Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    কলকাতা শহরের ইতিবৃত্ত ১ – বিনয় ঘোষ

    বিনয় ঘোষ এক পাতা গল্প603 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ১১. বিজ্ঞাপনে সেকাল

    বিজ্ঞাপনে সেকাল

    প্রথম প্রস্তাব

    সংবাদপত্র ও সাময়িকপত্রের বিজ্ঞাপন ঠিক আয়নার মতন। তার মধ্যে সমাজের প্রতিচ্ছবি যেমন দেখা যায়, আর কোনো সংবাদের মধ্যে বোধহয় তেমন দেখা যায় না।

    এক সপ্তাহের ‘কর্মখালি’ ও ‘কর্মপ্রার্থী’ বিজ্ঞাপনের মধ্যে দেশের প্রকৃত সমস্যা যেমন নানাদিক থেকে ধরা পড়ে, এক বছরের সংবাদের স্তূপের মধ্যে তা পড়ে না। ‘পাত্র ও পাত্রী চাই’ বিজ্ঞাপনগুলি যদি কেউ মন দিয়ে পড়েন, তাহলে সমাজের নাড়ির খবর জানতে পারবেন, যা কোনোকালে কোনো সংবাদের মারফত জানা যায় না। যেমন, একদিন ‘পাত্রপাত্রী’র বিজ্ঞাপনের মধ্যে দেখলাম, জনৈকা লেডি ডাক্তার নিজেই নিজের বিবাহের জন্য বিজ্ঞাপন দিয়েছেন এই মর্মে যে, তিনি ভাল রোজগার করেন, বয়স তিরিশ প্রায়, স্বাস্থ্যও ভাল এবং বর্তমানে বিবাহ করবেন, সুতরাং রোজগারি, কর্মক্ষম যুবকদের তিনি দরখাস্ত করতে বলেছেন। এই ধরনের বিজ্ঞাপন সাধারণত চোখে পড়ে না। বিজ্ঞাপন পড়ে ভাবলাম, কী হতে পারে? কিছুই না, খুব সহজ ব্যাপার। একালের মধ্যবিত্ত সমাজের এটা একটা বিষম সমস্যা। মেয়েদের লেখাপড়া শিখে রোজগার করতে হয়, বয়স বেড়ে যায় এবং বিবাহ আর ঘটে ওঠে না। হঠাৎ একদিন হয়তো যৌবনের প্রান্তে পৌঁছে চমকে উঠতে হয়—তা—ই তো। লেডি ডাক্তার সেইরকম চমকে উঠে একটা ‘ডেস্পারেট’ সমাধান করেছেন এবং ‘বিজ্ঞাপন’ দেওয়া ছাড়া তাঁর উপায় কী? এখন তো স্বয়ংবরসভা ডাকা যায় না। এইরকম আরও অনেক বিজ্ঞাপনের ভিতর দিয়ে আমাদের সমাজের নানা রকমের সমস্যা উঁকি মারে। ‘সংবাদের’ মধ্যে যেসব সমস্যা আত্মগোপন করে থাকে, ‘বিজ্ঞাপনের’ মধ্যে আত্মপ্রকাশ না করে তাদের উপায় নেই। কারণ ‘বিজ্ঞাপন’ হল ‘বিশেষভাবে জ্ঞাপন’, নিরাভরণ আত্মপ্রকাশ, লুকোচুরির অবকাশ নেই তার মধ্যে।

    এই বিজ্ঞাপনের ভিতর দিয়েই সেকালের সমাজের এমন সব অদ্ভুত বিচিত্র পরিচয় পাওয়া যায়, যা কোনো ইতিহাসগ্রন্থে পাওয়া যায় না। কারণ ইতিহাস যাঁরা এতদিন ধরে লিখে এসেছেন তাঁরা অধিকাংশই যান্ত্রিক ঘটনাক্রমকে ‘ইতিহাস’ বলে মনে করেছেন, মানুষের মনোভাব রীতিনীতি আচার—ব্যবহার শিক্ষাদীক্ষা ইত্যাদিকে ইতিহাস আখ্যা দেননি। সমাজের ইতিহাস সাধারণ মানুষ কিন্তু নানাভাবে লিখে গেছে। তার মধ্যে ‘বিজ্ঞাপন’ একটি। সংবাদপত্রের ‘সংবাদ’ হল সমাজের হোমরাচোমরা যাঁরা তাঁদের জন্য, সুতরাং তার মধ্যে সমাজের পূর্ণাঙ্গ ছবির বদলে বিকলাঙ্গ ছবি পাওয়াই সম্ভবপর। ‘বিজ্ঞাপন’ সকলের জন্য, পয়সা দিলেই হয়। সুতরাং ‘বিজ্ঞাপনের’ মধ্যে সমাজের যে ছবি ফুটে ওঠে তা ‘সংবাদের’ চেয়ে অনেক বেশি পূর্ণাঙ্গ। এই ধরনের কয়েকটি টুকরো ‘বিজ্ঞাপনের’ ভিতরে দিয়ে সেকালের সমাজের ছবি ফুটিয়ে তোলার চেষ্টা করেছি। ‘সেকাল’ বলতে আমি ইংরেজ আমলের প্রথম পর্বে, অষ্টাদশ শতাব্দীর শেষে ও ঊনবিংশ শতাব্দীর গোড়ার দিকে, বাংলার সমাজের কথা বলছি। বাঙালিদের কথা নয়, কারণ বাঙালি সমাজের কথা আরও অনেক সূত্রে জানা যায়। এখানে ইংরেজ ও অন্যান্য জাতের কথা বলা হয়েছে। বিজ্ঞাপনগুলি প্রধানত ‘ক্যালকাটা গেজেট’ পত্রিকা থেকে সংকলিত।

     

    আরও দেখুন
    Library
    বই পড়ুন
    ডিজিটাল বই
    গ্রন্থাগার
    গল্প, কবিতা
    অনলাইনে বই
    বাংলা ফন্ট সাবস্ক্রিপশন
    বাংলা ডিকশনারি অ্যাপ
    বাংলা বই
    স্বাস্থ্য টিপস

     

    ১৭৯৪ সালে কলকাতার কোনো পত্রিকায় এই মর্মে একটি বিজ্ঞাপন ছাপা হয় : ‘একজন মহিলার জন্য পরিচারিকা চাই। পরিচারিকার ইংরেজিতে কথাবার্তা বলতে জানা চাই এবং কোনো ইউরোপিয়ানের কন্যা, অথচ এ দেশি স্ত্রীলোক হলেই ভাল হয়। টিরেটা বাজারের কাছে মিঃ দা সুজার কাছে খোঁজ করুন।’ বিজ্ঞাপনটির মধ্যে সেকালে সমাজের এমন একটা ছবি ফুটে উঠেছে যা অনেক সংবাদ ঘেঁটেও পাওয়া যাবে না। ‘ইউরোপিয়ানের কন্যা অথচ নেটিভ বা এ দেশি স্ত্রীলোক’ বলতে কী বোঝায় তা ব্যাখ্যা করে বলার নিশ্চয় দরকার নেই। আমাদের দেশি সমাজে তখন ইংরেজদের ‘ইম্পিরিয়ালিজম’ যে পারিবারিক জীবন পর্যন্ত প্রবেশ করেছিল তা এই বিজ্ঞাপন থেকে স্পষ্ট বোঝা যায়। ইংরেজদের নৈতিক অবস্থা, এবং কতকটা আমাদেরও, বুঝতে কষ্ট হয় না।

    আর—একটি ‘বিজ্ঞাপনে’ (১৮০১ সালে) দেখা যায়, জনৈক শেরিফ আব্রাহাম শ্রীরামপুর থেকে জানাচ্ছেন: ‘সর্বসাধারণের অবগতির জন্য জানাচ্ছি যে আমার স্ত্রী শ্রীমতী হর্রপসীমি শেরীন, চুঁচুড়ার আর্মেনিয়ান মুল্লুকসেটের কন্যা, গত ৪ ডিসেম্বর (১৮০০) আবার বাড়ি থেকে অকারণে, কিছু না বলে—কয়ে চম্পট দিয়েছে। সুতরাং শ্রীমতী যদি কারও কাছ থেকে টাকাপয়সা ধার নেয় তার জন্য আমি দায়ী হব না।’ লম্পট না হয়েও গৃহিণীর চম্পট দেওয়ার ব্যাপারটা শুধু আমাদের সমাজে নয়, ওদের সমাজেও বেশ চালু ছিল দেখা যায়। অর্থাৎ উভয় সমাজেরই অবস্থা এক, কে কাকে দেখে ঠিক নেই। তবে বিদেশিদের চারিত্রিক চিত্রটা আরও অনেক স্পষ্ট। তখন অর্থশোষণই যে তাদের জীবনের চরম লক্ষ্য ও কাম্য ছিল, তা এই বিজ্ঞাপনের মধ্যে উগ্রভাবে ফুটে উঠেছে দেখা যায়। স্ত্রী পলাতক, সেদিকে ভ্রূক্ষেপ নেই, সাহেবের মাথায় তখন টাকা ধারের কথা খেলছে। বিজ্ঞাপনও সেইজন্য দেওয়া, পলাতক স্ত্রী—র কোনো খোঁজখবরের জন্য নয়।

     

    আরও দেখুন
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি টিউটোরিয়াল
    গল্প, কবিতা
    অনলাইন বুকস্টোর
    PDF বই
    বাংলা গানের লিরিক্স বই
    বাংলা সাহিত্য ভ্রমণ
    Library
    বাংলা বইয়ের আলোচনা ফোরাম
    রেসিপি বই
    বই

     

    বই চুরিরও একটা মজার ‘বিজ্ঞাপন’ পাওয়া যায়। ‘Lent or Lost some years since’ এই হল বিজ্ঞাপনের হেডিং। ভদ্রলোক বইখানা কাউকে ধার দিয়েছেন, কি সত্যি চুরি গেছে, তা সঠিক জানেন না, তাই ‘Lent or Lost’ এবং কবে গেছে তা—ও জানা নেই বলে ‘some years since’। বিজ্ঞাপনটির মর্ম এই : ‘১৭৬০ সালে মিলার কোম্পানির ছাপা পোপের গ্রন্থাবলির প্রথম খণ্ড। কভারের ভেতরের দিকে মালিকের নাম লেখা আছে। যদি কারও কাছে বইখানা থাকে, তিনি যেন ফেরত দেন। আর তার জন্য যদি কেউ পুরস্কার চান তাহলে বইয়ের মালিক প্রকাশককে জানাতে পারেন। প্রকাশক পুরস্কার হয়তো দিতেও পারেন, কারণ এই বইয়ের অভাবে তিনি পরবর্তী সংস্করণ ছাপতে পারছেন না।’ এখানেও লক্ষণীয় হচ্ছে, অর্থলোভ ও কার্পণ্য। বই ফেরত দিলে তার মালিক যিনি তিনি যে কোনো পুরস্কার দেবেন এমন কথা বলছেন না, প্রকাশককে জানাবেন বলছেন। একে ‘লেন্ট বা লস্ট’, তার ওপর ‘কয়েক বছর আগে’ এবং সবার উপর, ফেরত দিলে অন্যকে পুরস্কারের জন্য জানানো—সমস্ত ব্যাপারটার মধ্যে একটা বিচিত্র মনোভাব ও চরিত্রের পরিচয় পাওয়া যায় না কি? এই শ্রেণির বিদেশিরাই প্রথম যুগে আমাদের চরিত্র ও মানসতার দীক্ষাগুরু ছিলেন।

     

    আরও দেখুন
    বই ডাউনলোড
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি কালি
    লাইব্রেরি
    বইয়ের
    ডিকশনারি
    স্বাস্থ্য টিপস
    ডিজিটাল বই
    অনলাইনে বই
    গ্রন্থাগার
    অনলাইন বুকস্টোর

     

    জনৈক ডাঃ ডিনউইডি ১৭৯৫ সালে এক বিজ্ঞাপনে জানাচ্ছেন যে, দর্শন ও রসায়ন বিজ্ঞান সম্বন্ধে তিনি ২৫ থেকে ৩০টা বক্তৃতা দেবেন। বক্তৃতা শোনার ফি হল ১০ সোনার মোহর। জানি না, এখন কোনো দর্শন বা বিজ্ঞানের পণ্ডিতের পক্ষে এই ধরনের বিজ্ঞাপন দেওয়ার সাহস হবে কি না, অন্তত আমাদের দেশে। সাহস হলেও, দশটা পয়সা দিয়েও কেউ তাঁর বক্তৃতা শুনতে যাবে না, মোহর তো দূরের কথা। সিনেমার কোনো অভিনেত্রী যদি বক্তৃতা দেন, তাহলে হয়তো দশ টাকা পর্যন্ত টিকিট বিক্রি হতে পারে।

    এই সময়কার আর—একটি বিজ্ঞাপনের অন্তর্নিহিত রহস্য আমি অনেক ভেবেচিন্তেও উদ্ঘাটন করতে পারিনি। বিজ্ঞাপনটির মর্ম এই : ‘বৈঠকখানা রোডে ডিরোজিওর (কোন ডিরোজিও?) বাড়ির ঠিক সামনে নিচের তলায় দু’খানা ঘর, একটা বড় হলঘর, কয়েকটি দোকানঘরসহ একত্রে ভাড়া দেওয়া বা বিক্রি করা হবে। কোনো মহিলা ভাড়াটে বা ক্রেতা চাই। বিস্তারিত বিবরণের জন্য বউবাজারের মিঃ জন অ্যাথানাস সাহেবের কাছে খোঁজ করুন।’ কে বলবে, বউবাজারের এই সাহেব বাড়িওয়ালা মহিলা ভাড়াটে বা ক্রেতা চান কেন? ‘‘Premises would be a desirable gift to a woman’’ এ কথাটা লেখারই বা উদ্দেশ্য কী? কেরি সাহেব এই বিজ্ঞাপনটি সম্বন্ধে মন্তব্য করেছেন—‘‘Rather a strange gift to a woman!’’ বাস্তবিকই তা—ই।

     

    আরও দেখুন
    উপন্যাস সংগ্রহ
    PDF বই
    বাংলা হস্তলিপি কুইল
    রেসিপি বই
    বাংলা বইয়ের প্রিন্ট কপি
    বাংলা বইয়ের আলোচনা ফোরাম
    বাংলা লেখকদের সাক্ষাৎকার
    ই-বই সাবস্ক্রিপশন
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি কালি
    অনলাইনে বই

     

    এখন তো অনেকেই লন্ড্রিতে কাপড়চোপড় কাচান এবং অনেকেও স্টিমে না কাচালে চলে না। তখন এইভাবে কাপড় কাচানো সম্ভব ছিল না। তখন ১৭৮৭ সালে মেসার্স ডেভিডসন অ্যান্ড কোং বিজ্ঞাপন দিয়ে জানাচ্ছেন যে, এন্টালিতে তাঁরা কাপড় ধোলাইয়ের ব্যবসা খুলেছেন। স্বচ্ছন্দে তাঁদের কাছে কাপড় কাচানো যেতে পারে। কাপড় কাচার ‘রেট’ হচ্ছে এই : পুরুষ বা মহিলা—প্রতি মাসে ৬ টাকা, কিশোর (৭—১২)—প্রতি মাসে ৪ টাকা, বালক (১—৬)—প্রতি মাসে ২ টাকা এবং ভৃত্য প্রতি মাসে ১ টাকা। ‘রেট’ মাসিক এবং কাপড় হিসেবে নয়, বয়স ও সামাজিক মর্যাদা হিসেবে।

    ১৭৯৫ সালের এক বিজ্ঞাপনে বলা হচ্ছে যে, ৫ নং কোর্ট হাউস লেনে একটি সুন্দর দোতলা বাড়ি বিক্রি করা হবে। বাড়িটির অন্যতম সুবিধা হচ্ছে যে কোনো ধুলো বা গোলমাল নেই—‘Free from dust and noise’—এবং পাশেই রাধাবাজার। বাড়িটির সংলগ্ন একটি চমৎকার বাগানও আছে। মাত্র ১৫০ বছর আগে রাধাবাজারের কাছাকাছি জায়গার অবস্থা কী ছিল বোঝা যায়, এখন ভাবলেও ভয় হয়। এখন রাধা বা শ্যাম যে—কোনো বাজারের দিকে তাকালে মনে হয়, কোথায় বা বাগান ছিল, আর কোন বাড়িই বা ‘free from dust and noise’ ছিল।

     

    আরও দেখুন
    বাংলা সাহিত্য ভ্রমণ
    PDF বই
    বাংলা বইয়ের উপহার কার্ড
    বইয়ের তালিকা
    বাংলা অডিওবুক
    বই পড়ুন
    রেসিপি বই
    লেখকের বই
    গ্রন্থাগার
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি কাগজ

     

    কলকাতার রাস্তায় তখন গোরু বা ষাঁড়ের চেয়ে ঘোড়া (হাতিও) চলে বেড়াত বেশি। অনেকদিন ধরে এই ভ্রাম্যমাণ ঘোড়াদের দেখতে দেখতে এক সাহেবের উর্বর মস্তিষ্কে এক অভিনব প্ল্যান গজিয়ে উঠল। ১৭৯১ সালের ২৮ এপ্রিল, ‘ক্যালকাটা গেজেট’—এর সাহেব এই মর্মে এক বিজ্ঞাপন দিলেন : ‘ঘোড়াগুলো এইভাবে বেফায়দা নিষ্কর্মার মতন ঘুরে বেড়ায়, দেশের কোনো কাজে লাগে না। আমি তাই ভেবেছি, যদি ধরে ধরে তাদের বংশবৃদ্ধি করানো যায়, তাহলে তাতে দেশের অনেক উপকার হতে পারে। আমার বিশ্বাস ঘোড়ার মালিকরা আমার এই প্রস্তাব সমর্থন করবেন। যদি করেন তাহলে ক্যালকাটা গেজেটের প্রিন্টারের কাছে তাঁরা যে—কেউ আমার এই বিজ্ঞাপনের খরচটা পাঠিয়ে দেবেন। খরচ পেয়ে গেলেই আমি পূর্ণোদ্যমে আমার প্ল্যান অনুযায়ী কাজ করতে লেগে যাব।’ অভিনব পরিকল্পনা যে কেবল একালেরই একচেটে তা নয়, সেকালেও ছিল এবং সাহেবদের মাথা যে কীরকম সাফ ছিল তা এই প্ল্যান থেকেই বোঝা যায়। ‘ক্যালকাটা গেজেট’—এর মতন কাগজেও এই বিজ্ঞাপন ছাপা হত।

     

    আরও দেখুন
    বাংলা স্বাস্থ্য টিপস বই
    বাইশে শ্রাবণ
    গল্প, কবিতা
    বাংলা সাহিত্য
    পিডিএফ
    বাংলা লেখকদের সাক্ষাৎকার
    কৌতুক সংগ্রহ
    বাংলা কৌতুক বই
    বাংলা বইয়ের প্রিন্ট কপি
    বুক শেল্ফ

     

    .

    দ্বিতীয় প্রস্তাব

    সিটন—কার সাহেব ‘ক্যালকাটা গেজেট’ পত্রিকার সংবাদ, সরকারি নোটিশ, সম্পাদকীয় প্রবন্ধ ও বিজ্ঞাপন সঙ্কলন করেছেন সামাজিক ইতিহাসের উপকরণ হিসাবে। আজকাল কোনো ঐতিহাসিক বা সমাজবিজ্ঞানী এসব কাজ করা প্রয়োজন বোধ করেন না। এর মধ্যে সিটন—কার সাহেব বলেছেন যে, বিজ্ঞাপনগুলি হল: ‘the most interesting of the whole. It throws light on the minutest details of the inner and domestic life of the English community of Calcutta and the Bengal Presidency.’ সুতরাং আবার বলছি, বিজ্ঞাপন উপেক্ষণীয় নয়, সামাজিক ইতিহাসের দিক দিয়ে অত্যন্ত মূল্যবান উপকরণ। আরও কয়েকটি বিজ্ঞাপন তাই এখানে সঙ্কলন করে দিলাম।

     

    আরও দেখুন
    গ্রন্থাগার
    ই-বই পড়ুন
    বাংলা সাহিত্য ভ্রমণ
    বাংলা সাহিত্যের ওয়ার্কশপ
    বাংলা ডিকশনারি অ্যাপ
    বাংলা রান্নার রেসিপি বই
    ডিকশনারি
    উপন্যাস সংগ্রহ
    ই-বই সাবস্ক্রিপশন
    বাংলা সাহিত্যের কোর্স

     

    ১ এপ্রিল, ১৭৮৪ : চীন দেশবাসী টম ফ্যাট কলকাতা শহরের বাসিন্দাদের অবগতির জন্য জানাচ্ছেন যে, যাঁদের বসতবাড়িতে, বাগানে বা অন্যত্র কোথাও ডোবা—পুষ্করিণী ইত্যাদি আছে, তাঁরা যদি তাঁকে জানান, তাহলে তিনি পরিষ্কার করে দেবার উত্তম ব্যবস্থা করতে পারেন, খুব অল্প খরচে। টম ফ্যাট বিজ্ঞাপনে এ কথাও জানিয়েছেন যে, তিনি যে—কোনো বাঙালিবাবুর চেয়ে কাজটা আরও সহজে করতে পারবেন, কারণ তাঁর ‘চীনা পাম্প’ আছে। যদি কোনো ভদ্রলোক তাঁর সঙ্গে এ বিষয়ে আলাপ করতে চান তাহলে তিনি যেন কলকাতার ঠিক উল্টোদিকে সালখেতে (হাওড়া) তাঁর রমের (মদ) কারখানাতে খোঁজ করেন।

    বিশেষ দ্রষ্টব্য : টম ফ্যাট রুটি দিয়ে খাবার মতন বেশ ভাল চিনিও তৈরি করেন, বিদেশি চিনির চেয়ে কোনো অংশেই খারাপ নয়। এ ছাড়া চিনা কারিগরের কাঠের আসবাবও তৈরি করা হয়।

    কলকাতার ‘চীনা টাউন’ গড়ে ওঠার আগেকার ইতিহাসের আভাস এই বিজ্ঞাপনের ভিতর থেকে পাওয়া যায়। টম ফ্যাটের ‘চীনা পাম্প’টি বিশেষ উল্লেখযোগ্য, কারণ এই পাম্প দিয়ে তিনি বাঙালিবাবুদের ট্যাঙ্ক পরিষ্কার করার কনট্রাক্টরি ব্যবস্থা থেকে হাটিয়ে দিচ্ছেন। তখন কলকাতার অধিকাংশ লোকের বাড়িতে যে ডোবা, পুকুর, ট্যাঙ্ক ইত্যাদি থাকত তা—ও বোঝা যাচ্ছে। তা ছাড়া, জুতোর ব্যবসা চীনাদের প্রথম ও প্রধান ব্যবসা নয়, তা—ও জানা যায়। টম ফ্যাটের শুধু যে ট্যাঙ্ক সাফ করবার ‘চীনা পাম্প’ ছিল তা নয়, সালখেতে মদ চোলাইয়ের (রম) কারখানা ছিল, চিনির ব্যবসা ছিল এবং ফার্নিচারেরও কারবার ছিল।

     

    আরও দেখুন
    বাংলা সাহিত্য ভ্রমণ
    লাইব্রেরি
    ই-বই পড়ুন
    বই পড়ুন
    PDF
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি কালি
    স্বাস্থ্য টিপস
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি কাগজ
    বই
    লেখকের বই

     

    ২৯ এপ্রিল, ১৭৮৪ : একখানা ফিটনগাড়ি, একখানা চার স্প্রিংযুক্ত বগি, একখানা দুই স্প্রিংযুক্ত বগি, একটা সুদৃশ্য পাল্কি (মহিলাদের) এবং একটা চেয়ার—বসানো ভদ্রলোকের পাল্কি বিক্রি করা হবে। প্রত্যেকটি গাড়ি ও পাল্কি খুব মজবুত করে তৈরি এবং প্রায় নতুনের মতন আছে। রাধাবাজারে ম্যান সাহেবের কাছে খোঁজ করুন।

    আজকালকার সংবাদপত্রে ‘বিক্রয়ের’ বিজ্ঞাপন খুঁজে এর মধ্যে একটি জিনিসও কেউ বার করতে পারবেন না—ফিটন, বগি, লেডিদের পাল্কি, ভদ্রলোকদের পাল্কি, কোনোটাই না।

    ৩ জুন, ১৭৮৪ : আগামী ১১ জুন শুক্রবার ডানকান সাহেবের নিলামঘরে এই বিশাল বাগানটি বিক্রি করা হবে। বাগানটির বিবরণ এই : বাগানটি হল ঠিক ‘বৈঠকখানা’র মধ্যে—পূর্বদিকে তার মারাঠা খাত, উত্তরে পিটার সুকিয়ার (যার নামে সুকিয়া স্ট্রিট?), পশ্চিমে চৈতন বসাকের এবং দক্ষিণে মুঙ্গরো জমাদারের বাগান। বাগানটি প্রায় চার বিঘা সাড়ে এগারো কাঠা জমির উপর এবং তার মধ্যে একটি মাছভরা, শান—বাঁধানো খাটওয়ালা বেশ বড় ট্যাঙ্ক আছে। এ ছাড়া বাগানের মধ্যে ৫০০ ফলের গাছ আছে নানা রকমের।

     

    আরও দেখুন
    ডিকশনারি
    বই ডাউনলোড
    বাংলা অডিওবুক
    বাংলা বইয়ের উপহার কার্ড
    বাইশে শ্রাবণ
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি কাগজ
    রেসিপি বই
    PDF বই
    লাইব্রেরি
    বাংলা সাহিত্য

     

    মারাঠা—খাত, পিটার সুকিয়ার বাগান, চৈতন্য বসাকের বাগান দিয়ে ঘেরা এই বাগানটি বৈঠকখানা অঞ্চলে কোথায় ছিল, কোনো প্রশ্নতত্ত্ববিদ খুঁজে বের করতে পারবেন কি? একটা বাগান কেন, চারদিকেই তো বাগান ছিল, এমনকি মুঙ্গরো জমাদারের বাগান পর্যন্ত। এতগুলি বাগান বৈঠকখানা অঞ্চলে কোথায় ছিল? বেশ বোঝা যায়, কলকাতা শহরে বৈঠকখানা অঞ্চল তখন বাগানে বাগানে বাগানময় ছিল, এখন তার কোনো চিহ্ন কোথাও নেই।

    ২ সেপ্টেম্বর, ১৭৮৪ : মেসার্স উইলিয়াম অ্যান্ডলি একটি চমৎকার ঘোড়া বিক্রি করবেন। বগির পক্ষে ঘোড়াটি খুব ভাল, দৌড়নোয় ওস্তাদ। মূল্য ৩০০ সিক্কা টাকা।

    এই জীবটিও এখন আর বিক্রির জন্য বিজ্ঞাপিত হয় না। তখন খুবই হত, কারণ বগি, ফিটন বিক্রি হলে, ঘোড়া বিক্রি তো হবেই।

     

    আরও দেখুন
    বাংলা বইয়ের প্রিন্ট কপি
    বই
    বাংলা বই
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি কালি
    বাইশে শ্রাবণ
    বাংলা ফন্ট সাবস্ক্রিপশন
    নতুন বই
    স্বাস্থ্য টিপস
    বাংলা সাহিত্যের কোর্স
    বাংলা ই-বুক রিডার

     

    ২৫ নভেম্বর, ১৭৮৪ : আধ ডজন ভাল লেখক চাই। হাতের লেখার এক পৃষ্ঠা নমুনাসহ দরখাস্ত না করলে, কোনো দরখাস্ত বিবেচনা করা হবে না। এজেন্সি অফিসে ‘এ বি’র কাছে দরখাস্ত করুন। যাঁদের হাতের লেখা ভাল নয় এবং তাড়াতাড়ি লিখতে পারেন না, তাঁরা দরখাস্ত করবেন না।

    আজকাল শুধু এই কোয়ালিফিকেশন নিয়ে চাকরি পাওয়া খুব মুশকিল।

    ৩ মার্চ, ১৭৮৫ : আগামী ৬ মার্চ সোমবার মিঃ বন্তফিল্ড ওল্ডকোর্ট হাউসে ওয়ারেন হেস্টিংসের এই মূল্যবান জিনিসগুলি বিক্রি করবেন। নগদ টাকায় ক্রেতাদের কিনতে হবে, এবং পাঁচ দিনের মধ্যে নিলামঘর থেকে মাল সরিয়ে না নিলে আবার তা নিলাম করা হবে। জিনিসের একটা তালিকা দেওয়া হল।

    প্লেট, ফার্নিচার, ছবি (অরিজিনাল পেন্টিং) ও প্রিন্ট, বড় অর্গান, মূল্যবান অশ্বসজ্জা, কারুকার্যখচিত হাতির হাওদা, ভাল ভাল বাহারে পাল্কি, কয়েকটা দামি কার্পেট ও শতরঞ্চি, বিলাসভ্রমণের উপযুক্ত সাজানো নৌকা, ভাল বিলেতি ঘাস—কাটা যন্ত্র, কয়েকটি তাঁবু এবং আরও নানা রকমের খুচরো জিনিস। নগদ টাকা ছাড়া কোনো জিনিস হাতছাড়া করা হবে না।

     

    আরও দেখুন
    বাইশে শ্রাবণ
    অনলাইনে বই
    অনলাইন বুকস্টোর
    উপন্যাস সংগ্রহ
    বাংলা বইয়ের প্রিন্ট কপি
    বই
    বাংলা অডিওবুক
    বাংলা সাহিত্যের কোর্স
    বাংলা হস্তলিপি কুইল
    বইয়ের তালিকা

     

    নিলামে বিক্রি হচ্ছে, তবু নগদ টাকার উপর ঝোঁকটা খুব বেশি এবং বিজ্ঞাপনে একটু বাড়াবাড়ি করা হয়েছে। হয়তো ওয়ারেন হেস্টিংসের নির্দেশেই নিলামওয়ালা করতে বাধ্য হয়েছেন। যা—ই হোক, নিলামের বস্তুগুলি খুব ‘ইন্টারেস্টিং’ নয় কি? যেমন—অশ্বসজ্জা, হাতির হাওদা, পাল্কি, নৌকা ইত্যাদি। তখনকার দু’চারজন বাঙালিবাবু (রাজা নবকৃষ্ণের মতন) নিলাম থেকে এসব জিনিস কিছু নিশ্চয় কিনেছিলেন। যদি সেগুলো সঞ্চিত হত এবং মিউজিয়ামে আসত, তাহলে আজ আমরা দেখতে পেতাম।

    কর্মপ্রার্থী—১০ মার্চ, ১৭৮৫ : বিবাহিত দম্পতি। স্ত্রী যিনি তিনি খুব ভাল ‘হেয়ারড্রেসিং’ জানেন এবং কোনো সম্ভ্রান্ত লেডির পরিচারিকা হতে পারেন। স্বামী জন্মে থেকেই কচুয়ানি বা গাড়োয়ানি শিখেছেন এবং এ কাজ ভালই করতে পারেন।

    দম্পতি যে দারুণ দম্পতি তাতে কোনো সন্দেহ নেই। স্বামী কচুয়ানি করবেন এবং স্ত্রী মনিবপত্নীর কেশপরিচর্যা করবেন, খুব চমৎকার আইডিয়া। আজকাল কোনো মোটর ড্রাইভারের স্ত্রী—র পক্ষে এ কাজ পাওয়া সম্ভব নয়, বড়জোর আয়ার কাজ পেতে পারেন। তার কারণ এখনকার মেমসাহেবদের কেশ অধিকাংশই উৎপাটিত, পরিচর্যার সুযোগ নেই। তখন কিন্তু মেমসাহেবরা কায়দা করে চুল বাঁধতেন, খোঁপাও করতেন।

    ২১ এপ্রিল, ১৭৮৫ : কলকাতা শহরের ভদ্রলোক ও ভদ্রমহিলাদের অভিনন্দন জ্ঞাপন করে হোম সাহেব তাঁদের অবগতির জন্য জানাচ্ছেন যে, সপ্তাহে তিন দিন করে তিনি তাঁর আস্তানায় ড্রয়িং পেন্টিং শিক্ষা দেবেন। যাঁরা হোম সাহেবের কাছে সুকুমারকলা শিখতে চান তাঁরা চিঠি পাঠিয়ে তাঁর কাছ থেকে পারিশ্রমিকের রেট জানতে পারেন, অথবা সোজা নিজেরা এসে রাধাবাজারে দেখা করতে পারেন তাঁর বাড়িতে।

    এ দেশে আর্টশিক্ষার সূত্রপাত কীভাবে হয়েছে তা আর্টের ছাত্র, মাস্টার ও আর্টিস্টদের জেনে রাখা দরকার। মোট কথা, আর্ট স্কুল হবার অনেক আগে থেকেই তা আরম্ভ হয়েছে।

    ১ ডিসেম্বর, ১৭৮৫ : ইয়োরোপের বিখ্যাত হেয়ারড্রেসার মালভের সাহেব কলকাতায় এসে কেবল শহরের সম্ভ্রান্ত লেডিদের জানাচ্ছেন যে, তিনি মাসে দুই সোনার মোহরের বিনিময়ে নিয়মিত কেশপরিচর্যার ভার নিতে রাজি আছেন। ফিতে ও ফুল দিয়ে হাল ফ্যাশনে চুল বাঁধতে তাঁর সমকক্ষ নাকি আর কেউ নেই। অল্প পারিশ্রমিকে তিনি ‘স্লেভদের’ (‘দাসদের’) শিক্ষা দিতেও পারেন। হারমনিক ট্যাভার্নের পিছনে খোঁজ করতে বলা হয়েছে।

    ইংরেজ মহিলাদের হেয়ারড্রেসিঙের শখ কতটা ছিল বোঝা যায়। ইয়োরোপ থেকে ড্রেসাররাও আসতেন কলকাতায়, ব্যবসায়ের জন্য। ফিতে ও ফুল দিয়ে মেয়েদের চুল বাঁধতে তাঁরা ওস্তাদ ছিলেন। আবার এ দেশে শিক্ষাও দিতেন তাঁরা (‘স্লেভ’ কথাটি এখানে লক্ষ করার মতন)। কোথায় গেলেন এইসব গুণী সাহেব?

    ৩০ অক্টোবর, ১৭৮৮ : বিখ্যাত হেয়ারড্রেসার লা’ফ্লোর সম্প্রতি প্যারিস থেকে কলকাতায় এসেছেন। ভদ্রলোক ও ভদ্রমহিলা চুল ছাঁটবার জন্য তাঁর রেট হল এই:

    মহিলাদের কেশবিন্যাস : ৪ টাকা

    ভদ্রলোকের ” : ৪ টাকা

    চুল ছাঁটাই ” : ৬ টাকা

    যাঁরা মাসিক হিসেবে তাঁর সঙ্গে বন্দোবস্ত করতে চান তাঁরা আলাদা দেখা করুন—কর্নেল পিটার মারির বাড়ির পাশের লেনে ৭৩ নম্বর।

    শুধু বিলেত থেকে নয়, প্যারিস থেকেও হেয়ারড্রেসার আসতেন। রেট অবশ্য ভয়ানক, তবু যাঁরা চুল ছাঁটাতেন ও কেশবিন্যাস করাতেন, তাঁদের কাঁচা পয়সার তখন অভাব ছিল না। মগের মুল্লুকের লুটের পয়সা চুল ছেঁটেই তাঁরা যা খরচ করতেন, তা থেকে অন্যান্য খরচের বহর বোঝা যায়। এ—ও জানা যায় যে, কলকাতা শহরে হেয়ারড্রেসিং অন্যতম ব্যবসা তো বটেই, প্রাচীনতম ব্যবসা।

    ৬ সেপ্টেম্বর, ১৭৮৭ : ওয়ারেন হেস্টিংসের সম্পত্তি—কালো কাঠের একটি বুরো, হয় তাঁর বাংলা দেশ ছেড়ে যাবার সময় চুরি অথবা নিলামে অন্যান্য মালপত্রের সঙ্গে ভুলক্রমে বিক্রি হয়ে গেছে। এই কাঠের বুরোর মধ্যে হেস্টিংস সাহেবের অনেক দরকারি গোপন কাগজপত্র ও চিঠি ছিল এবং কয়েকখানা ছোট ছোট ছবিও ছিল। মিঃ লার্কিনস ও মিঃ টমসন জানাচ্ছেন যে যদি কেউ উক্ত বুরোর সন্ধান দিতে পারেন, অথবা তার ভিতরের কাগজপত্র উদ্ধার করতে পারেন, তাহলে তাঁকে অবশ্যই দুই হাজার সিক্কা টাকা পুরস্কার দেওয়া হবে।

    কাগজপত্রগুলো যে রীতিমতো দরকারি বা ঐতিহাসিক দলিলের মতন মূল্যবান ছিল, তা ওয়ারেন হেস্টিংসের ব্যাকুলতা দেখেই বোঝা যায়। পরে হেস্টিংস সাহেব চিঠি লিখে জানিয়েছিলেন এই বুরো সম্বন্ধে : ‘It contained many letters and other papers which I would not for the world have seen by strangers.’ কিন্তু বুরোটা গেলই বা কোথায়? হয় কেউ নিলামের মালের সঙ্গে কিনেছিলেন, অথবা চুরি করেছিলেন। অথচ তার খোঁজখবর যদি এখনও কোনো সূত্রে পাওয়া যেত তাহলে হয়তো ইতিহাসের অনুসন্ধানী ছাত্রদের সুবিধা হত অনেক। অবশ্য দু’হাজার সিক্কা টাকা পুরস্কার এখন আর কেউ পাবেন না।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleবাদশাহী আমল – বিনয় ঘোষ
    Next Article বাংলার সামাজিক ইতিহাসের ধারা – বিনয় ঘোষ

    Related Articles

    বিনয় ঘোষ

    কলকাতা শহরের ইতিবৃত্ত ২ – বিনয় ঘোষ

    November 4, 2025
    বিনয় ঘোষ

    জনসভার সাহিত্য – বিনয় ঘোষ

    November 4, 2025
    বিনয় ঘোষ

    বাংলার বিদ্বৎসমাজ – বিনয় ঘোষ

    November 4, 2025
    বিনয় ঘোষ

    বাংলার সামাজিক ইতিহাসের ধারা – বিনয় ঘোষ

    November 4, 2025
    বিনয় ঘোষ

    বাদশাহী আমল – বিনয় ঘোষ

    November 4, 2025
    বিনয় ঘোষ

    শিল্প সংস্কৃতি ও সমাজ – বিনয় ঘোষ

    November 4, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }