Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    কলকাতা শহরের ইতিবৃত্ত ১ – বিনয় ঘোষ

    বিনয় ঘোষ এক পাতা গল্প603 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ১৬. কাগজের কলকাতা

    কাগজের কলকাতা

    The ledger and the prospectus, the advertisement and the yellow journal, the world of paper, paper profits, paper achievements, paper hopes and paper lusts, the world of sudden fortunes on paper and equally grimy paper tragedies…Behold this paper city…

    Lewis Mumford

    .

    পাণ্ডুলিপির কাল্পনিক জগৎ থেকে আমরা ছাপাখানার ‘বাস্তব’ জগতে এলাম। এ যেন গ্রাম থেকে শহরে আসা, অন্ধকার থেকে আলোয়। ছাপাখানা, ছাপা বই ও ছাপা কাগজের চাপে তমসাবৃত পাণ্ডুলিপি—যুগের ভূত—প্রেত—ব্রহ্মদৈত্যেরা মনোরাজ্যে ঘন ঘন আনাগোনা বন্ধ করল। পরম নিশ্চিন্ত পাণ্ডুলিপির রোমান্টিক পরলোক থেকে আমরা ছাপা কাগজের রিয়ালিস্টিক ইহলোকে এগিয়ে এলাম। কিন্তু পাণ্ডুলিপির অনুকরণ করেই ছাপাখানার সূত্রপাত হল। পাণ্ডুলিপির হস্তাক্ষরের মতন করে ছাপার হরফ তৈরি করা হল। ঠিক পাণ্ডুলিপির আকারে ও ধরনে বইও ছাপা শুরু হল। যেন ওরাং—ওটাং, শিম্পাঞ্জি ও গোরিলার স্তর থেকে মানুষের স্তরে আমরা উন্নীত হচ্ছি। চলার ঢঙে ও চেহারায় তার চিহ্ন রয়েছে। পাণ্ডুলিপি থেকে প্রথম যুগের ছাপাখানায় পৌঁছনোর সময় পাণ্ডুলিপির অনেক বৈশিষ্ট্য আমরা সঙ্গে করে এনেছি। পুঁথির আকারে খোলা পাতায় ‘বাংলা বই’ ছাপা কে শুরু করেছিলেন জানি না, তবে পুঁথির ধরনে ‘সংস্কৃত’ বই বোধহয় ভবানীচরণ বন্দ্যোপাধ্যায়ই প্রথম ছাপাতে আরম্ভ করেন। মুদ্রাক্ষর যে হস্তাক্ষরের মতন হবে তাতে আশ্চর্য হবার কিছু নেই, কারণ হস্তাক্ষর ছাড়া অক্ষরের আর দ্বিতীয় নমুনা কোথায় পাওয়া যাবে? তবে পাণ্ডুলিপির বিশেষ টানা টানা হস্তাক্ষর নকল করে প্রথম যুগে বাংলা ছাপার হরফ তৈরি করার চেষ্টা নিশ্চয়ই উল্লেখযোগ্য।

    ইংরেজরা আসার অনেক আগেই পর্তুগিজরা আমাদের দেশে এসেছিলেন, সকলেই জানেন। গোয়া অঞ্চলে তাঁরা উপনিবেশ স্থাপন করেন এবং সেখানেই পঞ্চদশ শতাব্দীর শেষে বা ষোড়শ শতাব্দীর গোড়ার দিকে তাঁরা ইয়োরোপ থেকে দু’টি মুদ্রাযন্ত্র নিয়ে এসে স্থাপন করেন। ১৫৫৪—৫৭ সালের মধ্যে দু’একখানি খ্রিস্টধর্মগ্রন্থ তাঁরা পর্তুগিজ ভাষায় রোমান হরফে সেই ছাপাখানা থেকে ছেপে প্রকাশ করেন। সুতরাং এই বইকেই ভারতবর্ষে ছাপা প্রথম বই বলতে হয়। ভারতবর্ষে ছাপা, কিন্তু বিদেশি ভাষায় ছাপা। ভারতীয় ভাষায় প্রথম বই ছাপা হয় কোচিনে, ১৫৭৭ সালে। একজন, স্পেনীয় পাদরি সাহেব মালয়ালম তামিল অক্ষর তৈরি করে সেন্ট ফ্রান্সিস জেভিয়ারের ‘ক্রিশ্চান ডকট্রিন’ বইয়ের অনুবাদ প্রকাশ করেন—নাম ‘ক্রীষ্ট্য বন্নকনম’। ভারতীয় ভাষায় প্রথম ছাপা বই হল ‘ক্রীষ্ট্য বন্নকনম’। ‘বুদ্ধং শরণং গচ্ছামি’, বা ‘হরে কেষ্ট হরে কেষ্ট, কেষ্ট কেষ্ট হরে হরে’, করে নয়, ‘ক্রীষ্ট্য ক্রীষ্ট্য’ নাম করে আমরা এ দেশে প্রথম ছাপাখানা প্রতিষ্ঠা করেছি এবং তাতে প্রথম বই ছেপেছি। বুদ্ধ, বিষ্ণু, মহেশ্বর আমাদের পাণ্ডুলিপিতেই খুশি ছিলেন। প্রথমে অবশ্য যিশুখ্রিস্ট পাণ্ডুলিপির কাছেই মাথা হেঁট করেছিলেন। ক্রুশবিদ্ধ হবার দু’এক বছরের মধ্যে সেন্ট টমাস তক্ষশিলায় গন্ডোফার্নিসের দরবারে এসেছিলেন যখন, তখন পাণ্ডুলিপির স্বর্ণযুগ। ছাপাখানা তখন স্বপ্নেরও অতীত। প্রায় দেড় হাজার বছর পরে, আকবর বাদশাহের যুগে আমরা ছাপাখানার মুখ দেখলাম, অবশ্য যিশুখ্রিস্টের কৃপায়। ভারতবর্ষে ছাপাখানা ও ছাপা বইয়ের জন্ম হল ‘কেষ্ট’ নাম করে নয়, ‘খ্রিস্ট’ নাম করে।

     

    আরও দেখুন
    বাংলা বইয়ের আলোচনা ফোরাম
    বাংলা সাহিত্যের কোর্স
    বাংলা বইয়ের উপহার কার্ড
    ডিকশনারি
    নতুন বই
    বাংলা ডিকশনারি অ্যাপ
    বই ডাউনলোড
    বাংলা সাহিত্য ভ্রমণ
    ডিজিটাল বই
    কৌতুক সংগ্রহ

     

    বাংলা দেশে ছাপাখানা ও বই ছাপা তার অনেক পরে আরম্ভ হয়। তারিখ নিয়ে বাড়াবাড়ি করে লাভ নেই। এইটুকু মনে রাখলেই হল যে, বাংলা ভাষা ও বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে ১৭৭৮ সাল স্মরণীয় বৎসর, কারণ ১৭৭৮ সালে বাংলা ছাপার হরফের জন্ম হয় এবং হুগলি শহরে ছেনিকাটা বাংলা হরফে ছাপা আরম্ভ হয়। অবশ্য প্রথমে ছাপা হয় একখানি ইংরেজি বই—হলহডের A Grammar of the Bengali language, এবং এই ব্যাকরণে দৃষ্টান্তস্বরূপ কৃত্তিবাসি রামায়ণ, কাশীদাসি মহাভারত ও ভারতচন্দ্রর বিদ্যাসুন্দর থেকে অংশবিশেষ উদ্ধৃত করা হয়। চার্লস উইলকিন্স এই বাংলা ছাপার হরফ তৈরি করেন এবং তাঁর সহযোগীরূপে কাজ করেন বাঙালি পঞ্চানন কর্মকার। পঞ্চানন নিজে যে বাংলা ছাপার হরফ তৈরি করেন তা উইলকিন্সের অক্ষরের চেয়ে অনেক বেশি সুন্দর হয়। আজও আমাদের বাংলা ছাপার অক্ষর পঞ্চানন কর্মকারের হাতে তৈরি অক্ষরের গড়ন ছেড়ে নতুন কোনো গড়ন বা ছাঁচে তৈরি হয়নি। ছাপাখানায় যাঁরা কাজ করেন বা ছাপাখানা চালান, তাঁরা অনেকেই বোধহয় এই বাঙালি কর্মকারের কথা জানেন না। যাকে আমরা আজকাল ‘টাইপ ফাউন্ড্রি’ বলি, পঞ্চাননই প্রথম সেই ফাউন্ড্রি তৈরি করেন বাংলা দেশে।

    হুগলি শহরের এই প্রথম ছাপাখানার বিস্তারিত খবর কিছু জানা যায় না। তবে তার দু’বছর পরে ১৭৮০ সালে হিকি সাহেব তাঁর ‘বেঙ্গল গেজেট’ ছাপবার জন্য কলকাতা শহরে সর্বপ্রথম ছাপাখানা প্রতিষ্ঠা করেন এবং ১৭৮৪ সালে গ্লাডউইন সাহেব ‘দ্য ক্যালকাটা গেজেট’ প্রেস স্থাপন করেন। তারপর ‘দি অনারেবল কোম্পানিস প্রেস’, ‘দ্য ক্রনিকল প্রেস’, ‘ফেরিস এন্ড কোম্পানিস প্রেস’ ইত্যাদি প্রতিষ্ঠিত হয়, অষ্টাদশ শতাব্দীর মধ্যেই। ব্যাকরণ, অভিধান, আইনের বইয়ের অনুবাদ—এই নিয়েই বাংলা ছাপাখানা ও ছাপা বইয়ের সূত্রপাত হয়। ছাপাখানা ও ছাপা বইয়ের উদ্যোক্তারা প্রায় সকলেই বিদেশি—হলহেড, ডানকান, এডমনস্টোন, ফরস্টার, আপজন ও মিলার। বাংলা ছাপাখানা ও ছাপা বইয়ের জন্য এই কয়েকজন বিদেশি সাহেবদের কাছে এবং আমাদের পঞ্চানন কর্মকারের কাছে আমরা বিশেষ ঋণী। অষ্টাদশ শতাব্দী পর্যন্ত বাংলা ছাপাখানা ও ছাপা বইয়ের এই ইতিহাস। পাণ্ডুলিপির আলো—আঁধারের রোমান্টিক যুগ তখনও একেবারে শেষ হয়নি। গ্রাম্য জীবন থেকে কলকাতা তখন সবেমাত্র নাগরিক জীবনে পদার্পণ করেছে। শহরের বেশে গাত্রোত্থান করছে কলকাতা। ঊনবিংশ শতাব্দীর গোড়াতেও তাই আমরা কলকাতা শহরে পাণ্ডুলিপির বেশ প্রতিপত্তি দেখতে পাই। পেশাদার অনুলেখকরা তখনও বাড়ি—বাড়ি ঘুরে বেড়াচ্ছেন। ছাপাখানার শব্দ তখনও কলকাতা শহরে খুব বেশি শোনা যায় না। মাটির গ্রাম থেকে ইঁট পাথরের শহর হয়ে উঠছে কলকাতা, তখনও কাগজের শহর হয়নি।

     

    আরও দেখুন
    বই ডাউনলোড
    গ্রন্থাগার
    বাংলা বইয়ের আলোচনা ফোরাম
    Library
    বুক শেল্ফ
    PDF বই
    বাংলা ফন্ট সাবস্ক্রিপশন
    অনলাইনে বই
    বই পড়ুন
    বাংলা বইয়ের উপহার কার্ড

     

    না—হওয়া আশ্চর্য নয়। কারণ যে বিদেশি সাহেবরা আমাদের দেশে ছাপাখানা প্রতিষ্ঠা করেছিলেন, তাঁদের দেশের শহরও অষ্টাদশ শতাব্দীতে কাগজের শহর হয়ে ওঠেনি, হতে শুরু হয়েছিল বলা চলে। যদিও উইলিয়াম ক্যাকসটন ১৪৭৭ সালে ইংলন্ডের প্রথম বই ছেপেছিলেন তাহলেও ইংরেজি ছাপাখানা ও ছাপা টাইপ ঠিক হতে আরও প্রায় তিনশো বছর লেগেছিল। তার ত্রিশ—চল্লিশ বছর আগে, ১৪৪০ থেকে ১৪৫০ সালের মধ্যে জার্মানিতে গুটেনবার্গ ছাপাখানা আবিষ্কারের পরে ছোট বই ছাপা হয়ে লোকের হাতে হাতে ঘুরতে থাকে। তাহলেও অষ্টাদশ শতাব্দীতেই আধুনিক ছাপাখানা ও ছাপার হরফের জন্ম বললে ভুল হয় না। বড় বড় ইংরেজ হরফ নির্মাতা এই সময় জন্মগ্রহণ করেন—ক্যাসলন, বাস্কারভিল জন বেল প্রভৃতি। এঁদের প্রত্যেকের নামে টাইপের নাম আজও আছে—ক্যাসলন টাইপ, বাস্কারভিল টাইপ ইত্যাদি। ১৭৩৪ সালে ক্যাসলন, ১৭৫০ সালে বাস্কারভিল নতুন টাইপ ডিজাইন তৈরি করেন। জন বেল অনেক পুরনো ইংরেজি ছাপার হরফ সংস্কার করেন। যেমন ইংরেজি পুরনো ‘এস’ (৪) অনেকটা লম্বা ‘এফ’ (f)—এর মতন ছিল। ইংরেজ আমলের ভারতীয় ইতিহাসের মূলগ্রন্থ (হলওয়েল, বোল্টস প্রভৃতি) যা এই সময় ছাপা হয়েছিল, তা—ও সব ওই পুরনো অক্ষরে ছাপা, পড়তে খুব অসুবিধা হয়। বেল সাহেব এইসব টাইপ সংস্কার করেন এবং বই ছাপার ডিজাইনও বদলান। ১৭৮৫ সালে তিনি তাঁর নতুন অক্ষর দিয়ে শেক্সপিয়রের গ্রন্থাবলির একটি সংস্করণ ছাপেন। অষ্টাদশ শতাব্দীর এইসব সংস্কার ও আবিষ্কারের পর থেকেই ইংলন্ডে ছাপাখানার স্বর্ণযুগ আসে এবং বড় বড় শহর ক্রমে কাগজের শহরে পরিণত হতে থাকে ঊনবিংশ শতাব্দী থেকে।*

     

    আরও দেখুন
    অনলাইন বুকস্টোর
    কৌতুক সংগ্রহ
    পিডিএফ
    বাংলা বইয়ের উপহার কার্ড
    Library
    উপন্যাস সংগ্রহ
    বাংলা বইয়ের আলোচনা ফোরাম
    বাংলা ফন্ট সাবস্ক্রিপশন
    ডিকশনারি
    বাংলা স্বাস্থ্য টিপস বই

     

    ইংলন্ডেরই যখন এই অবস্থা তখন আমাদের দেশে কলকাতা শহরে বাড়ি—বাড়ি ঘুরে যে দু’চারজন বৈষ্ণবী অনুলেখিকা পাণ্ডুলিপি কপি করে জীবিকা অর্জন করবেন, তাতে আশ্চর্য হবার কিছু নেই। রামমোহন থেকে বিদ্যাসাগরের যুগ পর্যন্ত আমরা এই পাণ্ডুলিপি অনুলিখনের সংবাদ পাই, তারপর আর বিশেষ পাই না। অবশ্য রামমোহনের যুগ থেকে ছাপা শুরু হয়েছে, রীতিমতো না হলেও সবে শুরু হয়েছে। রামমোহন রায় যেটুকু প্রত্যক্ষ সামাজিক আন্দোলন করেছিলেন, তা—ও করা সম্ভব হত না, যদি না ছাপাখানা থাকত এবং বই ছাপা হত। ১৮১৮ সালের ২৬ ডিসেম্বর তখনকার ‘সমাচার দর্পণ’ পত্রিকার এক বিজ্ঞপ্তিতে জানা যায় :

    ‘কলিকাতার শ্রীযুক্ত রামমোহন রায় সহমরণের বিষয়ে এক কেতাব করিয়া সর্বত্র প্রকাশ করিয়াছেন। তাহাতে অনেক লিখিয়াছে কিন্তু স্থূল এই লিখিয়াছে যে, সহমরণের বিষয় যথার্থ বিচার করিলে শাস্ত্রে কিছু পাওয়া যায় না।’

    ১৮১৯ সালের ৪ ডিসেম্বর আর একটি বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয় :

    ‘সম্প্রতি মোং কলিকাতাতে শ্রীযুক্ত বাবু রামমোহন রায় পুনর্বার সহমরণ বিষয়ক বাঙ্গালা ভাষায় এক পুস্তক করিয়াছেন এখন তাহার ইংরেজি হইতেছে সেও শীঘ্র সমাপ্ত হইবেক।’

     

    আরও দেখুন
    পিডিএফ
    গল্প, কবিতা
    নতুন বই
    Library
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি কাগজ
    বাংলা সাহিত্য
    বাংলা গানের লিরিক্স বই
    বইয়ের
    PDF
    বাংলা বইয়ের প্রিন্ট কপি

     

    সহমরণ বিষয়ে বইগুলি যদি এইভাবে রামমোহনের পক্ষে ছাপিয়ে প্রকাশ ও প্রচার করা সম্ভব না হত, তাহলে তিনি তার বিরুদ্ধে কোনো সামাজিক আন্দোলন করতে পারতেন না, এবং সহমরণ প্রথা বন্ধ করাও ওই সময় সম্ভব হত না। বৈষ্ণবী অনুলেখিকাদের দিয়ে পাণ্ডুলিপি কপি করিয়ে কোনো সামাজিক আন্দোলন করা যায় না। পাণ্ডুলিপির যুগের সামাজিক আন্দোলন তাই অন্য উপায়ে ধর্মান্দোলনের ভিতর দিয়ে করতে হয়েছে এবং তা—ও কালেভদ্রে হয়েছে, খুব বেশি করা সম্ভব হয়নি। বিদ্যাসাগরের যুগের সামাজিক আন্দোলন যে অনেক বেশি জোরালো হয়ে ওঠে, তার অন্যতম কারণ এই ছাপাখানার বিস্তার এবং ছাপা বই ও পত্রিকার প্রচলন।

    ১৮২৪—২৫ সালে কলকাতা শহরে বিভিন্ন ছাপাখানায় ছাপা যেসব বইয়ের তালিকা সমসাময়িক পত্রিকায় দেখা যায়, তার মধ্যে অভিধান, ব্যাকরণ ও ধর্মগ্রন্থই প্রধান, তা—ও সংখ্যায় কুড়ি—বাইশখানা মাত্র। ছাপাখানার মধ্যে এই নামগুলি পাওয়া যায় :

    ‘কলুটোলায় চন্দ্রিকা যন্ত্রালয়

     

    আরও দেখুন
    গ্রন্থাগার
    বুক শেল্ফ
    পিডিএফ
    বাংলা সাহিত্যের কোর্স
    বাংলা হস্তলিপি কুইল
    বাংলা ডিকশনারি অ্যাপ
    ই-বই সাবস্ক্রিপশন
    অনলাইন বুকস্টোর
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি কাগজ
    লাইব্রেরি

     

    বহুবাজারে শ্রীলেবেণ্ডর সাহেবের ছাপাখানা

    মির্জাপুরে সম্বাদ তিমিরনাশক ছাপাখানা

    শাঁখারিটোলায় মহেন্দ্রলাল ছাপাখানা

    মির্জাপুরে মুন্সী হেদাতুল্লার ছাপাখানা

    আর্পুলির ছাপাখানা’

    এরপর আরও পঁচিশ—তিরিশ বছরের মধ্যে, অর্থাৎ ঊনবিংশ শতাব্দীর মাঝামাঝির মধ্যে আরও অনেক ছাপাখানা স্থাপিত হয় এবং বটতলার ছাপাখানাও জাঁকিয়ে বসে। বটতলার প্রেস ও বটতলার স্বর্ণযুগও হল ১৮৪০ থেকে ১৮৭০ সাল। এই বটতলার অভিযানের সময় বোধহয় কলকাতা শহরের পেশাদার বৈষ্ণবী কপিস্টরা পৃষ্ঠপ্রদর্শন করেন। গলিতনখদন্ত ছাপা, ‘শবল কাবল ভূষি ভূষি সে কাবল’ (সকল কারণ তুমি, তুমি সে কারণ) গোছের ছাপা হলেও, বটতলার ছাপা পাণ্ডুলিপির সমর্থক ও পেশাদার কপিস্টদের কাছে নাইটমেয়ারের মতন হয়ে দাঁড়িয়েছিল। কপি করতে বসলেই বোষ্টমি লেখিকারা হয়তো বটতলার ছাপাখানার দুঃস্বপ্ন দেখতেন। কারণ বড়তলার ছাপাখানার টাইপ যা—ই হোক, ছাপা যা—ই দাঁড়াক, তার দুঃসাহসের তুলনা হয় না। যে—কোনো বই হোক, চৈতন্যচরিতামৃত থেকে আজয়েব ছোলেমানি কাব্য পর্যন্ত, বটতলার প্রকাশকরা তা ছাপাখানায় ছেপে প্রকাশ করতেন। ছাপাখানার প্রথম যুগে আমাদের দেশের বড় বড় ধনী জমিদাররা অনেকে যে তার বিরোধিতা করেছিলেন, তারও প্রমাণ পাওয়া যায়। অর্থাৎ সাধারণ লোকের মধ্যে বিদ্যা ও জ্ঞান বিতরণ করতে তাঁদের আপত্তি ছিল, তা ছাড়া গোঁড়ামিও ছিল। ধর্মগ্রন্থ ছাপা হবে, এ তাঁরা ভাবতেও পারতেন না। তাই তাঁরা পাল্লা দিতে আরম্ভ করেছিলেন প্রেসের সঙ্গে। দলবদ্ধ হয়ে তাঁরা পেশাদার অনুলেখকদের দিয়ে ধর্মগ্রন্থ কপি করিয়ে দান করতে আরম্ভ করলেন। হঠাৎ এই সময় বোষ্টম—বোষ্টমি কপিস্টদের কিছু রোজগার বাড়ল বটে, কিন্তু পাল্লা দেওয়া সম্ভব হল না। বটতলার প্রকাশকদের অভিযানের সামনে জমিদারের পাণ্ডুলিপির ষড়যন্ত্র টিকল না। বটতলার জয় হল, তথা ছাপাখানার ও লোকসাধারণের।

     

    আরও দেখুন
    বাংলা ই-বুক রিডার
    বই ডাউনলোড
    বাংলা রান্নার রেসিপি বই
    ই-বই সাবস্ক্রিপশন
    লাইব্রেরি
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি টিউটোরিয়াল
    Books
    উপন্যাস সংগ্রহ
    পিডিএফ
    রেসিপি বই

     

    বটতলার যুগের আগে কলকাতা শহরে বইয়ের দোকানও যে বিশেষ ছিল তা মনে হয় না। তার আগের প্রায় সমস্ত ছাপা বইয়ের বিজ্ঞপ্তিতে দেখা যায়, প্রকাশক বা গ্রন্থকার ক্রেতাদের কোনো বাড়ি থেকে বই কিনে আনতে অনুরোধ করছেন। যেমন: ‘ছয় তঙ্কা মূল্যে যাহার লইবার বাঞ্ছা হয় তবে মোং উত্তরপাড়ার শ্রীযুত দুর্গাচরণ মহাশয়ের বাটীতে অথবা মোং কলিকাতার শ্রীযুত দেওয়ান রামমোহন রায় মহাশয়ের সৈসোয়িটী অর্থাৎ আত্মীয় সভাতে চেষ্টা করিলে পাইবেন…’ (১৮১৮)। ‘যে মহাশয়ের লইবার বাসনা হইবে তিনি মোং কলিকাতায় শ্রীগঙ্গাকিশোর ভট্টাচার্যের আপীসে কিংবা মোং শ্রীরামপুরের কাছারি বাটীর নিকটে শ্রীজান দেরোজারু সাহেবের বাটীতে তত্ত্ব করিলে পাইতে পারিবেন’ (১৮১৮)। ‘যে মহাশয়দিগের ঐ পুস্তক লইতে মানস হইবেক তাঁহারা মোং কলিকাতার জোড়াসাঁকোর পূর্বে জোড়া পুখুরিয়ার নিকট শ্রীযুত জয়কৃষ্ণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাটীতে উপস্থিত হইয়া লইবেন। প্রতি পুস্তকের মূল্য জেলেদ সমেত লইলে ৪।।০ সাড়ে চারি টাকা দিতে হইবেক জেলেদ সমেত না লয়েন চারি টাকা দিলে পুস্তক পাইবেন।’

    পরিষ্কার বোঝা যায়, বইয়ের দোকান তখনও চালু হয়নি কলকাতায়। প্রধান কারণ, পাঠকসংখ্যা এবং ছাপা বইয়ের সংখ্যাও এমন হয়নি বা বাড়েনি যে তা—ই নিয়ে ব্যবসায়ের জন্য দোকান খোলা যেতে পারে। যেসব ‘মহাশয়ে পুস্তক লইতে মানস’ হত, তাঁরা শ্রীরামপুর—উত্তরপাড়া পর্যন্ত দেরোজারু সাহেবের বাড়িতেও গিয়ে নিয়ে আসতেন। তাঁদের সংখ্যা খুব কম, হাতে গোনা যায়। মনে হয়, বটতলার যুগ থেকেই কলকাতা শহরে বইয়ের দোকান প্রথম চালু হতে থাকে—তা—ও চিৎপুর অঞ্চলে ও চীনাবাজারের, কলেজ স্কোয়্যারে নয়। গোলদিঘি তখনও গ্রন্থতীর্থ হয়নি।

     

    আরও দেখুন
    রেসিপি বই
    বই পড়ুন
    বাংলা সাহিত্যের কোর্স
    বইয়ের
    বাংলা লেখকদের সাক্ষাৎকার
    ডিকশনারি
    বাংলা কৌতুক বই
    Library
    বাংলা ডিকশনারি অ্যাপ
    অনলাইনে বই

     

    .

    বটতলার স্বর্ণযুগ থেকে কলেজ স্ট্রিটের স্বর্ণযুগ পর্যন্ত প্রায় একশো বছরের ইতিহাস। এই একশো বছরের মধ্যে কলকাতা শহর ধীরে ধীরে কাগজের শহরে পরিণত হয়েছে। আধুনিক মার্কিন শহরের দিকে চেয়ে বিখ্যাত সমাজবিরোধী লুইস মামফোর্ড যে কথা বলেছেন, আধুনিক কলকাতা শহরকেও নিঃসন্দেহে তা—ই বলা যায়। ইট—পাথরের কংক্রিটের কলকাতা শহরকে আজ কাগজের শহরই বলা উচিত। কারণ, ইটপাথর—কংক্রিটের দেয়ালও আজ ছাপা পোস্টার প্ল্যাকার্ড হ্যান্ডবিল বিজ্ঞাপন ইস্তেহারে আচ্ছাদিত। ছাপাখানার এ—ও এক আশ্চর্য কীর্তি। ছাপাখানার দৌলতে আমরা মানুষের চিন্তাধারাকে যেমন মুক্ত করেছি, তেমনি এক বিচিত্র ‘কাগজেও কালচার’ও সৃষ্টি করেছি। আমাদের এই আধুনিক কলকাতা কালচারকে বলা যায় কাগজের কালচার। ঘুম ভেঙে ছাপা খবরের কাগজ থেকে দিনের শুরু হয়, সারাদিন ছাপানো বই, কাগজ, ফাইল, চিঠি, স্মারকলিপি, ইস্তেহার বিবৃতির মধ্যে কেটে যায়, রাত্রেও ঘুমিয়ে ঘুমিয়ে কাগজের স্বপ্ন দেখি—কাগজের তাড়া তাড়া নোট, চমৎকার ছাপা কাগজের সব ক্যাশ—সার্টিফিকেট, বন্ড, শেয়ার—সার্টিফিকেট ইত্যাদি। কাগজের স্বপ্ন দেখতে দেখতে ভোর হয়, খবরের কাগজ বুকে করে উঠে বসি। যা কিছু চিন্তা করি কাগজে, যা কিছু বলি সবই কাগজে। স্বপ্ন, ভালবাসা, প্রেম, প্রতিশ্রুতি, আশা—আকাঙ্ক্ষা, কামনা, বাসনা সবই আজ ছাপা কাগজে রূপান্তরিত। মৃত্যুর পরেও কাগজের ছাপা অক্ষরে অমরত্ব লাভ করি, কাগজের অমরত্ব। মনে হয় এত কাগজ, এত বই, এত সংবাদপত্র, পত্রিকা, এত রেকর্ড, রিপোর্ট, চিঠিপত্র, বিবৃতি, ম্যানিফেস্টো, এত ফাইলের স্তূপ, কাগজের পাহাড়—এর স্থান হবে কোথায় শহরে? সমস্ত ছাপা কাগজ হাজার হাজার, লক্ষ লক্ষ টন ছাপা কাগজ যদি আবর্জনাস্তূপে পরিণত হয়ে আবার নতুন কাগজ তৈরির কাঁচামাল না হত, তাহলে এতদিনে আমরা কাগজের স্তূপের তলায় সমাধিস্থ হয়ে যেতাম। এই হল ‘কাগজ দর্শন’ বা ‘পেপার ফিলোজফি’—অর্থাৎ কর্মজীবনের ভূমিকা শেষ করে ভস্ম হয়ে উৎসমূলে ফিরে যাওয়া এবং নতুন কাগজ তৈরি হয়ে এসে আবার ছাপার বিচিত্র বেশ ধারণ করা। তারপর আবার আবর্জনা, আবার কাঁচামাল, আবার সাদা কাগজ। ছাপা কাগজ যদি সাদা কাগজ না হয়ে যেত, তাহলে এতদিনে এই কাগজের সভ্যতায়, কাগজের কলকাতা শহরে, আমরা কাগজের তলায় চাপা পড়ে নিশ্চিহ্ন হয়ে যেতাম। কাগজের কলকাতার ‘কাগজ কালচার’—এর বিশেষত্ব এইখানে, কাগজি বিশেষত্ব। শহর কলকাতার দিকে চেয়ে তাই মামফোর্ডের মতন বলতে ইচ্ছা হয়,

     

    আরও দেখুন
    বাংলা বইয়ের আলোচনা ফোরাম
    বাংলা সাহিত্য
    ই-বই সাবস্ক্রিপশন
    বাংলা সাহিত্যের ওয়ার্কশপ
    বাংলা বইয়ের উপহার কার্ড
    লেখকের বই
    বইয়ের তালিকা
    বাংলা বই
    বাংলা স্বাস্থ্য টিপস বই
    PDF

     

    ‘Behold this paper city!’।

    .

    * এ বিষয়ে যাঁরা বিস্তারিত ইতিহাস জানতে চান, তাঁরা আমার ‘জনসভার সাহিত্য’ গ্রন্থ পাঠ করতে পারেন।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleবাদশাহী আমল – বিনয় ঘোষ
    Next Article বাংলার সামাজিক ইতিহাসের ধারা – বিনয় ঘোষ

    Related Articles

    বিনয় ঘোষ

    কলকাতা শহরের ইতিবৃত্ত ২ – বিনয় ঘোষ

    November 4, 2025
    বিনয় ঘোষ

    জনসভার সাহিত্য – বিনয় ঘোষ

    November 4, 2025
    বিনয় ঘোষ

    বাংলার বিদ্বৎসমাজ – বিনয় ঘোষ

    November 4, 2025
    বিনয় ঘোষ

    বাংলার সামাজিক ইতিহাসের ধারা – বিনয় ঘোষ

    November 4, 2025
    বিনয় ঘোষ

    বাদশাহী আমল – বিনয় ঘোষ

    November 4, 2025
    বিনয় ঘোষ

    শিল্প সংস্কৃতি ও সমাজ – বিনয় ঘোষ

    November 4, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }