Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    কলকাতা শহরের ইতিবৃত্ত ১ – বিনয় ঘোষ

    বিনয় ঘোষ এক পাতা গল্প603 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ১৩. জেন্টুদের দুর্গোৎসব

    জেন্টুদের দুর্গোৎসব

    Doorga Pujah…is the grand general feast of the Gentoos, usauslly visited by all Europeans (by invitation) who are treated by the proprietor of the feast with the fruits and flowers in seasons, and are entertained every evening whilst the feast lasts, with bands of singers and dancers.

    Holwell : Interesting Historical Events 1766

    দুর্গাপূজা জেন্টুদের বা বাবুদের সবচেয়ে গ্র্যান্ড বা জমকালো উৎসব। সাধারণত সাহেবরাও এই উৎসবে যোগদান করার জন্য আমন্ত্রিত হন এবং উৎসবের কর্তারা নানা রকমের ফলমূল দিয়ে তাঁদের অভ্যর্থনা করেন। উৎসবকালে প্রতি সন্ধ্যায় নাচ—গানের ব্যবস্থাও করা হয়।

    আজ থেকে প্রায় দু’শো বছর আগে হলওয়েল সাহেব কলকাতার দুর্গোৎসব সম্বন্ধে এই কথা লিখে গেছেন। কোম্পানির আমলের কথা, হলওয়েল তখন ছিলেন কলকাতার জমিদার। প্রায় এই সময় দেখা যায়, মহারাজা নবকৃষ্ণ তাঁর কোনো এক বন্ধুকে লিখছেন : ‘এবার পূজার সময় লর্ড ক্লাইভ আমার বাটীতে অনুগ্রহপূর্বক প্রতিমা দর্শন করিতে আসিবেন। তাঁহার সহিত কোম্পানির বহু গণ্যমান্য ব্যক্তি উপস্থিত থাকিবেন। তোমার আসা চাই,’ ইত্যাদি। হলওয়েল সাহেবের কথার সমর্থন মহারাজা নবকৃষ্ণের চিঠিতে পাওয়া যাচ্ছে। শোভাবাজারের রাজা মুনশি নবকৃষ্ণ তখন উত্তর কলকাতার তালুকদার। কলকাতার ব্রিটিশ জমিদার ও ব্রিটিশের তৈরি দেশি নয়া—তালুকদাররা অষ্টাদশ শতাব্দীর দ্বিতীয় ভাগ থেকে দুর্গোৎসবের রূপ বদলাচ্ছিলেন। বদলাবার প্রধান স্থান হল ব্রিটিশ আমলের নতুন রাজধানী কলকাতা শহর। অর্থাৎ দুর্গোৎসব শেষ পর্যন্ত ব্রিটিশ যুগের নয়া—কলকাতা কালচারের একটা প্রধান অঙ্গ হয়ে উঠল। কলকাতা কালচারের সমস্ত বৈশিষ্ট্য এসে দুর্গোৎসবকে ‘grand general feast of the Gentoos’ করে তুলল। দুর্গোৎসবের এই ভেরিয়েশন বা প্রকারভেদ বাঙালির সংস্কৃতির ইতিহাসে নিশ্চয় একটা উল্লেখযোগ্য ঘটনা।

    নব্যযুগের কালচারের এই বিশেষ তরঙ্গও কিন্তু ঐতিহাসিক পথ ধরেই মহানগরের দিকে এগিয়ে আসছে। অর্থাৎ উত্তর, পূর্ব ও পশ্চিমবঙ্গ থেকে ‘ভাষা’ গোয়াড়ি কৃষ্ণনগর, চুঁচড়ো চন্দননগর, উৎসবের তরঙ্গ এসে মিলিত হয়েছে কলকাতা শহরে। এই নবতরঙ্গের ভগীরথ হলেন কোম্পানির আমলের ইংরেজ বণিকরা এবং তাঁদের বাঙালি গোমস্তা আমলা উকিল মুনশিরা। আজ থেকে দু’শো বছর আগে, অষ্টাদশ শতাব্দীর প্রায় মাঝামাঝি থেকে এই নবতরঙ্গের যাত্রা শুরু বলা চলে। তার পর থেকে আজ পর্যন্ত সেই তরঙ্গেরই বিচিত্র ওঠানামা দেখেছি আমরা এবং আজও দেখছি সেই তরঙ্গেরই নতুন বাঁক ফেরার চেষ্টা। জাতীয় সংস্কৃতির একটা প্রায় লুপ্ত সুস্থ ধারাকে কলকাতার দুর্গোৎসবের মধ্যে পুনরুজ্জীবিত করবার চেষ্টা হচ্ছে ঠিকই, কিন্তু প্রথম যুগের কলকাতা কালচারের অবিচ্ছেদ্য অঙ্গরূপে যে দুর্গোৎসবের পত্তন হয়েছিল কলকাতা শহরে, লক্ষ করলে আজ তারই একটা স্বাভাবিক পরিণতি নজরে পড়ে। আসল যে দুর্গোৎসব, বাঙালির নিজস্ব যে ঐতিহাসিক দুর্গোৎসব, তার বনিয়াদ ভেঙে চুরমার হয়ে গেছে অনেকদিন। অর্থাৎ সে রামও নেই, সে অযোধ্যাও নেই। সেই আত্মনির্ভর গ্রাম্য সমাজ, সেই গোষ্ঠীজীবন, যৌথপরিবার, সেইসব ‘বেনাভলেন্ট ডেম্পট’ টাইপের বাংলার জমিদার আজ আর নেই। বাঙালির কৃষ্টিগঙ্গা যখন গৌড়, রাজমহল, মুর্শিদাবাদ, নবদ্বীপ, কৃষ্ণনগর থেকে কলকাতাভিমুখী হতে শুরু করেছে, তখন থেকে বাঙালির জাতীয় উৎসব ও লোকোৎসবের ভাঁটার সূচনা হয়েছে। ব্রিটিশ আমলের নতুন জমিদার, তালুকদার ও পত্তনিদাররা এবং হঠাৎ—গজিয়ে—ওঠা বিত্তবান ‘জেন্টুরা’ কলকাতা শহরে বা আশপাশে গ্রামাঞ্চলে নতুন যে জোয়ার আনার চেষ্টা করেছিলেন, সেটা আসলে স্বাভাবিক জোয়ার নয়, অস্বাভাবিক একটা বন্যা, একটা তরঙ্গোচ্ছ্বাস—পাঁক ও আবর্জনাই ছিল তার মধ্যে বেশি। উচ্ছ্বাসের বুদবুদ মিলিয়ে যাবার পর সেই আবর্জনার তলানি জমতে খুব বেশি সময় লাগেনি। ক্লাইভ হেস্টিংস হলওয়েল সাহেবের যুগে, শোভাবাজারের রাস্তা মুনশি নবকৃষ্ণ, আন্দুলের রাজা দেওয়ান রামচাঁদ রায়, ভূকৈলাসের রাজা দেওয়ান গোকুলচন্দ্র ঘোষাল, দেওয়ান গঙ্গাগোবিন্দ সিংহ প্রভৃতির আমলেই দেখা যায় বাঙালির সর্বশ্রেষ্ঠ জাতীয় উৎসব ‘গ্র্যান্ড ফিস্ট অফ দ্য জেন্টুস’—এ পরিণত হয়েছে।

     

    আরও দেখুন
    অনলাইন বুকস্টোর
    বাংলা কৌতুক বই
    ই-বই সাবস্ক্রিপশন
    গ্রন্থাগার
    ডিকশনারি
    বই পড়ুন
    গল্প, কবিতা
    বইয়ের
    ডিজিটাল বই
    বাংলা ফন্ট সাবস্ক্রিপশন

     

    ১৭৯২ সালের ১৮ সেপ্টেম্বর তারিখের ‘ক্যালকাটা ক্রনিক্ল’ পত্রিকায় আসন্ন দুর্গোৎসবের বিবরণ প্রসঙ্গে কয়েকটি বিখ্যাত গৃহের কথা উল্লেখ করা হয়। যাঁদের গৃহে মহাসমারোহে দুর্গোৎসব হবে, তাঁদের মধ্যে মহারাজা নবকৃষ্ণ, প্রাণকৃষ্ণ সিংহ, কেষ্টচাঁদ মিত্র, নারায়ণ মিত্র, রামহরি ঠাকুর, বারাণসী ঘোষ ও দর্পনারায়ণ ঠাকুরের নাম করে বলা হয় যে, অন্যান্য বছরের মতন, এ বছরেও কলকাতার এইসব ধনীগৃহে সাহেবরা প্রমোদসভায় যোগ দেবেন। উৎসবে সাহেবদের এই মেলামেশা সম্পর্কে পত্রিকায় মন্তব্য করা হয়—‘Call it diversion, and the pill goes down.’

    দুর্গোৎসবের পর, ২৫ সেপ্টেম্বর তারিখের পত্রিকায়, মহারাজা সুখময় রায়ের বাড়ির নাচসভার একটি বিবরণ প্রকাশিত হয়। তাতে বলা হয় যে, এ বছরের নূতনত্ব হল হিন্দুস্থানি গানের সঙ্গে ইংরেজি সুর মিশিয়ে পরিবেশন—‘The only novelty that rendered the entertainment different from those of last year was the introduction, or rather the attempt to introduce, some English tunes among the Hindoostance music…’

     

    আরও দেখুন
    বাংলা গানের লিরিক্স বই
    ই-বই পড়ুন
    কৌতুক সংগ্রহ
    Books
    বাংলা সাহিত্য ভ্রমণ
    Library
    বাংলা ফন্ট সাবস্ক্রিপশন
    ডিকশনারি
    বাংলা বইয়ের উপহার কার্ড
    বাইশে শ্রাবণ

     

    অনেকের ধারণা, নানা রকমের পাশ্চাত্য সুর মিশিয়ে নতুন সুর রচনা করা আধুনিক সঙ্গীতের বৈশিষ্ট্য। কথাটা বোধহয় সম্পূর্ণ সত্য নয়। ১৭৯২ সালে মহারাজা সুখময় রায়ের গৃহে, হিন্দুস্থানি সঙ্গীতের সঙ্গে ইংরেজি সুর মিশিয়ে, আমন্ত্রিত সাহেব ও বাঙালিবাবুদের শোনানো হয়েছিল, দুর্গোৎসব উপলক্ষে। ইয়োরোপের অনুকরণে যে ‘আধুনিকতা’ তার জন্ম হয়েছিল অষ্টাদশ শতাব্দীতে এবং কলকাতা শহরের ধনিক বাঙালিদের দুর্গোৎসবে পর্যন্ত তা বিকটভাবে প্রকট হয়ে উঠেছিল।

    শ্রীমতী ফ্যানি পার্কস ১৮২৩ সালে কলকাতার এক ধনিক বাঙালির গৃহে দুর্গোৎসবের নিমন্ত্রিত হয়ে গিয়েছিলেন। উৎসবের যে বিবরণ তিনি দিয়েছেন, তা বিশেষ উপভোগ্য। একদিকের সারি সারি ঘরে নৈশভোজের আয়োজন করা হয়েছিল। গান্টার অ্যান্ড হুপার কোম্পানি খাদ্য—সরবরাহের ভার নিয়েছিল। সাহেব অতিথিদের জন্য বরফ ও ফরাসি মদ্য প্রচুর পরিমাণে ব্যবস্থা করা হয়েছিল। আর—একদিকের ঘরে বাইজিদের নাচ—গান চলছিল পূর্ণোদ্যমে। সাহেব ও বাঙালিবাবুরা আরামকেদারায় বসে, মৌজ করে, হিন্দুস্থানি বাইজিদের গান শুনছিলেন।

    বাঙালির দুর্গোৎসব প্রাচীনতম উৎসব না হলেও, শ্রেষ্ঠ জাতীয় উৎসব। যত দূর জানা যায়, ষোড়শ শতাব্দীতে মোগল আমলেই বাংলাদেশে শারদীয় ও বাসন্তী দুর্গোৎসবের প্রচলন হয়। কেউ কেউ বলেন, রমেশ শাস্ত্রী মহাশয়ের পরামর্শে তাহেরপুরের রাজা কংসনারায়ণ সাড়ে আট লক্ষ টাকা ব্যয় করে প্রথম শারদীয় দুর্গোৎসবের প্রবর্তন করেন। পরে তাঁর সঙ্গে পাল্লা দিয়ে ভাদুড়িয়ার (রাজশাহি) রাজা জগৎনারায়ণ প্রায় দু’লক্ষ টাকা ব্যয় করে বাসন্তী দুর্গোৎসব করেন। তারপর থেকে অন্যান্য হিন্দু রাজা—ভুঁইয়ারা নিয়মিতভাবে এই দুই পূজা আরম্ভ করেন। তখনকার গ্রাম্য সমাজের বৈশিষ্ট্যের গুণে এই দুর্গোৎসব স্বভাবতই একটা সামাজিক লোকোৎসবে পরিণত হয়। সমাজের গোড়ায় যে পরিবার, সেই বাঙালি পরিবার তখন শাখাপ্রশাখাসহ মহীরুহের মতন বিশাল যৌথ পরিবার। যত মাসি—পিসি—খুড়ি—জেঠি যেখানে যে আছেন এবং তাঁদের পুত্রকন্যারা, সকলে একত্রে না বাস করলেও পুজোর সময় এসে ঠিক জড়ো হতেন। এইভাবে প্রথমে গৃহে হত পারিবারিক সমাবেশ। তারপর গ্রামের যে যেখানে আছে সকল শ্রেণির ও সকল জাতের লোকের মধ্যে একটা কাজের সাড়া পড়ে যেত। পুজো যার বাড়িতে হোক—না কেন (সাধারণত অবশ্য জমিদার বা গ্রামের বড়লোকদের বাড়িতেই হত), তাতে যোগ দেবার জন্য ডাক পড়ত সকলের। তা সে চণ্ডালই হোক, আর ব্রাহ্মণই হোক। পরিবারের পিসিমা—মাসিমা থেকে গ্রাম্য সমাজের চণ্ডাল, ডোম, বাগদি, ব্রাহ্মণ সকলের একটা বিশেষ কাজ, এটা নির্দিষ্ট দায়িত্ব থাকত। সেকালের মেলার মতন দুর্গোৎসবের মধ্যেও আর্থিক লেনদেন ও সহযোগিতার একটা সুযোগ ঘটত। সমস্ত পরিবারের আত্মীয়স্বজন, সমস্ত পরিবারের লোকজন ঠিক একটা ইউনিটের মতন কাজ করত। বাস্তব জীবনের সমস্ত বিরোধের মধ্যেও মনের দিক থেকে রাখিবন্ধনের কাজ করত এই উৎসব। অচল অটল কূপমণ্ডূক গ্রাম্য সমাজে প্রাণসঞ্চার করত মধ্যে মধ্যে এইসব উৎসবপালপার্বণ। কিন্তু এই গ্রাম্য সমাজে ভাঙন ধরল ক্রমে এবং যার স্রোত নেই, প্রবাহ নেই, গতি নেই, তার পচন ধরাও স্বাভাবিক। ধরলও তা—ই। বর্ণভেদ ও জাতিভেদের উৎকট চাপে, বৈষ্ণব ও শাক্ত ধর্মের উগ্র যথেচ্ছারিতায় এবং সবার উপরে আর্থিক ক্রমাবনতির ফলে, সেকালের গ্রাম্য সমাজের মধ্যে যেটুকু গতিশীলতা ছিল তা—ও নষ্ট হয়ে গেল। গ্রাম হয়ে উঠল জীবনের কারাগার এবং অর্থ, বর্ণ ও শ্রেণির গারদ ভেদ করে আলোর পথ, মুক্তির পথ একেবারে বন্ধ হয়ে গেল। মোগল আমলেও একশ্রেণির নতুন জমিদার আমাদের দেশে তৈরি হয়েছিলেন, মানসিংহ ও তাঁর পরবর্তী শাসকদের কৃপায়, যাঁরা ক্রমে চরম ভোগবিলাসিতায় গা ভাসিয়ে দিলেন। তাঁদের মধ্যে নদিয়ার রাজা অন্যতম। এই সময়ে ইংরেজদের আবির্ভাব এবং সেই সঙ্গে একটা নতুন বাণিজ্যিক যুগের সূচনা। ইংরেজরা এসে প্রথমে নিজেরাই জমিদার হলেন, তারপর নতুন একশ্রেণির জমিদার—তালুকদার সৃষ্টি করলেন এবং নিজেদের লুণ্ঠনের বকযন্ত্র চালু রাখার জন্য দালাল, গোমস্তা, মুচ্ছুদি, দেওয়ান নিয়ে একশ্রেণির এ দেশি ‘জেন্টু’ গড়ে তুললেন। জমিদার ও জেন্টু উভয় শ্রেণির হাতে যথেষ্ট পয়সা জমল অবশ্য, কিন্তু পয়সার কোনো সদগতি হল না। অর্থাৎ স্বাধীন দেশের মতন মজুত পয়সা শিল্প—বাণিজ্যের ক্ষেত্রে অবাধে নিয়োগ করা সম্ভব হল না। সুতরাং হক্কের ধন ফক্কে উড়তে লাগল—বাঁদরের বিয়েতে ও বাপের শ্রাদ্ধে লাখ লাখ টাকা খরচ করে, বাইনাচে, টপ্পা খেউড়ে, বুলবুলির আর মেড়ার লড়াইয়ে, ইংরেজ প্রভুদের উপঢৌকন দিয়ে, উৎসব—পার্বণে বিদেশি প্রভুসেবা ও দেশি দরিদ্রনারায়ণের সেবা করে। এই সময় শুধু দুর্গোৎসবেই কলকাতার ধনী বাঙালিরা যে পরিমাণ অর্থ ব্যয় করতেন, তাতে আজকাল তিনটে পঞ্চবার্ষিক শিল্প—পরিকল্পনার ব্যয়সঙ্কুলান করা যায়।

     

    আরও দেখুন
    কৌতুক সংগ্রহ
    বাংলা বইয়ের আলোচনা ফোরাম
    বাংলা সাহিত্য
    ডিজিটাল বই
    Books
    গ্রন্থাগার
    বাংলা বই
    লাইব্রেরি
    PDF
    লেখকের বই

     

    তা—ও যদি উৎসবের একটা সুস্থ ধারা প্রবর্তনের উদ্দেশ্যে টাকাটা ব্যয় করা হত, তাহলেও না—হয় সান্ত্বনা থাকত। কিন্তু তা হয়নি। দুর্গোৎসবের সময় শহরের ধনী হিন্দুদের বাড়ি বাইনাচের আসর বসত। রাজা সুখময় রায়ের বাড়ি ছিল তার মধ্যে সবচেয়ে প্রধান। ১৭৯২ সালে তাঁর বাড়িতে যে নাচ—গানের আসর হয় উৎসবের সময়, তাতে হিন্দুস্থানি গান বিলেতি ঢঙে গেয়ে এক অভিনবত্ব দেখানো হয়। মহারাজা নবকৃষ্ণের বাড়ির দুর্গোৎসব সম্বন্ধে কেরি সাহেব বলছেন—‘The majority of company crowded to Raja Nabkessen’s where several mimics attempted to imitate manners of different nations.’ অর্থাৎ নানা জাতের বিচিত্র ভাবভঙ্গি অনুকরণ করে রঙ্গরসিকতা করা হত, প্রধানত বিদেশি জমিদার ও দেশি জেন্টুদের খুশি করবার জন্য। এইভাবে বাঙালির যে দুর্গোৎসব ছিল সর্বপ্রধান ‘ন্যাশনাল ফেস্টিভ্যাল’, তাকে ইংরেজ আমলের দেশি—বিদেশি জেন্টু ও জমিদাররা ‘গ্র্যান্ড ফিস্ট’—এ পরিণত করেন। উৎসবটা জাতীয় জীবনের বিচিত্র প্রকাশ না হয়ে, ধনদৌলতের বিকৃত ফ্যাশন হয়ে ওঠে।

    এর মধ্যে অবশ্য ইংরেজের কমার্স, রেলপথ, জমিদারি প্রথা, বাংলার গ্রাম্য সমাজকে ধূলিসাৎ করে দিয়েছে। নতুন আর্থিক ও মানসিক পরিবেশের মধ্যে যৌথ পরিবারেও দ্রুত ভাঙন ধরেছে। গ্রাম থেকে শহরের দিকে স্থানান্তরিত হয়েছে আমাদের কালচারের ভারকেন্দ্র। সুতরাং দুর্গোসবের ঐতিহাসিক বনিয়াদ আর নতুন যুগের ধাক্কায় টিকছে না দেখা যাচ্ছে। এর মধ্যে শহরের ‘জেন্টুরা’ তাকে যে নতুন রূপ দেবার চেষ্টা করলেন তা অত্যন্ত কৃত্রিম ও প্রাণহীন। আমাদের জাতীয়তাবোধের উদ্বোধনও হল অবশ্য এই দুর্গোৎসবকে কেন্দ্র করে, মনে হল যেন উৎসবের নবরূপান্তর শুরু হল। কিন্তু ঐতিহাসিক নিয়মেই তা হল না। আজও অবশ্য দুর্গোৎসবকে সত্যকার জাতীয় উৎসবে পরিণত করার চেষ্টা হচ্ছে, বিশেষ করে যাঁদের সুস্থ রুচিবোধ, শিক্ষাদীক্ষা আছে, তাঁরা তো করছেনই। নানা রকমের মেলা ও প্রদর্শনীরমধ্যে তার পরিচয় পাওয়া যায়। কিন্তু এ দেশি জেন্টুদের প্রবর্তিত ধারাও আজও অক্ষুণ্ণ রয়েছে। পূজামণ্ডপে ‘লারে লাপ্পা, লারে লাপ্পা’ গান শুনলে, মার্কিনি ঢঙে কোনো হিন্দুস্থানি অভিনেত্রীর রেকর্ডের ঘন ঘন আবর্তন কানে এলে মনে হয় যেন সুখময় রায়ের সেই বিলেতি ঢঙের হিন্দুস্থানি গান শুনছি। মনে হয়, ‘কলকাতা কালচার’—এর পরিবর্তন হয়েছে, তার সঙ্গে বাঙালির দুর্গোৎসবেরও—একেবারে ‘যা দেবী সর্ব্বভূতেষু’ থেকে ‘লারে লাপ্পা’ পর্যন্ত, নিধুবাবুর টপ্পা থেকে ফুলকুমারীর হলিউডি গজল পর্যন্ত।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleবাদশাহী আমল – বিনয় ঘোষ
    Next Article বাংলার সামাজিক ইতিহাসের ধারা – বিনয় ঘোষ

    Related Articles

    বিনয় ঘোষ

    কলকাতা শহরের ইতিবৃত্ত ২ – বিনয় ঘোষ

    November 4, 2025
    বিনয় ঘোষ

    জনসভার সাহিত্য – বিনয় ঘোষ

    November 4, 2025
    বিনয় ঘোষ

    বাংলার বিদ্বৎসমাজ – বিনয় ঘোষ

    November 4, 2025
    বিনয় ঘোষ

    বাংলার সামাজিক ইতিহাসের ধারা – বিনয় ঘোষ

    November 4, 2025
    বিনয় ঘোষ

    বাদশাহী আমল – বিনয় ঘোষ

    November 4, 2025
    বিনয় ঘোষ

    শিল্প সংস্কৃতি ও সমাজ – বিনয় ঘোষ

    November 4, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }