ‘চর্মচটিকা না এসে বাদুড় এলে কি ভালো হত?’

    বাদুড় এই ঘরে আসে না। উলটো ঝুলে থাকার কোনও উপায় নেই এখানে। বাদুড় দেওয়াল বেয়ে ওই পশ্চিমি বাতায়ন পর্যন্ত যেতে অক্ষম। তা ছাড়া, প্রকট দিনের আলোয় যারা মগডালে উঠে উলটো ঝুলে থাকে, যে গাছের ডাল আশ্রয় করে, বিষাক্ত মলবর্জন করে হত্যা করে তাকেই, তাদের সে চিরকাল ঘৃণা করেছে। সেইসব দেশদ্রোহীরা কি বাদুড় মানুষ নয়?

    তাদের কথা মনে হলে সে আজও দেওয়ালে থুতু ফেলবে। তখন তার কল্পিত দেওয়াল বাওয়া লোক তরতর করে উঠে যাবে জানালায়। সেই টিকটিকি মানুষ বুঝি-বা তার জন্য অপেক্ষা করবে এক মরণলাফ। মুক্তির জন্য এক মরণোন্মুখ লম্ফন। নাকি জীবনের জন্য? জীবনের জন্য মরণের আশ্রয়? নাকি মুক্তির জন্য? জীবন? মুক্তি? জীবন? মুক্তি?

    মৃত্যুই কি জীবন থেকে প্রাণের মুক্তি? নাকি প্রাণের মুক্তি মৃত্যুর মুখ থেকে তাকে জীবনে ফিরিয়ে আনে?

    নাকি জীবনই এক নিরন্তর মরণ, মৃত্যুতে যার সমাপ্তি।

    তাহলে প্রাণ কী?

    প্রাণ সেই অগ্নিহোত্র যা জীবনের হুতাশনে মৃত্যুর যজ্ঞ করে।

    ওঃ। তার বিশ্বাস করে ভারী আরাম হয়েছিল, ভালোবাসাই প্রাণ।

    অবশেষে তার মনে হয়, প্রাণের মুক্তির জন্যই ভালোবাসা। জীবন তো জীবনই। বেঁচে আছে, ব্যাস। কেমন জীবন, সেটা নিয়ে ভাবা যেতে পারে, তবে মুক্তির জন্য জগতে চিরকাল, এক অপেক্ষমাণ করাল গ্রাসের কবলে পড়তে হতে পারে জেনেও, ওই লম্ফন ছাড়া উপায় নেই। তার আগে দেওয়াল বেয়ে চলার কসরত এক জীবনসত্য যা মানুষকে অসম্ভব সম্ভব করার প্রেরণা দেয়। আর অস্তগামী রবিচ্ছবির আকর্ষণীয় সৌন্দর্য জীবনে প্রাপ্ত প্রেমের ফুলকি, যত ক্ষুদ্র ও ক্ষণপ্রাণ হোক, সেই সুন্দরের দ্বারা মন একই সঙ্গে তৃপ্ত ও তৃষাকাতর হয়।

    সে এক আশৈশব প্রেমিক। দেশপ্রেমিক। কর্মসূত্রে সে দেশপ্রেম মার্জিত, উন্নত, কার্যকরী ও দায়বদ্ধ করেছে। আনুগত্য অভ্যাস করেছে। লৌহচক্রে ছুরি, কাঁচি, দা ঘষে ঘষে যেমন ধারালো ও ঝকঝকে করা হয়, সেইরকম, তার বোধের মধ্যে একমাত্র মন্ত্র সমুজ্জ্বল ছিল, দেশের জন্য মারো কিংবা মরো। আনুগত্যের অভ্যাস সেই বিশ্বাসে, প্রকাশ্য প্রশাসক ও প্রকাশ্য বৈরুদ্ধ রাজনৈতিকতা অব্যর্থ দেশপ্রেম। আর গোপন সন্ত্রাসী গেরিলা আক্রমণকারী, যারা শাসনলোভী কিন্তু গুপ্ত গর্তবাসী, তারা দেশদ্রোহী।

    এক গোপন গেরিলা যোদ্ধার দল, যারা নিজেদের প্রকৃত দেশসেবক এবং গরিবের সত্যিকার বন্ধু বলে দাবি করে, তারা একবার এক খণ্ডযুদ্ধে পরাস্ত হয় এবং ধরা পড়ে। যুদ্ধ হয়েছিল ঘন অরণ্যে, যা পর্বতসংকুল। সময় বর্ষাঋতু। খরস্রোতা নদ ও নদীরা মহাশক্তিময়ী জলবেগে বয়ে চলেছে কত বৃক্ষকাণ্ড, পাথর ও আদিম ভীমপ্রস্তর ভাসিয়ে নিয়ে, সেখানে, রাষ্ট্রের দেশপ্রেমী প্রতিনিধিদলের জয় হওয়া সত্ত্বেও তিন রাত্রি বিজয়ী ও বিজিত জঙ্গলে একত্রবাস করতে বাধ্য ছিল। তার ফলে, জয়ী দেশপ্রেমী দলের দু’জন আহত বিনা চিকিৎসায় মারা যায়, আর দেশদ্রোহীগণের অধিকাংশ যুদ্ধে প্রাণ দেওয়ার পর যে ক’জন জীবিত ছিল, তাদের একজনের দুই হাত উড়ে ছিঁড়ে বেরিয়ে গিয়েছিল। বহু রক্তপাতে সে যখন মারা যাচ্ছে, সে একটি সিগারেট চাইল। এই কক্ষবাসী দেশপ্রেমীর তার জন্য করুণা হচ্ছিল এই ভেবে যে, এ প্রতিপক্ষ না হয়ে স্বপক্ষ হলেই বা কী ক্ষতি ছিল? অস্থায়ী ছাউনির নীচে সেই বলশালী ও প্রতিযোধী তরুণের মুখে সে একটি জ্বলন্ত সিগার দেয় এবং ধূমপানে সাহায্য করে। তরুণ সিগার টানে, সে বের করে নেয়, তরুণ ধোঁয়া ছাড়ে। সে আবার সেই সিগার তার ঠোঁটে সেঁধিয়ে দেয়। তরুণ যন্ত্রণায় কাতর ছিল। সেই অবস্থায় উভয়ের খানিক বাকবিনিময় ঘটে। তরুণ তাকে সিগারেটের জন্য ধন্যবাদ দিয়ে বলেছিল, ‘এই মুহূর্তে, যখন আমার প্রাণ বেরিয়ে গেলে আমি খুশি হতে পারব, তখন এই সামান্য সিগারেট দিয়ে তুমি আমার বন্ধুত্ব অর্জন করেছ।’

    সে বলে, ‘আমি তোমার বন্ধুত্ব স্বীকার করছি। এমনকী তুমি আমার ভাই হলেও আমার আপত্তি থাকে না। কারণ, আমরা আসলে একই মায়ের সন্তান। দেশমাতৃকার এক কোলে আমি, এক কোলে তুমি। তুমি সন্ত্রাসবাদী, আমি শান্তিকামী।’

    ‘ভাই, তোমরা সন্ত্রাসবাদের নামে যে হত্যা করো, অন্ধকার কারাগারে বীভৎস পীড়ন করে পচিয়ে মারো, আদিম অসভ্য কায়দায় ফাঁসি দাও, তা কি ওই সন্ত্রাসের আরেক রূপ নয়?’

    ‘তোমাদের ভয় দেখানো বন্ধ করার জন্য আমরা ভয় দেখাই। তোমাদের খুনোখুনি আটকাবার জন্য আমরা খুন করি। শান্তি প্রতিষ্ঠা ও জনসাধারণের নিরাপত্তা প্রদান আমাদের লক্ষ্য।’

    ‘আমরা তাদের কাছেই সন্ত্রাসবাদী যারা জনসাধারণকে প্রতারণা করে একটি নির্দিষ্ট শ্রেণির ক্ষমতা ও সুখ নিরাপদ করে। সাধারণ মানুষ আমাদের ভালোবাসে। তারা জানে, আমরাই তাদের এনে দেব সেই স্বপ্নের দেশ, যেখানে শোষণ নেই, অত্যাচার নেই, বিভেদ নেই, ফাঁসি নেই, ভয় দেখিয়ে পিটিয়ে বাকস্বাধীনতা হরণ করা নেই।’

    ‘সাধারণ জনগণ কারা বন্ধু? আমিও তাদের একজন। তোমাদের উদ্দেশ্য কখনো আমার সমর্থনযোগ্য মনে হয় না।’

    ‘উদ্দেশ্য শুধু নয়, আদর্শ, লক্ষ্য। এক স্বপ্নের দেশ গড়ার লক্ষ্য।’

    ‘সে এক স্বপ্নের দেশই বটে। ভাই, লুকিয়ে দু’চারটে পুলিশ মেরে, ওজনদার লোকজন অপহরণ করে অর্থসংগ্রহ ও অস্ত্র কেনা, চোরাপথে আসা মারণাস্ত্র কিনে, আত্মগোপন রেখে খুনখারাপি, এভাবে স্বপ্নের দেশ গড়া যায় না।’

    ‘দেশ কতরকম হয়, তা কি জানো তুমি?’

    ‘কী বলতে চাও?’

    ‘এক-একজন মানুষ বুকের ভিতর কত দেশ বয়ে বেড়ায় জানো কি তার সন্ধান?’

    ‘দেশ একটাই হয়। একমেবাদ্বিতীয়ম অন্য সমস্ত ভূখণ্ড অন্য দেশ।’

    ‘না ভাই। একজন মানুষের বুকের ভিতর অনেক দেশ। আমার গ্রাম এক দেশ, আমার জেলা আরেক, আমার রাজ্য, সে-ও এক দেশ, আমার জাতি-পরিচয়, তারও আছে ভিন্ন দেশ, আমার ভাষা, তার দেশও রাখা আছে হৃদয়ে।’

    ‘এ তো বিচ্ছিন্নতাবাদ।’

    ‘না। বহু খণ্ড একত্রিত করতে পারলে বৃহৎ গড়ে ওঠে। এই যে তুমি যে হাতে আমাকে মেরেছ, অস্ত্র ধরেছ, যে হাতে আমার মরণাপন্ন ঠোঁটে গুঁজে দিচ্ছ সিগারেট, সেই হাতটুকুই কি তোমার পুরো শরীর?’

    ‘না।’

    ‘তোমার অঙ্গপ্রত্যঙ্গ সুঠাম ও সবল রাখতে সর্বত্র পাঠাতে হয় না কি খাদ্যরস? শক্তিপ্রদায়ী বস্তু?’

    ‘তার সঙ্গে দেশপ্রেমের কী?’

    ‘বৃহৎ দেশপ্রেম সঞ্চার করতে গেলে ওই ছোটো ছোটো দেশ ও তার প্রতি মায়া বুঝতে হবে। তুমি যদি আমার ভাষার কণ্ঠরোধ করো, যদি আমার গ্রামের ফসল লুণ্ঠন করো, আমার জাতি পরিচয় ঘৃণা করো, যদি আমার জেলা, আমার রাজ্য অবহেলিত, অপুষ্ট থাকে, তবে আমি নিঃস্বার্থ কীভাবে হতে পারি? কীভাবে বলতে পারি, আমার বুকের মধ্যে রাখা ছোটো ছোটো দেশ অর্থহীন? প্রিয় বন্ধু, আমাদের বুকে গুলি করার আগে একবার এগুলো ভেবে দেখো।’

    ‘লুটপাট, ডাকাতি আর ত্রসন, এই আদর্শ দিয়ে তোমরা সেই বুকের ভিতর রাখা ছোটো ছোটো দেশ লালন করো? কী সাংঘাতিক প্রেম! ওই প্রেম ওই আদর্শ আমি পায়ে মাড়িয়ে যাওয়ার উপযুক্ত বলেই মনে করি।’

    ‘আমাদের আদর্শ ও নীতিকে অসম্মান কোরো না ভাই। একদিন আমাদের জয় হবে। আমি থাকি বা না থাকি, আমাদের আদর্শ থাকবে, কারণ আমাদের মতবাদ প্রগতি ও সভ্যতার ধ্বজাধারী। তোমাদের ফাঁসি দেওয়া সভ্যতা তার নাগাল পায় না।’

    ‘ভাই, তুমি এক স্বপ্নিল তরুণ। আরেকটা সিগারেট চাও? দেশ ভালোবাসলে দেশদ্রোহী হওয়ার দরকার পড়ে না। ফাঁসিতেও তোমার খুব আপত্তি।’

    ‘কারণ ফাঁসি নিষ্ঠুর।’

    ‘হত্যা মাত্রই নিষ্ঠুর, কারণ মানুষ মমতা ও নির্মমতার সংজ্ঞা তৈরি করে রেখেছে। জীবন ও মরণ পরস্পরের পক্ষে এতই অপরিহার্য হয়ে পড়ে যে নিষ্ঠুরতার ধারণা ছেঁড়া মোজার মতো ফেলে দিতে হয়।’

    ‘দাও, আরেকটা সিগারেট দাও। আমার বুকের মধ্যে কষ্ট হচ্ছে। মাঝে মাঝে দৃষ্টি ঝাপসা হয়ে আসছে। হয়তো একটু পরেই আমি মরে যাব। তার আগে বলে রাখি, আমার এই দেশকে আমি ভালোবাসি। আমার কাছে তারাই দেশদ্রোহী যারা দেশ পরিচালনার নামে দেশ বিক্রি করে দিচ্ছে। জনসাধারণকে নিরাপত্তা দেওয়ার নামে জনগণের টাকায় বিদেশি অস্ত্র কিনছে, মাথায় ঋণের বোঝা নিয়ে জন্মাচ্ছে নিষ্পাপ শিশুরা। দেশের কাজের নামে স্বার্থসিদ্ধি করছে। তোমার মতো লোক তাদের দালালি করছ যারা, তোমরা, তারা, সবাই আমাদের চোখে দেশদ্রোহী।’

    ‘তোরা কী করিস? শেয়ালের গর্তে সেঁধিয়ে থাকা ছাড়া তোরা যা করিস সব ভুল, সব বেঠিক, সব অন্যায়, সব বেআইনি, দুর্নীতি, আদর্শহীন, শালা তোলাবাজ, খুনে, ডাকাত, ইঁদুরের আদর্শ দিয়ে স্বপ্নের দেশ গড়তে চাও? শালা তোমার স্বপ্নের গায়ে মুতি। তোমার আদর্শের গায়ে।’

    সদ্য পাতানো সেই ভাই অথবা বন্ধু হলেও হতে পারত তরুণের ঠোঁটে ঝুলে পড়ল জ্বলন্ত সিগারেট। প্রবল হাওয়ায় এমন হওয়া সম্ভব মনে করে সে উত্তেজিত কুকথা সংহত করে সিগারেট পুনরায় যথাস্থানে দিতেই আবার তা ঝুলে পড়ল এবং কেউ সৎকার না-করায় অভিমানী অগ্নিরেতা দ্রুত ছাই হয়ে যেতে থাকল।

    একজন দেশদ্রোহীর মৃত্যুতে তার দুঃখ হয়নি। পরিস্থিতি এতই খারাপ, দুর্যোগ এমন যে তাদের অস্থায়ী শিবিরের কাপড় ফুলে ফেঁপে উঠছিল। নদীর শব্দ উচ্চনাদ গর্জন। দুর্ভেদ্য দেওয়ালের মতো বৃষ্টির জলধারা। তার মধ্যে স্বপক্ষীয় আহতদের যথাসাধ্য সেবা করতে করতে সে ভাবতে বাধ্য হয়েছিল, এই দুর্গম পাহাড়ে, এই মৃত্যুফাঁদে ভরা জঙ্গলে, এই অবাধ্য অবিশ্বস্ত জলধারার পাশে জঙ্গলের দুর্বল ডালপালা ও আলতো টিনে ছাওয়া ঘরে এই দেশদ্রোহীরা শীত গ্রীষ্ম বর্ষা কাটিয়েছিল। শুধুমাত্র এই যাপন তাদের দেশদ্রোহের পাপ ও অপরাধ থেকে মুক্তি দিয়ে বিপ্লবী বা বিদ্রোহী করে তোলে না কি? অনৈতিক উপায়ে অস্ত্র ক্রয় করে তারা আদর্শবাদী গেরিলা যুদ্ধে নেমেছিল। পথ আলাদা হলেও, মতপার্থক্য থাকলেও তাদের দেশদ্রোহী না দেগে বিরুদ্ধবাদী বলা যায়। নিজের আদর্শের প্রতি আস্থা না থাকলে, নিজের স্বপ্নের প্রতি ভালোবাসা না থাকলে এভাবে দিনযাপন সম্ভব? কোন সেই প্রেরণা? শুধুই সাময়িক ক্ষমতা অধিকার করার মোহ? সত্যিই তাদের হৃদয়ে পুঞ্জীভূত দেশ বোঝার চেষ্টা হয় না।

    কিন্তু সেই স্বীকারে কে নমিত হবে? বরং তারা দেশদ্রোহী নামে চিহ্নিত হয়ে থাকবে, কারণ বিপ্লব বা বিদ্রোহ উদবেগ উৎকণ্ঠার কারণ হলেও দেশদ্রোহিতার মতো ঘৃণার সঞ্চার করে না। রাষ্ট্রীয় কাঠামো কঠিন ও সুবিধাজনক করতে শুধু প্রেম হলে চলে না, ঘৃণাও প্রয়োজন।

    আচমকা উৎসারিত ক্ষণপ্রভার আলোয় সেই বর্ষণবিহ্বল রাত্রে, মৃত তরুণের দেহ বহন করে সে বেহদ্দ মাতালের মতো বলে উঠেছিল, বলো ভাইসব, বিপ্লব দীর্ঘজীবী হোক।

    তার সহকর্মীরা এই মহারঙ্গে হেসে ওঠে এবং এই অভিযানের জয় তাদের দেশের পক্ষে শান্তিসুরক্ষা মনে করে পরিতোষ পায়।

    তাহলে? কাউকে রাখতে গেলে কাউকে মারতে হবে।

    সহসা প্রবল হাওয়ায় ছাউনির কাপড় উড়তে লাগল উলটে যাওয়া ছাতার মতো। যেটুকু বন্ধন, তখুনি যাবে টুটে, আর তারা স্রেফ ওই ঠান্ডা বৃষ্টিতে ভিজে মরে যাবে।

    সে তখন কাঁধে বিপ্লবী বহন করা দশায় ছাউনির একটি অংশ ধরে নিজেদের জড়িয়ে ফেলল। শিব যেমন উমার দেহ কাঁধে তাণ্ডব নেচেছিল, সেই প্রক্রিয়ায় সে ছাউনির কাপড়ের প্রান্ত তার জ্যান্ত শরীর ও বিপ্লবীর মৃতদেহের ভারে চেপে রাখে, অন্যরা শিবির মেরামত করে নেয় দ্রুত হাতে, আর সেই সময় ওই শীতলীভূত হতে থাকা দেহখানিকে তার বিরক্তিকর বোঝা বোধ হয়।

    নিজেকে সে মৃতদেহ থেকে ছাড়িয়ে ভিজে চুল থেকে ঝরে পড়া জল মুছতে থাকে। তার মনে পড়ে, স্বপক্ষীয় একজনকে ওই দেশদ্রোহীরা মাত্র তিন মাস আগে বীভৎস অত্যাচার করেছিল। প্রতিদিন সেই দেশভক্ত বেতনভোগী সৈনিকের দেহের খানিকটা অংশ তারা কেটে ফেলত। জঙ্গলের জোঁক ও রক্তপায়ী পিঁপড়েরা তাকে খুবলে খেয়ে যেত। যন্ত্রণায় বিবশ কাতর এক যুবককে তিল তিল করে খুন করার প্রক্রিয়া কেন্দ্র করে তারা স্থানীয় গ্রাম থেকে সংগ্রহ করা ভেড়ার বাচ্চা কেটে ঝোল রান্না করে ভোজন করত।

    সে নিজে একটি পাহাড়ের চূড়ায় আরোহণ করে এই ডেরায় নিঃশব্দ আক্রমণের মানচিত্র তৈরি করেছিল। বহুবিধ কসরত তার আয়ত্তে। উঁচু প্রাচীর বেয়ে তুঙ্গে ওঠা ও অবতরণ সেগুলির মধ্যে একটি। তবে সে কাজের জন্য শক্ত দড়ি-টড়ি লাগে, লোহার আঁকশি, মস্ত ডালের কাঁটার মতো মাথা। সেসব এখানে, এই কক্ষে পাবে না। বিনা উপকরণে দেওয়াল বেয়ে ওঠার চেষ্টা করেছিল সে। প্রথমদিকে ওই পশ্চিমের উঁচু জানালা দিয়ে জিদ্দি সুযোগসন্ধানীর মতো অনুপ্রবিষ্ট আলোকে সে লক্ষ করত, কীভাবে দেওয়াল বেয়ে যায় টিকটিকি, আরশোলা, মাকড়সা। সবার কাছেই কিছু না কিছু শিক্ষণীয়। কিন্তু তা বললে কী হবে? টিকটিকি বা মাকড়সা মানুষ সে হতে পারেনি।

    কোন সুদূর অতীতে সে এক দার্শনিকের কথা শুনেছিল, নাম মনে নেই, অথবা আবছা মনে পড়ে সেই নাম ডায়োজেনেস, তিনি এক পিপের মধ্যে বসবাস করতেন। রাজার আদেশ লঙ্ঘন করার ক্ষমতা ছিল তাঁর। মুক্ত পুরুষ। তাহলে কি রাজার আদেশ অমান্য করাই মুক্তি? আর তার জন্য পিপেতে থাকলেই হবে? না নাহ। সে অনায়াসে দেখতে পায় পুব দেওয়ালে আঁকা অসংখ্য দর্শনের বই, যেগুলির মধ্যে সত্য, মিথ্যা, মায়া, বাস্তব, নীতি, নীতিবিরোধ ও মুক্তির বিষয়ে বহু মত ও পথের হদিশ আছে। কারণ এই প্রত্যেক বিষয় বহু সংজ্ঞায়িত, বিতর্কিত, অনন্ত সম্ভাবনাময়। মুক্তিও বহুবিধ। তোমার মুক্তি আমার মুক্তি একরকম না-ও হতে পারে।

    কিন্তু বিষয় যখন রাজার আদেশে এসে ঠেকে, তখন সে নিজেকে ডায়োজেনেসের মতোই মুক্তিকামী ভেবে দাঁতে নখ কাটে। ডায়োজেনেস বাস্তবিক একজন মুক্ত মানুষ, নাকি সম্রাট আলেকজান্ডার তাঁর মুক্ত থাকা নিরবরুদ্ধ রেখেছিলেন বলেই সেই মুক্তি সম্ভব হয়েছে? রাজা মুক্তি দিয়ে রেখেছেন বলেই তিনি মুক্ত। অর্থাৎ, মুক্তির মুক্ত থাকা, যা কিছু শর্ত বা কারো নির্দেশের অপেক্ষক।

    সেদিক থেকে দেখলে, সমাজের সকল নিয়ম অবজ্ঞা করা ডায়োজেনেস, যিনি পিপের মধ্যে বসবাস করেন, ময়লা থাকেন, চেয়েচিন্তে ভোজন করেন, জনসমক্ষে হস্তমৈথুন ইত্যাদি, যাঁর কাছে সভ্যতাই অসভ্যতা, কারণ, তা প্রকৃতির বিরুদ্ধতা; তাঁকে মুক্ত রাখেন এবং তাঁর দর্শনাগ্রহে স্বয়ং সেই আবর্জনা ও দুর্গন্ধ পিপের আবাসে উপস্থিত হলেন যে সম্রাট, তিনি কি অধিক পরিমাণে মুক্তচিত্ত নন?

    সে বিচ্ছিন্নভাবে সম্রাট ও দার্শনিকের বাক্যালাপ নাটকীয়ভাবে বলে চলে।

    সম্রাট। বলুন দার্শনিক ডায়োজেনেস, কী করতে পারি আপনার জন্য?

    ডায়ো। সূর্যের আলো আড়াল করেছেন আপনি। সরে দাঁড়ান সম্রাট।

    সম্রাট। দার্শনিক ডায়োজেনেস, আপনি ধন্য। আমি আলেকজান্ডার যদি না হতাম, তবে আমি চাইতাম ডায়োজেনেস হতে।

    ডায়ো। আমি ডায়োজেনেস না হলেও ডায়োজেনেস হতেই চাইতাম।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleগল্পসমগ্র – তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    Next Article রাজপাট – তিলোত্তমা মজুমদার

    Related Articles

    তিলোত্তমা মজুমদার

    শামুকখোল – তিলোত্তমা মজুমদার

    August 25, 2025
    তিলোত্তমা মজুমদার

    অর্জুন ও চারকন্যা – তিলোত্তমা মজুমদার

    August 25, 2025
    তিলোত্তমা মজুমদার

    ঝুমরা – তিলোত্তমা মজুমদার

    August 25, 2025
    তিলোত্তমা মজুমদার

    নির্জন সরস্বতী – তিলোত্তমা মজুমদার

    August 25, 2025
    তিলোত্তমা মজুমদার

    বসুধারা – তিলোত্তমা মজুমদার

    August 25, 2025
    তিলোত্তমা মজুমদার

    রাজপাট – তিলোত্তমা মজুমদার

    August 23, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }